somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সোহানী
হাজার হাজার অসাধারন লেখক+ব্লগারের মাঝে আমি এক ক্ষুদ্র ব্লগার। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া লেখালেখির গুণটা চালিয়ে যাচ্ছি ব্লগ লিখে... যখন যা দেখি, যা মনে দাগ কাটে তা লিখি এই ব্লগে।

একটি প্রোফাইল পিক এবং একজন সরীসৃপ

১৩ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৯:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ল্যাপটপের সাট ডাউন বাটনে ক্লিক করতে করতেই ইহানা দেখলো ফেইসবুকে একটা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট। একটু দেখে আসি ভেবে ক্লিক করলো ফেইসবুকে। এই প্রথম ফেইসবুকে কোন প্রোফাইল দেখে এমন অভিভূত হলো ইহানা। ঠিক সে যেমনটা পছন্দ করে.... নীল দিগন্ত আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা কোন মুখ কিংবা বিশাল জলরাশির সামনে দিগন্ত জোড়া বালুরাশির উপর পথ চলা। মুগ্ধতা মুগ্ধতা মুগ্ধতা। ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এ্যাক্সেপ্ট করার পর যেন আরো কিছু মুগ্ধতা অপেক্ষা করছিল তার জন্য। প্রজাপতির ডানায় ভেসে যাওয়া কোন ভালোবাসার গান কিংবা দিগন্ত জোড়া সবুজের মাঝে হারিয়ে যাওয়া কোন কবিতা। টুক টুক করে আপলোড করা ছবির মাঝে হারিয়ে গেল সে....... এতো সুন্দর হতে পারে কেউ! যে সুন্দর হবে সে কবি হবে না, যে কবি হবে ভালো ইউনিভার্সিতে পড়বে না বা যে ভালো ইউনিভার্সিটিতে পড়বে সে দিগন্ত জোড়া সবুজের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার মতো সময় পাবে না। কিন্তু তার সব বিশ্বাস এক মূহুর্তে একটি প্রোফাইল এসে থেমে গেলো....।

কখন যে রাত অনেক গভীর হলো টেরই পেল না ইহানা......... ছবি আর কবিতার মাঝে ঢুবে থেকে। সম্বিৎ ফিরে এলাে ফেইসবুকের মেসেজ অপশানের দিকে তাকিয়ে... এক সাথে ১০ টি মেসেজ। ইন বক্স ওপেন করতেই একটু ধাক্কার মতো খেলো....

হ্যালো....

তুমি কি এখনো জেগে আছো...

আরে রাত অনেক হয়েছে, যাও ঘুমাতে.....

এতো রাতে ফেইসবুকে কি করো, সকালে উঠবা কিভাবে..........

ইহানা মেসেজগুলো একটানা পড়ে হেসে ফেললো। যেন কত দিনের পরিচয় ওর সাথে। ও রিপ্লাই দিল...

ঘুমাতে যাওয়া আগে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এর প্রোফাইল দেখছিলাম....। আপনি?

আমাদেরতো এখন দিন কারন আমিতো আমেরিকা থাকি। আর এইমাত্র ইউনিভার্সিটির ক্লাস শেষ করে বাসের জন্য অপেক্ষা করছি।

ওও আচ্ছা আচ্ছা .. আপনি আমেরিকান ইউনিভার্সিটিতে পড়েন। দারুনতো......

ইহানার মুগ্ধতা বিস্বয় যেন বেড়েই চলছিল। এমন করে এতো সুন্দরভাবে কেউ কথা বলতে পারে? যেন কত দিনের পরিচয়, কত আপনজন.... কিভাবে আমাকে খুজেঁ পেলেন, ইহানার প্রশ্ন।

ফেইসবুক ঘাটতে ঘাটতে হঠাৎ দেখলাম ছোট্ট একটা বাচ্চা মেয়ের ছবি :পিপল ইউ নো" তে ভেসে উঠলো। ক্লিক করতেই দেখা পেলাম একটা ছোট্ট পরীর, যে কিনা ভুল করে টুপ করে মাটিতে পড়ে গেল একদিন। তারপর তার পাখাটা হারিয়ে গেল তাই সে আর ফিরে যেতো পারলো না পরীর দেশে। এখানে ওখানে ঘুরতে লাগলো আর তার ছবি পোস্ট করতে লাগলো ফেইসবুকে। তারপর এক রাজপুরীর রাক্ষস তা দেখে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠালো যাতে সে খেতে পারে ছোট্ট পরীটিকে।

খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো ইহানা। আপনিতো খুব মজা করে কথা বলেন.... আসলে কি জানেন, আমার বান্ধবীগুলো এমন দুষ্ট, সারাক্ষনই ছবি তুলে আর ফেইসবুকে পোস্ট করে। আর বিভিন্ন ক্যাপশান দেয়...

