আমার প্রিয় পোস্ট
- অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা... - ত্রিভুজ
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- বব ডিলান, তার একটি গান “ব্লোয়িং ইন দ্যা উইন্ড” এর অনুবাদ আর কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - ফাহাদ চৌধুরী
- বিদ্যাশ (আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক - ত্রিভুজ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা - ত্রিভুজ
- জ্বালা ও যন্ত্রণা : ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি - মাহবুব মোর্শেদ
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
হায়রে ভালবাসা(= ভয়াবহ কষ্ট)! ভ্যালেন্টাইন চ্যাটিং আর কেমনে কি বলি...
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪
অনেক দিন পর একটা অফ পেলাম গতকাল।
ইন্টারনেটেই সারাটা দিন পার করলাম।এককালের চ্যাটার্জি(চ্যাট ফ্যানাটিক) আমি কতদিন পর যে মেসেঞ্জারে চ্যাট করতে বসলাম জানি না, তবে বহুসংখ্যক হতভাগা(= সিঙ্গল) দোস্তকে দেখলাম অনলাইন।
কথাবার্তা এরকম:
আমি: হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন দোস্ত।
দোস্ত-১: থ্যাংকস।
দো-১(৫ মি. পর): হালা
: কিতা?
: কি করস?
: বসে আছি। আমার তো কেউ নাই যে ঘুরতে যাব। তুই কি করিস?
: তুই কি ঐ পোলার লিগা এহনো কান্দস?
: না, এখন হেয় কান্দে।
: গুড। এইসব পোলারে কঠিন ডলা দেওনের কাম। তুই একটা ভালা মাইয়া। ওর থেকে অনেক বেটার ডিজার্ভ করস।
: ওয় কান্দে এতে আমি কুনো মজা পাই না।
: এক্স এর......(গালি)
: গালি না দিলে হয় না?
দোস্ত-১(এক ঘণ্টা পর): ওইই, আসস নি?
: হুম
: কি করস?
: কলিরে পটাই।
: ঐদিন বর্ষার প্রশংসা করলি। আজকে আবার কলি। শালার এলবি...
: হাহাহা। তুই কি করিস?
: একটা বিশেষ কামে বইয়া রইসি।
: বলা যায়?
: কাউরে কবি না তাইলে। আল্লার কসম ক'।
: আমাকে ট্রাস্ট করিস? করলে বল।
: একটা মাইয়ার লাইগা বইসা আসি। শালার মাইয়া জাইত লাই দিলে মাথায় ওঠে। আমারে দেহাইতাসে খালি। আইব কইয়াও আহে না।
: নেট এ?!!!!
: হ বেটা!
: ফোন লাগা
: না। ফোন দেওয়া যাইব না। আমি আরও অনেকক্ষণ থাইকা ওয়েট করতাসি। না আইলে চইলা যামু। আর না।
: কতক্ষণ ওয়েট করছিস?
: ৪/৫ ঘণ্টা।
: উপস। আজকে প্রপোজ করবি?
: না। করা যাবে না। ফ্যামিলি মানবে না।
: তাইলে বইয়া রইসস কেন? যা ঘুমা গিয়া।
: উঁহু। আলাপ করবো। তবু তো ভ্যালেন্টাইন...
: হায়রে পাগলরে....
দোস্ত-২(ফোনে): হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন ম্যাডাম! আজকে বেরোবেন না?
: আমার তো কেউ নাই। কেউ তো আমাকে বলে না আমার অমুক দিনে তোমার ভূমিকা কি?
: হায়রে... এমনে বাঁশ দিলি? বাসায় বসে কি করবি? আমাদের সাথে আয়।
: আহারে চান্দু। তোদের সাথে গিয়ে আরেকজনের খাওয়া দেখি হাভাতের মত, না? এইসবের শোধ নেব আমি। আমার কেউ নাই।
দোস্ত-৩(ফোনে): খবর কিরে তোর? দেখাই তো পাই না। কেমন আছিস?
: ঝাক্কাস।
: রিপোর্ট কেমন হলো?
: ফাটাফাটি। একা থাকার একমাত্র ভালো দিক হল যে পড়ার সময় অন্য চিন্তা মাথায় ঘোরে না।
: দোস্ত, একটা প্রবলেমে পড়েছি। একটা মেয়ে আমাকে খুব ভাল মনে করে ভালবেসে ফেলেছে। কিন্তু আমার ধারণা আমার ভালবাসার এবিলিটি শেষ হয়ে গেছে। আমি কিছুই ফিল করি না। ওদিকে মেয়েটার এমন অবস্থা- আমার নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।
: ধুর বেটা! অন্য খবর বল। পড়াশোনা কেমন হচ্ছে?
: খারাপ। পড়তে পারি না। দোস্ত আমার ধারণা আমি স্যাডিস্ট হয়ে যাচ্ছি...
: তোকে নিয়ে যে কি করব...
: দোয়া করিস। ভাল থাক।
বিশেষ একজনের ফোন:
সে: কেমন আছ? হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন।
আমি: ভাল।
: তুমি কি সত্যি ভাল আছ?
: হুঁ
: সত্যি না বল। মিথ্যা বলার দরকার কি? রিপোর্ট কেমন হল?
: ভাল। আমি ফোন রেখে দিতে চাই।
: প্লিজ না... আচ্ছা, আমি আমার কী দেই নি তোমাকে?
: সবই তুমি পেতে পারতে কিন্তু নিজেই আমাকে দূরে ঠেলেছ। এসব কথার আর মানে হয় না। প্লিজ।
: আমার ভীষণ কষ্ট হয়।
: এসব কথা আমাকে আর বলো না। তুমি আমাকে উইক করে দিতে চাইছ।
: উহুঁ। আমার বাম হাতটা ভেঙেছে। খুব খারাপ লাগছে তাই ফোন করলাম।
: ওহ... কিভাবে?
: থাক। তোমার ভয়েস শুনতে মন চাইছিল। এখন রাখি।
: কোথায় তুমি? কয়দিন লাগবে সারতে?
: দুই সপ্তা। ব্যান্ডেজ হাতে যে কি অসুবিধা... তুমি কাছে থাকলে সব কাজ তোমাকে দিয়ে করাতাম।
: তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠো। ভাল থাকো। আমি ফোন রাখি এখন।
: টেইক কেয়ার বেইবি।
: ইউ টু।
ফোনটা রেখে ব্ল্যাংক হয়ে বসে রইলাম। একটু ঘুমানোর প্ল্যান ছিল। ঘুম যে কোথায় উড়ে গেল... গলার ভেতরে জোর করে আটকে রাখা কান্নাগুলো বার বার ধাক্কা দিতে লাগল দরজা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টায়।
বুকের ভেতরে কিসের একটা তীব্র ব্যথার উপরে একটা কৃত্রিম হাসির প্রলেপ লাগিয়ে পাশ ফিরে শুলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হাসান মাহমুদ আিরফ বলেছেন:
হ-য-ব-র-ল মার্কা ফিচার
লেখক বলেছেন:
কোন সন্দেহ নাই, আসলেই সব হ-য-ব-র-ল....
হাসান মাহমুদ আিরফ বলেছেন:
tnx.....সত্য বলার সাহস আছে দেখছি ..........wellcome
না বলা কথা বলেছেন:
welcome বানান ঠিক কর
লেখক বলেছেন:
কিছুই বুঝলাম না.....
লেখক বলেছেন: আপনি কেমন আছেন? আপনার পোস্ট পড়ে তো চিন্তায় পড়ে গেছি। কি হয়েছে জানাবেন না আমাদের?
