আমার প্রিয় পোস্ট
- অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা... - ত্রিভুজ
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- বব ডিলান, তার একটি গান “ব্লোয়িং ইন দ্যা উইন্ড” এর অনুবাদ আর কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - ফাহাদ চৌধুরী
- বিদ্যাশ (আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক - ত্রিভুজ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা - ত্রিভুজ
- জ্বালা ও যন্ত্রণা : ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি - মাহবুব মোর্শেদ
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
শীতল সঞ্জীবনী
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৬
আজ ঘুম থেকে উঠেই মোনার মনটা ভাল হয়ে গেছে। কারণ কিছুই না- পাগলা উত্তুরে হাওয়াটা।
দখিনা হাওয়াটাকে অত ভালোবাসে না ও। কেন যেন মনে হয়- দখিনাটা সবার অনেক ভালবাসা পায়, দীর্ঘ একটা জীবন আর জমজমাট সুন্দর সময় পায়। উত্তুরে কিন্তু অল্প কয়েকটা দিনের জন্য আসে। তাও ওর কাছ থেকে পালিয়ে থাকে সবাই- একটু ভালবাসা দেয় না ওকে। অথচ ও যে শীতল তার জন্য তো ও দায়ী না। কেমন যেন নিজের মত মনে হয় উত্তুরে এই হাওয়াটাকে। তাই ওর কাছ থেকে পালায় না মোনা। দুহাত বাড়িয়ে দেয়। সমস্ত বুক দিয়ে জড়িয়ে ধরে ওকে। কেমন অদ্ভুত শীতলতায় ওকে আবিষ্ট করে ফেলে পাগলাটা। ভাললাগার প্রচণ্ডতায় কেঁপে ওঠে ও। কিন্তু একটু পরই ওর মনে হয়- পাগলাটা কেবল পালাই পালাই করছে। ওর ভালবাসাটা কি বুঝতে পারছে না সে?
কেন বার বার এমন হয়...
অভিমানে ওর গলা বুঁজে আসে। চোখের কোণ ভিজে ওঠে। লুকিয়ে চোখ মোছে মোনা। এত চাপা স্বভাবের মেয়েটা...
নিজের ভাললাগা- খারাপ লাগা কোনটাই প্রকাশ করতে পারে না ঠিকমত। পারে না বললে ভুল হবে, করে না। ও ভাবে পৃথিবীতে মানুষের কত দুঃখ কত কষ্ট আছে- কি হবে নিজেরটা প্রকাশ করে অন্যদের কষ্টের বোঝাটাকে আরেকটু ভারি করে?
তাই কষ্টগুলোকে হৃদয়ের একান্ত গোপনে লুকিয়ে রাখে সে। যক্ষের মত আগলে রাখে- প্রতীক্ষায় থাকে সহস্র বছর পরের ঐ একটি দিনের, যেদিন সত্যিকারের দাবিদার হাজির হবে; সব কষ্ট ছিনিয়ে নেবে প্রতাপের সাথে, যোগ্য উত্তরাধিকারীর মত। তবে শুধু কষ্ট না, ওর সারা জীবনের যত ভাললাগা অবশিষ্ট থাকবে, তাও ও উপহার দেবে তাকে।
আচ্ছা, সত্যিই কি এমন দিন আসবে? যদি আসে, কত দূরে সেটা?
পাগলা উত্তুরেটা আবার জড়িয়ে ধরে ওকে। এক দমকায় ছিঁড়ে দেয় ওর চিন্তার জালটাকে। দুষ্টু ছেলের মত জালাতন শুরু করে। নাহ, আর পারা যাচ্ছে না। বাড়ির পেছনের যে বারান্দাটা জঙ্গলে নেমেছে, শীতে কাঁপতে কাঁপতে ওখানে গিয়ে দাঁড়ায় ও। হৃৎপিণ্ডটাও বোধহয় ঠাণ্ডা হয়ে গেছে ওর। তবু ভালো লাগছে...
আরে, কী অদ্ভুত ব্যাপার... কে যেন ফিসফিস করে কথা বলছে ওর কানে কানে
ওহ, এই ব্যাপার! খিলখিল করে হেসে ওঠে মোনা। পাগলাটা আজ কী প্রেমভাবেই না আছে- ভেবে আবার মিটিমিটি হাসে ও।
দমকা হাওয়ায় উড়ে আসা শুকনো পাতারা ওর পায়ে গড়াগড়ি খায়- মোনার কতদিনের বন্ধু ওরা!
