আমার প্রিয় পোস্ট

বিশ্বাস বদলের সময়ে স্বাগতম।

জনসংখ্যা বিস্ফোরণে মুসলিম সমাজের অবদান- প্রসংগ জম্মনিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনা (একটি ফলোআপ পোস্ট)

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫২

শেয়ারঃ
0 0 0

আমার গত পোস্টের রেশ ধরেই আজকের পোস্টের অবতারণা। আজকাল বেশ অহংকারের সাথেই অনেককে বলতে শোনা যায়, মুসলিম সমাজের বাড়-বাড়ন্ত নিয়ে অহংকারী কথা-বার্তা। একে অনেকেই ইসলাম সমাজের মহিমার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ভেবে ভুল করে থাকেন। সাম্প্রতিক বিশ্বে মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ার হার, ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসে বিশ্বাসীত হয়ে না যতটা, তার চেয়েও [http://www.christiantoday.com/article/muslims.could.overtake.western.world.with.high.birth.rates/9393.htm|বিপদজনকরকম উচ্চ জম্মহার]। আর, এই জন্য দায়ী করা হয়, পরিবার পরিকল্পনা বা জম্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন না করা।

Marry the one who is loving and fertile, for I will be proud of your great numbers before the nations.” (Narrated by Abu Dawood, 2050; classed as saheeh by al-Albaani in Saheeh Abi Dawood, 1805)- প্রথমেই মুসলিম পুরুষদের সরাসরি আদেশ করা হয় উর্বর নারীকে বিয়ে করার জন্য। আসলে, বিয়ের মাধ্যমে পরিবারে নারীদের কামোত্তজনা প্রশমক ও সন্তান জম্মদানের মেশিন হিসেবে অধিকতর ভাবা হয়।

প্রধানত দুটি কারণে জম্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারে মুসলিমদের উতসাহিত হতে দেখা যায়না।

১. সরাসরি ও ঝামেলাবিহীন যোনি ভোগের ইচ্ছা
আমার এক বন্ধু বেশ কয়েকবছর আগে সিফিলিসে ভুগেছিলো। পতিতার সাথে অনিরাপদ সেক্স থেকেই সংক্রমিত হয়। বর্তমানে বেশ সুস্থ। কিন্তু, উনি এখনোও ঝামেলা ব্যবহার করেন না। পরে বলেছিলো, " মানা আছে, জানিস না নাকি ?!!!"

বীর্যক্ষলনের পূর্বে যোনি থেকে পুরুষাংগ বাইরে বের করে আনা নিয়ে একটি পদ্ধতি হলো coitus interruptus(‘azl)। এর মারফতে, শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলন হয় না বলে একটি মোটামুটি জম্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি দাড়িয়ে যায়। যদিও, নিশ্চিতভাবে কখনোই বলা যায় যে, এতে একশ শতাংশ জম্মনিয়ন্ত্রণ সম্ভব। এই কনসেপ্টটি বহু আগে থেকেই প্রাক ইসলাম বিশ্বে আরব সমাজে ব্যবহৃত হতো।

“We used to practise ‘azl at the time when the Qur’aan was being revealed” – Hadeeth of Jaabir

তবে, মোহাম্মদ এই পদ্ধতিকে হারাম ঘোষণা করেন। এই সিদ্ধান্ত যে ঠিক ছিল তার জাস্টিফিকেশনের জন্য অনেক ইসলামিক পন্ডিতের দেওয়া যেসব খোঁড়া যুক্তি দেখানো হয় তা হলো,

১.১.১. একজন মুক্ত নারীর বাচ্চা নেবার অধিকার রয়েছে - এক্ষেত্রে যদিও কোনভাবেই প্রমাণ করা যায় না, নারীরা স্বাধীন। একজন নারী যদি তখন গর্ভধারণ করতে নাও চান, তাহলে কিছুই করার নেই। ভাবখানা এইভাবে প্রকাশ হয় যেন, নারীরা না চাইলে আমরা কখনো ইয়ে পর্যন্ত করতাম না।

১.১.১. পুরুষাংগ বের করে দিলে নারীদের যৌন তৃপ্তি আসেনা। নারীর পূর্ণাংগ ও সঠিক রাগমোচনের জন্য যোনিতে বীর্যক্ষলন করতেই হবে - দুটি শরীর আলাদা হাওয়া সত্ত্বেও একজনের সরাসরি রাগমোচনে আরেকজনের শারীরিক রাগমোচনের হাইপোথিসিসটি যথারীতি বিজ্ঞানভিত্তিক নয়।

