আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

জন লেনন-এর সেই গান

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২০

শেয়ারঃ
0 4 0



জন লেনন। ইংরেজ গায়ক ও গীতিকার । এটা লেননের বাইরের পরিচয় মাত্র। এবং এই বাইরের পরিচয়টা কিছু না। কেননা, গায়ক ও গীতিকার পরিচয় ছাপিয়ে লেনন ছিলেন একজন আলোকিত জিজ্ঞাসু মানুষ-যিনি বিশ্বাস করতেন: স্বর্গ-নরকে বিশ্বাস অমূলক, মানুষকে বাঁচতে হবে বর্তমানে আর যুদ্ধ করা অনুচিত, কেননা, মানুষের প্রয়োজন কেবলি ভালোবাসা। এই যৌক্তিক বিশ্বাসই লেননের মৃত্যু কারণ হয়ে উঠেছিল ...

মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যান
মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যান-এর জন্ম ১৯৫৫ সালের ১০ মে আমেরিকার টেক্সাসে । এই লোকটাই ১৯৮০ সালের ৮ ডিসেম্বর জন লেননকে খুব কাছ থেকে চারবার গুলি করেছিল। কেন? মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যান-এর উত্তর: “আমি তাঁর গান শুনেছি। গান শুনে আমি রেগে গেছি। সে ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না ...

মিমি আন্টি
সময়টা ১৯৪০ সালের অক্টোবর মাসের ৮ তারিখ। লিভারপুল শহর। জার্মান নাৎসীরা বোম্বিং করছে । ম্যারি মিমি স্মিথ-এর বোন জুলিয়া স্টেনলি-এর বাচ্চা হবে। জুলিয়া লিভারপুর মেটারনিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে আছে ক’দিন ধরে। হাসপাতালটি অক্সফোর্ড স্ট্রিটে। ম্যারি মিমি স্মিথ সেদিকেই যাচ্ছেন। রাত। বিস্ফোরনের আলোয় অক্সফোর্ড স্ট্রিটের পথ খুঁজে নিচ্ছেন। শহরে ব্ল্যাকআউট। রাস্তায় ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর অবরোধ। এসব ম্যারি মিমি স্মিথ দমাতে পারেনি-তিনি ঠিকই অক্সফোর্ড স্ট্রিটের লিভারপুর মেটারনিটি হাসপাতালে পৌঁছে নবজাতককে কোলে তুলে নিয়েছিলেন। সে সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল। এ কারণেই নবজাতকের নাম রাখা হয়েছিল জন উইনস্টন লেনন।
লেনন-এর শৈশব আর কৈশর কেটেছিল মিমি খালার বাড়ি। ম্যারি মিমি স্মিথ ছিলেন বন্ধ্যা। ১৯৫৬ সালে তিনিই লেননকে প্রথম গিটারটি কিনে দিয়েছিলেন। কিনে দিয়ে বলেছিল, “ দি গিটারর্স অল ভেরি ওয়েল অ্যাজ আ হবি, জন, বাট ইউ উইল নেভার মেইক আ লিভিং আউট অভ ইট”। মধ্য ষাটে লেননের ব্যান্ড ‘বিটলস’ দাঁড়িয়ে গেলে মিমি আন্টিকে লেনন একটি রুপোর থালা উপহার দিয়েছিল। তাতে “ দি গিটারর্স অল ভেরি ওয়েল অ্যাজ আ হবি, জন, বাট ইউ উইল নেভার মেইক আ লিভিং আউট অভ ইট”-এই কথাগুলি খোদাই করা। শুনেছি, মিউজিশিয়ান মাত্রই নাকি রসিক হন!
মিমি আন্টির বাড়ি লিভারপুলের ২৫১ ম্যানলাভ অ্যাভিনিউ। বাড়ির নাম: মেনডিপস। মিমি আন্টির স্বামী জর্জ স্মিথও ছিলেন ভালো মানুষ। তাদের পারিবারিক গরুর খামার ছিল। লেননকে কমিক বই কিনে দিতেন আঙ্কেল জর্জ স্মিথ ।

