
নাজিয়া হাসান। ২০০০ সালের ১৩ আগস্ট; লন্ডন। এশিয় কমিউনিটিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া ... নাজিয়া হাসান আর নেই-মাত্র ৩৫ বছর বয়েসে মারা গেছেন; ... ক্যান্সারে....তার আগে তাঁর কুড়ি বছরের গানের জীবনে ঝড় তুলেছিলেন সমস্ত দক্ষিণ এশিয়ায়-এমনকী সুদূর রাশিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ চার্টেও উঠে গিয়েছিল নাজিয়া হাসানের অপূর্ব কন্ঠের গভীর মেলোডিক গান ...
নাজিয়া হাসানের গানের কম্পোজিশন এই একুশ শতকে কমপ্যাক্ট মনে নাও হতে পারে; হয়তো ফাঁকা ফাঁকা ঠেকবে, মনে হবে কেমন ছাড়া ছাড়া। তবে আমি বিশ্বাস করি গানের মেলডি শাশ্বত। কাজেই যারা নাজিয়া হাসানের নাম শোনে নি; সেই নতুন প্রজম্ম কে বলি- নাজিয়া হাসান ছিলেন আশির দশকের এক ক্ষণজন্মা পাকিস্তানি পপ সিঙ্গার। নাজিয়া হাসানের জন্ম করাচি। ৩ এপ্রিল; ১৯৬৫। অবশ্য তাঁর কর্মক্ষেত্র ছিল লন্ডন। ওখানে আইন নিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। পাকিস্তানি হওয়া সত্ত্বেও ভারতে ছিলেন দারুন জনপ্রিয়। তার কারণ-কুরবানী ছবির এই গানটি।

নাজিয়া হাসানের জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ- নাজিয়া হাসানের কম্পোজার ছিলেন বিদ্দু। ইনি একজন অসম্ভব প্রতিভান ইন্ডিয়ান কম্পোজার। তখন আমি বলছিলাম যে-
নাজিয়া হাসানের কর্মক্ষেত্র ছিল লন্ডন। ওখানে আইন নিয়ে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। তখনই একটা পার্টিতে কম্পোজার বিদদুর সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল কুরবানী ছবি প্রযোজক ফিরোজ খান।
অসম্ভব প্রতিভান কম্পোজার বিদদু। ওঁর কম্পোজকৃত নাজিয়া হাসানের গাওয়া ডিসকো দিউয়ানি গানটা শুনলেই বোঝা যাবে কেন নাজিয়া হাসানের গান এমন কী সুদূর রাশিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ চার্টেও উঠে গিয়েছিল।

বিদ্দু; ৬৫ বছর বয়েসে আজও সক্রিয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

