আমার প্রিয় পোস্ট
- অপরাধীর কোন ধর্ম নাই, তবে "মুসলিম" হলে আলাদা কথা... - ত্রিভুজ
- হুমায়ুন আজাদ একটা সজারু (চৌর্যবৃত্তির এই বিষয়গুলো আমাদের জানাই ছিল না) - বিগ মব
- বব ডিলান, তার একটি গান “ব্লোয়িং ইন দ্যা উইন্ড” এর অনুবাদ আর কিছু প্রাসঙ্গিক কথা - ফাহাদ চৌধুরী
- বিদ্যাশ (আঞ্চলিক ভাষায় ছড়া) - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- গাযা আগ্রাসন: কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে? - রবার্ট ফিস্ক - ত্রিভুজ
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- ইসরায়েলী শিশুদের পাঠানো ভালবাসার বার্তা - ত্রিভুজ
- জ্বালা ও যন্ত্রণা : ধর্মেও আছি জিরাফেও আছি - মাহবুব মোর্শেদ
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
- একজন পিপড়া, একটা কবি এবং..... - মাঠশালা
- শীতল সঞ্জীবনী - মুনিয়া
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- মানুষের মহারাজা,তোমাকে অভিবাদন - ফারহান দাউদ
- নোংরা মেয়ে - মুনমুন
- পৃথিবী দেখতে সাথে নিতে না পারার কৈফিয়ত (সন্ধ্যাবাতি) - সন্ধ্যাবাতি
- যখন থামবে কোলাহল - রন্টি চৌধুরী
- স্বাধীনতা দিবসে একজন সৈনিকের গল্প - অহেতুক অকারণ
- আকাশ কুসুম (পদ্য) - রোডায়া
- বডি ল্যাঙ্গুয়েজ: আমাদের শরীরী ভাষা এবং 'মোনালিসা স্মাইল' রহস্য - মাহবুবা আখতার
- বালক - বালিকা - স্বপ্নকর
- খিদে,অনেক খিদে - ফারহান দাউদ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
গোলাপ: রক্তে- স্মৃতিতে- নেশায়- ভালবাসায়...
০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
আমার জানালার পাশে বিশাল একটা গোলাপের তোড়া পড়ে আছে বেশ কয়দিন হলো। তোড়াটা কে, কেন দিয়েছে এসব কথায় না যাই। কিন্তু পশ্চিমের বাতাস ফুলগুলোর গা বেয়ে যখন আমার কাছে আসে তখন একটা অদ্ভুত ব্যাপার ঘটে।
খুব বেশি যে ভাল লাগে, তা না। খুব যে খারাপ লাগে, তাও না।
যে মানুষটা ফুলগুলো দিয়েছে তার জন্যে যে খুব ভালবাসা জাগে, তাও না। তাহলে ঠিক কী ঘটে তখন?
কয়েকদিন ধরেই ব্যাপারটা ঘটছে। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হচ্ছে- কিন্তু নিজে নিশ্চিত হতে পারছিলাম না সেটা কী। ব্যাপারটা ক্লিয়ার হল শ্যাগি আসার পর।
ও বসেছিল নাবার বেডে, আমি আমার বেডে। হঠাৎ সেই ব্যাপার। আমি আপনমনেই বলে উঠলাম- চা খেতে ইচ্ছা করছে দোস্ত!
তখন রাত অনেক। চা খাবার উপায় নেই। রুমে টি-মেইকার রাখি না... ওটার চা খেতে ভাল লাগে না আমার। কিছুক্ষণ পর টের পেলাম আমি খুব কাছে থেকে ফুলগুলো শুঁকছি। আর শ্যাগি বিড়বিড় করতে লাগল- তুই যে কি করস...
