বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা আরেকটি অত্যন্ত জরুরি বিষয় বিবেচনার তাগিদ তুলে ধরেছে। সেটি হচ্ছে, রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে বিডিআর হেডকোয়ার্টার্স ও সেনানিবাস রাখা-সংক্রান্ত।
দেশরক্ষার প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান থাকতে হয় সীমান্ত এবং বড় শহরের উপকণ্ঠে, অভ্যন্তরে নয়। সেনানিবাস ও বিডিআর সদর দপ্তর যখন গড়ে তোলা হয়, তখন তা ঢাকা শহরের উপকণ্ঠে ছিল। কিন্তু গত কয়েক দশকে ঢাকা শহরের সম্প্রসারণের কারণে এগুলো শহরের অভ্যন্তরে চলে এসেছে। এতে জনজীবনে প্রতিনিয়ত যানজটের দুঃসহ ভোগান্তি হচ্ছে। সংকটকালে জনজীবন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে যাচ্ছে, জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় আমরা নিরীহ সাধারণ মানুষের রক্তক্ষয় দেখেছি, দেখেছি শিশু, কিশোর, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা; দেখেছি বিডিআরের চারপাশে মানুষের ভয়াবহ আতঙ্ক।
আমরা আর কখনোই সাধারণ মানুষকে মৃত্যুভয়ে জর্জরিত দেখতে চাই না। সরকারকে জরুরি জনস্বার্থে অবিলম্বে বিডিআর, সেনানিবাস এবং কারাগারগুলোকে ঢাকাসহ অন্যান্য শহর থেকে দূরে সরিয়ে নিতে হবে।
from বিডিআর বিদ্রোহঃ কিছু জ্বলন্ত প্রশ্ন
ড. আসিফ নজরুল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


