আমার প্রিয় পোস্ট
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- ইঁদুর ও সুদর্শন মানুষটি একই জায়গায় মৃত পড়েছিলো /সারওয়ার চৌধুরী - সারওয়ারচৌধুরী
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- ডক্টর আজাদের ‘নারী’র নারীরা, একটু যদি শুনেন দয়া করে! - ফারজানা মাহবুবা
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- বুক টানটান,বুক টানটান করে দাড়া...(আরিফ জেবতিকের আবেদন ) - আরিফ জেবতিক
My Saviour: Touch My Heart
১১ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
প্রথম পর্ব দ্বিতীয় পর্ব
তৃতীয় পর্ব চতুর্থ পর্ব
পঞ্চম পর্ব
আমাদের দিন ভালই কাটছিল...
আমার লাইফস্টাইল বদলে গেল। রুটিন করে রাতে একঘণ্টা কথা- তারপর ঘুম। বহুদিন পর ঘুমের ওষুধের সাথে আড়ি হল আমার। অবশ্য রাতে ঘোরাঘুরির অভ্যাসটা ছাড়তে পারছিলাম না।
ক্লাস শেষে সময় পেলে জিসানকে ফোন করতাম। ও ফ্রি থাকলে চলে আসত। ফ্রি না থাকলেও আসত- পাছে আমি একা একা ঘুরতে গিয়ে কোন বিপদে পড়ি!
এক বিকেলে ফোন করে প্লিন্থে বসে ছিলাম। ও নাকি পনেরো মিনিটের মধ্যে আসবে।
পনেরো মিনিট পার হয়ে গেল... বিশ মিনিট... পঁচিশ- ভাবলাম আজকে বোধহয় আসতে পারবে না। উঠে হাঁটা শুরু করলাম। অনেকদিন একা হাঁটি না রাস্তায়- এই ব্যাপারটা আমার নেশার মত ছিল আগে।
মিরপুর রোডে হাঁটতে হাঁটতে গুনগুন করছি- কি মনে করে রাপায় ঢুকে গেলাম। শপিং এর জন্য না অবশ্য, শুধুই ঢোকার জন্য ঢোকা। ঘুরতে ঘুরতে মনে পড়ল কিছু খাইনি দুপুরে- কি খাব ভাবছি এইসময় জিসানের ফোন...
- কি ব্যাপার কোথায় তুমি? দেড়ঘণ্টা ধরে কল করছি
- আমি সাতাশ নাম্বার, রাপায়।
- রাপায়? আজকে শপিং এ যাবে বলনি তো? আর আমাকে একবার জানাবে না তুমি! কখন থেকে বসে আছি!
- তুমি তো পনেরো মিনিটের মধ্যে আসনি। আমি আরও দশ মিনিট ওয়েইট করেছি।
- ওহ...
এইটা বলার পর মনে হল ও কথা খুঁজে পাচ্ছে না।
- সরি ডিয়ার। আমি ভাবলাম আজকে আর আসতে পারবে না।
- আমার একটা ফ্রেন্ডের বাবা হসপিটালে। দেখতে গিয়ে একটু দেরি হয়েছে। তুমি পনেরটা মিনিট দেরি করতে পারলে না? আর তোমাকে কল করলাম ফোনও ধরলে না।
- ফোন সাইলেন্ট করা ছিল। রাস্তায় তো টের পাইনি। আজকে হাঁটতে হাঁটতে রাপায় এলাম। মজা লাগছে। অনেকদিন পর এতখানি হাঁটলাম।
- হাহ...
- তুমি চলে আস। আমি ওয়েইট করছি।
- আচ্ছা...
একটু খারাপই লাগল। বেচারা এতক্ষণ বসে ছিল একা একা। কিন্তু আমার মন একটু বেশিই ভাল ছিল বোধহয়। আবারও গুন গুন করে একটা হিট গানের সুর ভাঁজতে লাগলাম।
এইবার ও ঠিক পনেরো মিনিটের মাথায় এল। ভেতরে আর ভাল লাগছিল না। বেরিয়ে পড়লাম।
- চল হেঁটে আবার ইউনিভার্সিটি যাই।
- তোমার কি মাথা খারাপ? হেঁটে এসেছ আবার হেঁটে যাবে এখন?
