আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

ইস্টার দ্বীপের রাপানুই-সংস্কৃতি: মানবজাতির জন্য অশনি সংকেত ...

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

শেয়ারঃ
0 2 0



একটা সময় ছিল-যখন বিশ্বজুড়ে মানুষ ইস্টারদ্বীপের কথিত ‘রহস্যময়তা’ নিয়ে মেতে থাকত। এখন আর সেই ঘোর নেই! এখন কথিত ‘রহস্যময়তা’র ব্যাখ্যা গেছে বদলে, বদলে গেছে ইস্টার দ্বীপ সংক্রান্ত অতীতের দৃষ্টিভঙ্গিও। পরিবেশের ক্ষতি করলে তার পরিনাম কি ভয়ঙ্কর হতে পরে- ইস্টার দ্বীপের রাপানুই আদিবাসীরা সে শিক্ষাই আমাদের জন্য রেখে গেছে । আমরা যেন ইস্টার দ্বীপের মর্মান্তিক ইতিহাস পাঠ করে সর্তক হই ...
দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের লাভানির্মিত বৃক্ষশূন্য একটি আগ্নেয় দ্বীপ। আয়তন : ৬৪ বর্গমাইল। নাম ইস্টার দ্বীপ। ত্রিভূজ আকারের দ্বীপটির অবস্থান দক্ষিণ আমেরিকার চিলি উপকূলের ২৩০০ মাইল পশ্চিমে।



প্রশান্ত মহাসাগরে ইস্টার দ্বীপ

ইস্টার দ্বীপে সারা বছরই গরম থাকে। আছড়ে পড়ে পাগলাটে বানিজ্য বায়ূ । দ্বীপটি এক সময় উদ্ভিদশূন্য হয়ে পড়েছিল। (কেন? সেটিই এই নিবন্ধের মূল আলোচ্য বিষয়)
এখন অবশ্য দ্বীপটিতে বিস্তর ঘাস, আলু, আখ, টারো নামে এক ধরনের শিকড়, তামাক আর ক্রান্তিয় ফল জন্মায়। দ্বীপটির পানির অন্যতম উৎস আগ্নেয় হ্রদের বৃষ্টিজল ।
ইস্টার দ্বীপটি সৃষ্ট হয়েছে আগ্নেয় শিলা দ্বারা । দ্বীপটির (মৃত) আগ্নেয়গিরির নাম রানো রারাকু। এখন অবশ্য জায়গাটি ঘাস রয়েছে। উপকূলে আছে আগ্নেয় গুহা। আর লাভার সুড়ঙ। সৈকতে আছে প্রবাল। উত্তরপুবের বালিয়াড়িটি বালিময় । দ্বীপজুড়ে সামুদ্রিক পাখির অভয়ারণ্য।




ইস্টার দ্বীপের আকার ত্রিভূজের মতন। এককালে রাপানুইরা তাদের দ্বীপটিকে বলত, তে পিটো ও হেনুয়া; ... এর মানে-পৃথিবীর নাভি। স্প্যানিশ ভাষায় ইস্টার দ্বীপের নাম অবশ্য -ইসলা দে পাসকুয়া।
ইস্টারদ্বীপের আরেক নাম রাপানুই। রাপানুই। কেন? ইস্টার দ্বীপের অবস্থান তাহিতি দ্বীপের ২,৫০০মাইল দক্ষিণ পুবে । তো, উনিশ শতকে তাহিতি দ্বীপের এক পর্যটক নাকি ইস্টার দ্বীপে এসে বলেছিল: “বাহ্, এ তো দেখছি তাহিতি দ্বীপের রাপার মতন দেখতে। তবে ‘নুই’। নুই মানে বড়। সেই থেকেই ইস্টার দ্বীপের আরেক নাম রাপানুই। দ্বীপবাসীরও ঐ নাম। কিন্তু, দ্বীপের নাম ইস্টার কেন হল?
বলছি।
১৭২২ সাল। ইস্টার-এর দিন। দিনটি ছিল রোববার। দ্বীপটিতে একটি ওলন্দাজ (হল্যান্ড) জাহাজ ভিড়ল। নাবিক জ্যাকোব রোগগেভিন রাপানুই ঘুরে অবাক। উপকূল জুড়ে দেড় মাইল পর পর পাথরের মূর্তি ...পুরুষমুখ ...