আরে তা তে কি, তোমার মতো সুন্দর পরীতো ওরা কোথাও পাবে না কারন ছবিগুলোর দিকে তাকালে শুধু তোমার মুখটাই চোখে পড়ে।

সত্যি? ধ্যাৎ আপনি মিথ্যে বলছেন। আমার প্রোফাইল পিকচারের ডান পাশে যে মেয়েটি সে আমাদের ক্লাসের সবচেয়ে সুন্দরী। সবাই তাই বলে.....আর তাই ওর কি যে অহংকার...

সুন্দরী না ছাই.... তোমার পাশে দাড়াঁনোর সাহসইতো রাখা উচিত না তার। তোমার যা আকর্ষনীয় ফিগার আর ওর কেমন বোঁচা বোঁচা। আর দেখো তোমার চোখ........ ওফ্ হারিয়ে যাওয়ার মতো। আচ্ছা কেউ তোমাকে কি বলেছে যে তোমার চোখ কতটা সুন্দর।

না, তেমন কেউ বলেনি। আমার কাজিন রাফিন মাঝে মাঝে বলে কিন্তু ওকে পাত্তা দেই না।

রাফিন টাফিনকে বেশী পাত্তা দেয়ার দরকার নেই। এখন থেকে তুমি শুধু আমার জন্য ছবি তুলবা। ও তোমার মোবাইল নাম্বারটা কত যেন? আর আমি তোমাকে একটা স্কাইপ এর লিংক পাঠাচ্ছি পাসওয়ার্ড সহ। আমরা এখন থেকে স্কাইপে বেশী কথা বলবো। কারন বিদেশে থাকি বলে অতো কস্টলি কল করতে পারবো না। আমাদের জন্য স্কাইপই বেস্ট অপশান।

এভাবে দিন রাত ইহানা হারিয়ে গেল ফেইসবুক আর স্কাইপ এর মাঝে। সারাদিন কি করলো, বান্ধবীদের কার সাথে আজ ঝগড়া হলো, ক্লাসের টিচাররা কি বললো তার সব বর্ননা তার দেয়া চাই ই চাই। তার উপর অনেক রাতে ছবি পোস্ট করে তার নতুবা রাগ অভিমানের পালা চলে।

কি আজ তুমি কোন পিকই আমার জন্য পাঠাওনি। ও বুঝেছি আমাকে পছন্দ করো না তাই না??

আরে নাহ নাহ, বাসায় অনেক গেস্ট ছিল তাই অনেক রাত হলো রুমে ফিরতে। এতো টায়ার্ড ছিলাম যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

ওকে আজ ডাবল পাঠাবা.... ঠিক আছে আমার ছোট্ট পরী...........।....

আচ্ছা আপনি স্কাইপ এ ভিডিও অপশানে আসেন না কেন? শুধু আমি একাই ভিডিওতে থাকি।

আরে তোমাকে বলেছি না আমি আমেরিকা থাকি। আমার দিনের বেলা ক্লাস থাকে, কাজ থাকে। আর আমি তোমাকে দেখতেই বেশী ভালোবাসি...... দেখাতে নয়। তুমিতো আমার ফেইসবুক এর ছবিগুলো দেখেছোই......

হাঁ, সেটা ঠিক কিন্তু আপনার সাথে কথা বলার সময়তো কোন নয়েজ ও থাকে না।

হাহাহাহাহা........ আমার ছোট্ট পরীর সাথে যখন কথা বলি তখন পুরো পৃথিবীকে বলি তোমরা চুপ থাকো। আমাকে একটুও ডিস্টার্ব করবা না.......

