আফসোস !! আমার মা সংসদ উপনেতা না, আমার বাবাও কোন নেতা না, রাষ্ট্রপ্রতিও আমারে চিনেন না। আরও বড় আফসোস আমি চোর না। কোটি কোটি টাকা মেরে দেবার ক্ষমতা আমার নাই।
আফসোসেই এই জীবনটা পার হয়ে গেল। নির্লজ্জতা দেখে জীবন পার হয়ে গেল। মাননিয় প্রধানমন্ত্রী , আমার হাসি পাই যখন আপনি দূর্নীতি মুক্ত ডিজিটাল গালগপ্প করেন, আর তার পরদিন ই আপনার রাষ্ট্রপ্রতি নিন্ম আদেশ দেয়।
দেশটা চালায় নির্লজ্জ শুয়োরের বাচ্চা টাইপ কিছু লোকজন আর আমরা গাধারা তা উপভোগ করি।
শুয়োর গুলো যখন বড় বড় কথা বলে ইচ্ছা করে জুতাটা খুলে মারি। শালার ঐখানেও প্রবলেম, সাহসে কূলায়না। তাই মেনে নেয়া ছাড়া উপায় নাই।
ঘুমোতে যাবার আগে প্রতিদিন নিজেকে সান্ত্বনা দিই: জগতে যে যাই বলুক, যে যাই করুক যদি শান্তি চান তবে মনে মনে ভাবুন ব্যাপারনা !!!
------------------------------------------------------------------------
দেশের প্রচলিত আইনে শাহাদাবের দণ্ড মওকুফ করেছেন রাষ্ট্রপতি:
দেশের প্রচলিত আইনেই সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ছেলে শাহাদাব আকবর চৌধুরী লাবুর দণ্ড মওকুফ করেছেন রাষ্ট্রপতি। গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক ব্যাখ্যায় এ কথা বলা হয়।
এতে বলা হয়, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় প্রদত্ত শাস্তি ও জরিমানা মওকুফ করার জন্য শাহাদাব আকবর চৌধুরী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন দাখিল করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাজা মওকুফসংক্রান্ত আইনগত বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেয়।
আইন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে এ মর্মে মতামত দেয়, সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যেকোনো দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন। সেই অনুসারে রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতা শাহাদাব আকবর চৌধুরীর ক্ষেত্রে প্রয়োগ করেছেন এবং এ ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই। এতে দেশে প্রচলিত আইনের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

