আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

পাবলো নেরুদা: একজন কবির জীবন ...

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৭

শেয়ারঃ
0 0 0



পাবলো নেরুদা: পরাবাস্তব এক বিপ্লবী কবি। কলোম্বিয়ান ঔপন্যাসিক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মারকেজ এর মতে নেরুদা কুড়ি শতকের যে কোনও ভাষার অন্যতম কবি। আমরা জানি পরাবাস্তববাদ তাঁর হাতেই সফলভাবে কর্ষিত হয়েছে। পাবলো নেরুদার আসল নাম নেফটালি রিকার্ডো রেইয়েস বাসোয়ালটো । তাহলে পাবলো নেরুদা? ... পাবলো নেরুদা ছদ্মনাম। জা নেরুদা ছিলেন একজন চেক কবি । নেরুদা শব্দটা নিয়েছেন ওখান থেকেই। আর পাবলো? সম্ভবত ফরাসি কবি পল ভার্লেইন থেকে নেওয়া। কিন্তু, ছদ্ম নাম নেওয়ার কি কারণ? প্রথমত ছদ্মনাম নেওয়া অনেকটা সেকালের প্রথা। আর দ্বিতীয় কারণ ... বাবার চোখ এড়ানো। নেরুদার বাবা ছিলেন কট্টর নীতিবাগীশ -চাইতেন ছেলে কবিতা-টবিতা না লিখে বাস্তবসম্মত কিছু একটা করুক ...




চিলি।

১৯০৪ সালের ১২ জুলাই; পাররাল নামে চিলির একটি শহরে নেরুদার জন্ম। কট্টর নীতিবাগীশ বাবা চাকরি করতেন রেলওয়েতে। মা ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। জন্মের কিছু দিন পরেই অবশ্য মারা যান মা।




পাররাল।



পাররাল।



কয়েক বছর পর ছোট্ট নেরুদা বাবার সঙ্গে টিমুকো শহরে চলে আসে। নেরুদার বাবা বাস্তববাদী বলেই আবার বিয়ে করেন। নেরুদার শৈশব, কৈশর ও তরুণ বয়েস কেটেছিল টিমুকো শহরেই। অতি অল্প বয়েসেই লেখালেখি শুরু। মাত্র তেরো বছর বয়েসেই লেখা ছাপানো। ষোল বছর বয়েসে পুরোদস্তুর লিখিয়ে। ছদ্মনামটি তখনই নেওয়া। কেন। তা আগেই বলেছি।



টিমুকো



টিমুকো


টিমুকো শহরেই কবি গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল-এর সঙ্গে পরিচয়। মিস্ত্রাল মেয়েদের স্কুলের প্রধান শিক্ষয়িত্রী ছিলেন। মিস্ত্রাল পছন্দ করতেন নেরুদাকে। কবিতা লেখার জন্য যোগাতেন উৎসাহ । বলতেন,‘ধুরও, বাবার কথা বাদ দাও, তুমি লিখে যাও তো ...



গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল

১৯২১ সাল। চিলির রাজধানী সানতিয়াগো শহরে চলে গেল তরুণ নেরুদা। ভর্তি হল চিলি বিশ্ববিদ্যালয়ে-ফরাসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে। ইচ্ছে, শিক্ষক হওয়া; অথচ সে সময় আনখশিরকবিতায় পেয়ে বসেছে।



সানতিয়াগো




চিলি বিশ্ববিদ্যালয়

১৯২৩ সালে বেরুল প্রথম কাব্যগ্রন্থ । সে বইয়ের নাম: “গোধূলির বই।” পরের বছর বেরুল,“ কুড়িটি প্রেমের কবিতা ও একটি বেপরোয়া গান।” কবির বয়স কম-কাজেই বইটি তুমুল হইচই ফেলে দিয়েছিল। কেন? বইয়ে যাকে বলে বেপরোয়া যৌনতার ছড়াছড়ি। যাক। সমালোচক মহলে দারুন প্রশংসিত হল বইটি আর নানা ভাষায় অনূদিতও হল।



