somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... আসুন, কিছু একটা করি । ইসরায়েলের হামলার বিরূদ্ধে আমরা বাকপটু-হতবাক বাংগালীরা কি কিছুই করতে পারি না? ইসরায়েল সংযুক্ত ভোগ্যপন্য গুলোকে যতটা সম্ভব বর্জন তো করতে পারি ! আসুন না, বুকের অপরিসীম ঘৃণার, কিছুটা হলেও সক্রিয় প্রকাশ ঘটাই ।

নিচের ভোগ্যপন্যগুলোর (একটি গ্রুপ মেইল থেকে পাওয়া) উৎপাদন ও বিপনন ইসরায়েল ও ইসরায়েলের নাগরিকদের অংশীদারিত্বপূর্ণ । আসুন একবার দেখে নিই ।





















যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব প্রভাবশালী মনোপোলি ব্যাবসা প্রতিষ্টানগুলো ইহুদি তথা ইসরায়েলীয় মালাকানাধীন । ইসরায়েলের সামরিক খাত, এই সব ব্যাবসায়ীদের সমর্থনপুষ্ট । হয়তো আমাদের কারোরই কেনা কোন পণ্যের লভ্যাংশ - এই শিশুটির মৃত্যুর জন্য দায়ী ।

আসুন বর্জণ করি, ইসরায়েলি পণ্য, যতোটা পারি । আসুন, কিছু একটা করি ।





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28894005 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28894005 2009-01-07 02:03:32
এটা অপ্রাসংগিক যে আমরা জাম্বুরার জন্য জীবন দেই ।
চলতি পথে আমাদের গায়ে মাখা ধূলি ওড়ানো লেক্সাস আমাদের টানে, যখন পাশে বসে থাকে পূজিবাদের বাইপ্রোডাক্ট আফ্রোদিতি, নষ্ট শুয়োর বাপের মহাপূজির উদ্যোগে এইসব লেক্সাসের অন্ধকারে শুয়োরের বাচ্চারা যখন এইসব আফ্রোদিতিদের মাংস নিয়ে খেলে, তখন আমাদের ভালো লাগে ।

ফ্রষ্টেড গ্লাসের লাক্সারি ঢেকে দেয় জীবনের সমস্ত নোংরা, আমাদের সমস্ত অনাদায়ী ঋণ । সেই ফ্রষ্টেড গ্লাস আমাদের ভালো লাগে ।

আমরা জাম্বুরার জন্য জীবন দেই । আমরা আবার জাম্বুরার জন্য জীবন দিতে জন্মাই ।

গরীব মরছে, মরুক ।

আমরা প্রত্যেকেই জানি সব কিছুই নষ্ট দের অধিকারে যাবে , তবুও এইসব মলিন জীর্ণতা নিয়ে নাকি কান্না করি, একধরনের বুর্জোয়া বিলাস - এসব ও ভালো লাগে .... মানুষ জন্ম সূত্রেই ভোগবাদী ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28870752 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28870752 2008-11-18 16:57:28
শব্দে শৈল্য ক্রিয়ায় বেশ ভাব ব্যাপকতা হয় । আরোহন ও হয় বৈকী ! আমি বৃষ্টির দিনে ঘর থেকে বের হইনা । সারাদিন টপ টপ পড়তেই থাকে । বেরুলেই ভিজে যাব, আমার আবার গায়ে একফোঁটা পানি পরলেই জ্বর আসে । সবচেয়ে বিচ্ছিরি ব্যাপার হলো পথ ঘাট সব কাঁদায় কর্দমে একাকার । বাইরে বেরোলেই পায়ে কাঁদা লেগে একশেষ । বৃষ্টির দিনে অবশ্য, কাথা মুড়ি দিয়ে ঘুমানো অতিরিক্ত রকমের আরাম দায়ক । আর খিচুড়িইলিশ জিনিসটার জন্মই বোধহয় বৃষ্টির দিনকে উপলক্ষ্য করে ।

আমি বৃষ্টিদিনে ঘর থেকে বের হইনা । বৃষ্টিদিনে অনেক অনেক আগে হারিয়ে যাওয়া কারোর প্রত্যাবর্তন ঘটে । যে জলঅণু হাজার বছর আগে পৃথিবীতে ছিল, হাইড্রোলজিক সাইকেলের খেলায় সে আবার আবির্ভূত হয় পৃথিবীতে, যেখানে সে হয়তো ছিল প্রবাহমান কোন জলধারার অংশ, হয়তো গৃহস্থের কলসীর তলানির ফেলে দেয়া শেষ বিন্দুটুকুর পরম আত্মীয়, হয়তো কোন প্রখর বেগে নির্গত কোন স্রাবের অংগ অথবা হয়তো প্রচীন কোন নারীর চোখের কোণের বিম্বিত কারূকার্য্যের একটি পুতি । তাই প্রতিটি বৃষ্টিদিন, পরাবাস্তবিক ঐতিহাসিকতায় তাৎপর্য্যমন্ডিত । তাই আমি বৃষ্টিদিন পালন করি । বৃষ্টির ফোঁটা যখন হাতে নিই, হাত থেকে গড়িয়ে পরতে থাকে মাটিতে, তখন প্রগাঢ় অনুভব করি, জলঅণুগুলো আবার ফিরে আসবে পৃথিবীতে , হাজার বছর পরে, তখন আমি আর হাত পাতবো না । বৃষ্টিদিন আমার অন্তঃকরনে মৃত্যময়তা গাঢ় করে মাখিয়ে দেয় । আমি বিষন্ন থেকে বিষন্নতর হয়ে উঠি । কোথায় ছিলাম, কোথায় আছি, কোথায় যাবো ?


শব্দ শৈল্যতায়, বেশ ভাব ব্যাপকতা হয় । আরোহন ও হয় বৈকী ! প্রথম প্যারায় বৃষ্টির দিন শব্দ যুগলে আর দ্বিতীয় প্যারায় বৃষ্টিদিন শব্দে, "র" এবং " " মোচনের পরে একই শব্দ যুগল নিয়ে গঠিত শব্দে ভাব ব্যাপকতা বেড়ে গেছে । বৃষ্টির দিন শব্দটি শুনলেই কেমন যেন সংকীর্ণ দ্যোতনা মানসে ফুটে উঠে এবং সেই কারনে, বৃষ্টির দিন শব্দ যুগলের প্রয়োগ সংকীর্ণ পরিমন্ডলে মানানসই , ঠিক উল্টোদিকে বৃষ্টিদিন শব্দের অবস্থান । যখনই যূথবদ্ধ হ লো, তখনই নিজেকে অভিজাত করে তুললো । অনেক দার্শনিকতা ও নিগূঢ়তা তার মধ্যে অব্যক্ত হয়ে গেল ।

সুতরাং, আসেন, আমরা সবাই শব্দে ছুরি চালাই, ভাবকে ব্যাপক করি, ভাবের আরোহন ঘটাই ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28860328 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28860328 2008-10-27 02:10:42
সাহায্য প্রয়োজনঃ বাংলা বাউল গানের ইতিহাস নিয়ে কিছু বইয়ের নাম জানতে চাই । বাংলা বাউল গানের ইতিহাস নিয়ে কিছু বইয়ের নাম জানতে চাই । কেউ যদি জেনে থাকেন তবে জানান , প্লীজ । ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28844766 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28844766 2008-09-18 12:42:51 যুদ্ধনাশা ঘন্টাধ্বণী "আমি নবীন এক পৃথিবীতে যাচ্ছি। " - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ওঠে ত্রস্ত দাড়াল
এবং হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো, এবং হতচকিত ত্রস্ত বড়কর্তা ওঠে দাড়ালো, ও তাদের আশ্চর্য সুন্দর দেখালো
"আমি এক নতুন পৃথিবীতে যাচ্ছি।" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো

"ওরে পিচ্চি ! শূনছিস, আমি যুদ্ধের ঢোল বাজাচ্ছি!" - দপ্তরে বসে, বলে ওঠে ভারিক্কি বড়কর্তা
"নাহ, আমি তোমার নচ্ছাড় যুদ্ধ করবো না! "- শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো
এবং হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো, এবং হতচকিত বড়কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো, ও তাদের আশ্চর্য সুন্দর দেখালো
"নাহ, আমি তোমার নচ্ছাড় যুদ্ধ করবো না! " - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো

"ওরে পিচ্চি, তুই তবে তোর দেশকে ভালো বাসিস না?" - দপ্তরে বসে, বলে ওঠে ভারিক্কি বড়কর্তা
"হুম, বাসি তো! বরং তুমিই বাসো না ।" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো
এবং হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো, এবং হতচকিত বড়কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো, ও তাদের আশ্চর্য সুন্দর দেখালো
"হুম, বাসি তো! বরং তুমিই বাসো না ।" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো

"ওরে, বোকা পিচ্চি, তুই কি সত্য জানিস ?" - দপ্তরে বসে, বলে ওঠে ভারিক্কি বড়কর্তা
"জানি হে! তুমি মিথ্যা বলো ও মিথ্যাকেই সত্য বলে চালাও" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো
এবং হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত উঠে দাড়ালো, এবং হতচকিত বড়কর্তা ত্রস্ত উঠে দাড়ালো, ও তাদের আশ্চর্য সুন্দর দেখালো
"জানি হে! তুমি মিথ্যা বলো ও মিথ্যাকেই সত্য বলে চালাও" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো

"যাহ! ব্যাটা ভীতু কোথাকার! ভয়ে মরে যাচ্চিছ তো!" - দপ্তরে বসে, বলে ওঠে ভারিক্কি বড়কর্তা
"না, আমিই তৈরী, বরং তুমিই ভীত" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো এবং হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত উঠে দাড়ালো , এবং হতচকিত বড়কর্তা ত্রস্ত উঠে দাড়ালো, ও তাদের আশ্চর্য সুন্দর দেখালো
"না, আমিই তৈরী, বরং তুমিই ভীত" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো


"ওরে, আমি একটা ঘন্টাধ্বণী শূনলাম" - দপ্তরে বসে, বলে ওঠে ভারিক্কি বড়কর্তা
"হ্যা, তোমাকে নরকের আহবান করছে, আমিও শূনতে পাচ্ছি" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো
এবং হতচকিত বড় কর্তা ওঠে দাড়ালো , এবং হতচকিত বড়কর্তা ওঠে দাড়ালো, ও তাদের আশ্চর্য সুন্দর দেখালো
"হ্যা, তোমাকে নরকের আহবান করছে, আমিও শূনতে পাচ্ছি" - শিশুটি দীপ্তি নিয়ে বলে ওঠে, এবং শুনে হতচকিত বড় কর্তা ত্রস্ত ওঠে দাড়ালো

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28827086 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28827086 2008-08-03 23:02:41
সাঁঝবেলার গান সন্ধ্যা ঘনাচ্ছে নাগরিক বলয়ে, আকাশে গোধূলীর রং, লাল মেঘ অথবা তাতে দেখতে পাওয়া সোনার সিংহ - এগুলোর স্তম্ভিত সৌন্দর্য্য মাপার কোন যন্ত্র নেই - কোন কবিতা নেই যেন, কতগুলো বাস্তব বোদ্ধা প্রজাপতি যেন এদের গাঁথা, ছুঁতে গেলেই যেমন পালায় ছটফটে ডানায়, আমার শব্দেরা তেমনি, তাদের কথা বলতে গেলেই যূথ ভেংগে পালায় । তাই আমি কেমন যেন অগোছালো হয়ে আছি!