কিন্তু আজ কিসে যেন ওকে উতলা করে দিয়েছে। পাতাদের বুক মাড়িয়ে নেমে পড়ে মোনা। পায়ের তলায় মচমচ করে ভেঙে পড়ে ওরা; কিন্তু শেষমুহূর্তে ডাক দেয় মোনাকে- আমাদের ফেলে কোথায় চলেছ মোনা? নতুন বন্ধু পেয়ে ভুলে গেলে আমাদের?
কিন্তু থামে না মোনা। আজ যে ওর চলার দিন। আজ যে ওর সাথী আছে। আজ তো কেউ থামাতে পারবে না ওকে। শুকনো পাতাদের মাড়িয়ে হেঁটে চলে দুজনে। আর গল্প করতে থাকে- কত গল্প- মোনার সব কথা জমে আছে যে।
চলতে থাকে মোনা পাগলা উত্তুরেটার সাথে। চলতেই থাকে। পথ যেনো আর ফুরোয় না।
একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে ও। এর চেয়েও উত্তরে কী আছে?- জিজ্ঞেস করে সে।
খুব খেয়ালী অথচ অসম্ভব সুন্দর করে হাসে পাগলটা। আলতো করে কাঁধটা চাপড়ে দেয় মোনার- যেন এগিয়ে যেতে বলে।
আবার চলতে শুরু করে মোনা। একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে সে। এ যেন ওর সেই চিরচেনা বন নয়। এ যেন অনন্ত বিস্তৃত এক সাম্রাজ্য। এবার দাঁড়িয়ে পড়ে মোনা। কোথায় যাচ্ছি আমরা?- ব্যাকুলভাবে প্রশ্ন করে সে। রহস্যময় হাসে পাগলা উত্তুরে হাওয়াটা। আজ তোমাকে আমার বাড়ি দেখাব- বলে সে।
বাড়ি? তোমারও আবার বাড়ি আছে নাকি?- অবাক প্রশ্ন মোনার। উত্তরে মৃদু একটা হাসি উপহার পায়।
আবার চলতে থাকে মোনা। সকাল গড়িয়ে দুপুর হয়, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। একসময় সন্ধ্যা নেমে আসে। ভীষণ ক্লান্ত হয়ে পড়ে মোনা। পা দুটো ভেঙে আসে ওর। তৃষ্ণায় ভেতরটা ফেটে যেতে চায়।
আর কতদূর? আমার যে খুব তেষ্টা পেয়েছে- ব্যাকুল হয়ে বলে ওঠে ও।
এইতো আরেকটু সামনে গেলেই আমার দীঘি, ওখানে হবে আমাদের শ্রেষ্ঠ রাত- কথাটুকু বলে সমস্ত বনটা এলোমেলো করে দিয়ে হেসে ওঠে পাগলা উত্তুরে হাওয়াটা। কী অদ্ভুত মাদকতা সেই হাসিতে!
কী সুধা ছিল জানে না মোনা- কিন্তু হাসিটার শেষবিন্দু পর্যন্ত যেন পান করে নেয় সে- তৃষ্ণার্ত মোনা; যেন কত বছরের তৃষ্ণা জমে জমে ওর ভেতর পর্যন্ত শুকিয়ে ফেলেছে।
কিন্তু তৃষ্ণা বেড়েই চলে ওর। একসময় আর্তনাদ করে ওঠে সে- আমি আর্দ্রতা চাই- আর পারছি না, ভেতরটা যে মরুভূমি হয়ে উঠেছে আমার।
হাঁটু ভেঙে পড়ে যায় মোনা। সাথের পাগলাটা এবার সর্বশক্তি দিয়ে জড়িয়ে ধরে ওকে। তুলে নিয়ে আবার এগিয়ে চলে। কিন্তু সেই খামখেয়ালি হাসিটা আর যোগায় না মুখে। সে তো শীতল শুষ্ক উত্তুরে হাওয়া। সে তো জীবনের সমাপ্তি দেখতে আসে। কোথায় পাবে সে আর্দ্রতা? কোথায় পাবে এই দুর্বল জীবনটার জন্য এতটুকু সঞ্জীবনী সুধা?
