আজ তার মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচারের দাবীতে এবং আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে রাজপথে শুয়ে!!! আমরণ অনশনের ঘোষনা দিয়ে আজ ২০-০৯ থেকে তার এই একক লড়াই শুরু করেছেন।
এক মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে ৬ বছর আগে জয়েন করেন তুখোর প্রাণবন্ত আপেল। সহজেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তার কাজ মেধা আর মননে। ৬ বছরে ১১ টি ইনক্রিমেন্ট পান। এবং আরও আগে যাবার পথে দৃঢ় কদম। কিন্তু দেশের মতো ব্রাক্তির পিছনেও শত্রুর অভাব নেই।
তারা চক্রান্ত করে তাকে অন্যায় ভাবে অপসারনে ইন্ধন যোগায়। যার ফলে তারুন্যের গুরু, এলাকার সকলের প্রিয় নায়ক অপবাদের বোঝা নিয়ে হযে পড়েন খলনায়ক!!!!! মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, এক অসীম সাহসী সৎ তরুন, অন্যায়ের তাৎক্ষনিক প্রতিবাদকারী, ণ্যায়ের জন্য আজীবন লড়াইকারী হয়ে গেল কোনঠাসা!!!!
তাইতো আজ আত্ম সম্মান মর্যাদা এবং সত্য প্রতিষ্ঠায় আজ তিনি রাজপথে। সম্পূর্ণ একাকী। অদম্য সাহসে অমরণ অনশনে বসেছেন..
যারা সত্য কে ভালবাসেন
যারা সততাকে ভালবাসেন
যারা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে ভালবাসেন
যারা মুক্তিযুদ্ধকে ভালবাসেন
যারা সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর প্রত্যয়ে বিশ্বাসী
যারা ন্যায়েক প্রতিষ্ঠায় সহায়তা আগ্রহী
যে যেভাবে পারেন, আপেল মাহমুদের পাশে দাড়াবেন আশা করছি।
প্রাণের দাবীতে।
আপডেট: ৩২ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে অনশনের। শরীর নরম হয়ে এসেছে। কিন্তু কোন কিছুতেবি মাথা নোয়াবার নয়।
রাতের বৃস্টি ভেজা আবার গায় রেখেই শুকানো কাপড়....এখনও
অবিচল দৃঢ়তায় অটল।
সহমর্মীদের পাশে দাড়ানোর আহবান জানাই।
আপডেট-২:
হরতাল, নিরাপত্তা ও মুমুর্ষ অবস্থার কারণে পুলিশের অনুরোধে স্থানান্তরিত হতে হয়েছিল ; এখন আবার অনশনে আগের স্থানে প্রেসক্লাবের সামনেই অবস্থান করছেন আপেল।
আপডেট সাম্প্রতিক:
আজ প্রায় ৯ দিন পর বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ও জাতীয় পরিবেশ ও মানবাধীকার বাস্তবায়ন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে জুস খাইয়ে অনশন ভংগ করানো হয়। এবং তারা আশ্বাস প্রদান করেন যে তারা বিষয়টি নিয়ে লড়াই করবেন। এবং আপেল মাহমুদের কাছৈ অদ্য সকালে পুলিশের প্রদত্ত হুমকিরও নিন্দা জানান।
আপেল মাহমুদ বর্তমানে হাসপাতালের পথে রওনা দিয়েছেন।
আপনারা সকলে তার জন্য দোয়া করবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