সবশেষে সূর্যাস্তের রংগেরা আমাকে নশ্বরতা বলে যায় । কিছু পাখি শৈলী মেনে যুথ বেধে ঘরে ফিরছে । আমার শব্দেরা বুঝি এভাবেই যূথ বেধে পালালো , ক্লান্ত ঘরকুনো? কতগুলো মানুষ এভাবে সূর্যাস্তের রংগের কাছে নশ্বরতা শুনেছে, কতশত ই বা পখিদের দিনান্তের শৈলী অনুশীলন দেখেছে? তারা আজ কোথায় ?

Where have all the flowers gone?
Long time passing.
Where have all the flowers gone?
Long time ago.
Where have all the flowers gone?
The girls have picked them ev'ry one.
Oh, when will you ever learn?
Oh, when will you ever learn?
Where have all the young girls gone?
Long time passing.
Where have all the young girls gone?
Long time ago.
Where have all the young girls gone?
They've taken husbands, every one.
Oh, when will you ever learn?
Oh, when will you ever learn?
Where have all the young men gone?
Long time passing.
Where have all the young men gone?
Long time ago.
Where have all the young men gone?
They're all in uniform.
Oh, when will you ever learn?
Oh, when will you ever learn?
Where have all the soldiers gone?
Long time passing.
Where have all the soldiers gone?
Long time ago.
Where have all the soldiers gone?
They've gone to graveyards, every one.
Oh, when will they ever learn?
Oh, when will they ever learn?
Where have all the graveyards gone?
Long time passing.
Where have all the graveyards gone?
Long time ago.
Where have all the graveyards gone?
They're covered with flowers, every one.
Oh, when will they ever learn?
Oh, when will they ever learn?
Where have all the flowers gone?
Long time passing.
Where have all the flowers gone?
Long time ago.
Where have all the flowers gone?
Young girls picked them, every one.
Oh, when will they ever learn?
Oh, when will they ever learn?


বারবার শুনছি । গাইছি ।
বন্ধু বলে, আমার নাকি এখন আত্মিক ক্রান্তিকাল চলছে । নাকি বন্ধু ! তুমিই সংকট এড়িয়ে চল ?

মানুষের জীবনের কোন লব্ধি নেই । তবু সন্ধ্যা ঘনাচ্ছে, তবুও সন্ধ্যা ঘনাচ্ছে - চমৎকার রাত্রিকে যে আসতে ই হবে । আজও চমৎকার ! আজও চমৎকার, সবসময় চমৎকার ।

ইস! কখনো যদি জাতিস্মর হই, আমি যেন বারবার জাতিস্মর হই ।

পূর্ণিমার রাতে, বুনো বাতাসে হাস্নাহেনার গন্ধ আমি বারবার নিতে চাই । যে জ্বরে গা পুড়ে গিয়েছিল, সেই জ্বরে জলপট্টি হাতে মায়ের শুকনো মুখ আমি বারবার দেখতে চাই ।
যৌবনের শুরুতে পাবলো নেরুদাকে দেয়া কবিতার ডাক শুনতে চাই বারবার ।
যে রাতে আমার প্রেম এসেছিল অরণ্যের পাশে, মুঠোফোনের ভেতরে জেগে থাকা জোনাকের ভিড়ে, সেই রাত আমি চাই প্রতি জীবনে বারবার ।

শুনো প্রকৃতি, আমি তোমার পরিহাসের নিয়ম মানি না ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28825409 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28825409 2008-07-29 22:32:15
দাঁতাল নকশা ও অন্য কোন বিভ্রান্তি
কুকুরটা লেজ নাড়ছে এমনভাবে, যেন কোন নৈকট্যের সন্ধান পেয়েছে । বস্তির এই নির্জন পেছনের দিকটা মনে হয়, নৈকট্য তৈরীর জন্যই স্বাভাবিক । গেল হপ্তায় মনসুরের দোস্ত উসমানের ছেনাল বউটা, পাশের ঘরের ছোট লস্করের সাথে এখানে এসেছিল । বস্তি মালিকের অনেক দিন গরিমসি করার পরে অবির্ভূত বস্তির এই সীমানা দেয়াল ও তার ঘরের পেছনের জায়গাটুকু, যাকে অধো অন্ধকার করে রেখেছে তিনটি অফলা নারিকেল গাছ, সেই আধো অন্ধকারে দুজন আধানেংটা আলুথালু মানুষকে সুউচ্চ বিকারের সাথে তার ঘরের বেড়ার ফুটা দিয়ে দেখে ফেলেছিল । আজন্তে হাত চলে গিয়েছিল লুংগির নিচে, দু উরোর ফাঁকে এবং ব্যাথার কুকড়ে উঠেছিল । উত্তেজনায় ভুলে গিয়েছিল, নিভৃত, অনেক দিনের ক্ষুদার্থ অংগে বিষফোড়ার কথা । তার যন্ত্রনার অস্ফুট শব্দে ভীত হয়ে পরেছিল দুটি উত্তেজিত বিভ্রান্ত শরীর , তৎক্ষনাৎ আদিমতা মেরামত করে , শরীর ঢেকেঢুকে পালাল দুজন ।

প্রায় তিনমাস আগে, যে রাতে আসমার সাথে , বিছানায় স্বরনাতীতকালের সবচেয়ে বেশী হুলুস্থুলু হয়েছিল, তার পরের দিন সকালে জলবিয়োগের সময় মনসুর অনাহূতভাবে আবিষ্কার করে, তার অন্ডকোষে ব্যাথ্যা আর লালা চাকা চাকা দাগ । একটু পরেই তার রিকশা নিয়ে বের হয়ে যাবার কথা ছিল , কিন্তু ব্যাথার জন্য বের হতে পারে নি । আসমা চলে গিয়েছিল কাজে, সে যে বাসায় কাজ করে, সেই বাসার খালা, খালু আর ভাইয়া ৮ টার মধ্যে বের হয়ে যান । তাই অনেক ভোরেই বের হতে হয় তাকে । সারা সকাল দুপুর ব্যাথায় কাতরানোর পরে আসমা এসে, তাকে ধরে ধরে দক্ষিণ বাজারের বুড়া ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়েছিল । কয়েকটা ঔষুধ আর মলম লিখে দিয়ে ডাক্তার বলেছিল সাপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবে । সেই সাপ্তাহ আজো পার হলো না ।

তাই সে ঘরে বসে থাকে, সকাল দুপুর । দুপুরে আসমা খাবার নিয়ে আসে, সে সেগুলো গোগ্রাসে গিলে, একই ব্যবস্থা রাতেও, তার আগে আসমা আবার কাজে চলে যায় । পশুর মত খাটে মেয়েটা সারাদিন আর সে সময়টা ঢের ঢের অবসর । ঘরের পেছন দিকটায় এসে বসে শূন্যতাকে উষ্ণতা দেয়, পড়শীদের নিত্য দিনের ঝগড়া, অশ্লীল খিস্তি খেঊর শোনে । আসমা ভালো মেয়ে, তাকে তার সাম্প্রতিক অকর্মন্যতা নিয়ে কথা শোনায় না ।

এই মাত্র বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল । মনসুর উঠে গিয়ে বালতি টা পেতে দিল । এখন ঘরে বসে বসে আসমার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া আর কাজ নেই । বালতি পাতা মাত্রই যখন অসমার জন্য অপেক্ষা করা শুরু করতে যাবে, তখনই আসমা দৌড়াতে দৌড়াতে ঘরে এসে ঢুকল । তার হাতে দুটো খাবারের প্যাকেট । মনসুর অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলোঃ

- এতো তারাতারি চইল্ল্যা আইলি যে!
- খালা বাসায় নাই, দ্যাশে গ্যাছে, ভাইয়াও নাই, খালু একলা বাসায়, কাজ নাই, তাই চইল্যা আইসি । দ্যাখো, তুমার জইন্য কি আনছি !
- কি? কি আনছোছ ?
- বিরানি, বিরানি আনছি । ছাগলের। লও, খাইয়া লও ।
- কই পাইলি বিরানি?
- খালু কিন্না দিছে ।
- বিরানি কিন্না দিলো কেন? কি জইন্নে দিসে ?
- দিতে ইচ্চা হইসে, দিসে । আর কথা কইয়ো না তো! লও খাইয়া লও ।

মনসুর কথা বাড়ালো না । বড়লোকদের খেয়ালগুলো সে বুঝতে পারে না, তেমন । হাত ধুরে খেতে বসলো । প্রথম লোকমা দিল মুখে । আহা কি স্বাদ ! ............

দুজনে খাওয়ার পরে একটু শুল । আসমা এমনিতে শোয় না । ফুসরৎ পায় না । আজকে আর কাজে যাওয়া লাগবে না । খালু নাকী বলে দিয়েছে ।

হঠাৎ মনসুর একহাত রাখলো আসমার পুষ্ট বাম বুকে । আসমা কেঁপে উঠল একটু , এভাবে সে কাঁপে না , এরকম সময় । কাল সন্ধ্যায় তো এই রকম আধাখেচরা করেছিল, তখন এমন করেনি । মনসুর ব্লাউজের হুক খুলতে লাগল । আসমা নিথর । বেরিয়ে গেল, কালো তুলতুলে ।

ঠিক ডান স্তনের বোটার বাম পাশে পরিস্কার দাতের ছাপের মত দেখতে পেলো । কাল সন্ধ্যাও তো এটা ছিল না?

চকিতে খালুকে সে দেখতে পেল আসমার বুকে দাঁত গুজেছেন । বসিয়ে দিয়েছেন দাঁত । আসমা কি সুখ পাচ্ছে ? আসমার মুখটা দেখার চেষ্টা করলো । না , আসমা সুখ পাচ্ছে । কিন্তু মুখটা বিব্রত , বিভ্রান্ত ও সুখী । ঠিক যেন উসমানের ছেনাল বউটার মতো ।

ধ্যাত্ত্যেরি ! কি ভাবছে এসব ! এটা সেই হয়তো দিয়েছিল, কাল রাতে, ঘুমের ঘোরে !!

