আমার প্রিয় পোস্ট

মুনিয়া গুডগার্ল

ডে কেয়ার সেন্টারে কাঁদছে আগামীর ন্যাশন বিল্ডার্স...

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

ডিজাইন টিচাররা ক্লাসে এসে খুব উৎসাহের সাথে শুরু করলেন- এইবার তোমাদের একটা ভিন্নধর্মী প্রজেক্ট দেওয়া হবে। বাচ্চাদের জন্য ডিজাইন করতে হবে... যত ফ্যান্টাসী আছে এক্সপ্লোর করতে পারবে।

আমরাও ইন্টারেস্টেড ফিল করছিলাম। মজার মজার রং, মজার মজার সব শেইপ আসবে নিশ্চয়ই এই প্রজেক্টে।
স্টার্টিং স্টেপ তো সার্ভে। শেরাটন এ গেলাম ইউনিসেফ এমপ্লয়ীদের বাচ্চাদের জন্য করা ডে কেয়ার এ। তারপর বনানী...
স্কুলের নাম ''কিড জি''।
ইন্ডিয়ানদের করা স্কুল। বাচ্চারা শিখছে নিজের চাওয়ার কথা কি করে ইংরেজিতে বলতে হয়। দে আর ডুইং এভরিথিং ইন স্টাইল... মাতৃভাষা অবহেলিত দেখে খারাপ লাগছিল প্রথমে। কিন্তু ওদের বাচ্চা বেলা থেকেই অনেক চমৎকার ট্রেনিং হচ্ছে দেখে ভালোও লাগল।
বাচ্চারা সময়মত নিজেদের হোমওয়ার্ক করছে। এমনকি একটা গ্রোইং কাপ্টেন ও দেখলাম। কেউ ক্লাস থেকে বের হয়ে গেল কিনা- সেটা টিচারকে ইনফর্ম করছে সে সাথে সাথে।
এজগ্রুপ ছিল কয়েকটা। সবচে ইন্টারেস্টিং হল ২ থেকে ৩ বছর বয়সী বাচ্চাদের ক্লাস। প্রাইমারী শেইপস নিয়ে খেলছিল ওরা। আমাদের সাথে হ্যান্ডশেইক করল সবাই। গেস্টদের জন্য মর্নিং প্রেয়ার করেও দেখাল। এত কিছু দেখে আমাদের এক ফ্রেন্ড আফসোস করছিল... আমাদের সময় কোথায় ছিল এগুলো... সাথে সাথে ওদের টিচার বিজ্ঞাপন এর ধরনে শুরু করে দিলেন-'' সেইজন্যই তো কিড জি এখন বাংলাদেশে। মাত্র আট মাসে আমরা অনেক সাড়া পেয়েছি। শিগগিরই কিড জির আরো শাখা খোলা হবে।''
ঘুরতে ঘুরতে এক রুমে ঢুকে দেখি একটা বছর তিনেকের ছেলে একা। সাথে মাত্র একজন অ্যাটেন্ডান্ট। ব্যাপার কি বুঝতে পারলাম না। ছেলেটার সাথে কথা বলতে গেলে সে শুধু বলে- বাই বাই। যতই তার নাম জিজ্ঞেস করি, তার একই কথা- বাই বাই। কিন্তু শ্যাগী হ্যান্ডশেইকের জন্য হাত বাড়ালে সে চট করে কিস করে দিল! বিশ্বজিৎ দেখে বলে- এ আমাদের ফাহিম। মেয়ের হাত পেলে যে চুমু খেতে হবে সেটা জানে! হাসতে হাসতে বেরোলাম সব।
পরে জানলাম বাচ্চাটা অটিস্টিক।
আরো কিছু সময় অবজার্ভ করে দেখলাম- একটা ক্লাসে ১০টা বাচ্চার মধ্যে তিনটাই অটিস্টিক। তাদের কেউ প্রচণ্ড নার্ভাস। কেউ আবার নাম জিজ্ঞেস করলে কুঁকড়ে যায়। কেউ আইডেনটিটি ক্রাইসিস এ ভোগে।

