(পেশাগত কারণে থানায় গিয়ে ধর্ষিত এক কিশোরী, তিন ধর্ষক এবং কয়েকজন পুলিশ দ(ধ)র্শককে দেখার পর)
বার বার মুখটি ফিরে আসে।
মাঝ রাতে, থানার অল্প আলোয় বসে থাকা
বিহ্বল চাহনিতে লুণ্ঠিত সেই কিশোরীর মুখ,
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তিন পশু, কোমড়ে তাদের দড়ি।
পুলিশ মুচকি হেসে বলছে, স্যার এই তিনটাই অকামটা করছে,
পালাক্রমে।
আমার মনে হয় ঠাস করে চড় বসাই,
পুলিশের পুষ্ট দুই গালে,
আমার মনে হয় টেনে কলিজা বের করে আনি
ঐ তিন পশুর।
আমার মনে হয়, মেয়েটিকে বলি,
তোর বুঝি খুব অসহায় লাগছে রে?
তোর বুঝি মনে হচ্ছে পৃথিবী কী জঘণ্য,
নোংরা কীট আর গুমোট গন্ধে ঘিনঘিন!
তোর কী বমি পাচ্ছে, নরকের পঁচা-গলা
মাংশ পিন্ড দিয়ে গড়া এই মানুষগুলোকে দেখে?
তোর কি মেয়ে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে?
দম বন্ধ হয়ে আসা কষ্ট? মৃত্যুর মতো?
তোর মতো আমারও কষ্ট হচ্ছে,
দ্যাখ ক্যামন ফুলে উঠেছে আমার কণ্ঠনালী,
ফিনকি দিয়ে আসতে চাইছে গাঢ় রক্ত।
দ্যাখ ক্যামন চোখ বিস্ফারিত হয়ে বইতে চাইছে
নোনা গঙ্গার জল।
কাঁদিস না পাগলি, তোর সাথে আছি,
আমরাও আছি। প্রতিদিন তোর মতো আমাদেরও
ছিনতাই হচ্ছে, আমাদের আশৈশব সম্ভ্রম।
২০/০৯/০৬
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



