somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তবুও ভারত অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র : আলফাজ আনাম

০২ রা অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তিনি একজন মন্ত্রী। ছোটখাটো কোনো দেশের নন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক এবং অন্তত সাংবিধানিকভাবে অসাম্প্রদায়িক দেশ ভারতের মধ্যপ্রদেশের সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী। তার নাম অখণ্ড প্রতাপ সিং যাদব। সম্প্রতি তার দলের নেতাকর্মীরা তার মৃত্যু কামনা করে পারলৌকিক ক্রিয়াদি সম্পন্ন করে ১৩টি গাধাকে ভোজন করানো হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, নেতাকর্মীরা ঘোষণা দিয়েছ্নে মন্ত্রীকে পেলে তার মুখে কালি লেপে, গায়ে কাদা ছুড়ে কাপড়-জামা ছেঁড়া হবে। বেচারা মন্ত্রী এখন অনেকটা আত্মগোপনে আছেন। মধ্যপ্রদেশ বিজেপি শাসিত রাজ্য। এ ঘোষণা দিয়েছে বিজেপি’র অঙ্গসংগঠন জাগরণ সমিতি। আর বজরং দলের পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, তাকে আর তার জন্মভিটায় ঢুকতে দেয়া হবে না। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তিনি যে আর দলের মনোনয়ন পাবেন না এটা প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু কেন এ মন্ত্রীর ওপর বিজেপি বজরং দল বা জাগরণ সমিতির ক্ষোভ? কারণ, একটি দাওয়াতে অংশ নেয়া। যেহেতু তিনি সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী, সে কারনে তার প্রদেশের সংখ্যালঘু মুসলমান স¤প্রদায়ের আমন্ত্রনে এক ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেছে বিজেপি আর তার অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। আমাদের দেশের সংবাদপত্রে ভারতের খবর সব সময় গুরুত্বের সাথে আসে না। আর এমন খবর তো ছাপাই হয় না। কেন হয় না, তা নিয়ে পরে আলোচনা করব। তবে ভারত আমাদের শুধু প্রতিবেশি দেশ নয়, নানা কারণে ভারতের প্রতি আমাদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। খবরটি ভারতের একটি সংবাদপত্র থেকে নেয়া। ভারতে প্রতি বছর বিভিন্ন প্রদেশে সা¤প্রদায়িক হানাহানি হয়, তাতে শত শত লোক মারা যায়। কিন্তু এ খবরের গুরুত্ব অন্যখানে। তা হলো ভারতীয় জনগোষ্ঠীর সহনশীলতার মাত্রা কতখানি। তা উপলব্ধি করা যাচ্ছে এ খবর থেকে। সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী সংখ্যালঘূ স¤প্রদায়ের দাওয়াতে অংশ নেয়ায় এ পরিণতি। তাহলে ভারতের সংখ্যালঘুরা কেমন আছে, তা সহজেই বুঝা যায়। আমাদের প্রতিবেশি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টচার্য স¤প্রতি স্বীকার করেছেন, তার রাজ্যে মুসলমানরা পিছিয়ে আছে এবং দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে। যদিও এরা এত দিন বলে আসছিলেন ধর্ম পরিচয়ে নয়, তারা নাকি মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেন। তবে মুসলমানরা মানুষ নামের একটু ভিন্ন প্রজাতি এ কারণে তার সরকারী সুযোগ-ুবিধা থেকে একটু বেশি পিছিয়ে পড়েছে। তার পরও ভারতের কোনো মিডিয়া বা সুশীলসমাজের পক্ষ থেকে এধরণের প্রচারণা দেখছি না যে নির্যাতিত কোনো মুসলমান দেশত্যাগ করে পাকিস্তান বা বাংলাদেশ চলে গেছে। কী জানি বাংলাদেশের মিডিয়া বা সুশীলসমাজের মতো সে দেশের মিডিয়া বা সুশীলসমাজ হয়তো এতটা সংখ্যালঘু ফ্রেন্ডলি নয়।

