আমার প্রিয় পোস্ট

' অশ্বথের পাতাগুলো পড়ে আছে ম্লান শাদা ধুলোর ভিতর/এই পথ ছেড়ে দিয়ে এ-জীবন কোনোখানে গেল নাকো তাই।' (রূপসী বাংলা)

কারা ছিল বর্গী?

১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

শেয়ারঃ
0 4 0



ছেলেবেলায় ছড়া শুনেছি-

খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে, বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কীসে?

আশৈশব মাথার ভিতরে ঘুরেছে ছড়ার কথাগুলি। ছড়ার কথায়, শব্দের অর্ন্তগত ধ্বনিগত দুলুনিতে কেমন এক ধরনের মনোরম বিষন্নতা লুকিয়ে আছে; যে মনোরম বিষন্নতা, যাকে আমি বলি, sublime sadness, বাংলা কাব্যের একটি অনিবার্য বৈশিষ্ট্য। যেমনটা আল মাহমুদ লিখেছেন

স্মরণে যার বুকে আমার জলবিছুটি
আমার ঘরে রাখল না সে চরণ দুটি। (যার স্মরণে, সোনালি কাবিন)

এ মনোরম বিষন্নতা ছাড়া আর কি। যা হোক। জ্ঞানবুদ্ধি হওয়ার পর বিষন্ন মনোরম ছড়ার সূত্র ধরে কৌতূহলী হলাম বর্গীদের নিয়ে। কারা ছিল বর্গী? বুলবুলিতে ধান খেয়েছে বুঝলাম, কিন্তু, কেনই-বা বর্গী নামে অদ্ভূত জন্তু বা জাতিকে খাজনা দেওয়ার কথা আসছে? ইতিহাসের পৃষ্ঠা উল্টিয়ে জানতে পারলাম, বর্গীরা আসলে মারাঠা জাতি এবং তারা কথা বলে মারাঠী ভাষায় । মারাঠী ভাষায় খাজনা শব্দটিকে বলা হয়: ‘চৌথ’। ক্রমশ আরও জানতে পারলাম লতা মুঙ্গেশকর মারাঠী। ঐ কিন্নরকন্ঠী গায়িকার পূর্বপুরুষগন বাংলায় চৌথ নিতে আসত? বা ঐ কিন্নরকন্ঠী গায়িকার পূর্বপুরুষকে চৌথ দিতে হত? রিয়েলি ইন্টারেষ্টিং! কাজেই মারাঠাদের সম্বন্ধে আরও কৌতূহলী হয়ে ওঠাই স্বাভাবিক।


ভারতবর্ষের মানচিত্র, সবুজ চিহ্নিত অংশ মহারাষ্ট্র

প্রথমেই বলে রাখছি মারাঠারা প্রধানত ভারতের মহারাষ্ট্রের অধিবাসী হলেও তারা ভারতবর্ষের গোয়া গুজরাট কর্নাটক অন্ধ্রপ্রদেশ তামিলনাড়– ও মধ্য প্রদেশেও বাস করে। সনাতন ধর্মের অনুসারী মারাঠারা মুগল আমলে ছিল ক্ষত্রিয় যোদ্ধা।


ছত্রপতি শিবাজী। মারাঠাদের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন ছত্রপতি শিবাজী (১৯
ফেব্রুয়ারি, ১৬২৭-এপ্রিল ৩, ১৬৮০); তিনিই ১৬৭৪ সালে মহারাষ্ট্রের মারাঠী সাম্রাজ্যটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । মারাঠী সাম্রাজ্য রাজধানী ছিল মহারাষ্ট্রের রাইগাড। ১৮১৮ অবধি মারাঠী সাম্রাজ্যটি টিকে ছিল। পতনের কারণ? ভারতবর্ষে নতুন শক্তির আগ্রাসন।



