সারা জীবণ আমি জামাত-শিবিরকে ঘৃনা করে এসেছিলাম তাদের স্বাধিনতা যুদ্ধ কালীণ ভূমিকার জন্য।আমি ভোট দিয়েছি বি.এন.পি কে, আওয়ামীলীগকে এমনকি বাসদকেও।বাসদকে ভোট দেওয়ার সময়ই জানতাম এই দল থেকে কোনভাবেই এমপি নির্বাচিত হবেনা।শুধু মাত্র নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকার জন্য ভোট দিয়েছি।কখনও বিএনপিকে ভালবেসে বিএনপিকে ভোট দেইনি।আওয়ামীলীগের খারাপ কাজের প্রতিবাদ হিসেবে বিএনপি ছাড়া আর কোন ভাল অলটারনেটিভ পাই নেই।আমার কাছে দিনে দিনে এটাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে শেখ হাসিনার মূল রাগ আমার দেশের জনগনের উপর।যে দেশের জনগণ তার বাবাকে মেরে মিষ্টি বিতরণ করেছে,সেই দেশের ধংস না দেখে শেখ হাসিনা মরবে না।এমনই তার ইচ্ছা।অবশ্য আমার এক মনবিদ বন্ধু বলেছে যদি শেখ হাসিনা পাগল না হয় তাহলে, অবশ্যই এই দেশের ধংসই সে দেখতে চায়।যে দেশের মানুষ তার পুরো পরিবারকে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ করেছে, সেই দেশ বা দেশের মানুষকে যদি সত্যি শেখ হাসিনা ভালবাসে, সে অবশ্যই মানুষিক রুগী।মানসিক রোগী না হলে শেখ হাসিনা এই দেশের ক্ষতি ছাড়া ভাল কখনও চাইতে পারেনা।
যাই হোক, আমার মূল আলোচনায় ফিরে আসি।যখন দেখছি, দেশের স্বার্থ বিরোধী একের পর এক চুক্তি করছে শেখ হাসিনা।তখন প্রতিবাদ না করে থাকতে পারিনা।যেমন ভারতকে জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে।ওনার বাবা শেখ মুজিব ও তাই করেছিল।ভারতকে চুক্তি অনুসারে দিয়েছে।কিন্তু ভারত যতটুকু দেওয়ার কথা তার এক গন্ডাও দেয়নি।শেখ মুজিব যে টুকু দিয়েছিল তাই কেন আগে ভারত বুঝিয়ে দেয়না?তারা আসলে আমাদের থেকে শুধু নিবে।কখনও দিবে না।এমন হাজারও ব্যাপার আছে।সমালোচনা করলেই আওয়ামীলীগ বলে রেজাকার!যদিও যুদ্ধের সময় আমার জন্মও হয়নি।এমন কি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকেও রাজাকার বলেছে।কেননা, সে আওয়ামীলীগের সমালোচনা করেছে।তাহলে ব্যাপার হলো আওয়ামীলীগের সমালোচনা করলেই রাজাকার?অর্থ স্বাধীনতা যুদ্ধ আওয়ামীলীগের ব্যক্তিগত সম্পত্তি।
যাই হোক রাজাকার গালী শুনার ভয়ে অনেকদিন কথা বলি নেই।কিন্তু আমার ধৈয্যের বাধ ভেঙ্গে গেছে।রাজাকাররা আমাদের ৪০বছর আগের শত্রু।এখন তারা কোন ক্ষতি করছে না।কিন্তু ভারত আমাদের বর্তমাণ সবচেয়ে বড় শত্রু।এই শত্রুর মোকাবেলা করার জন্য আমি এখন রাজাকার।আজ থেকে কেউ রাজাকার বললে আর কষ্ট পাবনা।আজ থেকে আমি রাজাকার.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