ভারতের কমপক্ষে তিনটি প্রদেশ এখন সংখ্যালঘুদের ওপর নানাভাবে নিপীড়ন চলছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশ হইচই হচ্ছে। তবে যারা এই মুহূর্তে বেশি নির্যাতনের শিকার হচেছ তার মুসলমান নন। ধর্মীয় পরিচয়ে তারা খ্রিস্টান। এ কারণে হইচই বেশি হচ্ছে। অবশ্য এসব খবর আগের মতো ঢাকার সংবাদপত্রে প্রকাশিত হচেছ না। স¤প্রতি কর্ণাটকের মেঙ্গুলুরে খ্রিস্টানদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনায় সেখানে কারফিউ জারি করতে হয়েছিল। সেখানে চলতি মাসের ৭ ও ১৪ তারিখে প্রায় ১৬টি চার্চে হামলা চালানো হয়। সাধারণত দলিত হিন্দুরাই এসব অঞ্চলে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে। আর এরাই সমাজের প্রভাবশালী হিন্দুদের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। কর্ণাটক রাজ্যে এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসেনি। ভারতীয় পত্রপত্রিকা বলছে, সেখানকার সংখ্যালঘু খ্রিস্টান স¤প্রদায় এখন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে।

শুধূ কর্নাটক নয়, আমাদের কাছাকাছি ভারতের আরেক রাষ্ট্র উড়িষ্যায় খ্রিস্টান স¤প্রদায়ের অবস্থা আরো শোচনীয়। এক সময় বাংলা, বিহাড় আর উড়িষ্যা এক শাসনের অধীনে শাসিত হয়েছে। সিরাজ উদ্দৌলার পরিচয় আমরা জানি বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার নবাব হিসেবে। এ নামগুলোর সাথে আমাদের কেমন যেন ভাবাবেগ কাজ করে। কিন্তু এসব রাষ্ট্র এখন ভারতে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া এলাকা। উড়িষ্যাও বিজেপি শাসিত। সেখানে এখন সা¤প্রদায়িকতার বিষবাষ্প। গত এক মাসে খ্রিস্টান মিশনারি পরিচালিত এক অনাথ আশ্রমে হামলার ঘটনায় আশ্রমের দায়িত্বে নিয়োজিত এক মহিলা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। এর আগে ৯৯ সালে এই উড়িষ্যায় আট ও দশ বছরের দুই পুত্রকে নিয়ে এক অস্ট্রেলিয় নাগরিক গাড়িতে করে যাওয়ার সময় তার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হলে পিতা-পুত্রসহ তিনজন আগুনে পুড়ে মারা যান। এসব খবর পড়ার সময় মনে প্রশ্ন এসেছে, সিরাজ উদ্দৌলার সময় কি সা¤প্রদায়িক দাঙ্গায় এভাবে মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল? ইতিহাসে তেমন কোনো সাক্ষ্য পাওয়া যায় না। তখন ভারতের জনগোষ্ঠী এতটা শিক্ষার আলোয় আলোকিত ছিল না। কিন্তু এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটে নি। কিন্তু এখনকার সভ্য ভারতে এমন ঘটনা ঘটছে অহরহ। নরেন্দ্র মোদির গুজরাটে ২০০২ সালে হিন্দু উগ্রবাদীদের হামলায় প্রায় ১ হাজার মুসলমানকে হত্যা করা হয়েছিল। এক মাসের এই দাঙ্গায় ২৫ জেলার ১৫১টি শহর আর ৯৯৩ টি গ্রাম ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছিল। সে সময় অনেক মুসলমানকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদির এ হত্যাযজ্ঞ হয়েছিল তখনকার গুজরাট সরকারের রাষ্ট্রীয় মদদে। পুলিশ প্রশাসন ছিল নির্বিকার। কারণ, রাষ্ট্রযন্ত্র ছিল হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত। রাষ্ট্রীয় মদদে এখনো ভারতে প্রতিদিন এভাবে সংখ্যালঘু মুসলমান কিংবা অন্য ধর্মের নাগরিকরা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এখন তো মনমোহন সিং বুশের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের এক নম্বর সহযোগী। তারাও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। প্রায়ই আমরা আলকায়েদা তালেবানদের মতো নানা সংগঠনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত মুসলমান নাগরিকদের হত্যার খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে পাচ্ছি। তারা কি প্রকৃত অর্থেই সন্ত্রাসী না নরেন্দ্র মোদির সহযোগী ভারতীয় ট্রিগারহ্যাপি নানা বাহিনীর শিকার। আমরা জানি না। যদিও ভারতেরই মানবাধিকার সংগঠন সন্ত্রাস দমনের নামে এ ধরণের হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করছে।

রাষ্ট্রীয় বা স্থানীয় প্রশাসনের মদদে ভারতের এসব সা¤প্রদায়িক কর্মকাণ্ড কোনো রাষ্ট্রের জন্য আদর্শ তো নয়ই, উদাহরণও হতে পারে না। আমরা গর্বিত ভারতের একেবারে প্রতিবেশী একটি দেশে সব ধর্মের মানুষ পরম শান্তিতে একে অপরের সাথে পারস্পরিক সুসম্পর্কের ভিত্তিতে বসবাস করছে। অহেতুক ভারতবিদ্বেষ নয়, ভারতের এসব সা¤প্রদায়িক পৈশাচিক কর্মকাণ্ড থেকে আমরা শিক্ষা নেবো, যাতে কখনো এ দেশে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।