ইনি মুগল সম্রাট আওরঙ্গজেব (নভেম্বর ৪, ১৬১৮-মার্চ ৩, ১৭০৭) সম্রাটের দক্ষিণ ভারতের সামরিক অভিযানের সময় মারাঠা সাম্রাজ্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, যার ফলে মারাঠারা মুগল শাসনের প্রতি বিক্ষুব্দ হয়ে উঠতে থাকে। আমি আগেই একবার বলেছি যে, মুগল আমলে মারাঠারা ছিল হিন্দু ক্ষত্রিয় যোদ্ধা। সম্রাটদের মাথা গরম করলে চলবে কেন- সম্রাট আওরঙ্গজেব মনসব পদ দিয়ে মারাঠা সৈন্যদের মুগল সেনাবাহিনীতে অর্ন্তভূক্ত করে মারাঠাদের রোষ প্রশমিত করার চেষ্টা করেন। লাভ হয়নি।




অস্টাদশ শতকের ভারতবর্ষ

কিছু কিছু মারাঠা সেনাপতি যদিও সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর অনুগত থাকলেও (ধরা যাক সমকালীন আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই-এর মতন) বেশির ভাগ মারাঠা সৈন্যই রোষবশত ভারতবর্ষে মুগল শাসিত প্রদেশগুলিতে লুঠপাঠ আরম্ভ করে। রোষের শিকার মুগল শাসিত প্রদেশগুলিতে সুবা বাংলা ছিল অন্যতম। মারাঠা সেনাবাহিনীর সাধারণ সৈন্যরা বরগির নামে পরিচিত ছিল। মারাঠা নেতা ছত্রপতি শিভাজী মারাঠী প্রশাসন কর্তৃক এদের ঘোড়া ও অস্ত্র সরবরাহ করা হত। এই ‘বরগির’ শব্দ থেকেই বর্গী; এবং বাংলায় মারাঠা আক্রমনকারীরাই বর্গী নামে পরিচিত।



অস্টাদশ শতকের বাংলা

বাংলা মুগলশাসিত প্রদেশ বলেই ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ সাল পর্যন্ত বার বার বাংলায় বর্গীদের আক্রমন সংঘটিত হতে থাকে। নওয়াব আলীবর্দী খান ১৭৪০ সালে বাংলার নওয়াব নিযুক্ত হন। ১৭৪২ সালের ১৫ এপ্রিল বর্গীরা বর্ধমান (বর্তমান পশ্চিম বাংলা) আক্রমন করে। জরুরি সংবাদ পেয়ে নওয়াব আলীবর্দী খান সসৈন্য বর্ধমানের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। বর্গীদের নেতা ছিল ভাস্কর পন্ডিত, তার নির্দেশে বর্গীরা নওয়াব-এর রসদ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ২৬ এপ্রিল বর্গী বেষ্টনী ছিন্ন করে কোনওমতে প্রাণে বাঁচেন নওয়াব ।



মুর্শিদাবাদের মানচিত্র । বর্গী আক্রমনকালে বাংলার রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদ। মুর্শিদাবাদ-এর অবস্থান ছিল কলকাতার ৩৪৭ কিলোমিটার উত্তরে এখনকার পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় । মুগল প্রাদেশিক শাসনের দুটি প্রধান শাখা ছিল নিজামত ও দীউয়ানি: নিজামত সাধারণ প্রশাসন এবং দীউয়ানি রাজস্ব প্রশাসন। বাংলার দীউয়ান মুর্শিদকুলী খান ১৭০৪ সালে দীউয়ানি প্রশাসনের কেন্দ্র ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।



মুর্শিদাবাদের নওয়াব-এর প্রাসাদ। ঢাকার আহসান মঞ্জিলের সঙ্গে মিল থাকা স্বাভাবিক। ঢাকার অবস্থান যেমন ছিল বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে, মুর্শিদাবাদ নগরটি ছিল ভাগীরথী নদীর তীরে। নাঃ, ভাগীরথী কোনও নতুন নদী নয়, গঙ্গার আরেক নামই ভাগীরথী।

৬ মে, ১৭৪২। মুর্শিদাবাদের দ্বারপ্রান্তে সশস্ত্র বর্গীরা এসে উপনীত হল। নওয়াব আলীবর্দী খান সে সময় মুর্শিদাবাদে ছিলেন না। নির্মম বর্গীরা মুর্শিদাবাদ নগরের বড় একটি বাজার পুড়িয়ে দেয়। এবং এভাবে বর্গীদের নির্বিকার ধ্বংসযজ্ঞ বাংলার মানসে চিরতরে প্রোথিত হতে থাকে: যে রুদ্ধশ্বাস অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছিল মনোরম বিষন্ন একটি ছড়ার আকারে ...