- হুঁ।
ও আর কিছু না বলে হাঁটতে লাগল।
কি কারণে আমার আর ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যেতে ইচ্ছা হল না। ধানমন্ডি লেকের পাড়ে হাঁটতে ইচ্ছা হল...ও চুপ করেই ছিল। বোধহয় মেজাজ খারাপ। আমি গুন গুন করছি সারাক্ষণ। হঠাৎ আবার ওর গান শুনতে ইচ্ছা হল। ও ভাল গায়।
- বেইবি
- বলো বেইবি...
- একটা গান শোনাও না।
- এখন তো গিটার নাই সাথে।
- লাগবে না। নেক্সট উইক এ কনসার্ট আছে না তোমাদের? ঐটায় কি গাইবে সেটা শোনাও।
- জ্যাম হয়নি তো একবারও। সময় করতে পারছি না।
- প্লিজ
- আচ্ছা অন্য একটা...
ও গাইতে শুরু করল...
When you feel all alone,
And the world has turned its back on you,
Give me a moment please
To tame your wild wild heart...
আমি শুনতে লাগলাম... আমার ওয়াইল্ড হার্ট আরও ওয়াইল্ড হয়ে যাচ্ছিল- কিসের জন্য জানি না। ও গাইছিল-
Let me be the one you call
If you jump I'll break your fall
Lift you up and fly away with you into the night...
আমার সত্যি ইচ্ছা হচ্ছিল এই গানটার মত ভাবতে। ও আর আমি রাতের আকাশে ছুটে চলব... অনেকদূর যাব... আমরা আর তারারা....
সেই তারাগুলো বড় বড় গ্যাসের পিণ্ড হবে না। ওরা হবে যেমন ওদেরকে দেখি, তেমন- মিটমিটে জোনাকির মত, ছোট্ট ছোট্ট নীল তারা, যাদের ভালবাসা যায়...
ফোঁটায় ফোঁটায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে কখন টের পাইনি। একটু একটু শীত লাগছিল। উঠে দাঁড়ালাম। বৃষ্টিতে ভেজার লোভ বাড়ছিল...কিন্তু ওর ঠাণ্ডা লেগে যাবে- সো, নো বৃষ্টিতে ভেজা।
ও কিন্তু দাঁড়িয়ে রইল।
- আরে, তুমি না বৃষ্টিতে ভেজার চান্স পেলে ছাড় না? এখন কী ব্যাপার?
- তোমার ঠাণ্ডা লাগবে।
- তাহলে তুমি বাসায় যাও। আমি ভিজব এখানে।
- ধ্যাৎ
- তুমি ধ্যাৎ
কি আর করা... ভিজতে ভিজতে গল্প করতে লাগলাম দুজনে। একটু পর ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল। মানুষজন সব বাড়ি যাওয়ার তোড়জোড় করছে। আর এই পাগলটার সাথে বৃষ্টিতে কাকভেজা হচ্ছি আমি।
লেকের পানিতে বৃষ্টি পড়ছে পাগলের মত- আছড়ে পড়ছে কী একটা আক্রোশ নিয়ে...নাকি ভালবেসেই... জানি না।
অদ্ভুত মাদকতা আছে দৃশ্যটায়। ওর ডাকে সংবিৎ ফিরল
- বেইবি
- বলো বেইবি
- জান
- বলো জান...
- নাহ, থাক
- আরে... বলো তো
ও মাথা নাড়ল। ওকে খুব সুন্দর লাগছিল কেন যেন...
- আরে তোমাকে তো খুব সুন্দর লাগছে। তুমি তো অনেক সুন্দর আগে খেয়াল করিনি। তার উপর সব কালো পরেছ... কালো রঙের একটা অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য আছে... ম্যাগনেটের মত টানে...আর চারপাশেও অল্প আলো... তুমিসহ ভালো কম্পোজিশান...
এইটুক বলে হাসতে লাগলাম।
ও হেসে বলল- হুঁ, আমি তো সালমান খান।
- ধুর, কিসব বলো... টম ক্রুজকেও তোমার পাশে বাজে লাগে দেখতে
- তাই নাকি?
- হুঁ। কি বলবে এবার বলো
- নাহ...
- বলো তো।
ও মুখ তুলে তাকাল...
- তোমার হাতটা একবার ধরতে চেয়েছিলাম। একবার শুধু...
