(প্রথম পর্বের লেখা প্রকাশের পর থেকে নানারকম প্রতিক্রিয়া পেতে শুরু করি। ধারণা করিনি এত ফোন পাব! যাহোক এই ফোন ও মেসেজ প্রাপ্তি প্রমাণ করে বিষয়গুলোর আলোচনা জরুরী ছিল। তবু এমন কিছু ফোন পেয়েছি যা এমন আক্রমনাক্তক এবং অনাকাঙ্খিত যে হতবাক হয়ে গেছি। আমাকে এই লেখার জন্য এমনও হুমকী দিয়েছে যে আমাকে ‘ঢাকা’র যেখানেই আমি থাকি না কেন আমাকে দেখে নেব, আমাকে তুলে নিয়ে যাবে’! আমি পরবর্তী লেখায় এই বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরব।)
সোনার বাংলায় ‘অস্কার’ আবিষ্কার !
দুই পরে লড়াইয়ের মাঝে হাবিব খান ও বিপ্লব মোর্চা চারদলীয় জোট সরকারের মতা হারানোর পর থেকে দুর্বল হতে থাকে। একে তো তাদের পৃষ্ঠপোষক সরকার চারদলীয় জোট মতায় নেই অন্যদিকে তাদের সংসদ আন্দোলনের ক্ষেত্রে কোনো ঐতিহাসিক চেতনাগত ভিত্তি নেই। ফলে তাদের করার আসলে কিছুই ছিল না। অন্যদিকে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে হলেও মোরশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ নিয়মিত কিছু কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছিল। এই সময়ের মধ্যে তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ অস্কারে পাঠানো নিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একটি নতুন কাজ আবিষ্কত হল। বিষয়টির বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আবিষ্কারক তারেক মাসুদ। তিনি ‘অস্কার’ পুরস্কার প্রতিযোগিতায় ‘মাটির ময়না’ পাঠানোর জন্য তৎকালীন ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’-এর কর্তা-ব্যক্তিদের অনুরোধ করেন ‘ফেডারেশন’ এর তত্তাবধানে প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতি, পরিবেশক সমিতিসহ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বয়ে একটি ‘জাতীয়’ কমিটি করে ‘মাটির ময়না’কে ‘অস্কার’ প্রতিযোগিতায় পাঠানোর উদ্যোগ নেয়ার জন্য। সোজা ভাষায় ‘অস্কার’ প্রতিযোগিতায় যে এভাবে নির্বাচিত ছবি পাঠানো যায় তা তখন ঢাকার কেউ জানতেন না। যা হোক অনেক নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে একই ‘ফেডারেশন’-এর ব্যানারে ‘মাটির ময়না’ একাডেমী পুরস্কারের জন্য পাঠানো হয়। যা সেসময় ঢাকা’র পত্র-পত্রিকায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। এটি ছিল সে সময়ের সবচাইতে আলোচিত ঘটনা। ‘মাটির ময়না’ পাঠানোর পর কিছুদিন বিরতি দিয়ে আবার বাংলাদেশের নির্বাচিত চলচ্চিত্র ‘অস্কার’ পুরস্কার প্রতিযোগিতায় পাঠানোর তোরজোড় শুরু হয়। ইতোমধ্যে ‘ফেডারেশন’ একই নামে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। একটির সভাপতি মোরশেদুল ইসলাম, অন্যটির সভাপতি হাবিব খান। হাবিব খান এবং গোলাম রাব্বানী বিপ্লবদের ফেডারেশনের উদ্যোগে চলতে থাকে ‘জাতীয়’ কমিটি গঠন ও ‘অস্কার’ প্রতিযোগিতার ছবি বাছাই প্রকল্প। এই সময়ে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম অথবা চ্যানেল আই কতৃপক্ষ দেখল- খেলা তো মন্দ না। হাবিব খান এবং গোলাম রাব্বানীদেও ফেডারেশন পেল নতুন ‘পৃষ্ঠপোষক’ ইমপ্রেস এবং ‘ইমপ্রেস’ পেল ব্যবসা করার একটি চমকপ্রদ হাতিয়ার ‘অস্কার’। তাই আমরা দেখতে শুরু করলাম প্রতিবছর ঘটা করে ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ এর নামে বাংলাদেশের একটি চলচ্চিত্রকে ‘অস্কার’ প্রতিযোগিতায় পাঠানো হচ্ছে। আগ্রহী যে কেউ দেখতে পারেন ‘মাটির ময়না’ ছাড়া প্রতিবার পাঠানো চলচ্চিত্র ‘ইমপ্রেসে’র অর্থায়নে নির্মিত কী না?