খোকা ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো
বর্গী এল দেশে,
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে
খাজনা দেব কীসে?

মুর্শিদাবাদ নগরে বাস করত জগৎ শেঠ নামে এক ধনী সওদাগর । বর্গীরা তার কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা আদায় করে নেয়। পরের দিনই, অর্থাৎ ৭ মে নওয়াব আলীবর্দী খান মুর্শিদাবাদ উপস্থিত হন। ততক্ষণে মুর্শিদাবাদের অনেকটা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে বর্গীরা পালিয়ে গেছে আরও দক্ষিণে।



পশ্চিমবাংলার হুগলি ও বর্ধমান।

হুগলি জায়গাটি মুর্শিদাবাদের দক্ষিণে। ১৭৪২ সালের জুলাই মাসে, অর্থাৎ মুর্শিদাবাদ আক্রমনের ২ মাস পর হুগলি জেলায় বর্গীরা একটি সৈন্য শিবির স্থাপন করে এবং খাজনা আদায় করতে লাগল।(‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে’-এই লাইনটি একটি বিশেষ সময়ের প্রতীক। বাঙালির রসিক মনের গূঢ়তম অভিব্যাক্তি ...) বর্গীদের অমানুষিক অত্যাচারে তাঁতিরা বীরভূম থেকে পালিয়ে যায় । আমলে বর্গীদের স্বেচ্ছাচারিতার নমুনা দেখুন! তখন আমি বলেছি যে, দীউয়ানি ছিল রাজস্ব প্রশাসন। বাংলার দীউয়ানরা ঠিকমতো খাজনা কেন্দ্রে (দিল্লিতে) পাঠাতে পারলেই তো হল, বর্গীরা রাজ্যে আর্মি ক্যাম্প বসাক না কেন!



নওয়াব আলীবর্দী খান

(আড়ং শব্দটা ফারসি। আড়ং বলতে বড় আকারের বাজারকে বোঝায়) সপ্তদশ ও অস্টাদশ শতকে বাংলার রেশমি কাপড়ের আড়ংগুলি ছিল জমজমাট। বর্গী আক্রমনে আড়ংগুলি লোকশূন্য হয়ে পড়ে, আড়ংগুলি খাঁ খাঁ করতে থাকে। বাংলার অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়তে থাকে। বাংলাজুড়ে খাদ্যশস্যের অভাব দেখা দেয়, ব্যবসা-বানিজ্য বন্ধ হয়ে যেতে থাকে। যা হোক। বর্গীরা চৌথ আদায় করতে থাকে এবং পুবের যশোর জেলা অবধি বর্গীদের খাজনা আদায় ক্রমেই স¤প্রসারিত হতে থাকে। বর্গীদের নির্মম অত্যাচারে বহু লোক ভিটেমাটির মায়া ত্যাগ করে গঙ্গার পূর্বাঞ্চলে ( বর্তমান বাংলাদেশে) চলে আসে। পূর্বাঞ্চলের বাঙালিরাও বর্গী লুন্ঠনের শিকার হয়। কেন? সম্রাট আওরঙ্গজেব দক্ষিণ ভারতের সামরিক অভিযানের সময় মারাঠা রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে মারাঠা সৈন্যরা রোষবশত ভারতবর্ষে মুগল শাসিত প্রদেশ গুলিতে লুঠপাঠ আরম্ভ করে। সুবা বাংলা ছিল যার অন্যতম।


বাংলাপিডিয়ায় মোহাম্মদ শাহ লিখেছেন, ‘ঘন ঘন মারাঠা হামলা বাংলাকে মহাবিপর্যয়ে নিপতিত করে। বাংলার জনগনের জন্য এটা এতটাই ধ্বংস আর দুঃখ বয়ে আনে যে, মারাঠা বর্গীদের হামলার ভীতিকর গল্প বাংলার শিশুদের ঘুমপাড়ানি গানে বিশেষ স্থান অধিকার করে। এর সাথে অজন্মা ও খরা মিলে বাংলার অবস্থা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। মারাঠা হানাদাররা লুন্ঠন, অগ্নি সংযোগ ও হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে বাংলার জনগনের মনে এমনি ত্রাসের সঞ্চার করেছিল যে, বহুলোক তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে গঙ্গার পূর্বদিকের জেলাগুলিতে পালিয়ে যায়। এতে উক্ত এলাকার জনসংখ্যার চাপ বৃদ্ধি পেয়ে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। মূল এই অর্থনৈতিক সংকটই পরবর্তী সময়ে বাংলার নওয়াবকে বিপর্যস্ত ও পর্যুদস্ত করে।’



