আমার প্রিয় পোস্ট
- অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা... - ত্রিভুজ
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- বব ডিলান, তার একটি গান “ব্লোয়িং ইন দ্যা উইন্ড” এর অনুবাদ আর কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - ফাহাদ চৌধুরী
- বিদ্যাশ (আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক - ত্রিভুজ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা - ত্রিভুজ
- জ্বালা ও যন্ত্রণা : ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি - মাহবুব মোর্শেদ
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
স্যাক্রিফাইস
০১ লা আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১০:২৬
সেদিন কাজের প্রচণ্ড চাপ ছিল। ক্যাম্পাস ছাড়লাম রাত দশটায়। মানে ডেডলাইন ক্রস করে।
আমার রাত করে বাসায় ফেরা নিয়ে বাসায় বেশ কথাবার্তা হওয়ার পর আমি প্রমিস করেছিলাম যে দশটার মধ্যে অবশ্যই ফিরব। কিন্তু একমাস পরই সেটা ব্রেক করতে হল। বাস স্টপেজের দিকে হাঁটা দিলাম। পেছন থেকে পরিচিত স্বর শুনে দেখি বাঁধন। এগিয়ে এসে বলল- চল তোকে একটা লিফট দেই। আমি বললাম- আচ্ছা। গাড়িতে বসেই ও ঝিমোনো শুরু করল। সেই সাথে মাইলসের একটা বোরিং গান... আমার্ও ঘুম পাচ্ছিলো। ডাক দিয়ে বললাম- আর গান পেলি না?
ও আবার মাইলসের খুব ভক্ত। গানটা তাড়াতাড়ি বন্ধ করে দিয়ে বলল- এই গানটা অত ভাল না বাট পরের গুলো ভালো। মেটালিকা শুনবি?
আমি বললাম তোরা ছেলেরা যে কি পাস ওর মধ্যে, আর পিংক ফ্লয়েড তো আরেক পাগলের গুষ্টি(এটা বললাম ওকে খ্যাপানোর জন্য)। এবার ওর ঘুম পালালো। উঠে বসে বলল- দেখ, মাইর খাবি।
আমি বললাম- দেশপ্রেমিক হ, বাংলা গান শোন।
এবার ও কোমর বেঁধে আলোচনা শুরু করল(আমি জানতাম যে এটাই হবে)। বাইরে অল্প অল্প বৃষ্টি হচ্ছে তখন।
ইউনিভার্সিটি থেকে বাসা দীর্ঘ ভ্রমণ- এক ঘণ্টা মিনিমাম লাগে। জ্যাম থাকলে আরো বেশি। ভাবছিলাম চা পেলে মন্দ হত না। হালকা মেজাজে ওর কথার উত্তর দিচ্ছিলাম। হঠাৎই একটা কথা কানে খট করে লাগল। ও বলছিল- দেশ আমাদের কি দিয়েছে যে আমরা দেশে থাকব?
আমি বললাম তুই দেশকে কি দিয়েছিস? দেখ, তুই একটা রিনাউন্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়িস। তোর বাবা ভাল জব করে আর তোর যা যা দরকার তার প্রায় সবই তোকে প্রভাইড করতে পারে। তুই এই দেশের লাখ লাখ ছেলের চেয়ে অনেক লাকি। হয়তো তোর যা মেরিট তাতে তুই আরেকটু বেটার এডুকেশন ডিজার্ভ করিস, হয়তো সুনাগরিক হিসেবে আরো কিছু সুযোগ সুবিধা তুই দাবি করতে পারিস। কিন্তু এটাও তোকে ভাবতে হবে যে ইউরোপকে তুই তৈরি করিস নি। ইউরোপিয়ানরা করেছে। তুই কি ভাবিস যে ওরা কোন স্যাক্রিফাইস ছাড়া এগুলো পেয়েছে?
ও বলল- দেখ বড় বড় কথা বলাই যায়। ভাল কাজ করতে গেলে কেউ হেল্প করে না। মেধার কোন মূল্যায়ন নেই। আমাদের পলিটিশিয়ানদের কথা বাদই দিলাম।
আমি বললাম যে, বাদ দেব কেন? তোর সিভিক সেন্স আছে, তুই রাইট রং বুঝিস, তুই কেন পলিটিক্স করছিস না? আসল কথা হল আমরা সুবিধাবাদী। পড়াটা শেষ করে লন্ডন বা ম্যাঞ্চেস্টারে থাকলে আমরা আরামে জীবন পার করে দিতে পারি। অত ঝামেলায় যাব কেন, তাই না?