অভিজাত এলাকার সুস্বাস্থ্যের অধিকারী বাচ্চাদের মধ্যে এত বেশি অটিস্টিক দেখে অবাক হয়ে গেলাম। স্কুলটা কিন্তু অটিস্টিকদের না। কিন্তু ক্লাস টাইমের শেষ দিকে একটা ব্যাপার খেয়াল করলাম। অটিস্টিক না এমন বাচ্চাগুলোর আচরণও খুব স্বাভাবিক না। অনেকগুলো খেলনা নিয়ে একটা ঘরের মধ্যে বন্দী বাচ্চাগুলো কেমন অস্থির করছে...রাগে ছুঁড়ে ফেলছে খেলনা। কাউকে গিয়ে মারধোর করছে। কেউবা আম্মু আম্মু করে কাঁদছে...
দেখতে দেখতে দামি খেলনাগুলোর উপর কেমন রাগ হতে লাগল আমার। আমার শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল... বিশাল মাঠের মধ্যে দিয়ে ছুটছি হরিণশিশুর মত... মনে পড়ল ফুল আর প্রজাপতিদের কথা... তার সাথে কি কোন তুলনা হয়? এইসব জেলবন্দী বাচ্চাগুলোর জন্য মনটা কাঁদতে লাগল খুব। তারপরও এই জেলখানাই ডিজাইন করতে বসব... কি করে খাঁচাটাকে আরও সুন্দর করা যায়। কি করে আরও ইন্টারেস্টিং ফিচারস দিয়ে বাবা মা- কে টানা যায়, যাতে আমার বানানো জেলখানায় তার বাচ্চা বন্দী করে রেখে যায় বাবা- মা।

আরো একটা কথা বার বার মনে হচ্ছিল। এইরকম বন্দিত্বের মধ্যে যাদের জীবনের শুরু, চারটা দেয়ালের মধ্যে বিশ্বকে দেখে যারা চিন্তা শুরু করছে, একদিন তো তারাই চালাবে দেশটাকে। কি দিতে পারবে তারা? তাদের কি দেওয়ার মত কিছু তৈরি হবে ততদিনে?

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

 

  • ৭৬ টি মন্তব্য
  • ৬৮৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৭ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩
comment by: মদন বলেছেন: :(
২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
comment by: ফয়সল নোই বলেছেন:
লেখাটার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।+
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
comment by: মদন বলেছেন: এইসব শিশুই বড় হয়ে বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: হুমম... এটাই হয়।

৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৫
comment by: রুম্মান বলেছেন: এখন সুস্থ আছেন?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: বেটার আছি। আমার রিকাভারীতে অনেক দিন লাগবে। ডাক্তার ৬ মাসের বেড রেস্ট সাজেস্ট করেছে... তোদের খবর কি? প্রথমটা তো ভালোই করেছিস সব...

৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
comment by: রবিউলকরিম বলেছেন: ভােলা লাগল। শিরোনামটা অসাধারণ।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: মজার ব্যাপার হল এই ডে কেয়ার সেন্টার থেকে যেই সব ফার্মের মুরগী গুলো বের হবে তাদের দেশ বিল্ড করবার সাহস ও যোগ্যতা কিছুই রইবে না।

দেশ চালাতে বাংলা বলতে পারা আনস্মার্ট ছাত্র-ছাত্রীদের দরকার।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: হুমম...
সবচে আতংকের ব্যাপার হল আমাদের বাচ্চারাও হয়তো এইরকম ডে কেয়ারেই পচবে। যৌথ পরিবার তো নেই যে কর্মজীবী মায়ের সন্তান কোন না কোন আত্মীয়ের হাতে বড় হবে।

৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
comment by: অমিত আহমেদ বলেছেন: আমরা আমাদের প্রজন্মকে শেখাবো সব পন্য। শেখাবো সব কিছুকে কিভাবে অংকে সাজাতে হয়। এরপর দেশ চালানোর জন্য বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আমদানি করবো।

আপনাকে ধন্যবাদ মুনিয়া।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: হুমম এটাই তো হচ্ছে...
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৫
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: দেশ চালাতে বাংলা বলতে পারা আনস্মার্ট ছাত্র-ছাত্রীদের দরকার। আমি সহমত পোষণ করছি। আমার খুব মায়া লাগে এমন বাচ্চাদের দেখলে। শহরে থাকলেও আমি বড় হয়েছি যৌথ পরিবারে।চাচা- চাচি , ফুপু - ভাি-বোন অনেকের মাঝে। তাই বাবা মার একমাত্র সন্তান হলেও সেরকম একাকীত্ব কখনোই ফিল করিনি। এখহন বড় হবার পর বুঝি একটা শিশুর জন্য আট্মীয়স্বজণের মাঝে বেড়ে ওঠা কতোটা প্রয়োজন!!! পোস্ট টা ভালো লেগেছে। প্রিয়তে রাখলাম।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
যৌথ পরিবারে বড় হয়েছেন! আপনি তো খুব লাকি তাহলে। আমি এই জিনিসটার অভাব বোধ করি সত্যি

৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১৬
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ডে কেয়ার সেন্টারতো লাগবেই। কিন্তু তার কাঠামো, পরিচালনা ইত্যাদিতে দেশীয় সংস্কৃতির ভিত্তিতে হতে হবে। সব চাইতে ভাল হয় কিছু কর্মজীবি মহিলার কর্মস্থল যদি ডেকেয়ার সেন্টারেই করা যায়। অনেক মহিলা আছেন যারা বাড়িতে বসে সিরিয়াল দেখে বাজে সময় নষ্ট করেন। তারা চাইলেই ডে কেয়ার সেন্টার দিতে পারেন। আর সরকার যদি নিয়ম করে শিক্ষিত মহিলাদের একদম অপরাগ না হলে কোন না কোন কাজ করতেই হবে, তবে মহিলাদের পারিবারিক সমস্যার ব্যাপারটাও থাকে না। যে লোক তার স্ত্রীকে কাজ করতে দিতে চায় না তার জন্য মাসে মোটা অংকের জরিমানা নির্ধারণ করা উচিত। তাইলেই সব লাইনে চলে আসবে।

তবে যেহেতু এর সাথে দেশের ভবিষ্যত জড়িত বিধায় স্কুল কলেজের মত এই সব ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ন্ত্রন থাকা উচিত।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: ডে কেয়ার সেন্টার লাগবে ঠিক আছে। কিন্তু কয়েকটা রুমের মধ্যে বাচ্চাদেরকে বন্দী করে মাসে বিশ হাজার অ্যাডমিশন আর তিন হাজার করে টিউশন ফি নেয়াটাকে কি বলবেন আপনি?
ডেকেয়ার করতে হলে অবশ্যই বড় প্লেগ্রাউন্ড থাকা খুব দরকার। এইভাবে বন্দী থাকা বাচ্চাগুলো তো পঙ্গু হয়ে যাবে। ওদের গায়ে সূর্য পৌঁছায় না। দিনের বেলা ডে কেয়ার এর এসি। ওখান থেকে এসি গাড়িতে চড়ে বাসায়- সেখানে এসি রুমে রাত কাটানো। সকালে আবার ডে কেয়ার... এইতো অবস্থা

১০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:২১
comment by: নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন: লেখাটা ভাল লেগেছে...
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
comment by: খালবিল বলেছেন: কতা হাচা
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: হুমম

১২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: আশঙ্কাজনক.... ডিজাইনারদের তো মনে হয় sociology ২.০ ক্রেডিটের কোর্স থাকে.. .. ডিজাইন করার সময় এসব বিষয় কনসিডার করার অধিকার নিশ্চয়ই তাদের থাকবে...
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: তা থাকে। তবে সমস্যা হল ঐসব মানতে গেলে আর ক্লায়েন্ট পাব না। অনেস্ট থাকা খুব কঠিন ব্যাপার।

১৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: সত্যিই...বড় করুনা হয় এ-প্রজন্মের জন্য...সভ্যতার আশীর্বাদ কি এই?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: হুমম... কিছুই করার নেই।

১৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: একটু আগে আপনার লাস্ট লেখাটা আমার ব্লগস্পটে যোগ করে এসে এখন এই লেখা পড়ে মনে হচ্ছে এটাও যোগ করতে হবে। ভাবার মত লেখা।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: খুব একটা ভেবে লিখি নাই আসলে। পিচ্চিগুলোর জন্য এত খারাপ লাগছিল... কিছু করার নাই।
থ্যাংকস।

১৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯
comment by: রুম্মান বলেছেন: এখন আর্কিটেকচারের স্বাদ পাচ্ছি..... ১-২ তে প্রচুর খাটনি ছিলো.. মজাও পেয়েছি অনেক। আর ২-১ সম্পুর্ন নতুন জিনিস। প্রথমে টয়লেট ডিজাইন করলাম.... ভালোই হয়েছিলো.... আর এখন প্রজেক্ট দিয়েছে ফ্যামিলি লিভিং স্পেস ডিজাইনের... দেখা যাক কপালে কি থাকে...

