আমার প্রিয় পোস্ট

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সদস্য হবার চেষ্টায় আছি....

শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরে স্বাক্ষর হওয়া ৫০ দফার যৌথ ইশতেহার

২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৮

শেয়ারঃ
0 0 0

সুলেখক পি মুন্সীর ২০২৫ সালে গ্লোবাল অর্থনৈতিক শক্তিগুলো কে কোথায় থাকবে? পোষ্টের কয়েকটি প্রণীধানযোগ্য লাইনঃ

আগে দেখা যেত বাংলাদেশের মত দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা, পছন্দসই বৈশিষ্টের একটা সরকারে বদলের ব্যাপারটা কেবল পশ্চিমাদের হাতে থাকে, ঘটে। এই প্রথম ভারত টের পেয়েছে এটা একটা খুবই সহজ ও মজার কাজ বটে। বাংলাদেশে ১/১১ এর সরকার কায়েমের অপতৎপরতায় একটা বড় ক্ষমতার ষ্টেক নিয়ে ভারত সেখানে জড়িত ছিল। বাংলাদেশের উপর ছড়ি ঘুড়ানোর এই নোংরা কাজ করতে পেরে ঘটনাবলীর ফল নিজের হাতে আসাতে ভারত নিজেকে অনেক বড় ক্ষমতাবান মনে করে নিশ্চয় অনেক আত্মবিশ্বাসও পেয়েছিল। ভারত ভেবে নিয়েছে এইটাই পথ। নিজেকে অর্থনৈতিক শক্তি হিসাবে দাঁড় করাতে বাঁধা, সমস্যা অপসারণে, কেমন বাংলাদেশ সে চায়, বাংলাদেশ থেকে যা নিতে চায়, যেমন সাইজে রাখতে চায় - সেভাবে পেতে একটা ১/১১ এর সরকার কায়েম থেকে শুরু করে সর্বশেষ হাসিনার সফরের প্রাপ্তি - এগুলো এত সহজে করতে পেরেছে দেখে নিশ্চয় নিজের কুটনীতি পরিচালনার পথের উপর ভারতের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে; এই পথ বল প্রয়োগের সম্ভাবনা জারি রেখে, ভয় ও চাপ সৃষ্টি করে কাজ হাসিল করার, সর্টাকট বাজি মারার পথ। আমেরিকান চাঁড় কাঠি বা যাঁতা কাঠির যে এত গুণ তা দেখে ভারত নিশ্চয় যারপরনাই আহ্লাদিত।

কি পেয়েছে বা পেতে যাচ্ছে ভারত? কি আছে এই দুই দেশের চুক্তিনামায়?
ভোরের কাগজের সৌজন্যে ৫০ দফা ইস্তেহার নিম্নরুপ:

১. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১০-১৩ জানুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহনসিংয়ের আমন্ত্রণে ভারত সফর করেন। এ সফরকালে দুই শীর্ষ নেতা দুদেশের একই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা এবং ঐতিহাসিক সংযোগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন। নয়াদিল্লির সরকারি কর্মসূচি শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের আজমির শরিফ পরিদর্শনে যান।
২. গত ১১ জানুয়ারি ২০১০ প্রধানমন্ত্রী ভারতের রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি প্রতিভা দেবী সিংহ পাতিলের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং সেখানে রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেয়া হয়।
৩. অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ, রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, বিরোধী দলের নেতা সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৪. আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত মহাজোট সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ভারতের কংগ্রেস দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের আলোচনায় প্রতিবেশী দুদেশের মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিফলিত হয়েছে। শেখ হাসিনা ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শ্রী আই কে গুজরালের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষই উষ্ণতা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করেন।
৫. প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজঘাট, শান্তিবন, শক্তিস্থল এবং বীরভূমিতে পৃথকভাবে মহাত্মা গান্ধী, পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী এবং রাজীব গান্ধীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।
৬. এ সফরের সময় রাষ্ট্রপতি ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সম্মানজনক শান্তি, সন্ত্রাস দমন (নিরস্ত্রীকরণ) এবং উন্নয়নের জন্য সম্মানজনক ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার-২০০৯ প্রদান করা হয়।
৭. গত ১১ জানুয়ারি দুদেশের প্রধানমন্ত্রীদের বৈঠক তথা শীর্ষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উভয় দেশের সৌহার্দ্য, গভীর সমঝোতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের আলোকে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সফরসঙ্গীদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এক প্রীতিভোজের আয়োজন করেন।
৮. প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনাকে আলোচনায় সহযোগিতা করেন বাংলাদেশের পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, মশিউর রহমান ও গওহর রিজভী, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারিক এ করিম এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
৯. অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে সহযোগিতা করেন অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এম কৃষ্ণ, রেলমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মা, পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী প্রীণিত কাউর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এম কে নারায়ণ, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব টি কে এ নায়ার এবং ভারত সরকারের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
১০. ড. মনমোহন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে তিনি গণতন্ত্রের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসের জন্য বাংলাদেশের জনগণের উচ্চকণ্ঠ প্রশংসা করেন যার মাধ্যমে এদেশের জনগণ গণতান্ত্রিক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে এবং বাংলাদেশ বহুদলীয় গণতন্ত্রে ফিরে যেতে পেরেছে। উভয় নেতাই একমত হয়েছেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দুদেশের নির্বাচন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনায় সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।
১১. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দুদেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সংস্কৃতি এবং আশা-আকাক্সক্ষার সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন এবং দুদেশের স্বাধীনতা অর্জনে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি সমাজকে অজ্ঞতা, ভীতি ও দারিদ্র্যমুক্ত করতে পুুনঃউদ্যোগ গ্রহণের জন্য ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
১২. পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যরে সঙ্গে ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করার জন্য উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী একমত হয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে তারা সহযোগিতা ও পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সব সমস্যার সমাধানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। উন্নয়নশীল দেশগুলোর বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার এবং শক্তিশালীকরণেও তারা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।