ব্যাপার হল- কদিন আগে একজনের দেওয়া মালা খোঁপায় জড়িয়ে হলে ফিরেছি। তারপর আবার এখন এত বড় ফুলের তোড়া। অনেকের চোখে লাগে। আমিও একটু রঙ্গ করি।
আমি আবার বললাম- দোস্ত এত দারুণ সেন্ট এই ফুলগুলোর... চা খেতে ইচ্ছা করছে খুব।
শ্যাগি বোধহয় শোনেনি কথাগুলো। কস্ট এস্টিমেইশানের পেইন নিতে নিতে বেচারার মাথা খারাপ তখন। আমার কাজ করতে ভাল লাগছিল না।
বিষয়টা অ্যানালাইজ করতে শুরু করলাম- গোলাপের ঘ্রাণ আমার চায়ের নেশা জাগায় কেন? গোলাপের সাথে চায়ের কী সম্পর্ক? নানান রকম থিওরি আসছে মাথায়। ফুল এর সাথে পানীয়, নানা রকম লিটারেচার, শারাব আর সাকি, নজরুল থেকে রুমী ভাবতে থাকি।
একসময় হঠাৎ মনে পড়ে যায় ব্যাপারটা। মনে পড়ে নিজেই খুব অবাক হই-
আরে! এত অভ্যস্ত ছিলাম এটায়, অথচ ভুলে গেলাম কি করে?
তখন আমি ছোট। আমার ছোট ভাইবোনগুলো আরো ছোট। একজন তখনও পৃথিবীতেই আসেনি। সেসময় এই বাংলাদেশটা কেমন তা জানা হয়নি আমার। তবে যে দেশটায় থাকতাম তার জন্য ভালবাসার ভাগটা কম না বেশি, এটা বুঝতে পারি না। যেখানে জন্ম সেখানটায় বলে নাড়ির টান হয়... আর কি হয় জানি না। তবে ওখানকার মানুষ ফুল ভালোবাসে। আমিও বাসতাম। আমার বাবাও বাসত। আমাদের অনেক ফুলের গাছ ছিল। কিন্তু আমার সবচে প্রিয় ছিল বাসার সামনের গোলাপের ঝোপ দুটো।
ওগুলোতে বাবা কখনো ইন্সেক্টিসাইড দেয়নি। তাই পার্কের বিশাল বিশাল মানুষের মাথা সমান গোলাপের ধারে কাছে পৌঁছুতো না ঐ ফুলগুলো। তবে সেটা শুধু দেখতে।
আমাদের ছোট্ট ছোট্ট গোলাপি গোলাপগুলোয় ঘ্রাণ হতো মাতাল করা। মাঝে মাঝে ঝোপের পাশে দাঁড়িয়ে শুঁকতাম আমি। মা বলতো এত কাছ থেকে নাকি ফুল শুঁকতে হয় না। তবু ভাল লাগত।
আর হঠাৎ হঠাৎ বাইরে না গিয়েও, বিছানায় শুয়েও সেই ঘ্রাণটা পেতাম। বিকেলে ঘুমের অভ্যাস ছিল না কোনদিন। লাফ দিয়ে উঠে পড়তাম- কারণ, বাবা তখন চা বানিয়েছে। চা বানিয়ে বাবা সবাইকে ডাকত। তারপর বড় টি পটের ভিতরে অনেকগুলো গোলাপের পাঁপড়ি ছেড়ে দিত। অদ্ভুত সুন্দর ঘ্রাণ হতো তার। ভাল চায়ের একটা সুন্দর ঘ্রাণ আছে। আমার বাবা দুটো জিনিসের ব্যাপারে খুব শৌখিন। এক হল বই, আরেকটা হল চা। বাবা বেস্ট কোয়ালিটি চা কিনত।
আর অনেক যত্ন করে চা বানিয়ে মাকে ডাকত- শুনছ, চা খাবে নাকি? বাচ্চারা...
এটা অবশ্য অনেক আগের কথা।
কিন্তু তারও আগে, যখন ফিডারে দুধ খেতাম, বাবা ফিডারে করে কড়া লিকারের লাল চা খাইয়েছে আমাদের। মা মানা করত। কিন্তু বাবা কি আর শোনে! সব ছেলেমেয়ে বড় হয়ে আঁতেল হবে- সেই ব্যবস্থা জন্মের পর থেকেই নিতে হয়! এইভাবে চা আর গোলাপ এক হয়ে রক্তে মিশল। সাইকোলজির ভাষায় বোধহয় এটাকে বলে কন্ডিশান্ড রিফ্লেক্স।
লিখতে গেলে গোলাপ আর চা- পাশাপাশি শব্দ দুটো বেখাপ্পা। কিন্তু যারা স্বাদটা পেয়েছে আর যারা পায় নি, তাদের ফিল কি এক হতে পারে?