এতে করে হাবিব খান এবং গোলাম রাব্বানীরা জোট সরকারের পতনের পর থেকে আর কোনো চলচ্চিত্র উৎসব যদিও আয়োজন করতে পারেনি। কিন্তু ‘অস্কারে’ ইমপ্রেসের ছবি পাঠানোর দালালিপনার গুণে তার কপালে জুটেছে ছবি নির্মাণের ‘এনাম’। যা হোক, এই অধমের একটি প্রশ্ন আছে, পাঠকের কাছে, আচ্ছা কেউ কি জানেন প্রতিবছর ‘অস্কার’ পুরস্কার প্রতিযোগিতায় পাঠানো বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সর্বশেষ অবস্থা কী? আমরা তো প্রতিবছর শুধু পাঠাতেই দেখি, তারপর তো বিষয়টা বেমালুম হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। কিন্তু এ ‘অস্কার’ প্রতিযোগিতায় পাঠানোর জন্য ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’-এর নামে একটি জাতীয় কমিটি হয়। সে কমিটি ছবি নির্বাচনের জন্য সংবাদ সম্মেলন করে। কিছুদিন পর সেই কমিটির পক্ষ থেকে ‘ইমপ্রেস’ এর একটি ছবিকে ‘অস্কার’ প্রতিযোগিতায় পাঠানো হচ্ছে বলে ব্যাপক মণ্ডা-মিঠাই ছড়ানো হয়। পত্র-পত্রিকায় বিশাল করে খবর ছাপে। তারপর সব গায়েব। এরফাঁকে ‘নির্বাচিত’ চলচ্চিল্ফটি টেলিভিশনে ‘ওর্য়াল্ড প্রিমিয়ার’ এর নামে কোটি টাকার বিঞ্জাপন বানিজ্য করে ফেলে ছবিটির মালিক টেলিভিশন কতৃপ। এটা একটা ব্যবসা ছাড়া আর কী? বিষয়টা আরো বিস্তারিত কারো জানা থাকলে দয়া করে জানাবেন।
আন্দোলনের সূত্রে ফেরা
আসল কথায় আসি, আমি ২০০৭ সাল থেকে মোরশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত ফেডারেশনে আছি। কর্মসূচির নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ২০০৯ সালের ৬ জুলাই চলচ্চিত্রকার বাদল রহমান ও সুশীল সূত্রধরকে যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি করা হয়। অপর দিকের ফেডারেশনের সভাপতি হাবিব খান, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বিপ্লব।
বাদল রহমানের নেতৃত্বে আমরা কিছু কিছু কাজ করা শুরু করলাম। ইতোমধ্যে মহাজোট সরকার মতায় আসায় আমরা নানাভাবেই কাজের একটি অনুকূল পরিবেশ ল করছিলাম। কিন্তু সমস্যা হল যে কাজই করি না কেন, মানুষজন প্রশ্ন করে ‘কোন ফেডারেশন’?