স্কুল ও কলেজ
লেনন এর প্রথম স্কুল লিভারপুলের ডোভেডেল কাউন্টি প্রাইমারি স্কুল। তারপর সেপ্টেম্বর ১৯৫২ থেকে ১৯৫৭ সাল অবধি পড়েছে কোয়ারি ব্যাঙ্ক গ্রামার স্কুল-এ। পড়ায় মন বসত না, খালি ঝামেলা বাঁধাত। টিচারদের নিয়ে হাস্যকর কার্টুন আঁকত। নিয়মিত ফেল করত । মিমি আন্টি লিভারপুল কলেজ অভ আর্ট -এর হেড মাস্টারকে ধরে সে কলেজে ভর্তি করিয়ে দিলেন। পরে লেনন ও কলেজও ছেড়ে দেয়। বাধাধরা নিয়ম ভালো লাগছিল না তার। তবে লিভারপুল কলেজ অভ আর্ট-এ থাকাকালীন সিনথিয়া পাওয়েল-এর সঙ্গে পরিচয়। সিনথিয়া পাওয়েলই লেনন এর জীবনের প্রথম প্রেম। তারা বিয়ে করেছিল ১৯৬২ সালে। এক ছেলে হয়। জুলিয়ান লেনন- মিউজিশিয়ান। দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয় ১৯৬৮ সালে। কেননা, ততদিনে লেনন এর জীবনে এক রহস্যময় এশিয় নারী এসেছে- যে নারী লেনন-এর মৃত্যুর সময় পাশে ছিল। সে কথায় আরও পরে আসছি।

জুলিয়া স্টেনলি
লেননের মা জুলিয়া স্টেনলিকে ভাগ্যবতী বলা যাবে না। তাঁর জীবন ছিল দীর্ঘশ্বাসময়- মৃত্যুটিও ছিল বড় করুণ। ১৫ জুলাই। ১৯৫৮ সাল। লেননের তখন বয়স ১৭। একদিন। বোনের বাড়ি এসেছে জুলিয়া স্টেনলি। জুলিয়া স্টেনলি প্রায় প্রতিদিনই বোনের বাড়ি যেতেন ছেলেকে দেখতে। গানের ব্যাকগ্রাউন্ড ছিল জুলিয়া স্টেনলির । লেননকে ব্যাঞ্জো বাজাতে শিখিয়েছিলেন। এলভিস প্রিসলি সে সময় তুমুল জনপ্রিয়। ছেলেকে প্রিসলির রেকর্ড কিনে দিতেন। আমরা লেনন-এর মায়ের ইচ্ছেটা বুঝতে পারি। মায়ের পরিচর্যায় ছেলে হয়ে উঠেছিল একজন দরদী গায়ক, মেধাবী গীতিকার। লেননের জন্য একটা গিটারও কিনেছিল জুলিয়া স্টেনলি। সেটি কী কারণে নিজে লেননকে না-দিয়ে বোনকে দিয়ে দিয়েছিলেন।
যাক। দু বোন গল্প করছে। লেনন বাড়ি ছিল না। সতের বছরের কিশোর লেনন। আজকাল কই না কই থাকে। বন্ধুদের সঙ্গে নাকি ব্যান্ড করছে । কাছেই একটা খালি গ্যারেজে জ্যাম করে। যা হোক। রাত নটার মতন বাজে । এবার যাওয়া দরকার। বাস স্টপটা কাছেই- ম্যানলাভ অ্যাভেনিউতে। বাসস্টপের দিকে যাচ্ছিলেন জুলিয়া স্টেনলি। পাশে মিমি । বোনকে এগিয়ে দিতে এসেছেন। হঠাৎ একটি গাড়ি জুলিয়া স্টেনলিকে ধাক্কা মারে ...
লেনন এর বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে-লেনন ঈশ্বরে বিশ্বাস করে না। সেটি কি এই ঘটনার কারণেই? অ্যাক্সিডেন্ট হলে ঈশ্বরের কি প্রয়োজন? ঈশ্বর নিষ্ক্রিয় হলে- নিষ্ক্রিয় ঈশ্বরের কি প্রয়োজন? জনসমক্ষে এসব প্রশ্ন তুললে আজও আততায়ীর হাতে মৃত্যু নিশ্চিত। লেনন এরও তাইই হয়েছিল।
যা হোক। প্রথম স্বামীতে স্বস্তি পাননি জুলিয়া স্টেনলি। স্বামী আলফ্রেড লেনন- অর্থাৎ লেনন এর বাবা ছিলেন ব্যবসায়ী। বছরের বেশির ভাগ সময় কাটত জাহাজে । ছেলেবেলায় খুব বেশি বাবাকে দেখেনি লেনন। আলফ্রেড লেনন একবার ১৮ মাস বাড়ি আসেননি। সেই কারলেই জুলিয়া স্টেনলি বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৪৪ সাল। লেনন এর তখন ৫ বছর বয়েস। তারপর থেকে লেনন মিনি আন্টির বাড়িই থাকতে শুরু করে । স্থানীয় বারম্যান জন ডাইকিন্সের সঙ্গে জুলিয়া স্টেনলি নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলেন।