ও চেঁচিয়ে উঠল- তুই বোধ হয় যাবি?
আমি বললাম যে আমার তো সেই ক্ষমতা নাই... যে মানুষের সাথে ভাল ইন্ট্যারঅ্যাক্ট করতে পারে, যে ভাল অর্গানাইজার (বাঁধন আবার একাজটা ভাল পারে)এবং সেই সাথে ভাল মানুষ তারই তো উচিত ও লাইনে যাওয়া তাই না?
ও খানিকক্ষণ চুপ থাকল। পরে ধীরে ধীরে বলল দেখ দেশের জন্য যে করতে চাই না তা না। কিন্তু কোন মূল্যায়ন হয় না।
আমি বললাম- মূল্যায়ন চাস কেন? একটা কথা বলি শোন, অনেক বড় স্যাক্রিফাইস ছাড়া অনেক বড় অ্যাচিভমেন্ট আসে না। একটা সময় কিছু মানুষ এই দেশটার জন্য তাদের লাইফ স্যাক্রিফাইস করেছে। আর ওরা আমাদের মতই ইয়াং ছিল। ওদের্ও অনেকের দারুণ প্রসপেক্ট ছিল সামনে। শোন, ইয়াং জেনারেশন এরকম সেলফিশ বলেই এদেশটা আর এগোতে পারছে না। চেঞ্জ একটা আমরা সবাই মনে মনে চাই কিন্তু তার জন্য এতটুকু স্যাক্রিফাইস করতে কেউ রাজি না।
ও চুপ করে র্ইল।
আমি বললাম কথাটা শুধু তোর জন্য না। যত মেধাবী ছেলেমেয়ে বিদেশে সেটল করে তাদের সবাইকেই বলি আমি- এই হতভাগা দেশটাকে যেন ভুলে না যায়; মাটির ঋণ কিছুটা হলেও যেন শোধ করার চেষ্টা করে।
ও কোন কথা না বলে বাইরে তাকিয়ে রইল। ওদিকে বন জো ভি তার প্রাণবন্ত কণ্ঠে It's my life! বলে আর্ও সেলফিশ হ্ওয়ার জন্য inspire করে যেতে লাগল আমাদের।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
মুনিয়ার দুনিয়া এতটা বড় যে আমি কিনারা পাচ্ছিনা। কাছাকাছি সময়ে দুইটি পোস্ট করেছেন। কোনটাতে ঢুকি...
৫
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
মুকুলের ৫ এর সঙ্গে আমার দেড়... কারন পুরোটা পড়তে পরা যায়নি।
কালপুরুষ বলেছেন:
আগের লেখাগুলোর মতই সাবলীল, মেসেজ সমৃদ্ধ। গোছানো লেখা।
কৌশিক বলেছেন:
ফ্যান।
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
পারফেক্ট ব্লগিং। ধরে রাখুন এই ধারা। সত্যিই ভাল লেগেছে।
মনে হচ্ছে আপনি আগে লিখতেন কোথাও।
(সত্যিকারের ভাল লাগা ছাড়া "অনুভূতি শূন্য কেউ একজন" এই মরা হাটে লগইন করে না।)
চলুক। আপনার লেখা পড়বো।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
চলছেনা, এমন কথাকি মুনিয়া বলেছেন কোথাও?
আউটসাইডার বলেছেন:
দারুণ
অনুভূতি শূন্য কেউ একজন বলেছেন:
লেখা প্রসঙ্গে মন্তব্যব্যক্তিগত কষ্ট থেকে সেই অনুভূতিটুকু বুঝি, দেশে ফেরার আর কিছু করবার তাগিদ।
কিন্তু, নিজের পায়ের নীচে মাটি শক্ত না হলে কীভাবে দেশমায়ের পদতলে কিছু দেয়ার কথা চিন্তা করা যায় বলুনতো?
সবাই বোধহয় এই চিন্তাটা করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত নানান শেকলে আটকা পড়ে আর ফিরতে পারেনা।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
নিজের ঢোল নিজেই বাজান, গুডগার্ল!
কালপুরুষ বলেছেন:
সো. অলি, মুনিয়ার হাতে কী ঢোল আছে? আমি তো দেখতে পাচ্ছি না। ঢোলের শব্দওতো শুনতে পেলাম না। দারুন চোখ আর কান বটে আপনার! আমরা যত অন্ধ, কালা।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
মাবুদ আপনাদের তৌফিক দিন। আমিন...