একটা এক্সপেরিমেন্টের রেজাল্ট শুনো। ছেলেরা কোএড স্কুলে রেজাল্ট তুলনামূলক ভাবে ভালো করে (বয়জ স্কুলের চেয়ে) আর মেয়েরা করে খারাপ (গার্লস স্কুলের চেয়ে)! এটার কারণ কি? মেয়েরা যখন প্রেম করে তখন সত্যিই প্রিঅকোপাইড থাকে ভালোবাসার মানুষটাকে দিয়ে, সারাটাক্ষন। কিন্তু ছেলেরা? প্রেমিকার সামনে থেকে সরবে তো মন থেকে মানুষটা পুরাপুরি উধাও! মেয়েদের একা থাকলেই পড়াশোনার জন্য সুবিধা হয়
ছেলেদের? ছ্যাকা খেলে সেলফ প্রাইডে লাগে, তখন প্রথম বারের মত সারাটাক্ষন ভাবা শুরু করে মেয়েটাকে নিয়ে... হায় রে ছেলেদের অর্থহীন প্রাইড!!! এই জন্য ছ্যাকা খাওয়ার পরে ছেলেরা রেজাল্ট খারাপ করে, মেয়েরা যেমনটা প্রেম করার সময় করে... হি হি হি।
চিয়ার আপ বাডি, রিপোর্ট ভালো হয়েছে শুনে আমার খুব ভালো লাগছে! দিস ইজ ওয়াট য়ু আর সাপোজড টু ডু... টেইক য়ুর টাইম, ঠিক মানুষটা ঠিক সময়ে চলে আসবে
লেখক বলেছেন:
![]()
থ্যাংকস। তবে এখনো তার খারাপ দেখে খুশি হতে পারি না। ভালবাসা খুবই বাজে ব্যাপার....
দুইজন মানুষই ভালো হতে পারে, কিন্তু, তারা দু'জন দু'জনের জন্য নাও হতে পারে। কোন কিছু ওয়ার্ক আউট না করলেই সেটা যে, ওই দু'জনের একজনের দোষ হতেই হবে, ব্যাপারটা এমন না। চেষ্টা করার পরে যখন দেখা হয়ে যায় একজন আরেকজনের জন্য না, তখন সেখানে উইস্টফুলি তাকানো অনর্থক! মুভিং অন ব্যাপারটায় মেয়েরা বরাবর ছেলেদের চেয়ে ভালো, নিজেকে মেয়ে প্রমান করো
লেখক বলেছেন:
![]()
আর প্রমাণ করার কিছু নাই। আপাদমস্তক মেয়ে.....
লেখক বলেছেন: অর্থ কী ভাই? আপনারা তো আমাকে আরো আউলা করে দিচ্ছেন....
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
বিবেক সত্যি বলেছেন:
মেহরাব ভাই বলতে চাইছেন, পোষ্টের প্রথমটা মজার ছিলো, শেষটা ভারী হয়ে গেছে..আমি বলছি, পোষ্টের শেষটায় প্রাক্তন চ্যাটার্জির কান্ডে আমার মনটা ভালো হয়ে গেছে ..
লেখক বলেছেন: ওহ! একেবারেই এঞ্জিনিয়ারদের মত হয়েছে। এত ম্যাথমেটিক্যাল এক্সপ্রেশন সহজে বুঝি না- আমার আর্কি ব্রেইনস...
বৃত্ত বলেছেন:
ভালো।ভ্যালেন্টাইনস ডে যে কী, তা আমি এই গাঁও-গিরামের মানুষ বুঝি না। শুধু পত্রিকায় দেখলাম, দেড় কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছে।
আপনি কি কোন ফুল কিনেছিলেন?
তবে নেট চ্যাটিংটা আমার খুব একটা ভালো লাগে না। আর আধাঘন্টার বেশি? অসহ্য।
যাহোক। ভালোই লাগল।
আর সন্ধ্যাবাতির সাথে আপনার কমেন্টগুলোও ভালো লাগল।
+
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি?
ভাল লাগল জেনে আমার আরো ভাল লাগল....
ধন্যবাদ + হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন ![]()
নাবিক বলেছেন:
বিয়ে কইরা সুখেই আছি, সিংগেলদের দুঃখ শুনলে কষ্টই হয় বৈকি। বিয়েতেই ভালোবাসা, বিয়েতেই সুখ।
লেখক বলেছেন: হুমম.. আমারও একই মত। তবে উপায় নাই।
মোঃ ইবরাহিম আরমান বলেছেন:
সন্ধাবাতির সাথে একমত:দুইজন মানুষই ভালো হতে পারে, কিন্তু, তারা দু'জন দু'জনের জন্য নাও হতে পারে। কোন কিছু ওয়ার্ক আউট না করলেই সেটা যে, ওই দু'জনের একজনের দোষ হতেই হবে, ব্যাপারটা এমন না।
সবসময় খেয়াল রাখবেন াপনার দিয়ে যেন কোন ভুল না হয়।
তার পরেও াপনার পক্ষে কাজ টা না গেলল ধরে নিন না আপনাকে সৃষ্টিকর্তা পরীক্ষা নিচ্ছেন..............
লেখক বলেছেন:
আসলে আর কিছুই ভাবি না এ নিয়ে। জাস্ট ব্যাড লাক। আমি আমারই ফ্রেন্ডদের মধ্যে দারুণ কাপলসও দেখেছি।
আমি হয়তো লাকি নই।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। কিন্তু অন্যের দুঃখে মজা পাওয়াটা কি ভাল?
মোঃ ইবরাহিম আরমান বলেছেন:
ব্যাড লাক মনে করেন কেন?হ্যা।এটা চিরন্তন সত্যি আপনার জা্যগা্য আমি হলেও কষ্ট টা বেছে নিতাম বৈকি।
তার পরও জীবন কি থমে থাকে?নিজেকেই দেখুন আপনি তো আগের চেয়ে অনেক ভালো আছেন,শুধু অতীতের ঐ তাড়নাটা আপনার অবসরে সারাক্ষন মনে ভেসে ওঠে.......
কথা গুলো বল;তে পারলাম কারন জিনিসটা আমি নিজে ফিল করছি
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ বোঝার জন্য।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
আচ্ছা............................
লেখক বলেছেন:
এতগুলো ডট এর মানে কী?
যীনাত বলেছেন:
মুনিয়া, সত্যি বলতে অনেকেরই এ অবস্থা। অনেককে আবার দেখেছি নিজে যাকে ভালবাসে তার কাছ থেকে প্রপোজাল পেয়েও চুপ।মানুষ মাত্রই জটিল।
লেখক বলেছেন:
হুমম, কি আর করা... আসলেই মানুষ খুব জটিল....
কতবতবকতকত বলেছেন:
প্রেমের নাম বেদনা সে কথা বুঝিনি আগে!এত গুলো ডটের মানে হলো উনি হয়ত আরো কিছু বলতে চান, তোমার অভয় চাইছেন। লোলজ।
লেখক বলেছেন:
হাহাহা তাই মনে হচ্ছে আপনার? আপনি হয়তো অভিজ্ঞ মানুষ....
কতবতবকতকত বলেছেন:
যীনাত আপা, একদম খাঁটি কথা বলছেন। তয়, একটা কারেকশান প্লিজ। আপনার কমেনন্টায় 'মানুষের' আগে 'মেয়ে' শব্দটা যুক্ত হবে। টেনকু।
খুশবু বলেছেন:
এত মন্তব্য কেন ?
লেখক বলেছেন:
আপনিই বলুন.....
মামু বলেছেন:
}{{ বুকের ভেতরে কিসের একটা তীব্র ব্যথার উপরে একটা কৃত্রিম হাসির প্রলেপ লাগিয়ে পাশ ফিরে শুলাম। }}---------------------------------------------------------------
একজন দেকলাম চেলে মেয়ের প্রেমের বিষয়ে ভালই বিশ্লেষন করচেন........
মামু বলেছেন:
প্রেম কখনো মধুর কখনো বা বেদনা বিধূর....
কখনো হাসায়, কখনো কাদায়....
কখনো বা সে দূর বহুদূর...........
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি?
গানটা কিন্তু আমার ভালোই লাগে বেশ। অনেক আগে দেখেছিলাম। নায়ক বোধহয় ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
আপু, হিহিহিহিহিহিহিহিহি! আপনার পোষ্ট পড়ে মনে হয় আমার দুঃখিত হওয়া উচিত ছিল, উলটা মজা পেলাম খুব! হিহিহিহিহি…… আপনি আর আপনার ফ্রেন্ড সব তো বেশ মজার! লেখক বলেছেন:
দুঃখিত হওয়া উচিত ছিল? তা হবে কেন? মজা পেয়েছেন জেনে ভাল লাগল।
তবে আমি তো ভেবেছি ফ্রেন্ডরা সব এভাবেই কথা বলে। নাকি আপনারা অন্যভাবে কথা বলেন?