দুর্বার বেগে এগিয়ে চলে ও। কিন্তু হঠাৎই যেন ক্ষীণ কণ্ঠের করুণ একটা ডাক শুনতে পায় ও। অসহায় করুণ স্বর।
উপেক্ষা করে ও। থামা চলবে না কিছুতেই। পৌঁছতে হবে দীঘির কাছে- যে করেই হোক। পৃথিবীতে এই একজন তাকে ভালবেসেছে। তাকে বাঁচাতে হবে।
একসময় পৌঁছে যায় ও। সন্তর্পণে মোনার দেহটাকে নামিয়ে দেয় বিশাল বহুবর্ষী বটের তলে।
আর্দ্রতা, হ্যাঁ, সমস্ত দীঘিটাই এখন মোনার- ভাবে সে। উঠে যায় দীঘিটাকে পাগলা করে তুলে আনতে- প্রেয়সীর জন্য। আজ ওর অবগাহন হবে পৃথিবীর বিশালতম জলরাশিতে।
কিন্তু দুর্বল হাতে ওকে আঁকড়ে ধরে কী যেন বলতে চাইছে মোনা। থেমে যায় সে। জড়িয়ে ধরে মোনাকে। ওর বুকে কান পাতে। কিন্তু অবাক হয়- এ কী বলছে মোনা!
নিজেকে বিশ্বাস হয় না ওর।
তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরেছিলে কেন? আমার তো আত্মাটা জমে গিয়েছে। আমি তো মরে যাব। একটু উষ্ণতা দাও আমাকে। একটু উষ্ণতা। আমি বাঁচতে চাই- কাতরস্বরে অনুনয় করতে থাকে মোনা।
ক্ষীণ দুর্বল মৃতপ্রায় মোনা।
সব বুঝতে পারে উত্তুরে হাওয়াটা। ক্ষীণ কণ্ঠের এই কয়েকটা কথা চাবুকের মত কাটতে থাকে ওকে। এ কী করেছে সে? যাকে ভালোবেসেছে তাকেই হত্যা করেছে?
সাম্রাজ্য হারানো সম্রাটের মত নেতিয়ে পড়ে সে। মিশে যেতে চায় মাটির সাথে। ওর উষ্ণ অশ্রু ভারি ভারি মুক্তোর দানার মত ঝরে পড়তে থাকে মোনার বুকের উপরে। এই ওর শেষ সম্বল। আর কোন উষ্ণতা নেই ওর কাছে। আর কোন চিহ্ণ নেই জীবনের।
অশ্রুগুলো বিসর্জন দিয়ে অপেক্ষায় থাকে ও। কখন জেগে উঠবে ওর প্রিয়তমা। ওদিকে শুকনো পাতারা জমতে থাকে, একের পর এক। মোনাকে ঢেকে ফেলে ওরা। ভেতরে জমা থাকে উত্তুরে হাওয়ার দুর্লভ অশ্রু আর তারচেয়ে দুর্লভ উষ্ণতা।
মোনাকে বাঁচিয়ে রাখে ওরা সবাই মিলে।
একসময় বসন্ত আসে। হতাশ উত্তুরে হাওয়াটা বিদায় নেয়। আর দখিনা হাওয়া সব মরা পাতাদের উড়িয়ে নিয়ে চুমো দিয়ে যায় মোনার চোখে।
চোখ মেলে সে। কী অদ্ভুত সুন্দর পৃথিবী! দখিনাটা দৌড়ে আসে আবার। ফিসফিস করে বলে- তোমাকে বাঁচিয়েছি আমি।
এসো আমার সঙ্গে।
মুগ্ধ চোখে তাকায় মোনা। সেই দৃষ্টিতে কৃতজ্ঞতাও ছিল। দখিনা বাতাসটার সাথে উড়ে চলে মোনা। আজ এত হালকা লাগছে কেন নিজেকে? অবাক হয়ে ভাবে ও।
খুব খুশি লাগছে ওর। খুব বেশি। কিন্তু হঠাৎই ওর কষ্টগুলোর কথা মনে পড়ে যায়- আরে, ওরা কোথায়? ওদেরকে অনুভব করছি না কেন?
ওহ, এই ব্যাপার!
