আমার প্রিয় পোস্ট

মুনিয়া গুডগার্ল

বেস্ট ফ্রেন্ড

১১ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৩:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

ঘন্টাদুয়েক যাবৎ ক্যাম্পাসে চক্কর দিচ্ছিলাম সৌরভের সাথে। শেষকালে ও অস্থির হয়ে বলল- শালা হার্টলেস, আর কত হাঁটাবি? আমি বললাম- দুনিয়াতে হার্ট আছে শুধু কেয়ার তাই না? ও হেসে বলল- দোস্ত এমন লাজুক মেয়ে আমি আর দেখিনি। এত ছোট ছোট পা...
আমি চোখ গোল করে বললাম, ছোট পায়ের সাথে হার্টের কি সম্পর্ক? ও আমার পায়ের দিকে দেখিয়ে বলল- হার্টলেস মেয়েদের এরকম বড় বড় পা থাকে আর তারা এরকম বুটমার্কা জুতা পরে। আমি বললাম, তাহলে তো তুইও হার্টলেস, নাহলে আমার ফ্রেন্ড হলি কি করে? ও বলল- মাফ কর বাপ, বলছি কেয়া তোর চেয়েও ক্লোজ। একটু পর তানভীর এসে জুটল, তারপর রাশেদ। বুঝলাম ম্যারাথন কার্ড শুরু হবে। আমার ইচ্ছা ছিল না। বললাম, উপর থেকে আসছি। বারান্দায় ক্রিস্টিন দাঁড়ানো ছিল। দেখে ডাক দিল- ডার্লিং... আমি যেতে যেতে যাত্রা স্টাইলে পুরনো ডায়ালগ দিলাম- সুন্দরী, বল কী অভিলাষ তোমার? ও একটা ফ্লাইং কিস দিল, আমি ব্যাক করলাম। তারপর এসে বলল- দোস্ত একটু গান শুনব- কাম মা' লেইডে
আমি দাঁড়িয়ে ওর প্রিয় অংশটুকু গেয়ে দিলাম- ইউ মেইক ইওর লেগস শেইক ইউ মেইক মি গো ক্রেইজি। এর মধ্যে তানভীর এসে বলল,ওর সাথে শপিং এ যেতে হবে- বোনের জন্য বার্থডে গিফট কিনতে। উপরে আর যাওয়া হল না।
যেতে যেতে অনেক গল্পই হল। ঐদিন ওর মন একটু উদাস ছিল। জিজ্ঞেস করল- আচ্ছা, আমি তোমার কেমন ফ্রেন্ড?
আমি বললাম- ক্লোজ। তখন ও বলল- কয়টা ক্যাটাগরি আছে, মানে... আমি বললাম- জাস্ট ফ্রেন্ড, গুড ফ্রেন্ড, ক্লোজ ফ্রেন্ড, বেস্ট ফ্রেন্ড,বয়/গার্ল ফ্রেন্ড- কয়টা হল?
- পাঁচ, যাক আমি তাহলে ভালো পজিশনে আছি। ক্রিস্টিন কেমন?
- গুডফ্রেন্ড
- আচ্ছা, বেস্ট ফ্রেন্ড কে?
- আপাতত সৌরভ।
- আপাতত না, আমি জানতে চেয়েছি অল থ্রু।
- ছোটবেলার ফ্রেন্ডগুলো বাদ, কারণ তখন মানুষের পার্সোনালিটি থাকে না। ট্রু ফ্রেন্ড যাকে বলে সম্ভবত সেটা আমার প্রথম হয় ক্লাস সিক্সে।
- নামটা বলা যায়?
- ইমন।
- খুব সুন্দর ছিল নাকি?
- আমার চোখে। ও ভীষণ কালো ছিল- নিগ্রোদের মত। মোটা কাল ঠোঁট, আর ঝকঝকে সাদা দাঁত- ওর হাসিটা ছিল অসাধারণ। লেখাপড়ায় মোটামুটি ছিল। ও ভাল দৌড়াত, সব গেমসেই ভাল করত। অনেকগুলো চ্যাম্পিয়নশিপ ছিল ওর- স্কুলে অবশ্য। আমি ওর একদম বিপরীত ছিলাম- ক্যারম আর দাবা ছাড়া কোন খেলার ধারেকাছেও থাকতাম না। তবু আমাদের ফ্রেন্ডশিপ হয়েছিল। আমাদের সাথে আরেকজন ছিল- তানজিলা। আমি আর ইমন যেমন ছিলাম ও ঠিক তেমন ছিল না। যাইহোক, আমরা ক্লাস সেভেনে উঠলাম। আমাদের বন্ধুত্ব গাঢ় হয়ে উঠছিল। আমরা টিফিন শেয়ার করতাম, স্কুলের যেসব জায়গায় যাওয়া মানা সেই জায়গাগুলোতে ঘোরাঘুরি করতাম, ক্লাসে গল্প করে টিচারকে অস্থির করে দিতাম কিন্তু লেখাপড়াতেও ভাল করতাম।
- তুই পারিসও।