সিফিলিসে আক্রান্ত সেই বন্ধুটি যা বোঝাতে চেয়েছিল, তা এখন বলি।

ইসলামের সাহাবারা তাদের নারীদের (বিশেষত দাসী অথবা যৌনদাসীদের) সাথে এই প্রক্রিয়া ব্যবহার করতেন, যাতে সেই সব নারীরা গর্ভবতী না হয়। এতে করে সাহাবাদের রতি বিলাসে বাঁধা পড়তো না এবং সেইসব নারীরা তাদের দাসসুলভ স্বাভাবিক কাজও করতে পারতো।

"O Messenger of Allaah, I have a slave woman and I engage in ‘azl with her, because I do not want her to get pregnant, but I want what men want. But the Jews say that ‘azl is a lesser form of infanticide.”- Abu Dawood

কিন্তু, এখানে মোহাম্মদ সাহাবাদের বাড়া ভাতে ছাই ফেলে দেন।

"The Jews are lying. If Allaah wants to create (a child) you cannot prevent that.” (Narrated by Abu Dawood, Kitaab al-Nikaah, 1856; classed as saheeh by al-Albaani in Saheeh Abi Dawood, 1903).

আমাদের এখনো ধন্যবাদ দেওয়া উচিত যে, শিশু হত্যার ভয়ে যৌনতা মানা করা হয়নি। কেউ আসলে বলার ছিলো না যে, শিশুহত্যা (গর্ভাবস্থায় বা স্বাভাবিক জম্ম নেওয়া শিশু) এক জিনিস আর জম্মনিয়ন্ত্রণ আরেক জিনিস। জম্মনিয়ন্ত্রণ মানে শুক্রাণু আর ডিম্বাণুর মিলনই না হওয়া। যেখানে, জাইগোট হবে না, সেখানে গর্ভধারণও সম্ভব নয়।

সরাসরি মানা থাকলেও কিছু কিছু আধুনিক ইসলামি পন্ডিতেরা নিজেদের মত করে কিছু ফতোয়া দিয়ে থাকেন। নিষিদ্ধ করা নিয়মও তারা নিজেদের মত করে হারাম থেকে মাকরু'তে নিয়ে এসেছেন।

১.২.১. coitus interruptus অথবা কনডম হালাল না হারাম নিয়ে কমেডি
১.২.২. coitus interruptus অথবা জম্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি হালাল না হারাম নিয়ে কমেডি
১.২.৩. পরিবার পরিকল্পনা ও জম্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে আরেক পন্ডিতের কমেডি

২. মুসলিম উম্মাহর সংখ্যা বাড়ানো
“and made you more numerous in man-power” [al-Isra’ 15:6]
“And remember when you were but few, and He multiplied you” [al-A’raaf 7:86]

এটি আসলে প্রথম পদ্ধতির লাগাম ছাড়া ব্যবহারের সরাসরি ফসল। যতবেশি অনিরাপদ যৌন বিলাস, তত বেশি সন্তান। আর যদি বেশি সন্তান, তত বেশি দারিদ্রতা। এটা অনস্বীকার্য। প্রায় প্রতিবছর একজন সাধারণ পরিবারে একটি নতুন মুখের আগমন, অভাবের সামনে কতখানি নারকীয়, যার ব্যাথা শুধু সেই বুঝে। তাছাড়া, এই নতুন শিশুর মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য বাধা ধরা নিয়মিত আয়ে সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। আর, একটু বাড়তি আয়টুকু মানে, আরেকজনের মাথায় হয়ত কাঁঠাল ভাংগা।

এই অবস্থায় বলা হয়,
“And no moving (living) creature is there on earth but its provision is due from Allaah” [Hood 11:6]

এই কথা যে কতখানি অপরিপক্ক তা আবারো প্রামাণিত হয়। আল্লাহ যদি সব প্রাণীর সব সন্তানেরই জন্য জায়গা করে রাখেন, তবে জম্মানোর আগে বা পড়ে, অনাকাংখিত শিশু মৃত্যু হয় কেন?