আস্তে আস্তে সব মনে পড়তে থাকে ওর। হ্যাঁ। একটা পাগলা উত্তুরে হাওয়া- শুষ্ক শীতল উত্তুরে হাওয়া। একটু উষ্ণতার লোভে যে জড়িয়ে ধরেছিল ওকে। অথচ ওর সব কষ্ট শুষে নিয়েছে ভুল করে।
সত্যিই কি ভুল করে? ভাবতে থাকে মোনা...
ওর ভাবনাটাকে এক ধাক্কায় উড়িয়ে নিয়ে যায় দখিনা হাওয়াটা।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা নাও মুনিয়ামুনিয়া পাখির গানের মতোই ভরে দিও দুনিয়া
দেরী করে জানা বলে দেরী করেই শুভেচ্ছা
এবার ছাড়ি বাসী খবর, টাটকা ঈদের শুভেচ্ছা।

শুভেচ্ছা তো শুভেচ্ছাই, আগে আবার পড়ে কি?

দোয়ায় করি ভালো থেকো সব দিন, সব সময়ই।
আমার আমি বলেছেন:
মুনিয়া.হাসন রাজার একটা ভালো গান আছে...আমার মন মুনিয়া রে , একদিন যাইবায়রে মুনিয়া আমায় ছাড়িয়া রে...
এই গানটা শুনার আবেদন থাকলো ।
কালপুরুষ বলেছেন:
ঝর্ণা কলম, আঙ্গুলের পরশ, মনের আবেগ, চঞ্চল ঝর্ণা, স্বচ্ছ জলের কাব্যধারা অতঃপর গড়ালো আপন ইচ্ছায়। উত্তরের শীতল বরফ দখিনা উষ্ণ আবেগে গললো নিজের অজান্তেই। টলটলে জলের মতো স্বচ্ছ লেখা। ভাল লাগলো। মোনা ভাল থাকুক।
মুনিয়া বলেছেন:
মুন, অনেক অনেক ধন্যবাদ। তবে একটা কথা, দেরি হয়নি তো, বরং আগাম হল। জন্মদিনটা আগামী পরশু।আমার আমি, শোনার ইচ্ছা থাকলো।
কালপুরুষ, অনেক ধন্যবাদ। আপনি এত সুন্দর করে মন্তব্য করেন কি করে? লেখাটা কি তার যোগ্য হয়েছে?
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
(লাজুক হাসি)
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
হুমম.... চমৎকার লিখেছেন তো!!! এরকম আরো লেখা চাই। ৫ দিলাম। ঈদ মোবারক।
যীনাত বলেছেন:
সত্যিই অসাধারণ লিখেছেন মুনিয়া। এধরণেন লেখা পড়তে খুব ইচ্ছে হলেও খুঁজে পাইনা সহজে। অনেক ধন্যবাদ সুন্দর লেখাটা উপহার দেবার জন্য।ওর ভাবনাটাকে এক ধাক্কায় উড়িয়ে নিয়ে যায় দখিনা হাওয়াটা।-এ অংশটা দারুণ। একেবারে 'ছোটগল্প, শেষ হইয়াও হইল না শেষ।'
নূরে আলম বলেছেন:
মুনিয়া পাখি, আমি নিজে সাহিত্য লেখালেখি না করলেও বুঝতে পারি। আপনার লেখাটা খুব ভালো হয়েছে। খুব সুন্দর হয়েছে।কী অদ্ভুত মাদকতা সেই হাসিতে!
মুনিয়া বলেছেন:
মাহবুবা, অনেক ধন্যবাদ। উৎসাহ পেলাম। ঈদ মুবারাক।যীনাত, আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
নুরে আলম, আমার লেখাটাকে 'সাহিত্য' পর্যায়ে কি ফেলা যায়? ভালো লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
আবূসামীহা, অনেক ধন্যবাদ, ঈদ মুবারাক।
কালপুরুষ বলেছেন:
ওরে ও পাগল হাওয়া-এমনতর আসা যাওয়া,
লাগে কী ভাল সজন বিহনে?
যারে আমি ভাবি নিভৃতে নিরজনে,
কোথা সে বেঁধেছে বাসা কোন বনে?
বল সখি বল সে থাকে কোন কাননে?