১৩. দুদেশের প্রধানমন্ত্রীই গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন, এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য দুদেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তারা দুদেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতামূলক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দুদেশের জনগণের কল্যাণে নিজ নিজ সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন বলে মনে করেন।
১৪. পারস্পরিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পানি সম্পদ, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও যোগাযোগ (কানেকটিভিটি), পর্যটন ও শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে সমন্বিত সহযোগিতা কাঠামোর ব্যাপারে দুই প্রধানমন্ত্রী একমত হন। তারা শিগগিরই বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানেও একমত হয়েছেন।
১৫. উভয় দেশের জনগণের মধ্যে সহায়তা জোরদারের জন্য কূটনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি রাখার ব্যাপারে তারা একমত হয়েছেন।
১৬. দুই প্রধানমন্ত্রীই নিজ নিজ দেশের গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তাদের অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। উভয় দেশের জনগণ সহিংসতা, চরমপন্থী ও সন্ত্রাসবাদকে প্রত্যাখ্যান করায় এবং গণতন্ত্রে ও উন্নয়নে তাদের আস্থা নিশ্চিত করায় দুদেশের প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গণতন্ত্র ও সহমর্মিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে দুদেশের নেতাই একযোগে কাজ করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানান।
১৭. উভয় প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের সন্ত্রাসের নিন্দা জানান। নিরাপত্তা দুদেশের জন্যই একটি অগ্রাধিকার ইস্যু হিসেবে তারা উল্লেখ করেন। কারণ সন্ত্রাসী, বিচ্ছিন্নতাবাদী ও অপরাধীরা কোনো সীমারেখা মানে না। তারা নিরাপত্তার ইস্যুতে দুদেশের সক্রিয় সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। নিজ ভূখণ্ডে অপর দেশের জন্য ক্ষতিকর হয় এমন কোনো তৎপরতা চালাতে না দিতে দুই নেতা তাদের আশ্বাসের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং অভ্যন্তরীণ বা বিদেশী সন্ত্রাসী/ জঙ্গি কিংবা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন নিজ দেশে প্রশিক্ষণ অথবা আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হতে না দিতে সম্মত হন।
১৮. ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনাকে স্বাগত জানিয়ে দুই প্রধানমন্ত্রী ওই বৈঠকে গৃহীত সব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেন। আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনের প্রয়োজনীয়তা কথা উল্লেখ করে উভয় প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সংযম প্রদর্শনের ব্যাপারে একমত হন। তারা অবৈধ আন্তঃসীমান্ত তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে ও সীমান্তে প্রাণহানি বন্ধের লক্ষ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীগুলোর মধ্যে নিয়মিত বৈঠকের তাগিদ দেন।
১৯. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দহগ্রাম আঙ্গরপোতায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং পূর্ব-সমঝোতা অনুযায়ী তিন বিঘা করিডোরে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য ভারতকে প্রস্তাব দেন।
২০. ১৯৭৪ সালের স্থল-সীমান্ত চুক্তির আলোকে বিরাজমান সব সমস্যা সমন্বিতভাবে সমাধান করতে উভয় প্রধানমন্ত্রী সম্মত হন। এ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্র“প গঠনের ব্যাপারেও তারা একমত হন।
২১. দুই প্রধানমন্ত্রী সমঝোতার মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সমুদ্রসীমা নির্ধারণে সম্মত হয়েছেন। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা আইন (আনক্লস) এনেক্স-৭ অনুযায়ী চলমান কার্য পরিচালনার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ থেকে একটি প্রতিনিধিদলের ভারত সফরকে স্বাগত জানান।
২২. বাংলাদেশের আশুগঞ্জ এবং ভারতের শীলঘাটকে ‘পোর্টস অব কল’ ঘোষণা করার ব্যাপারে দুই নেতা একমত হন। আইডব্লিউটিটি প্রটোকলপত্র বিনিময়ের মাধ্যমে সংশোধন করার ব্যাপারেও তারা একমত হয়েছেন। একটি যৌথ টিম আশুগঞ্জ থেকে ওভার ডাইমেনশনাল কার্গো (ওডিসি) একবার অথবা দীর্ঘমেয়াদের জন্য পরিবহনের লক্ষ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তার ব্যয় মূল্যায়ন করবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করবে ভারত। উভয় সরকারই এর দ্রুত বাস্তবায়নে সম্মত হয়। উভয় দেশের ঠিকাদাররাই এ কাজের জন্য উপযুক্ত বা যোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
২৩. বাংলাদেশ তার সড়ক ও রেলপথে ভারত থেকে পণ্য আনা-নেয়ায় মংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেবে। বাংলাদেশ এক্ষেত্রে নেপাল ও ভুটানকেও এ দুই বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার আগ্রহের কথা ভারতকে জানিয়েছে।
২৪. দুদেশ প্রস্তাবিত আখাউড়া-আগরতলা রেল সংযোগ ভারতীয় অনুদানে স্থাপন করার ব্যাপারে একমত হয়েছে। দুদেশের রেল কর্তৃপক্ষের একটি যৌথ টিম এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়াদি চিহ্নিত করবে।
২৫. তারা কলকাতা ও ঢাকার মধ্যে ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’ চালু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উভয় দেশের মধ্যে সড়ক ও রেল সংযোগ আবার চালুর আহ্বান জানান।