ওর হাত ধরলাম... ওহ... কী অদ্ভুত...
ফিল করছিলাম বুকের ভিতরে... ভালবাসার মানুষের প্রথম স্পর্শ...এর জন্যই কি মরুভূমি হয়েছিল ভেতরটায়? আগে তো এইভাবে অনুভব করিনি... ওকি আমার হাত ধরেছিল শুধু? কিন্তু বুকের ভিতরে যেখানটায় হৃৎপিণ্ড থাকে, ওখানটায় এমন লাগছিল কেন? কেমন যেন- ঠিক জানি না আমি...
কী অদ্ভুত অনুভূতি!
একবার শুধু... কিন্তু হাত যে ধরেই রইল ও। আমারও ছাড়তে মন চাইছিল না।
অনেকক্ষণ কোন কথা বললাম না কেউ। কথা বলতে ইচ্ছাও করছিল না- শুধু আমার ভালবাসার স্পর্শ বুকের ভেতর অনুভব করছিলাম।
- জিসান
- হুঁ
ও না তাকিয়েই বলল...
- আরে মাথা নিচু করে আছ কেন?
ও তাও মুখ তুলল না। হঠাৎ কী হল আমার- ঝট করে ওর মুখ তুলে ধরলাম। যা দেখলাম- বিশ্বাস হচ্ছিল না- কাঁদছে ছেলেটা!
কী বলব বুঝতে পারলাম না...
- আরে...আচ্ছা আগে নাহয় একবার মিসবিহেইভ করে ফেলেছি এটা নিয়ে। কিন্তু আমিও ভালবাসি। শুধু তোমার মত সুন্দর করে পারি না।
ও চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। আমি একটু ইজি করার চেষ্টা করলাম।
- ধুর। এমন ছিঁচকাঁদুনে ছেলে আমি জীবনে দেখিনি। বি আ ম্যান!
ও অনেক কষ্টে কথা বলল-
আমাকে এত ভালবাস কেন তুমি? কেউ আমাকে এত ভালবাসে এটা ভাবলে মন খারাপ হয়ে যায় আমার....
- হায়রে পাগলরে! বাসায় যেতে হবে না আজকে?
ও চোখ মুছে হাঁটতে লাগল।
আবারও বুকের ভিতরটায় ব্যথা করতে লাগল পাগলটার জন্য।
প্রাণ চানাচুর বলেছেন:
খুব হাসির গল্প তো
লেখক বলেছেন: হুমম
মারুফ মুনজির বলেছেন:
পাগলটার ফোন নম্বর টা দিনতো.একটু আদর করে দেই
লেখক বলেছেন: আহ!
সবার আদর নেবে নাকি সে?
এই আমি মীরা বলেছেন:
ওহ আপু!!! পড়তে পড়তে খালি মনে হচ্ছিলো, 'এত্তো কিউট ওরা দুজন!!!'এটা সবগুলো পর্বের মধ্যে সবচেয়ে ভালো হয়েছে! ভালোবাসার পরিমান একেবারে ঠিক মতো পড়েছে। গানটাও সুন্দর। শুরু সুন্দর, শেষ সুন্দর, মাঝেরটুকুও সুন্দর।
লেখক বলেছেন: তাই!!!
থ্যাংকু থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: আচ্ছা... ধন্যবাদ।
শাওন বলেছেন:
পড়লাম , প্লাস দিলাম , কাঁদলাম , মন খারাপ করলাম ।
লেখক বলেছেন: কাঁদলি কেন?
এই গল্পের শেষটা হয়তোবা এমন চমৎকার ঘটনার মত করে হবেনা বলে ভয় হচ্ছে।তবু সব বুঝেও না বোঝার মত করে এই পর্বটা ভালো লাগালাম।আর ভাবছি something miracle should happen.. গল্পের শেষে এসে যেন মনটা খারাপ না হয়ে যায়...
লেখক বলেছেন: আচ্ছা...
থ্যাংকস।
অরন্য আগুন বলেছেন:
চমৎকার লেখা, দারুন অভিব্যক্তি। সেদিন রাতে তো আপনার কবিতা লেখার কথা। সেটা কি ব্লগে দিবেন?ছিহ মীরা, বড়দের গল্প পড়তে হয় না@ এই আমি মীরা।
লেখক বলেছেন: হুমম...