বাংলা ও ভারতবর্ষ

এবার বাংলার ইতিহাসের এক বিচিত্র প্রসঙ্গে আসি। মীর জাফরের আগেও বাংলায় আরও একজন বিশ্বাসঘাতক ছিল! বিশ্বাসঘাতক সেই পাষন্ড লোকটার নাম মীর হাবিব। পারস্য সেই অভিজাতটি এক সময় নওয়াব আলীবর্দী খানের ঘনিষ্ট ছিল ; অথচ, এই লোকটিই লোকাল এজেন্ট হিসেবে বর্গীদের সাহায্য করত! আসলে মীর হাবিব ছিল রাজাকার; বাংলা সম্বন্ধে খুঁটিনাটি জ্ঞান ছিল তার। বর্গীরা সে জ্ঞান প্রয়োগ করে সহজেই বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত!



১৭৪২ সালের মাঝামাঝি বাংলা থেকে বর্গীদের নিমূর্ল করার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন নওয়াব আলীবর্দী । নাঃ, নওয়াবের এ সিদ্ধান্ত বাঙালিদের ভালোবেসে নয়, দিল্লির প্রাপ্য খাজনায় বর্গীরা ভাগ বসাচ্ছিল বলেই। যা হোক। ১৭৪৩ সালে বর্গীরা মেদিনীপুর আক্রমন করে। নওয়াব আলীবর্দীর নেতৃত্বে মুগল সৈন্যরা মেদিনীপুরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ৯ ফেব্রুয়ারি দুপক্ষের তুমুল সংর্ঘষ হয়। নওয়াব আলীবর্দীর উন্নততর রণকৌশলের ফলে মেদিনীপুর থেকে বর্গীরা উৎখাত হয়ে যায়। তবে লাভ হয়নি। ১৭৪৪ সালের ফেব্র“য়ারি মাসে বর্গী নেতা ভাস্কর পন্ডিত আবার বাংলা আক্রমন করে বসে। নওয়াব আলীবর্দী খান বাধ্য হয়ে এবার ষড়যন্ত্রের পথ ধরেন। বর্গী নেতা ভাস্কর পন্ডিত কে বৈঠকের আহবান জানান নওয়াব । বৈঠকে ২১ জন বর্গীসহ ভাস্কর পন্ডিত এলে তাঁবুর আড়ালে লুকিয়ে থাকা মুগল সৈন্যদের আক্রমনে বর্গীরা নিহত হয়। তবে লাভ হয়নি। ১৭৫০ সালের বর্গীরা আবার বাংলায় হানা দেয়। ১৭৫১ সালে বর্গী আক্রমনের তীব্রতা এতই বেড়ে যায় যে আলীবর্দী খানকে মারাঠা-বর্গীদের হাতে উড়িষ্যা ছেড়ে দিতে হয়।



তারপর? তারপর বর্গীদের কি হল?
আর মাত্র ৬ বছর পর ইংরেজদের করতলগত হয়ে যায় বাংলা । ওদিকে মারাঠা-বর্গীরা মুগলদের পরির্বতে নতুন এই শক্তির মুখোমুখি হতে হয়- যে শক্তিটি মুগলদের চেয়ে সহস্রগুণ চতুর খল ও শক্তিশালী।