তবে এই ফ্রেন্ডরা আমার খুব ক্লোজ।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
পোষ্টটি ভালোই লাগল......................................................+
আপনারমত আমিও ইন্টারনেটেই সারাটা দিন কাঠিয়েছি। আর সবাইকে ভালোবাসার শুভেচ্ছা দিয়েছি।
ব্লগে বেশ ভালোই সময় কেঠেছে কাল।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
কণা বলেছেন:
হুমমম... জটিল ব্যাপার স্যাপার...
লেখক বলেছেন:
নাহ! নিতান্তই সরল।
লেখক বলেছেন:
সত্যি? কিছুই বলার নেই??
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
বলার আছে শুধু ইত্যাকার যাতনা
সহে না সহে না!!
ভালোবাসার পেছনে মানুষ ছুটে
ভালোবাসা রহে না!!
লেখক বলেছেন:
হয়তোবা....
এই আমি মীরা বলেছেন:
ভালো লাগলো। গল্প নাকি সত্য?
লেখক বলেছেন:
গল্প হলেই ভাল হত বোধহয়....
শাওন বলেছেন:
প্রথম কথোপকথোনের প্রতি ইন্টারেস্ট ছিলো না । শেষের টার জন্য বসে ছিলাম । ভালো থাকুন । অনেক ।
লেখক বলেছেন:
দোয়া করিস রে... ভাল থাকাটা খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে....
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি? কি কি জানলেন?
নিলা বলেছেন:
আপু খবরদার মোটেও কাঁদবে না। কিছু কিছু ছেলে আছে খুবই বদের হাড্ডি হয়। প্রথমে নিজেরা কষ্ট দিয়ে দূরে ঠেলে দিতে চাইবে.....যখন মেয়েরা বুক ভরা কষ্ট নিয়ে দূরে চলে আসব তখন আবার ওরা শুরু করবে ন্যাকা কথা। অসহ্য।
এই ধরনের পুরুষদের জন্য চোখের পানি ফেললে ভালোবাসার অমর্যাদা করা হবে।
(তোমাদের কাহিনী আমি জানি না আপু। না জেনেই কমেন্ট করলাম, সরি। কিছু মনে করো না)
সুন্দর হোক প্রতিটা দিন। ভালো থেকো সব সময়।
লেখক বলেছেন:
আপু, চোখের পানি অনেকদিন ফেলি না। কন্ট্রোল করতে করতে হয়তো একাজটা করার ক্ষমতাই শেষ হয়ে গেছে।
তবে আসলেই না জেনে কমেন্ট করেছ। আরো অনেকে করেছে। তারা তাদের ভিউ থেকে করেছে।
সব কথা ব্লগে বলাও যায় না।
তবে চাওয়া হলো আমার জন্য দোয়া করল। আর পারলে সেই বদের হাড্ডির জন্যও দোয়া করো। যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠে।
লেখক বলেছেন:
সত্যি জেনেছেন?
সাইফুর বলেছেন:
আরে ঠিক
কাঙাল মামা বলেছেন:
চিয়ার আপ বাডি, রিপোর্ট ভালো হয়েছে শুনে আমার খুব ভালো লাগছে! দিস ইজ ওয়াট য়ু আর সাপোজড টু ডু... টেইক য়ুর টাইম, ঠিক মানুষটা ঠিক সময়ে চলে আসবে লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি ও নিলা --- প্রমান করলেন "সব মেয়েরাই একই মনমানসিকরা ধারন করে"। অন্তত সেই সব মেয়েরা যারা জীবনে সত্যিকারের ভালবাসা পায় না। অন্য কারো ভালবাসা দেখলে গা জ্বলে। @ মুনিয়া - জীবনে ভালথাকবার সব থেকে সহজ উপায় হচ্ছে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়া এবং এর ভালমন্দ উভয়ের ভার বহনের জন্য তৈরি থাকা। নিজের সিদ্ধান্ত মেয়েরা নিজে নিতে পারে খুবই কম ক্ষেত্রে। তবুও চেষ্টা করতে পারেন।
লেখক বলেছেন:
ভাই, আমার জীবনের এপর্যন্ত সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমার নিজের নেওয়া। সেভাবেই তৈরি হয়েছি। অনেক সময় ফ্যামিলির ইচ্ছার বিরুদ্ধেও গেছে ডিসিশনগুলো। কিন্তু আমিই রাইট প্রুভ হয়েছি।
আর একটা কথা, সন্ধ্যা কিন্তু অনেক কিছু জেনেই কমেন্ট করেছে। যেটা একজন ট্রু ফ্রেন্ড বলবে তেমনই।
আর আমি মনে করি না এইরকম দুঃখ-কষ্টে ভরা ভালবাসা দেখে কারোরই গা জ্বলবে। আমি হলেও আরেকজনের ক্ষেত্রে হয়তো এমনই বলতাম। দুইজন মানুষ যখন একসাথে থাকে তাদের ভেতরে অনেক কিছুই ঘটে। সেসব কথার সব সবার জন্য নয়। সবার জানা উচিতও নয়। সব জানলে হয়তো আপনার মতও বদলাতো।
ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ মুনিয়া - হয়ত বেশি কথা বলে ফেলছি। তবুও কথা হচ্ছে, তুচ্ছ একটা রিপোর্ট ভাল হওয়াই জীবনের স্থিতিশীলতা প্রমান করে না। পৃথিবীতে প্রতিমূহুর্তে কত লক্ষ লক্ষ্ রিপোর্ট মানুষ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জমা দিচ্ছে এবং ভাল করে বাহাবা নিচ্ছে। জীবনের স্থিতিশীতা আসে তাদের যারা মনের ভেতর রক্তক্ষরণ ছাড়া বেচে থাকে ভালবাসার আনন্দ নিয়ে।
নিবেদীতা বলেছেন:
অত:পর....যাবে কত দুরে
ফিরে দেখ
আপন গভীরে
আজীবন সংগী
নি:সংগতা....
তারপরেও ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন:
আপনি বোধহয় আমার এতদিনে পাওয়া সত্যটাকেই বলে ফেলেছেন এইখানে। আসলেই আজীবন সঙ্গী বোধহয় নিঃসঙ্গতা।
যাকে ভালবাসি, তার জায়গাটা বোধহয় আর কাউকে দিতে পারব না। পৃথিবী অনেক বদলেছে। একজনের জন্য জীবন থেমে থাকে না। হয়তো অন্য কাউকে গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু আমার ভেতরের শূন্যতাকে সে পূরণ করতে পারবে না। এটা সম্ভবই না।
হয়তো এটাই আমার লাক।
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি?
ভক্কডা বলেছেন:
মেয়েরা কাউকে ভালোবাসতে পারে বলে মনে হতো না এক সময়, এখন এ নিয়ে ভাবি না ( অবশ্য আমার ভাবনায় কার কি যায় আসে)। পোস্ট ভালো লেগেছে। কিছু কিছু কমেন্টের বিপরীতে উত্তরগুলো আরও।
আচ্ছা একটা বাসি টপিকের উপর ফটকা ধরনের ইটালিয়ান ছড়ার বাংলাটা বলি? ( তোমার চোখে পরবেতো? না পরলে খাটনি মাটি )
মূল: সান ভালেন্তিনো
ফেস্তা দেল ক্রেতিনো
কে ক্রেদে দি এস্সেরে আমাতো
ইনভেচে রিমানে ফ্রেগাতো
অর্থ : ভ্যালেনটাইন্স ডে
একটা বোকাদের উৎসব
যে বোকারা ভাবে যে তারা ভালোবাসার পাত্র
অথচ শেষে প্রতারিত হয়।
আমি কবি না। তাই মিল দিয়া লেখবার পারলাম না। তোমারতো বহুমুখী প্রতিভা, রানতেও পারো আবার একই সাথে চুলও বানতে পারো। কবিতাডা ইট্টু বানায়া দিওতো দোস্তো।
আমার কতায় কিচু মনে কইরো না। আমার মাথায় ছিট আছে। ( ছিট মানে বোঝোতো, নাকি কইয়া কোন বেরাচেরার মইদ্যে পরলাম?)
লেখক বলেছেন: ভালই ছড়ার থিম।
নিলা বলেছেন:
হ্যা আপু তোমার জন্য অবশ্যই দোয়া করি। তবে উনার জন্য দোয়া করার ইচ্ছে ছিলো না, তবে তুমি যেহেতু করতে বলেছো তাই করছি। উনি যেনো তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন। আমিন
লেখক বলেছেন:
তাই?