১৯২৭ থেকে ১৯৩৫ সাল অবধি নেরুদা চিলি সরকারের রাস্ট্রদূত নিযুক্ত হলেন তৎকালীন বার্মায়, শ্রীলঙ্কায়, জাভা, সিঙ্গাপুর, আর্জেন্টিনা ও স্পেনে । যতই সরকারি কাজ থাক না কেন-কবিতা লেখাও চলছিল। স্পেনে থাকাকালীন সেখানকার বিদগ্ধ কবি লোরকাকে চিনতেন নেরুদা। স্পেনিশ জাতীয়তাবাদীরা লোরকাকে খুন করে বসে! সেইসব প্রতিক্রিয়াশীলদের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন চলছিল। নেরুদাও সে সংগ্রামে শরিক হয়েছিলেন। প্রথম স্পেনে পরে ফ্রান্সে।
ফ্রান্সে পরাবাস্তবাদ ততদিনে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। ওই শিল্পধারাটি নেরুদার হাতে সফলভাবে কর্ষিত হল। তাঁর ‘সাদা মৌমাছি’ কবিতাটি পাঠ করা যাক:

সাদা মৌমাছি, তুমি আমার ভিতরে গুনগুন কর- তুমি মধু পান করে মাতাল
ধোঁওয়ার ধীর কুন্ডলীতে তুমি ঘুরে ঘুরে উড়ছ
আমি দিশেহারা, প্রতিধ্বনিশূন্য শব্দ,
সকলই হারিয়েছে যে- অথচ যার সকলই ছিল।

সর্বশেষ বাঁধন, আমার আকাঙ্খায় তুমি তোল ঝড়
আমার বিরানভূমিতে তুমিই সর্বশেষ গোলাপ।

আহ্, তুমি কী নিশ্চুপ!

তোমার গভীর চোখ বন্ধ কর। রাত্রি নামছে
ওহ্, তোমার শরীর এক সুগন্ধী ভাস্কর্য, নগ্ন।

তোমার গভীর চোখে রাত্রি নামে
ফুলের শীতল হাত আর গোলাপের কোল।

সাদা শামুকের মতন তোমার স্তন
তোমার নাভীর ওপর ছায়ার প্রজাপতিরা ঘুমাতে এসেছে।

আহ্,
তুমি কী নিশ্চুপ!

এই নির্জনতায় তুমি নেই।
বৃষ্টি ঝরছে। সমুদ্রবাতাস শঙ্খচিলদের তাড়িয়ে দিচ্ছে

ভেজা রাস্তায় খালি পায়ে হাঁটছে জল
গাছের পাতারা বলছে ওদের শরীর খারাপ

সাদা মৌমাছি, যখন তুমি আমার ভিতরে গুনগুন কর
তুমি আবার সময়ে বাঁচ, তন্বি-নীরব।

আহ্ তুমি কী নিশ্চুপ!

যা হোক। ১৯৩৭ সালে নেরুদা দেশে ফিরে এলেন। চিলির রাজনীতি ও সামাজিক ইস্যূতে পড়লেন জড়িয়ে। ১৯৩৯ সালে আবার প্যারিস এলেন। নিযুক্ত হলেন কনসাল ফর দ্যা স্পেনিশ এমিগ্রেশন। এর কিছুকাল পরে মেক্সিকোর কনসাল জেনারেল নিযুক্ত হলেন। সে সময়ই লিখলেন তাঁর বিখ্যাত “ক্যান্টো জেনেলের দ্য চিলি।” এটি মূলত দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ নিয়ে একটি মহাকাব্য। বিষয়: প্রকৃতি, জনগন, ইতিহাস ও নিয়তি। ১৯৫০ সালে প্রকাশিত হয় মেক্সিকোয়। বইটি দশটি ভাষায় অনুদিত হয়। “ক্যান্টো জেনেলের দ্য চিলি”-র অর্ন্তগত একটি কবিতা- দ্বাদশ ক্যান্টো: মাচো পিচুর উচ্চতা থেকে ...

