আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

ওলমেক সভ্যতা

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭

শেয়ারঃ
0 0 0



প্রায় ৯ ফুট উঁচু এই মুখ-মূর্তি গড়েছিল ওলমেকরা। ওলমেকরা ছিল প্রাচীন মেক্সিকোর অধিবাসী। আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগে ওলমেকরা গড়েছিল ঐ মূর্তি। তারাই প্রথম প্রাচীন মেক্সিকোয় ধর্ম, লেখনি, পঞ্জিকা, গণিতশাস্ত্রে শূন্যের ব্যবহার- এমন কী কম্পাসেরও সূত্রপাত করেছিল।



প্রাচীন মেক্সিকোয় ওলমেক সভ্যতার কেন্দ্র

মেসোআমেরিকা অর্থ মধ্য আমেরিকা। ওলমেক সভ্যতা মেসোআমেরিকার প্রাচীনতম সভ্যতা এবং মায়া সভ্যতার পূর্বসূরী। ওলমেকরাই মেসোআমেরিকার প্রাচীন আদিবাসী। ওলমেক সভ্যতার কেন্দ্র ছিল মেক্সিকোর ইউকান উপদ্বীপ। মেক্সিকো উপসাগরের উপকুলে টুক্সটিলা পাহাড়ের পাদদেশের জলাভূমিময় জঙ্গলে, সে জঙ্গলের পাশে গ্রামে এবং নগরে বাস করত ওলমেকরা।



মেসোআমেরিকা

আজকের দিনের মেক্সিকোর ভেরাকুজ ও তাবাসকো প্রদেশই প্রথম নগর ও গ্রাম গড়েছিল ওলমেকরা। সময়কাল ১৫০০ থেকে ৬০০ খ্রিস্টপূর্ব। ধীরে ধীরে ওলমেকরা ইউকাটন উপদ্বীপ থেকে মেকিক্সোর অন্যত্র ছড়িয়েছিল।



মানচিত্রে সানলোরেনজো ও লা ভেনটা

সানলোরেনজো ছিল ওলমেক সভ্যতার আদি কেন্দ্র। জায়গাটি মেক্সিকোর ভেরাকুজ প্রদেশ। প্রত্নতত্ববিদদের ভাষায় সানলোরেনজো টেকনোটিটলান। ৯০০ খ্রিস্টপূর্বের দিকে সানলোরেনজো টেকনোটিটলান সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যায়। অন্যতম কারণ, পরিবেশ বিপর্যয়। বিশেষ করে আগ্নেয়গিরি ভূমিকা ছিল ধ্বংসাত্মক।



লা ভেন্টা। ওলমেক মূখমূর্তি

এরপর ওলমেকরা সভ্যতা গড়ে তোলে লা ভেনটা নামক স্থানে। জায়গাটি মেক্সিকোর তাবাসকোতে। পরবর্তী শতকগুলিতে লা ভেনটা থেকেই মেসোআমেরিকায় সভ্যতা বিস্তারিত হয়েছে। লা ভেনটায় ওলমেকদের অন্যতম কীর্তি গ্রেট পিরামিড। ১১০ ফুট উঁচু।



লা ভেনটার গ্রেট পিরামিড

ওলমেকদের জীবনে ধর্ম ছিল কেন্দ্রে। শাসকরাই ছিল পুরোহিত। আসলে তারা ছিল শামান। তারা নাকি রুপান্তরিত হতে পারত! ওলমেকদের মূল দেবতা ছিল জাগুয়ার দেবতা। অবশ্য অন্যান্য আরও দেবত ছিল। ওলমেক ধর্মে নরবলি ও রক্তঝরানোর কৃত্য ছিল। রক্তঝরানোর কৃত্য মানে দেবতাকে খুশি করতে নিজের শরীর থেকে (যেমন, লিঙ্গ কি জিহবা) রক্ত ঝরানো।



ধর্ম ছিল ওলমেকদের জীবনের কেন্দ্রে



৯০০ খ্রিস্টপূর্বে আগেই লিখন পদ্ধতি আবিস্কার করেছিল ওলমেকরা।


ওলমেকরাই মেসোআমেরিকায় প্রথম স্থাপত্যে নির্মানে ও ভাস্কর্য গড়তে পাথর ব্যবহার করে । এ জন্য তারা দূরবর্তী পাহাড়ের পাষাণস্থলী (কোয়ারি) থেকে পাথর টেনে আনত। তৈরি করত পুরুষমুখ। যা প্রায় ৯ ফুট। যা আজও মেক্সিকোর ভিলাহেরমোসা নগরে দেখা যায় । ওলমেক শিল্পও অতুলনীয়।