আগেই বলেছি, কোনো খারাপ উদাহরণ হতে পারে না। কিন্তু তুলনামূলক বিচারের জন্য এ আলোচনা। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, আমাদের দেশের একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী লেখক এবং ভারতের প্রতি নানা কারণে আনুগত্যবাদী গোষ্ঠী বাংলাদেশকে চিত্রিত করছে একটি সা¤প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে। বাংলাদেশ থেকে হিন্দুদের দেশত্যাগের নানা কল্পকাহিনী প্রচার করছে। প্রচার করছে বাংলাদেশে সা¤প্রদায়িক স¤প্রীতি নষ্টের নানা খবর। এদের চোখে ভারত হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর অসা¤প্রদায়িক আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আমরাও মনে করি ভারত বিশ্বের সবচেয়ে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর অন্যতম। ভারতে যেভাবে ভিন্নমতাবলম্বী মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে, তাতে কি দেশটিকে অসা¤প্রদায়িক আধুনিক রাষ্ট্র বলা যায়? বলা যায় না। গণতন্ত্রের মূল বাণী হলো সহিষ্ণুতা। ভারতে সেই সহিষ্ণুতা কোথায়?

ভারতের এ চিত্রের সাথে বাংলাদেশকে মেলালে এ দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কি আমরা কেবল অন্ধকার দেখি? না কোনো আলোর রেখা আছে?

এ দেশের বুদ্ধিজীবী ও সুশীলসমাজ বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নাম করে একটি অসাংবিধানিক অগণতান্ত্রিক জবাবদিহিতাবিহীন সরকার জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর হানাহানির কারণে নাকি এমন অগণতান্ত্রিক সরকার জরুরী ছিল। অথচ এদের আদর্শের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শুধু একটি প্রদেশ পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মারা গেছে ১৭ জনের বেশি লোক। সেখানে শাসক দলের সাথে প্রতিপক্ষ দলের রাজনৈতিক দলের খুনাখুনিতে প্রতি মাসে দুয়েকজন লোক নিহত হচ্ছে। কিন্তু ভারত ব্যর্থ রাষ্ট্র হয় না বা পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকার ব্যর্থ সরকার নয়। লালু প্রসাদ যাদব কিংবা রাবড়ী দেবীর মতো অশিক্ষিত বা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত রাজনীতিকরা বছরের পর বছর বিহার শাসন করলেও সেখানে সেনাসমর্থিত সরকার এমনকি কেন্দ্রের শাসন প্রয়োজন হয় না, ভারতের পার্লামেন্টে এমপি কেনাবেচার টাকা স্পিকারের সামনে প্রদর্শন করা হলেও সে দেশে গণতন্ত্র দুর্বল হয় না। কিংবা রাজনীতিবিদদের দুর্নীতির জন্য জেলে পাঠানো হয় না। কিন্তু তার পরও ভারত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে রাজনীতিবিদদের প্রতি শিক্ষিত স¤প্রদায়ের আস্থার মধ্যে। ভারতে রাষ্ট্রঘাতী কোনো বুদ্ধিজীবী বা সুশীল সমাজ আমরা দেখি না কিংবা নিজের দেশকে কুৎসিতভাবে তুলে ধরার মতো জ্ঞানপাপী বুদ্ধিজীবী ভারতে নেই। আমাদের দেশের বুদ্ধিজীবীরা অনেক বেশি প্রতিভাবান। তাদের প্রতিভা এমনই যে খৈ খাওয়ার জন্য তার ধানের গোলায় আগুন দিতে পারে। বাংলাদেশকে পশ্চাৎপদ একটি দুর্বল রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য আমাদের বুদ্ধিজীবী যারা স¤প্রতি সুশীলে পরিণত হয়েছেন তাদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী ও তথা কথিত সুশীলসমাজ যদি ভারত থেকে শিক্ষা নিত, তাহলে বাংলাদেশের চিত্র হতো ভিন্ন রকম। বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অনেকখানি এগিয়ে যেত।
১৯টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিলেন মমতার দলকে?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:২২


শেখ হাসিনাই ধ্বসিয়ে দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জিকে। কিভাবে? দুই দফায় পানিচুক্তি হতে দেননি মমতা। কংগ্রেসের মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এবং বিজেপির Narendra Modi প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন দুবার দুজনই বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, দুবারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×