২৬. রোহনপুর-সিঙ্গাবাদ ব্রডগেজ রেল যোগাযোগ নেপালে ট্রানজিটের জন্য ব্যবহার করা হবে বলে দুই প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন। বাংলাদেশ রাধিকাপুর-বিরল রেলপথকে ব্রডগেজ লাইনে পরিণত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং ভুটানে রেল ট্রানজিটের জন্য অনুরোধ করেছে।
২৭. শুকনো মৌসুমে তিস্তা নদীতে পানির দু®প্রাপ্যতার কারণে উভয় দেশের জনগণের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে দুই প্রধানমন্ত্রী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার তিস্তার পানি বণ্টন আলোচনা দ্রুত শেষ করার ব্যাপারে একমত হন। তারা ২০১০ সালের প্রথম তিন মাস অর্থাৎ মার্চের মধ্যে যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক করার জন্য নিজ নিজ দেশের পানিসম্পদমন্ত্রীদের নির্দেশ দিয়েছেন। যৌথ নদী কমিশন ফেনী, মনু, মুহুরি, খোয়াই, গোমতি, ধরলা ও দুধকুমার নদীগুলোর পানি বণ্টন নিয়েও আলোচনা করবেন।
২৮. নিুবর্ণিত পদক্ষেপ গ্রহণেও তারা সম্মত হয়েছেন:
ক) ইছামতির খনন এবং
খ) মহানন্দা, করতোয়া, নাগর, কুলিক, আত্রাই, ধরলা ও ফেনি নদীতে সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
২৯. বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নৌ চলাচল ও বন্দরসমূহে প্রবেশের জন্য নদী খননে বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা দিতে সম্মত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত অন্যান্য জিনিসের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ড্রেজার সরবরাহ করতে সম্মত হয়েছে। বাংলাদেশ ৯টি ড্রেজারের দরকার বলে জানিয়েছে।
৩০. ভারত টিপাইমুখ প্রকল্পে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না যা বাংলাদেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে- ভারতের প্রধানমন্ত্রী এই আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
৩১. ভারতের প্রধানমন্ত্রী তাদের গ্রিড থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ করতে রাজি হয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে উভয় প্রধানমন্ত্রী দ্রুত আন্তঃ গ্রিড সংযোগ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তারা আরো সম্মত হন, উভয় দেশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিদ্যুতের উন্নয়ন ও বিনিময়ে সহযোগিতা করবে। এ লক্ষ্যে উভয় দেশ যৌথ প্রকল্প অথবা করপোরেট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে।
৩২. বাংলাদেশ থেকে আমদানি উৎসাহিত করার লক্ষ্যে উভয় দেশ শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর ও বন্দরের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার এবং রেল ও নৌপথে কনটেইনারবাহী মালামাল পরিবহন সহজতর করতে ব্যবস্থা গ্রহণে সম্মত হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বাজারে সার্কভুক্ত স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিতে ভারতের পদক্ষেপকে বাংলাদেশ স্বাগত জানিয়েছে। ভারতের নেতিবাচক তালিকা থেকে বাংলাদেশের পণ্যের সংখ্যা হ্রাস করার বিষয়টিকে বাংলাদেশ স্বাগত জানিয়েছে যা সরাসরি বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ছিল। বাংলাদেশ এ তালিকা আরো ছোট করারও অনুরোধ জানিয়েছে।
৩৩. ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের পণ্য মান যাচাইয়ে সনদ প্রদানের ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির মান উন্নয়নে সহযোগিতা করতেও রাজি হয়েছেন।
৩৪. দুই প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন, যৌথ বিনিয়োগ ও যৌথ ঝুঁকিপূর্ণ উদ্যোগসহ সব বিনিয়োগকেই উভয় দেশ উৎসাহিত করবে। উভয় দেশে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়াতে প্রেরণা জোগাবে বলেও তারা সম্মত হয়েছেন।
৩৫. সাব্রুম-রামগড় এবং ডেমাগিরি-থেগামুখ কাস্টম পয়েন্ট কার্যকর করার ব্যাপারে উভয় প্রধানমন্ত্রী সম্মত হয়েছেন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এছাড়া বর্তমান স্থল কাস্টমস স্টেশনগুলোর অবকাঠামো আরো শক্তিশালী করা হবে।
৩৬. দুদেশ পাইলট ভিত্তিতে নির্বাচিত এলাকায় সীমান্ত হাট চালু করতে সম্মত হয়েছে। দুদেশের সম্মতবিধি এবং প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে মেঘালয় সীমান্তসহ হাটগুলোতে সুনির্দিষ্ট পণ্য বেচাকেনা করা হবে।
৩৭. দুদেশ ভুটান এবং নেপাল থেকে ট্রাকগুলো বাংলাবন্দ-ফুলবাড়ী স্থল কাস্টম স্টেশনের বাংলাবন্দের জিরো পয়েন্টের ২০০ মিটার অভ্যন্তরে প্রবেশ করার ব্যাপারে একমত হয়। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে দুদেশ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
৩৮. রেল অবকাঠামো, ব্রডগেজ রেল ইঞ্জিন এবং যাত্রীকোচ সরবরাহ, সৈয়দপুর ওয়ার্কশপ পুনর্গঠন, আর্টিকুলেট বাস এবং ড্রেজিং (নদী খনন) প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে এক বিলিয়ন (১০০ কোটি) মার্কিন ডলার ঋণ প্রদানের ঘোষণা করেন।
৩৯. ঢাকায় ফ্লাইওভারসহ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণে সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ অনুরোধ জানিয়েছে। ভারত এ অনুরোধ বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
৪০. বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অভিন্ন ঐতিহ্যের কথা বিবেচনা করে উভয় প্রধানমন্ত্রী ২০১১ সালে কবিগুরুর ১৫০তম জন্মোৎসব যথাযোগ্য মর্যাদায় যৌথভাবে পালনে সম্মত হয়েছেন।