সর্বোপরি, নারীদের সম্পর্কে এই জাতীয় উক্তি করা হলে, উৎসাহ বাড়ে বৈকি কমে না।

“Your wives are a tilth for you, so go into your tilth when you like, and do good beforehand for yourselves, and be careful (of your duty) to God, and know that you will meet Him, and give good news to the believers.” (Quran 2:223)

পৃথিবীতে আরোও কয়েক শ্রেণীর মাঝেও এই একই ধরণের অতি উচ্চহারে বৃদ্ধি পদ্ধতি দেখা যায়। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জনসংখ্যা বিস্ফোরণে মুসলিম সমাজের অবদান- [sb]প্রসংগ জম্মনিয়ন্ত্রণ ও পরিবার পরিকল্পনা [/sb] (একটি ফলোআ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: সামাজিক ক্যাচাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৩
বিডি আইডল বলেছেন: মুসলিম বিশ্বের সব লোক ভারতীয় হিন্দু ধর্ম অথবা চায়নার বৌদ্ধ-খৃষ্টান ধর্ম গ্রহণের জোর দাবী জানাই
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: সম্পূর্ণ অপ্রসাংগিক মন্তব্য।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মিঠাই

৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩
বিডি আইডল বলেছেন: লেখক বলেছেন: সম্পূর্ণ অপ্রসাংগিক মন্তব্য।

হইতে পারে..মূখ্য-সুখ্য মানুষ

তয় জনসংখ্যা বিস্ফোরণের দুইটা দেশের নাম দিছিলাম..সেইগুলি কিন্তু মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ না
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৯

লেখক বলেছেন: মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ নিয়ে নয়, বরং সমগ্র মুসলিম সমাজে জম্মনিয়ন্ত্রণের অনিহাই ও এর পেছনের মানসিকতা নিয়ে পোস্টটি। কষ্ট করে পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করুন।
ধন্যবাদ।

৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৪
বিডি আইডল বলেছেন: এইটা না দেখলে একটু চোখ বুলাইয়েন

৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৫
আরিফুর রহমান বলেছেন: ওই আমলে প্রচুর পরিমান মুসলিম সৃষ্টির প্রয়োজন পড়েছিলো। ইসলামের প্রসার ঘটানোর উদ্দেশ্যে্ই। যুগের বিবর্তনে আজ অনিয়ন্ত্রিত জন্মহার পৃথিবীর জন্য হুমকি স্বরূপ। বিশেষত দরিদ্র দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য আরো বেশি।

'আল্লায় মুখ দিসে আল্লায় খাওয়াইবো'... অশিক্ষিত মোল্লাদের এই প্রচারনায় বিভ্রান্ত হয়ে দরিদ্র সরল জনগন 'আল্লার ওয়াস্তে' অগনিত নতুন ক্ষুধার্ত মুখ পৃথিবীতে নিয়ে আসে।

আল্লা তাদের জন্য মানসম্মত খাবার, শিক্ষা, বাসস্থানের ব্যাবস্থা করেন না। কারন আল্লার দরকার ইবাদতকারী, দরিদ্র মাদ্রাসাছাত্র।

সবাই বলেন যদি মাদ্রাসা না থাকে তবে দরিদ্রের সন্তান কোথায় পড়বে? অথচ ভেবে দেখেন না যে জনসংখ্যার এই বিষ্ফোরনের কারনেই দরিদ্র, হত-দরিদ্রের সংখ্যা বাড়ছে। জনসংখ্যা অনিয়ন্ত্রিত হারে না বাড়লে দরিদ্রের সংখ্যা কমতো, ফলে মাদ্রাসার প্রয়োজনও থাকতো না।

আর ইস্লামে তো বলাই হয়ে থাকে যে 'এই দুনিয়ার কোন মূল্য নে্ই। সবই হলো পরকালে।' এই ভ্রান্তিতে মজে গিয়ে দরিদ্র মানুষ গন্ডায় গন্ডায় বাচ্চা পয়দা করে, আর সারাটা জীবন ধর্ম ব্যাবাসায়ীদের তেল মালিশ করে। মোল্লা নামের একটি অপদার্থ ও অনু্ৎপাদনশীল প্রজাতি এই গরীব মানুষের ঘাড় ভেঙেই খায়।

ধন্যবাদ এই তথ্যমূলক পোস্টের জন্য্।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ, আরিফ।
আপনার মন্তব্যে সহমত জানাই।

৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৫
মিঠাই বলেছেন: Chaina ar India ki jonosonkhya bisphoron er desh naki BDidol? Ei dui desher population growth rate jana ase? Land area ar resource kemun oder seita jana ase?
৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১১
বিডি আইডল বলেছেন: @বেয়াকুফ ভাই...আগেই তো বললাম মূখ্য সূখ্য মানুষ...চায়নায় সরকারী ভাবে এক সন্তান নিতে পারে জানি...সেখানে বিয়ে করতে অনুমোদন পেতেও দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হয়...এটা নিশ্চয়ই তাদের রিসোর্স বেশীর প্রমাণ রাখে।