আমার এ কুঞ্জবনে, নিমিষে যে আঁধার ঘনে-
তারই বিহনে। আমি ভালবাসি তারে যতনে।
তুমি বিনা প্রিয় আর কে বা আছে মোর-
কে আর শুনিবে বলো হৃদয়ের বারতা মোর-
খোলো খোলো প্রিয় মনের সে রুদ্ধ দোর;
কেটেছে আঁধার দেখ এখন যে ঝলমলে ভোর।
কালপুরুষ বলেছেন:
এটা মুনিয়ার মনের ভাবনা। ড্রাফট। একটানে লিখেছি। কোথাও কোথাও ছন্দ, তাল কেটেছে মনে হলো। সংশোধন করে আবার পোষ্ট দেবো তখন এটা মুছে দুও।
কালপুরুষ বলেছেন:
দিও*
মানুষ বলেছেন:
ঈদ মোবারক
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন:
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা নাও মুনিয়ামুনিয়া পাখির গানের মতোই ভরে দিও দুনিয়া
প্রথমবারে ভুল করেছি, দ্বিতীয় বারে শুধরে নিই।
দোয়ায় করি ভালো থেকো সব দিন, সব সময়ই
মুনিয়া বলেছেন:
বিহংগ, অনেক ধন্যবাদ।সন্ধ্যাবাতি, ঈদ মুবারাক
...এটার থিমটা আলাদা, বোধহয় বোঝাতে পারিনি...তাহসিন সাঈদা মুন, অনেক অনেক ধন্যবাদ। মনটা ভালো হয়ে গেল।
শাওন বলেছেন:
কঠিন জিনিস বুঝতে নেই ।
মুনিয়া বলেছেন:
বটে!
মানুষ বলেছেন:
শুভ জন্মদিন
মুনিয়া বলেছেন:
থ্যাংকস আ লট, @মানুষ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
মোনাকে নিয়ে কবিতা লিখবো ভাবলাম, কিন্তু আজ হঠাত মনে পড়লো আমার মাথা থেকে কোনো কবিতা বেরুবে না। কালকে রাত থেকে এ সমস্যা, ছন্দ গুলো যেনো কোথায় আটকে আছে।যাই হোক প্রিয় পোস্টে ঈদ মোবারক আর শুভ জন্মদিন!
(কেমুন জানি নির্জলা কমেন্ট হয়ে গেলো!)
মুনিয়া বলেছেন:
উদাসী, সব কমেন্টে জল থাকলে নির্জলা হবে কারা?ওদেরও তো পোস্ট হওয়ার ইচ্ছা হয়...
থ্যাংকস ফর দ্য উইশ, ঈদ মুবারাক আপনাকেও
মুনিয়া বলেছেন:
থ্যাংকস রাকিব... আমি আছি ভালই। আপনি কেমন আছেন?আসলে আপনার জন্মদিন কবে জানি নাতো, তাই উইশ করা হয়নি। কবে জানিয়ে দেন একটু কষ্ট করে।
এরপর করবো ইনশাআল্লাহ
৫ এর বেশি দিতে পারলে ভাল লাগতো
মুনিয়া বলেছেন:
মেহরাব শাহরিয়ার, সত্যিই কি হিংসা করার মত হয়েছে?আমি তো লেখালেখি পারি না। তাও যা লিখি আপনাদের ভাল লাগলে ভাল লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে কষ্ট করে পড়ার জন্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
শুয়ে আছি নীল আকাশের নীচেশরতের সাদা মেঘগুলোর নানা আকার
আমার স্বপ্ন কখনো হাসি কখনো কান্না
শুধু ভলোবাসা আমার না, যার যার তার তার।
জানালা গুলো বন্ধ করেছে তার কপাট
ঘরের মাঝে মহাশূন্য খেলা করে আধার
পথে তাই নেমেছি একা, ক্লান্ত কখন
অশ্রু গুলো জমে আছে চোখের কোনায় আমার!
দক্ষিনা হাওয়া বয়ে যায় উড়ে যায় সুখ গুলো
দুঃখ গুলো ভর করে উত্তরার শীতলতায়
সাদা মেঘগুলো উড়ে যায় কাশ ফুলের গা ছুয়ে
ঘাস ফুল শুধায়," দুঃখগুলো বলবে কি আমায়?"
সুন্দর ভাবনা!