৪১. সরকারি চাকরিরত ব্যক্তি এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী আগামী ৫ বছর ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে পড়াশুনা ও প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশকে ৩০০ বৃত্তি দেবে।
৪২. আঞ্চলিক সহযোগিতা উন্নয়নে সার্কের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে দুদেশের প্রধানমন্ত্রী সার্ককে এমন একটি অর্থবহ ও কার্যকর সংস্থায় রূপান্তরিত করার জন্য সম্মত হয়েছেন। যাতে সংস্থাটি ইতিবাচক ও সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারে এবং পারস্পরিক সহযোগিতাকে শক্তিশালী করে এই অঞ্চলকে সমৃদ্ধশালী করে তোলে।
৪৩. বিমসটেকের অধীনে আঞ্চলিক সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে দুই নেতা স্বাগত জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে ঢাকায় বিমসটেক সচিবালয় স্থাপনে বাংলাদেশ ভারতের সমর্থন চেয়েছে। ভারতও এ অনুরোধ বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
৪৪. কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন ২০০৯-এ গৃহীত উদ্যোগকে দুই প্রধানমন্ত্রী স্বাগত সমর্থন জানিয়েছেন। তারা জলবায়ু পরিবর্তনকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম অভিহিত করেন। তারা জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) শর্ত ও নীতিমালার প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। এ নীতিমালার পূর্ণ, কার্যকর এবং দীর্ঘস্থায়ী বাস্তবায়ন বিশেষ করে দুর্বল, স্বল্পোন্নত দেশ, ক্ষুদ্র দ্বীপ, উন্নয়নশীল দেশ এবং আফ্রিকার প্রয়োজনের প্রতি যথার্থ বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দেন।
৪৫. দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণকে শতাব্দীর বড় চ্যালেঞ্জ বলে চিহ্নিত করেন দুই নেতা। আন্তর্জাতিক স¤প্রদায়ের এ ব্যাপারে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ এবং স্বল্প থেকে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে ইস্যুগুলো সমন্বিতভাবে তুলে ধরা উচিত বলে তারা একমত হন। তাদের মতে, কৃষি খাতে উৎপাদন বাড়াতে গ্রামীণ উন্নয়নের নীতিমালা এবং প্রযুক্তি ও উন্নয়নের সুুবিধাগুলো গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দেয়ার ওপর আরো বেশি জোর দেয়া উচিত।
৪৬. দুই প্রধানমন্ত্রীই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার ভূমিকা আরো জোরদার করতে একটি সক্রিয় বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছেন। এ প্রেক্ষাপটে তারা সংস্থাটিকে আরো প্রতিনিধিত্বশীল, বিশ্বাসযোগ্য এবং কার্যকর করতে নিরাপত্তা পরিষদসহ জাতিসংঘের আশু সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। বিশেষ করে এর ফলে বিশ্ব সংস্থার কাজের ধারা আরো সুসংবদ্ধ হবে বলে দুনেতা মনে করেন। আর এ সংস্কার প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্র দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেন তারা।
৪৭. ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘে সংস্কার হলে নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতকে সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ২০১১-২০১২ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবেও ভারতকে সমর্থন দেবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ২০১৬-২০১৭ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশকে সমর্থন দেবে ভারত।
৪৮. দুদেশের প্রধানমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো হচ্ছে :
ক) অপরাধ সংক্রান্ত পারস্পরিক আইনি সহযোগিতা চুক্তি,
খ) সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যর্পণ চুক্তি,
গ) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, পরিকল্পিত বা সংঘবদ্ধ অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার দমন চুক্তি,
ঘ) বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক
ঙ) সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি
এছাড়া ঋণ সহায়তা ও উন্নয়ন সহযোগিতার প্রতিশ্র“তি দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে দুই প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। লাইন অব ক্রেডিট ও উন্নয়ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের সামগ্রিক কাঠামো দ্রুত কার্যকর করারও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী।
৪৯. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরকালে তার ও তার সফরসঙ্গীদের উষ্ণ ও আন্তরিক আতিথেয়তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
৫০. বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণ, সরকার ও তার নিজের পক্ষ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে সুবিধাজনক সময়ে সস্ত্রীক বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সানন্দে এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন। সরকারের কূটনৈতিক চ্যানেলে পারস্পরিক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এই সফরের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাংলাদেশভারতইশতেহারচুক্তি১/১১ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: রাজনীতি  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৫
ও.জামান বলেছেন: সকালের প্রথম ভালো লেখা। প্রথম +++++