বাংলাদেশ নিয়ে উপরে একটা ভিডু দিছিলাম
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: দেখলাম। তবে, এখনো বুঝলাম না একটা বিষয়। বাংলাদেশে শিশুমৃত্যু হার বেশ কমেছে। বেশ আশার কথা। তবে, এর সাথে পোস্টের বিষয়বস্তুর সাথে কি মিল পেলেন, পরিস্কার নয়।
আপনি কি আসলে সত্যি সত্যি পোস্টটি পড়েছেন?

৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: বিডি'র ভিডিওটা আগেই দেখেছি আমরা।

এটাতে কি প্রমাণ করে? এর বক্তব্য হলো অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গত চল্লিশ বছরে শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়েছে, এতে অবদান রেখেছে চিকি্ৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি, মানে বিজ্ঞান।

পোস্টের সাথে এই ভিডিওর কি সম্পর্ক, বুঝিয়ে বলেন @বিডি।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: আমারও এই একই প্রশ্ন @বিডি

৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: মুখ দিয়েছেন যিনি, আহার দিবেন তিনি। :)

যুগের প্রয়োজনে মোল্লারা এখন আজল পদ্ধতি হালাল ঘোষণা দিলেই পারে।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: আযল যে হারাম থেকে মাকরু হয়ে যাচ্ছে, দেখুন
১.২.১ এবং ১.২.২
:)

১০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৭
সত্যান্বেষী বলেছেন: “And no moving (living) creature is there on earth but its provision is due from Allaah” [Hood 11:6]


বর্তমানের ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, সুদানে না খেয়ে মানুষের মারা যাওয়া, এবং পৃথিবীর ইতিহাস জুড়ে কোটি কোটি মানুষ দুর্ভিক্ষে পিঠ - পেট এটাট্টা হয়ে ধরাধাম ত্যাগ করা এই আয়াত সত্যতার পর্যাপ্ত সাক্ষ্য বহন করে! নিশ্চয়ই তিনি অতিব সত্যবাদী! ইয়া সিদ্দিকু! ইয়া সিদ্দিকু!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: সমসাময়িক উদাহরণের জন্য সত্যান্বেষীকে ধন্যবাদ।

১১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩০
আরিফুর রহমান বলেছেন: বিডি 'আইডল' মানে 'বাঙলাদেশী অলস' আসলেই আলসেমির পরিচয় দিলো।

ঝিমুনি ভেঙ্গে আচানক আলসে মিঞা একটা ভিড্যু ছাপ্পর দিলো। তারপর লজ্জায় পিঠটান..! ;)
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: হা হা!!! :) :)

আরিফুরের কমেন্টে ধার আছে।

১২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩১
আরিফুর রহমান বলেছেন: @সত্যান্বেষী, অনাহারে মৃত্যুর সাথে সাথে উক্ত মুসলিম বান্দাগন সরাসরি বেহেশতে নসিব হয়, আমার কাছে গোপন ও জটিল খবর আছে! ;)
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: আমিও জানতাম চাই ;)

১৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
সত্যান্বেষী বলেছেন: “Your wives are a tilth for you, so go into your tilth when you like, and do good beforehand for yourselves, and be careful (of your duty) to God, and know that you will meet Him, and give good news to the believer

শষ্যক্ষেত। আহা নারী ইসলাম তোমাকে শষ্যক্ষেত হওয়ার উচ্চ মর্যাদায় আসিন করেছে! তুমি কোন কথা বলতে পারবে না। চাষ দেয়ার সময় শষ্যক্ষেত কোন কথা বলতে পারে না। কিভাবে চাষ দিতে হবে তা সম্পর্ণই চাষীর উপর নির্ভরশীল, শষ্যক্ষেতের উপর নয়। তোমার মধ্যে যেমন খুশি প্রবিষ্ট হবার কথা সরাসরি মহাগ্রন্থ কোরানে লেখা আছে। সুতরাং হে শষ্যক্ষেত্র, তুমি নিরব থাক। বাধ্য থাক। অবাধ্যতার আশা করলে এক আলাদা ঘরে লিঙ্গস্পর্শহীন হয়ে থাকার ভয়াবহ শাস্তিও কিন্তু মহাগ্রন্থ কোরানে রয়েছে। সুতরাং হে নারী তুমি কেবল শষ্যক্ষেত্রের মতো নিজেকে বিছিয়ে দাও।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৩

লেখক বলেছেন: হুমম!