চায়ের নেশা কখন হতে পারে? চায়ের নেশা কথাটার অর্থ যে কী, এইভাবে চা না খেলে কেউ কি বুঝতে পারে? কয়জন ফিডারে করে গোলাপের ঘ্রাণওয়ালা চা খেয়েছে? গর্বের ব্যাপার বৈকি!
গোলাপ ফুল নাকি আমাদের নবী(স) এর খুব প্রিয় ছিল। কথাটা কতদূর সত্যি জানি না। তবে শুনতে খুব মানানসই লাগে। এত মৃদু, এত স্নিগ্ধ অথচ এত মধুর... এটাই বোধহয় সবচে মানায়।
শেই বিকালগুলো যে এত অদ্ভুত সুন্দর ছিল! তারপর অনেক দিন হয়ে গেছে। গোলাপের দেশটা ছেড়ে চলে এসেছি। এদেশেও অনেক ফুল। তবু গোলাপ আমাকে ঐখানে নিয়ে যায়। আবার কখনো টানে চায়ের কাছে। চায়ের ঘ্রাণ মনে করায় বাবার কথা। এখনকার বাবা না। সেই আগের বাবা। যখন আমি ছোট্ট ছিলাম। ভীষণ আদুরে ছিলাম। যে বাবার কোলে উঠে বাবাকে মারতে মারতে নিজেই হয়রান হয়ে কাঁদতে শুরু করতাম, সেই বাবার কথা। আর মায়ের কথা। যার বয়স আরো ষোল বছর কম ছিল। যাকে পৃথিবীর সবচে সুন্দর মহিলা মনে হত। যার গান না শুনলে ভাল লাগত না একটা দিন...
মাঝে মধ্যে সেসময়কার মাকে ভিজুয়ালাইজ করি। মায়ের একটা পার্পল জর্জেট শাড়ি ছিল। আর ছিল কোমর সমান লম্বা ঘন কালো চুল। বাবা আসার একটু আগে মা শাড়িটা পরতো। অন্য শাড়িগুলোর কথা তেমন মনে নেই। বেশির ভাগ অবশ্য স্কার্ট পরতেই দেখতাম বাসায়- যে দেশের যে চল।
সেই শাড়িটা পরে একটা লম্বা বেণী করত মা। আর দিত চোখে কাজল। মায়ের সাজ বলতে এই। তারপর ঐ দেশের সাদা চামড়া আর সোনালি চুলের মহিলাদেরকে নস্যি লাগত আমার শ্যামলা বাঙালি মায়ের কাছে। এমনকি পায়ের যোগ্যও না!
আর তারপর সন্ধ্যে। বাবা আসত। আমার জন্য কিছু না কিছু আনতেই হত... আর সেই চা। কাঁচের মগে খেতাম বাবার কোলে বসে। ফেলে দিতাম বেশিরভাগ। চিনি নিতে নিতে মগ ভরে ফেলতাম। শেষে ফেলে রেখে স্বস্তি। টি পটের ভিতরে হাত ঢুকাতাম অনেক কষ্টে- উদ্দেশ্য গোলাপের পাঁপড়ি তোলা। কারণ এই ছাড়া ভুলেও ফুল ছিড়তাম না আমরা কেউ। ঐ পাঁপড়ি গুলো আমার বই এর ভিতর রেখে দিতাম। পড়তে না পারলে কি হবে? বাবা অনেক অনেক বই কিনে দিত। আর রং পেন্সিল। দাগিয়ে সব পাতা ভরতে চাইতাম। কিন্তু পারতাম না- ছোট্ট ছোট্ট ছিল তো হাতগুলো...ক্লান্ত হয়ে পড়ত খুব তাড়াতাড়ি।
এইসবের পর অনেক সময় পার হয়ে গেছে। এখনও বাবা আছে। এখনও মা আছে। এখনও বাবা চা বানিয়ে সবাইকে ডাকে। কিন্তু বদলে গেছে বাবার মেয়েটা। বাবার কোল আর গোলাপ ঝোপ পেরিয়ে তার পৃথিবী হয়ে গেছে অনেক বিস্তৃত। এখন বাবার সাথে মতের পার্থক্য হলে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেয় সে। কেউ কাউকে জোর করে না... ভালবাসার প্রকাশটাও চাপা পড়ে বয়স আর ব্যক্তিত্বের সংঘাতের নিচে।
মাঝে মাঝে শুধু লুকিয়ে কাঁদে, আর এক ছুটে চলে যায় সেই দেশে- যেদেশে কোনদিন বড় হয় না কেউ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কালপুরুষ বলেছেন:
এতো বড় লেখা ব্লগে আমার পড়তে কষ্ট হয়। তোর লেখা বলে কষ্ট করে পড়লাম। কারণ হলো ভাললাগা। বরাবরের মতো এটাও ভাল লাগলো। তোর দৈনন্দিন জীবনের ঘটনাপ্রবাহ কেমন করে যেন এক একটা গল্প হয়ে ওঠে। সেটা তোর লেখার কারণে নাকি তোর চমকপ্রদ জীবন যাপনের কারণে নাকি তোর ভাবনাগুলোই গল্পে রূপ নেয় সেটাই ভাবছি। ভাল থাকিস। লেখা চালিয়ে যা.......
