আমার প্রিয় পোস্ট

মুনিয়া গুডগার্ল

সময় যখন অসময়

০২ রা মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:২৯

শেয়ারঃ
0 0 0

এটা সেরাতের কথা,
যখন শহরটায় নেমে আসে
এক টুকরা নরক।
যখন কারখানাতে বেজে চলে
বাদ্য- পূর্ণ জিঘাংসায়!

এটা সেই রাতের কথা,
যখন ড্রেনের ভেতর থেকে
উঠে আসে অতৃপ্ত আত্মাসব-
ফেলে প্রিয় শরীর...

রাতটা পেরোচ্ছিল নিষ্ঠুর ঘড়িটায়-
একটু একটু করে
আর কালো অন্ধকার ঢুকছিল শুধু-
চোখের পাতা ঠেলে।

অসহ্য অসহ্য!
ব্যথা -টনটন চোখের পাতা
টানটান স্নায়ু,
জানিয়ে যায় প্রতি মুহূর্তে
বাঁচার আর্তি।

কষ্ট পেতে গেছি ভুলে
শুষ্ক দুচোখ আমার;
ফিরেছে কি বাবা ওর?
-চাই না ভাবতে আর।

হঠাৎই মনে পড়ে
সেই নিশাচর বন্ধু আমার,
অস্থির এই মুহূর্তটায়
যাকে খুব দরকার!

রাত্রি দ্বিপ্রহরে
অস্থির আমি দাঁড়িয়ে রই
সেই বন্ধুর দোরে...

'ভয় পেয়েছ, পাগলী?'
- নিঃশঙ্ক প্রশ্ন তার।
বাস্তবে ফিরে আসি
'ঘুম হয় না কেন?'
- অর্থহীন প্রশ্ন দেই
ছুঁড়ে তার দিকে; সে
সহৃদয় হেসে বলে,
'টেন্সড আছো বলে!'
'চল, ঘুরতে যাই কোথাও'
বলি আমি অকারণে,
রাতটাকে দেখে নিয়ে
আরো একবার।

রাত্রির রাজপথে হেঁটে চলি
সে আর আমি
আমি আর সে।
আর কোন এক অজানা শক্তি
নষ্ট এই শহরটাকে
কব্জা করেছে যে!

পায়ের ছাপ ফেলে,
পেরিয়ে যাই মৃত্যুপুরীটা
বড় অবজ্ঞাভরে।
পূর্ণচাঁদের বিদ্রূপটাকে
অল্প গ্রাহ্য করে...

ক্ষীণস্রোত রক্তবিন্দুসব
আঁকড়ে ধরে দুজোড়া পা।
তারস্বর চিৎকারে জানায়
এপথে থাকবে না তারা!
কানে আঙুল চেপে,
রোধ করি অনুপ্রবেশ ওদের;
শক্ত করে ধরি
বন্ধুর হাত- যেতে হবে আমাদের!

একসময় পৌঁছে যাই
অভাগা সেই নদীর তীরে-
যেখানে শহরের কলুষ
যত, চিৎকার করে ফিরে!

পচা-গলা দুর্গন্ধময় সেই জলস্রোতের মাঝে
আশায় থাকি- বৃষ্টি আশীর্বাদের;
বড় অসময় সেই সময়ে তবু নামে সে ঝমঝম করে,
সাড়া দিয়ে ডাকে আমাদের!

পাগল করা উন্মত্ত সেই বৃষ্টি
মাতাল করা তীব্র তার দৃষ্টি
এলোমেলো করে দেয়
মস্তিষ্কের অণুগুলো,
অসহ্য অনুরণনে!