- সেকেন্ড ডেস্কে তানজিলা, থার্ডে আমি আর ফোর্থে ইমন বসত। তুমুল আড্ডা চলত। আমি বেশি পড়তাম না কিন্তু ঝোঁক চাপলে পড়াশোনা করে হঠাৎ ফার্স্টও হয়ে যেতাম। তাই কিছু টিচার আমার ব্যাপারে কনসার্নড ছিলেন। আমাদের ম্যাথ টিচার আর সোশাল সায়েন্স টিচার ছিলেন তাদের মধ্যে। একদিন ম্যাথ ক্লাসে স্যার আমাদের সিট চেঞ্জ করে দিলেন। আমি আমার জায়গায় রইলাম। ইমন আর তানজিলা ক্লাসের দুই প্রান্তে। আমি দুদিনেই অস্থির হয়ে গেলাম। সুতরাং- ক্লাসটিচারের কাছে বললাম বিনাদোষে আমাদের এই শাস্তি কেন? ম্যাডাম আমাকে পছন্দ করতেন। সুতরাং আমরা আবার একসাথে। ওদিকে সোশাল সায়েন্স টিচার শুরু করলেন আরেক কাণ্ড। ক্লাসে এসে বলা শুরু করলেন আমি নাকি নষ্ট হয়ে যাচ্ছি খারাপ ফ্রেন্ডদের জন্য। ওদের জন্য নাকি আমার রেজাল্ট খারাপ হচ্ছে(কিছুটা খারাপ অবশ্য হয়েছিল- সেটাও ক্লাসে ফোর্থ হওয়া)। আমি পাত্তা দিতাম না।
একদিন অ্যাসেমব্লির আগে সিঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ছেলেমেয়েদের আসা দেখতে দেখতে কিছুক্ষণের জন্য তন্ময় হয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ মারাত্মক একটা চিমটি খেয়ে পেছন ফিরে দেখি ইমন আর তানজিলা জামা ধরে টানছে। আমি বিরক্ত হয়ে জামা ছাড়িয়ে নিলাম- দেখি ওরা নিচের দিকে কি যেন দেখাচ্ছে। তাকিয়ে দেখলাম সোশাল সায়েন্স টিচার দাঁড়িয়ে অদ্ভুত মুখভঙ্গি করে কিছু বলছেন। আমি সরে দাঁড়ালাম।
ঐদিন থার্ড পিরিয়ডে স্যারের ক্লাস। আমি পড়া শিখে যেতাম বলে স্যারকে ভয় পেতাম না(বেশিরভাগই খুব ভয় পেত)। তবে ঐদিন ইমন আর তানজিলা ভয় পাচ্ছিল। স্যার ক্লাসে ঢুকে অবশ্য স্বাভাবিকভাবে ক্লাস নেওয়া শুরু করলেন। ২৫ মিনিট পর বললেন- ইমন রহমান দাঁড়াও। ও দাঁড়াল। স্যার এগিয়ে এসে বললেন- আজকে কি করছিলে তুমি ওখানে?
- স্যার আমার প্রজেক্ট নিয়ে আসার কথা ছিল আমার গার্ডিয়ানের
স্যার আমাকে দেখিয়ে বললেন- ও কেন গেছিল তোমার সাথে?
- স্যার আমি ডাকি নাই, ও নিজেই গেছে
- তানজিলা দাঁড়াও। ওখানে কেন গেছ?
তানজিলা আমাকে দেখিয়ে বলল- স্যার ও আমাকে নিয়ে গেছে, আমি যেতে চাই নাই।
এসব কাণ্ড দেখে আমার খুব হাসি পাচ্ছিল। আমি মিটিমিটি হাসছিলামও। কিন্তু স্যার আবার ওদেরই বকা শুরু করলেন- মেয়েটা অনেক ভাল ছিল। তোমাদের সাথে মিশে মেয়েটা নষ্ট হয়ে গেছে, আর যেন তোমাদের ওর সাথে না দেখি। তানজিলা নীল ডাউন হও। ক্যাপ্টেন বেত আন।
এখানে একটা কথা বলে রাখি- স্যারের সম্ভবত ধারণা ছিল আমি সিনিয়র বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে গেছি। এরকম ব্যাপার ঘটত, তবে আমার বয়ফ্রেন্ড ছিলই না।
নীল ডাউন হয়ে তানজিলা বারবার বলতে লাগল যে ওর কোন দোষ নেই। কিন্তু ক্যাপ্টেন যেই বেত আনতে গেল, ও ঝরঝর করে কেঁদে ফেলল- আমি আসলে খুবই স্টুপিড, তখনো আমার হাসি পাচ্ছিল। শেষমেষ স্যার অবশ্য ওকে বেত মারে নি। আমি ব্যাপারটার কোন গুরুত্বই দেইনি কারণ আগেও টিচাররা আমাদের মানা করেছে একসাথে ঘুরতে। পরদিন কিন্তু ইমন আর তানজিলা আমার সাথে টিফিন খেতে বসল না। ডাকতে গেলে ইমন বলল- আমি চাই না আমার কারণে তুই খারাপ হয়ে যাস। তুই আর আমার সাথে মিশিস না। পরদিনও ও কথা বলল না। আমিও আর ট্রাই করলাম না। কিন্তু এক সপ্তাও টিকতে পারল না ও। আবার সেই পুরনো ট্রায়ো।
ক্লাস নাইনে উঠে কিন্তু ও কেমন পর পর হয়ে গেল। সব কথা আর শেয়ার করত না। দুদিন ওকে মুনমুনদের গ্রুপে দেখলাম। তারপর একদিন টিফিনে ওকে ডাকতে গিয়ে দেখি ঐ গ্রুপে, বলল- আসছি। হাত ধুয়ে এসে দেখলাম ও ঐ গ্রুপের সাথেই টিফিন করছে। আর ডাকলাম না। পরদিন যখন ওকে ডাকলাম ও কোন রিপ্লাই দিল না। তারপরের দুবছর আমরা একই রুমে ক্লাস করলাম কিন্তু একটা কথা হল না আমাদের মধ্যে। কলেজে ওঠার পর ওর কোন খবরই আর ছিল না আমার কাছে। কিন্তু ইউনিভার্সিটি ভর্তি কোচিং করার সময় প্রাইমেটের সামনে ওর সাথে দেখা হয়ে গেল। আমাকে দেখে ও-ই আগে হাই বলল।