আসমা মনসুর চোখের বিভ্রান্তিকে দেখতে পেল । মনসুর ভেতরের সন্দেহের দোলাটা টের পেল !

হঠাৎ বলে উঠলো আসমাঃ
- আজকে বিরানি টা অনেক স্বোয়াদের হইছে না আজকে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28822367 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28822367 2008-07-20 20:30:46
প্রেমখাকী দর্শন চিত্রাহত আদিমের মত - গহীনে, আরও গহীনে -
ওটাকে কী যেন বলে?
আকাশ! আকাশ! আকাশ রাতের!

বর্ষণের এককে চড়ে ঘুমহীন লোভাতুর বিষ্ময় জেগে রয় ।জেগে রয়, বৃষ্টির রাত । তুমি দ্বিধাদ্বন্দের রোগী - খন্ডিত মস্তিস্কের রোগীর মত দুচারটে লাইন লিখে, কিসের সংবাদ জেনেছো তুমি?কোথায় পেয়েছো কল্প-কাব্যিক নিরীহতা?মানুষীর গন্ধে? তাকে চুম্বনে, গায়ে গায়ে
লেপ্টে থেকে তো হৃদয় ততটুকু খোলেনা,
চাঁদের ধূলোতে পৌরানিক পা রাখতে গিয়ে যতটুকু খোলে!
হে উদাসী, না কি ভুল ডেকেছো
নিজেকে ছায়া অভিপ্রায়ে
বরং ডাকি -হে বিগত উদাসী, মানুষীর স্তন গন্ধ কি আকন্ঠ
গেয়ে উঠা নক্ষত্রের চিকন অন্ধকারের চেয়ে ভালো?চুম্বন
কি পারে দিতে -
জোছনার নৈশব্দের - অথবা অশ্রুর সমার্থক স্বাদ!
গায়ে গায়ে লেপ্টে থাকা শরীরের কাঁপন ছুঁয়ে দিতে দিতে,
বলে না আমাকে-
আমার যত দর্শন, স্পর্শ করে কয়েকটি শব্দ -
বৃষ্টি-অশ্রূ-নীরবতা-জোছনা-জোনাক-শীতরাত-অনেক বিষন্নতা
আমাকে যেমন বলে ।
প্রেম পারে দিতে কতটুকু - অপ্রেম যতটা ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28819598 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28819598 2008-07-12 21:36:30
বৃষ্টির শব্দ থেকে, অতঃপর আলোতে অথবা অন্ধকারে ...
- কৃষ্ণচূড়া ফুল গুলো যেন শ্বাস নিচ্ছে উত্তেজনার, বৃষ্টির যাচিত সংগমে মায়াবী উত্তেজনায় ঘেমে যাচ্ছে ফুলগুলো , তারপর চকিত হাওয়া এসে তাকে নেড়েচেড়ে দিচ্ছে ঘাম, টুপ করে ঘাম পড়ছে মাটিতে, তাতেও খুব একটা লাভ হচ্ছে না, আবার জমছে অলীকের আলো মাখা ঘাম । প্রিয়, আমি কৃষ্ণচূড়া ফুল হতে চাই, তুমি কি বৃষ্টি হবে?

এভাবে মেয়েটি অনুবাদ করছিল বৃষ্টি ও ভালোবাসা । হাত বাড়িয়ে কয়েক ফোঁটা বৃষ্টি নিয়ে নেয় সে ! ভিজিয়ে দেবে অন্ধ প্রমিকের মুখ, ভিজিয়ে দিবে তার যতসব খরা পদ্য ।

হাতে বৃষ্টির জল নিয়ে জানালা থেকে মুখ ফিরিয়ে মেয়েটি পেছন ফিরে দেখেছিল, ছেলেটির চোখে জলবিন্দুরা রেখায় রেখায় কতটা উজ্বল ! মেয়েটি হাত বাড়িয়ে ছেলেটির চোখ মুছে দিল । বৃষ্টির জল, কান্নার জল মিলে মিশে একাকার । মেয়টির হাতে কিছু কান্না লেগে গেল । বৃষ্টি যেমন ছোঁয় কৃষ্ণচূড়া ফুল !

মেয়েটি বলে উঠলো,
-দুঃখ করোনা প্রিয়, তুমি একদিন দেখতে পাবে শব্দের দৃশ্যগুলো, অলীক অথবা লীক !

কয়েক মাস থেকেই ছেলেটি চেষ্টা করছিল কর্ণিয়া ট্রান্সপ্লান্টের । একটি দাতব্য চক্ষু হাঁসপাতালে দরখাস্ত করে রেখেছিল, মেয়েটির চাপাচাপিতে । একদিন হঠাৎ পিয়ন এসে চিঠি দিয়ে গেল । কর্ণিয়া পাওয়া গেছে । ছেলেটি আনন্দে দিশেহারা ! সে দেখতে পাবে ! মেয়েটিকে জানালো আপ্লুত হয়ে ।

আরো একমাস পরে অপারেশন হলো । সফল অপারেশন । কিন্তু অপারেশনের পর ছেলেটি খুব অবাক হলো, মেয়েটি ওর আশে পাশে নেই । কয়েক দিন ধরে কেউ ওর খোঁজ পাচ্ছে না । ছেলেটি অস্থির হলো মেয়েটির নিরূদ্দেশে ।

কিছুদিন পরে চোখের বাধন খুলে দিল ডাক্তাররা । ছেলেটি দেখতে পেল । খুব আনন্দে দেখতে লাগলো চারপাশ, সুন্দর, যত রং আছে, মেঘ আছে, বৃষ্টির পতন যত আছে, যত লাল আছে, যত রংগীন আছে, যত আলো-অন্ধকার আছে । কিন্তু এতো দৃশ্যের মাঝেও কি যেন নেই,মেয়েটি নেই !

দিন কয়েক পরের ঘটনা, হঠাৎ একটি মেয়ে এসে দাড়ালো ছেলেটির পাশে । চোখে সানগ্লাস পরা । হাতে শাদা ছড়ি । মেয়েটি অন্ধ । ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো
- কে তুমি?
- বৃষ্টি, আমি তোমার কৃষ্ণচূড়া ফুল !

ছেলেটি হতবিহবল হয়ে গেল । অনেক্ষণ চুপ থেকে বললো,
- তুমি অন্ধ ?????
- হুম । আমি অন্ধ । আমার অন্ধকারে কোন সমস্যা নেই, তুমি তো আছো ! আমার আলো !
- কিন্তু তুমি কখনও বলোনি তুমি অন্ধ ! আমার সাথে কথা বলার সময় তুমি কখনো বুঝতে দাওনি যে তুমি অন্ধ ! তুমি আমার সাথে প্রতারনা করেছো । কেন করলে , এমন ?


মেয়েটি নীরব । ছেলেটি ও নীরব । স্বস্তিহীন নীরবতা ভাংগলো মেয়েটি
- কি, তুমি আমার আলো হবে না ?
- দূর হও, তুমি । মিথ্যেবাদী, প্রতারক !


ছেলেটির মুখ বিকৃত, রাগে কাঁপছিল ।

মেয়েটি বসে ছিল । উঠে দাড়ালো, পেছন ফিরে হাটতে শুরু করলো । তার চোখে জল, পৃথিবীর পবিত্রতম জল । মুছে দেবার কেউ নেই , দরকারও নেই মুছে দেবার ।

যেতে যেতে মেয়েটি শব্দহীন ভাবে বলেছিলো,
- আমার চোখদুটোর যত্ন নিও, প্রিয় !

কেউ শোনেনি ।


[কাল রাতে একটি অসাধারন sms পেয়েছিলাম ।

john was a blind man who used to hate evry1 except his GF.He alws said 2 his gf tht i'l marry u if i could see u!suddenly 1day som1 donated eyes 2 him and John was soked 2 found that his gf is also blind.Thn his gf asked wil u marry me?He simply refused her.His gf told not a single word just smiled and went away with a letter,saying darling take care of my eyes!!!
গল্পটির অণুপ্রাণ এই sms টি ।]

[গতকাল রাতে গল্পটি পোষ্ট করেছিলাম । ফ্লাডিং শুরু হওয়াতে সরিয়ে নিয়েছিলাম ।]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28796692 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28796692 2008-05-11 21:09:19
চার লাইনে চামবাজি । <img src="http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> । একদা আমার কাজে লেগেছিল <img src=" style="border:0;" /> ]

তবু আমার হাটা পথ
জুড়ে সামনে বা পিছনে যেন শুধু ভুলের রথ ।
অভিমানের নিঃশ্বাসে বহুদূর নীরবতা,
হে আকাশ! কবে বুঝবে তুমি মাটির ব্যথা?


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28794646 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28794646 2008-05-06 01:03:14
পাতা, প্রিয়তম পাতা ! পরীক্ষা ভীতি আমার কোন কালেই ছিল না । শৈশবের স্বাভাবিক পরীক্ষা ভীতি রূপান্তরিত হত কিছু অনৈর্বক্ত্যিক আনন্দে । সুদীর্ঘ এক মাস পড়ার বই ছুঁতে হবে না, প্রতিদিন কাক ডাকা ভোরে উঠে সেই বিচ্ছিরি একঘেয়ে দৈনিক পরিপাটি নিয়ম করে স্কুলে যাওয়া নেই, ঠাকুরমার ঝুলি টাইপ বইগুলোতে মজার মজার রূপকথার রাজ্যে ঘুরে বেড়াতে গিয়ে বাবা মা কারোর চোখ রাঙ্গানো বিদ্ঘুটে পাথরে হোচট খাওয়া নেই । এরকম আরো কিছু প্রভাবশালী অজেয় শাসকের অনুপস্থিতির পাশাপাশি একটা উপস্থিতির আনন্দ ছিল প্রবলতম, পরীক্ষা শেষ হলে মামার বাড়িতে যাওয়া !

আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা
ফুল তুলিতে যাই,
ফুলের মালা গলায় দিয়ে
মামার বাড়ী যাই ।


ফুলের মালা ছিলনা, ধোঁয়াটে শহরের গলি ঘুপচিতে ছেলে মেয়ে নিয়ে দল বেধে ফুলের মালা তোলার সুযোগও ছিল না । তবে আমি মালা পরতাম শৈশবীয় উচ্ছন্নতার, আগত অবাধ স্বাধীনতার উত্তেজনাকর বায়ু পেটে গুড়গুড় তুলতো । অবশেষে এক শুভদিনে, বাসায় থেকে যাওয়া পাড়ার দুর্ভাগা বন্ধুদের দুঃখের অতিশয্যে, আমার আনন্দ অতিশয্যায় রেখে, ট্রেনে চেপে দিতাম ছুট মামাবাড়ি । আমার সেই অতি অলৌকিক মামাবাড়ি ।

খুব ভালবাসতেন মামা, আমাকে । সারাদিন ন্যাওটার মত লেগে থাকতামও । সারাদিন নিত্যনতুন গপ্প - বাড়ীর পাশের ঝিলের পাড়ে ঝোপের ধারে এক কুজো ভূত সন্ধ্যা নামলে হামলে পরে মাছেদের উপর, মাঝরাতে প্যাঁচার(স্থানীয় নাম "বুত্তুম") ঘোলা চোখের অতিপ্রাকৃতিক আবহের দর্শক কিভাবে হতেন আমার দুঃসাহসী মামা, সেইসব গপ্প !

মামা কবি ছিলেন । ইংরেজীতে কবিতা লিখতেন । আমাকে অনুসংগ করেও একটি কবিতা লিখেছিলেন ।

Shihab my nephew's a true lover
Of toys like plane, cart, and revolver;
He poses himself to be an aviator,
Sometimes with his revolver as fighter.
He acts as if a qualified engineer
In driving screws and knots with his screw driver.
He is, while in bed, a good listener
Of the story of dread and fear.
He asks me to tell cock and bull story
Of nocturnal buttum bird and fairy.
He wants to know how buttums hoot
At night from boughs of jack fruit.
I tell him what the buttum's hoots mean,
They mean to eat jack fruit and pumpkin.
He does burst into cry and laughter
While i gave him it's dreadful picture.
The tale makes him hold me fast by twining round,
And its fear sooths him from his motion unbound.
As i love him from my very heart's core
Should he not pray for me while i'm nomore,
Should he not remember his uncle, a bard
While he recites the poem of "Buttum Bird"?



গপ্পো ও কবিতার পাশাপাশি নানাবিধ প্রশ্রয়সূচক আনন্দদায়ক কাজ ও হতো । মামার সাথে বাজারে যেতে চাইলে, মায়ের নিষেধ, ভেংগে গুড়িয়ে দিতে আমি যখন কান্না জুড়ে দিতাম, তখন আমার কান্না থামিয়ে দিতেন মামা । বাজারে যেতাম, মফস্বলের বাজারের সবচেয়ে বড় মাছটি কিনে নিয়ে বীরের বেশে বাসায় ফিরে আসতাম ।

তবে যে স্মৃতিটি চিরদিন অক্ষয় অমলিন হয়ে থাকবে, সেটি হলো শীতের সকালের কুয়াশাভেদী মামা ভাগিনার শুদ্ধ প্রাতঃভ্রমণ । হবিগঞ্জ ছোট শহর, প্রায় সারা শহরই ঘুরতে পারতাম এক সকালে । খ্রীষ্টান পাড়ার ছোট ছোট ঘরের সারির মধ্যে দিয়ে হেটে যাওয়ার পায়ের শব্দ এখনো পাই । কুয়াশায় ঢাকা শ্বশানঘাটের প্যানোরোমিক ছবি এখনও খুব বেশি স্পষ্ট । মাঝে মাঝে পথ চলতে চলতে গাছের নিচে পরে থাকা শুকনো পাতার স্তুপে আমি থমকে যেতাম । ছোট্ট দুই হাতে পাতা কুড়াতাম, দু একটি । কবি মামা তখন বিড়বিড় করে কি যেন বলতেন । তখন কিছু বুঝতাম না । কিন্তু এখন স্মৃতির আবহ ও কবি মামার মনঃস্তত্বের কোমল বিশ্লেষণে বুঝতে পারি, হয়তো তিনি বিড়বিড় করতেন -

প্রিয়তম পাতারা ঝড়ে যাবে মনেও রাখবে না
আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম - কেন আমি
সংসারী না হয়ে খুব রাগ করে হয়েছি সন্ন্যাসী
হয়েছি হিরন দাহ, হয়েছি বিজন ব্যথ্যা, হয়েছি আগুন !


শহরের প্রায় বাইরে মামাদের পারিবারিক গোরস্থান আছে, হাটতে হাটতে সেখানেও যেতাম প্রায়ই । গোরস্থান দেখাতেন আমাকে, কবরে শুয়ে থাকা নানা নানির জন্য দোয়া করতে বলতেন ।

আজ, সেই গোরস্থানেই শুয়ে আছেন তিনি । আমি মামার বাড়িতে গেলে সেখানে গিয়ে এখন তাকে দেখি ।


[ মামা, আমি তোমার "Buttum Bird" কবিতা পড়তে পড়তে এখনো তোমাকে ভেবে বিষন্ন হই ।]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28793632 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28793632 2008-05-03 00:54:16
কাল রাতে শব্দগুলো জ্বলে ঊঠেই নিভে গেল ... মোমের নারীত্বের কাছে স্থির চোখ রেখে, মারাত্বক সংবাদ আঁধারের প্রেমকাতর,
নিভু নিভু শিখার কাছে পৌছে দেই -
"আমি ভালো নেই, আলো ! "

ঘাম ও মিইয়ে পরা ক্রোধের বাষ্পে "বিষন্নতা" শব্দটির অপমৃত্যু হয় ।
তাঁর এলিজির ফুলগুলো গন্ধহীন;
তারপর, এক পর্যায়ে অস্পষ্ট হয়ে আসে নাক্ষত্রিক কথোপকথন;
আবাল পরাবাস্তবতার দেবদূতেরা গরম ও ঘামের নৃশংস স্বাদ
বুঝতে পেরে চম্পট দিচ্ছে হাভাতের বাংলাদেশ ছেড়ে ।

হয়তো পশ্চিমের কোন
আফ্রিকান শিশুর হাড্ডি ফেলে মাংস চিবানো ক্লান্ত কোন কামুকীনির
ব্লো-জবে ব্যস্ত জিভের কাছে আবিষ্টের মত থমকে দাঁড়ায় ।
কিছুক্ষণ সুখ ভেবে বিহবল হয়;
তারপর দেবদূতির সোমাটিক ট্রান্সগ্রেশান দেখে শ্লাঘায় ফুলে উঠে
ফুলে উঠে বিগত পরাবাস্তবতার দেবদূতের বুক ।
বুক ঢাকতে বিশ্বায়নের ভারতীয় পচা মদ, স্টার প্লাসের সুলক্ষণা লেড়কির উদ্দীপনায় ,
আমাদের "ঢাকাইয়া" গলায় ঊড়না ফেলা বেইবীদের মত, বুক ঢাকে ভোগী পরাবাস্তবতার দেবদূত ।

বিদায় নেয়া দেবদূতকে আমি একটু অভিমানের চিমটি কেটে দেই ।
ফেরে না , সে ফেরে না ।

পূজির আদূরে ছোট মেয়েটির মত লাস্যের ঘরে শিল্পের চন্দন ফুল গন্ধসহ বন্দী ।
ক্ষুধা নেই সেখানে,
বাঙ্গাল-পরাবাস্তবতা, সদ্য গ্রাম থেকে আসা সহজ যুবক টির মত খেত ।
ঘাম ও মিইয়ে পরা ক্রোধের বাষ্প তাকে বিকর্ষণ করে ।
তাই, নক্ষত্ররা নতুন প্রেম জাগা কিশোরী বুকের মত নির্জন শব্দহীন থেকে যায় ।

তুমি দেখে যাও এসে থুরথুরে জীবনানন্দ -
তোমার বাংলাদেশে কোন পরাবাস্ততা নেই, সুন্দর নেই,
তোমার কবিতার মত বিশুদ্ধ শিশির নেই,
ঘাস নেই - তোমার মত করে ।
আছে শুধু ঘাম ও মিইয়ে পরা ক্রোধের বাষ্প অন্ধকারে (তোমার ঘাই হরিনী ডাকা অপ্রাকৃতিক অন্ধকার ভেবোনা যেন ! ) ।
আবার ফিরে আসতে চাও? প্লীজ এসোনা । তোমার আকাঙ্ক্ষা ভাংগছে দেখতে চাই না ।

তাই এই ফাঁকে, অসময়ের দুর্বলচিত্ত মহাপুরষ, হয়ে রয়েছি ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28792281 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28792281 2008-04-28 23:16:24
চাঁদের উপযোগীতা ও বেত শিল্পের পুনর্জীবন লাভ
লোডশেডিং এখন আমাদের নাগরিক জীবনের প্রধান অনুভব । বিদ্যুৎ থাকাটা একটা দুর্ঘটনা মনে হয় । প্রায় সারাদিন ই বিদ্যুত নেই, রাতেও খুব ব্যতিক্রম হয় না । একটু আগে, এক বন্ধু মেসেঞ্জারে মেসেজ পাঠালো -

বাসা থাইকা বাইর হইসি সকাল ৮ টায়, যাওয়ার সময় দেখি ইলেক্ট্রিসিটি নাই । অফিস থাইক্কা বাসায় ফিরসি সন্ধ্যা ৬ টায়, একটু পরে ইলেক্ট্রিসিটি আসলো, হাত মুখ ধুয়ে বসলাম নেটে, বসতে না বসতেই আবার গেল গা । বিরক্ত হইয়া, গেলাম স্টুডেন্টের বাসায়, পড়াইতে । এইখানেও নাই । বাসায় ফিরা আইলাম । যাহ বাবা, এখনো আসে নাই । রেলিং নাই সিড়ির, আন্ধাইরে হাতায়া হাতায়া উঠলাম । এখন আইসে আবার । ভাত খামু । জানিনা খাওয়া শেষ করতে পারমু কি না ! তবে ১২ টার পরে আবার যাইবো, ১ টায় আসবো -- এইটা রুটিন ।

গত সরকারের আমলে বিদ্যুত খাতে যে রকম দুর্নীতি হয়েছে, তা আর কোন খাতে হয়েছে বলে মনে হয় না । সিরাজগঞ্জের এম পি প্রাক্তন বিদ্যুতচোরা ইকবালের বাড়িটায় শর্ট-সার্কিট দিয়ে পুড়াতে পারলে শান্তি পেতাম ! রাত ৮ টার পরে সকল দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায় । তারপরও বিদ্যুতের এই অবস্থা ! যদি ৮ টার পরেও দোকান খোলা থাকতো, তাহলে তো মনে হয় শাহাজীবাজার আর কাপ্তাই বিদ্যুত কেন্দ্র ও মোমবাতিতে চালনো লাগতো ।

কলকারখানার কথা বাদ ই দিলাম । এইগুলা সরকারী উদাসীনতা আর বিদেশী বেনিয়া আগ্রাসনে প্রায় বিলুপ্ত । প্রোডাক্টিভিটির মন্দন সবসময় ই ছিল । এখন সেই মন্দনের ত্বরণ হচ্ছে, এই যা !