মুহিব বলেছেন:
ভাল হয়েছে
দেবদারু বলেছেন:
@মুনিয়া, অবশ্যই ৫ সুন্দর প্রকাশভঙ্গীর এই লেখাটির জন্য।
মুনিয়া বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ দেবদারু।
পুতুল বলেছেন:
পাগল হাওয়া যেন ঝর তুলনাআরো ধীরে ধিরে বওনা।
মুনির(মুনিয়া) কথন এই শুভ লগনে
মোদের সুখের সাথী হওনা।
খুব ভাল প্লট। অনেক অনুভূতি নিয়ে লেখা। ভার লেগেছে। প্রিয় পোষ্টে নিলাম পাঁচের বিনিময়ে।
মুনিয়া বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ চতুর্ভুজ...আমি হট টপিকে লিখতে পারি না।
যা লিখি সে ধরনের লেখা আবার পড়তেও চায় না সবাই...
আপনি এই লেখাটা পড়েছেন দেখে ভাল লাগছে
নাহিদ চৌধুরী বলেছেন:
আপনাকে অভিনন্দন মুনিয়া!
মুনিয়া বলেছেন:
নাহিদ চৌধুরী, ধন্যবাদ।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ঈশ, কতো দীর্ঘ গল্প। পড়তে পারলে কতো মজাইনা পেতাম!
মৃন্ময় আহমেদ বলেছেন:
শুভেচ্ছা কখনো বাসি হয় না.. তবে এ শুভেচ্ছা দিতে চাই বছরের পর বছর।। ভালো থাকুন।
রাহা বলেছেন:
মুনিয়া..... চেনা চেনা লাগছে লেখার ধরণ .... মনে হয় চিনি...
শিলা বলেছেন:
খুব ভালো লেখেন আপনি।৫
মুনিয়া বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ মৃন্ময়।রাহা, কিছু কিছু মানুষ মনে হয় এমনই যে তাদেরকে চেনা চেনা লাগে
, না চিনলেও সমস্যা নেই। এখন চিনবেন।থ্যাংকস আ লট শিলা। আমার ব্লগে আপনাকে পেয়ে ভালো লাগছে।
বিহংগ বলেছেন:
আমার এক দূর সম্পর্কের অতি আদরের বোনের নাম মুনিয়া। আপনাকে দেখলেই ওর কথা মনে পড়ে। আপনি ভালো আছেন। আমার গল্প পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
মুনিয়া বলেছেন:
আমি ভালো আছি বিহংগ, আপনি ভালো আছেন তো
?ধন্যবাদ দিতে হবে না, এত দারুণ একটা লেখা উপহার দিয়েছেন বলে আপনারই বরং ধন্যবাদ পাবার কথা।
বিহংগ বলেছেন:
হ্যাঁ,আমি ভালো আছি ,দয়াময়ের মেহেরবান।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি আমি জিতছি !
মুনিয়া বলেছেন:
কী জিতেছেন উদাসী?
জয়িতা বলেছেন:
দারুন লিখেছেন।প্রতিটি ভোরেই মোনার মন ভালো থাক, ভোরের স্নিগ্ধ রোদ স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে দিক মোনার মনের অলিতে গলিতে।
কালপুরুষ বলেছেন:
আমার কবিতায় নয়, তোমাকে দেয়া অফুরন্ত সন্মানে আমিও সন্মানিত হচ্ছি এখানে জায়গা পেয়ে।
মুনিয়া বলেছেন:
কালপুরুষ, বুঝতে পারছি না কী বলব...রাকিব, দেরি হয়ে গেল। তাও হ্যাপি বার্থডে(বিলেইটেড নেবেন না সামনের টার জন্য আগাম সেটা আপনার চয়েস
)
রঙ বলেছেন:
খুবই চমতকার লেখা হয়েছে.....অসাধারণ প্রকাশভঙ্গি..........৫ দিলাম....আর লেট হ্যাপি বার্থডে.......
মুনিয়া বলেছেন:
তারিক হাসান খান নিপু, পড়তে না পারলে কী হয়েছে? আমার ব্লগে ঢোকার জন্য থ্যাংকস!রঙ, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে; লেট হলেও উইশ পেতে ভাল লাগে...