আমি ভীষণ চমকে গেছিলাম। কোনমতে ওর নামটা বললাম।
- কেমন আছো?
- তুই আমাকে তুমি করে বললি? অবশ্য আমি ভেবেছিলাম তুই আমার সাথে আর কখনো কথা বলবি না। ও হেসে বলল- দুনিয়াটা অনেক বড়। আমার কেন যেন মনে হল হাসিটা আগের মত অকপট নেই। আমি বললাম- তাই নাকি?
- এই যে আমার নাম্বার, ইচ্ছা হলে কল করো।
বাসায় গিয়ে দুবার কল দিলাম। ঢুকলো না। রাগে দুঃখে ফেলে দিলাম কাগজটা। ফ্রেন্ডশিপ রিভাইভ হবে তা আশা করিনি। কিন্তু ভেবেছিলাম জানতে চাইব ও কেন এমন করল আমার সাথে। ওর আর কোন খবর জানি না। তবে এখনও রাতে শুতে যাওয়ার সময় ওর কথা মনে হয়, পরের দিনের প্ল্যান তো ওর সাথেই থাকত। আমার এরপরও অনেক ফ্রেন্ড হয়েছে। তবে কাউকেই আমি হৃদয়ের এত কাছে আসতে দেই নি। যারা খুব বেশি কাছে থাকে, তারাই সবচে ভয়ংকরভাবে হার্ট করতে পারে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৩:৫৪
হাসিব বলেছেন: গপ্প ভালো হয়নাই । ১ দাগালাম ।
২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৩:৫৮
মুনিয়া বলেছেন: এটা গল্প না, সত্য ঘটনা। গল্প বানাতে চাইলে গল্পই লিখব।
৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ রাত ৩:৫৯
শাইরি বলেছেন: পড়ার ধৈর্য হ্য় নাই। দুঃখিত। নো রেটিং।
৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৪:২৮
আশেক ইব্রাহীম বলেছেন: গল্পে ক্লাইম্যাকস্ নেই, বাংলা সিনেমা দেখেন.....
৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৪:৩১
মাহবুবা আখতার বলেছেন: ইমনের বোধহয় আচরণটার জন্য অনুশোচনা হয়েছিল। অনেক ভালো ভালো ফ্রেন্ডও অনেক সময় আশেপাশের মানুষের কারণে পর হয়ে যায়। এগুলো খুব দুঃখজনক ব্যাপার।
৬. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৪:৩৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: দূরররররররর।বহুতদিন পরে কাউরে ১ দিলাম।
৭. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:০৪
রাশেদ বলেছেন: স্যরি। ভাল হয় নাই, অনেক লম্বা কইরা ফেলছেন।
৮. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
হট্টগোল বলেছেন: বেশি প‌্যাচাইছেন। তবে আরো লেখতে থাকেন। ভালো গল্প লিখতে পারবেন। আপাতত উতসাহস্বরূপ ১ দিসি।
৯. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৫:৫৯
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমার ভাল লেগেছে কারন সত্য কথন মনে হয়েছে। এরকম অনেক কিছু আসলে খুব গাঢ় দাগ হয়ে থেকে যায়। ক্লাস টুতে, যেই মেয়েটাকে বেস্ট ফ্রেন্ড ডাকতাম, তার ছোট্ট একটা আচরন এত খারাপ লেগেছিল যে এখনও মনে আছে। এখনও মনে হয় যদি কখনও সুযোগ পাই, তাহলে বুঝার চেষ্টা করব কেন ওরকম করেছিল। ক্লাস এইটে আরেকজনের আরচনে প্রচন্ড কষ্ট লেগেছিল। আমার থেকে গোপন করেছিল, খুব ছোট একটা ব্যাপার। এত কষ্ট পেয়েছিলাম যে টানা দুই ঘন্টা কেদেছি। আমাদের সম্পর্ক নষ্ট হয় নি, কিন্তু সত্যি বলতে কি, সিডনী আসার জন্য যে 'হ্যা' সিদ্ধান্তে সায় দিলাম, তার পিছনে ওই ঘটনাটা ছিল। আমি কখনও জিজ্ঞাসা করি নি ওরকম কেন করেছে, কিন্তু এখনও ওকে চিনি, তাই বুঝি কেন করেছিল।