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
ওনার জন্য দোয়া করলাম, আপনার জন্যও করলাম। আপু একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। হয়ত এটা একটা পরীক্ষা, হয়ত না...যাইহোক আপনি ভাল থাকুন। ভালবাসাটা খুব সরল, আবার খুব কঠিন...। জানি খুব কষ্ট হয়, তবে কখনও কখনও কষ্টগুলা নিয়েই বাঁচতে হয়। কষ্টগুলাই বাঁচিয়ে রাখে...। কষ্টগুলা কষ্ট আবার কখনও কষ্টগুলাই সুখ...। যাহোক না জেনে উল্টা পাল্টা কিসব বললাম...
লেখক বলেছেন:
ভাল থাকো আপু। তোমার উল্টাপাল্টা কথাগুলো খুব ভাল লাগল।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
বুয়েটের মেয়েদের না শুধু, বুয়েটের ছেলে+মেয়েদের অহংকার আছে। আমাদের দেশে ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব। চাকরির বাজার নাই। যারা অনেককে পেছনে ফেলে বুয়েট বা মেডিক্যালে চান্স পায়, ইচ্ছায় হোক আর চারপাশের মানুষের অহেতুক বুয়েটকে মহিমান্বিত করার কারণে হোক- তাদের ভিতরে একটা অহংকার তৈরি হয়ে যায়..........আপনি আপনার চারপাশের অহংকারের দেয়ালের মধ্যে অহংকারী বন্ধুদের নিয়ে সুখে থাকুন।
আর স্বার্থ কে খোঁজে না?
........আপনার স্বার্থ আপনি খুজতে থাকুন। দেখুন বুয়েটের কোন লেকচারার কে বিয়ে করে ইউএস এ যাওয়া যায় কিনা।
আমার ছেলেবন্ধুর(আমার খুবই ক্লোজ) স্বীকারোক্তি- ৬০% ছেলে মেয়েদের ঘুরাতে পছন্দ করে।.........
......আপনার ছেলে বন্ধুর দেয়া স্ট্যাটিস্টিকস আপনার কাছে মহাভারত হয়ে গেলে.....তাদের কথা মত উঠা বসা করুন।
আবার অনেক মেয়েকেও দেখেছি ঐরকম।
......% টা বললেন না।
ব্যাপার হল আমাদের চিন্তা সবারই স্বার্থবাদী।
....ভাল সংবাদ। বাঙালি জাতের জয় হোক। এক দুজনকে দেখে ....'আমরা সবাই' কথাটা বলা আপনার জন্য স্ববিরোধী।
স্ট্রং মোরাল সেন্স কয়জনের থাকে?
....কারো থাকেনা....আর বুয়েটিয়ানদের তো আরো নেই।
আর সোসাইটি তো শুধু সফলদের প্রশংসা করে। ভাল মানুষকে অনার দিতে কি দেখেছেন কোথাও?
.......এ সোসাইটির অংশীদার হতে পেরে আপনাদের তো গর্বের সীমা নাই। বেশি খারাপ কাহিনী দেখে বড় হওয়ায়...ভাল মানুষকে অনার করার গল্প আপনাদের কানে যায়নি.......তাতেই উপসংহার টেনে দিলেন!!!
আমি ছেলে- মেয়ে উভয়ের মধ্যেই খুব ডেডিকেইটেড লাভার দেখেছি।
....... লাভে ডেডিকেশন কি জিনিস? বাবা মা, বন্ধু বান্ধব সব ভুলে স্বার্থপর একটা পৃথিবীতে গিয়ে মাতলামি নোংরামি করা.......??
তাদের মাঝে এমনকি বুয়েটের স্টুডেন্টদের মাঝেও।........
.........বুয়েটে ডেডিকেটেড লাভ? ওখানে ছেলেদের সিজি গুণে মেয়েরা প্রেম করে......৩/১ উঠে...যেই টিচার ফাইট থেকে সরে গেল.....মেয়েও টাটা দিয়ে চলে গেল......ওখানে লাভ হয় ক্যারিয়ার, সিজি, পড়ালেখার সুবিধা....ইত্যাদি বুয়েটিক আতলামিকে পুঁজি করে..পড়ালেখার সুবিধার জন্য প্রেম করে...৪/২ তে এসে "এসব আর ভাল লাগেনা"..বলে ফুট.....মেডিক্যালের মেয়েরা যেমন বুয়েটরে ছেলে খুঁজে, বুয়েটের মেয়েরা মেডিক্যালের ছেলে খুজেনা কখনও। গুটি কয়েক অসুন্দর আতেল মেয়েকে মাথার উপর করে রাখে শত শত বুয়েটের ছেলেরা। এরকম একটা যান্ত্রিক পরিবেশে থেকে ভালবাসা কি? আর এর ডেডিকেশন সংজ্ঞা কি??...আপনাদের জানা থাকার কথা না।
প্রতিষ্ঠান, জাতি, গ্রুপ বা সেক্স এর লেবেল বাদ দিয়ে ইন্ডিভিজুয়ালি মানুষকে জানার চেষ্টা করেন। হয়তো আপনার ধারণা বদলাবে।
..........জাতি হিসেবে বাঙালির কিছু টিপিক্যাল দোষ আছে...জাতি হিসেবে জাপানীরা পরিশ্রমী........জাতি লেবেলের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য.....তালেবান গ্রুপের সবাই পথভ্রষ্ঠ...তাদের যে কাউকে এ কথা শুনিয়ে দেয়া যায়....মেম্বারস বিল্ড দ্যা গ্রুপ ইমেজ...অস্বীকার করবেন?
বিদেশে যান....তারা আপনাকে আর দশটা বাঙালির চরিত্রের মত টিপিফাই করবে.....
তেমনি সাইকোলোজিক্যাল, ফিজিক্যাল, সোসাল বিভিন্ন আসপেক্ট থেকে অনেকগুলো মৌলিক জায়গায় নারী আর পুরুষ আর পোল এপার্ট। এর জন্য % স্ট্যাটিসিটকস বা রেন্ডম স্যাম্প্লিং করে যাচাই করা লাগেনা, মেয়েদের সাথে মিশাও লাগেনা...এসব বিষয়ে সরাসরি উপসংহারে আসা যায়........
পড়ে দেখবেন.....আমাকে সিক মনে হতে পারে..সেটা আমি আমার প্রোফাইলেই স্বীকার করেছি....