তীর খুঁজে নিয়ে,
উঠে পড়ে এক ঝটকায়;
তারপর এলিয়ে পড়ে ক্লান্ত শরীর আমার।
মুক্তি দেয় সূর্যটাকে,
যাতে সে খেলে বেড়ায়
বন্ধুর রুক্ষ ত্বককে একটু রক্তাক্ত করে...
সকালের আগমনে তন্দ্রালু ছেলেটা-
নিশাচর বন্ধু আমার!
কিন্তু তাকে যে দেবো না ঘুমোতে
'দেখো দেখো সূর্যোদয়!'
- বলি ফিসফিসিয়ে।

ক্লান্ত সেই ছেলের
সহৃদয় হাসি
নিশ্চিন্ত করে আমাকে;
বলে- 'ঘুমোও পাগলী,
রাত্রি যে হয়ে গেছে শেষ'।
ওকেই দেখি
আবারো আমি;
দুর্বল সূর্যের খেলা তার মজবুত চোয়ালে,
দৃঢ় তার কাঁধ আর টানটান বুকের উপরে...

আরও গভীরে তাকাই
বুকের অনেক গভীরে
যেখানে দপ দপ করছে জীবনের মত
একটুকরা নরম মাংসপিণ্ড
নিতান্তই বেমানান বলিষ্ঠ সেই বুকের সাথে!
যে জানে না কি আছে অপেক্ষায়,
জানে না লুকিয়ে বাঁচার দণ্ড!

হঠাৎ দুষ্টু সূর্যটা,
ধাঁধিয়ে দেয় দুচোখ,
তীব্র লাল আলোয়;
যন্ত্রণার মুহূর্তটা
কাটিয়ে এগোই আমি
ওর দিকে ধীরে।

কী বোকা আমি!
এতো আলো নয়
শক্ত সেই খোলসটা কেবল
ভেঙে ঢুকে গেছে সেই নরম মাংসপিণ্ডে-
তারই জানান দিয়ে বইছে রক্তবন্যা,
তীব্রবেগে, অবিরাম অনর্গল!
শিউরে উঠি আমি,
বরফ শীতল ভীত অন্তরাত্মা...
কেঁপে উঠে সে ছড়িয়ে দেয়
ব্যথার নীল স্রোত।
শুষ্ক আমার চোখের কোটর ঠেলে
বেরিয়ে আসে নোনা অশ্রুজল!

সংবিত ফেরে ওর ডাকে-
'শীত করছে নাকি?'
নীরবে মাথা নাড়ি।
'ঘুম পাড়িয়ে দেবো?'
বলে সে কোমল স্বরে।
ওর বাহুতে মাথা রেখে
বুঁজে ফেলি চোখ;
ফিসফিস করে বলি-
'আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দাও
দিতেই থাকো,
যতক্ষণ না ঘুমিয়ে কাদা হয়ে যাই...'

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:৩৫
ত্রিভুজ বলেছেন: এইটা কবিতা না রেল গাড়ি? যাই হোক, ভাল লিখছেন....
১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: এত তাড়াতাড়ি পড়লেন কিভাবে??!!!
ধন্যবাদ!

৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:১১
টুশকি বলেছেন: এতো দেখি মহাকাব্য! এখন আপাতত প্লাস দিয়ে যাই। এটার সারমর্ম ব্যাকরণ বইতে আসলে তখন পড়ে নিবনি।
১২ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৬:১৬

লেখক বলেছেন: হাহাহা... টুশকি কেমন আছেন? ব্লগ এর জন্য লিখিনি আসলে। বাঁধ না দিয়ে লিখলে ফিলিংস সহজে স্টপ হয় না। এজন্য এই সাইজ

৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: জানতে মনঞ্চায়:
মানুষ কখন কবিতা লিখে?
ছেকা খাইলে, ছেকা দিলে, প্রেমে পড়লে? কোনটাই তো বাদ রাখিনি কিন্তু কবিতা পড়তে ভালো লাগে না কেন??

তবে ছোটবেলার চয়নিকার বন্দে আলি মিয়া, অথবা সুকান্তের হারিয়ে যাওয়া কবিতাগুলো এখনো মনে মনে খুজে ফিরি
পার হয়ে যায় গরু পার হয়ে গাড়ি
দুই দ্বার উচু তার ঢালু তার পাড়ি
(এরকমই মনে হয় ছিলো)

হে সুর্য্য, শীতের সুর্য্য..
...........................।।
১৪ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: apni jegula vabchen shejonno na... jokhon mon theke ashe... tokhon manush kobita lekhe

obosso amaro kobita porar habit temon nai...