আমার জন্মের সঙ্গে জেগে ওঠ ভাই আমার
গভীর থেকে বাড়িয়ে দাও তোমার মলিন হাত ।
এইসব পাথরের দৃঢ় শাসন থেকে ফিরবে না তুমি।
পাতালের সময় থেকে উঠবে না জেগে ।
ফিরে আসবে না তোমার খসখসে কন্ঠস্বর,
কোটর থেকে তোমার বিস্ফারিত চোখ দুটি উঠে আসবে না।

মৃত্তিকার গভীর থেকে এই আমাকে দ্যাখো,
ফসলের মাঠের কর্মি, তাঁতী, মৌন মেষপালক,
টোটেমিয় প্রাণির রক্ষক,
উচুঁ ঝুঁকিপূর্ন ভারার রাজমিস্ত্রি
আন্দেজের কান্নার বরফমানুষ
থেঁতলানো আঙুলের স্বর্ণকার
কচি ফসলের মাঠে উদ্বিগ্ন চাষা
অপচয়ী কাদায় কুমাড়
পাত্রে নতুন এই জীবন আনে
তোমার প্রাচীন সমাহিত দুঃখ।
দেখাও তোমার রক্ত, দেখাও তোমার ক্ষত;
আমাকে বল: এখানে আমি নির্যাতিত হয়েছিলাম
কারণ, নিম্নমানের রত্নপাথর কিংবা পৃথিবী সময়মতো
শষ্য ও রত্নপাথর দিতে পারেনি।
আমাকে দেখাও কোন্ পাথরের ওপর তুমি ছটফট করেছ
কোন অরণ্যের কাঠে তারা তোমায় করেছে ক্রশবিদ্ধ।
পুরনো পাথর ঘষ
জ্বালাও প্রাচীন প্রদীপ, আলোকিত কর চাবুক
শতাব্দী ধরে তোমার ক্ষতে আঠার মতন লেগে আছে
আর আলোকিত কর তোমার রক্তে ভেজা কুঠার ।

আমি তোমার মৃত মুখের ভাষা দিতে এসেছি।

বিশ্বজুড়ে
মৃত ঠোঁট একত্রিত হও,
গভীর থেকে উঠে এসে এই দীর্ঘ রাত্রি আমার সঙ্গে ঘূর্নায়মান হোক
যেন আমি তোমার সঙ্গে নোঙরে বাধা।

আর আমাকে সব বল, স্তর থেকে স্তরে বল
খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বল, ধাপে ধাপে বল।
যে ছোরাটি লুকিয়ে রেখেছ সেটিতে ধার দাও
বিদ্ধ কর আমার পাঁজরে, আমার হাতে,
সূর্যবিস্ফোরনের ঝঞ্ছার মতো
সমাহিত জাগুয়ারের আমাজন
এবং আমাকে কাঁদতে দাও, ঘন্টা, দিন ও বছর
অন্ধ সময়, সৌর শতাব্দী।

আর আমায় স্তব্দতা দাও, জল দাও, আশা দাও।
সংগ্রাম দাও, লৌহ, আগ্নেয়গিরি।
শরীরগুলি আমার শরীরে চুম্বুকের মতন আটকে
আমার শিরায় আমার মুখে আসুক দ্রুত
কথা বলুক আমার ভাষায় আমার রক্তে ।



মাচো পিচু

১৯৪৩ সালে নেরুদা চিলিতে ফিরে এলেন। ১৯৪৫ সালে সিনেটর নির্বাচিত হলেন। চিলির কমিউনিস্ট পার্টিতেও যোগ দিলেন। কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেওয়ার কারণটি ওপরের কবিতাটিতে প্রকাশ পেয়েছে। এজন্যই আমি তখন বলছিলাম নেরুদা পরাবাস্তব এক বিপ্লবী কবি।



যাক। ১৯৪৭ সাল । চিলির খনি শ্রমিকরা চিলির কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে বিভিন্ন দাবীদাওয়ায় বনধ ডেকেছে। চিনি প্রেসিডেন্ট তখন গোনজালেস ভিডেলা-ভারি রক্ষণশীল লোক। তিনি চিলির কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ করা উদ্যেগ নেন। নেরুদা তীব্র প্রতিবাদ করলেন। নেরুদাকে অ্যারেষ্ট করার জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যূ করার নির্দেশ দিলেন।