রাপানুই ভাষায় মূর্তির নাম: মোয়াই। মোয়াইগুলি প্ল্যাটফর্মের ওপর দাঁড়ানো । প্ল্যাটফর্মকে রাপানুই ভাষায় বলে: আহু।
ওলন্দাজ নাবিক জ্যাকোব রোগগেভিন রাপানুই দ্বীপে ১৭২২ সালের ইস্টার-এর দিন অবতরন করেছিলেন বলেই রাপানুই দ্বীপের আরেক নাম ইস্টার আইল্যান্ড। তখনও ইস্টার দ্বীপে কিছু রাপানুই বাস করত। এরা আসলে পলেনিশিয় । প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ অংশের বিশাল জলঅঞ্চল নিয়ে ছড়ানো দ্বীপ ও দ্বীপবাসীকে পলিনেশিয়া বলে। অসুখ ও দাস ব্যবসা দ্বীপটির জনসংখ্যা কমিয়ে দিয়েছিল। ওলন্দাজ নাবিক জ্যাকোব রোগগেভিন এর সময়ে ইস্টার দ্বীপের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২০০।
১৯৮৮ সালে চিলি সরকার দ্বীপটিতে নিজস্ব অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
ইস্টার দ্বীপ পৃথিবীর সবচে বাসযোগ্য (পরিত্যক্ত নয়-এই অর্থে) বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। রহস্যময়ও বটে। কেন রহস্যময়? কেননা, ইস্টার দ্বীপজুড়ে বিশাল বিশাল সব পাথরের মনোলিথ মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। মনোলিথ মানে গোটা একটা পাথর চেঁছে তৈরি।



রহস্য এই। মোয়াইগুলি সব উপকূলে এবং মুখ সমুদ্রের দিকে ফেরানো । কেন? উত্তর মেলেনি। বরং ঘনীভূত হয়েছে রহস্য। কোনও কোনও মূর্তির মুখ অবশ্য দ্বীপের দিকে ফেরানো। মূর্তিগুলির কোনও কোনওটির উচ্চতা ১৪ ফুট ৬ ইঞ্চির মতন। ওজন? প্রায় ১৪ টন! সব মিলিয়ে ২৮৮ টি মূর্তি। আরও প্রায় ৬০০টি। কেনও কোনওটি অসমাপ্ত ... কোনও কোনওটি ৩৩ ফুট। ৮০ টন। মোয়াই এর নিচে প্ল্যাটফর্ম আছে। সেই প্ল্যাটফর্ম কে বলা হত- আহু। দ্বীপ ঘিরে দেড় মাইল পরপর ১৫০টি আহু আছে।

কারা বানাল ওসব ভারী মনোলিথ মূর্তি?
রহস্য এ জন্যই। তবে সে রহস্যের মিলেছে উত্তর।
পাথর বলতে আমরা আসলে ‘ঘনীভূত আগ্নেয় ছাই’ বুঝব। রাপানুইরাই ‘ঘনীভূত আগ্নেয় ছাই’ থেকে গড়েছিল সে সব মূর্তি।
তো, কারা এই রাপানুই?
এককালে ধারনা করা হত। রাপানুইরা দক্ষিণ আমেরিকার ইনকা সভ্যতা। তারাই সুদূর অতীতে জলপথে ইস্টার দ্বীপে এসেছিল-অথবা তারা সমুদ্রে হারিয়ে ফেলেছিল পথ। ইনকারা পেরুতে বড় বড় নগর তৈরি করেছে। তাদেরই এক শাখা ইস্টার দ্বীপে পৌঁছে ‘ঘনীভূত আগ্নেয় ছাই’ থেকে মনোলিথ মূর্তি তৈরি করেছে-এই তো স্বাভাবিক।
বর্তমানে এই ধারনা বাতিল হয়ে গেছে।
বর্তমানে প্রমাণ মিলেছে: রাপানুইরা ইনকা ছিল না। রাপানুইরা পলেনেশিয়। ডি এন এ পরীক্ষ করেই তবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেছে। রাপানুইরা এসেছিল মারকোয়েসাস দ্বীপ থেকে। দ্বীপটি প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণে- ইস্টার দ্বীপের পুবে।
তবে রাপানুইরা কবে ইস্টার দ্বীপে এল-তা নিয়ে বিতর্ক আছে। কারওকারও মতে তারা ১২০০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ইস্টার দ্বীপে আসে। তবে এখন ধারনা করা হচ্ছে রাপানুইরা এসেছিল ৪০০ খ্রিস্টাব্দ। কার্বন ডেটিং পদ্ধতির মাধ্যমে ৩১৮ খ্রিস্টাব্দের কবরের সন্ধান মিলেছে । রাপানুইদের আগমনকালে দ্বীপটি বৃক্ষপূর্ন ছিল। সমুদ্রপাখি বিচরন করত। মাছ,পাখি উদ্ভিজ খাদ্যের কারণে উচ্চতর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। রাপানুইরা বলে ওদের পূর্বপুরুষের নাম হুটু মাতুয়া। মোয়াই এর আরাধনা সম্ভবত তার সময় থেকেই আরম্ভ হয়ে যায়। সময়টা পুরাতাত্ত্বিকগন ৫০০ খ্রিস্টাব্দ বলে নির্ধারন করেছেন। বেশির ভাগ মোয়াই ও আহু ১০০ থেকে ১৬৫০ এর মধ্যে দাঁড় করানো হয়েছিল। কেন গড়েছিল? এর উত্তর আরেকটি প্রশ্নে নিহিত। আদিকালে মানুষ মূর্তি কেন গড়ত? মূলত ধর্মীয় উদ্দেশ্যেই।
মোয়াই নির্মানই রাপানুইদের পতনের কারণ হয়ে উঠেছিল!
আমি আগেই বলেছি রাপানুইরা ‘ঘনীভূত আগ্নেয় ছাই’ থেকে মোয়াই ও আহু তৈরি করত । রানো রারাকু তে ‘ঘনীভূত আগ্নেয় ছাই’ ছিল। রানো রারাকু থেকে মোয়াই উপকূলে নিয়ে যেতে কাঠের রোলার বা শ্লেজ তৈরি করতে হয়েছিল। যা ঠেলত ৫০ থেকে ১৫০ জন । রোলার তৈরি করতেই গাছ কাটতে হয়েছিল। আ তাতেই কয়েক শ বছরে ইস্টার দ্বীপের গাছপালা উজার হয়ে গিয়েছিল। ব্যাপারটা রাপানুইরা লক্ষ করেনি। যে মূর্তি গড়তে বন উজার হয়ে যাচ্ছে। তা ছাড়া গাছ কেটে রাপানুইরা বাড়ি বানাতো। ক্যানৌ তৈরি করত। দ্বীপের গাছ ছিল অনেকটা চিলির ওয়াইন পাম গাছের মত।



