আমার প্রিয় পোস্ট

বৃষ্টি রাতে ... ভাবনা গুলো মেঘের সাথে উড়ে ...

শুভ জন্মদিন, লেনিন !

২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

সারা পৃথিবী জুড়ে অগুনতি বিপ্লবীর প্রেরনা ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন । ১৮৭০ সালের এই দিনে ভোলগা নদীর অদূরে সিমবির্স্ক শহরে, অসংখ্য শোষিত ও নিস্পেশিত মানুষের কান্না, চেতনার অবিশ্বাস্য ব্যতিক্রমে বিপ্লবের স্ফূলিংগ হয়ে যায়, যার নামে, সেই লেনিন জন্ম নেন । রাশিয়ার শোষিত মানুষকে অত্যাচারী জারের শাষন থেকে মুক্ত করে, সারা পৃথিবীর মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মুক্তির । তার অসাধারন অত্মত্যাগ, অবিষ্মরণীয় । নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দের কথা ভাবেন নি, চিরকাল কাটিয়েছেন দারিদ্রের মাঝে । জীবনের অনেকটা সময় নির্বাসনে কাটিয়েছেন, হয়েছিলেন দেশছাড়া ও । জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা । পণ ছিল মানুষের মুক্তি । জীবনের শেষ পর্যন্ত এ লক্ষ্যেই কাজ করে গেছেন ।

কি পেয়েছেন তিনি? যে রাশিয়ার মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন কষ্ট সয়ে কাজ করে গেছেন, সেই রাশিয়া তেই আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে অশ্লীল শ্লোগান ওঠে - লেনিনের মূর্তি ভাংগো ! ভেঙ্গে যায় সোভিয়েত রাষ্ট্র, লেনিনের মূর্তিও ভেংগে পড়ে । পূজিবাদীরা তাকে ডাকে শয়তান, সভ্যতা ধংসের প্রচেষ্টাকারী । ধার্মিকেরা নাস্তিক বলে উড়িয়ে দেয় তার সকল অক্ষয় অবদান । গুটিকয় যে কয়জন সমাজতন্ত্রের ধ্বজ্জাধারী বেঁচে আছেন, তাদের কীর্তি কলাপ দেখে লেনিন স্বয়ং ধরণীর কাছে প্রার্থনা করতেন দ্বিধা হবার জন্য ।

প্রশ্ন জাগে, লেনিন কি বেঁচে নেই? তার আদর্শ, তার বিপ্লব? সন্দেহ নেই তিনি বেঁচে আছেন । তিনি বেঁচে আছেন, কারন পৃথিবীতে এখনো অবিচার বেঁচে আছে । বেঁচে আছেন কারন এখনো অবিচারের বিরূদ্ধে প্রতিবাদ বেঁচে আছে ।

তার জন্মদিনে, এই অধমের নিশ্চিত ভালবাসার শ্রদ্ধাঞ্জলীঃ

দীর্ঘজীবী হোন লেনিন


প্রথম মহাযুদ্ধের দিনগুলোয়
সান কার্লোতে ইতালীয় জেলের এক খুপরিতে
কিছু সৈন্য, মাতাল আর চোর যেখানে বন্দী
সেখানে সোশ্যালিস্ট এক সৌনিক কপিং পেন্সিল দিয়ে
আঁচড় কাটল দেয়ালে
: দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

ধূসর খুপরিতে, আবছা কিন্তু বিশাল হরফে
কথাগুলো লেখা ।
জেলারমাশাই দেখলেন, দেখে এক বালতি চুনসুদ্ধ
পাঠালেন এক মিস্তিরি
ছোটো একটা বুরুশে সে চুনকাম করে দিল ওই ভয়ংকর লিপি
কিন্তু সে তো কেবল অক্ষর গুলির ওপরেই বুলিয়েছিল চুন
তাই এখন খুপরির ওপরদিকে চুনেই জ্বলজ্বল করছে
: দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

তারপর আরেকজন এল বড়সড় এক বুরুশ নিয়ে
গোটা দেয়ালে বুলিয়ে দিল চুন
ফলে বেশ খানিকক্ষণ দেখা গেল না কিছু, কিন্তু সকালবেলা
চুন শুকিয়ে যাবার সাথে সাথেই ফুটে উঠল সেই লিপি, আবার
:দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

জেলারমশাই এবার এক খোদাইকার পাঠালেন
হতে তার ছুরি
ছুরি দিয়ে কেটে-কেটে তুলে ফেলল একের পর এক অক্ষর
ঘন্টাটেক জুড়ে
কাজ যখন ফুরোল, খুপরির মধ্যে রইল কেবল
বর্ণহীন
কিন্তু দেয়াল গভীর করে কুঁদে তোলা অজেয় সেই লিপি ।
:দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।
সৈনিকটি বলল :এবার তবে দেয়ালটাকেই ভাঙ্গো !