আচ্ছা আমার ছোট্ট পরী, দেখো তোমাকে কিছু ছবির লিংক পাঠালাম। আমেরিকার মেয়েরা কিভাবে ড্রেস আপ করে চলাফেরা করে.... আমার খুব ইচ্ছে তোমাকে সেই সব ড্রেসে দেখি। নেক্সট্ যখন দেশে যাবো তোমার জন্য শুধুমাত্র এক লাগেজ আমেরিকান ড্রেস আনবো। তোমার এতো সুন্দর ফিগার এমন সব কাপড়ে ঢেকে রাখো ভালো করে দেখায়ই যায় না। আচ্ছা তুমি কি সালমান খানের ছবি দেখো? ম্যায়নে পেয়ার কিয়া ছবিটা দেখেছো? আমি লিংক দিলাম আবার দেখো।

ইহানা, ছবির লিংকগুলো খুলে একটু লজ্জা পেল। অর্ধ নগ্ন মেয়েরা কিন্তু খুব সুন্দর লাগছে। দারুন সব ভঙ্গীমায় ছবি তোলা। ইহানা মন্ত্রমুগ্ধের মতো ছবিগুলো দেখলো ও নিজেকে কল্পনায় সেখানে দাঁড় করালো।

কি হে আমার ছোট্ট পরী, মুভিটা দেখোছো? তোমার কোন সিন টা বেশী ভালো লেগেছে? আমার কোনটা জানো সালমান যখন দিব্যা ভারতীকে জন্মদিনে ড্রেস দিল এবং দিব্যা প্রতিটি ড্রেস পড়ে সালমানের সামনে আসলো। উফ্ আসল সিন হলো, একটা ড্রেস ছিল খুবই সেক্সি, দিব্যা সেটি পড়ে আসার পর সালমান তাকে জড়িয়ে ধরে। আমার খুব ইচ্ছে তোমাকে এমন করে ড্রেস পড়িয়ে জড়িয়ে ধরার। নেক্সট যখন দেশে আসবো তখন দেখে দেখে সেই ড্রেসগুলো খুঁজে আনবো। তবে আজ তুমি যখন লাইভে আসবা তখন অবশ্যই কোন সর্ট ড্রেসে আসবা। এতো ড্রেসে তোমাকে দেখলে আমারই অসহ্য লাগে।

আজ কেমন যেন সারাদিন অস্থিরতার মধ্যে কেটেছে ইহানার। আজ সে কথা দিয়েছে শুধু দু'টুকরো কাপড় পড়ে স্কাইপে আসবে।.... সেই শুরু...তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ইহানা এভাবেই অর্ধ নগ্ন হয়ে চ্যাটে বসে নতুবা স্কাইপ ভিডিওতে বসে বাসার সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে.................।

...............................

আননোন ফোন পেয়ে ধরবে কি ধরবে না ইহানা চিন্তা করতে করতেই ধরে ফেলে। ভয়েস শুনে একটু থমকে দাড়াঁয়..। আপনি? বাংলাদেশের নাম্বারে??

ও... তোমাকে সারপ্রাইজ দিবো বলে কিছু বলিনি। গতকালেই আমি দেশে এসেছি। এবং এখুনি, এ মূহুর্তে আমি তোমার কাছে আসছি। আমার ছোট্ট পরীকে না দেখা পর্যন্ত আমি ঘুমাতে পারছি না...জান!!

আরে আরে আমার ক্লাস চলছে!!!

কোন সমস্যা নেই স্কুলের পিছনের গেইট দিয়ে বের হয়ে যাও দেখবা সাদা একটা মাইক্রো দাঁড়ানো আছে। সোজা গেলেই আমাকে পাবা....

কিন্তু আমার গাড়িতো স্কুলের শেষে আসবে, কি বলবো ??

কিছুই বলতে হবে না, সোজা ফোন অফ করে রাখো। তারপর দেখা যাক কি করা যাবে।..........

...........................

ডিআইজির ক্লাস টেনে পড়া একমাত্র মেয়েকে খুজেঁ পাওয়া যাচ্ছে না। পুরো পুলিশ বিভাগকে অস্থির করে তুলছে ডিআইজি সাহেব। স্কুল কর্তৃপক্ষের জীবন হেস্থ নেস্থ করে ছাড়ছে, কিন্তু কোনভাবেই ক্লু পাওয়া যাচ্ছে না। তার সকল বান্ধবীকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসা করে ও কোন ক্লু পাওয়া যাচ্ছে না। কারো সাথে সম্পর্ক ছিল এবং পালিয়েছে নাকি কেউ গুম করেছে তার কোন হদিস ই পাওয়া যাচ্ছে না। শুধুমাত্র কাজের মেয়েটি একটু ক্লু দিল যে অনেক রাতে লাইট জ্বালানো থাকে কিন্তু দড়জা বন্ধ থাকে তার। কি মনে করে ডিআইজি বাসায় ফিরে মেয়ের ল্যাপটপ চেক করতে বসলো। ল্যাপটপ খুলেই মাথা ঘুরে পড়ার অবস্থা। সমস্ত পৃথিবী থেকে এক মূহুর্তে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল... পুরো ল্যাপটপ জুড়ে তার মেয়ের নগ্ন অর্ধ নগ্ন ছবিতে ভর্তি। ফেইসবুক খুলে সকল চ্যাটিং এর খোঁজ পেলো। ছেলেটির প্রোফাইল ধরে খুজঁতে শুরু করে অথই সাগরে পড়লেন ডিআইজি সাহেব। ছেলেটির প্রোফাইল পিকচার সহ সব ছবিই এক পাকিস্তানী নায়কের ওয়েবসাইট থেকে নেয়া, কবিতাগুলো সামহোয়ার ব্লগের বিখ্যাত কবিরা ভ্রমরের ডানা, নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন, জাহিদ অনিক ও কবি সেলিম আনোয়ার থেকে নেয়া।