এই সময়ের ছবি। কিন্তু যেন বাংলার সমস্ত দুর্যোগের প্রতীক। সমগ্র অস্টাদশ শতক জুড়ে বাংলায় বর্গী আক্রমন অব্যাহত ছিল। সেই কালবেলায় বাংলার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ছিল সীমাহীন; গানপ্রিয় শান্তিবাদী বাঙালির জীবনে নেমে এসেছিল ঘোর অন্ধকার। বাংলা বরাবরই তার গান, ধান ও মান নিয়ে তার নিভৃত শ্যামল কোণটিতে দু-বেলা দু-মুঠো শাক-ভাত খেয়ে সুখেশান্তিতে এই কুহকী জীবন কাটিয়ে দিতে চেয়েছে। পশ্চিমা লুঠেরারা বারংবার নির্জনতা প্রিয় বাঙালির শান্তি কেড়ে নিয়েছে, যুদ্ধের আগুনে পুড়ে গেছে তার সোনারবরণ শষ্যক্ষেত্রটি । আমরা দেখেছি অস্টাদশ শতকের বর্গীরাই বাংলার ইতিহাসে নির্মমতম শেষ অধ্যায় নয়-পশ্চিম থেকে আগত ব্রিটিশ ও পশ্চিম পাকিস্তানি শোষন ও গনহত্যা তখনও বাকি । ইতিহাসের এই অমোঘ ধারা এই ইঙ্গিতই দেয় যে- বাঙালির নিজস্ব একটি রাষ্ট্রের বড়ই প্রয়োজন ছিল ...



 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কারা ছিল বর্গী? ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বাংলা: ইতিহাস ও ঐতিহ্য  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
মন মানে না বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম পরে কাজে লাগতে পারে এই মনে করে ।

কিন্তু ভাই জান এগুলা কইথ্থাইকা কপি পেষ্ট করলেন তা তো উল্লেক করেন নাই ?
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: কপি পেষ্ট


কপি পেষ্ট

২য় টা প্রথমটার কপি পেষ্ট ...
এইবার করে দেখান তো যে কোনও সাবজেক্টে।

সোর্স উল্লেখ করলে তা বোঝার মত জ্ঞানবুদ্ধি আছে আপনার?

২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
সৌম্য বলেছেন: হাস নিয়ে কাদার ছবিটা ভয়ঙ্কর।
লেখাটা বরাবরের মতোই মারাত্মক।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১

লেখক বলেছেন: ছবিটা না দিয়ে পারলাম না বিষয়টা বোঝার জন্য।
ধন্যবাদ।

৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৩
ডিজিটালভূত বলেছেন: অনেক ভালো লাগল। অজানা অনেক কিছু জানলাম। ধন্যবাদ
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
নাজনীন১ বলেছেন: জানলাম অজানা কিছু, বুঝলাম অনেক কিছুই জানি না। ধন্যবাদ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫
নুভান বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন ভাই, আবার একটি সুন্দর লেখনি উপহার দেবার জন্য। মির হাবিবের সাথে সম্ভবত আরেকটি তস্কর লোক সাথে ছিলো তার নাম ' সৈয়দ নুর'। আমার একটি ব্লগে (হয়তো ইতিহাসের বিকৃতি হয়েছে বলে অনেকের ধারনা) কথা প্রসঙ্গে বর্গীদের কথা এসেছিলো ক্ষুদ্র পরিসরে। Click This Link
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, এক্ষুনি দেখছি।

৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮
জোবাইর বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন, তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জোবাইর।

৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
কিরিটি রায় বলেছেন: গানপ্রিয় শান্তিবাদী বাঙালির জীবনে নেমে এসেছিল ঘোর অন্ধকার। বাংলা বরাবরই তার গান, ধান ও মান নিয়ে তার নিভৃত শ্যামল কোণটিতে দু-বেলা দু-মুঠো শাক-ভাত খেয়ে সুখেশান্তিতে এই কুহকী জীবন কাটিয়ে দিতে চেয়েছে। পশ্চিমা লুঠেরারা বারংবার নির্জনতা প্রিয় বাঙালির শান্তি কেড়ে নিয়েছে, যুদ্ধের আগুনে পুড়ে গেছে তার সোনারবরণ শষ্যক্ষেত্রটি । আমরা দেখেছি অস্টাদশ শতকের বর্গীরাই বাংলার ইতিহাসে নির্মমতম শেষ অধ্যায় নয়-পশ্চিম থেকে আগত ব্রিটিশ ও পশ্চিম পাকিস্তানি শোষন ও গনহত্যা তখনও বাকি । ইতিহাসের এই অমোঘ ধারা এই ইঙ্গিতই দেয় যে- বাঙালির নিজস্ব একটি রাষ্ট্রের বড়ই প্রয়োজন ছিল ..

ওয়াহ.... প্লাস পৌনপুনিক...