সর্বদাবেলায়েত বলেছেন:
মুনিয়া আপু, আপনার লেখাটা সুন্দর লেগেছে। তবে অনেক দিন পরে পড়া হলো। ৫ দিচ্ছি। চমতকার লেখেন আপনি।আমার 'পিপি আপুকে মনে পড়ে' পোস্টে আপনি বলেছেন রাশেদ আর ক. গুরু'র প্রতি আমি বাজে মন্তব্য করেছি। কিন্তু আমি না সেটা খুঁজে পাচ্ছি না কিংবা বুঝতে পারছি না। একটু দেখেন তো, কি বিষয়।
লিংকটা দিয়ে দিচ্ছি : Click This Link
ধন্যবাদ।
মুনিয়া বলেছেন:
সর্বদাবেলায়েত, আমি বলিনি আপনার করা কমেন্ট। ওটা তোতা মিয়ার কমেন্ট ছিলো। রাশেদকে গালি দেওয়া হয়েছিল।এখন দেখলাম মুছে দেওয়া হয়েছে।
সেজন্য থ্যাংকস।
আর আমার লেখা ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগছে।
ওয়েলকাম টু মাই ব্লগ।
শাওন বলেছেন:
বোঝা কঠিন তো । আরো কয়েকবার পড়লে বুঝব @ মুনিয়া বেগম ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
মন মুনিয়া, জন্মদিন কেমন গেল ??
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
লম্বা লেখা। প্রথম অংশ পড়লাম, ভাল লেগেছে। আপনি ভাল লেখেন। ঘুম আসছে আমার খুব নইলে, হয়ত পুরোটা পড়তাম। এরপর, একটু ছোট করে এমন সুন্দর একটা লেখা লিখবেন নিশ্চয়ই।
কালপুরুষ বলেছেন:
এই মেয়ে! নতুন লেখা কই? আমাদের ফাঁকি দিচ্ছ। এটা ঠিক না।
মুনিয়া বলেছেন:
আইরিন সুলতানা, জন্মদিন গেল মিঠেকড়া...খোঁজ নেওয়ার জন্য থ্যাংকস!
বিবর্তনবাদী, চেষ্টা করব...
কালপুরুষ, পরীক্ষা সামনে; টেন্সড...
লেখা আসে না, পড়াও হয় না
রুড বলেছেন:
মুনিয়াদিদিভাই ভাল লাগে আপনার লেখা। এবার আমার একটা নিজের কথা কই ্যে 'কমপিউটার গুরু'র ব্যপারখান আমার পছন্দ হইতেছেনা।একটা প্রতিবাদ দরকার সরব্সম্মতভাবে। আপনি কি কন? ওনারে আমরা সকলে মিল্যা কেন ব্যান কইরতে বলুমনা বলেন? আপনি তো ব্লগে সুস্থ রুচির সমর্থক নিশ্চই?
মুনিয়া বলেছেন:
রুডদাদাভাই,লেখা ভাল লাগে জেনে ভাল লাগল।
'কমপিউটার গুরু' প্রসঙ্গে কী বলব... আসলে উনি সমকামী হতেই পারেন এটা তার পার্সোনাল প্রেফারেন্স। তবে একটা কমিউনিটিতে মেজরিটির ফিলিংস আর বিলিফের প্রতি রেসপেক্ট দেখানোর শিক্ষাটা বোধহয় ওনার ঠিকমত নেই।
ব্লগের কাদাছোঁড়াছুঁড়িতে আমি থাকি না।
আবার বেশিরভাগের সাথে আমার মতের মিলও হয় না।
আর ক. গুরুর ব্যাপারে যদি বলতে হয়, তাহলে এমন আরো অনেকেই আছেন যাদের লেখা আপত্তিকর(অশালীন, অরুচিকর অর্থে)।
তাহলে তাদেরও তো ব্যান করা উচিত। কিন্তু যা উচিত তা আমরা করি খুব কম।
আবার এখানে ব্যক্তিগত পছন্দ- অপছন্দের ব্যাপার, অনেক রকম ফালতু পলিটিক্স আছে যেগুলো আমার পছন্দ না।
ধরুন আপনাকে সমর্থন দিলাম, এটাকে নিয়ে অনেকে আবার অরুচিকর কথাবার্তা শুরু করল যেগুলো শুনে আমার খুব একটা ভাল লাগবে না।
যাই হোক, আমি ব্লগে সুস্থ পরিবেশ চাই।
সেজন্য আপনারা যদি কোন উদ্যোগ নেন তাহলে সাথে আছি।
মুনিয়া বলেছেন:
নীল জোনাকি, ছুটে যাওয়া তো অসম্ভব ভালো লাগে আমার...