ব্যান্ড ও উত্থান
মায়ের মৃত্যুর পর লেনন ভীষণই ভেঙ্গে পড়েছিল। তার কারণ আছে। স্কুলের পড়া ভালো লাগে না। পড়াশোনা ম্যানেজ করতে পারছিল না-বিচ্ছিরি এক অবস্থা। ব্যাপারটা মিমি আন্টি বুঝলেও – মা-ই বেশি বুঝত। ভারি সংবেদশীল ছিলেন মা। একবার লেনন-এর বাবা লেননকে নিয়ে পালাতে চেয়েছিল। মা দেননি। মায়ের মৃত্যু লেননকে তার বন্ধু পল ম্যাককার্টনির দিকে ঠেলে দিয়েছিল। পলও মাকে হরিয়েছিল ১৪ বছর বয়েসে। মায়ের মৃত্যুর পর গানে আরও সিরিয়াস হয়ে ওঠে লেনন।
গ্রামার স্কুলে থাকতেই ব্যান্ড করেছিলেন লেনন। সে ব্যান্ডের নাম ছিল: দি কোয়ারি মেন। বন্ধু পল ম্যাককার্টনি ছাড়াও সে ব্যান্ডের লিড গিটারিষ্ট ছিলেন জর্জ হ্যারিসন। সে সময় রক অ্যান্ড রোলই করত লেননরা। ব্যান্ডের নাম বহুবার বদলেছে। যেমন: জনি অ্যান্ড দা মুনডগস; দি সিলভার বিটেলস। সবশেষে- দ্যা বিটেলস। রিঙ্গো স্টার জয়েন করেছিলেন ড্রামার হিসেবে। ১৯৭০ অবধি টিকেছিল বিটেলস । তার আগে পপুলার মিউজিকের ইতিহাসে সবচে বানিজ্য সফল ব্যান্ড হয়ে উঠেছিল ব্রিটেন, আমেরিকা ও অন্যত্র। ‘অল ইউ নিড ইজ লাভ’; ‘স্ট্রবেরি ফিলডস ফরএভার’ গানগুলি তখন মানুষের মুখে মুখে। এমন কী জার্মানির হ্যামবুর্গে থেকেও বাজানোর আমন্ত্রণ এল। লেনন জার্মানি যাচ্ছে শুনে মিমি আন্টি নাকি আঁতকে উঠেছিলেন। যা হোক। ১৯৬৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছল লেনন-এর ব্যান্ড। জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বিশাল সম্বর্ধনা। দুদিন পর টিভি শো। ৭৪ মিলিয়ন দর্শক দেখেছিল সে শো। ঐ বছরই ৪ থেকে ৩০ জুন বিটলস ডেনমার্ক, হংকং, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফর করে।
১৯৭০ অবধি টিকে ছিল বিটলস। তারপর ব্যান্ডটি ভেঙ্গে যায়। অন্যতম কারণ, নিজের মতো করে কাজ করার ইচ্ছেয় বিটলস-এ লেনন এর আর না- থাকার ইচ্ছে... দ্বিতীয় কারণ: ওকো অনো নামে এক এশিয় নারী। ।

ওকো ওনো
ওকো ওনো ধনী জাপানি পরিবারের মেয়ে। ওকো ওনোর জন্ম টোকিওতে ১৯৩৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। ঐ বছরই পরিবারটি সানফ্রানসিসকো চলে আসে। ওকো ওনো মূলত আভা গার্ড পেইন্টার এবং মানবতাবাদী পলিটিক্যাল অ্যাকটিভিস্ট। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধবিরোধী সভাসমিতি করতেন। নিজের আঁকা ছবির প্রদর্শনী করেন।
১৯৬৬ সালের ৯ নভেম্বর। ওকো ওনোর সঙ্গে লেনন-এর পরিচয় হল। স্থান: লন্ডনের ইন্ডিকা গ্যালারিতে। লেনন যেন এই প্রথম তাঁর জীবনের আরাধ্য নারীর দেখা পেলেন। ৬৮ থেকে ঘনিষ্ট ভাবে মিশতে শুরু করলেন। ওকো ওনো মেধাবী হওয়ায় বিটলস-এর নানা ব্যাপারে ইন্টারফিয়ার করতেন। যেমন, লিরিক সংশোধন করে দিতেন। অ্যালবাম কাভার করতেন।প্রথম প্রথম ভালো লাগলেও অন্যদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর, ওকো ওনো নাকি পল ম্যাককার্টনিকে কে ‘উইক’ করে ফেলেছিলেন। ওদিকে ঘটছিল আরও ঘটছিল। লেনন এর স্ত্রী সিনথিয়া ছিলেন গ্রিসে । ওখান থেকে ফিরে এসে দেখেন যে ওকো ওনো তারই বাড়িতে তারই বাথরোব পরে আছে। এর পরপরই সিনথিয়ার সঙ্গে লেনন-এর ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। জিবরালটার দ্বীপে ১৯৬৯ সালের ২০ মার্চ বিয়ে করেন ওনো ওকো আর লেনন। ঐ বছরের ২২ এপ্রিল লেনন নাম পরিবর্তন করে রাখলেন জন ওনো লেনন।