এস এস সি পরীক্ষা শুরু হয়েছে । কয়দিন পরে শুরু হবে এইচ এস সি । এই দুঃসহ অভ্যস্থ গরম আর মোম বাতির অনভ্যস্থ আধো-অন্ধকারে কিভাবে যে পড়বে বাচ্চাগুলি, ভেবেই মায়া লাগছে । হয়তো মা পাশে বসে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করবেন , একটু পরপর উঠে গিয়ে শরবৎ বানিয়ে দেবেন গরম পানিতে ( ঠান্ডা পানি নাই, কারন ফ্রিজ বন্ধ ।) মধ্যবিত্ত মায়ের চিরকালীন টানাপোড়েনের সাথে ৪০ টাকা কেজি চিনির সাথে মারামারি, অতঃপর জন্ম নেবে গরম শরবৎ । সেই শরবৎ খেয়ে বাচ্চাগুলার গলা পরীক্ষার হলে ঢুকার সময় যেমন শুকায় তারচেয়ে বেশি শুকাবে ।

সুতরাং আমাদেরকে সামন্ত যুগের ঐতিহাসিক ঐতিহ্যগুলো পুনঃ অভ্যাস করতে হবে ।

ষ্ট্রীট লাইট গুলো যখন মৃত একলা দাঁড়িয়ে অন্ধকারে চাঁদের আলোর মায়াবী রূপোলী ব্যাংগ সহ্য করবে, তখন পথ চলতে হবে চাঁদের আলোতে । অমাবস্যায় তো চাঁদ নেই । কী করা? হুম ! জোছনা রাতে পাওয়া পথ সম্পর্কিত জ্ঞান কাজে লাগাতে হবে । অমাবস্যায় কোন অচেনা রাস্তায় যাওয়া যাবে না । এইসব হামবাড় কর্পোরেট নাগরিকদেরকে চাঁদের গুরুত্ব বোঝাতে লোডশেডিংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম ।

বেতশিল্প প্রায় মৃত । বেতশিল্পের পুনঃর্জীবন লোডশেডিংযের অবদান হতে পারে । হাতপাখা, শীতল পাটি, মাদুরের বাজার সরব হলো বলে । তাড়াতাড়ি কিনে ফেলুন । অভাগা দেশে ভালো ও অতি প্রয়োজনীয় জিনিস তাড়াতাড়ি বাজার বিতাড়িত হয় যে ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28790330 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28790330 2008-04-23 01:06:24
শুভ জন্মদিন, লেনিন !
কি পেয়েছেন তিনি? যে রাশিয়ার মানুষের মুক্তির জন্য তিনি আজীবন কষ্ট সয়ে কাজ করে গেছেন, সেই রাশিয়া তেই আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে অশ্লীল শ্লোগান ওঠে - লেনিনের মূর্তি ভাংগো ! ভেঙ্গে যায় সোভিয়েত রাষ্ট্র, লেনিনের মূর্তিও ভেংগে পড়ে । পূজিবাদীরা তাকে ডাকে শয়তান, সভ্যতা ধংসের প্রচেষ্টাকারী । ধার্মিকেরা নাস্তিক বলে উড়িয়ে দেয় তার সকল অক্ষয় অবদান । গুটিকয় যে কয়জন সমাজতন্ত্রের ধ্বজ্জাধারী বেঁচে আছেন, তাদের কীর্তি কলাপ দেখে লেনিন স্বয়ং ধরণীর কাছে প্রার্থনা করতেন দ্বিধা হবার জন্য ।

প্রশ্ন জাগে, লেনিন কি বেঁচে নেই? তার আদর্শ, তার বিপ্লব? সন্দেহ নেই তিনি বেঁচে আছেন । তিনি বেঁচে আছেন, কারন পৃথিবীতে এখনো অবিচার বেঁচে আছে । বেঁচে আছেন কারন এখনো অবিচারের বিরূদ্ধে প্রতিবাদ বেঁচে আছে ।

তার জন্মদিনে, এই অধমের নিশ্চিত ভালবাসার শ্রদ্ধাঞ্জলীঃ

দীর্ঘজীবী হোন লেনিন


প্রথম মহাযুদ্ধের দিনগুলোয়
সান কার্লোতে ইতালীয় জেলের এক খুপরিতে
কিছু সৈন্য, মাতাল আর চোর যেখানে বন্দী
সেখানে সোশ্যালিস্ট এক সৌনিক কপিং পেন্সিল দিয়ে
আঁচড় কাটল দেয়ালে
: দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

ধূসর খুপরিতে, আবছা কিন্তু বিশাল হরফে
কথাগুলো লেখা ।
জেলারমাশাই দেখলেন, দেখে এক বালতি চুনসুদ্ধ
পাঠালেন এক মিস্তিরি
ছোটো একটা বুরুশে সে চুনকাম করে দিল ওই ভয়ংকর লিপি
কিন্তু সে তো কেবল অক্ষর গুলির ওপরেই বুলিয়েছিল চুন
তাই এখন খুপরির ওপরদিকে চুনেই জ্বলজ্বল করছে
: দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

তারপর আরেকজন এল বড়সড় এক বুরুশ নিয়ে
গোটা দেয়ালে বুলিয়ে দিল চুন
ফলে বেশ খানিকক্ষণ দেখা গেল না কিছু, কিন্তু সকালবেলা
চুন শুকিয়ে যাবার সাথে সাথেই ফুটে উঠল সেই লিপি, আবার
:দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।

জেলারমশাই এবার এক খোদাইকার পাঠালেন
হতে তার ছুরি
ছুরি দিয়ে কেটে-কেটে তুলে ফেলল একের পর এক অক্ষর
ঘন্টাটেক জুড়ে
কাজ যখন ফুরোল, খুপরির মধ্যে রইল কেবল
বর্ণহীন
কিন্তু দেয়াল গভীর করে কুঁদে তোলা অজেয় সেই লিপি ।
:দীর্ঘজীবী হোন লেনিন।
সৈনিকটি বলল :এবার তবে দেয়ালটাকেই ভাঙ্গো !

(শিহরন জাগিয়েছিল, জার্মান নাট্যকার ও কবি বর্টোল্ট ব্রেখটের কয়েকটি লাইন । আগে একবার রিপোষ্ট হয়েছিল । )
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28789983 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28789983 2008-04-22 00:13:40
নিজের বিম্ব
এটা কি "বিপন্ন বিষ্ময়"? গবেষণার বিষয়!!

কবিতায় আছড়ে পরে বিলম্বিত বোধ ! তোমার জলের শরীর ছুঁতে গিয়ে আমি নিজে কেন বরফ হয়ে যাই ? ঊজাগড় রাত , জোছনার রাতের স্প্‌ন্দন র্‌ক্ত আর হাড়ে আল্পনা আঁকে । সম্‌ন্তরাল বোধ - একদিন তো আর থাকব না ! বৃষ্টির জল ডোবা জীবন যেমন শালিখের, দোয়েলের সেতো ঢের প্রাকৃতিক ভালো ! এই বোধ কানে কানে নাস্তিক হতে বলে !!
অই সাহস আর হয়ে উঠেনা । অজ্ঞাবাদী, নির্ভূল স্তোত্র পান করি নিরূদ্দেশের, মানবিক কনক্রিটের পল্লাবিত জোড়া দেয়া অশ্বত বৃক্ষ !
বিবি্ক্ত অস্থিরতায় অনেক রাত উজাগড় !!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28788495 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28788495 2008-04-16 22:30:01
কবি কামুক অথবা বিপ্লবীর নিশিগন্ধ প্রলাপ সভ্যতার পাপগুলো, আমরা বরং লিখে যাই
আমাদের দেড় টাকা কেজি বেগুন দরের সময় গুলো
বড় বেয়াড়া;
কবি বলেই কি না জানি না, রাস্তায় কোন সোমত্থ তরুনী দেখলে
প্রেমহীন গভীর ঠোট চুষতে ইচ্ছে করে - ইদানিং - কামুকের হাত ধরে কবির সোমাটিক ভ্রমণ !
হয়তো পুরুষ বলে
মাঝ রত্তিরেতে হাপিয়ে উঠি চায়ের ছাকনিতে আটকে পড়া অন্যায় গুলোর সাথে পাশে শুয়ে থাকে তন্দ্রালাশ ।

নতুন কোন বিপ্লব চাই,
চে গুয়েভারার বুকে ঝিম মারা শ্রমিকের কালিঝুলি মাখা চিবুক
অথবা কিষাণের হাতে মরা ধান
নতুন দিনের স্বপ্ন ধুয়ে মুছে দেয় ঐশ্বরিয়ার লাক্স সাবান ।

(এইমাত্র)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28786484 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28786484 2008-04-10 01:45:07
তৃতীয় বিশ্ব দৌড়ুচ্ছে !!
একটি বেশ দামী মিষ্টির দোকানের সামনে এক বোরখা পরিহিতা মহিলা দাঁড়িয়ে আছেন, মুখ নেকাবে ঢাকা । তার সামনে দুজন যুবক, বেশ ষান্ডামার্কা । মহিলার হাতে অনেকগুলো শপিং ব্যাগ । সেগুলো বেশ দুলিয়ে দুলিয়ে গল্প করছিলেন ছেলে দুটোর সাথে । পরিচিত মানুষের সাথে কুশল জিজ্ঞাসা আরকি !

সেই সময় কোত্থেকে যেন এক ৭-৮ বছরের এক ভিকিরি ছেলে, হাত পাতল মহিলার কাছে , কয়েকটি টাকা চায়, দুপুরে থেকে কিছু খেতে পায় নি । মহিলাটি গ্রহ্য করলেন না তেমন ! দুলিয়ে দুলিয়ে বেশ গল্প করছেন বেশ । ছেলে দুটোর মুখ হাসি হাসি ।

হঠাৎ দুটো ছেলের মাঝে একটি ছেলের খেয়াল হল, ভিক্ষুক ছেলেটিকে ।
:ঐ যা এইখান থেকে !
পাশের ছেলেটি বলল
:ইদানিং এতো ফকির বারসে, যে পা ই ফেলা যায় না । বাপ মা গুলা জন্ম দিয়া, কই যে পলায় !
এই বলে সে হাল্কা একটা ঘুষি পাকাল বাচ্চা ছেলেটির দিকে । পাশের মেয়েটি হেসে কুটিকুটি । বাচ্চা ছেলেটি তখনও দাঁড়িয়ে ছিল - হাত পেতে, নীরব তৃতীয় বিশ্ব !