(শিহরন জাগিয়েছিল, জার্মান নাট্যকার ও কবি বর্টোল্ট ব্রেখটের কয়েকটি লাইন । আগে একবার রিপোষ্ট হয়েছিল । )

 

 

  • ৭০ টি মন্তব্য
  • ৪৪৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৯ জনের ভাল লেগেছে, ৩ জনের ভাল লাগেনি
১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৬
comment by: মুকুল বলেছেন: ধন্যবাদ
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন:
আপ্নাকেও ধন্যবাদ, মুকূল ভাই ।

২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৬
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: শুভ জন্মদিন
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন:
শুভ জন্মদিন ।

৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৮
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: তারপর তার আনা সমাজতন্ত্রের অবস্থা কেমন হয়েছিল? ট্রটস্কির অবস্থা কি হয়েছিল? স্ট্যালিনের শাসনামলে মানুষের মুক্তি ঘটেছিল? হিটলার আর স্ট্যালিনের মধ্যে তেমন পার্থক্য ছিল কি?


লেলিনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু সমাজতন্ত্রটা পুস্তকে ভাল শুনাই, বাস্তবে না।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন:
he was an anachronism.
বিপ্লব একটি ভ্রান্তিময় মহান কনসেপ্ট । সমাজতন্ত্র তখনই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবে যখন পূজিবাদ পরাকাষ্ঠায় থাকবে । লেনিন সমাজতন্ত্র এনেছিলেন বিপ্লবের মাধ্যমে, রাশিয়ার পূজিবাদ তখন বিকশের শিখরে পৌছে নি । ভুল্টা ওখানেই ছিল । রাশিয়ার ততকালীন প্রোলিতারিয়েতরা সমর্থন দিলেও, মধ্যবিত্ত শ্রেণি চিরাচরিত ভাবে ছিল নির্লিপ্ত । অন্য অনেক কমিউনিষ্ট পার্টি বিপ্লবের বিরোধীতা করেছিল ।
বিপ্লবের ফলাফল যাই হোক সোশ্যালিষ্টদের বিপ্লব ছিল মানুষের মুক্তির শুরু । বিশ্বাস করি একদিন সাম্য আসবে । হোক সে রোবোটিক এজে । সেদিন রবাহূত ইতিহাস হাজির হবে আপ্নারি কোন পষ্টারিটির সামনে, সেদিন সেও বলে ঊঠবে - দীর্ঘজীবী হোন লেনিন ।

মাইনাস টা কি আপনি দিয়েছিলেন ?

৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:১৯
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: হ্যাটস অফ টু হিম...
সত্যিই এক বিশ্বনেতা___খেটাখাওয়া মানুষের বন্ধু মহাণ লেলিন
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন:
হ্যাটস অফ টু হিম । ক্ষণজন্মা পুরুষ ।

৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২০
comment by: হমপগ্র বলেছেন: হ্যাটস অফ টু লেলিন!
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন:
হ্যাটস অফ টু লেনিন! ধন্যবাদ, আপনাকে ।

৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২০
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন:
প্রবল শব্দত্রয়ঃ দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভালো লাগলো...
শুভেচ্ছা......
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ।

৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


হ্যারি সেলডন বলেছেন: তারপর তার আনা সমাজতন্ত্রের অবস্থা কেমন হয়েছিল? ট্রটস্কির অবস্থা কি হয়েছিল? স্ট্যালিনের শাসনামলে মানুষের মুক্তি ঘটেছিল? হিটলার আর স্ট্যালিনের মধ্যে তেমন পার্থক্য ছিল কি?


লেলিনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু সমাজতন্ত্রটা পুস্তকে ভাল শুনাই, বাস্তবে না।


...................

আমারও একই কথা।
শব্দযাদুকর শিহাব চৌধুরীকে +
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: সারোয়ার ভাই,

হ্যারী কে দেয়া উত্তরঃ

লেখক বলেছেন:
he was an anachronism.
বিপ্লব একটি ভ্রান্তিময় মহান কনসেপ্ট । সমাজতন্ত্র তখনই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবে যখন পূজিবাদ পরাকাষ্ঠায় থাকবে । লেনিন সমাজতন্ত্র এনেছিলেন বিপ্লবের মাধ্যমে, রাশিয়ার পূজিবাদ তখন বিকশের শিখরে পৌছে নি । ভুল্টা ওখানেই ছিল । রাশিয়ার ততকালীন প্রোলিতারিয়েতরা সমর্থন দিলেও, মধ্যবিত্ত শ্রেণি চিরাচরিত ভাবে ছিল নির্লিপ্ত । অন্য অনেক কমিউনিষ্ট পার্টি বিপ্লবের বিরোধীতা করেছিল ।
বিপ্লবের ফলাফল যাই হোক সোশ্যালিষ্টদের বিপ্লব ছিল মানুষের মুক্তির শুরু । বিশ্বাস করি একদিন সাম্য আসবে । হোক সে রোবোটিক এজে । সেদিন রবাহূত ইতিহাস হাজির হবে আপ্নারি কোন পষ্টারিটির সামনে, সেদিন সেও বলে ঊঠবে - দীর্ঘজীবী হোন লেনিন ।

৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: লেখাজোকা শামীম বলেছেন: সব আদর্শই শেষ পর্যন্ত কতগুলো ভণ্ডের হাতে বিকৃত হয়ে যায়। আবারও মানুষ হয়ে পড়ে আদর্শের নামে বন্দী। আবার সংগ্রামে নামতে হয় মানুষকে। পৃথিবী যতদিন থাকবে মানুষের মুক্তির সংগ্রামও ততদিন চলবে।

লেনিন, অভিবাদন।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন:
পৃথিবী যতদিন থাকবে মানুষের মুক্তির সংগ্রামও ততদিন চলবে। পৃথিবীতে অনাচার যতদিন থাকবে, ততদিন জাগ্রত সবার বুকে ।

১০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৩
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: কোন পুঁজিবাদী মাইনাস দিছে (যদিও আমরা সবাই কমবেশি পুঁজিবাদী)?
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: আমরা সবাই কমবেশি পুঁজিবাদী :)

১১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


হ্যারি সেলডন বলেছেন: তারপর তার আনা সমাজতন্ত্রের অবস্থা কেমন হয়েছিল? ট্রটস্কির অবস্থা কি হয়েছিল? স্ট্যালিনের শাসনামলে মানুষের মুক্তি ঘটেছিল? হিটলার আর স্ট্যালিনের মধ্যে তেমন পার্থক্য ছিল কি?


লেলিনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু সমাজতন্ত্রটা পুস্তকে ভাল শুনাই, বাস্তবে না



আপনাগো দুইজনের কমেন্ট পইড়া জানতে আগ্রহ হইলো পুস্তকে আর বাস্তব উভয় জায়গায় ভালো শুনায় এইরম কোন তন্ত্র আছে? বা পুস্তকে কি অন্য কোন গ্রহের বর্ণনা বা জীবনযাপনের বর্ণনা ছিলো? নাইলে পুস্তকে ভালো শুনান গেছে কিন্তু বাস্তবে ভালো শুনান যায় এইরম ঘটনের কারনটা কি?
১২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
comment by: বহুরূপী মহাজন বলেছেন: জানি লেনিন বেচে নেই, তবু তাকে উদ্দেশ্য করে বলতে ইচ্ছা করে - শুভ জন্মদিন লেনিন। হয়তো অনাগত কোন লেনিনের জন্য এটা অগ্রিম শুভেচ্ছা! সেই আশায় শোষিত মানুষদের মত আমারও প্রতিক্ষা।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ।

১৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
comment by: স্বাধীন বাংলা বলেছেন: শুভ জন্মদিন লেনিন।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন:
শুভ জন্মদিন লেনিন।

১৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: সিহাব, আমি আমার কমেন্টেই বলেছি লেনিনকে আমি শ্রদ্ধা করি। এককালে সমাজতন্ত্রী ছিলাম। তাই মাইনাস দেওয়ার প্রশ্নই আসেনা। আর চুপি চুপি মাইনাস দিয়ে যাওয়ার মত কাপুরুষ নই।

৯ টা পেলাস আছে, আমি আরেকটা দিলাম, ১০টা হল।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ । সমাজতন্ত্রী ছিলেন জেনে ভালো লাগলো । আমি নিজেও স মাজতন্ত্র মনা, তবে ক্রমেই পূজিবাদের আলিংগন করছি । আমার সবাই শোষনে জন্মাই, শোষনে বেচে থাকি, শোষন কে জন্ম দিয়ে যাই । বিপ্রতীপ অন্তঃকরন ইদানিং বেশ বিব্রত ও বিরক্ত করছে ।

১৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
comment by: মানুষ বলেছেন: আমি যদিও সমাজতন্ত্রে ততটা আস্থাভাজন নই তবুও লেনিনকে ভাল লাগে, কারণ সে বিপ্লব শিখিয়েছে।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন:
আমারো কথা এইটাই, সে বিপ্লব শিখাইছে (যদিও আমার মনে হয়না বিপ্লব সমাজতন্ত্র অর্জন ও ধরে রাখার সবচেয়ে ভালো পথ)।

পথ দেখাইছে ।

১৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫০
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন:
শুভ জন্মদিন।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন:
শুভ জন্মদিন।
আপনাকে ধন্যবাদ ।

১৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
comment by: হ্যারি সেলডন বলেছেন: বিপ্লব আসলে লং-লাস্টিং কোনদিন হয়না। বিবর্তনই দীর্ঘস্থায়ী।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন:
পুরোপুরি সহমত । কোন অমনোযোগী ছাত্রকে(যে ভালো রেজাল্ট ঠিকই করতে চায় । ) বেত দিয়ে পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন? তাকে পড়াশোনায় মনোযোগী করতে হবে, বুঝিয়ে শূনিয়ে ।

১৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: "বিপ্লব একটি ভ্রান্তিময় মহান কনসেপ্ট ।" একথাটি ঠিক নয়। পূঁজিবাদী বা জাতীয় গনতান্ত্রিক বিপ্লব পৃথিবীর সব পুঁজিবাদী দেশ গুলোতে হয়েছে। অক্টোবর বিপ্লবও রাশিয়ার জাতীয় গনতান্ত্রিক বিপ্লব, যা শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্ত্বে হয়েছে। কিন্তু সোসালিজম এর পথে রাশিয়া যে যাত্রা শুরু করেছিল স্টালিনের মৃত্যুর পর তা বাঁধাগ্রস্থ হয়। একদল সংশোধনবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে হাত মিলিয়ে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে নস্যাৎ করে দেয়। সিহাব চৌধুরী ইতিহাস ভালভাবে জেনে কথা বলুন।

২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন:
এ বিষয়টি নিয়ে পন্ডিতেরা অনেক ভেবেছেন ও ভাবছেন । আমার মনে হয় না বিপ্লব শ্রেণী বৈষম্যের উৎখাতে সবচেয়ে ভালো অস্ত্র । অনেক তো হলো বিপ্লব করে, কিছু কি টিকে থাকলো? মানুষ বসতে দিলে শুতে চাবে । যারা নিঃস্পেশিত ছিল এক কালে - আমি শ্রমিক দের কথা বলছি, তাদের অবস্থা একটু ভাল হবার পরেই তারা আরো ভালো চায় । ব্যক্তিগত সম্পত্তির ধারনা আমাদের মজ্জাগত । প্রথম আলোতে একবার পড়েছিলাম একজন পন্ডিত ব্যক্তির উক্তি - রাশিয়ার লোকেরা কোকাকোলা খেতে চায় বলে সমাজতন্ত্র টিক লো না । আমার কাছে হালকা কথাটি অনেক ভারি মনে হয়েছিল ।

আমার যেটা মনে হয়, দরকার কয়েক প্রজন্ম ধরে eugenics - মানে প্রজাতি বিশুদ্ধিকরণ । আমাদের মননে ঢুকিয়ে দিতে হবে অসাম্য পৃথিবীর কুৎসিত তম শব্দের একটি । পৃথিবীর যত ঐশ্বর্য্য, সবাই মিলে বেটে ছেটে ই খাইনা কেন ? এই বোধটা প্রজন্মের ভিতরে ছড়িয়ে দিতে হবে ।

আজ আমি আপনি আরো কয়েকজন দিয়ে ই মটিভেশানের কাজ শুরু হোক না!

রাশিয়ার আপামর জনাসাধারন কি চাচ্ছিল সমাজতন্ত্র টিকে থাকুক? - আপনি কি এটা ই বলতে চাচ্ছেন? "একদল সংশোধনবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে হাত মিলিয়ে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবকে নস্যাৎ করে দেয়। " -----> কোন প্রকার জন সমর্থন ছাড়া কিভাবে সম্ভব, এতো সার্বজনীন ব্যবস্থার ইতি ঘটানো?

ইতিহাস মুখে মুখে বদলায় ।

১৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৪
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

জামাল ভাস্কর, (আপনে আর প্রজাপতি পাশাপাশি চলেন শাখায়; শঙ্কায়:)

কথা হইলো, পুঁজিবাদ আমার জানের দুশমন, এইটা মাইনসেরে বরবাদ কইরা দ্যায়। বিপরীতদিকে সমাজতন্ত্র মনে হইতাসে হাতের পাঁচ আঙুলরে সমান কইরা ফালাইবার কথা কইতাসে। এই কারণে আকাশ কুসুম কল্পনার মতোন কিছু একটা চোখখের সামনে উড়াউড়ি করে বইলা মনে হয়। ব্যক্তির অর্জনটারে এক্কেরে শূন্য বানাইয়া দিলে কেমনে হয় কন? কমপক্ষে প্রজাপতির পাশাপাশি চলনের সুযোগটা থাকন লাগে। মার্কস ও লেনিনের নিয়ত খুব সাফ আছিলো বইলা মনে হয় মাইনসের দরদে, মাগার সেইটা করতে যাইয়া আজকের রাশিয়ার ঘরে ঘরে যেই দুর্গতি তা ওই আকাশ কুসুম কল্পনারে বাস্তবায়নের লিগা কি না সেইটাই ভাবতাসি।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন:
ব্যক্তির অর্জনটারে এক্কেরে শূন্য বানাইয়া দিলে কেমনে হয় কন? ---> এইখানেই কাজ করে সমাজতন্ত্র, মানুষের মানসিক পরিবর্তন । মানুষ কাজ করবে বৃহত্তর এচিভম্যান্টের টার্গেটে । ব্যক্তিগত প্রতিযোগীতার স্থান নেই, কারন ব্যক্তিগত প্রতিযোগীতা ব্যক্তিগত পূজিকে প্রমোট ।

পুরো প্রজাতির মানসিক পরিবর্তন দরকার ।

২০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

হ্যারি সেলডন বলেছেন: বিপ্লব আসলে লং-লাস্টিং কোনদিন হয়না। বিবর্তনই দীর্ঘস্থায়ী।

.............

আবারো হ্যারি সেলডনের সাথে একমত।



সকল কিছুর উত্থান পতনের একটা ক্রম-ই মনে হয় জগতের বাস্তবতা। এ্যাবসলিউট মনে কইরা ধরা যায় না কোনো কিছুকেই।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন । "সকল কিছুর উত্থান পতনের একটা ক্রম-ই মনে হয় জগতের বাস্তবতা।" ----> সমাজতনন্ত্রে ও উত্থান পতন হবে, এখন যেমন হয় । তবে পার্থক্য থাকবে, তখন উত্থান পতন হবে একসাথে সমগ্র মানব জাতির । সায়েন্টিফিক এচিভমেন্ট, আর্থিক এচিভম্যান্ট , শিল্প সাহিত্যের এচিভম্যান্ট --- কোন কিছুই ব্যক্তিকেন্দ্রিক থাকবে না, সব কিছুই সাইনারজিস্টিক্যালী কাউন্ট হবে ।

২১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:১১
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: রিয়াজ সাহেদ বলেছেন "আমরা সবাই কমবেশী পুঁজিবাদী।" এ কথা আসলে এমন হওয়া উচিৎ " আমাদের মানসিকতা আসলে দালাল পুঁজিবাদী।" পুঁজি নাই অথচ পুঁজির দালালী করি। হাস্যকর।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন । :)

২২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: সমকালের গান বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ।

২৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২২
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: দেখুন, জনগনের চাওয়া পাওয়া সে দেশের অর্থনীতি রাজনীতি সংস্কৃতি এগুলোর উপর নিভরশীল হয়। একটা দেশের বিপ্লব ব্যর্থ করতে সাম্রাজ্যবাদীরা প্রস্তুত থাকে কিন্তু যখন দেশটির অভ্যন্তরে কোন শক্তি যদি সেক্ষেত্রে সহযোগীতা করে তাহলে সেটা দ্রুততর হয়। ট্রটস্কী ছাড়াও ক্রূশ্চেভ ব্রেজনেভ দের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক যাত্রা কে ব্যহত করে।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন:
এবার আপনি দেখুন, বিপ্লবের পরিবর্তে যদি বিবর্তনের পথে আমরা এগুতাম, তাহলে ট্রটস্কী, ক্রূশ্চেভ,ব্রেজনেভ গলাগলি করলেও গণমানুষের বদলে যাওয়া অন্তঃকরণ সোভিয়েতকে ধরে রাখতো । কোন অমনোযোগী ছাত্রকে(যে ভালো রেজাল্ট ঠিকই করতে চায় । ) বেত দিয়ে পড়াশোনায় মন বসাতে পারবেন? তাকে পড়াশোনায় মনোযোগী করতে হবে, বুঝিয়ে শূনিয়ে ।

২৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২৩
comment by: সবাক বলেছেন: বর্তমান বিশ্বে দু'টি শক্তি ১. প্রগতিশীল ২. প্রতিক্রিয়াশীল। প্রগতিশীল শক্তির উত্থান, লেলিন, মাও সে তুং দের হাত ধরে। যা ফিদেল ক্যাস্ট্রো ও হুগো শ্যাভেজের মাঝে সফলভাবে লালিত। বাংলাদেশে সমাজতন্ত্রের অবস্থান বড়ই নাজুক। পক্ষান্তরে পতিক্রিয়াশীল (পুঁজিবাদ এবং জঙ্গীবাদ) শক্তির খুব শক্ত অবস্থান। বাংলাদেশে নব্য পুঁজিবাদে বিশ্বাসী এবং বিদেশী যারা আমাদের পুঁজিবাদ শেখায় তাদের জন্মের অনেক আগ থেকেই বাংলাদেশে "ব্যাপারী বাড়ী" "বণিক বাড়ি" "সওদাগর বাড়ির" অস্তিত্ব। তার মানে ব্যাবসা এবং পুঁজি সম্পর্কে আমাদের ভালোই ধারণা আছে। কিন্তু তারা আমাদের এ কোন পুঁজিবাদের তত্ত্ব শেখায়? যা আমাদের কেবলই দরিদ্র বানাচ্ছে।

বড্ড অসময়ে ভালো পোষ্টের জন্য অনেক বেশি ধন্যবাদ।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন:
আপ্নাকেও ধন্যবাদ বিচক্ষণ মন্তব্যের জন্য ।

২৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:২৭
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: দেখুন, জনগনের চাওয়া পাওয়া সে দেশের অর্থনীতি রাজনীতি সংস্কৃতি এগুলোর উপর নিভরশীল হয়। একটা দেশের বিপ্লব ব্যর্থ করতে সাম্রাজ্যবাদীরা প্রস্তুত থাকে কিন্তু যখন দেশটির অভ্যন্তরে কোন শক্তি যদি সেক্ষেত্রে সহযোগীতা করে তাহলে সেটা দ্রুততর হয়। ট্রটস্কী ছাড়াও ক্রূশ্চেভ ব্রেজনেভ দের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক যাত্রা কে ব্যহত করে।
২৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৩৩
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: দেখুন, জনগনের চাওয়া পাওয়া সে দেশের অর্থনীতি রাজনীতি সংস্কৃতি এগুলোর উপর নিভরশীল হয়। একটা দেশের বিপ্লব ব্যর্থ করতে সাম্রাজ্যবাদীরা প্রস্তুত থাকে কিন্তু যখন দেশটির অভ্যন্তরে কোন শক্তি যদি সেক্ষেত্রে সহযোগীতা করে তাহলে সেটা দ্রুততর হয়। ট্রটস্কী ছাড়াও ক্রূশ্চেভ ব্রেজনেভ দের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নীতি রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক যাত্রা কে ব্যহত করে।
২৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: পুঁজিবাদের কাছে সাম্যবাদ টিকতে পারেনি; কারণ পুঁজিবাদের রয়েছে যৌনাবেদন।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন:
সিরিয়াস কথার মধ্যেও হাসি পেল ।
সাম্যবাদ যেন মা, পূজিবাদ যেন বউ, বারংগনা অথবা রক্ষিতা (পুরুষের চোখে সাম্যবাদ ও পূজিবাদ । নারীর চোখে মা,বউ, বারংগনা, রক্ষিতা বিপরীত লিংগের শব্দ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে ।:P ) ।

২৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫২
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

'কোন কিছুই ব্যক্তিকেন্দ্রিক থাকবে না,'



শব্দযাদুকর সিহাব চৌধুরী, ব্যক্তির আশা আকাঙ্খার বাস্তবায়নের স্বপ্নের সাথে পারসনাল ইগোটা খুব এ্যাকটিভ, তা মনে হয় কোনোদিনও কবর দেয়া যাবে না। মানুষ সম্মিলিতভাবে কিছু করেও ব্যক্তিক অর্জনটা দেখতে চায়, ক্ষেত্র বিশেষে গুরুত্বও দেয় বেশি। আর ব্যক্তির সৃজনশীলতার সাথেও এর সম্পর্ক আছে।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন:
সারোয়ার ভাই,
আদিম গুহাচিত্র গুলোর ছবি তো দেখেছেন? দেখেছেন এক একটা ছবির কি শক্তি? সত্যজিৎ রায়ের আগুন্তক চলচিত্রে বাইসানের জীবন্ত চিত্রকল্পের যে ভয়াবহ সুন্দর বর্ণনা পেয়েছিলাম তাতে বিহবল হয়েছিলাম । সেই আদিম গুহা চিত্রের মালিক কোন ব্যক্তি ছিল না, যদিও তা ব্যক্তির ই আঁকা । তাদের মনস্তত্বই তেমন ছিল --- আমি ছবি আঁকছি, আমি মানুষের অংশ, মানুষ ছবি আঁকছে . আমার শিল্প আমার এবং সব মানুষের । -- ভাবনাটা সম্ভবত এরকম ছিল ।

সেই ভাব না থেকে আমরা আজ কতই না দূরে সরে এসেছি ।
এই জন্যই এতো অশান্তি ।

২৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৫৯
comment by: রাজীব আহমেদ বলেছেন: প্রায় হাজার বছরের সামন্তীয় দৃষ্টিভঙ্গী বদলাতে যে সময় লাগার কথা তা দেয়ার আগেই রিভিশনিস্ট ত্ৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছিল। একটা বাচ্চাকে তো মারা যাবে না সে ঠিক আছে কিন্তু তাকে বোঝার জন্য সময় দিতে হবে, ফল ভোগ করতে দিতে হবে। অথচ তার আগেই যদি হাল ছেড়ে দিয়ে বই সরিয়ে নিয়ে বলা হয় আচ্ছা 'তোমার বিজ্ঞান ভাল লাগছে না, ঠিকাছে তাইলে তুমি ইসলাম ধর্ম পড়' তা নিশ্চয়ই ঠিক হবে না।
৩০. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:১৩
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এখন সমাজতন্ত্রের মালিক রাশিয়ান পলিটব্যুরোর মেম্বারদের লাইগা নাকি বাইরে থাইকা পুঁজিবাদী স্কচ হুইস্কি আইত,এখন এইটারে যদি কেউ লেনিনের বিপ্লবের ব্যর্থতা কয় তাইলে তারে আর কি বুঝামু?
দীর্ঘজীবি হোন লেনিন,মানুষের গর্জনে,জনতার কোলাহলে,নতুন শিশুর কর্কশ চিৎকারে।
৩১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ২:১৯
comment by: সূর্য বলেছেন: যতদিন শোষিত মানুষ থাকবে ততদিন থাকবে তাদের সামনে মুক্তির পথপ্রদর্শক কমরেড লেনিন।
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন:
শুদ্ধ বচন ।

৩২. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: অসাধারন লিখেছিস।
বিপ্লবী নেতা লেনিনকে শ্রদ্ধা করি। চেগুয়েভারাকে ও।
তবে কোন তন্ত্রে আমি বিশ্বাসী নই।
ভালো থেকো।
৩৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৪:৪৪
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
লেলিনের প্রতি শ্রদ্ধা রইলো
৩৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:১২
comment by: রামন বলেছেন: সমাজতন্ত্র ভেঙ্গে যাবার জন্য কারণ হিসেবে সম্রাজ্যবাদ ও পুঁজিবাদীদের দায়ী করবো না । সমাজতন্ত্রকে যুগের সথে গতিশীল করার জন্য যোগ্য দ্বিতীয় লেলিনের অভাবের কারণেই এই তন্ত্রের পতন হয়। কিউবার ফিদেলের অবর্তমানে রাহুল কতটুকু ফিদেলের কিউবাকে এগিয়ে নিতে পারবে সেটি এখন দেখার বিষয়।
৩৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: ভাই আমি গরিব মানুষ আমারে শুধ্ধু একটা ভোট দেন এই খানে আইসা---

Click This Link
৩৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
comment by: ইরতেজা বলেছেন: হ্যাটস অফ টু লেলিন
হ্যাপি বাড্ডে
৩৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
comment by: নেমেসিস বলেছেন:
সমাজতন্ত্র তখনই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসবে যখন পূজিবাদ পরাকাষ্ঠায় থাকবে ।

একমত । বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক । হ্যাটস অফ টু লেলিন ।
৩৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ইষ্পাত
+
৩৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০০
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

তবে আপনি আপনার মন্তব্যের একজায়গায় লিখেছেনঃ বিপ্লব একটি ভ্রান্তিময় মহান কনসেপ্ট - এটার সাথে একমত হতে পারলাম না, এবং রাজীব আহমেদকে যেটা বলেছেন সেটির সাথে দ্বিমত করছি। আমার অবস্থান বিস্তারিত কাল বলবো, কিছুক্ষণের মধ্যে বেরঝতে হবে.....

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
৪০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
comment by: স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: "লেনিন সমাজতন্ত্র এনেছিলেন বিপ্লবের মাধ্যমে, রাশিয়ার পূজিবাদ তখন বিকশের শিখরে পৌছে নি । ভুল্টা ওখানেই ছিল"- ব্যাখ্যা প্রয়োজন, বসে থাকেন পুঁজির বিকাশের জন্য, ভালো ভালো জিনিস দেখতে পাবেন। উত্তর আধুনিক পাঠ নিয়েছেন, আপনারে দোষ দিই কিভাবে? লাকা, দেরিদা কিন্তু তাদের দায়িত্ব অন্য কারো কাধে চাপাতে চান, মিলিটারিজমের পক্ষেও লিখেছেন। শ্রমিক শ্রেণীর দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে এবং সেটা সম্ভব শ্রমিক শ্রেণীর একনায়কত্বের মাধ্যমে। যাই হোক আমি নিজেও যে খুব বুঝি তা নয়। ভালো থাকবেন, আপনার লেখা আমার ভালোই লাগে।

৪১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৬
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
"লেনিন সমাজতন্ত্র এনেছিলেন বিপ্লবের মাধ্যমে, রাশিয়ার পূজিবাদ তখন বিকশের শিখরে পৌছে নি । ভুল্টা ওখানেই ছিল"------ আমার তো মনে হয় পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায়ে গিয়ে তারপরে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব করে সমাজতন্ত্রের পথে অগ্রসর হয় এই ক্লাসিক্যল ধারণা বা প্রাচীণ গোড়া মার্কসবাদী ধারণাকে লেনিন প্রথম তাত্ত্বিক ভাবে খণ্ডন করেছেন, এবং পরবর্তীতে সোভিয়েত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে সেটির বাস্তবায়ন করেছেন।

লেনিন যেটা বলেছিলেন, আজ পুঁজিবাদ তার শুরুর যুগ পেরিয়ে এখন অবক্ষয়ের যুগে এসে পৌছেছে, এখন এটি সাম্রাজ্যবাদী চেহারা পেয়েছে। এখন পুঁজিবাদের বিকাশ বা শ্রমিক শ্রেণীর বিকাশ আগের মত ইভেন হবে। ফলে, পশ্চাদপদ রাষ্ট্রের যদি পুঁজিবাদের চুড়ান্ত বিকাশের জন্য অপেক্ষা করতে হয়, তবে কখনোই শ্রমিক শ্রেণীর মুক্তি আসবে না, কেননা এই সাম্রাজ্যবাদী দুনিয়ায় এই দেশগুলোতে পুঁজিবাদের বিকাশ এখন আর সম্ভব নয়।

ফেব্রুয়ারী বিপ্লবের পর এপ্রিলে লেনিন যে থিসিস দিলেন, সেখানে তিনি পরিষ্কার দেখিয়ে দেন, কেন এখন সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দরকার, কেন শ্রমিক শ্রেণীকে রাষ্ট্র ক্ষমতা অধিগ্রহণ করতে হবে। সেখানে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে বিপ্লবের স্তর নির্ধারণে রাজনৈতিক কাঠামোটিই বিবেচ্য। দেখতে কোন শ্রেণী আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। ফেব্রুয়ারী বিপ্লবে রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল সামন্তপ্রভু, জার ফলে সে সময় শ্রমিক শ্রেণীর আঘাতের লক্ষ ছিল সামন্তবাদ এবং মিত্র ছিল বুর্জোয়ারা; এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বুর্জোয়ারা যখন রাষ্ট্র ক্ষমতা নিয়ে নেয়, তখন শ্রমিক শ্রেণীর সামনে বা মুখোমুখি চলে আসে এই শ্রেণীটি।
৪২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:১৯
comment by: দিনমজুর বলেছেন:
এখন পুঁজিবাদের বিকাশ বা শ্রমিক শ্রেণীর বিকাশ আগের মত ইভেন হবে ==>>>> এখন পুঁজিবাদের বিকাশ বা শ্রমিক শ্রেণীর বিকাশ আগের মত ইভেন হবে না।


দেখতে কোন শ্রেণী আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত=====>>>> দেখতে হবে কোন শ্রেণী আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত।
৪৩. ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভবিষ্যতে এ ধরণের কিছু ঘটলে তার কাঠামো কেমন হবে , সেটা নিয়ে আমার ভিন্নমত আছে । তবে সোভিয়েত স্টাইলে সেটা আর কোনদিনই হবে না বলে আমার বিশ্বাস । চেষ্টা করবো , আমার চিন্তা নিয়ে একটা পোস্ট দিতে (তবে স্টাডি ছাড়া দিবো বলে , হ