৫. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩০
'লেনিন' বলেছেন: ভালো কবিতা... কবিতাটির শুরু'টা বুঝতে পারলাম... শেষে ধৈর্য হারালাম। ভালো থাকুন।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
এবং ধৈর্যচ্যুতি ঘটানোর জন্য সরি!!
আপনিও ভাল থাকুন।

৬. ১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৭
বিবেক সত্যি বলেছেন: এটা কোন রাত ? ২৫ ফেব্রুয়ারী নাকি ?
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: হুমম... ঐসময়কারই ফিলিংস

৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৩২
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:


+
সময়!
সময় যখন অসময় হয়ে দাঁড়ায়
আমার শান্তির নীড়ে
তখন বুঝি যন্ত্রনা কাকে বলে!!!
হয়ত প্রিয় সময়গুলো
এভাবেই অসময়ে নিয়ে আসে
মৃত্যুর ডাক!
এভাবেই প্রিয় সময়কে দিয়ে যাই
অনাকাংকাকিত কিছু দেহ!!!!

দীর্ঘ দিন পর দীর্ঘ কবিতার সাথে আপনার দেখা। এত কবিতা নয়, যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক কোন
অনাকাংকাকিত এক রাত!!!!
বড্ড ভালো লিখেছেন কবিতাটি! সময় এভাবেই হয়ত অসময় হয়ে দাড়ায় আমাদের জীবনে!!!


কেমন আছেন আপনি?

শুভকামনা আপনার জন্য সময়ে অসময়ে..............
ভালো থাকুন!
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: আমি আছি মোটামুটি। আপনি ভাল তো? ব্লগে বেশি একটা আসা হয় না এখন।
কবিতা ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল- যদিও অনেক কষ্ট থেকেই লেখা...

আপনার জন্যও শুভকামনা। অনেক ভাল থাকুন।

৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৪
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: বেশ কিছু লাইন বেশ ভাল লাগছে, তবে কোথাও একটু অতিকথনও আছে বলে মনে হল,মানে আরেকটু রেখে, কম্প্যাক্ট না কমপ্রেস করা গেলে ভাল ছিল।
-----------------------------------

পিচ্চি বোনডি কেমন আছেন?
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: হুমম এলোমেলো সময়ের এলোমেলো ফিলিংস। লেখাও অযত্নে...

আমি আছি ভাল-মন্দ মিলিয়ে।
আপনি কেমন?

৯. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০০
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:


এই তো আছি!!!!
জীবনের প্রয়োজনে বেঁচে থাকা...............................................!
এখানে এখন এত একটা আমিও আসি না।

দুঃখ না পেলে কি আর কষ্টের কথা কেউ লিখে!!!!!
হয়ত আমাদের কষ্ট'টা এমনই!!!!


বেঁচে থাকার এই পথে আপনার রেখে যাওয়া শুভকামনাটুকু নিয়ে গেলাম।
১৮ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: হুমম...
জীবনের প্রয়োজনে বেঁচে থাকা? কি জানি!!!

১০. ২৩ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ২:০২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মিয়া!!!!!!!!!


এতদিন পর ঢুকলাম, ঢুইকাই খাইলাম ঠুয়া, কবিতার সাইজ দেইখা মনে হইলো হিস্যু কইরা আসি। হিস্যু করতে গিয়া দেখি বাথরুমের ছিটকানি খুলে না। ছিটকানি দেখনের লিগা লাইট জ্বালাইতেই দেখি কারেন্ট গেলো গা। মেজাজ চইড়া কামরুখ কামাখ্যা। এই গরম মেজাজে দরজা ঠুয়া দিতেই দেহি দরজার ছিটকানি আসলেই আছিলো খোলা। মাগার নয় সমস্যা বাথরুমে পানি নাই। আল্লার দুনিয়ায় সুখ নাই!