প্রিয় মানুষদের থেকে অনেক এক্সপেক্টেশন করা হয়, তাই কষ্ট পাওয়া হয় বেশি। হেই, আপনি আসলেই মেয়ে, ছেলেরা কেন যেন এই সব কথা বুঝে না, ওয়েইভলেংথটা টু এম্বিগিউয়াস হয় ওদের জন্য :))
১০. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:১৯
ঘাস-ফড়িং বলেছেন: ধন্যবাদ মুনিয়া
বেশ হয়েছে !!!!
১১. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:২৫
মাহবুবা আখতার বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি, ঠিক ধরেছেন "ছেলেরা কেন যেন এই সব কথা বুঝে না"। হাঃ হাঃ হাঃ
১২. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৩১
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি একজন রাজাকার সে এবং তার ফ্যামিলি জামাত রে চাদা দেয় আর জামাত সে টাকা দিয়া রগ কাটে আর মানুষ খুন করে। সন্ধ্যাবাতি আরো রাজাকাররা কেন রাজাকার ছিল সে নিয়া গবেষনা কইরা রাজাকারগো বেনিফিট আফ ডাউট দেয়
১৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
ডাক্তার আইজউদ্দিন বলেছেন: শিশুতোষ লেকা ১ দাগানো হইলো
১৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৮:১৫
নৈয়ায়িক বলেছেন: ০ দাগানোর কোনো উপায় না থাকায় কিছুই দাগানো হলনা।
১৬. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ সকাল ৮:২৫
প্রাগৈতিহাসিক বলেছেন: মোটামুটি হয়েছে। ১ দিলাম।
১৭. ১১ ই আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ১:০৫
শাওন বলেছেন: শেষের কথার জন্য ৫ দিলাম ।
###যারা খুব বেশি কাছে থাকে, তারাই সবচে ভয়ংকরভাবে হার্ট করতে পারে। ###
কথাটি ভয়ংকরভাবে সত্য কথা ।
১৮. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১১:৩৭
অযৌক্তিক বলেছেন: 'যারা খুব বেশি কাছে থাকে, তারাই সবচে ভয়ংকরভাবে হার্ট করতে পারে।'