সত্তরের দশক

১৯৭১ । ওকো ওনোর সঙ্গে আমেরিকা আসেন লেনন। সত্তরে দশকই লেনন এর জীবনের শেষ শতক। এ শতকে নতুন রুপে আবির্ভূত হলেন লেনন। একদিকে সলো অ্যালবাম বার করছেন, অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদী নিক্সন সরকারের বিরুদ্ধে গনআন্দোলন শামিল হচ্ছেন। পাশে ভিয়েতনাম যুদ্ধবিরোধী ওকো ওনো। নিক্সন সরকার বিপদ টের পেল। গনআন্দোলনে লেনন থাকলে জনগন রি-ইলেকশনে বাধ্য করবে। প্রতিক্রিয়াশীর নিক্সন সরকার লেননকে আমেরিকা থেকে ডিপোর্ট (বহিস্কার) করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রবল গনআন্দোলনের নিক্সন সরকার হীন উদ্দেশ্য সফল হয়নি।
এদিকে লেনন এর ব্যাক্তিগত জীবনে ছড়াচ্ছিল বিষাদের কালো ধূপ। লেনন আর ওকো ওনোর সেক্রেটারি ছিল মে পাং- মে পাং ক্যালিফোর্নিয়ার মেয়ে। মে পাং-এর প্রতি লেনন কি ঝুঁকে পড়ছিলেন? হতে পারে। তা ছাড়া লেনন আর ওকো ওনো-দুজনেই দুজনের ওপর হয়ে পড়ছিল বিরক্ত । বিবাহিত জীবনে নাকি এমন হয়! ১৯৭৩ সাল। বিবাহিত জীবনকে সহনীয় করতে ১৮ মাসের সেপারেশন চাইলেন ওকো ওনো। লেনন রাজী। তিনি মে পাং কে নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়া চলে যান। প্রস্তাবটি নাকি ওকো ওনোই দিয়েছিলেন! যা হোক। ক্যালিফোর্নিয়ায় মে পাং এর বাড়িতে লেনন বিস্তর মদ খেয়ে হুল্লোড় করেন। লেনন পরে সেই উদ্দাম সময়টিকে অবহিত করেছিলেন “লস্ট উইক অ্যান্ড” নামে। যা হোক। ১৯৭৫ সালে ওকো ওনো আবার লেনন-এর সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। সে বছরই ৯ অক্টোবর ওকো ওনোর একটি ছেলে হয়- সিন লেনন। ১৯৭৬ সালের ২৬ জুন মার্কিন সরকার লেননকে স্থায়ী ভাবে বসবাস করার অনুমতি দেয়। পরিবারের জন্য নিউ ইয়র্কে ডাকোটা নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন লেনন।

মৃত্যুর প্রহর

১৯৮০ সাল। লেননকে হত্যা করার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যান। ডিসেম্বর ৮। রাত প্রায় দশটা। রেকডিং সেরে লেনন ডাকোটা অ্যাপার্টমেন্টে ফিরছিলেন। লিমুজিন থেকে বেরিয়ে প্রথমে ওকো ওনো অ্যাপার্টমেন্টের এনট্রান্স হলে প্রবেশ করেন। লেনন তখনও ফুটপাতে। ফুটপাতের ওপর চ্যাপম্যান দাঁড়িয়ে ছিল ... উন্মাদ ঐ লোকটা খুব কাছে থেকে পরপর চারবার বার লেননকে গুলি করে ...