এমন সময়, আরেকজন মহিলা বের হয়ে এলেন মিষ্টির দোকান থেকে, এক হাতে অনেকগুলো মিষ্টির প্যাকেট, অন্য হতে একটি নাদুস নুদুস বাচ্চা সামলাচ্ছেন , দুই মহিলা একসাথে ই আছেন । তৃতীয় বিশ্ব এবার ঘুরে দাড়াল, অন্য মুখে । নাদুস নুদুস বাবু ও মিষ্টির ভারে ভারাক্রান্ত ছিলেন কিনা জানি না, এই মহিলা ও গ্রাহ্য করলেন না, শুধুমাত্র ময়লা স্যান্ডু গেঞ্জি, শত তালি হাফ প্যন্ট, খালি পেট ও করুন দৃষ্টির মালিক ভিক্ষুক ছেলেটিকে ।

ছেলেদুটো , মহিলা দুজনের জন্য একটি রিকশা ঠিক করল । মহিলা দুজন রিকশায় উঠলেন । আমাদের তৃতীয় বিশ্ব তখনও ক্ষুধার জ্বালায় উর্ধ বাহু । ছেলেটি রিকশা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল, তখনও । আশা বিদায় বেলায় যদি কারোর মন গলে ।

রিকশা ওয়াল প্যডেল দিতে যাবে, সেই মুহূর্তে কোলে বসা নাদুস নুদুস বাচ্চাটিকে দুটো ছেলের একটি ছেলের চকিতে ভালবাসার চুমো দিল । তার পাশেই আরেকটি বাচ্চা ছেলে ক্ষুদার্থ । ভালবাসা ও নিস্পৃহতার কী নির্লিপ্ত সহবাস !

রিকশা ছেড়ে দিল । আমি ক্ষুদার্থ বাচ্চা ছেলেটিকে ১০ টাকা দিলাম । সে টাকার দিকে চেয়ে রইল এক মুহূর্ত !

আমি পেছন ফিরে বৈশ্বিক অনাচারে উদাসীন ঈশ্বরের মুখ পুড়তে পুড়তে হাটা দিলাম । দু তিন কদম দেওয়ার পর কি মনে করে পেছন ফিরে তাকালাম । অপসৃয়মাণ দৃশ্য দেখে থমকে গেলাম । রিকশা চলছে পুরোদমে, আর রিকশার পেছন পেছন ছেলেটি দৌড়ুচ্ছে !!

তৃতীয় বিশ্ব দৌড়ুচ্ছে !! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28786180 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28786180 2008-04-08 22:38:35
প্রতি, কোকাকোলা ইশ্বর !
হঠাৎ দেখতে পেলাম, টসটসে সসেজ চিজেজ কারো কোন প্রেমিকার গালের মত ঈষাণ কোনের পিৎজা কাচ ঘেরা দেয়ালের ভেতর, শীত যন্ত্রের নিঃশব্দ নিশ্বাসে গেয়ো মায়ের উনুনের কান্না লেগে ভাজা কুমড়ো ফুলের বড়া হয়ে গেল । আমি কপ কপ খেয়ে ফেলেছিলাম রেস্তোরার বাইরে দাঁড়িয়ে থেকে ।

বিশ্বায়ন, সত্যি তুমি কোন কামসূত্র ও মান না !!

চৌদ্দ-চারের খেলা দেখে দেখে মনোটনি থার্ড ওয়ার্ল্ডের ( ঝুড়িটার তলা ঠিক করতেই দিবে না! ) মেটামরফসিস --- আমাদের জলপাই তোমার পেয়াদা দিয়ে কলেজ মাষ্টার ফারুক সাহেবের পিচ্চি ছেলে মেয়ে দুটোর বিকেলের নাস্তা কেড়ে নেয়ালে ( আজকের প্রথম আলোয় পড়া ) -- হাহ !

চালের দাম কমাও, হে, অলস কোকাকোলা ইশ্বর !!!
না হলে তোমায় আমাদের প্রলিফিক আলু খেতে দেব ( চাইলে তোমাদের সফেদ বাটি আমাদের সোদা গন্ধ আলুর ঐন্দ্রজালিক গুদামঘর বানাবো ) - আমাদের কোকাকোলা বমি পানিয় হিসেবে নিও হে!
না খেতে পারলে আওয়াজ দিও -
আম্রিকান আইদলের ভলিওমটি কমিয়ে দিও -
তোমার বিগলিত ক্লীব সংগমে ক্লান্ত ম্যাগনেইট মহাজনদের বিলিয়ন ডলারের মহাকাশ ভ্রমণে আমাদের না খেতে পারা আলুটি পারলে পাঠিয়ে দিও -
আলুর ভরে তোমাদের নীহারিকাপুঞ্জ ফেটে যাক ।
আমরা শুধু তিন বেলা ভাত চাই ।

(এইমাত্র)


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28785516 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28785516 2008-04-05 23:57:32
পুনরায় আবৃত্তি, যেন ...
গৃহী আমরা ফের জোছনায় তাকাই ।হা‌স্নাহেনার গ্‌ন্ধ , চেপে ধরা জোছনার ভূত ,নরম নারীর অন্‌ন্তর অবহেলার পর আমাদের হৃদয় ,জেগে থাকা মধ্যরাত্রির খাতায় আল্পনা - এরা কতকালের চেনা বিষ্ময় আমাদের এরা কতকালের জোছনার মত এরা সব যেন .........

এসবের অতৃ্‌প্তি বুকে জমে ,এসবের অতৃপ্তি বুকে নিয়ে বারবার আমরা মৃত হয়েছি ,এসব বেদনার কথা বলেছি বারবার, তবু ও অস্ফুট রয়ে গেছে যেন , এরা প্রতিরাতের এই জোছনার মত আনকোরা রয়ে গেছে ।

[রিপোষ্ট, কারন তখনও প্রথম পাতায় আসতে পারি নি । ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28780305 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28780305 2008-03-18 22:22:34
প্রিয়তমা, এজন্য তুমি কি আমার সাথে আড়ি দেবে? তোমার গমন পথের দিকে চেয়ে থেকে আমি কোন গার্হস্থ্য বিষাদকে গড়াগড়ি খেতে দেখিনা প্রিয়তমা ! আমার বুকে প্রেম বিশুদ্ধ হয়ে দেখা দিলনা, এখনও! তোমার সৌন্দর্য্য আবিস্কার করা কোন বিজ্ঞানীর কাজ বলে মনে হয় । আমি তো কবি, মাপজোক বুঝিনা । ভর বেলায় কোন নিম্ফ - মিথ ছেড়ে তরলিত কোন কল্পনায় ঠাঁই পেলনা , তবে, জোছনা রাতে গোরস্থানে এপিটাফের ছায়ায় ক্ষীণ শ্বাস নিতে থাকা অন্ধকারটি আমাকে তরল করে কোন তারা খসা প্রবাহে ।

প্রেম, অপ্রেম, সৌন্দর্য্য, অসৌন্দর্য্য, আস্ত্য, ন্যাস্ত - এইসবের বৈপরীত্ব্যময় দুষ্টুগুলোর মিথোজীবিতা আমাকে খুব ক্লান্ত করছে ইদানিং ! বরং অহৃদয়পূর্ণ কিংকর বাস্তবতা অনেক আলোড়িত করে আজ কাল ! যেন অহৃদয়পূর্ণ কিংকর বাস্তবতা ইদানিংকার ক্লান্তির এপোথিক্যারি হয়ে ক্ষুদার্থ শিশুদের শূন্য পাকস্থলীর বায়ুর আবরনে তুলে দিচ্ছে অনুভবের নগরে ক্লান্তির ক্যাপসুল ! পৃথিবীর সকল ফুলেল সৈন্দর্য্য ম্লান হয়ে যায় এক মহাবিশ্ব মূল্য মানের এক প্লেট গরম ধোঁয়া ওঠা ভাতের কাছে !

একটি পাগলীকে প্রতিদিন অফিস যাবার সময় দেখি, যার কোন জীবন বোধ নেই, আছে জৈবনিক বোধ । চৌরাস্তার এক কোনে বসে নিজের শুধুমাত্র একটি ছেড়া অর্ধ শরীর ঢাকা এক প্রস্থ শাড়ির ফসিল গায়ে দিয়ে বসে নিজের অনন্য মহাবিশ্বের সূত্র সমুহ গড়া পেটা করে আকাশে শূন্য দৃষ্টি মেলে, সেই আকাশ ই হয়তো তার অবচেতনে মাঝে মাঝে ধংসস্তুপ জীবনের প্রতি অশ্রু বর্ষণ করে । সেই আকাশ হেলান দিয়ে হয়তো আমরা নাগরিক কবিরা পূজিবাদি অনাচার করে অনেক কবিতা লিখছি ।

আমি কতগুলো চোখে পিচুটি, নাকে পিছল আঠালে তরল, ঠোটের লালা জমে শ্বেত অস্পৃশ্য লেগে থাকা নগ্ন টোকাই দেখি রাজপথের ফাইভ বা ফোর্থ বা বাফেট বা সাধারন কোন রেস্তোরার উচ্ছিষ্ট্য ফেলা দেয়া ময়লার ঝুড়িতে হামাগুড়ি দিচ্ছে, কাড়াকাড়ি মারামারি করছে এক কামড়ে ফেলা দেয়া বেচারা মুরগীর ঠ্যাং টি নিয়ে । আমি কতগুলো ইংলিশ মিডিয়ামের পড়া বড়লোকের ছেলে মেয়ে দেখি , তারা বার্গার খচ্ছে ৩০০ টাকায়, হিডেন ক্যামে গার্ল ফ্রেন্ডের সাথে অবলীল যৌনতা, মাল্টি চোরাকারবারী বাবার কোটি টাকার কালো কাচ ঘেরা দুই সিটের স্পোর্টস কারে বন্দী করছে !

আমি এসব দেখে ইদানিং তোমার পেজা ভাবনা আর ভাবতে পারছি না প্রিয়া !
এজন্য তুমি কি আমার সাথে আড়ি দেবে?
তোমার মান ভাঙ্গাতে কক্ষনো আমাড় কড়ে আঙ্গুলটি সাধবোনা, প্রিয়তমা ! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28780015 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28780015 2008-03-17 23:30:19
আমরা!! " style="border:0;" /> ]

আমাদের সাথে হেটে চলে নক্ষত্ররা
দুজন হাঁটি নক্ষত্রের ছায়ায়
মেঘের নকশা মনে মেখে
ঘুমাই
স্বপ্নে শিউলি ফোঁটাই
অনাগত দিনে ছড়াই শিউলির গন্ধ
-- আমরা!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28779469 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28779469 2008-03-15 22:52:47
আমাদের মুক্তির নিরীহ, অসামরিক অসীম সাহসী যোদ্ধারাঃ কি করেছিলেন আর কি পেয়েছেন? ঝুলন্ত প্রশ্নটি থেকে আমি অশ্রু পতনের শব্দ...
সেই রাতেই পূর্ণিমার চেতনা বিনাশী সৌন্দর্য্যকে অগ্রাহ্য করে শীর্ণ দেহের ছেলেটি অনেক গুলো গুলি করলো ভারি মর্টার থেকে পাকিস্তানি শত্রু শিবিরে । প্রতিবার গুলি করার আগে ভাবছিল এইবার ঐ শুয়ার পাকিস্তানি হানাদারের পালের একটা নিশ্চয় ছিন্নবিচ্ছিন্ন হবে । না, প্রতিবার ই লক্ষ্য ভ্রষ্ট হচ্ছিল তার অপার্থিব মায়াময় ক্রোধ গায়ে মাখা নির্বোধ মর্টারের গুলি গুলো । লক্ষ্য পৌছার অনেক আগেই গুলিগুলো দুর্বল হয়ে পরে যাচ্ছিল অথর্ব মাটিতে । অদৃষ্টের তামশায় বড়ই বিরক্ত ছেলেটি । উপায় একটা আছে । যদি গাছপালার আড়াল থেকে বের হয়ে ৩০০-৪০০ গজের মত এগিয়ে গিয়ে গুলি করা যায়, তবে কিছু কাজ হতে পারে । লক্ষে আঘাত হানবে গর্ধব গুলি গুলো । কিন্তু সমস্যা হলো ৩০০-৪০০ গজে দূরে শুধুই ধান ক্ষেত ! শত্রু শিবিরের আরো কাছে ! পূর্ণিমার আলোতে নর পিশাচের চোখ, মুক্তির মহান আলো জ্বলা চোখ দেখতে পাবে ঠিকই । নির্জনতায় ঠিকই শুনতে পাবে হৃদপিন্ডের ধুকপুক - "স্বাধীনতা ! স্বাধীনতা !!" মারা পরতে হবে বেঘোরে । ছেলেটি ছুটল তার কমান্ডারের কাছে । ৪০০ গজ সামনে এগিয়ে যাবার অনুমতি চায় । মৃত্যুর অনুমতি চায় ! শহীদ হবার অনুমতি চায় !! কমান্ডার যেতে দিতে চাইলেন না । নাছোড়বান্দার অনুরোধের পর কমান্ডার অনেক আশাংকা নিয়ে অনুমতি দিলেন , মনে মনে দোয়া করতে লাগলেন , যেন ছেলেটা বেঁচে ফিরতে পারে । অসীম সাহসের সাথে ছেলেটি এগিয়ে গেল । মৃত্যু যেন ভর বিকালের দস্যি মেয়ের কুতকুত খেলতে যেয়ে হোচট পাওয়ার মতই সাধারন, অগুরত্বপূর্ণ !! এগিয়ে গেল সে !!!

সে কিন্তু মরেনি সে রাতে । দেশ স্বাধীন হবার সাথে ছেলেটির কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত ছিল না । অশিক্ষিত ছেলেটির মধ্যে কোন উচ্চমার্গের নীতিবোধ থাকারও কথা নয় । কি জন্যে এগিয়ে গিয়েছিল ছেলেটি বোকার মত নিজের জীবনকে বিপন্ন করতে ?

দেশপ্রেম ছিল ছেলেটির আত্মার শরীরে মিশে যাওয়া চামড়া । দেশপ্রেম তাকে অকুতভয় করে তুলেছিল । অনেক অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, অনেক যুদ্ধের ক্ষেত্রে নিজেদের নাজুক অবস্থায় পশ্চাদপসারনের আদেশ সত্ত্বেও, পিছু না হটে চালিয়ে গিয়েছিল যুদ্ধ - মৃত্যুকে হেলাফেলায় বরন করেছিল দুর্দমনীয় সাহসে ।


দেশ স্বাধীন হলো, ভারতীয় সেনা বাহিনীর কাছে পশুদের নেতা নিয়াজী আত্মসমর্পন করল দলবল সহ । বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হল - ভারতীয় সৈনিকদের বীরত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন । আমাদের ক্ষেত খামারে কাজ করা অসামরিক নিরক্ষররা, আমাদের মহামানবরা,আমাদের নক্ষত্ররা, আমাদের আসল বীরেরা, জানতেও পারলেন না , তারা মুক্তিযুদ্ধের অনুবন্ধী হিসাবেও পরিচিত নন, বিশ্বের ইতিহাসে । ভারতীয় জেনারেল দের লেখনীতে তাদের কোন উল্লেখ পাওয়া গেল না ।

আমরা স্বাধীনভাবে নিঃশ্বাস নিতে শুরু করলাম । বড় হতে লাগলাম । আমাদের চাষা যোদ্ধারা, আমাদের শ্রমিক যোদ্ধারা, আমাদের অশিক্ষিত-অর্ধশিক্ষিত যোদ্ধারা অবহেলিত হয়ে রইলেন ।

তাজুল, আখাউড়ার তাজুল - যে যুদ্ধের আগে চোরাকারবার করতেন । মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তার নতুন জন্মের পর তার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তিনি পুনর্বাসিত হতে পারন নি । সরকার , বেসরকার - সবাই নিস্পৃহ ।

ট্রেনে যে মানুষটা পিক-পকেট করতেন, সেই ফজলু - যুদ্ধের পর গৌরীপুর রেল ষ্ট্বেশনে মুক্তিযোদ্ধা ফজলু ছোট্ট চা বিস্কিটের দোকান করে আধপেটা হয়ে বেঁচে আছেন । এর চেয়ে উন্নত তর জীবন কি তার প্রাপ্য ছিল না ?

তাহের - ফেনীর বীর আহত যোদ্ধা তাহের যুদ্ধের পর বাড়ি ফিরে দেখেন ঘর উজার, পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলেছে রাজাকারেরা , তার বাড়িঘর ও দখল করেছে ঐ কুলাঙ্গারেরাই ! নিস্বতার হতাশায় পিজি হাঁসপাতালের উপর থেকে লাফিয়ে পরে আত্মহত্যা করেন ।

এ রকম আরো হাজারটা লজ্জা খুজতে গেলে বেরিয়ে পড়বে ।

যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়নি । এটাও লজ্জার । এটার চেয়ে বড় লজ্জা আমাদের আসল বীরদের প্রতি আমাদের অবজ্ঞামিশ্রিত কর্তব্যহীনতা ।

এইসব দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই বেঁচে নেই । অনেকেই হয়তো অল্প কিছুদিন পরে হয়তো আর থাকবেন না ।

আমাদের মুক্তির নিরীহ, অসামরিক অসীম সাহসী যোদ্ধারাঃ কি করেছিলেন আর কি পেয়েছেন?

ঝুলন্ত প্রশ্নটি থেকে আমি অশ্রু পতনের শব্দ শুনতে পাই ।

এখনো সময় আছে , এই বীরদের জন্য, বঞ্চিতদের জন্য কিছু করার । ঋণ কিছু তো সোধ করি ! প্রশ্নটি থেকে অশ্রু পতনের শব্দ বড় অসহ্য ঠেকছে !

[ জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা / মেজর কাম রুল হাসান ভূইয়া - থেকে অণুপ্রানিত । ]


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28777350 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28777350 2008-03-08 02:58:47
অলখের বুড়ীটার অহর্নিশির কোষ্ঠ সেরেছে আজ রাতে মাঘী পূর্ণিমার অনেকদিন পর চুইয়ে চুইয়ে পরে যতটুকু কষ্ট আছে --
হতে পারে নিরালা হিম রাত্রিতে আমি বসে আছি কোন রোদেল অনুগ্রহে
ওয়ার্ম হোল বলা যায় মনে হয়, অপ্রকাশটিকে !

ঐ খানিক দূরে দেখতে পাচ্ছি,
সবুজ রংগের গাড়িটা অন্ধকার লেগে নেশাখোর মেয়েটার মতই নশ্মর নীরব।

তবে তোমাকে আজ রাতে একটা কথা বলি
ব্রহ্মান্ডের যে জায়গায় কোন শব্দ নেই - তার কথা বলি ।
তুমি হয়তো বুঝছো না, ভাবছো - ক্ষেপাটার রাতপাওয়া প্রলাপ - একটু পরেই কেটে যাবে,
অলখের বুড়ীটার অহর্নিশির কোষ্ঠ সেরেছে আজ রাতে ! - এই যা !
আর কিছু তুমি বুঝবে না, হয়তো !

সময়ের জলঘূর্ণিতে তালিয়ে যাচ্ছি হলুদের অশ্লেষে ।
যে ক্ষণে - হৃদয়কে, ঠোটে লিপজেল মেখে দংশন করে সৌন্দর্য,
আমি সেই ক্ষণে তোমাদের পৃথিবীতে থাকি ।
যখন থাকি না, তখন - ঢাউস পেট ছাদের দিকে দিয়ে চিৎপটাং মরা মাছিটিকে এক রাত্রির প্রধান যৌনতার মত ভালবাসি ।

(এইমাত্র)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28774985 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28774985 2008-02-29 00:48:31
হুমায়ূন আজাদের কয়েকটি ত্রিকালদর্শী প্রবচন । (উতসর্গঃ বিশ্বের সকল মুক্ত মন কে) ব্যক্তিগত ব্যস্ততার কারনে ফেব্রুয়ারী মাসে ব্লগে কিছু লিখব না বলে ঠিক করেছিলাম । কিন্তু, হুমায়ূন আজাদের কিছু খুব ভালো লেগে যাওয়া প্রবচন ব্লগবন্ধুদের সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছিনা বলে ব্যস্ততার নিকুচি করলাম । <img src=" style="border:0;" />

প্রবচনগুলোকে আমার ত্রিকালদর্শী বলে মনে হয়েছে, মনে হয়েছে বিতর্কের উর্ধে । অনেকেই হয়তো সহমতে আসবেন, অনেকেই হয়তো না ।

প্রবচন-১

মানুষের তুলনায় আর সবই ক্ষুদ্রঃ আকাশ তার পায়ের নিচে, চাঁদ তার এক পদক্ষেপ দূরত্বে, মহাজগত তার নিজের বাড়ি ।

প্রবচন-২

মৌলবাদ হচ্ছে আল্লার নামে শয়তানবাদ ।

প্রবচন-৩

যতোদিন মানুষ অসৎ থাকে, ততোদিন তার কোনো শত্রু থাকে না; কিন্তু যেই সে সৎ হয়ে উঠে, তার শত্রুর অভাব থাকে না ।

প্রবচন-৪

এখানে অসতেরা জনপ্রিয়, সৎ মানুষেরা আক্রান্ত ।

প্রবচন-৫

অধিকাংশ রূপসীর হাসির শোভা মাংসপেশীর কৃতিত্ব, হৃদয়ের কৃতিত্ব নয় ।

প্রবচন-৬

ব্যর্থরাই প্রকৃত মানুষ, সফলেরা শয়তান ।

প্রবচন-৭

পুজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নাম ব্যাংক ।

প্রবচন-৮

মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে ।

প্রবচন-৯

শ্রদ্ধা হচ্ছে শক্তিমান কারো সাহায্যে স্বার্থোদ্ধারের বিনিময়ে পরিশোধিত পারিশ্রমিক।

প্রবচন-১০

সবচেয়ে হাস্যকর কথা হচ্ছে একদিন আমরা কেউ থাকবো না।


প্রবচনগুলো থেকে কতগুলো অতি দূর সত্য নক্ষত্রের আলো ঝড়ে পরেছে । আলোগুলো গায়ে মেখে একটু আদিম স্বস্তি পেয়েছি ।
















]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28774022 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28774022 2008-02-25 20:28:51
............ অনেকদিন পরে এক রাতে এসেছিল সে ! ছাড়পোকা সমিতির নিজস্ব নির্জনতা শেষে,
পৃথিবীর সমস্ত কবিরা মিলে একটি কবিতা লিখতে বসেছিল মনে হয় ।

আমি জোনাকের প্লাবনে এইমাত্র কিছু শব্দহীন দুঃখ ছেড়ে দিয়েছি জোছনায়, এখন ঋজু শব্দ পায়ের পাশাপাশি আছে !
ভাংগে কি নির্জনতা ছাড়পোকা সমিতিতে ?
আমি শোনার অপেক্ষায় থাকি, এই ভাংগা নির্জনতায় - নির্জনতার ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28762510 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28762510 2008-01-20 01:28:59
মডারেটর সপীমে আবেদন ! মানুষ, নেই মানুষ, বিষাক্ত মানুষ, সামী মিয়াদাদ, নাদান, আব্দুর রাজ্জাক শিপন - এদের ব্যান মুক্তি চাই... প্রিয় কর্তৃপক্ষ,

প্ররোচিত হয়ে ফ্লাডিংয়ের কারনে সাম্প্রতি ব্যান হওয়া সু-ব্লগার মানুষ, নেই মানুষ,বিষাক্ত মানুষ, সামী মিয়াদাদ, নাদান, আব্দুর রাজ্জাক শিপন ব্যান মুক্তির আবেদন করছি । এদেরকে ৭ তারিখের সংঘাতময় রাতের পূর্বে ফ্লাডিং বা কোন প্রকার গালাগালিতে কখনোই দেখা যায়নি । এরা প্রত্যেকেই সুলেখক এবং এদের সু লেখানির দ্বারা সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা ব্লগ সামহয়ারইনের তাৎপর্য্যপূর্ণ উৎকর্ষ সাধিত হয়েছে এবং আমরা আশা করছি ভবিষ্যতেও হবে ।

ফ্লাডিং অপরাধ ছিল, কিন্তু এক সাপ্তাহের শাস্তি যথেষ্ঠ নয় কি ?

আশা করি কর্তৃপক্ষ আবেদনে সাড়া দেবেন ।

ধন্যবাদ ।



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28761120 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28761120 2008-01-15 15:01:25
অতি দীঘল কৃষ্ণপক্ষ, জোছনার পাত্র দাও মা কান্না জমাবো অনেক ফোঁটা !!
দুর্ভাগ্যবশত, ভষ্মীভূত গাছটির কিছু আধপোড়া ডাল পালা থেকে যায় বাংলারই মাটিতে । জানি না, সেই আধপোড়া ডালগুলো প্রকৃতির কোন খেয়ালে আবার চমতকার অভিযোজনে বেড়ে উঠেছে ৩৬ বছরে আবারো গাছ হিসেবে - না, তারা কিন্তু এবার আর শোষকের সেই কন্টক গাছটি নেই, এখন তারা ধর্মীয় ত্বক গায়ে এটে নিয়ে ভিতরে কন্টক কাঠ অতি গোপন গভীরে রেখেছে ।

আমি গাছটির কাছে গেলাম, বোধ ও বুদ্ধির সম্মিলনে ত্বক ফুড়ে কাটার আঘাত গায়ে লাগলো বলে অনুভব করলাম । অনেকেই অনুভব করেছেন । অনেকেই প্রকাশ করেছেন । আমিও প্রকাশ করতে গেলাম আমার অনুধাবন । ধর্মীয় ফুলেল ত্বকের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কন্টক কাঠের কথা বলতে গেলাম । বলেও দিলাম । এবার ত্বক ফুড়ে বেরিয়ে এল সেই কন্টক হূল । আমাকে রক্তাক্ত করলো ! আমার হৃদয় রক্তাক্ত করলো !


জ্বী ! আমি বিবিসির কাছে দেয়া জামাতের প্রক্তন আমীর গোলাম আযমের একটি সাক্ষাতকার পোষ্ট করেছিলামআমার ব্লগে । সেই পোষ্টের কমেন্টে জামাত শিবির সমর্থক এক ব্লগার আমাকে বল্লেন আমার নাগরিকত্ব না কী প্রমাণ সাপেক্ষ ! গোলাম আযম না কী দেশের সার্টিফাইড নাগরিক !

বন্ধুগন, মন্তব্যটি দেখুনঃ

জাহান্নামের ইমামের ফাল ফলানির কি হইলো??
তুমি বাংলাদেশের নাগরিক প্রমাণ করতে হইবো।
কিন্তু গোলাম আযম সুপ্রিম কোর্ট কতৃক সার্টিফিকেটধারী বাংলাদেশী নাগরিক।
বিচার চাই বিচার চাই... মামলা করতে পারুম না.... মামলা করলে প্রমান কই?... স্লোগান দাও ।


হাহ ! আমার চেয়ে গোলাম আযমের নাগরিকত্বের সুনির্দিষ্টতা !! তিনি তাহলে আমার চেয়ে বড় দেশপ্রেমিক ? মনে হয় ঠিকই বলেছেন শ্রদ্ধেয় সুশীল ব্লগারটি । গোলাম আযমের দেশপ্রেমের প্রমাণ আমরা তো পেয়েছি ৭১ এ, ৭১ এর পরেও । চলুন আবার দেখি গোলাম আযমের দেশপ্রেমঃ

১) স্বাধীনতা যুদ্ধের পর, ১৯৭২ সালের ডিসেম্বরে রিয়াদে মুসলিম যুব সংস্থা আয়োজিত আন্তর্জাতিক ইসলামী যুব সম্মেলনের প্রথম অধবেশনে যোগ দেন গোলাম আযম । সম্মেলনে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তান পুনঃপ্রতিষ্ঠার' জন্য ঝাপিয়ে পড়তে সারা মুসলিম জাহান কে আহবান জানান ।

২) ১৯৭২ এই গোলাম আযম লন্ডনে গঠন করেন 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' ।

৩) ১৯৭৩ সালের মার্চে লিবিয়ার বেনগাজীতে অনুষ্ঠিত ইসলামী পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সম্মেলনে কোন রকম আমন্ত্রন ছাড়া উপস্থিত হন এবং সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য মুসলিম দেশগুলোর প্রতিনিধিদের প্রতি আহবান জানান ।

৪) ১৯৭৩ সালের জুলাইতে গোলাম আযম লিবিয়াতে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে 'গোলামীর জিঞ্জির' বলে উল্লেখ করেন ।


হাহ ! আমার প্রমাণ দেয়া লাগবে ! গোলাম আযমের লাগবে না !!

অতি দীঘল কৃষ্ণপক্ষ, জোছনার পাত্র দাও মা কান্না জমাবো অনেক ফোঁটা !!


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28760967 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihobbolblog/28760967 2008-01-14 23:26:08
উৎসর্গ ব্লগের সকল শিবির কর্মী, যারা পেটের দায়ে মগবাজারী
সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।। হুমায়ুন আজাদ

আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
নষ্টদের দানবমুঠোতে ধরা পড়বে মানবিক
সব সংঘ-পরিষদ; চ'লে যাবে, অত্যন্ত উল্লাসে
চ'লে যাবে এই সমাজ-সভ্যতা-সমস্ত দলিল-
নষ্টদের অধিকারে ধুয়েমুছে, যে-রকম রাষ্ট্র
আর রাষ্ট্রযন্ত্র দিকে দিকে চ'লে গেছে নষ্টদের
অধিকারে। চ'লে যাবে শহর বন্দর ধানখেত
কালো মেঘ লাল শাড়ি শাদা চাঁদ পাখির পালক
মন্দির মসজিদ গির্জা সিনেগগ পবিত্র প্যাগোডা।
অস্ত্র আর গণতন্ত্র চ'লে গেছে, জনতাও যাবে;
চাষার সমস্ত স্বপ্ন আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে একদিন
সাধের সমাজতন্ত্রও নষ্টদের অধিকারে যাবে।


আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
কড়কড়ে রৌদ্র আর গোলগাল পূর্ণিমার চাঁদ
নদীরে পাগল করা ভাটিয়ালি খড়ের গম্বুজ
শ্রাবণের সব বৃষ্টি নষ্টদের অধিকারে যাবে।
রবীন্দ্রনাথের সব জ্যোৎস্না আর রবিশংকরের
সমস্ত আলাপ হৃদয়স্পন্দন গাথা ঠোঁটের আঙুর
ঘাইহরিণীর মাংসের চিৎকার মাঠের রাখাল
কাশবন একদিন নষ্টদের অধিকারে যাবে।
চলে যাবে সেই সব উপকথাঃ সৌন্দর্য-প্রতিভা-
মেধা; -এমনকি উন্মাদ ও নির্বোধদের প্রিয় অমরতা
নির্বাধ আর উন্মাদদের ভয়ানক কষ্ট দিয়ে
অত্যন্ত উল্লাসভরে নষ্টদের অধিকারে যাবে।


আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
সবচে সুন্দর মেয়ে দুইহাতে টেনে সারারাত
চুষবে নষ্টের লিঙ্গ; লম্পটের অশ্লীল উরুতে
গাঁথা থাকবে অপার্থিব সৌন্দর্যের দেবী। চ'লে যাবে,
কিশোরীরা চ'লে যাবে, আমাদের তীব্র প্রেমিকারা
ওষ্ঠ আর আলিঙ্গন ঘৃণা ক'রে চ'লে যাবে, নষ্টদের
উপপত্নী হবে। এই সব গ্রন্থ শ্লোক মুদ্রাযন্ত্র
শিশির বেহালা ধান রাজনীতি দোয়েলের স্বর
গদ্য পদ্য আমার সমস্ত ছ