১৪. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: আহা!

পুরুষ হলে মুসলমান হওয়ার সবচে বড় প্রণোদনার উল্লেখ করলেন সত্যান্বেষী।

নারী যদি পুরুষের ইচ্ছামতো নিজেকে সমর্পন না করে, তবে নারীকে প্রথমে আঘাত করার এজাজত দেয়া হয়েছে।

তাতেও যদি অবাধ্য নারী নতশির ও উন্মূক্ত উরু না হয়, তবে তাকে গৃহবন্দী করে হত্যাও করা যাবে।

অসাধারন 'মানবিক' সে ধর্ম, অসাধারন 'মর্যাদা' দেয়া হয়েছে ইসলামে নারীকে।

এই ইসলাম নিয়ে ক্রোধ প্রকাশ করলে্ই আপনি হয়ে যাবে তথাকথিত 'ইসলাম বিদ্বেষী'।

কাজেই সাবধান। আসুন জিকিরে বসি। আমাদের শস্যক্ষেত্রগুলি ভরিয়ে তুলি অগনিত মুসলিমের ফসলে।

আমেন।
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আরিফ। সত্যগুলো তুলে ধরবার জন্য।
এধরণের সত্যের কাছে পুরুষ হিসেবে ভীষণ লজ্জা পাই।

১৫. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১
সবাক বলেছেন:
শস্য ক্ষেত্রে বাম্পার ফলন না হইলেতো উর্বরা জণিত প্রশনো দেখা দিবো.....

আসুন আমরা আমাদের শস্যক্ষেত্রর উর্বরা শক্তির প্রমাণ করি এবং বাম্পার ফলনে মনোনিবেশ করি (সুম্মা-আমিন)
১৬. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
সত্যান্বেষী বলেছেন: @ সবাক: সুম্মা-আমিন।
১৭. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৩
বিডি আইডল বলেছেন: আরিফ...রান্না করতে গিয়েছিলাম...সবাইরে নিজের মত না ভাবলেও চলবে।

আপনার পোষ্ট না পইড়া মন্তব্য করি নাই...জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিদ্বেষ মুসলিম বিশ্বের উপর চাপাচ্ছেন...তাই ওই উদহারণ গুলান দিলাম...আর জনবহুল মুসলিম দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তো ১ নং এ আছে বলেই জানি...

একটা পরিসংখ্যান দিতে পারবেন: মুসলিম দেশের জনসংখ্যা+পার কাপিটা রিসোর্স ভার্সাস অমুসলিমদেশের তথ্য?
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনি মুসলিম দেশ, মুসলিম দেশ নিয়ে অযথা ভাবছেন কেন? জনসংখ্যা বাড়ছে। আর এই সমস্যার প্রেক্ষিতে মুসলিম সমাজের অবদান নিয়েই পোস্ট খানি।
ফলোআপ হিসেবে কেন পোস্ট টি লেখেছি তা প্রথমদিকেই পরিস্কার লেখা আছে। এখানে, বলে রাখা ভালো যে পোস্ট টি লিখতে আমার যথেষ্ঠ সময় লেগেছে। এবং অবশ্যই যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য অনুসন্ধান শেষেই পোস্ট টি করা।

সবিশেষ অনুরোধ, আসুন পোস্ট সম্পর্কিত আলোচনা করি। পরবর্তিতে আপনার জন্য নতুবা পরিসংখ্যান নির্ভর আলোচনা করা যাবে।

১৮. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:০৮
আরিফুর রহমান বলেছেন: মুসলিম প্রধান দেশগুলিতে জনসংখ্যার বিষ্ফোরনে ইসলাম ধর্মের নীতিগুলির কু-প্রভাব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, @অলস বিডি।

অপ্রাসঙ্গিক কথার অবতারনায় কিন্তু বক্তব্য খন্ডিত হলো না!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: আসলে, আলোচনার বিষয় ঘুরিয়ে দেবার একটা প্রচেষ্টা দেখলাম বিডি'র কাছে। যেটা দুঃখজনক। :(

১৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: পোস্ট প্রসঙ্গে...

