সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ থেকে শুরু করে মফস্বলের স্কুল, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা তুলে, জাতীয় সংগীত কণ্ঠে নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে সংহতি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তিসহ সাত দফা দাবিতে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে গত শুক্রবার এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
রোববার সকাল ১০টায় দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো শাহবাগের প্রজন্ম চত্বরেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সমবেতরা একযোগে গেয়ে ওঠেন- আমার সোনার বাংলা/আমি তোমায় ভালবাসি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে পতাকা উত্তোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকসহ আড়াই শতাধিক শিক্ষকও উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় মাইকে বলা হয়, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে তরুণ প্রজন্ম আজ ঐক্যবদ্ধভাবে অবস্থান নিয়েছে। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তরুণদের এই দাবির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি।”
ঐক্যবদ্ধভাবে এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় জানানো হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে।
রাজধানীসহ দেশের সব স্থানেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় আসার পর তা প্রত্যাখ্যান করে ফাঁসির দাবিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি এই আন্দোলন শুরু করে ব্লগার ও অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট নেটওয়ার্ক। ধীরে ধীরে তা রূপান্তরিত হয় জনতার আন্দোলনে।
জাগরণের একাদশ দিন শুক্রবার শাহবাগে জাগরণ সমাবেশ করে ঘোষণা করা হয় রোববারের এই পতাকা উত্তোলনসহ নতুন কর্মসূচি।
এছাড়া শাহবাগ আন্দোলনের কর্মী স্থপতি আহমেদ রাজীব হায়দার খুন হওয়ার ঘটনায় সোমবার কালোব্যাজ ধারণ ও কালো পতাকা উত্তোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতাল প্রতিহত করতে সবাইকে রাজপথে নেমে আসারও আহ্বান জানিয়েছেন শাহবাগের আন্দোলনকারীরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