মুনিয়া বলেছেন:
রাকিব, আপনি আমাকে তুমি করে বলছেন কেন?
টটিন বলেছেন:
দেশকে নিয়ে আমিও অনেক স্বপ্ন দেখি..কিন্তু..মানসিকতার পরিবর্তন সবচেয়ে জরুরি। সহমত @ রাকিব। অকারন স্যাক্রিফাইস কোন পরিবতন আনে না।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
কথাটা ঠিক..... কিন্তু বড় স্যাক্রিফাইস আপনি একটা করলেন, লাভ হল না, তখন? মাঝখান দিয়ে আপনার life টাই গেল। ইতিহাসে আপনাকে দেশদ্রোহী.... ইত্যাদি হিসেবে দেখানো হবে। লাভটা কি?তারচেয়ে তো it's my life ভালো পদ্ধতি।
মদন বলেছেন:
গুড গার্ল
অন্যরকম বলেছেন:
মাহবুবা আখতার@, বড় স্যাক্রিফাইস বলতে কি শুধু life দেওয়া মনে করেন? ঘুষ না খাওয়া ত একপ্রকার স্যাক্রিফাইস। যেমন honestly চলা এরকম স্যাক্রিফাইস। আমরা ত সবসময় শুধু আমাদের নিয়েই ব্যস্ত থাকি, প্রতিদিন যদি ১ঘন্টাও দেশের জন্য কিছু করি সেটাও ত স্যাক্রিফাইস (এ সময়ের জন্য)। ফিলিস্তিন ছেলেদের আত্মঘাতি হামলা যেমন স্যাক্রিফাইস, তেমনি বাসার কাজের ছেলেটিকে লেখাপড়া করানো স্যাক্রিফাইস ('দ্বায়িত্ব' না হয় নাই বললাম)।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
অন্যরকম, honestly চলাটা কোন স্যাক্রিফাইস না আর কাজের ছেলে থাকাটা কোন সুষ্ঠু সমাজব্যবস্থা সমর্থন করে না।
মুনিয়া বলেছেন:
মধুমিতা, সাজানো ভাবছেন কেন বুঝলাম না। আমরা বন্ধুরা এরকম আলোচনা অনেক সময়ই করি। তবে লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
অন্যরকম বলেছেন:
"honestly চলাটা কোন স্যাক্রিফাইস না" এটা আমিও জানি, বাংলাদেশে honestly চলা একরকম স্যাক্রিফাইস (আপনি মানেন আর নাই মানেন।)। কাজের ছেলে থাকাটা কোন সুষ্ঠু সমাজব্যবস্থা সমর্থন করে না। কিন্তু বাংলাদেশে এটাই বাস্তবতা। এবং এই সমাজ ব্যবস্থা পরিবর্তন করার জন্যই স্যাক্রিফাইস করা দরকার।
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
আমাদের দেশে চেঞ্জ আনতে চাইলে শুধু honestly চলা আর কাজের ছেলেকে লেখাপড়া শেখানো দিয়ে হবে না। এজন্য দরকার বিশাল একটা বিপ্লব। আর সেটা লাইফ স্যাক্রিফাইস ছাড়া হবে না।
অন্যরকম বলেছেন:
"honestly চলা আর কাজের ছেলেকে লেখাপড়া শেখানো" এটা ত শুধু উদাহরণ হিসেবে দিয়েছি। এরকম আরও অনেক কিছু আছে।"এজন্য দরকার বিশাল একটা বিপ্লব। আর সেটা লাইফ স্যাক্রিফাইস ছাড়া হবে না।" সব বিপ্লবের জন্য লাইফ স্যাক্রিফাইস দরকার এই ধারনা মনে হয় ঠিক না। ১০০% শিক্ষিত জনগন তৈরীর জন্য লাইফ স্যাক্রিফাইস করার দরকার নেই। আবার মোটামুটি দুর্নীতিমুক্ত জাতি গড়ার জন্যও লাইফ স্যাক্রিফাইস করার দরকার হবে না আশা করি।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
@ মাহবুবা, বিশাল বিপ্লবটা আকাশ থেকে আসবে। আকাশপানে চেয়ে থাকুন বিশাল বিপ্লবের আশায়। বর্তমানে honestly চলাটাই আমার কাছে সবচে বড় বিপ্লব মনে হচ্ছে। ভালো লেখা। কিন্তু তত্বকথা কয়জন মানে??