চিলির ওয়াইন পাম গাছের ছবি। এ ধরনের গাছে পরিপূর্ন ছিল ইস্টার দ্বীপ। যখন রাপানুইরা ৪০০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ইস্টার দ্বীপে গেল। চিলির ওয়াইন পাম সাধারনত ৮ ফুট উঁচু হয়। পরিধী ৬ ফুট। কাজেই ক্যানৌ তৈরি করতে সুবিধে।



ক্যানৌ ...

তারপর যা হয়। দ্বীপের গাছ নিঃশেষ হয়ে গেলে দ্বীপের উপরিতলের মাটিও ক্ষয়ে যেতে থাকল দ্রুত। বাতাস উড়িয়ে নিল। খাদ্যে টান পড়ল। ক্ষুধার্ত রাপানুইরা একে অন্যেকে আক্রমন করতে লাগল। মোয়াই মূর্তিগুলোও ধ্বংসলীলা থেকে রক্ষা পেল না। কেন? দেবতা উর্বরতা দান করেননি বলে। ক্রোধান্বিত রাপানুইরা মূর্তির চোখ চোখ উপড়ে ফেলল। সবচে ভয়ঙ্কর হল: ইস্টার দ্বীপজুড়েই মানুষের হাড়গোর পাওয়া গিয়েছে। এ থেকে ধারনা করা হয়: রাপানুইরা পরাজিত রাপানুইদের খেয়ে ফেলত। এভাবে বনভূমি উজার হয়ে উদ্ভব হয়েছিল ক্যানিবালিজম এর । যে কারণে বলছিলাম: ইস্টার দ্বীপের রাপানুই-সংস্কৃতি: মানবজাতির জন্য অশনি সংকেত ...গাছ ছিল না বলে কাঠও ছিল না। কাজেই তারা ক্যানৌও তৈরি করতে পারেনি। পালাতে পারেনি। রাপানুইরা এভাবেই ধ্বসে পড়ে। কেবলমাত্র নির্বিচারে গাছ কাটার কারণে! তখন আমি বলছিলাম যে: পরিবেশের ক্ষতি করলে তার পরিনাম কি দাঁড়ায় ইস্টার দ্বীপের আদিবাসীরা সে শিক্ষাই রেখে গেছে আমাদের জন্য। আমরা যেন ইস্টার দ্বীপের ইতিহাস পাঠ করে সর্তক হই ...


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইস্টার দ্বীপ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইতিহাস  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
নিউটন বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো। আপনাকে ধন্যবাদ
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৪
নাজনীন খলিল বলেছেন:
চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী।প্রতিবৎসর কি হারে গাছ অবৈধভাবে কাটা পড়ে বনবিভাগের লোকজন ভাল বলতে পারবে। তবে আমাদের জনগন কোন কিছু থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করেনা।সরকারী -বেসরকারী শত প্রচারণা সত্ত্বেও চোরাই কাঠের ব্যবসা বন্ধ হয়নি।

++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

শুভেচ্ছা।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে ...কী করবেন?

৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন: ইস্টার দ্বীপের এই কাহিনী জানতাম না। অনেক ধন্যবাদ।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৬
গৌতম রায় বলেছেন: ইস্টার দ্বীপের কাহিনী সবাইকে জানানোর জন্য ধন্যবাদ। তবে এই ইতিহাস ঠিক কিনা সেটা নিয়ে ডিবেট আছে। ইস্টারবাসীর পতনের ব্যাখ্যা একেকজন একেকভাবে করেছেন।

গাছকে যে মানুষের স্বার্থেই বাঁচিয়ে রাখা দরকার- পোস্টের এই বোধ আমদের সবারই উপলব্ধি করা উচিত।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: আপনার মতটা জানার ইচ্ছে হচ্ছে।

৫. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৭
সবুজ বলেছেন:
খুবই তথ্যবহুল পোষ্ট।

আরেকটা দ্বীপ আছে না? ইংল্যন্ডের আশে পাশে, রহস্যময় বড় বড় পাথর খাড়া করে সাজানো?
পরলে ওটাও দেন।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেব।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: ডাকাতির গল্প মনে থাকা জরুরী। চমৎকার।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ। ঠিকই বলেছেন -ডাকাতির গল্প ...

৮. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
শয়তান বলেছেন: ইস্টার দ্বীপ নিয়ে ব্লগে অন্যরকম কিছু পড়েছিলাম । সম্ভবত ২০০৬ এর কিছু পোস্টে ।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: অন্যরকম মানে ভিনগ্রহের বুদ্ধিমান মানুষের কীর্তি ওই মূর্তিগুলো। এখন ধারনা বদলে যাচ্ছে।

৯. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
শয়তান বলেছেন: না এলিয়ান ফ্যাকটর নয় ।

পোস্টগুলো খুজছিলাম এতক্ষন । পেলাম না । তবে আপনি সচলায়তন ব্লগে হিমুর লেখা ইস্টার দ্বীপ নিয়ে সিরিজটি দেখতে পারেন ।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ওকে।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: প্রিয়তমেষুর সাথে পুরাই একমত!
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০০
গৌতম রায় বলেছেন: এ ব্যাপারে আমার নিজস্ব কোনো মত নেই। একসময় ঈস্টার দ্বীপ নিয়ে এরিক ফন দানিকেন নিয়ে মজেছিলাম। কিন্তু পরে জানা গেল সেগুলো ভূয়া। ভদ্রলোক অজানাকে রহস্যাবৃত করতে চেয়েছিলেন কেবল।

শয়তানের সাথে একমত। সচলায়তনে হিমু এ নিয়ে বেশ কয়েকটি পোস্ট দিয়েছিলেন। সেগুলো দেখতে পারেন।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০২

লেখক বলেছেন:
দানিকেন আসলেই ভূয়া।
সচলায়তন দেখব সময় করে।
ধন্যবাদ।

৩০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:২২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: চোখ বুজে প্রিয়তে ----

ছোট বেলায় সেবা আর রহস্য পত্রিকায় অসংখ্য বার পড়েছি ।

এতো এই সব রহস্য ময়ই ছিলো । বারমুডা ট্রায়ংগল গেলো । ইষ্টার দ্বীপ গেলো ।

ষ্টোন হেন্জ ?

খুব ভালো লাগছে রহস্য উম্মোচন হয়েছে বলে । এ্যাকটিভলি খুজলে মনে আগেই চোখে পড়তো ।

তবে কিছু রহস্য না থাকলে মনে হয় ছেলেবেলাটা পূর্ন হয় না :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: ষ্টোন হেন্জ আসবে।

তবে কিছু রহস্য না থাকলে মনে হয় ছেলেবেলাটা পূর্ন হয় না ...
এটা আমিও মানি। তবে অনেক বিষয়েই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাচ্ছে ...

১৬. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
আকাশ অম্বর বলেছেন: দারুন পোষ্ট, ইমন ভাই।

কোথায় যেন পড়েছিলাম যে এই মোয়াইগুলো বেশ কিছু নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সীর সাউণ্ডওয়েভের সাথে রেজোনেন্ট করে। অজানা তথ্য লুক্কায়িত রাখার কৌশল! পুরোটাই আজগুবি হয়তো - কে জানে!

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: তবে কিছু রহস্য না থাকলে মনে হয় ছেলেবেলাটা পূর্ন হয় না :)
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪০

লেখক বলেছেন: কিছু রহস্য না থাকলে মনে হয় ছেলেবেলাটা পূর্ন হয় না ...
এটা আমিও মানি। তবে অনেক বিষয়েই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাচ্ছে ...

১৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
বিপ্লব০০৭ বলেছেন: "দানিকেন আসলেই ভূয়া।"

বিস্তারিত জানার ইচ্ছে আছে। লিঙ্ক বা পোস্ট...আশায় থাকলাম।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। ধন্যবাদ।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২০১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