বিষয়টি রীতিমতো লজ্জাজনক ও অপমানের। অস্কারে ছবি পাঠাচ্ছে হাবিব খান, রাব্বানী এন্ড গং’রা কিন্তু মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় আমাদের। আমরা কোনো একটি আয়োজন করলে সেটার ফায়দা যাচ্ছিল রাব্বানীদের ঘরে। যেহেতু দুটি ফেডারেশনেরই নাম ও লোগো একই। আর তাছাড়া দেশের চলচ্চিত্র সংসদকর্মী ও সংসদ-সংশ্লিষ্ট মানুষজনও বিভ্রান্ত হচ্ছিল। অবশেষে সদ্যপ্রয়াত (১১ জুন, ২০১০) বাদল রহমান ২০১০ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে উদ্যোগ নিলেন এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার একটি রাস্তা সন্ধানে। ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির একটি সভায় তিনি নির্বাহী পর্ষদের সদস্যদের বললেন,
“যেহেতু ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ নামে কিছু অসৎ চলচ্চিত্র সংসদকর্মী, চারদলীয় জোট সরকারের দালাল, আমলা ও বিএনপি-জামাতের দলীয় লোকজনের সংশ্লিষ্টতায় ৩টি চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবগুলোতে হিন্দি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের নীতি, আদর্শ ও চেতনা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। একই সাথে আমরা সক্রিয়ভাবে দৃঢ়তার সাথে এতদিন এইসব অসৎ, ভণ্ড ও প্রতিক্রিয়াশীল মানুষদের বিপরীতে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের নীতি ও আদর্শের লড়াই চালিয়ে এসেছি। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি হল ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ একটি কলংকিত ও আদশচ্যুত সংগঠনের নাম। আমরা একই নাম ও লোগো নিয়ে যে লড়াই এতদিন ধরে করেছি তাতে আদর্শিক ও নৈতিক জয় আমাদেরই হয়েছে। কিন্তু আমাদের যদি আগামীতে বিকাশের পথে যেতে হয় তাহলে নতুন ভাবেই তা শুরু করতে হবে। নতুন সময়ে আমাদের পুরনো আবর্জনা ফেলেই এগোতে হবে। সেক্ষেত্রে আমার প্রস্তাব হল, আপনারা জানেন যে, ১৯৭৩ সালে আমরা প্রথম বাংলাদেশে ফিল্ম সোসাইটির যে ফেডারেশনটি করেছিলাম তার নাম ছিল ‘ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ (সংক্ষেপে এফএফএসবি)’। পরবর্তী সময়ে ১৯৭৫ সালে আমরা ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ নামটি অ্যাডাপ্ট করি। আর তাই আমার প্রস্তাব, আসুন আমরা ‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ’ বাদ দিয়ে নতুন যাত্রার প্রয়োজনে আমাদের প্রথম নামেই ফিরে যাই আর তা হল ‘ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ”।
সভায় সর্বসম্মতিতে বাদল রহমানের প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়। একই সাথে ১৪ মে ২০১০ তারিখে দেশের সক্রিয় চলচ্চিত্র সংসদগুলোকে নিয়ে একটি বিশেষ সাধারণ সভার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়।
১৪ মে, ২০১০ তারিখে ঢাকার পরিবাগের ‘সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে’ দেশের সক্রিয় ১৯টি চলচ্চিত্র সংসদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ও সম্মতিতে ১৯৭৩ সালের ফেডারেশনের নাম, ‘ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ (সংক্ষেপে এফএফএসবি)’-এর লোগো (আংশিক সংস্কার করে) এবং ৩টি সংশোধনীসহ প্রথম সংবিধানটিই গ্রহণ করা হয়।
১৪মে, ২০১০ থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সংসদগুলোর প্রতিনিধি দাবিদার দুইটি ফেডারেশন দুই নাম, দুই লোগো এবং দুইটি সংবিধান নিয়ে অবস্থান বজায় রেখেছে। প্রশ্ন হল দুইটি কেন? আসুন তার কারণগুলো বোঝার চেষ্টা করি।
দুইটি ফেডারেশন নামে- কী কারণে