one
Two
লেখক বলেছেন:
আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার খুব একটা ইচ্ছা ছিল না। তবে কোন মনে হয় আপনার এই ধরনের স্ট্যান্ড পয়েন্টের পেছনেও কিছু লজিক আছে।
তবে একটা ব্যাপার খারাপ লাগল। আমি জেনারালাইজড যেসব আইডিয়ার উল্লেখ করেছি তার ব্যাসিস এ আপনি আমাকে অ্যাটাক করেছেন।
বুয়েটের ব্যাপারে আপনার যে ধরনের ধারণা এটা এমনি হয়নি স্বীকার করছি।
আমি আর্কিটেকচারে পড়ি। এখানে ছেলেমেয়ের অনুপাত প্রায় সমান। ক্ষেত্রবিশেষে মেয়ে বেশি। এখানে মেয়েদেরকে মাথায় করে রাখা তো নয়ই বরং অনেক সময়ই অসহযোগিতা বেশি দেখি ছেলেদের কাছ থেকে।
''গুটি কয়েক অসুন্দর আতেল মেয়েকে মাথার উপর করে রাখে শত শত বুয়েটের ছেলেরা।''- এই কথাটার সত্যতা আমাদের ডিপার্টমেন্টে দেখি না। হয়তো এঞ্জিনিয়ারিং এ আছে।
আরেকটা কথা- আঁতেল হওয়াটা কারো কাছে দোষের, কারো কাছে গুণের। কিন্তু আপনি তাদের অসু্ন্দর বলছেন কেন? মানুষের শারীরিক সৌন্দর্যর উপর তার নিজের কোন হাত নেই। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি মানুষ কখনো অসুন্দর হয় না। অসুন্দর হয় তার আচরণ।
বুয়েট বিষয়ে বেশি কিছু বলার ইচ্ছা ছিল না। সত্যি বলতে আমরা(আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট) সমস্ত বুয়েট থেকে আলাদা। আমাদের পড়াশোনার ধরনের জন্যই হোক বা অন্য যে কারণেই হোক, আমাদের কালচার আলাদা। আমাদের ক্লাসেই অনেক গুলো কাপল আছে। সিনিয়রদের দেখেছি। অনেকে দুজন একসাথে পড়া শেষ করে ফার্ম দিয়ে বিয়েও করেছে। হয়তো আমি বাকি বুয়েট সম্পর্কে ভালমত জানি না।
তবে বুয়েট এর স্টুডেন্টদের সম্পর্কে একটা ব্যাপার খুবই সত্যি- এদের অধিকাংশই স্বার্থপর। কিন্তু এটা বুয়েট তৈরি করেনি। এইসব বৈশিষ্ট্য তৈরি হয় মায়ের হাতে।
বুয়েটে যারা পড়ে তারা ভাল স্টুডেন্ট+ কম্পিটিটিভ। সমস্যা হল কম্পিটিশনে উইন করানোর জন্য মায়েরা মরিয়া হয়ে সন্তানকে সংকীর্ণতা শিক্ষা দিয়ে বড় করেন। স্কুল কলেজেও দেখেছি মায়েরা, একই সাথে তাদের সন্তানেরা ভাল টিচারের খোঁজ, নোটের খোঁজ একজন আরেকজনের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখত। আরেকজনকে দমিয়ে নিজে এগোনোর চেষ্টা এইভাবে মজ্জাগত হয়ে যায়। ভাল স্টুডেন্টদের মধ্যে নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বও কম দেখতাম। সবই গিভ অ্যান্ড টেইক।
নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নিজের শহর, নিজের দেশ- এসবের কোনটারই সমালোচনা করতে ভাল লাগে না। তবু কথাগুলো বললাম।
আর আমি বিদ্যমান পরিস্থিতির কথা বলেছি। আমার স্ট্যান্ড বলিনি। হয়তো চারপাশে অনেকই অন্যায় হচ্ছে। মানুষ অনেকেই হয়তো ভীষণ স্বার্থপর। কিন্তু তাই বলে সোসাইটি থেকে বের হয়ে বাঁচা যায় না। হতে পারে কখনোই তারা ব্রড চিন্তা করার স্কোপ পায় নি।
লাভে ডেডিকেশন মানে আপনার চিন্তায় নোংরামি হতে পারে। কিন্তু আমি মনে করি লাভারকে একবার গ্রহণ করার পর তাকে স্পাউজ এর মতই দেখা উচিত। আমার স্পাউজ এর রেজাল্ট খারাপ হলে অথবা অসুস্থ হয়ে গেলে তাকে আমি ফেলে দিতে পারি না। কিন্তু লাভারের ক্ষেত্রে এরকম অনেক সময়ই ঘটে। এটা হয়ে ডেডিকেশনের অভাবের জন্য।
আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর ঠিকমত হল কিনা জানি না।
আপনার সোহেল ভাইয়ের ঘটনা পড়ে খুব খারাপ লেগেছে।
সত্যি বলতে আমারও লাইফ এমন ছিল যে কোন ছেলেকেই বিশ্বাস করতে পারতাম না। একজন সে বিশ্বাস ফিরিয়েছে। কিন্তু আমাকে অনেক কষ্ট দিয়ে ছেড়েও গেছে।
কিন্তু তার অবদান আমি অস্বীকার করব না কখনো।
যাই হোক, ভাল থাকবেন।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
ঘটনা খারাপ আপনার নাকি পাস হ্যাক করা লাগবে কই আর খোজ পেলাম নাত
লেখক বলেছেন:
বুঝলাম না কিছু।
চতুরভূজ বলেছেন:
মুনিয়া,পোষ্ট পড়ে হাসব না কাঁদব???
হেসেই ফেলি, নাহ কেঁদে বিদায় নেই।
সাইফ শেরিফ কি বলতে চাইলেন এবং কেন বলতে চাইলেন বুঝলাম না

+
লেখক বলেছেন:
ওনার একটা পোস্টে কমেন্ট দিয়েছিলাম। উনি কথাগুলোর সঠিক ইন্টারপ্রিটেশন করতে পারেন নি। আশা করছি এবার বুঝতে পারবেন।
তবে আমার পোস্ট থেকে কেঁদে বিদায় নেবেন না প্লিজ,হাসুন........
চতুরভূজ বলেছেন:
হাসলাম, গুড গার্ল।
লেখক বলেছেন:
থ্যাংকস!
লেখক বলেছেন:
তা ঠিক। হযবরল অবস্থাই বটে...
হাসির কারন= 'শালার মাইয়া জাইত লাই দিলে মাথায় ওঠে। আমারে দেহাইতাসে খালি। '
কান্দনের কারন= 'বুকের ভেতরে কিসের একটা তীব্র'
লেখক বলেছেন:
হুমম... যাওয়ার সময় হেসে যান প্লিজ.....
আর বুয়েটের বেশিরভাগ স্টুডেন্টের জন্য এটা সত্যি যে তারা স্বার্থপর,খুবই একচোখা কথা হয়ে গেলো মুনিয়া,মুদ্রার আরেকটা পিঠ দেখে কথাটা বললে ভাল হতো। আলোচনার মাঝখানে নাক গলানোর জন্য দুঃখিত।
লেখক বলেছেন:
না না দুঃখিত হবেন কেন? আমার দেখাতেও অনেক গলদ থাকতে পারে....
আসলেও কথাটা খুব সুচিন্তিত হয়নি। আপনি যেমন বন্ধুদের সাহায্য পেয়েছেন, আমিও তেমনি পেয়েছি। তবে দেখেছি যে এরকমদের পার্সেন্টেজ কম। আবার এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে হেল্প করে রিগ্রেট করেছে কারণ ওরা বেটার ডিজাইন করেছে।
আমার মনে হয় কি, ভাল মন্দ সব খানে থাকে।
আবার কোন মানুষ সম্পূর্ণ ভাল বা সম্পূর্ণ মন্দ হয় না। ভাল মন্দের মিশেলেই মানুষ। বুয়েটের স্টুডেন্টদের উপর ফোকাস বেশি হয় বলে তাদের দোষ গুণ সবই নিয়েই বেশি আলোচনা হয়।
আমার মনে হয় দৃষ্টিভঙ্গি যদি পজিটিভ হয়, তাহলে সব জায়গা থেকেই ভালটা গ্রহণ করা যায়।
যেমন আমাদের ডিপার্টমেন্ট বুয়েটে এলিয়েন। কিন্তু আমাদের নিজেদের মধ্যে ইউনিটি প্রশংসনীয়।
আবার অনেক বাজে কালচার আছে। এঞ্জিনিয়ারিং এ কালচারগুলো তুলনামূলক ভদ্র।
আর শেরিফ আসলে আগে থেকেই বিরূপ হয়ে আছেন। তাই ভালগুলো উনি দেখতে পাননি।
বাই দ্য ওয়ে, নাক গলানোর জন্য ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন:
তাই? আপনার মন্তব্য কিন্তু ভালই লেগেছে....
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকুন... ![]()
মনে হয়,আর কিছু বলার থাকতে পারেনা। আর ইগো প্রবলেমটা ১টা ফ্যাক্ট,আর্কিদের যেমন বাকি বুয়েট এলিয়েন মনে করে,ওরাও নিজেদের আলাদাই রাখতে চায়,এইভাবে এন্ঞ্জিনিয়ারিং আর্কি ভাগাভাগি না করে ১টা ভার্সিটির স্টুডেন্ট হিসাবে নিজেদের ভাবলে সমস্যা অনেকটাই কমে যেতে পারে,কিন্তু ২ দিকের কারোরই সেটা করার ইচ্ছা আছে বলে মনে হয়না,দুঃখজনক।
একটা ব্যাপার স্বীকার করে নিচ্ছি,খুব বেশি কম্পিটিটিভ হয়ে যাওয়াটা অনেকটাই স্বার্থপর বানিয়ে ফেলে,আমার এই দিকটা দেখতে হয়নি কারণ কম্পিটিশনে নামার মত যোগ্যতাই কখনো হয়নি,বরাবর টেনেটুনে পাশ,আর দৌড়ানোর জন্য বাসা থেকেও কখনো ক্চাপ আসেনি,কাজেই আমাকে সাহায্য করার সময় হয়তো কারো মনে হয়না আমি প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়াতে পারি,আবার এমনো হতে পারে,আমার বন্ধুভাগ্যটাই খুব ভাল,কে জানে!
