নারী। সৃষ্টির সবচেয়ে আকর্ষনীয়ভাবে মহান আল্লাহ তায়ালা নারীকে সৃষ্টি করেছেন। সেই নারীরাই আবার সমাজে বিভিন্ন ভাবে অবহেলিত,নির্যাতিত। যুগে যুগে নারীরা ব্যাবহৃত হয়েছে পুরুষদের ব্যাবহারের পাত্রী হিসেবে। তবে মহানবী (সঃ) এর আবির্ভাবের পর থেকে নারীরা সমাজে প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে। মহান আল্লাহ তায়ালার বানী পবিত্র কোরআন শরীফে নারীদের কে সমাঅধিকারের সীকৃতি প্রধান করেন। যার ফলশ্রুতিতে নারীরা বিভিন্নভাবে এগিয়ে যেতে থাকে। পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে নারীরা আবারো পুরুষের পন্যে পরিনত হতে থাকে। ধর্মীয় গোড়ামী, কুসংষ্কার, ভুল ব্যাখ্যা সহ বিভিন্ন কারনে নারীরা পিছিয়ে পড়েন। সমাজে মুসলীম নারীরা অধিকার প্রতিষ্ঠার নামে পশ্চিমা স্টাইলে বর্তমানে এগিয়ে যাচ্ছে যার ফলে সমাজে অপরাধ সংগঠন বেড়ে যাচ্ছে। আপনি একটু লক্ষ করলে দেখতে পাড়বেন যে, আমাদের দেশে যে সব অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে তার ৭০% হচ্ছে নারী কেন্দ্রিক। এর প্রধান কারন হচ্ছে নারীরাই। তারপর আছে সুবিধাবাদী পুরুষ চরিত্র।
নারীদেরকে প্রধান কারন হিসেবে উল্লেখ করার পিছনে যুক্তি হল, স্বাভাবিক ভাবে আপনি যদি রাস্তায় হাটেন তাহলে এর উত্তর পেয়ে যাবেন। যদি একজন বোরকা পরিহিতা এবং একজন সাধারন পোশাক পরিহিতা একসাথে হেটে যায় তাহলে কেউ ই বোরকা পরিহিতা মেয়েটিকে খারাপ কমেন্ট করবে না যতক্ষন না পর্যন্ত মেয়েটি উল্টাপাল্টা কিছু না করে। কিন্তু অন্যদিকে সাধারন মোখরোচক পোশাক পরিহিতা নারী যাকে প্রতিদিক কয়েকশ উল্টাপাল্টা কথা শুনতে হবে এটাই স্বাভাবিক।
আর অন্যদিকে কোন নারীকে যদি আদর্শ নারী হিসেবে গড়তে চান তাহলে পুরুষকেই দ্বায়িত্ব নিতে হবে। একটি পরিবারের প্রধান হিসেব সাধারনত পুরুষরাই প্রতিনিধিত্ব করেন। সেই পুরুষ যদি একটু সচেতন হয় তাহলে অবশ্যই নারীরা সংযত হবেন। সেই পুরুষ যদি নারীকে কাউংসিলিংয়ের মাধ্যমে পর্দার উপকারী দিকগুলো সম্পর্কে বোঝান তাহলে মহিলারা অবশ্যই সেটা মেনে নেয়। তখন দেখা যায় সেই মহিলার সন্তান ও তার মত হয়। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু পুরুষরা কি সেটা করছে??? অবশ্যই না। উল্টো তারা প্রতিযোগিতায় নামছে কার বউ বেশী সুন্দরী। আবার সেই পুরুষই বাইরে যখন অন্য এজন নারীকে দেখছে তার পর্দা নিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলছে। সেই নারী সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করছে। আসলে কিন্তু তার নিজের পরিবারই ঠিক নেই।
একজন নারী জন্মগত ভাবেই পুরুষদের থেকে কম ক্ষমতার অধীকারি হয়। যদিও বেশীরভাগ নারীরাই এখন সেটা মেনে নেই না। কিন্তু একজন মেডিকেল প্রফেশনালিস্ট আমি সেটা স্বীকার করছি। সেই নারীকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে পুরুষদের অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে।
তাই পুরুষদের প্রতি একজন নারী হিসেবে আমার আবেদন, নারীকে পন্য হিসেবে নয় সহযোগী হিসেবে চিন্তা করুন। নিজেদের পরিবার কে ইসলামী আদর্শে গড়ে তুলুন। নিজের স্ত্রী, কন্যাকে এমনভাবে গড়ে তুলুন যাতে করে কেউ কখনো উল্টাপাল্টা কমেন্ট করতে না পারে। একজন পুরুষ হিসেবে সেই দ্বায়িত্ব পুরুষকেই নিতে হবে।
তাহলে এই পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হবে।
(লেখাটা পরে ভালো লাগলে, তাই হুবহু শেয়ার করলাম। কিন্তু এডমিনের মতে পর্দার অপর নাম বোরকা নয়। বোরকা ছাড়াও পর্দা করা যায়। মূলত শালিন পোশাক ও সুস্থ মানসিকতা থাকলে পর্দা করা সম্ভব। কিন্তু ইসলামী বিধান অনুসারে মুসলিমদের সঠিকভাবে পর্দা করা উচিত।এর পাশাপাশি আমরা কি আমাদের মা- বোনদের সঠিকভাবে মর্যাদা দিতে পারি না?? পারি না নারীদের কে মানুষ হিসাবে ভাবতে??কেন আজ আমরা নারীদের পণ্য রূপে প্রকাশ করছি?? এভাবে কি আমরাই আমাদের অর্ধাঙ্গিদের অশালীন ও বেহায়াপনার দিকে নিয়ে যাচ্ছি না??-এডমিন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