ডিআইজি সাহেব আরেকটু সাহসে দুরো দুরো বুকে নিষিদ্ধ সাইটগুলোগুলোতো উকিঁ দিলেন। হাঁ যা সন্দেহ করেছে তাই সত্য হলো। ঝকঝকে ভেসে উঠলো তার মেয়ের অর্ধনগ্ন প্রোফাইল ও রেইট... এ ঘন্টা নাকি এক রাত। এমন কি প্রথম রাতের জন্য স্পেশাল রেইট। অনেক আগ থেকেই সে বিজ্ঞাপনগুলো দেয়া ছিল। বারান্দার দেয়ালের কার্নিশে ঘেষা বড় গিড়গিটিটা ধীরে ধীরে পাশের দেয়ালে চলে গেল। এবং তারপর..... অতপর:................



ছবি সূত্র: গুগুল মামা
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ৮:৪৩
৪৩টি মন্তব্য ৪৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মতে ঐশীর মত মেয়েদের খারাপ হওয়ার জন্য তাদের অবিভাবক ও এই সমাজ দায়ী আপনার মত কি ?

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:১০


এই সেই ঐশী যে কিনা মালিবাগে নিজ ফ্ল্যাটে পুলিশের পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান ও তার হ স্ত্রীকে হত্যা করেছিল ।আর সেই পুলিশ ও তার স্ত্রী ছিল ঐশীর নিজেরিই মাতা পিতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের সহব্লগার উনি, অথচ :(

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ সকাল ১১:২৩

উনি আমাদের সহ ব্লগার শাহানাজ সুলতানা। আমি আগে জানতাম না উনি ব্লগার এবং উনার বই্ও বের হইছে। অথচ সেদিন আমার লেখা উনার লেখার মাঝখানে ঢুকিয়ে পোস্ট দিলেন। ফ্রেন্ড একজন সেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি বাংলায় ডাকি প্রভু

লিখেছেন বিদ্রোহী ভৃগু, ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:১৬

আমি বাংলায় ডাকি প্রভু
খূঁজি বাংলায় অবতার
বাংলাতে বুঝি মায়ের দরদ
বাংলায় মুক্তি আমার।

বাংলা আমার প্রেম বিরহ
বাংলাতে সূখ উন্মুখ
বাংলাতেই হাসি-কান্না আমার
বাংলায় স্বর্গ সূখ।

বাংলায় করি প্রার্থনা
করি বাংলায় উপবাস,
বাংলায় করি তীর্থ ভ্রমণ
বাংলায় যোগাভ্যাস।

বাংলায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রারম্ভ ( পর্ব -২ )

লিখেছেন নীলপরি, ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৮:৫১



রাত প্রায় ১টা বাজে! আবার মেসেজ করলো ছেলেটা!রাহুল মিত্তাল । দিদিয়ার শ্বশুর বাড়ির সম্পর্কের বলে, কিছু বলতেও পারেনা তিন্নি! সেই দিদিয়ার বিয়ে থেকে স্টিকি টাইপ... ...বাকিটুকু পড়ুন

গণতন্ত্রও চান, বেগম জিয়াকেও চান, এটা কি রাজনীতি?

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:১১



মির্জা ফখরুল সাহেবের কথা বলছি; তিনি আদি রাজনীতিবিদ ওলি আহাদের স্মরণসভায় কথা বলছিলেন; তিনি বলেছেন যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই; এ ব্যাপারে উনি সঠিক; তিনি গণতন্ত্র চান, এবং চান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×