যদি আমরা উপলব্ধি করতে চাই কোন সংগঠন ভালো আর কোন সংগঠন খারাপ তাহলে তার সহজ ও নির্ভূলতম উপায়টি হচ্ছে দেখুন, জানুন- সে সংগঠন পরিচালনা করে কারা। অদ লোকদের দিয়ে যেমন স্ন্দুর ও সফল কিছু আশা করা যায় না, ঠিক তেমনি খারাপ মানুষের কাছে ভালো কিছু আশা করা যায় না। সোজা ব্যাপার। আসুন দেখি দুইটি ফেডারেশন নেতৃত্ব দিচ্ছেন কারা।
‘বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ (সংক্ষেপে বিএফএফএস) ’
যে কারণে এ লেখার সুত্রপাত। এই সংগঠনের নবনির্বাচিত সভাপতি হাবিবুর রহমান খান একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক। তিনি ‘আশীর্বাদ’ নামক চলচ্চিত্র পরিবেশনা সংস্থার মালিক। এর আগেও তিনি এই সংগঠনের সভাপতি ছিলেন। তিনি কোনো কালে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন এমন কিছু জানা নেই। অতি স¤প্রতি তার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ‘আশীর্বাদ চলচ্চিত্র’ ইমপ্রেস টেলিফিল্ম কোম্পানি বা চ্যানেল আই-এর সাথে অংশীদারিত্বের চুক্তি করেছে। ফলে তাকে ইমপ্রেস বা ‘চ্যানেল আই’-এর লোকও বলা যায়। অন্যদিকে তার সাধারণ সম্পাদক শিহাব সিরাজী সম্পর্কে বেশি কিছু জানা যায়নি। যতটুকু জানি তিনি একটি নিষ্ক্রিয় নামসর্বস্ব চলচ্চিত্র সংসদের সাথে যুক্ত। এর বাইরে তিনি গোলাম রাব্বানী বিপ্লব এবং অন্য পরিচালকদের সহকারী হিসেবে কাজ করেন বলে জেনেছি। এছাড়া এই সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হয়েছেন চলচ্চিত্র ও নাট্যনির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিম ও শংকর রায়। গিয়াসউদ্দিন সেলিম সম্পর্কে জানি, তিনি চলচ্চিত্র সংসদ করেননি কখনোই। তবে সংসদের আয়োজনে ছবি-প্রদর্শনীতে ছবি দেখতেন। শংকর রায় সম্পর্কে কিছুই জানি না। সত্যি বললে, চিনি না। প্রশ্নটা হল এইসব মানুষগুলো কি চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের নেতা হতে পারেন? যাদের দৃশ্যত চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলন সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই তারা কী আন্দোলনের গতিমুখ নির্ধারণ করতে পারেন? তাহলে এরা কেন এই পদ গ্রহণ করেছেন? লাভালাভের হিসাবটা আসলে কোথায়? বলছি আরেকটু পরেই।
‘ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ (সংক্ষেপে এফএফএসবি)’
এই সংগঠনটির তত্ত্বাবধানে আছে দেশের ২৪টি চলচ্চিত্র সংসদ। এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বর্ষীয়ান চলচ্চিত্র সংসদকর্মী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মানজারে হাসীন মুরাদ এবং সুশীল সূত্রধর। মানজারে হাসীন মুরাদ ১৯৭৪ সাল থেকে দেশের প্রথম চলচ্চিত্র সংসদ ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সোসাইটি’র সাথে যুক্ত। অন্যদিকে সুশীল সূত্রধর ১৯৭৬ সাল থেকে চিপাচস-এর অন্যতম প্রধান কর্মী হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এই সংগঠনের সহ-সভাপতি সাব্বির চৌধুরী ও বিপ্লব মোস্তাফিজ। সাব্বির চৌধুরী প্রায় ৩০ বছর ধরে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি ‘জহির রায়হান চলচ্চিত্র সংসদে’র সভাপতি। অন্যদিকে বিপ্লব মোস্তাফিজ প্রায় ১৬ বছর ধরে চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের সাথে যুক্ত। তিনি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ’-এর সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে ‘বাংলা চলচ্চিত্র সংসদে’র সভাপতি।
দুইটি সংগঠনের নেতৃত্ত্বের তুলনামূলক চিত্র থেকে পাঠক আপনিই সিদ্ধান্ত নিন কোনটি আন্দোলনের উদ্দেশ্যে আর কোনটি কায়েমী স্বার্থ হাসিল, বহুজাতিক দালালিপনা ও ভণ্ডামির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
পরবর্তী পর্বের লেখায় থাকবে:
ক. চলচ্চিত্র সংসদ ব্যাপারি, কারবারীদের টার্গেট কেন ?
খ. আন্দোলনকর্মীদের কিছু সতর্কতা প্রয়োজন
গ. আন্দোলনের শত্র“-মিত্র

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