ওলমেক আর্ট

বেশির ভাগ ওলমেক বাস করত গ্রামে। প্রধানত ভুট্টা চাষ করত। চাষ করত অরণ্য ও ঝোপঝাড় পুড়িয়ে; সূর্যমূখির চাষও করত ওলমেকরা। ওলমেক পরিবেশে গাছের মধ্যে ছিল কাকাও ও আভোকাডো।



আভোকাডো গাছ।


আভোকাডো ফল

বন্যার সময় বাদে ওলমেকরা নদীর ধারেও চাষ করত। ভুট্টা ছাড়াও বুনত বীন, লাউ ও মিষ্টি আলু। সবজি ছাড়া মাংসের জন্য খেত মাছ কাছিম সাপ ভোঁদড় কাঁকড়া হরিণ খরগোশ ও পাখি। খাদ্যশষ্য সংগ্রহ করে রাখার কৌশল জানত-যা পরবর্তীকালে রপ্ত করেছিল অ্যাজটেকরা।



ওলমেক আর্ট



ওলমেক সভ্যতা।সাইটম্যাপ।



ওলমেক পঞ্জিকা। মনে থাকার কথা ওলমেকরাই প্রথম প্রাচীন মেক্সিকোয় ধর্ম, লেখনি, পঞ্জিকা, গণিতশাস্ত্রে শূন্যের ব্যবহার- এমন কী কম্পাসেরও সূত্রপাত করেছিল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ওলমেক সভ্যতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইতিহাস  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: গণিতশাস্ত্রে শূন্যের ব্যবহার ভারতীয়দের আবিষ্কার নয় কি??
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: আমিও সেটাই জানতাম। এখন দেখছি প্রাচীন মেক্সিকোর ওলমেকরাও জানত শূন্যের ব্যবহার।

http://en.wikipedia.org/wiki/Olmec

২. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
মুনিয়া বলেছেন: চমৎকার লাগলো লেখাটা- খুবই ইনফরমেটিভ। ধন্যবাদ।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
শয়তান বলেছেন: ওলমেক সভ্যতা নিয়ে প্রথম পড়লাম । ধন্যবাদ ।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: আগেই লেখা উচিত ছিল। কেননা, ওলমেকরাই মায়া-অ্যাজটেকদের পূর্বসূরী।
ধন্যবাদ।

৪. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: দেখুন প্রকৃতপক্ষে ভারতীয়রাই সর্বোপ্রথমে শুন্যকে নাম্বার হিসাবে নিয়ে আসে ।

Early History of Zero:


The concept of zero as a number and not merely a symbol for separation is attributed to India where by the 9th century CE practical calculations were carried out using zero, which was treated like any other number, even in case of division.[7][8]


http://en.wikipedia.org/wiki/0_(number)#cite_ref-multiref1_5-1
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: মানলাম। তবে উইকিতে লেখা-

In addition to their influence with contemporaneous Mesoamerican cultures, as the first civilization in Mesoamerica, the Olmecs are credited, or speculatively credited, with many "firsts", including the bloodletting and perhaps human sacrifice, writing and epigraphy, and the invention of zero and the Mesoamerican calendar, and the Mesoamerican ballgame, as well as perhaps the compass.[43] Some researchers, including artist and art historian Miguel Covarrubias, even postulate that the Olmecs formulated the forerunners of many of the later Mesoamerican deities.[44]

Click This Link

৫. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।। খুব ভাল লাগল ।।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ইন্টারনেটে ছবি আর ম্যাপ পাওয়া যায় বলেই সুবিধা। ১০ বছর আগে ভাবাই যেত না যে এত সংক্ষেপে একটা সভ্যতাকে উপস্থাপন করা যায়।
ধন্যবাদ।

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্ঝর।

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। দেখছি। আমিও জানতাম যে ভারতীয়রাই ...আসলে ওলমেকদের নিয়ে বিস্তর গবেষনা হচ্ছে ...কাজেই ...মায়া পঞ্জিকার কথা সবাই জানে; মায়া পঞ্জিকার ভিত্তিই ওলমেক গণিত ...কাজেই ...