ভারতের পরাশক্তি হবার প্রথম বলি আমরা, বাংলাদেশের মানুষরা।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জামান

২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৬
সুশান্ত দ্রবিণ বলেছেন:
চুদির পুত সিলেটিকে ফটকা বলেছিস, তোরা ঢাকাইয়া শালারা রংবাজ।
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: কমেন্টটা থাকলো...এই নিক শুধু যে সিলেটের লোকজনেরই প্রতিনিধিত্ব করছে না....নিকটা যে কার ফেক নিক সেটা বোঝা গেল...

ল্যান্জা লুকানো সহজ না

৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৬
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: এককথায় লাভ-ক্ষতি কি হইল সেইটা কন। এতকিছু পড়ার সময় নাই। আর সুশান্ত দা ক্ষ্যাপলো কেন?
৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১৭
ধীবর বলেছেন: বি ডি আইডল ভাই, সুশান্ত নামের ক্যালকেশিয়ানটার মন্তব্য মুছে ওকে ব্লক করে দ্যান। কেন যে এই সব রাস্তাঘাটের পোলাপান ব্লগে আসে !
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: এটা আরেক ছাগলের নিক...ওই ছাগল কোন কোন নিকে ঘুরাঘুরি করে পুরো লিস্টি আছে আমার কাছে

৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩০
াহো বলেছেন: কিন্তু বাস মিস হয়ে গেছে। নিজামী

পাবর্ত্য শান্তি চুক্তির সময় জামায়াতসহ তাদের মিত্রদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো- দেশের ওই অংশ ভারতের হয়ে যাবে। এ তথ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে নিজামীর কাছে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন- "১১ বছরেও দেশের ওই অংশ ভারতের হয়নি, আপনাদের বক্তব্য অনুযায়ী তা কবে নাগাদ হবে?"

এর উত্তর এড়িয়ে জামায়াত আমির বলেন, "আপনার প্রশ্ন শুনলাম, কিন্তু বাস মিস হয়ে গেছে।" একথা বলেই সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন তিনি।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ছাগল

৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৫
রাজর্ষী বলেছেন: ধন্যবাদ বিডিআইডল, পুরো ইশতেহার তুলে দেওয়ার জন্য। পেপার -টেপার থেকে পড়া হয়না। আমার মনে হয় এসব বাস্তবায়ন হলে ভালো হবে। এখানে আমি খারাপ কিছুই দেখছিনা।
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫১
সাইফুর বলেছেন: পোষ্টটা পড়ছি

সুশান্ত দ্রবিণের সমস্যা বুঝলাম না..হুট করে এসে গালিগালাজ




বিডি ভাই আপনি/ আপনারা কেমন আছেন?
২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: :) ওইটা আমগো এক ছেলিব্রিটি ব্লগারের সেকেন্ড নিক...মূল নিকে আসতে শরম পায় :)

আমরা গম আছি

৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫৯
তাহের বলেছেন: "টিপাই মুখ বাঁধ" মানে সিলেট রক্ষা বাঁধ

Click This Link
৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৮
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম, তথ্যগুলো বিভিন্ন সময়ে দরকার হবে। ;)
১১. ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: সু দ্র কি ফ ই নাকি?

 

মোট সময় লেগেছে ১.৯৩১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
লাইফটা মাঝে মাঝে তেজপাতা মনে হয়

bdidol @ gmail.com
fb.me/bdidol
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