লেখক বলেছেন:
আর্কিদের ব্যাপার আসলে একটু আলাদা। আর্কিটেকচার basically একটা আর্ট- এঞ্জিনিয়ারিং থেকে আর্ট জিনিসটা পুরোপুরি আলাদা। আর আর্টিস্টদের থট প্রসেস আর ভিউও আলাদা হয় এঞ্জিনিয়ারদের থেকে। আর অনেকটা সময় সমমনা এবং কাছাকাছি চিন্তার ধরনের মানুষজনের সাথে থাকতে থাকতে শেষপর্যন্ত এমন হয় যে বাকি বুয়েটে শুধু না, নিজের ফ্যামিলিতেও এলিয়েন হয়ে যেতে হয়।
লাইফের উপর পড়াশোনার স্টাইলের একটা প্রভাব থাকে। আর্কির ক্ষেত্রে প্রভাবটা এত বেশি যে আর্কিটেকচার একটা এডুকেশন স্ট্রীম না শুধু- একটা লাইফস্টাইল।
তবে বাকি বুয়েটকে যে আমরা পছন্দ করি না তা না। আসলে যতটা সময় থাকা হয়, তার মধ্যে এঞ্জিনিয়ারিংদের ওয়ার্ল্ডটাতে ঢুঁ মারার টাইম আর হয় না।
আর আপনার বন্ধুভাগ্য ভাল জেনে ভাল লাগল। ভাল বন্ধু পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার। You're a lucky man!
লেখক বলেছেন:
তখন নয়টায় হত? তাহলে তো ভালই ছিল। এখন তো সন্ধ্যাই হয় বারোটায়....
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
হুমম...আমি আর কি বলব।
একে তো পাঁঠা শ্রেণীর বুদ্ধিমত্তা (এই কারণে লেখার মর্মার্থ উদ্ধার করতে পারি নাই!) তার উপর আবার প্রেম বিষয়ে প্রথম শ্রেণীর পাঁঠা!!
সব মিলে.....?
কিছুই বলার নাই!
লেখক বলেছেন:
পাঁঠা শ্রেণীর???
পাঁঠার বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে আমার ধারণাই বদলে গেলো। আমি তো ভাবতাম মানুষই একমাত্র বুদ্ধিমান প্রাণী....
তখন নয়টায় হত? তাহলে তো ভালই ছিল। এখন তো সন্ধ্যাই হয় বারোটায়....
মুনিয়া, তখনও তাই হত। সারা রাত সজাগ! পারে কি করে!!!!
লেখক বলেছেন:
আপনি পড়লে আপনাকেও পারতে হত। এমনকি জমার আগে বাথরুম থেকে কনফারেন্সও করতে পারতেন।
আমার পার্টনার তো ডাক দেয়-''এই, বাথরুমে এতক্ষণ কি কর? জলদি বেরোও। ঐ রুমটার উইডথ কি ৪মিটার নাকি? এত বড় দিয়েছ কেন? আরে কথা বল না কেন? তাড়াতাড়ি বেরোও''
লেখক বলেছেন:
এইটা জোক না ভাই। খাঁটি সত্য ঘটনা।
রুহী বলেছেন:
মুনিয়া আপু! লেখা পড়ে ভালো লাগলো।কিন্তু মন্তব্যের গহবরে ঢুকে,একি! মাথা আউলা ঝাউলা হয়ে গেলো নাকি! আপনার ও ফারজানা আপুর আড্ডায় অংশ নিতে পারিনি।ইস্! অনেক মজা মিস করলাম।লেখাপড়ায় ব্যস্ত থাকি,তাই ব্লগে কম বসা হয়।এবার থেকে আড্ডা দেয়ার আগে এস এম এস (০০২০১০২৮৯৫৬৫৭) করে জানাবেন প্লিজ।দেশে আসলে সূদে আসলে ধন্যবাদ দেবো।আপু ! রাগ করলেন নাতো? রাগ করলে আমি কিন্তু ভ্যা ভ্যা করে কেদেঁ দেবো।
লেখক বলেছেন:
আচ্ছা, অনেক ধন্যবাদ ভাল লাগার জন্য। যদি আবার আড্ডা দেই জানাবো ইনশাল্লাহ(যদি মনে থাকে) ![]()
বিশ্বাস করবে কিনা জানি না। এটা আমেরিকা এসে শিখেছি। ওরা আর্টের সাথেই আর্কিকে রাখে। এটা যে আসলে শিল্প, বিজ্ঞান নয় - তা এখানে এসে বুঝতে পারি।
লেখক বলেছেন:
হুমম... এদেশে অনেকেরই জানা নেই ব্যাপারটা...
আর্কিটেকচার অবশ্যই আর্ট। সেখানেও ফরম এবং ফরমেশনে সৃজশীলতা আছে। কল্পনার মাধুরীও আছে।
লেখক বলেছেন:
হুমম...
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
মুনিয়া, আমার ১-৪ সেমিস্টার এর রেজাল্ট ছিল ৩.০৪। এরপর প্রেমে পড়লাম এবং ৬ষ্ঠ সেমিস্টারে ছ্যাকা। এরপর আমার রেজাল্ট হল এক লাফে ৩.৭৭। বুঝলাম ছ্যাকার মর্ম। যখন ইউনি থেকে বের হলাম তখন সিভিতে ৮টা রিসার্চ পেপার এবং রেজাল্টের আগে চাকরি। শুধু রিপোর্ট না সব কিছু ভালো হবে দেখবেন। কিন্তু কষ্টটা যে রয়ে যায়। ভালো লাগল পোষ্টটা, অতীত মনে পড়ে গেল। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি? সব ভালো হবে? দোয়া করেন যেন তাই হয়...
ধন্যবাদ।
নীলপরী পোস্টে আপনার মন্তব্যটি কেমন বিমর্ষ মনে হলো! প্রাণোচ্ছল মনে হলো না!
আমার ভুলও হতে পারে!
লেখক বলেছেন:
নাও হতে পারে!
পলাশমিঞা বলেছেন:
মনের মানুষের জন্য মন বিমনা হয়ে কান্দে তাইনা????পড়ে ভালো লাগল। অনেকে বলে আমি খালি কল্পনা করে গল্প লেখি।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন:
তা তো বটেই... বিমনা হয়ে এমনকি সমনা(!) হয়েও কান্দে।
আপনিও ভাল থাকুন।
ধন্যবাদ।
ভুতের আড্ডা বলেছেন:
মুনিয়া, ভালো লাগলো। তবে সন্ধ্যাবাতি কোএড নিয়ে ছেলে ও মেয়েদের রেজাল্টের যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন, তা আমার বেলায় খাটেনি। যাইহোক এই লিঙ্কে আমার দুটি লেখা পাবেন যদি হাতে একটু সময় থাকে, তাহলে একবার পড়ে দেখার অনুরোধ করছি।Click This Link
Click This Link
লেখক বলেছেন:
ভালো লাগল জেনে ভাল লাগল আমারও.. আজ ঠিক সময় নেই হাতে.. প্রিলি আছে একটা। কাজের ফাঁকে ব্লগ চেক করছিলাম। আরেকদিন পড়ে দেখব ইনশাল্লাহ।
ধন্যবাদ।
মুনিয়া বলেছেন:
সালিশদার এবং গণ্ডার, অপ্রাসঙ্গিক আর উস্কানিমূলক মন্তব্য চাচ্ছি না। পোস্ট প্রসঙ্গে কমেন্ট করলে ভাল হয়।
everyone's welcome here unless u hav provocative/evil intentions.
thank u.
গণ্ডার বলেছেন:
তোমার এই পোস্ট করা কমেন্টের উত্তরেইতো কতা গুলা কইসিলাম, অপ্রাসঙ্গিক হই কেমনে?