অন্যরকম বলেছেন:
সহমত @ ফ্রুলিংক্স। মাহবুবা কি রকমের বিপ্লব চাচ্ছেন সেটা আগে clear করেন।
শাওন বলেছেন:
মচৎকার লেখা । পাঁচটুশ ।
মুনিয়া বলেছেন:
রাকিবকে বলছি, যেখানে যে ইয়ারেই পড়ি, আমরা তো কেউ কাউকে চিনি না। সেজন্যই তুমি সম্বোধনটা ঠিক পছন্দ করতে পারিনি। আপনি ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন আশা করি। কথাটা রং সেন্সে নেবেন না প্লিজ। আর হ্যাঁ, অনেকে লেখাটা পড়ে মন্তব্য করছেন সেজন্য ভাল লেগেছে; তবে আমি চাইনি যে এটা আমাদের বিভক্ত করুক। মাহবুবা, ফ্রুলিংক্স, অন্যরকম... পরস্পরকে আক্রমণ না করে যদি সবাই মিলে বেটার কিছু ভেবে বের করার চেষ্টা করতেন, সেটাই কি ভাল হত না?
আহমেদ শারফুদ্দীন বলেছেন:
অনর লেখা খুব ভালা লাইগ্গে... আরঅ লেইক্কন এইরিম্মা গরি..
নীল জোনাকি বলেছেন:
বুঝলাম;আপনি অন্যরকম মানুষ!!!
আমাগোর বড় অন্যরকম মানুষ দরকার!!!!
যারা ব্যর্থ;যারা প্রচলিত নয় চলমান সমাজে!!!
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
হুমম
মুনিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ সন্ধ্যাবাতি, নীল জোনাকি। ধন্যবাদ মন ভাল না... আমার ছুটি শেষ, অনেকদিন হয়তো আর লেখা হবে না। তবে সময় পেলে চেক করব। ভাল থাকবেন সবাই।
ঘিরিঙ্গী বলেছেন:
ফানি এন্ড সিক
আরিফ খান বলেছেন:
বাংলা এবং ইংরেজির এত মিশ্রণ কেন?
মুনিয়া বলেছেন:
আসলে এটা একটা conversation- কোন সুচিন্তিত লেখা নয়। আমরা যেভাবে কথাগুলো বলেছি, সেভাবেই তুলে দিয়েছি। তবে স্বীকার করছি বাংলা ইংলিশ মিশেলের ব্যাপারটা।
অন্ধকার বলেছেন:
আমরা বড্ড বেশী সুবিধাবাদী, সেলফিশ!ভালো থাকবেন।
একটা ছোট্ট দ্বিমত, আমরা একে অপরকে চিনিনা বলেই কেউ কাউকে অনায়াসে তুমি বলতে পারি, আপনিতে দূরত্ব বাড়ে বলে মনে হয়। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মত জানালাম।
আপনি ভালো থাকবেন। লেখাগুলো ভালোই হচ্ছিল, কিছু সময় কি ব্যয় করা যায় না আমাদের মাঝে?
কালপুরুষ বলেছেন:
মুনিয়া, @অন্ধকার যা বলেছেন ভেবে দেখতে পারো। (আমি তুমি করেই বললাম)
আমি অনেককেই তুমি বলি কারন আমি জানি সে আমার চাইতে বয়সে অনেক ছোট। যেমন তুমি আমার ছেলের বয়সী হবে, সামনা সামনি তোমাকে আমি "আপনি" বললে তুমি নিজেই হয়তো বিব্রতকর অবস্থায় পরবে। এখন তুমিই বলো তোমাকে আমার কী সম্মোধন করা উচিত?
মুনিয়া বলেছেন:
কালপুরুষ, আপনার কথাটা বুঝলাম। কিন্তু অভ্যস্তুতার একটা ব্যাপার আছে... আমি আসলে অচেনা মানুষের মুখে তুমি শুনতে অভ্যস্ত নই। যাই হোক, ধন্যবাদ পরামর্শের জন্য।
মুনিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ যীশূ, অন্ধকার। আমার ইউনিভার্সিটি বন্ধ ছিল। ক্লাস শুরু হয়েছে এখন তাই খুব একটা সময় পাই না। তবে আমি চেষ্টা করব সময় বের করতে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