চিলির বন্দরনগরী ভালপারাইসো-সেখানেই এক বন্ধুর বাড়ির বেসমেন্টে কবি লুকিয়ে থাকলেন কয়েক মাস। চিলির পূবে আর্জেন্টিনার সীমান্ত। সীমান্তে সুউচ্চ পাহাড় ও মাইহুই হ্রদের গভীর নীল জল ।
কবি সে পথে লুকিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেন। এবার আবার গেলেন ইউরোপ, প্রথমবারের মতো সোভিয়েত ইউনিয়ন ও দ্বিতীয়বারের মতো মেক্সিকো । কবিতা লেখাও চলছিল।



১৯৫২ সালে চিলি ফিরে এলেন কবি। কেননা, ঐ বছরই কমিউনিস্ট পার্টির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। সালভাদর আলেন্দে ছিলেন চিলির বিশিষ্ট এক সমাজতন্ত্রী নেতা; তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ট হলেন নেরুদা। ১৯৭০ সালে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এলেন সালভাদর আলেন্দে। তাঁরই বিশেষ অনুরোধে ১৯৭০ থেকে ১৯৭২ অবধি ফ্রান্সে চিলির রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন নেরুদা।
১৯৭৩। চিলির স্বৈরাচারী জেনালের পিনোশে সমাজতন্ত্রী আলেন্দেকে হত্যা ও উৎখাত করে। নেরুদা সে সময় চিলির এক হাসপাতালে, ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন। কবি হার মানলেন।
সমগ্র বিশ্ব শোকে নিমজ্জিত হয়।
স্বৈরাচারী পিনোশে কবির শেষকৃত্যের অনুমতি দেননি। খলনায়কটি সান্ধ্যআইন জারী করে। লক্ষ লক্ষ মানুষ কারফিউ উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমে এসে কবির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নেয়। সেটিই ছিল সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে চিলির জনতার প্রথম বিক্ষোভ।
কবির জয় এখানেই।




 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পাবলো নেরুদা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: প্রবন্ধ/নিবন্ধ  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৭
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: চমৎকার ইমন ভাই। +++

আমি অবশ্য হায়াৎ মাহমুদ সংকলিত 'শ্রেষ্ঠ পাবেলো নেরুদা'টি পড়েছিলাম বেশ কয়েক বছর আছে। ওটি একটি চমৎকার সংকলন।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: 'শ্রেষ্ঠ পাবেলো নেরুদা' অসাধারণ একটি বই।
অনেক ধন্যবাদ।

২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৯
হেমায়েতপুরী বলেছেন: শোক-কেসে নিতে বাধ্য করলেন। X(
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: দুর্দান্ত....পাবলো নেরুদা আমার অতি অতি প্রিয় কবি....তার অনুস্মৃতি'র অনুবাদ মোহাবিষ্ট হয়ে পড়ে শেষ করেছিলাম।

তার একটি কবিতা ইংরেজিতে দিচ্ছি.....কবিতাটি খুব একটা বহুল প্রচলিত নয়....আমার খুব পছন্দের...

I do not love you except because I love you


I do not love you except because I love you;
I go from loving to not loving you
From waiting to not waiting for you
My heart moves from cold to fire.

I love you only because it's you the one I love;
I hate you deeply, and hating you
Bend to you, and the measure of changing love for you
Is that I do not see you but love you blindly.

May be January light will consume
My heart with its cruel
Ray, stealing my key to true calm.

In this part of my story I am the one who
Dies, the only one, and I will die of love because I love you,
Because I love you, Love, in fire and blood.