লেখক বলেছেন: আমারও বড় লেখা পড়তে কষ্ট হয় কালপুরুষদা... কিভাবে যেন লিখতে লিখতে হয়ে গেল এমন....
চানাচুর বলেছেন:
Bhalo laglo
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস...
লেখক বলেছেন: ![]()
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
সুন্দর অনুভুতি। ভালো লাগলো।আমার বাসার চারিদিকে, রাস্তার পাশে, অফিসের পাশে বিভিন্ন রংঙের শতশত গোলাপ গাছ। কিন্তু গন্ধ নাই । মনে হয় সবই আর্টিফিশিয়েল।
দেশের ফুলগুলোকে মিছ করি। বিশেষ করে শিউলি, বেলী।
আপনার বাবা তো সুপার ডুপার। এতো পিচ্চি থাকতেই চা খাওয়ানো শুরু করেছে। ঐসময়ে চা খাওয়া আমাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিলো। এখন পানির মতো চা খাই।
আমার বাবা চা বানিয়ে খাওয়ায় না। উনি মাঝে মাঝে কঠিন রান্না করে।
খোজ করলে হয়তো এখানে গোলাপের চা পাওয়া যাবে। কত শত রকমের ফুল-ফলের চা পাওয়া যায়।
বেশি স্মৃতিকাতর হলে জন্মস্হানে একবার ঘুরে আসুন। তবে মনেহয় না আগের মতো কিছু পাওয়া যাবে।
লেখক বলেছেন: ঘুরে আসবো কিনা জানি না... আসলে কাজ না পড়লে কোথাও ঘুরতে যাওয়াটা হয়ে ওঠে না আর। সেভাবে ভাবলে না যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি...
দীপান্বিতা বলেছেন:
পড়ে খুব ভাল লাগল… একেক জনের এক এক ধরনের স্মৃতি, তাই না!আমিও আমার বাবাকে খুব মিস্ করি।
আপনার ছোটবেলা কোথায় কাটে? আর এখনই বা কোথায় আছেন?
শুভেচ্ছা রইল.....
লেখক বলেছেন: আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমারও ভাল লাগল।
ছোটবেলা কেটেছে অন্য একটা দেশে। আর বড়বেলাটা এই দেশে।
আপনার জন্যও শুভেচ্ছা।
জেরী বলেছেন:
ভাল লাগল
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস জেরী।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
দারুন স্মৃতিচারণ। যদিও ভালা করে পড়তে পারিনি।
তবুও ভালো লাগল..............+
কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস...
আমিও ভালো করে পড়িনি লেখার পর। হাহাহা
এইতো আছি। টার্ম শেষ কিন্তু পরিশ্রমের ক্লান্তিটা এখনো লেগে আছে গায়ে। আপনি কেমন?
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: জেনে আমারও ভাল লাগল।
রিমঝিম বলেছেন:
অনেক ভাল লাগলো, ছোট বেলার কথা মনে পড়ে গেল।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ!
শুনতে খ্যাতের মত লাগবে, আমার নাকের সমস্যাও হইতে পারে, গোলাপের ঘ্রাণ আমার কাছে চা-পাতার মত লাগে।
লেখাটা খুব ভাল লাগসে, একদম টেনে রাখার মত।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ!