>> কারণ তাদের কাছ থেকেই এক্সপেকটেশন বেশি থাকে আমাদের..তাদের কথাই চিন্তা বেশি করি তাই হার্ট হলে কস্টও বেশি লাগে...

লাস্ট লাইনটার জন্য ৫ দাগানো হল।
১৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ সকাল ১১:৪৬
মুনিয়া বলেছেন: শাওন, অযৌক্তিক- ধন্যবাদ আপনাদের।
অনেকে গল্প ভেবেছেন, কেউ ১ও দিয়েছেন। তাদেরও ধন্যবাদ। তবে ব্যাপার হল আমি রেটিং পাওয়ার যোগ্য অথবা একটা ''লেখা'' হিসেবে লিখিনি, লিখেছি শেয়ার করার জন্য। সেটা বোধহয় পেরেছি। আর হ্যাঁ, যারা এ থেকে বুঝেছেন আমাকে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
২০. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮
মুক্তপাখী বলেছেন: মুনিয়া,আমার কিন্তু আপনার এই লিখা ভাল লেগেছে এই কারনে যে আপনি সত্যটাকে অকপটে বলেছেন।তবে কারন ছাড়া এভাবে একটা ভাল সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবে--ঠিক বুঝলামনা।তবে শেষের এই কথাটা আমিও বিশ্বাস করি.."যারা খুব বেশি কাছে থাকে, তারাই সবচে ভয়ংকরভাবে হার্ট করতে পারে।"
২১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭
গন্ডার বলেছেন: চরম বিরক্তকর গল্প
২৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮
মুনিয়া বলেছেন: মুক্তপাখী, আউলা- ধন্যবাদ আপনাদের দুজনকেই।
২৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: ডাক্তার আইজুদ্দীনের অশ্লীল মন্তব্যটা অক্ষত রাখার মত রুচি আপনার আছে বলে আমি মনে করিনা। ওটা ডিলিট করে দিন, যেমনটা আমার ক্ষেত্রে করেন।
২৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
বৃত্ত বলেছেন: হুমমম...
+++
যারা খুব বেশি কাছে থাকে, তারাই সবচে ভয়ংকরভাবে হার্ট করতে পারে।

ভালো লাগল। কথাটা আসলেও সঠিক।
প্রিয় পোস্ট।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২১
জিহাদ বলেছেন: কখনো গুড ফ্রেন্ড,বেস্ট ফ্রেন্ড এর হিসেব গুলো ভেবে দেখার সময় পাইনি।যে পরিবেশটাতে কিশোরবেলার গুরুত্বপূর্ণ সময়টা কাটিয়েছি সে সময়ে অনেক জনের সাথেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাঁটতে হয়েছে।ওদের দু হাত ভরা বন্ধুত্ব কখনো কাউকে আলাদা করে ভাবতে শেখায়নি।সবাই একসাথে অনেক ভাল বন্ধু ছিলাম।ব্যাপারটা কেমন কেমন মনে হতে পারে বাট একটুও ভুল বলিনি। মিস করতে গেলে সবগুলার মুখ এক সাথে ভেসে ওঠে...

লেখাটা হয়তো একটু অগোছালো... কিন্তু পড়তে খারাপ লাগেনি...
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

লেখক বলেছেন:

হুমম... অগোছালোই। আসলে নিজেই অগোছালো হয়ে যাই এসব ভাবলে....

২৭. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪০
প্রিয়তি বলেছেন: 'যারা খুব বেশি কাছে থাকে, তারাই সবচে ভয়ংকরভাবে হার্ট করতে পারে। '

খাটি সত্যি কথা। তবুও কিছু মানুষ আছে জীবনে, অনেকদিন পরে দেখা হলেও বুকে টেনে। আমার জীবনে এই দু ই ধরনের বন্ব্দু এসেছে। আমরা সবাই খুব বোকা মনে হয়, যারা খুব ভালবাসা দেবার ভান করে তাদের দিকেই ছুটে যাই, কিন্তু পরে বুঝতে পারি, পুরোটাই ছিল স্বার্থ।

ভাল লাগলো।
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
আসলে কারো কারো লাইফে মনে হয় ট্র্যাজেডি এটা। এইরকমই ঘটতে থাকে।

২৮. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪১
অ্যামাটার বলেছেন: এক নি:শ্বাসে পড়লাম...
আসলে জীবনর চলার পথে আমাদের অনেক বন্ধুই আসে,
হয়ত বন্ধুত্বের সঙ্গায় তারা সবাই উৎরে যায়,
কিন্তু সত্যিকারের বন্ধু কি সবায় হতে পারে?
যার সাথে হৃদয়ের টান অনুভব করা যায়...
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন:
জানতে পারিনি এখনো....

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গুডগার্ল
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই