গ্রাম্য মেধা আর টেকনোলজী। দেশ ও দশের জন্য - একটা উপায়
২৭ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
আমরা আমাদের গ্রামের অবেহেলিতো মেধাগুলিকে কাজে লাগাতে পারি... আমার মতে, গ্রামের মেধার ব্যবহার শহুরে মেধার চাইতে অনেক সহজলভ্য।
শহরের স্কুল-কলেজ পড়ুয়ারা আজকাল প্রোগ্রামিং শিখছে। গ্রামের মেধাবীদেরও শিখানো সম্ভব। প্রয়োজন সৎ-সাহসী মানুষের। আমার সাহস, সহযোগীতার মনোভাব আছে, আইডিয়া আছে, কিন্তু সামর্থ নাই।
আইডিয়া: আমরা গ্রাম ভিত্তিক আউটসোর্সিং প্রোগ্রাম চালু করতে পারি। যেমনটা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমি নিজেও করে থাকি, আমার মতো শহরের অনেকেই করেন। গ্রামের মেধাগুলিকে আমরা সেই প্রযুক্তির ছোয়া এনে দিতে পারি। এতে করে তারা স্ববলম্বী হবে, দেশের মেরুদন্ড মজবুত হবে।
যাদের সামর্থ আছে তারা চাইলে একত্রে আমরা সামনে অগ্রসর হতে পারি। অপর দেশকে আর নিজের ভাগ্যকে গাল না দিয়ে, টেকনিকালি আমরা নিজেদেরকে আগে গড়ে তুলি, তারপর আমাদের বর্তমান অবস্থার জন্য দায়ী সব দোষীদের কড়া জবাব দেয়া যাবে..। আগে জবাব দেয়ার মত নিজেদের প্রস্তুত করে নিতে হবে।
এইখানের পুরো চিন্তাধারা আমার নিজের, বেশী কথা বলার লোক না তাই সংক্ষেপে বল্লাম কথাগুলি....প্রয়োজনে বিস্তারিত হবে..
অন্ত:ত পক্ষে আমাকে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করূন।
প্রকাশ করা হয়েছে: দেশের জন্য বিভাগে ।
আসিফ মোহাম্মদ আদনান বলেছেন:
ভাল বলেছেন, কিংবা কিছুটা হলেও আলাদা চিন্তা করেছেন, মানতেই হবে। দানশীল,দয়াবান এবং সেই সাথে বিত্তবান মানুষদের দলে রাখতে হবে। তবে একটি কথা , সাহস করে এগিয়ে যেতে হবে। আশা করি এক দিন না দিন আপনার স্বপ্ন সত্যি হবে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধণ্যবাদ।
অনিশ্চিত বলেছেন:
আমার মনে হয়, আপনার আইডিয়াটা আরো বিস্তারিতভাবে শেয়ার করলে ভালো হয়। আউটসোর্সিং-এর ধারণাটা আমাদের দেশে নতুন। তার ওপর বিভিন্নজন নিজের মতো করে ব্যাখ্যা দিয়ে দিয়ে এর বারোটা বাজাতে চলছে। এতে আপনার প্রস্তাবের বিষয়ে আইডিয়া হয়তো খুব বেশি পাওয়া যাবে না, কিন্তু মানুষের ধারণাটা পরিষ্কার করতে পারবেন। ধন্যবাদ।
লংকার রাজা বলেছেন:
ঢাকার বাইরে শহর এলাকাতেই ইন্টারনেট বলতে গেলে নাই।তারওপর আওটসোর্সিং করার জন্য যে মানের টেকনিক্যাল স্কিল দরকার সেরকম স্কিল্ড লোক ঢাকা শহরে কতজন আছে বলে আপনার ধারণা?কত পার্সেন্ট লোক আওটসোর্সিং করে ?আওটসোর্সিং আমাদের অর্থনীতিতে অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে,তবে গ্রাম(যেখানে সাক্ষরতার হারই অনেক কম) সেখানে আওটসোর্সিং অনেকটা দিবাস্বপ্ন হয়ে গেল না?
লেখক বলেছেন: দিবা স্বপ্ন দেখি আর যাই দেখি, আমি আমার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই... আপনি আমার সাথে থাকবেন আশা করছি।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সিস্টেমটা এমন হতে পারে, আগে কাজ শেখাবেন বিনা কোর্স ফিতে। কাজ শিখে সে আপনার সাথে কাজ করবে। তার প্রাপ্য বেতন বা সম্মানী থেকে সে আপনার পাওনা কোর্স ফি শোধ করে দেবে। গ্রামে অনেক বেকার লোক আছে যাদের আর্থিকভাবে সহায়তা করে, ট্রেনিং দিয়ে কাজের লোক বানানো সম্ভব। কিন্তু তাদের বোঝাতে হবে। বিনা মূল্যে শেখাতে হবে কাজ।
লেখক বলেছেন: জ্বী, আপনি আমার মনের কথার কাছাকাছি আসছেন। আমার ধারনাটা অনেকটা এরকম, কিন্তু আমি চিন্তা করছি এখানে আমাদের প্রাপ্য সম্মানীটা বড় কথা নয়, বরং আমি সেটার চাইতে আমার কাছে বড় চেলেন্জ হচ্ছে আমাদের সমন্বয় হতে পারা। অবশ্যই কাজটা সহজ নয় আর সবাইকে সাথে নিয়ে করার মত কাজ। কিভাবে সমন্বয় করা যায়, আমাকে সে বিষয়ে পরামর্শ দিন। আমি আরো চিন্তা করি।
আউটসোর্সিং এর ব্যাপারে আমি পরে বলবো বিস্তারিত, আপাতত এটা বলি যে, এমন অনেককে চিনি যারা, আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছে। আমি শুধু কম্পিউটার রিলেটেড আউটসোর্সিং এর কথা আপাতত ভাবছি।
বিস্তারিত রাতে বলব ইনশাআল্লাহ। মতামতের জন্য ধণ্যবাদ। ১০% বলতে ১০০ ভাগ আউটসোর্সিং বলতে যা বুঝায় তার ১০% আমাদের যাত্রা শুরু করার জন্য যথেষ্ঠ!
চালায়া যাও মামা। আমি আছি তোমমার সাথে।
লংকার রাজা বলেছেন: ঢাকার বাইরে শহর এলাকাতেই ইন্টারনেট বলতে গেলে নাই
@লংকার রাজা, GP, CityCell কখনো ব্যবহার করেননি মনে হয়।
শহরের বাইরে traffic কম থাকায় speed আরও বেশি হবে!!!

