একদমে.. শেষ। সেই চিরায়ত;) মুগ্ধতা ।

কত অজানারে জানাইলিরে...:):):)
অনেক অনেক .. (গান শিখার খালামনির মতো:) অনেক).....
কৃতজ্ঞতা।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা।

১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: বিমোহিত হয়ে এক নিঃশ্বাসে পড়লাম। অসাধারণ থেকে ও বড় কিছু হয়েছে এই পোস্টটি, সরাসরি প্রিয়তে।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: ইতিহাস যেন ইতিহাস আর থাকে না হয়ে উঠে জীবন্ত। অনেক অনেক তথ্য বহুল পোস্ট। ধন্যবাদ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯
দাউদ রনি বলেছেন: ভালো লাগলো ভীষণ।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: এই বর্গী ব্যপারটা নিয়ে যে ভাবি নাই তা না।কিন্তু কখনো কোন কূলকিনারা পাই নাই।আজ জেনে ভাল লাগলো।
তথ্য বহুল পোষ্ট। শুভেচ্ছা রইল।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা রইল।

১৪. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৯
অপ্‌সরা বলেছেন: আমি ছোটবেলায় বর্গীকে মুরগী ভাবতাম।:P

মানে খোকা ঘুমালো , পাড়া জুড়ালো মুরগী এলো দেশে।



হাসগুলো নিয়ে কান্না করা বৌটাকে দেখে হৃদয় ভেঙে গেলো ঈমন ভাইয়া।সত্যি কি ভীষন খারাপ লাগছে। বুঝতে পারলাম ওর আদরের হাসগুলোর জন্য ওর কষ্টটা।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: ক) আসলেই ...বর্গী শব্দটা এতই অন্যরকম যে ...


খ) এই তো বাংলার ৮০% মানুষের নিত্যকার চিত্র ...

১৫. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:২৫
আকাশ অম্বর বলেছেন:

দারুণ। ধন্যবাদ, ইমন ভাই।।

খোকা ঘুমালো পাড়া জুড়ালো
বর্গী এল দেশে,
বুলবুলিতে ধান খেয়েছে
খাজনা দেব কীসে?

এটা কি খনার বচন ছিলো?
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: না, খনা আরও আগেকার ব্যাপার।

১৬. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
দীপান্বিতা বলেছেন: Wao!!!....ধন্যবাদ ....ধন্যবাদ! ....খুব ভাল লাগলো....:)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: কি, এবার খুশি তো?

১৭. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
পল্লী বাউল বলেছেন: আসলে জানার কোন শেষ নাই....

আপনাকে ধন্যবাদ দেয়ার ভাষাও নেই :)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৬
একাকী বালক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল লেখা উপহার দেবার জন্য।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩১
আকাশ_পাগলা বলেছেন: +++++++++++++

যাদের হাতে এত মাইর খেলাম, তারা কীভাবে আর কেমন করে পিটানী খেলো সেটা না শুনলে মন ভরতেছে না।
এইটা নিয়ে একটু বলেন।

কেমন আছেন?
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: আচ্ছা, লিখব।
আছি, একরকম।

২১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪
শয়তান বলেছেন: আমি ভাবতাম বর্গীরা বুঝি বার্মা থিকা আসতো । খিকজ
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৮

লেখক বলেছেন: অপসরা মুরগী ভাবত।

২২. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৭
ভাদাইম্যা পোলা বলেছেন: খুব ভাল লাগল লেখাটা পড়ে। অনেক ধন্যবাদ এরকম একটা লেখার জন্যে।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৫
রাগ ইমন বলেছেন: ছড়াটা নিয়ে আমার ও কৌতুহল ছিলো অনেক । লেখাটার জন্য ধন্যবাদ ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৪. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
মন মানে না বলেছেন: আমার জ্ঞানের সীমিত আকার নিয়া আমি খুব চিন্তিত ভাইজান।

তাই আপনার পোষ্ট খানি শো কেজে নিয়েছি যাতে পড়ে ব্যাফক জ্ঞানী হওয়া যায় ।

কিন্তু এই তথ্য বহুল পোষ্ট এত তথ্য নিশ্চয়ই আপনি নিজে বানান নাই ।
কোথাও তো পড়ছেন অবশ্যই ।

আমি সেটাই জানতে চাইছিলাম ।

বই এর নাম উল্লেখ করলে উপকৃত হইতাম ।

আর যদি বলেন সব নিজের ভেতর থেকে বাইর হইছে তাইলে

শিষ্যত্ব লই ।

কি বলেন গুরু ?? ;) ;) ;)
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনি লিখছেন ...কিন্তু ভাই জান এগুলা কইথ্থাইকা কপি পেষ্ট করলেন তা তো উল্লেক করেন নাই ?