আপনার প্রজেক্টটা অনেক মজার হবে মনে হচ্ছে.... সুস্থতা কামনা করছি।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
লিভিং স্পেস মন দিয়ে কর। এত ফ্রিডম আর কোন প্রজেক্টে পাবি না। বেস্ট অব লাক।

১৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: সামাজিক এই প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়া উচিৎ সবার আগে ..........

ধন্যবাদ নয় শুভেচ্ছা রইল সুন্দর একটা লেখার জন্য




ভাল থাকা হয় যেনো............
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আপনিও ভাল থাকুন।

১৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
comment by: ব্রাইট বলেছেন: "এইরকম বন্দিত্বের মধ্যে যাদের জীবনের শুরু, চারটা দেয়ালের মধ্যে বিশ্বকে দেখে যারা চিন্তা শুরু করছে, একদিন তো তারাই চালাবে দেশটাকে। কি দিতে পারবে তারা? তাদের কি দেওয়ার মত কিছু তৈরি হবে ততদিনে?"

সুন্দর প্রশ্ন। এ প্রশ্নের উত্তর সময়ই দিবে।

সাথে আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না। যে প্রজন্ম "বিশাল মাঠের মধ্যে দিয়ে হরিণশিশুর মত ছুটে বেড়িয়ে ... ফুল আর প্রজাপতিদের সাথে খেলা করে ... " বড় হলো সে প্রজন্ম আজ কি দিচ্ছে দেশটাকে? কেন আমরা দিনে দিনে অধঃপতনের দিকেই যাচ্ছি? শান্তি-সমৃদ্ধি-সুখে ভরা সোনার দেশটা কোন দূর সীমানায় হারিয়ে যাচ্ছে? কেন তা নাগালে আসছে না?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবার ক্ষমতা নেই। এই প্রজন্ম তো পরবর্তীদের জন্য খাঁচা বানাতে উঠে পড়ে লেগেছে...

১৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫
comment by: শিরোনামহীন বলেছেন: লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
যৌথ পরিবারে বড় হয়েছেন! আপনি তো খুব লাকি তাহলে। আমি এই জিনিসটার অভাব বোধ করি সত্যি
------------------------------------------> জ্বি! :) খাঁটি একান্নবর্তী পরিবার,। :) েজন্য একাকিত্ব সহ্য করতে পারিনা আমরা কোন ভাইবোন।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: আমাদের এমনিতে বড় ফ্যামিলি। কিন্তু যখন কাজিনদের সাথে এক হই, তখন মনে হয় এত বড় সমাবেশটা সবসময়ই পাই না কেন...

১৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: দীর্ঘশ্বাস ।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩

লেখক বলেছেন: এছাড়া আর কি...

২০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

২১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভাল লাগলো লেখাটা।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:২০
comment by: কোলাহল বলেছেন: চিন্তার কথা।



....... সামনে হয়তো চিড়িয়াখানা ডিজাইনে মনোযোগ দিতে হবে।
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: তা তো বটেই।

২৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪২
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অশনি সংকেত !!! অসাধারণ , অসাধারণ একটা লেখা , কিন্তু একরাশ আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে গেলো ।

আমরা তো সবই বুঝি , তারপরও কেন নতুন প্রজন্মের বাবা মায়ের মাথা ব্যথা অনেক কম ? ফ্যামিলির প্রতি সবার যে ডেডিকেশন ছিল , সেটা কি হারিয়ে যাচ্ছে না ? এমন জেলখানার মাঝে বেড়ে উঠা শিশু আগামী দিনে বাবা মায়ের প্রতি বিরুপ হয়ে উঠতে পারে , এটা জেনেও কেন বাবা মায়েরা সচেতন হয়ে উঠছে না ।যৌথ পরিবার না থাকার পেছনে ইদানিংকালে মেয়েদের দায়টা সম্ভবত বেশি । ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব আর আপোষ করতে না পারা , এগুলো পরিবারগুলোকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে ।

আগামী দিনগুলো কোন ভালো পূর্বাভাস দিচ্ছে না
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: হুমম...
আসলেই...