তারপর আবার আইসা পড়তে বইয়া দেখি ল্যাপটপে চার্জ নাই। এমুন মেজাজ গরম হইলো মনে হইলো কমেন্ট কইরা যাই, পরে যদি কোনোদিন ব্লগে মন টানে তাইলে পড়ুম নে, যদি মনে থাকে!

কি করুম কও, মনপাখী উড়াল দিছে। মাগার যেই খাচায় যাইবো বইলা উড়াল দিছে সেই খাচায়ও কি যাইতে পারছে?

হালার একটা লাইফ!
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: আপনিও।

১২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪২
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার
সারা বিশ্বের বিস্ময়
তুমি আমার অহংকার......
////////////////////////////////////////////////////////////
****************************************

কিছু শব্দ আছে
কিছু দুঃখ আছে
কিছু কথা আছে যা কখনও ভুলা যায় না। সময়ে-অসময়ে মনে পরে স্মৃতিগুলো। তাই গত ৩৮ বছরেও ভুলিনি আমাদের স্বাধীনতা।


মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
১৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:২১
ফারহান দাউদ বলেছেন: যারা কবিতা লিখে না তারা লিখলে মনে হয় ম্যারাথন কবিতা হয়ে যায়,এর আগেও এমন একটা ছিল।
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: হুমম একদম ঠিক কথা।

১৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
যশোর০০৭ বলেছেন: আমি কিছু বলছি না।
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: আচ্ছা।

১৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
জিগ স বলেছেন: হ চলে...তবে বেশি বড়
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: হুমম। আমার ইমোশান একটু বেশিই বড়। এজন্য কবিতা এরকম হয়!

০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: এইতো।

০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: হুম।

০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: শুভ নববর্ষ আউলা। সরি আপু। অনেক দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে।

১৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:



মহাকালে মিলিয়ে গেল আরো একটি বছর। বাঙালীর আনন্দ-বেদনায় ১৪১৫ সাল। ১৪১৬- এর নতুন সূর্যকে বরণ করতে আজ বাঙালীর ঘুম ভেঙেছে নতুন স্বপ্ন, নতুন আশা নিয়ে। নিজ সংস্কৃতির আবহে আমরা স্বাগত জানাব নতুন বছরকে। আজ সবার কণ্ঠে বেজে উঠবে আবাহনের সুর ' এসো এ বৈশাখ, এসো এসো......।'
নতুন বছরের প্রতিটি দিন যেন হোক বর্নিল, আনন্দময় এবং উচ্ছ্বাসে পরিপূর্ণ।
আপনার সুস্বাস্থ্য কামনায়----------------------------------------------

০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ভাস্করদা :)

২২. ০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
কালপুরুষ বলেছেন: কী রে গুড গার্ল, কেমন আছিস? এতো চমৎকার একটা কবিতা লিখেছিস অথচ পড়া হয়নি। কবিতাটা লেখার সময় কী মনটা খুব খারাপ ছিল? এমন বিষন্নতা, একাকীত্ব আর কষ্টের কথাগুলো এতোটা নিপূণভাবে অন্যসময় এভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব নয়। তোর অন্যতম সেরা লেখা হিসেবে এটাকে বুকমার্ক করে রাখা যায়। ব্যথাতুর ভাব থাকলেও খুব ভাল লাগলো। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
০৫ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: আরে কালপুরুষদা, কেমন আছেন? আমাকে এখনও মনে রেখেছেন দেখে খুব ভাল লাগছে। আমি আছি ভাল- মন্দ মিলিয়ে। টার্মের শেষ। ভীষণ ব্যস্ত যাচ্ছে সময়।

মন আসলেই তখন খুব খারাপ ছিল। আপনিই বুঝলেন।

আপনি ভাল আছেন তো?

২৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৩
শত রুপা বলেছেন:
'ভয় পেয়েছ, পাগলী?'
'ভয় পেয়েছ, পাগলী?'
'ভয় পেয়েছ, পাগলী?'
'ভয় পেয়েছ, পাগলী?'
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৯৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গুডগার্ল
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই