আমার প্রিয় পোস্ট
- সুপ্রভাত বাংলাদেশ : দিনবদলের বাঁকে শিশুদের শৈশব ফিরে পাবার গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- মা, তোমাকে। - নরাধম
- জ্ঞানীর দায়িত্ব, ল্যাংটা বাবা, গোয়েবলস ও বর্তমানের আস্তিক নাস্তিক প্রোপাগান্ডা - বিবর্তনবাদী
- যুদ্ধশিশু '৭১ এবং আমার অভিজ্ঞতা ... - নজরুল কবীর
- 'আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার' - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "চলচ্চিত্র সমাজ পরিবর্তন করতে পারে না, কখনো করেও নি" -- সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার - ফাহমিদুল হক
- সব যুদ্ধ স্টেনগান দিয়ে হয় না। - শুভ
- একদিন আমি- যা হবার তাই হোকনা - কি আসে যায় - দ্যা গ্রীম রিপার
- এক বর্ষা সন্ধ্যায় আজিজ মার্কেটের ঘটনা - ফয়সল নোই
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- বাক বাকুম বাক স্বাধীনতা - দিনমজুর
- আপনি কি মনে করেন আপনার ভাগ্য ভালো নাহ? (বাংলা) - গিফার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদ: আজ যাকে খুব বেশি মনে পড়ে - মুনীর উদ্দীন শামীম
- " আমার বাবা গভর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের হেড ক্লার্ক ছিলেন " - সারিয়া তাসনিম
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একজন ধর্মব্যবসায়ী ও যুদ্ধাপরাধীর নাম - দেলোয়ার হেসেন সাইদী - এস্কিমো
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- সামহোয়ারে ৩য় সংস্করনে কমেন্টে যেভাবে লিংক এড করা হয় - নাজিরুল হক
- হুমায়ুন আজাদ যেখানে জিতে গেছেন - মুহম্মদ জুবায়ের
- ডেথসার্ভার - ফরিদ
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- ব্ল্যাক হোলের সাথে ম্যানহোলের এবং হোয়াইট হোলের সাথে সুড়ঙ্গমুখের মিল আছে- সত্যি কথা কিন্তু! - অনিশ্চিত
- স্মৃতি, অনূভুতি হয়ে ফিরে আসে যে মাসে। - অন্যরকম
- গর্ভধারিণী : মুক্তিযোদ্ধার সাহসী মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা - মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান
- হাসতেই আছি, সেই বিকাল থাইক্কা। শুনলাম "দুর্নীতির বিরুদ্ধে জামাতের শক্ত অবস্থান" নিছিলো....হায় হায়...মইরাই যামু!
- এস্কিমো
- ম্যাথ ট্রিকস্-৬: ৬ দ্বারা গঠিত সংখ্যার বর্গ - মামুনুর রহমান খাঁন
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- তুমি একটু কেবল বসতে দিও কাছে-(বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানকে একটি খোলা চিঠি) - স্বপ্নডানা
- পুবের মন, পশ্চিমের ক্ষণ (কালচারাল শক-১ক: ড্রপ বক্স) - ৃৃমম
- ভুত ভুতং ভৌতঃ - মানুষ
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- কেন আমি চাই/চাই না তসলিমা নাসরিন ফিরে আসুন - মাহবুব মোর্শেদ
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- "জেনারেল" এবং "রোকন" নিকের সভ্যতা বিবর্জিত কমেন্ট .....ব্লগারদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন - মাহিন্দ্র রায়
- নুরে আলমের প্রশ্নের জবাব:একজন আয়াতুল্লাহ খোমেনী - আরিফুল হোসেন তুহিন
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।। হুমায়ুন আজাদ - মুকুল
- যখন জলবসন্তের রোগী - পরাগ জাফর
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
- মুখ ঢাকি লজ্জায়...... - সিঁদুরে মেঘ
- '৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প - ফারহান দাউদ
দাঁতাল নকশা ও অন্য কোন বিভ্রান্তি
২০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৩০
যখন খুব অল্প পরিচিত রুয়া ঊঠা নেড়ী কুকুরটা তার পাশে বসলো, কুকুরেরা যেভাবে বসে সেইভাবে, মনসুরের মনে হলো তার পাশে একজন মানুষ চাই । ঘন্টাখানেক একইভাবে ঝিম মেরে, ডিম প্রহরী উষ্ণতাদায়িনী মুরগীর মত সে উত্তপ্ত করছিল বা পাহারা দিচ্ছিল ব্যাস্ততাহীন মাটি আর তার নিতম্বের মধ্যেকার বায়বীয় শূন্যতা । আকাশ একটু মেঘলা, কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছেনা । সাত সকালে, আসমা কাজে বেরুবার ঠিক আগে বিছানায় মৃদু আলস্যের সাথে সংগ্রামরত মনসুরকে বলে গিয়েছিল, চালের ফুটার নিচে কাসেম মিয়ার ভাংগারীর দোকান থেকে কেনা জং ধরা বালতি টা যেন পেতে দেয়, নতুন লেপা ঘরের যেন শ্রী হত্যা না হয়ে যায় । সে এখনো তা দেয়নি । পুরোপুরি মিউয়ে যাওয়া মুড়ি দিয়ে সকালের খাওয়া টা সারার পর থেকেই তার ঘরের পিছনের দিকে এসে তার এই ঝিম অবস্থান । ঝিম অবস্থাটা কাটানোর জন্য , মানুষ চাই ।
কুকুরটা লেজ নাড়ছে এমনভাবে, যেন কোন নৈকট্যের সন্ধান পেয়েছে । বস্তির এই নির্জন পেছনের দিকটা মনে হয়, নৈকট্য তৈরীর জন্যই স্বাভাবিক । গেল হপ্তায় মনসুরের দোস্ত উসমানের ছেনাল বউটা, পাশের ঘরের ছোট লস্করের সাথে এখানে এসেছিল । বস্তি মালিকের অনেক দিন গরিমসি করার পরে অবির্ভূত বস্তির এই সীমানা দেয়াল ও তার ঘরের পেছনের জায়গাটুকু, যাকে অধো অন্ধকার করে রেখেছে তিনটি অফলা নারিকেল গাছ, সেই আধো অন্ধকারে দুজন আধানেংটা আলুথালু মানুষকে সুউচ্চ বিকারের সাথে তার ঘরের বেড়ার ফুটা দিয়ে দেখে ফেলেছিল । আজন্তে হাত চলে গিয়েছিল লুংগির নিচে, দু উরোর ফাঁকে এবং ব্যাথার কুকড়ে উঠেছিল । উত্তেজনায় ভুলে গিয়েছিল, নিভৃত, অনেক দিনের ক্ষুদার্থ অংগে বিষফোড়ার কথা । তার যন্ত্রনার অস্ফুট শব্দে ভীত হয়ে পরেছিল দুটি উত্তেজিত বিভ্রান্ত শরীর , তৎক্ষনাৎ আদিমতা মেরামত করে , শরীর ঢেকেঢুকে পালাল দুজন ।
প্রায় তিনমাস আগে, যে রাতে আসমার সাথে , বিছানায় স্বরনাতীতকালের সবচেয়ে বেশী হুলুস্থুলু হয়েছিল, তার পরের দিন সকালে জলবিয়োগের সময় মনসুর অনাহূতভাবে আবিষ্কার করে, তার অন্ডকোষে ব্যাথ্যা আর লালা চাকা চাকা দাগ । একটু পরেই তার রিকশা নিয়ে বের হয়ে যাবার কথা ছিল , কিন্তু ব্যাথার জন্য বের হতে পারে নি । আসমা চলে গিয়েছিল কাজে, সে যে বাসায় কাজ করে, সেই বাসার খালা, খালু আর ভাইয়া ৮ টার মধ্যে বের হয়ে যান । তাই অনেক ভোরেই বের হতে হয় তাকে । সারা সকাল দুপুর ব্যাথায় কাতরানোর পরে আসমা এসে, তাকে ধরে ধরে দক্ষিণ বাজারের বুড়া ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিল । কয়েকটা ঔষুধ আর মলম লিখে দিয়ে ডাক্তার বলেছিল সাপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে । সেই সাপ্তাহ আজো পার হলো না ।
তাই সে ঘরে বসে থাকে, সকাল দুপুর । দুপুরে আসমা খাবার নিয়ে আসে, সে সেগুলো গোগ্রাসে গিলে, একই ব্যবস্থা রাতেও, তার আগে আসমা আবার কাজে চলে যায় । পশুর মত খাটে মেয়েটা সারাদিন আর সে সময়টা ঢের ঢের অবসর । ঘরের পেছন দিকটায় এসে বসে শূন্যতাকে উষ্ণতা দেয়, পড়শীদের নিত্য দিনের ঝগড়া, অশ্লীল খিস্তি খেঊর শোনে । আসমা ভালো মেয়ে, তাকে তার সাম্প্রতিক অকর্মন্যতা নিয়ে কথা শোনায় না ।
এই মাত্র বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল । মনসুর উঠে গিয়ে বালতি টা পেতে দিল । এখন ঘরে বসে বসে আসমার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কাজ নেই । বালতি পাতা মাত্রই যখন অসমার জন্য অপেক্ষা করা শুরু করতে যাবে, তখনই আসমা দৌড়াতে দৌড়াতে ঘরে এসে ঢুকল । তার হাতে দুটো খাবারের প্যাকেট । মনসুর অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলোঃ
- এতো তারাতারি চইল্ল্যা আইলি যে!
- খালা বাসায় নাই, দ্যাশে গ্যাছে, ভাইয়াও নাই, খালু একলা বাসায়, কাজ নাই, তাই চইল্যা আইসি । দ্যাখো, তুমার জইন্য কি আনছি !
- কি? কি আনছোছ ?
- বিরানি, বিরানি আনছি । ছাগলের। লও, খাইয়া লও ।
- কই পাইলি বিরানি?
- খালু কিন্না দিছে ।
- বিরানি কিন্না দিলো কেন? কি জইন্নে দিসে ?
- দিতে ইচ্চা হইসে, দিসে । আর কথা কইয়ো না তো! লও খাইয়া লও ।
মনসুর কথা বাড়ালো না । বড়লোকদের খেয়ালগুলো সে বুঝতে পারে না, তেমন । হাত ধুরে খেতে বসলো । প্রথম লোকমা দিল মুখে । আহা কি স্বাদ ! ............
দুজনে খাওয়ার পরে একটু শুল । আসমা এমনিতে শোয় না । ফুসরৎ পায় না । আজকে আর কাজে যাওয়া লাগবে না । খালু নাকী বলে দিয়েছে ।
হঠাৎ মনসুর একহাত রাখলো আসমার পুষ্ট বাম বুকে । আসমা কেঁপে উঠল একটু , এভাবে সে কাঁপে না , এরকম সময় । কাল সন্ধ্যায় তো এই রকম আধাখেচরা করেছিল, তখন এমন করেনি । মনসুর ব্লাউজের হুক খুলতে লাগল । আসমা নিথর । বেরিয়ে গেল, কালো তুলতুলে ।
ঠিক ডান স্তনের বোটার বাম পাশে পরিস্কার দাতের ছাপের মত দেখতে পেলো । কাল সন্ধ্যাও তো এটা ছিল না?
চকিতে খালুকে সে দেখতে পেল আসমার বুকে দাঁত গুজেছেন । বসিয়ে দিয়েছেন দাঁত । আসমা কি সুখ পাচ্ছে ? আসমার মুখটা দেখার চেষ্টা করলো । না , আসমা সুখ পাচ্ছে । কিন্তু মুখটা বিব্রত , বিভ্রান্ত ও সুখী । ঠিক যেন উসমানের ছেনাল বউটার মতো ।
ধ্যাত্ত্যেরি ! কি ভাবছে এসব ! এটা সেই হয়তো দিয়েছিল, কাল রাতে, ঘুমের ঘোরে !!
আসমা মনসুর চোখের বিভ্রান্তিকে দেখতে পেল । মনসুর ভেতরের সন্দেহের দোলাটা টের পেল !
হঠাৎ বলে উঠলো আসমাঃ
- আজকে বিরানি টা অনেক স্বোয়াদের হইছে না আজকে?
মুকুল বলেছেন:
হু ম ম
লেখক বলেছেন:
আকাশ চুরি ভাই, আপনাকে কখনো সমালোচনা করতে দেখি না । গল্পটার একটু সমালোচনা করেন তো !
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন:
কাহিনী মোটামুটি ব্যতিক্রম, ভাষা তো শৈল্পিক যথারীতি; আর গল্পের গতিময়তাটি বিষম (এটাকে নেতিবাচক বলছিনা), প্রথম দুই অনুচ্ছেদের গতি বেশ ধীর, পরবর্তীতে গল্প তরতরিয়ে এগিয়েছে। ধন্যবাদ; ভালো থাকুন, ভালো লিখুন।
ভালো থাকুন।
আকাশচুরি বলেছেন:
সিহাব ভাই, আমি সমালোচনা করতে পারিনা! তাছাড়া শব্দ আর বাক্যের পোক্ত গাঁথুনি, গল্পের ভাঁজে-ভাঁজে মানিক ব্যানার্জির স্বাদ!!
অসাধারন,,,,,,অসাধারন,,,,,,,
হ্যাটস অফ টু ইউ।



















ভালো লাগল খুব।
কি ব্যাপার প্লাস দিচ্ছি কিন্তু দেখাচ্ছে না???