আতলামী মার্কা কমেন্ট করবেন , আর্কি পইরা এলিয়েন হইয়া গেসেন
এলিয়েন যখন হইয়া গেসো তকণ মঙ্গল গ্রহে চইলা যাও,
বাংলা অপেন ব্লগ/ফোরামে নিজেরে এলিয়েন কইয়া আতলামী কর্লে পাবলিকে একতু ছেচা/ডলা দিবেই,
লেখক বলেছেন:
আপনি যেভাবে কমেন্টগুলো করেছেন তাতে কোন রিপ্লাই ডিজার্ভ করেন না। আপনি আসলেও কোন রিপ্লাই এক্সপেক্ট করেন তাও মনে হয় না। আপনার কমেন্ট এর ধরনে ব্যাপারটা স্পষ্ট। শুধুমাত্র বিরূপ মন্তব্য করাই উদ্দেশ্য- কোন কন্সট্রাক্টিভ ডিসকাশন নয়।
তবে আমি সবাইকেই রেসপেক্ট করতে চাই। অনেক গুলো কমেন্ট করেছেন। তাই উত্তর দিচ্ছি।
আর্কিটেকচারের স্টুডেন্টস যে অনেকটা এলিয়েনেইটেড হয়ে যায় এটা পুরো ইউনিভার্সিটিতে স্বীকৃত ফ্যাক্ট। একই ব্যাপার চারুকলারও ঘটতে পারত। কিন্তু ওরা ফাইন আর্টসের স্টুডেন্ট আর আর্টস ফ্যাকাল্টিতে ইনক্লুডেড। আর্কিটেকচারের জন্যও বেস্ট হত চারুকলার সাথে থাকলে। আর্টিস্টদের থট প্রসেস আর ভিউজ যে এঞ্জিনিয়ারদের থেকে আলাদা এটা যারা আর্ট সম্পর্কে কিছুটা নলেজ রাখে তারা ভালই বুঝবেন।
আর বুয়েটে এঞ্জিনিয়ারিং এ চান্স না পেলে তারা খারাপ স্টুডেন্ট হয়ে যায়? আমার তো মনে হয় লুই কান যদি ফিজিক্স না পারেন তবু তিনি একজন ফিজিক্স প্রফেসরের চেয়ে গ্রেইট।
যার যা ফিল্ড তাকে তা দিয়ে জাজ করা উচিত।
কবি কেন নাচ পারে না এটা যেমন অবান্তর প্রশ্ন, আর্কিরা এঞ্জিনিয়ারিং এ ভাল সাবজেক্ট কেন পায় না এটাও তেমন।
আর আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলছি- সিএসই পাওয়া স্টুডেন্টও আর্কি পড়ছে সিএসই ছেড়ে। এমনও আছে এঞ্জিনিয়ারিং এ পরীক্ষাই দেয় নি। যারা আর্কিতে আসে, বেশিরভাগই ভালবেসে। যারা বাধ্য হয়ে আসে, তারা কখনো ভাল আর্কিটেকচার দিতেও পারে না।
পাব্লিকের ছেচা/ডলা বলতে যাই বুঝিয়ে থাকেন, সেটা দেওয়ার জন্য আপনি আর সালিশদার বাদে কাউকে খুব আগ্রহী দেখলাম না।
একটু স্বাভাবিক চিন্তা করার চেষ্টা করুন। ভাল থাকেন।
ধন্যবাদ।
গণ্ডার বলেছেন:
লেকক বলেছেন
"""আর্কিটেকচারের স্টুডেন্টস যে অনেকটা এলিয়েনেইটেড হয়ে যায় এটা পুরো ইউনিভার্সিটিতে স্বীকৃত ফ্যাক্ট।"""
পাগলের সুক মুনে মুনে।
তয় কতা হইলো নিজের এলাকার পাগলের পাগলামী সবাই কষ্ট হইলেও মাইনা নেই , ঠিক সেইভাবে এসব আতলামী বুয়েট ক্যাম্পাসে করলে সেইডা বুয়েটের বাকি পুলাপাইনরা মাইনা নেয়, কারন হাজার হোক নিজের ঘরের পাগল।
কিন্তু সেই একই পাগলামী অপেন পাবলিক ফোরামে করলে পাবলিকের সেই আতলামী সহ্য করার কোনো দায় পড়েনি।
এক পাড়ার পাগল অণ্য পাড়ায় গিয়া পাগলামী করলে তাকে যেমন উত্তম মধ্যম দেয়া হই ঠিক তেমন "আর্কি পইরা আমি বাসার লুকের কাছেও এলিয়েন হইয়া গেসি" এরম কতা ব্লগে কইলে পাবলিকে চুম্মা না খাইয়া একটু কথার ডলা দিবেই।
লেখক বলেছেন:
আপনার কাছে ''চুম্মা'' এক্সপেক্টও করিনি। তবে কন্সট্রাক্টিভ ডিসকাশনের রাস্তা খোলা রাখতে চেয়েছি সবসময়।
ভেবেছিলাম সালিশদারের তুলনায় আপনার ভদ্রতাজ্ঞান কিছুটা হলেও বেশি। আপনার সাথে ভাল বিহেইভ করলাম কিন্তু মর্যাদা রাখলেন না। ইউ আর নট ওয়েলকাম ইন মাই ব্লগ এনিমোর....
আশা করি বুঝতে পারছেন।
আমি সাধারণত কাউকে ব্লক করি না। লিস্টে একজন আছে সম্ভবত।
আশা করছি আপনাকেও ব্লক করতে হবে না। কিন্ত এই ধরনের কমেন্ট আর চাই না।
লেখক বলেছেন:
আমি কি স্টাডি করছি সেটা আমার কথার ইমফ্যাসিস ছিল না। আর্কিটেকচার সম্পর্কে অনেকেরই নলেজের ঘাটতি আছে। যেমন আপনি এটাকে সাইন্স বলছিলেন।
যারা আর্কিটেকচার পড়ে না তাদের চেয়ে আমি সাবজেক্টটা সম্পর্কে কিছুটা হলেও বেশি জানি। আবার অন্যদের সাবজেক্ট সম্পর্কে তেমন কিছুই জানি না। ইন্ট্যারাকশানে দুই পক্ষেরই অনেক কিছু জানা হয়। এজন্যই কথাগুলো বলা- কোন ভাব দেখানোর উদ্দেশ্যে নয়।
See you think you are so special. You do not even consider yourself as a part of an organization
লেখক বলেছেন:
স্পেশাল ভাবি না। কিন্তু একটা আর্টকে অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স এর একটা প্রতিষ্ঠানে রাখাটা খুব যুক্তিসঙ্গত না। আগেও বলেছি- আবারও বলছি- ফাইন আর্টস এর সাথে হলে আমাদের জন্য বেস্ট হত।
Watch how you approach words, you do not want to come as arrogant. Unfortunatelym many of the words and sentences can be used as prime example of being arrogant and down right cocky.
আর্কিদের ব্যাপার আসলে একটু আলাদা। আর্কিটেকচার basically একটা আর্ট- এঞ্জিনিয়ারিং থেকে আর্ট জিনিসটা পুরোপুরি আলাদা। আর আর্টিস্টদের থট প্রসেস আর ভিউও আলাদা হয় এঞ্জিনিয়ারদের থেকে। আর অনেকটা সময় সমমনা এবং কাছাকাছি চিন্তার ধরনের মানুষজনের সাথে থাকতে থাকতে শেষপর্যন্ত এমন হয় যে বাকি বুয়েটে শুধু না, নিজের ফ্যামিলিতেও এলিয়েন হয়ে যেতে হয়।
গণ্ডার বলেছেন:
দেখুন আপনার বয়স কম, আর্কির ঐ চিপা যেখানে বসে আপনি ও আপনার সমমনা কিছু আতেল ভাবছেন যে আপনেরা একটা সাবজেক্ট নিয়া পরছেন বলেই এলিয়েন হয়ে গেছেন, সেই আর্কির চিপাটাই বা বুয়েট টাই শুধু পৃথিবী নয়। পৃথিবীটা ওনেক বড়।
পৃথিবীর কোটি কোটি ছাত্র যেসব হাজার হাজার বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে তার মধ্যে স্হাপত্যবিদ্যাও একটি বিষয়ই মাত্র , ইসলামী ইউনিভার্সিটির ফিকাহ শাস্ত্র বা ঢাকা ভার্সিটির বাংলা বা অর্থনীতী বা নর্থ সাউথের বিবিএর সাথে বুয়েটের স্হাপত্যবিদ্যার বেসিক কোনো পার্থক্য নায়, বিষয়ের নাম বা ভার্সিটি যাই হোক না কেন সবার মুল লক্ষ
একটাই মানুষকে শিক্ষিত করে তোলা, তার চিন্তার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করা। কোনো শিক্ষায় মানুষকে শেখায়না "তুমি সবার থেকে আলাদা তুমি এলিয়েন"। আপনি যে ধারনাটা নিয়ে বসে আছেন সেটা ভুল।
লুই কানের কথা বললেন, লুই কান কিন্তু এই কারনে বিখ্যাত না যে তিনি বিশেষ কোনো ভার্সিটির বিশেষ কোনো অনুষদ/ডিপার্টমেন্টের ছাত্র ছিলেন, তিনি বিখ্যাত তার কাজের মাধ্যমে। আমি নিশ্চিত লুই কানের মত স্হপতীও নিজেকে কখনও আর দশ জন মানুষের থেকে আলাদা , এলিয়েন ভাবেননি যেটা আপনি মাত্র স্হাপত্যবিদ্যায় ২-৩ বছর পড়াশোনা করেই ভাবছেন।
আপনার ধারনাটা খুব ভুল, নিজেকে এলিয়েন না ভেবে আর দশটা মানুষের মত ভাবুন, কারন কর্মজীবনে প্রবেশ করার পর আপনার মত এলিয়েন নয় এমন মানুষদের ঘরবাড়িই আপনাকে ডিজাইন করতে হবে। এখন যদি মানুষের বাড়ি ডিজাইন না করে এলিয়েনদের থাকার বাড়ি ডিজাইন করে ফেলেন তাহরে কি হবে একবার ভাবুন তো।
আর্কিটেকচারের থেকে ইন্জ্ঞিনিয়ারিং অনেকাংশেই আলাদা। এই কথাটা আপনাদের এত বিরক্ত লাগে কেন?
