somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সবুজ অঙ্গন ১৭শ সংখ্যা এখন একুশে বইমেলা ২০১২-এ পাওয়া যাচ্ছে...

আপনার কাছে এটা আনন্দের সংবাদ হলেও হতে পারে... তবে আমরা খুবই আনন্দিত সবুজ অঙ্গন বইমেলা সংখ্যা বের করতে পেরে। যে কয়েকজনের হাতে সংখ্যাটি ইতোমধ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি সবাই-ই আনন্দিত হয়েছেন, খুশি হয়েছেন, ভালো বলেছেন। কতখানি কী হয়েছে জানা নেই- তবে সবার পজিটিভ মন্তব্য শুনে আনন্দিত হয়েছি তো অবশ্যই।

সবুজ অঙ্গন পাওয়ার জন্য অনেকেই ফোন করেছেন। সবাইকে জানিয়েছি এটা বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে। বইমেলার কোথায় পাওয়া যাচ্ছে?
পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার ৬২৮ নম্বর স্টলে এবং লিটলম্যাগ চত্বরে-

১.
প্রতিভা প্রকাশ
স্টল নম্বর ৬২৮
[নজরুল মঞ্চের কাছের গেইটের ডান পাশে প্রতিভা প্রকাশের স্টল।]

২.
গল্পপত্র
লিটলম্যাগ চত্বর
[লিটলম্যাগ চত্বরে প্রবেশ করে বাঁশের বেঞ্চির সাথের স্টলটি।]

৩.
লিটলম্যাগ চত্বর
শফিক হাসান ভাইয়ের ব‌্যক্তিগত স্টলে। লিটলম্যাগ চত্বরের শেষ মাথায়।

খেয়াল করুন-
এই তিনটি স্থান ছাড়া বইমেলার আর কোথাও সবুজ অঙ্গন পাবেন না। সবুজ অঙ্গনের চলতি সংখ্যাটির মূল্য ২০ টাকা। অনুগ্রহপূর্বক ভাংতি টাকা নিয়ে যাবেন, প্লিজ... প্লিজ...

মেলার বাইরে পাবেন এখানে-
পান্থ বিহোস
নিউট্রন আইসিটি
নাহার প্লাজা (৬ষ্ঠ তলা)
২৬ সোনারগাঁও রোড
হাতিরপুল, ঢাকা
০১৬৭৩৬৩৬৭৫৭


সাথে থাকুন, ভালো থাকুন.... <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29540062 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29540062 2012-02-13 02:52:13
সবুজ অঙ্গন নতুন সংখ্যার জন্য লেখা দিন...

সবুজ অঙ্গন একুশে বইমেলা (১৭শ) সংখ্যার জন্য ২৫ জানুয়ারির মধ্যে
ই-মেইল/ডাকে/কুরিয়ারে লেখা পাঠান।

লেখা পাঠানোর আগে অনুগ্রহপূর্বক ভালো করে জেনে নিন-
১। লেখার সাথে যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ করবেন।
২। বিষয়বস্তু : গল্প, সায়েন্স ফিকশন, কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ, রম্যরচনা, ভ্রমণকাহিনী, সাহিত্যসমালোচনা, স্মৃতিকথা, ইত্যাদি। সমসাময়িক কবি ও কবিতার উপর পর্যালোচনামূলক নিবন্ধ। লেখার আকার ছোট হলে ভালো হয়।
৩। যারা সফট কপি পাঠাবেন, দয়া করে SutunnyMJ ফন্ট ব্যবহার করবেন। অনুগ্রহপূর্বক কোনো ইউনিকোড ফন্ট ব্যবহার করবেন না।
৪। দয়া করে লেখা প্রকাশের জন্য কোনোরকম অনুরোধ করবেন না। আপনার লেখা মানসম্মত হলে অবশ্যই ছাপা হবে।

লেখা পাঠানোর ঠিকানা-
ই-মেইল: ebihosh @ gmail. com
ডাক/কুরিয়ার : সবুজ অঙ্গন, পান্থ বিহোস, ৬৯ আরামবাগ, ঢাকা-১০০০
------------=====================---------------
সবুজ অঙ্গন ফেসবুক ফ্যান পেজে যোগ দিতে এখানে ক্লিক করুন
------------=====================---------------