পড়ার জন্য ধন্যবাদ অনেক।

২৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৪
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: হুমমম
২৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১৪
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: হুমমম
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: হুমম

২৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: লেখাটা আতংকজনক। তবে দেশকে এরা কিছু দেবে কিনা,সেটা পরের বিষয়,বিশেষ করে এরকম ডে কেয়ার সেন্টারে ইংরেজি বলা বাচ্চারা আদৌ দেশ কি চিনবে কিনা,সেটাই তো বড় প্রশ্ন। নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে আমার,সবাইকে চিনে বড় হটে পেরেছি বলে।
৬ মাসের বেড রেস্ট? ভয়াবহ অবস্থা,গেট ওয়েল সুন(ইংরেজি বলে ফেললাম:()
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫১

লেখক বলেছেন: হুমম... চিনেছি কিনা এখনও নিশ্চিত হতে পারি না। এরাও তো দেশের অংশ। ওদের লাইফের এই পেইনফুল সাইডটা আগে ভেবে দেখিনি কখনো।

ইংরেজি বলে ফেললে সমস্যা নেই। বাংলা ভাষা তো অনেক উদার... দেখবেন এটাও বাংলা হয়ে যাবে :)
শুভকামনার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৭. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৬
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আসলে একটু অন্যভাবে চিন্তা করলে হতে পারে এতটা ভয়ন্কর না। অটিস্টিক ব্যাপারটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা কারন যদি সে বাবা মার কাছেও থাকে তাহলে সেটা ডিপেন্ড করবে সেই বাবা মা এটা সম্পর্কে কতটুকু জানে!

আর বাইরের দেশে এটা খুব প্রচলিত ব্যাপার ডে সেন্টার। সে হিসেবে আমাদের দেশে এই ব্যাপারটা আরো আগে ডেভেলপ হলে হয়তো আমরা এখন এর ভালো একটা শেপ পেতাম। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনোকিছুই ভালো ফল দেয় না! সেইক্ষেত্রে ট্রায়াল এ্যান্ড ইরোর ব্যাপার আর সাইড এয়াফেক্ট মিনিমাইজেশনের ব্যাপারটা মাথায় রেখে ডিজাইন হচ্ছে কি না সেটাই দেখার বিষয়!


তবে এটা খুবই ভালো লেখা!
১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: অটিস্টিক বিচ্ছিন্ন ঘটনা কি নয় সেটা না। আমি বলছিলাম যারা অটিস্টিক নয় তাদের ভেতরেও অস্বাভাবিকতার কথা... শিশুদের জন্য চারটা দেয়ালের মধ্যে আটকা থেকে টুইংকল টুইংকল মুখস্থ করা কি খুব স্বাভাবিক? নাকি তাদের উপর এটা ইমপোজ করা উচিত?

ট্রায়াল এন্ড ইরোর? এই দিয়ে হবে- তবে আমাদের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি গুলোর মত... যেখানে ইরোর এর পার্সেন্টেজ অ্যাবাভ নাইনটি। স্পষ্ট নীতিমালা বা আইন থাকলে কিছু কাজ হতে পারে... তাও ধরপাকড় না করলে হয় না।

একটা ব্যাপার মনে হয়- কর্মজীবী মায়েদের জন্য ওয়ার্কস্পেসের খুব কাছেই(ওয়াকিং ডিসট্যান্সের মধ্যে) যদি চাইল্ড কেয়ারের ব্যবস্থা করা যায়, তাহলে হয়তো মা কাজের ফাঁকে দেখে আসতে পারেন বাচ্চাকে।

আর সবচে গুরুত্বপূর্ণ হল একটা বড় প্লেগ্রাউন্ড থাকা খুব দরকার। এই বিষয়টা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা না নিলে ক্যাম্পাসবিহীন প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির মত প্লেগ্রাউন্ডবিহীন চাইল্ড কেয়ার গজাতে থাকবে যেখানে সেখানে।

ধন্যবাদ।

২৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৬
comment by: নিলা বলেছেন: চমৎকার একটা লেখা। ডে কেয়ারের বাচ্চাগুলোর জন্য আমারও ভীষন মায়া লাগে।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩০
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
পরিবারের মধ্যে থেকেও যারা পরিবারের বাইরে - মানে অবহেলিত তাদের কথা কিছু বলুন।

ভালো থাকুন।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: তাদের কথা? বলা কঠিন... অভিজ্ঞতা দরকার। আপনি বরং বলুন না কিছু।
শুভকামনার জন্য ধন্যবাদ। আপনিও ভাল থাকুন।

৩০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৪৯
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:

কিড জি
স্কুল টা কোথায় অবস্থিত...কোথাও দেখছি কিন্তু মনে করতে পারছি না...

আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কি পাবে.....সেটা আসলেই ভাববার বিষয়...
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: হুমম আসলেই।

৩১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
comment by: রুখসানা তাজীন বলেছেন:
জেলখানা থেকে রাতারাতি উত্তরণের কোন পথ তো নেই। কর্মজীবী মা হয়ত শ্বাশুড়ি বা মায়ের কাছে একটা বাচ্চাকে রেখে যেতে পারেন, সে সুযোগ কজনার হয়? বাসায় বসে বসে টিভি দেখা আর একাকিত্বে ভোগার চেয়ে ডে-কেয়ার অনেক শ্রেয় মনে হয়। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে তো ডে-কেয়ারেই মুক্তমনের মানুষ বেড়ে উঠছে।

খোলা মাঠ বা সবুজের সঙ্গলাভ থেকে বঞ্চনার বিষয়টা শহরে বসবাসকারী সব বাচ্চার বেলায়ই প্রযোজ্য। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় পার্কে, মাঠে খেলার সুযোগ শিশুদেরকে না দিতে পারার সাথে অনেক বিষয় জড়িত।

লেখা ভালো হয়েছে। অভিনন্দন।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আপনার কথাগুলো যুক্তিযুক্ত।

৩২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
comment by: মুহিব বলেছেন: শুনি ঢাবি বুয়েটের মাঠেই অনেক প্রতিভার উন্মেশ হয়। আগে মাঠ ছাড়া স্কুল ভাবাই যেত না। একদিন এক কেজি স্কুলে দেখলাম এক রুমেই দুই ক্লাস!!
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: কিহহ!!!!

৩৩. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:৩০
comment by: নিলা বলেছেন: আপু মাইর দিয়ো না প্লিজ। :(
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: আরে! মাইর দিতে যাবো কেন?

৩৪. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:০১
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: আফসুস:(
তয় লেকাডা ভালা লাগচে
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪০

লেখক বলেছেন: আরে! চিকনমিয়ার প্রশংসা!!
লেখাটা আরো ভালো লাগল!!!

৩৫. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯
comment by: শিরিন বলেছেন: ডে কেয়ারের বাচ্চাগুলার জন্য মায়া হয় খুব
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: আমারও।

৩৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: হুমমম...
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: হুমম

৩৭. ০৩ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
comment by: তারিক রিদওয়ান বলেছেন: হুম্মম্মম্মম :(

এরাই একদিন এদের মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে.............
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: খুব স্বাভাবিক।

৩৮. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯
comment by: টংকেশ্বরী বলেছেন: বিবর্তনবাদী বলেছেন: মজার ব্যাপার হল এই ডে কেয়ার সেন্টার থেকে যেই সব ফার্মের মুরগী গুলো বের হবে তাদের দেশ বিল্ড করবার সাহস ও যোগ্যতা কিছুই রইবে না।

দেশ চালাতে বাংলা বলতে পারা আনস্মার্ট ছাত্র-ছাত্রীদের দরকার।
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৪

লেখক বলেছেন: হুমম হুমম।

৩৯. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯
comment by: তেলাপোকা বলেছেন:
মন্তব্য করতে লগ-ইন করলাম,
বিবর্তনবাদীর সাথে সহমত।

যৌথ পরিবার বিলুপ্তির পথে। আশা করবো আপনার পোষ্ট যা পড়বে তারা যৌথ, কিংবা ৫১ বর্তী পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে।

ব্রোকেন ফ্যামিলি কিংবা এসব ফার্মের যন্ত্রুগুলোর কাছ থেকে দেশ তেমন একটা সুবিধে পাবেনা। এরা না পারবে পক্ষে থাকতে, না পারবে বিপক্ষে। এরা সহজ কথায় সুবিধাবাদীর দলের লোক। ঘরে এসি চালিয়ে ওজন স্তর ধ্বংস করবে আবার ঠিক-ই উঁচু চেয়ার বসে পরিবেশবাদী সেজে বসে থাকবে।

এসব অবুঝ বাচ্চার অবিবেচক বাবা মার প্রতি সীমাহীন করুনা জানানো ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারছি না।
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর বোধহয় আপনার পা পড়ল ব্লগে! ভাল আছেন তো?
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

 

 


গুডগার্ল
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই