somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেড়ার ওপারের ঘাস সবসময় বেশী সবুজ...

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১. সৈকত বিয়ের পর থেকে বেতন দেখেছে(পড়ুন রেখেছে) শুধু অফিস থেকে বাসায় আসা পর্যন্ত সময়টুকু। কারণ বাসায় আসার পরই সেটা তুলে দিতে হয় স্ত্রী'র হাতে। সৈকত গ্রাম থেকে উঠে আসা এক কর্পোরেট যুবক। অনেক লিংকের মাধ্যমে বড়লোকের এক শ্যামলা মেয়েকে বিয়ে করে। হয়তো নিজের শিকড়ের দুর্বলতা আর পারিবারিক শান্তির জন্য সৈকত এটা মেনে নিচ্ছে বছরের পর বছর। তবু তার স্ত্রীর রাগ স্বামীর উপর। অন্য সবার অনেক কিছু আছে। তাদের কিছু নেই। ঝগড়া আর দাম্পত্য কলহ নিয়েই সংসার চলছে...

২. ফারুক আবার এইদিক দিয়ে লাকি। কারণ, ফারুকের স্ত্রীর তার স্বামীর টাকার প্রতি কোন লোভ নেই। ফারুকই ঘরের সব কিছু সামলায়। সবকিছু বলতে বাচ্চার স্কুল, সকালের নাস্তা, অফিস থেকে ফিরে রান্না, ঘর মোছা সহ অধিকাংশ ঘরের কাজ। কারণ, ফারুকের বউ ডিপ্রেশানের রোগী। সারাদিন এক রুমে বসে থাকে। ঝগড়া আর স্বামীকে সন্দেহ করতে করতে এই অবস্থা। এক ছেলে আছে। তালাক দিলে ছেলে হয়ে যাবে মা হারা, হয়ে যাবে ব্রোকেন ফ্যামিলির সন্তান। সেই কারণে ইচ্ছের বিরুদ্ধে সংসার চালিয়ে যাওয়া...

৩. আর করিমকে কী বাদ দেয়া যাবে? (করিম আর কেয়া সম্পর্কে আগেই জেনে থাকবেন) করিমের স্ত্রী 'কেয়া' মানসিক রোগীও না, স্বামীর টাকাও দরকার নেই। সংসারের সব কাজও করে। তবে সবাইকে ভুল বুঝে। শাশুড়ি, দেবর, ননদ, ভাই, ভাবী, মা সবাই শুধু তার সাথে প্রতিনিয়ত অন্যায় করছে। ফলাফল, সবার থেকে দূরে। সে চায় করিম তার মা ভাইয়ের বিচার করুক। কিন্তু সেটা তো সম্ভব নয়। আর বিচার না করার মানে হলো কেয়া যা বলে সব মিথ্যা!! তাই করিমের সাথে ঝগড়া আর করিম বেচারা সন্তানের জন্য সংসার চালিয়ে যাচ্ছে...

৪. সৈকত ভাবে ফারুক লাকি। কারণ, ফারুকের টাকাটা ফারুকের কাছে থাকে। ফারুকের বউ যদি সৈকতের বউ হত, তাহলে ভালোবাসা দিয়ে ঠিক করে ফেলা যেত। ফারুক ভাবে করিম লাকি। কারণ, ফারুক যৌথ পরিবারে থাকে না। করিমের বউ যদি ফারুকের বউ হত, তাহলে ভালোবাসা দিয়ে ঠিক করে ফেলা যেত। করিম ভাবে সৈকত লাকি। কারণ, সৈকতের বউ সবার সাথে মিশে আর ভালো সম্পর্ক রাখে। সৈকতের বউ যদি করিমের বউ হত, তাহলে টাকা দিয়ে হলেও ভাই, বোন আর মার সামনে বউ নিয়ে কথা শুনতে হত না। আর ভালোবাসা দিয়ে ঠিক করে ফেলা যেত...
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৬
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২০ সালের মধ্যে প্যাসিফিক মহাসাগরে গঠিত হবে বিশ্বের প্রথম ভাসমান শহর

লিখেছেন ইতি সামিয়া, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৫



একদিন বাড়ি ফেরার জন্য বাসে ওঠার পর দেখি আমার সাথে সাথে হুড়মুড় করে চারজন বেদের মেয়ে জোছনা উঠেছেন।উনাদের পথে ঘাটে বহুবার দেখেছি , কিন্তু এরকম গায়ে গাঁ লাগিয়ে কখনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

উপেক্ষিতার সম্ভ্রম

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৭

ফুলের দোকানে সেদিন খুব ভিড় ছিল,
ফুলপ্রেমী ক্রেতাদের আনন্দোচ্ছ্বাস ছিল।

সুশোভিত, সুঘ্রাণ, সতেজ ফুলের মাঝে
পেছন সারিতে ছিল এক বাসি ফুল লাজে।

কারো কারো দৃষ্টি ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দাওয়াত খাওয়া এবং কিছু রিয়েল টাইম অভিজ্ঞতা

লিখেছেন পয়গম্বর, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:২৫

একটু আগে একটা দাওয়াত থেকে ফিরলাম। দাওয়াতের উদ্দেশ্য সুইট সিক্সটিন। অর্থাৎ, যিনি দাওয়াত দিয়েছেন, তাঁর মেয়ের বয়স ষোল বছর পূর্ণ হলো। মেয়ের জন্যে ষোলতলা কেক বানানো হয়েছে। ডমপেনের কেক। খুবই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রামের ভ্রমন

লিখেছেন নূর-ই-হাফসা, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৩

.

শীতের এই সময়টা বলা চলে ডিসেম্বর মাস এলেই আমার আনন্দ আর ধরে রাখা যেতো না । স্কুলে পড়া কালীন বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়া মানেই গ্রামের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাচ কা সামনা

লিখেছেন কি করি আজ ভেবে না পাই, ১৯ শে নভেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৫



আজ থেকে বিশ বছর পরের কথা, গেমু বিয়ে থা করে থিতু হয়েছে, ১২/১৪ বছরের একটা সদ্য বখে যাওয়া(গেমু যথা) পুত্রধনও আছে। গেমু এখন পুরাই ভালো লোক। টোটো কোম্পানির... ...বাকিটুকু পড়ুন

×