-এ্যাই কি করছো?
-কিচ্ছু না, শুধু তোমার কথা মনে পড়ছে।
-সত্যি! আমিও না তোমার কথাই ভাবছিলাম আর তাই তোমাকে ফোন করলাম।
-আমার এই ছোট্ট নকিয়া ফোনটির ওপর আমিযে কতোটা নির্ভরশীল তা বলে বোঝানো যাবে না। এটাই আমার একমাত্র ভরসা যখন-তখন তোমারকে কাছে পাওয়ার। মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোকে ধন্যবাদ। ভাবো তো, আগে মানুষ কিভাবে প্রেম করতো! ঘরে একটি মাত্র ল্যান্ড ফোন সেটাও আবার বাবা-ভাইয়ার কড়া নজরদারিতে। ছেলেরাতো তাও পাড়ার দোকানে গিয়ে ম্যানেজ করতে পারতো, কিন্তু মেয়েরা?
-শোনো, কাল একবার আসবে?
-কোথায়?
-উমমম, ইয়ে মানে গত সপ্তাহে যেখানে দেখা হয়েছিল!
-টিএসটি?
-হ্যা হ্যা টিএসসি। প্লিজ বিকেলে একবার আসো না!
-ঠিক আছে, সকালে তোমাকে ফোনে জানাবো। কেমন।
-কতোদিন তোমাকে ভালোভাবে আদর করা হয়না! বরং এক কাজ করো, টিএসসি নয়, আমি একটা ঠিকানা বলি, তুমি কাল সকালে এখানে চলে এসো, তারপর সারাদিন আমরা দুজন.......এটা আমার এক বন্ধুর ফ্ল্যাট, কাল পুরোটাই আমাদের জন্য ফাকা থাকবে। এর পর....শুধু তুমি আর আমি......
-হা হা হা....হো হো হো.....
-কি হলো, পাগলের মতো হাসছো কেন?
- হি হি হি, শামীম ভাই কেমন বোকা বানালাম আপনাকে! আমি রুমা বলছি, শোভনা তার ফোনটা ভুলে আজ আমাদের বাসায় ফেলে গেছে। একটু আগেই এটা দেখতে পেলাম আর এ সময় আপনার ফোন। কেমন বোকা বানালাম আপনাকে বলেন তো! এতোক্ষণেও আমার গলা চিনতে পারলেন না! শোভনা ভেবে কত আবেগময় কথা বলে গেলেন, আবার গোপন অভিসারের আমন্ত্রণ....হা হা হা...কিসের প্রেমিক আপনি!!
-অ- এই কথা, তাইলে শুইনা রাখেন, আমি ছামিম না, আপনাগো পেয়ারের ছামিম ছাব অখন হাসপাতালে। একটু আগে আমরা ঠ্যাক দিয়া হের কাছ থেইকা সব মাল লইয়া লইছি। হালায় একটু বেসি তেড়িবেড়ি করতাছিল, এর লাইগা পেটে ক্ষুর দিয়া হালকা একটা পোচ দিছি। আর মোবাইল ফুনটা দিয়া চামে একটু পিরিত করবার চাইছিলাম। যাউগগা.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