কবিতা লেখার কথা, তবে ব্লগে দেবার কথা না।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
+
এমন লেখাগুলো মিস করার প্রশ্নই আসে না। তাই.........................
মুগ্ধকার ভাষায় মুগ্ধভাবে বর্ণনা করে দিলেন। বিমুগ্ধ। মজা পেলাম।
শুভেচ্ছা আর শুভকামনা রইল................
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রাকিব বলেছেন:
ওহ, স্যাভাজ গার্ডেনের গানটা আবার শুনিয়ে যে কি ভাল কাজ করলেন।......then crash and burn you're not alone..
লেখক বলেছেন: ড্যারেনকে ভাল লাগাটা উচিত না... তবু ভালই লাগে কেন যেন।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
………..পড়তেই আছি…… দেখি শেষে এসে কেমন ধাক্কা মারেন! …… মন খারাপ কিছু হলে সত্যি মন খারাপ হবে আমার।
লেখক বলেছেন: হায় হায়... তাহলে তো মন খারাপ কিছু হওয়ানো যাবে না... দেখি কী করতে পারি...
লেখক বলেছেন: হাহাহা...
পারবে না কেন? সময় হলেই পারবে ![]()
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সত্যিই হাসি পাচ্ছে!! কেন তা পরের পোস্ট গুলোতে বলার সুযোগ পাব নিশ্চয়ই।
লেখক বলেছেন: বলে ফেলুন।
এই পর্বের জন্য তোহফা-
উজালে আপনে ইয়াদোঁ কো হামারে পাস রেহনে দো
না-জানে কিস গলি মে জিন্দেগী কি শাম হো যায়
তোমাকে ঘিরে রচিত উজ্জল স্মৃতিগুলো আমার কাছেই থাকুক
জানা নেই তো, কোন গলি পথে জীবনে সন্ধ্যা নেমে আসে
লেখক বলেছেন: আচ্ছা... থ্যাংকস।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
বলব অবশ্যই বলব।
নিশীথ রাতের বাদলধারা বলেছেন:
পড়লাম...শেষে এসে ধাক্কা খেতে হবে না তো?
লেখক বলেছেন: না না... নিশ্চিন্ত থাকুন। আমি কাউকে ধাক্কা দেই না।
নবজন্ম বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
অহেতুক অকারণ বলেছেন:
হা হা হা হাসির গল্প নাকি!!
ছেলেরা কান্না করে তো আমিও করেছি। কিন্তু আদর করে পাগল বলার মতো কেউতো ছিল না...
৪র্থ পর্বটা বেশি ভাল ছিল।
আসলে কেন জানি, বেদনা বেশি আপ্লুত করে আর রোমান্টিকতা খুব বো্রিং লাগে।।
লেখক বলেছেন: হুমম...
কি আর করা। একসময় কেউ হবে হয়তো।
কালপুরুষ বলেছেন:
হুমম।
কালপুরুষ বলেছেন:
আমিও বেশী কিছু লিখুমনা। তোর মতো কৃপণ হওয়ার চেষ্টা করছি।
লেখক বলেছেন: হায় হায়...![]()
অরুনাভ বলেছেন:
আগের গুলি বেশী ভালো লেগেছে........
লেখক বলেছেন: হুমম
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
গল্পের জিসান হোক আর বাস্তবের, ওর জন্য ভালোবাসা রইল। পৌছে যাবে তো!!!!
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই যাবে!!!
অনেক ধন্যবাদ। নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা...
নববর্ষের শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা। ![]()
লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: ![]()
এইরকম করে রিকোয়েস্ট করলে??
ভাল থাকো। শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর তো ছবিটা... শুভ নববর্ষ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।
ভাল থাকুন।
প্রিয়তমা বলেছেন:
লেখাটা পরে মুগ্ধ হয়ে বসে ছিলাম কিছুক্ষণ ! ভালোবাসার খুবই বাস্তব প্রকাশ। তবে গল্প যতই আগাচ্ছে কেন জানি অশুভ কিছুর আগমনে ততই ভয় লাগছে। নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইল আপনাকে লেখক বলেছেন: আপনাকেও নতুন বছরের শুভেচ্ছা। খুব ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: সময় পাচ্ছি না...
আচ্ছা যাও লিখে দেব শিগগিরই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।


