৯. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৮
আকাশচুরি বলেছেন: ইমন ভাই, আপনার সুবাদে ওলমেক সভ্যতা সম্পর্কে প্রথম জানলাম।

+
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: ওলমেকরাই সূচনা করেছিল এমন এক সভ্যতার যা আমরা মায়া-অ্যাজটেক নামে জানি। ওদের আর্ট সত্যিই অসাধারন।
ধন্যবাদ।

১০. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২
সাদা কালো এবং ধূসর বলেছেন: শয়তান বলেছেন: ওলমেক সভ্যতা নিয়ে প্রথম পড়লাম। আসলেই তাই।
কম্বোডিয়ার পিরামিডগুলোর কথাও কিছু লিখবেন।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: অবশ্যই লিখব। কম্বোডিয়া আমার প্রিয় সাবজেক্ট।
ধন্যবাদ।

১১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: আমি আপনার দেওয়া ঐ লিংকগুলো আগেই পড়েছি। ধন্যবাদ।

আপনাকে বলব শধুমাত্র "শুন্য" এর ইতিহাস দেখতে। উইকিপিডিয়ার "o (number)" আর্টিকেলটি পড়লেই ০ এর বিবর্তন বোঝা যায়।

এর পরেও যদি খটকা লাগে তাহলে, অন্যান্য সাইট দেখেন সেখানেও দেখবেন ০ ভারতিয়দের আবিষ্কার।

Click This Link

http://www.panditjiusa.com/Facts_India.htm
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেখছি।

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ...

১৩. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
রিয়াজুল ইস্‌লাম বলেছেন: @লেখক:

আজ থেকে প্রায় ৩০০ হাজার বছর আগে ওলমেকরা গড়েছিল ঐ মূর্তি।

"৩০০ হাজার বছর" টাইপো মিসটেক না তো!!
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। টাইপোই। ৩ হাজার হবে। ঠিক করছি। ধন্যবাদ।

১৪. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
শয়তান বলেছেন: মধ্য আমেরিকাতে একটহ নির্দিষ্ট সময়কাল এই এতগুলো সভ্যতার উৎপত্তি নিয়ে আপনার মতবাদ কি ?
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: মূলত সভ্যতার উৎপত্তির পরিবেশসৃষ্টিই সভ্যতার উদ্ভবরে কারণ। দীর্ঘকাল মধ্য আমেরিকার অধিবাসীরা প্রত্নপ্রস্তর যুগে ছিল। যাযাবর ছিল। শিকার করত। তারপর এশিয়া আফ্রিকায় যা হয়েছে মধ্য আমেরিকাতেও তাইই হয়েছে। হাতিয়ারের উন্নতি, কৃষির আবিস্কার, স্থায়ী বসতির জন্য স্থান নির্বাচন। এরপর কৃষির উদ্ বৃত্ত থেকে নগর সভ্যতা গড়ে ওঠা-প্রযুক্তির বিকাশ। আসলে এক সভ্যতা পরবর্তী সভ্যতাকে প্রভাবিত করে। ওলমেকরা যেমন করেছিল মায়া সভ্যতাকে।

১৫. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
পল্লী বাউল বলেছেন: নুতন কিছু জানলাম, তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। আভোকাডো ফলটিকে চেনা চেনা মনে হচ্ছে।

অফ-টপিক: আপনি এত পড়ার সময় পান কৈ? আপনারে ঈর্ষা হয়।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আভোকাডো ফলটি মনে হয় লেবুজাতীয়। ঠিক জানি না।
নানা বিষয়ে পড়ছি ছেলেবেলা থেকেই। তারপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়েছি। এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে গভীর কৌতূহল নিবৃত্তি করছি নানা বিষয়ে এবং শেয়ারও করছি।
ধন্যাবাদ।

১৬. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
দীপান্বিতা বলেছেন: ভালো লাগল......ওলমেক সভ্যতার কথা জানতাম না.........পড়তে২ একটা কথা মাথায় এলো...আচ্ছা! আপনিতো এত্তো সভ্যতা নিয়ে লিখছেন......সময় করে কারা সবচেয়ে পুরানো এবং কারা এখনও টিকে আছে –সে সম্পর্কে জানাবেন!......যেমন ডিসকভারীতে বলছিল চিনরা সবচেয়ে পুরান......আবার কেউ বলে ভারতীয়রা- যদিও এটা একদম লুপ্ত না হওয়া সভ্যতা প্রসঙ্গে বোধ হয়......এ বিষয়ে মোটামুটি একটা খসরা যদি দেন!
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেব। ভালো প্রশ্ন।

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: ইমো ক্যামনে দেয়?