মৌনতা বলেছেন:
ওরে বাবা ! আপনে তো দেখি ব্যাপক পপুলার। নির্বাচনে দাড়ান, আফটার অল রাজনীতিবিদদের যে অবস্থা....হ্যাপি বার্থ ডে...
ছেঁড়া মানুষের গল্প বলেছেন:
গল্পটা খুব চেনা মনে হচ্ছে। আমার এক মুনিয়া বন্ধু ছিলো, ছোড বেলাকার। মনে পড়ে ক্লাশ সিক্স/সেভেনের দিনগুলোর কথা। ডাবল ডেকার গাড়ি চড়ে আমরা ডিপো থেকে মিরপুর এগারোয় এসে নামতাম, ফের মিরপুর এগারো থেকে ডিপো...।
আমি মনে হয়না আমার কোনো পোষ্ট প্রথম পাতায় দিয়েছি (চিন্তায় আছি)
সবাই দেখলাম জন্মদিনের শুভেচ্ছা দিচ্ছে, আমার দিতে ক্ষিত কি? হু শুভ জন্মদিন। সাতকাহনের নায়িকা যেন না হতে পারেন সে কামনা করি
মুনিয়া বলেছেন:
মৌনতা, রাজনীতি টাজনীতি আমার দ্বারা হবেনা... উইশের জন্য থ্যাংকস

ছেঁড়া মানুষের গল্প, থ্যাংকস ফর দ্য উইশ..
সাতকাহনের নায়িকা সম্পর্কে কিন্তু কিছুই জানি না আমি।
শাওন বলেছেন:
আমি কিছুই বুঝতেছি না । সেদিন দুপুরে একজনের জন্য ৫ ইউরো খরচ করে দুপুরে খেলাম । এই খাওয়ার মানুষ শাওন না । বিশ্বাস করেন মুনিয়াপু । তবুও তার জন্য খেয়েছি ।
আর সেই আজকে যেন আর চিনতে পারছে না শাওনকে । ব্যাপারটা সুখকর নয় ।
মানুষ বলেছেন:
আপনি আর লিখছেন না কেন? আপনার লেখাগুলো ভাল লাগে।
মুনিয়া বলেছেন:
মানুষ, লেখা আসে না... দোয়া করেন, মাথা টাথা ব্ল্যাংক হয়ে গেছে সম্ভবত(আল্লাহ না করুন)শাওন, ব্যাপার জেনে খারাপ লাগছে ভাইয়া, সে কেন চিনতে পারছে না সেটা কি ইনভেস্টিগেট করেছ? কী যেন একটা রোগ (কাউকে বলতে গেলে মনে পড়ে না, আমার মেমোরি ভোঁতা হয়ে গেছে) হয়ে থাকতে পারে।
শাওন বলেছেন:
করেছি । গতকাল ধরে সেটিই করছি । কারণ বের হয়েছে । তবে আমি অন্য কারর মত না । অন্য ৪টি ছেলের মত আমি না ।হাহা , হাসি আসল । অন্য ৪টি ছেলের মত হয়ত না তবে তাদের থেকেও খারাপ । জানতাম এমনটি হবে । হয়ে আসছে এমনটি ।
মুনিয়া বলেছেন:
ধন্যবাদ ললিতা
আমি গত কয়েকদিন আপনার ব্লগ-বাড়ি ঘুরে গেছি নতুন লেখা পড়ার লাগি!
গুড গার্ল মুনিয়ার নতুন লেখা চাই।
৫
বিভাস চাকী বলেছেন:
হুম। মুনিয়া নতুন কিছু লিখুন আমাদের জন্য।
বিহংগ বলেছেন:
কি খবর কেমন আছেন।
ফারজানা১৬ বলেছেন:
আপনার লিখার স্টাইল এত সুন্দর!
মুনিয়া বলেছেন:
ফারজানা, থ্যাংকস!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















কারন আজকাল কোন কিছুতে ভালো লাগে না....পকেটে টাকা নাই