মল্লিকাদির নাম আমরা প্রায় ভুলে গেছি
তখন------
দূর গ্রামে জাল পেতে নামে
ছাগল তাড়ানো মেঘ।
পাগুলো দ্রুতগামী হয়
চাই তাদের আভেজা আশ্রয়।
সশ্ স-শ্ বৃষ্টির মধ্যে কোনো কিছুকে তোয়াক্কা না করে হাঁটে এক উন্মাদ।
মাথার ওপর ছাদ বলতে আকাশ।
শাদা বৃষ্টির ব্রাশ ঘষে দিচ্ছে বাতাস।
মুছে যাচ্ছে গ্রাম-নামধাম-জানালা-পুকুরপাড়। সব একাকার। আর তখনই ভারী বর্ষণের ভিতরে ঘোমটা পরে মল্লিকাদি চোখের পলকে দেখা দিয়েই
হাওয়া। আমাদের চোখে তারা বাতি জ্বলে।আমাদের ঝাপসা দৃষ্টি সরিয়ে হেঁটে যেতে থাকা সেই উন্মাদ -
তড়িত শৈশব হয়
পুকুর পাড়ে দিদিসঙ্গে
প্রজাপতি ধরে।
বিল থেকে তুলে আনে শাপলা।
আঁচলে মাথা মুছে মুখোমুখি দাঁড়ায় ।
হামুখে পেয়ে যায় প্রসাদ। আজ শ্রাবণী বত্ত।
দত্ত বাড়ির দিদি শাপলা ফুলের মালা দিয়ে
পূজার পাঠা সাজাও যদি। তোমার দেবতারে খবরও নাও না।
পাঠাবলি হচেছ, উন্মাদ ঝান্ডা বাজে।
দৃশ্য দেখছে পাড়ার যত ছেলে আর মেয়ে।
উন্মাদ সাঁতার কাটছে জলে
মেঘে মেঘে বার্তা পাঠাচ্ছে
মেঘ রাজারে দিদিকে তুই বলিস........
এরপর বৃষ্টি তার যত শব্দ জব্দ করে নিয়ে যায়।
মল্কিকাদিকে তখন বিদ্যুত চমকের মতো আরেকবার
স্পষ্ট দেখা যায়। আমাদের মনের ধন্দ তবু যায় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