বছর বিশেক আগে জন্মনিয়ন্ত্রন নিয়ে প্রচুর প্রচারনা হতে দেখেছি। তারপর কোন এক অদৃশ্য কারনে গনমাধ্যমগুলি এ বিষয়ে কোন প্রকার প্রচারনা চালায় না আর।

এর পেছনে কারো অসদুদ্যেশ্য কি থাকতে পারে!
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: অসদুদ্যেশ্য থাকাটা খুব স্বাভাবিক। নেটে এবিষয়ে কিছু সার্চ করা যেতে পারে। তবে, মনে হয়না কিছু পাবো। :(

২০. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: একটা ছোট তথ্য দেই।

আজল(azl) পদ্ধতিও কিন্তু জন্ম রোধক হিসেবে তেমন কার্যকরী কোন পদ্ধতি না।

আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে জানতে পারা যায় যে
"শুক্রাণু গুলো ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকে, এবং এদের চলৎশক্তি রয়েছে।শুক্রাণু যদি উরুর উপরেও ক্ষেপন হয় তবে নারীর গর্ভবতী হবার সম্ভাবনা থাকে ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত, যদি না শুক্রাণু গুলো ভালোভাবে পরিস্কার করে ফেলা হয়।"
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, বৃত্তবন্দী। মূল লেখার ১নং পয়েন্টের ২য় প্যারাতে আমি একই কথা বলেছি।

২১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পৃথিবীতে আরোও কয়েক শ্রেণীর মাঝেও এই একই ধরণের অতি উচ্চহারে বৃদ্ধি পদ্ধতি দেখা যায়। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস।

-------------------

ব্যাকটিরিয়া আর ভাইরাস মারা তো অনেক ক্যামিকেল পাওয়া যায় ..
মুসলমান মারার ওষুধ কি ?

নাকি নাস্তিক সাপোজিটারি দিলে কাজ হইব ......

একটু সারাংশ দেন .. আপনারা তো খারাপ বইলাই খালাস .........
কারে কারে খাসি করতে হবে .. কি করিলে কি হইবে এই জাতীয় ....

ইদানিং অনেকে অনেক কথা কয় ...... এই সব প্রশ্ন করার আগে নিজে জনসংখ্যা না বাড়ানো জন্য কি করছেন বলেন ?

আরেক জন কয়টা বাচ্চা নিব না নিব এটা যদি আপনারদের ঠিক করার অধিকার দিল কে ?

ওবামার দুইটা বাচ্চা পারলে বলেন তো -- এই গর্দভ ৭০০ কোটি ছাড়াইছে জনসংখ্যা একটা বাচ্চা নে ..........

১৪০০ বছরের আগে অনেক কিছু সমালোচনা করা সোজা .. একি জিনিষ তো আরো সমাজেই ছিল ........

আরে না এই কথা বলাই যাইব না তাইলে তো "তোড়ায় বাধা ঘোড়ার ডিম হইব" ....... যত দোষ সব নন্দঘোষ মুসলামান ব্যাটার ---

তো ভালো কথা ....এত জ্ঞানী গুনি মানুষ জন ,, মুক্তচিন্তাবিদ .. মানুষের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী লোকজন ..... আরেকজন বাচ্চা নেয়ার স্বাধীনতা নিয়া টান দেয় কেন ?

আপনাদের জীবন দর্শনটাই দেন ... নাকি বলবেন আমি শিওর না ?

পৃথিবীতে খালি আপনাদেরই অধিকার আসে --- আর সব ব্যাটার পানি দিয়া ভাইস্যা আইসে

------------------------------

ঝামেলাহীন যোনী ভোগের ইচ্ছা কোন ব্যাটার নাই আমি শুনতে চাই ....

প্রগতিশীল ইসলামবিদ্বষীরা কি সব সেক্স চেন্জ কইরা ট্রান্সভেসটাই হইছে... না গে হইয়া গেসে ?

------------------------------


পুরুষাংগ বের করে দিলে নারীদের যৌন তৃপ্তি আসেনা। নারীর পূর্ণাংগ ও সঠিক রাগমোচনের জন্য যোনিতে বীর্যক্ষলন করতেই হবে - দুটি শরীর আলাদা হাওয়া সত্ত্বেও একজনের সরাসরি রাগমোচনে আরেকজনের শারীরিক রাগমোচনের হাইপোথিসিসটি যথারীতি বিজ্ঞানভিত্তিক নয়।

এই হাইপোথিসিস কই থিকা পাইলেন ?

কিভাবে নারীদের যৌন তৃপ্তি দিতে হয় এই বিষয়ে আরো কিছু জানতে চাই(ইসলামবিদ্বষী)
---------------------------------


*** এটি আসলে প্রথম পদ্ধতির লাগাম ছাড়া ব্যবহারের সরাসরি ফসল। যতবেশি অনিরাপদ যৌন বিলাস, তত বেশি সন্তান। আর যদি বেশি সন্তান, তত বেশি দারিদ্রতা। এটা অনস্বীকার্য। প্রায় প্রতিবছর একজন সাধারণ পরিবারে একটি নতুন মুখের আগমন, অভাবের সামনে কতখানি নারকীয়, যার ব্যাথা শুধু সেই বুঝে। তাছাড়া, এই নতুন শিশুর মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য বাধা ধরা নিয়মিত আয়ে সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। আর, একটু বাড়তি আয়টুকু মানে, আরেকজনের মাথায় হয়ত কাঁঠাল ভাংগা। *****

ভালো কথা ... নি:সনতান দম্পতির জীবন কতখানি দূর্বিষহ জানেন ?

"সাহেব কইসে তাই আমিও কই" ...
.....ছেলে না মেয়ে না
লিভ টুগেদারই যথেস্ঠ.....।

আসেন সারা দুনিয়ারে একটা ফার্ম বানাইয়া দেই --- {সঠিক সময়ে জন্ম নিবা -- ঠিক ঠাক মতো নাস্তিকতা অনুযায়ী কাজকাম করবা -- উদ্দাম নাইট ক্লাবে ড্রাগ খাইবা আর মাগী লাগাইবা ---- বোরিং হইয়া গেলে বিয়া করবা -- একটা -ডুইটা বাচ্চা প্রসব করবা (মাঝে মাঝে অবর্ট করবা মজার জন্য ) --- স্বাদ চেন্জ করার লইগ্যা ডিভোর্স নিবা ---- বুড়া বয়সে একলা একালা বাল ফালাইবা --- মরার কিছু আগে সিমেন্ট মাথা ঘইস্যা দাগ ফালাইবা }


-------------------------------

@ নাজিম মুখ দিয়াছেন যিনি আহার দিবেন তিনি .. ভালো কথা মানলাম না এই কথা ..

মানুষ কিন্তু এই সব উচ্চমার্গের চিনতা না কইরাই সুন্দর মতো বাইচ্চা রইসে .. মারা যাইতাছে ...

একটা জাম্বিয়ার, চীনের , বাংলাদেশের গ্রামের লোক কিন্তু আইনষ্টাইন , ডারউইন , রবীন্দ্রনাথ না পইরাই সুন্দর জীবন কাটাই দিতে পারে -- এটাও বইলেন না যে তার জীবনের কোন মানে নাই

এই সব মহারথীরা না থাকলেও কিন্তু পৃথিবী পৃথিবীর মতো চলতো ..

মানুষ সব প্রতিকূলতা এই সব থিওরীওলা দের ছাড়াই দুর কইরা আসছে

আর প্রকৃতিই খাবার যোগাইয়া যাইতাছে ...

কলিমূদ্দির ১০ নাম্বার পোলাটা যে আইনষ্টাইন হবে না এই গ্যারান্টি আপনে দিতে পারেন না

------------------------------

ইসলাম বিদ্বেষী হওয়া খুব সোজা ... পারলে মানুষরে কিছু রাস্তা দেখান




১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনি রাগের মাথায় কথাগুলো বলেছেন বলে মনে হলো।

দেখুন, আমি ইসলাম বিদ্বেষী নয়। আমি সব ধর্মকেই শ্রদ্ধা করি।
তবে, বিশ্বাস আপডেটের সময় এসেছে বলে মনে করি।

ধর্ম নামের ব্যাকডেটেড হাইপোথিসিসে আর কতদিন।

২২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৯
প্রগতিশীল বলেছেন: আপনার চিন্তার ধরণ বিকৃত ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

লেখক বলেছেন: এটা আসলে আপনার দেখার দৃষ্টি ভংগির কারণে মনে হচ্ছে। আমি নিঃশ্চিত, অন্য কোন ধর্ম সম্পর্কে এই ধরণের পোস্ট দিলে আপনি আনন্দ চিত্তে আমার সুনাম করতেন।

২৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫১
অলস ছেলে বলেছেন: চিন্তার বিষয়। হুমম। :(
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: চিন্তা করুন, তবে বেশি দেরী যেন না হয়। :(

২৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
দেশী পোলা বলেছেন: সব কথা মানলাম, এখন প্রশ্ন হচ্ছে এটার থেকে পরিত্রান কি?