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আসলে ইমো দেবার কথা মাঝেমাঝে ভাবি।

১৯. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩২
তামিম ইরফান বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য........ওলমেক সভ্যতা নিয়ে আগেও পড়েছিলাম।তবে নিজের ভাষায় পড়ার মজাই অন্যরকম:).......
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা বড় ভালো লাগল। ...ওলমেক সভ্যতা নিয়ে আগেও পড়েছিলাম।তবে নিজের ভাষায় পড়ার মজাই অন্যরকম ...।
অনেক ধন্যবাদ।

২০. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
নয়ন বলেছেন: খুবই জ্ঞানী পুস্ট বালা লাগচে। পিলাচ।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: জ্ঞানী পিলাচ গ্রহন করলেন।
পাঠককেও ধন্যবাদ দিলেন।

২১. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮
সোহানা মাহবুব বলেছেন: বরাবরের মত মুগ্ধ হলাম।ভাল থাকুন।
+++
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা রইল।

২২. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭
আকাশ অম্বর বলেছেন:

ওলমেক সভ্যতা সম্পর্কে জানলাম। অনেক ধন্যবাদ, ইমন ভাই।
____________________

আগের কিছু মন্তব্য পড়ে বিনীতভাবে শূন্যের ব্যাপারে এতটুকুই শুধু বলি যে, এই ধারণা অনেক আগে থেকে থাকলেও ব্যবিলনিয়ানরা (sexagesimal numeral system) শূন্যকে শুধুই দেখত অন্য সংখ্যার বিকল্প হিসেবে (place holder/free variable) অথবা রোমানরা শূন্যকে দেখত কোনো পরিমাপের ঘাটতি বোঝাতে। গ্রীকরাও শূন্যের nothing-something কন্সেপ্ট নিয়ে হিমসিম খেয়েছে। তাই শূন্যের symbol আর number ধারণা অনেক আগে থেকেই ছিলো একথা অনস্বীকার্য।

ওলমেকদের ব্যাপারেও দেখলাম ওদের Long Count calendar এ vigesimal (base-20) positional numeral system ব্যবহৃত হয়েছে যেখানেও শূন্যকে place-holder হিসেবেই ব্যবহার করা হত।

কিন্তু ব্রহ্মগুপ্তের 'ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্তে' উল্লেখ করা শূন্যের ধারণা একেবারেই আলাদা - স্বতন্ত্র এক সংখ্যা হিসেবে।

(ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্ত - ১৮.৩০) দুটি ধণাত্নক সংখ্যার সমষ্টি ধণাত্নক, দুটি ঋণাত্নক সংখ্যার সমষ্টি ঋণাত্নক; একটি ধণাত্নক ও একটি ঋণাত্নক সংখ্যার সমষ্টি সংখ্যাদুটির বিয়োগফল; যদি সংখ্যাদুটি একই হয় তখন সেটা হবে শূণ্য। ঋণাত্নক সংখ্যা এবং শূণ্যের সমষ্টি ঋণাত্নক এবং ধণাত্নক সংখ্যা এবং শূণ্যের সমষ্টি ধণাত্নক; এবং দুটি শূণ্যের সমষ্টি শূণ্য।
____________________

ধন্যবাদ।
৩১ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: এতক্ষনে পরিস্কার হল। তখন ওলমেকরা শুন্যের ব্যবহার করে শুনে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। এখন জানলাম ব্রহ্মগুপ্তের 'ব্রহ্মস্ফুট সিদ্ধান্তে' উল্লেখ করা শূন্যের ধারণা একেবারেই আলাদা - স্বতন্ত্র এক সংখ্যা হিসেবে।
স্বস্তি পেলাম।
ধন্যবাদ।

৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪৯০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