সেই কবে হইতে পাঠাগারের এই খিড়কি ধরিয়া খাড়াইয়া রইয়াছি!
আমার বিজ্ঞ পোকা পাঠাগারের সমস্ত পুস্তক চুষিয়া বেড়াইতেছে,
ভালোবাসার মর্মার্থ উদ্ধার করিবার নিমিত্তে।
তবু সে কুল কিনারা করিতে পারিতেছেনা।
তাই, খাড়াইয়া রইয়াছি, এই খিড়কি ধরিয়া,
ভালোবাসার দরজারো এই পাশে....
আর সইতে না পাইয়া বার কয়েক উঁকি দিয়াছি,
পর্বতসম এলোমেলো পুস্তকের কোন এক ভাঁজে, বিজ্ঞ পোকাটি হারাইয়াছে।
অক্ষি আবরণ কচলাইয়া পুনরায় অপেক্ষায়, খিড়কি ধরা মোর হাতখানি!
ভালোবাসার মর্মার্থ বুঝিলে নাকি যুদ্ধে যাইতে হইবে...
তাই, নিস্চুপ পাঠাগার আর জমে যাওয়া সময়গুলি।
অবশেষে, বুক ধড়ফঢ় করিয়া উঠিলো মোর বিজ্ঞ পোকাটির আনন্দ চিৎকারে।
সেই উৎফুল্লতা পাঠাগারের সমস্ত দরজা দিয়া ঠিকরাইয়া পড়িলো।
অধীর আমি, তাহাকে কইলাম, আমায় কও কি সেই ভালোবাসার মর্মার্থ?
আমার চোখে চোখ রাখিয়া সে কহিলো, "আমি তা বুঝিয়াছি!! বুঝিয়াছি!!!!"
আমি কইলাম, তবে বলো!! বলিয়া শেষ করিয়া দাও এই অপেক্ষা!
যুদ্ধে যাওয়ার সেই ঝান্ডা তাহার হাতে শোভা পাইতেছিলো।
আমায় কহিলো, "তা আমি বুঝিয়াছি বৈকি! তবে তা তোমাকে বলা যাইবেনা!!"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