গণ্ডার বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ আন্টি হয়ত আমার কমেন্টাট পরেননি তাই আবার দিলাম
পৃথিবীর কোটি কোটি ছাত্র যেসব হাজার হাজার বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে তার মধ্যে স্হাপত্যবিদ্যাও একটি বিষয়ই মাত্র , ইসলামী ইউনিভার্সিটির ফিকাহ শাস্ত্র বা ঢাকা ভার্সিটির বাংলা বা অর্থনীতী বা নর্থ সাউথের বিবিএর সাথে বুয়েটের স্হাপত্যবিদ্যার বেসিক কোনো পার্থক্য নায়, বিষয়ের নাম বা ভার্সিটি যাই হোক না কেন সবার মুল লক্ষ
একটাই মানুষকে শিক্ষিত করে তোলা, তার চিন্তার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করা। কোনো শিক্ষায় মানুষকে শেখায়না "তুমি সবার থেকে আলাদা তুমি এলিয়েন"। আপনি যে ধারনাটা নিয়ে বসে আছেন সেটা ভুল।
না। স্থাপত্য কলা একটি শিল্প। এভাবেই এটি আলাদা। শিল্পে সৃষ্টিশীলতা আছে। যা বিজ্ঞানে নেই। দুটো দুই বিষয়।
আমি কে বলেছেন:
আর্কিতে পড়লেই কি আমি কি হনু রে!
আমি কে বলেছেন:
সাবজেক্ট হিসেবে ভিন্ন কিন্তু তার মানে এই না যে আমি শ্রেষ্ঠ! আমি আলাদা!
গণ্ডার বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: শিল্পে সৃষ্টিশীলতা আছে। যা বিজ্ঞানে নেই।
কথাটা কি ঠিক! বিজ্ঞান সৃষ্টিশীল না!
আমি কে বলেছেন:
বিজ্ঞান মানে দুই পাতা সূত্র মুখস্ত করা আর শিল্প হইলো ক্রিয়েটিভিটির আখড়া! কি বলেন উম্মু আব্দুল্লাহ?
গণ্ডার বলেছেন:
এলিয়েন আপুমনি কোথায় গেলেন! তিনি কি রাগ করে মঙ্গল গ্রহে চলে গেলেন।
প্লিজ আপু আমাদের ছেড়ে যাবেনা।
@ গন্ডার
বিজ্ঞানও সৃষ্টিশীল বটে।
কিন্তু আপনারা এখানে কাজের কথার চাইতে ফাও কথাই বেশি বলেছেন।
আপনারা বেশি জ্ঞানী তো তাই এরকম হয়
সালিশদার তো ফাউলামীর ওস্তাদ।
মুনিয়া বলেছেন:
উম্মু আবদুল্লাহ ও সারওয়ার, অনেক ধন্যবাদ পজেটিভ অ্যাপ্রোচের জন্য।
সালিশদার ও গণ্ডার, আপনারা তো কন্সট্রাক্টিভ ডিসকাশনে ইন্টারেস্টেড না। আপনাদের সবগুলো লজিকই খণ্ডাতে পারতাম। কিন্তু আপনাদের উৎসাহ খোঁচানোর দিকে। তাই এই বিষয়ে কমেন্টস ক্লোজ করলাম। আশা করছি এই ব্যাপারটা নিয়ে আর খোঁচাখুঁচি করবেন না। করলে মুছে দিতে হবে।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
গুডবাই।
: তাইলে বইয়া রইসস কেন? যা ঘুমা গিয়া।
: উঁহু। আলাপ করবো। তবু তো ভ্যালেন্টাইন...
: হায়রে পাগলরে....
শৃগাল বলিয়াছে দ্রাক্ষাফল অতিশয় খাট্টা
একানে আমি তুমার বান্দরামী দেকিবার জন্য আচিয়াচি। কিন্তু তুমি আস্তে আস্তে গরিলা হইতে ছাগলে বিবর্তিত হইতেছো
রুবেল শাহ বলেছেন:
ঝাক্কাস -- এরি নাম জীবন, বয়ে চল মুন,হ-য-ব-র-ল.... জন্য + দিলাম
আমি নাজুর সাথে মাঝে মধ্য একটু আধটু চ্যাট বস্য,
সমালোচনাকারী বলেছেন:
আচ্ছা আপনি কমেন্ট মুছেন কেন? তাছাড়া আপনাকে তুমি বল্লে মাইন্দ করেন কেন? আপনি তো অনেক পিচকি মাইয়া। এখনো বুয়েটের গন্ডিতে ঘোরাফেরা করেন। এই ঘোরাফেরা তো আমি একযুগ আগে করতাম। সমস্যা কোথায়? এত ভাব দেখানো মানে কি?@ মুনিয়া
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
প্রিয় পোস্ট, ম্যান। আজকে আর কবিতা লেখবো না, হাতে টাইম নাই। অনেক কাজ জমে আছে!
মুনিয়া বলেছেন:
@রুবেল শাহ, ধন্যবাদ।
@মরিযাদ, অনেক দিন পর ৫ দেখলাম। ধন্যবাদ।
@সমালোচনাকারী, ভাব দেখানোটা ঠিক আমার স্বভাব নয়। আসলে পিচকি বলুন আর যাই বলুন, অ্যাডাল্টদের সম্বোধনের ভদ্র রীতি হল অনুমতি না মেলা পর্যন্ত তুই/তুমি চলে না। আপনি বলাই ভাল। বোঝাতে পারলাম?
@উদাসী, অনেক দিন পর আমার পোস্টে!
ভালই লাগছে দেখে। আবার প্রিয় পোস্টে নিয়েছেন বলে আরো ভাল লাগল। সময় পেলে কবিতা লিখে দেবেন। না লিখলেও সমস্যা নেই। ভাল আছেন?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভালো নাই। মন মেজাজ কোনো কিছু জায়গা নাই। মন মেজাজ খোওয়া গেলে যদি থানায় জিডি করন যাইতো তাইলে মনে হয় প্রথম জিডিটা আমিই করাইতাম!বিটকাইল্যা দিন যাপন হইতাছে!
লেখক বলেছেন:
করে ফেলুন জিডি....
এক প্রযুক্তিবিদ বলেছেন:
১৬৭ মন্তব্য দেখে আর মন্তব্য করতে ইচ্ছে হচ্ছিলো না। কিন্তু লেখাটা অ-স-ম্ভ-ব ভালো লেগেছে!আমিও এখন আপনার পজিশনেই আছি মুনিয়া।
লেখক বলেছেন:
আমার পজিশন কিন্তু চেইঞ্জ হয়ে গেছে... ![]()
লেখা ভালো লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
ভাল থাকবেন।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
মাইনাস
অগ্নি বালক বলেছেন:
ব্যাপক মজাক পাইলাম।
লেখক বলেছেন: এতদিন পরে এই লেখায় কমেন্ট!
মজা পেয়েছেন জেনে ভাল লাগল আমারও।
ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