সব মুসলমানকে তো ষ্টালিনের মত সাইবেরিয়া পাঠাইতে পারবেন না। এথনিক ক্লিনজিং করবেন নাকি?

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: দেখুন, এই অবস্থা শুধু ইসলাম নয়, অন্যান্য ধর্মেও হতে পারতো (হয় কিনা যদিও শিউর নই)। ইসলামকে খাটো করা আমার উদ্দেশ্য ছিলো না।
আমার মনে হয়, বিশ্বাস টাই আসল।

"দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভালো"

২৫. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭
দেশী পোলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: ইসলামকে খাটো করা আমার উদ্দেশ্য ছিলো না।
আমার মনে হয়, বিশ্বাস টাই আসল।


আপনি কিছুই খাটো করেন নাই, কিন্তু সলিউশনও কিছু দেন নাই। ইসলামের বংশবদ-দের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে বুঝলাম, সলিউশন কি? কি কি জিনিষ আপডেট করবেন?

মুসলিম নারীকে দিয়ে হিজাবী পর্নস্টার বানাবেন?? যাতে মাদ্রাসার পোলাপান বিয়া করে বংশবৃদ্ধি না করে হিজাবী পর্ন দেখে হস্তমৈথুন করে?? আইডিয়া খারাপ না - কি বলেন?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: "আপনি কিছুই খাটো করেন নাই, কিন্তু সলিউশনও কিছু দেন নাই। ইসলামের বংশবদ-দের বংশবৃদ্ধি হচ্ছে বুঝলাম, সলিউশন কি? কি কি জিনিষ আপডেট করবেন?"
- ভাইরে, আমি কোন নবী রসুল না যে সমাধান দিবো!!!!
আর, যদি আপনি কোরআন আপডেটের কথাই বলেন, তবে আপডেট না, এলুমিনেট করতে হবে। কারণ, আপডেট করতে গিয়ে যা হবে, সেটা হলো- "ঠগ বাছতে গাঁ উজার"

"মুসলিম নারীকে দিয়ে হিজাবী পর্নস্টার বানাবেন?? যাতে মাদ্রাসার পোলাপান বিয়া করে বংশবৃদ্ধি না করে হিজাবী পর্ন দেখে হস্তমৈথুন করে?? আইডিয়া খারাপ না - কি বলেন?"
- এটা অত্যন্ত অসুস্থ ও রাগের কথা।

আমি আগেই বলেছি,"দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল ভালো"
আশা করি, বুঝে নেবেন। ভালো থাকুন

২৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯
এস্কিমো বলেছেন: ড্যানিয়েল পাইপের থিসিস আছে এই বিষয়ে বিরাট থিসিস আছে। দেখতে পারেন @শূন্য আরণ্যক
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: লিংকটা পেলে ভালো হতো@এস্কিমো

২৮. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৮:৩১
রবি১৭৬৫ বলেছেন: জনসংখা সমস্যা নয় সম্পদ, যদি তা কাজে লাগানো যায়, রাশিয়া সহ পৃথিবীর অনেক দেশ জনসংখা বাড়ানোর জন্য জনগনকে উৎসাহ প্রদান করা হয়,
এক সময় আমাদের দেশের জনসংখা খুব কম ছিল তখন মানুষ না খেয়ে মারা গেছে, র্দুভিক্ষ হয়েছে, কই দেশে এখন জনসংখা অনেক মানুষ তো না খেয়ে মরে না। আর বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ এজন্য দায়ি মুলত র্দূনীতি এবং অব্যবস্থাপনা, আর এ জন্য জনসংখা কোন মতেই দায়ি নয়। বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানী শিল্প গড়ে উঠেছে জনসংখার জন্যই। তার পর ফরেন রেমেটেন্স এর জন্য রয়েছে জনসংখার অবদান। আমেরিকার সারাহ পলিনকেই অনেকেই চিনেন তার তো ৫টা সন্তান, তারা আমাদের চেয়ে কম অধুনিক। যেখানে আজ পঞ্চিমা বিশ্ব ইসলামের দিকে ঝুকছে আমরা সেখানে
নাস্তিক বনে যাচ্ছি। ইসলামে কোন বিধানেই ভূল নেই সেটা বহুবার প্রমানিত হয়েছে। ইসলাম হচ্ছে মানুষের কল্যানের জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৪৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বৃত্তান্ত বাই ডিফল্ট আসেও না। থাকলেও সবাই পড়ে না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