লেনন এর সেই গান

Imagine there's no Heaven It's easy if you try No hell below us Above us only sky Imagine all the people Living for today Imagine there's no countries It isn't hard to do Nothing to kill or die for And no religion too Imagine all the people Living life in peace You may say that I'm a dreamer But I'm not the only one I hope someday you'll join us And the world will be as one Imagine no possessions I wonder if you can No need for greed or hunger A brotherhood of man Imagine all the people Sharing all the world You may say that I'm a dreamer But I'm not the only one I hope someday you'll join us And the world will live as one



আমি বারবার ফিরে ফিরে আসব



মা: ছেলেবেলায় ব্যাঞ্জো বাজাতে শিখিয়েছিল



মিমি আন্টি। পাশে ছোট্ট লেনন। ...“ দি গিটারর্স অল ভেরি ওয়েল অ্যাজ আ হবি, জন, বাট ইউ উইল নেভার মেইক আ লিভিং আউট অভ ইট”।



সিনথিয়া পাওয়েল ও লেনন। প্রথম প্রেম ...



বিটলস। কুড়ি শতকের সংগীত-বিস্ময় ...



লেনন আর ওকো ওনো। দুজনেই ছিলেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী। যুদ্ধবিরোধী অজস্র সভা করেছেন ...



নিউ ইয়র্কে ডাকোটা অ্যাপার্টমেন্ট ...



মার্ক ডেভিড চ্যাপম্যান ...রক্ষণশীল ঘাতক

উৎসর্গ: নুশেরা।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জন লেনন-এর সেই গান ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ/নিবন্ধ  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: সুন্দর++++
ধন্যবাদ ইমন ভাই:)
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
কালপুরুষ বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম। সময় করে পড়বো।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
নাঈম বলেছেন: গানটির ডাউনলোড লিংক দিতে পারবেন?
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন:

৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

আমার সবচে' প্রিয় অন্যভাষী শিল্পী।

আমার সবচে প্রিয় প্রেমের গান:
The Beatles, I Wanna Hold Your Hand.

Oh yeah, i'll tell you something,
I think you'll understand.
When i'll say that something
I want to hold your hand,
I want to hold your hand,
I want to hold your hand.

Oh please, say to me
You'll let me be your man
And please, say to me
You'll let me hold your hand.
Now let me hold your hand,
I want to hold your hand.

And when i touch you i feel happy inside.
It's such a feeling that my love
I can't hide, i can't hide, i can't hide.

Yeah, you've got that something,
I think you'll understand.
When i'll say that something
I want to hold your hand,
I want to hold your hand,
I want to hold your hand.

And when i touch you i feel happy inside.
It's such a feeling that my love
I can't hide, i can't hide, i can't hide.

Yeh, you've got that something,
I think you'll understand.
When i'll feel that something
I want to hold your hand,
I want to hold your hand,
I want to hold your hand.
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: লেনন একবার মজা করে বলেছিলেন আই ওয়ানা হোল্ড ইয়োর গ্ল্যান্ড।

৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
নাঈম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ :):):)
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
কাঙাল মামা বলেছেন: হাহাহা! আমি পোস্টের টাইটেল পড়েই বুঝছিলাম কোনটা নিয়া কথা বলবেন। জন লেনন বলতেই ইমাজিনের কথা মাথায় আসে। তবে সাথে যে ইনফো গুলো দিলেন, সেজন্য একটা বাহবা না দিয়ে পারলাম না :)
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
পারভেজ রবিন বলেছেন: আহ্ প্রিয় ব্যান্ড, প্রিয় শিল্পী, প্রিয় গান...
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: প্রিয় হওয়ার মতোই।

৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩১
আকাশ অম্বর বলেছেন: শত-সহস্র ধন্যবাদ এই পোষ্টটার জন্য।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: শত-সহস্র ধন্যবাদ গ্রহন করা হল।

১০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৫১
দীপান্বিতা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ...জন লেনন সম্পর্কে কতো তথ্য পেলাম!..."ইমাজিন" আমারও খুব প্রিয়।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: ইমাজিন আসলেই অন্যরকম একটা গান।

১১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
বাকেরভাই বলেছেন: ধন্যবাদ এরকম একটি পোস্ট দেবার জন্য !
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:৫০
সজীব আকিব বলেছেন:

জন লেননের অমর গান "ইমাজিন"-এর আকর্ষণীয় পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টশন। শোনেন ও দেখেন-

লিংক - http://www.mediafire.com/?zd49qibkt5bemi9

সাইজ: ৩.৫ মেগাবাইট।
২৯ শে মে, ২০১১ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৪১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