কপি পেষ্ট মানে কি?
কোথাও থেকে বাংলা কপি করে বসায় দিলাম?
কোত্থেকে?
আপনাকে কিছু বলা সময় নস্ট।

২৫. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
মন মানে না বলেছেন: পোষ্ট খারাপ হলে কিন্তু মানুষ প্রিয়তে নেয় না ।

আপনি বুঝতে ভুল করেছেন মিয়া ভাই ।
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে কিছু বলা সময় নস্ট।
আপনি কপি পেস্ট অনুবাদ ও কম্পোজিশনের পার্থক্য বুঝেন না।
আপনি আমার এখানে এসে অযাথা সময় নস্ট করবেন না।

২৬. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
শয়তান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অপসরা মুরগী ভাবত।

---

এতেই বোঝা যায় ছোটবেলা থেকেই অপসরা বেগম খানাপিনা নিয়া চিন্তাইতো :P

=p~ =p~ =p~
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ ...

২৭. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪
তারার হাসি বলেছেন:
আমি ভাবতাম বর্গী বলতে ডাকাতদেরই বোঝানো হত, কত কম জানি... :(
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৫

লেখক বলেছেন: বর্গীরা ডাকাতই, তবে বিশেষ ধরনের ...

২৮. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪০
নাজিম উদদীন বলেছেন: পশ্চিমারা বাংলাদেশের জন্য বরাবরই খারাপ।
খুব ভাল লাগল।

প্রাচীনযুগের ম্যাপগুলো কোথায় পাওয়া যেতে পারে।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: Click This Link

১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৩
রেজোওয়ানা বলেছেন: যথারীতি চমৎকার।
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩১. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: প্রাচীন কোন ম্যাপে স্পেসিফিক কোন জায়গা দেখাতে হলে কি করেন? এডিট করা যায় কি?
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৭

লেখক বলেছেন: গুগল এ স্পেসিফিক কোন জায়গা লিখে "ইমেজ" সার্চ ...শুধু জিফ ফাইল বাদ।

৩২. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: আমিও জানতাম বর্গীরা চট্টগ্রাম বা বার্মাদিকে আক্রমণ করতো ।

কোথায় পড়েছি মনে পরছে না ।

ধন্যবাদ ইমন ভাই ।

বাংলার মানুষজন সবকালেই নিরীহ ছিলো দেখা যায় ।
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।বাংলার মানুষজন সবকালেই নিরীহ ছিলো।

৩৩. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
বাবর মোহাম্মদ বলেছেন: মনে হচ্ছিল আমি মোগলদের আমলে চলে গেছি..
০১ লা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮
অপু২৮৩৮ বলেছেন: ++++,অনেক অনেক প্লাস
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৫. ২৪ শে জুন, ২০১০ রাত ২:৫৬
এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুলিখিত , তথ্যবহুল এবং প্রিয়তে।


ধন্যবাদ
২৪ শে জুন, ২০১০ সকাল ৭:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৬. ২৪ শে জুন, ২০১০ সকাল ৮:১৩
জেগে আছি বলেছেন: লেখা এবং বিশ্লেষণ ভালো হয়েছে।
ধন্যবাদ
২৪ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৭. ২৯ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৪৬
একজন হতভাগা বলেছেন: আকাশ_পাগলা বলেছেন:

যাদের হাতে এত মাইর খেলাম, তারা কীভাবে আর কেমন করে পিটানী খেলো সেটা না শুনলে মন ভরতেছে না।
এইটা নিয়ে একটু বলেন।

অসাধারণ লেখা

২৯ শে মে, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১০০০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
জীবন মানে শুধুই যদি প্রাণ রসায়ন/
জোছনা রাতে মুগ্ধ কেন আমার নয়ন।

zubairhossain@msn.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