কোন স্বহৃদয় কবি যদি কবিতাটি বাংলায় অনুবাদ করেন তো কৃতজ্ঞ থাকি। Poemhunter.com থেকে বিশ্বের তাবৎ কবির কবিতা ডাউনলোড করেছিলাম এককালে। সেখান থেকে তুলে দিলাম।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: চমৎকার কবিতা।
এই লিঙ্কে নেরুদার কিছু কবিতা পাবেন।

http://www.mediafire.com/?dm2jaz1gu4m

৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫০
দীপান্বিতা বলেছেন: Wao! খুব ভাল লাগছে......আজ দু’বার নেরুদা সম্পর্কে জানলাম......কবিতাকে বেশ ভয় লাগে, তাও পড়ে ফেললাম...:)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: কবিতাকে বেশ ভয় লাগে, তাও পড়ে ফেললাম ...
ভালো।

৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৪
কামরুজামান বলেছেন: পাবলো নেরুদা সম্পর্কে জানতাম তবে এখন আপনার পোষ্টের মাধ্যমে আরও জানতে পরেছি। :) ভাল লাগলো। অবশ্যই প্রিয়তে।

ধন্যবাদ আপনাকে। :)

নেরুদা বেঁচে থাকবেন আজীবন আমাদের মনে। নেরুদা তোমায় ভালবাসি। :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। নেরুদা বেঁচে থাকবেন আজীবন আমাদের মনে। নেরুদা আমরা তোমায় ভালবাসি।

৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৮
আহমেদ রাকিব বলেছেন: হেমায়েতপুরী বলেছেন: শোক-কেসে নিতে বাধ্য করলেন। :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: নেরুদা বেঁচে থাকবেন আজীবন আমাদের মনে। নেরুদা আমরা তোমায় ভালবাসি।

৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৩
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাইজান যে ১৯৭১ সালে নুবেল পাইছিলো সেইটা যে কেনো লিখলেন না, বুঝ আসলো না! অবশ্য উনার কবিতা গুলান মনে হয় উনি জন্মাইছিলেনই কবি হইয়া! সামথিং লাইক এ্যানজেল অব পয়েট্রি!
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: নোবেল পাওয়ার কথা ইচ্ছে করেই লিখিনি। নোবেল পাওয়াকে বড় কিছু মনে হয় না। বরং নেরুদার এই কথাগুলো নোবেলপ্রাপ্তির চেয়েও বড় মনে হয়-



Tell me, is the rose naked

or is that her only dress?



Why do trees conceal

the splendor of their roots?



Who hears the regrets

of the thieving automobile?



Is there anything in the world sadder

than a train standing in the rain?

from The Book of Questions

কাজেই নোবেলপ্রাপ্তি তুচ্ছ মনে হয় আমার কাছে।

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।

৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: পড়ে আরাম লাগল। পরে, আবার একটু ভাল করে পড়ে যাবো।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ওকে।

১০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমার ব্যাগে এখনও একটা পাবলো নেরুদা সংকলন আছে মানস বন্দোপাধ্যায়ের অনুবাদ করা! এই লোকরে নোবেল দিলেও কিছু লাগতো না দিলেও লাগতো না!
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: আসলেই।

১১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২১
আকাশ অম্বর বলেছেন:

A butterfly of shadow has come to sleep on your belly.

সেটিই ছিল সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে চিলির জনতার প্রথম বিক্ষোভ।
কবির জয় এখানেই।

অনেক ধন্যবাদ, ইমন ভাই।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
কালপুরুষ বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৬
তারার হাসি বলেছেন:
অনেক অজানা তথ্য, লেখার সাথে ছবিগুলি খুব ভাল লাগল।

আমি তোমার মৃত মুখের ভাষা দিতে এসেছি।

বিশ্বজুড়ে
মৃত ঠোঁট একত্রিত হও,
গভীর থেকে উঠে এসে এই দীর্ঘ রাত্রি আমার সঙ্গে ঘূর্নায়মান হোক
যেন আমি তোমার সঙ্গে নোঙরে বাধা।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩০

লেখক বলেছেন: নেরুদার কবিতার দুটো লাইন-
Tell me, is the rose naked
or is that her only dress?

১৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: আমার এক বন্ধু অরূপ জিকো, পাবলো নেরুদার অন্ধ ভক্ত। তাঁর কাছ থেকে প্রায় নেরুদার গল্প শুনতাম। সেজন্য নেরুদা সম্পর্কে জানার বিষণ আগ্রহ ছিল; আপনার লেখা পড়ে আজকে নেরুদা সম্পর্কে ভালোভাবে জানলাম। গুরুত্বপূর্ণ লেখাটির জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

১৯ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৪৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