গোলাপের ঘ্রাণ চা-পাতার মত লাগে? আমারও লাগে। তবে আমার কাছে চা-পাতার ঘ্রাণ ভাল লাগে....
অদ্ভূত হলেও , চা ভালবাসি খুব । গোলাপ আর চা ........ খাপে খাপে মেলে না , অথচ কি চমৎকার করে একসুরে বেঁধে ফেলেছ
লেখাটাকে যদি অসাধারণ বলি , অন্যায় হবে , অসাধারণের চেয়েও বেশি কিছু
লেখক বলেছেন: এত প্রশংসার যোগ্য কি হয়েছে?!!
থ্যাংকস ভাইয়া...
অন্য কেউ বলেছেন:
(ভাষাহীন। সন্দর্শনে মন্তব্য।)অ.ট. ক্যাম্পাসে বিশেষ মুখ হঠাৎ ব্যাপক মিস্করি। পদার্পণ উন্মুখভাবে কাম্য।
প্রদর্শিত লোভ: ইচ্ছানুসারে খাওয়ানো হইবেক!
লেখক বলেছেন: বাপসস!!! ল্যাঙ্গোয়েজ মাথার সাত হাত উপর দিয়ে গেল!
কাম্পাসে যাব শিগগির... পড়াশোনা শুরু করা দরকার...
***খাওয়ানোর কথাটা মাথায় থাকল...
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
মাঝে মাঝে শুধু লুকিয়ে কাঁদে, আর এক ছুটে চলে যায় সেই দেশে- যেদেশে কোনদিন বড় হয় না কেউ।এরকম একটা দেশ থাকলে কত ভালো হতো তাইনা?
লেখক বলেছেন: ঠিক জানি না ভাল হত কিনা... থাকলে হয়তো তার জন্য এত আকুলতা থাকত না... কে জানে!
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
ভালো বলেছেন
লেখক বলেছেন: কি জানি!
মাহবুবা আখতার বলেছেন:
লেখাটা পড়ে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলেছি...
লেখক বলেছেন: হুমম। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
নূরে আলম বলেছেন:
আপনি বললেন দেখে এলাম। পড়লাম। কিছু বলার নেই। এমনকি দীর্ঘ কোন নিশ্বাসও নেই ফেলবার মত।সব কিছু.................
সময়ের সাথে সাথে চলে গিয়েছে................
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ব্লগে আর লেখেন না কেন? আপনাকে অনেক মিস করি।
আসলেই সময়ের সাথে চলে যায়।
ভাল থাকেন।
লেখক বলেছেন: হুমম... জানি না...
লেখক বলেছেন: হুমম...
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
নস্টালজিক! ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এইতো আছি আর কি...
এত এত লেখা তো আসে না... আপনি ভালো তো?
লেখক বলেছেন: থ্যাংকিউ!
লেখক বলেছেন: জেনে ভাল লাগল।
আবু সালেহ বলেছেন:
ভালো লাগা নিজের জীবনের একটা অংশ গল্প আকারে....
কি বলবো লেখাটাকে গল্প না জীবনের কথা....
না দৈনন্দিন ঘটনাটাই গল্পআকারে লেখা....
লেখক বলেছেন: যা খুশি বলেন, তবে প্রতিটা বর্ণ সত্যি...
লেখক বলেছেন: বেশি ধন্যবাদ!
গল্পটা মাথায় গেঁথে গেছিলো।
সুন্দর লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
তবে এটা কিন্তু গল্প না। প্রতিটা বর্ণ আমার জীবনে সত্যি।
টংকেশ্বরী বলেছেন:
এর আগে কি আপনাকে আমি পড়েছি???? কেন মিস করে গেলাম?? অদ্ভুত লেখেন তো। বাহ।
লেখক বলেছেন: অদ্ভুত ভাল লাগল আপনার মন্তব্য দেখে। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আর ভাল লাগার জন্যে ভাল লাগা।
সহেলী বলেছেন:
পড়েছি , ভাল লাগা রেখে গেলাম ।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্যেও অনেক ভাল লাগা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