-----------------------------------------------------------------
বি:দ্র: পোস্টটি অনুগ্রহপূর্বক বিভিন্ন ব্লগ, সোশ্যাল নেটওয়ার্কে শেয়ার করে আমাদের কাজে সহযোগিতা করলে কৃতজ্ঞ থাকবো।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29521242 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29521242 2012-01-12 20:11:03
আমি তোমাতে করিব বাস


আমাদের ভালোবাসা ছিলো স্বচ্ছ- দিঘীর জলের মতো।
কেননা আমরা বিশ্বাস করতাম, ভালোবাসায় আড়াল দূরত্ব সৃষ্টি করে। এটা ভাবতে আমাদের খুব কষ্ট হতো, অবিশ্বাস লাগতো- আমাদের মাঝে কখনো ফারাক তৈরি হবে।
কিন্তু একদিন তাই হলো।
ওকে দোষ দেয়া যায় না।
সবাই যা চায়। ওতো এর বেশি কিছু চায়নি, কখনো।
হয়তো ও আমার পাশে থাকলে এই আমি অকর্মন্য কিছু একটা হতেও পারতাম। চলে যাওয়ায় আর সম্ভব হলো না একেবারেই।
ও যখন বুঝতে পেরেছিলো, আমাকে দিয়ে খুব বেশি কিছু আশা করা যায় না, তখন-ই অভিকের সাথে ওর পরিচয়- ইয়াহুতে।
ছেলেটা লন্ডনে থাকতো।
মিথ্যে বলবো না, অভিক যথেষ্ট সুন্দর ছিলো।
আমার মতো অলস নয়।
আমার মতো আবেগপ্রবণ নয়।
আর আমার মতো খাটোও নয়।
এসবই অবশ্য আমি জেনেছিলাম পরে- বিনুর সাথে বিয়ের পর।
যাই হোক, অভিক স্মার্ট আর বুদ্ধিমানও ছিলো। অন্তত আমার থেকে বেশি তো অবশ্যই।
সুতরাং বিনুর মতো মেধাবী, মায়াবতী মেয়ের তো ওকে ভালো লাগতেই পারে।
আর এটা যেহেতু বাংলা ছবি ছিলো না, বাস্তবতায় ভরপুর মধ্যবিত্তের শুদ্ধ ভালোবাসা ছিলো কিন্তু ভিলেন বলা যায় না অভিককে কস্মিনকালেও।
অতএব ও গেলো।
আমাকে একা থাকতেই হলো।
প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হতো।
এখন তেমন নয়।
তবে মাঝে মাঝে কেন যেন নিজেকে আর ধরে রাখা যায় না। ওকে দেখতে খুব খুব মন চায়।
আজন্ম আবেগপ্রবণ ছেলে আমি। আবেগের জন্যই সব গেলো।
খুব কষ্ট হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে কোথাও একটা আড়াল নিয়ে বসে থাকি- ওকে দেখার জন্য।

আর যাই হোক, ও অন্তত আমার এই চাওয়াটা বাস্তবায়ন করেছে। ওর সাথে যখন সম্পর্ক হয়, ও তখন ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে। ওর স্বপ্ন ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করার। সাথে আমি যোগ করেছিলাম যথেষ্ট দাবি নিয়ে- তুমি অবশ্যই ওখানের একজন টিচার হবে।
ও কথা রেখেছে।
অতএব ও কথা রাখেনি এই অপবাদ ওকে দেয়া যায় না। হোক, সে আমার সাথে জীবন-মরণের সন্ধিতে থাকার ওয়াদাবদ্ধ।

মাঝে মাঝে যখন ওকে দেখতে কলা ভবনে যাই গর্ব, আবেগ আর ওর প্রতি আমার স্বচ্ছ পবিত্র এবং বোকামীপূর্ণ ভালোবাসায় বুকটা ফুলে ওঠে।
যদিও আমাকে আড়াল নিতে হয়- আড়ালে থাকতে হয়। কেননা ও দেখে ফেললে আমার জন্য বিরাট লজ্জার ব্যাপার হবে, বুঝতেই পারছেন।
ও এতো আবেগ পছন্দ করে না, এটা আমাকে মাথায় রাখতে হয়।
অবশ্য সবসময় ওকে দেখা হয় না।
অভিক গাড়ি নিয়ে আসে ওকে নিয়ে যেতে প্রায়ই। তখন ও কলা ভবনের ভেতরেই গাড়িতে চড়ে বসে।
কালো গ্লাসের আড়ালে ওকে তখন দারুণ মানায় অভিকের পাশে।
যদিও আমার দেখা হয় না সেটা।
তবে আমার কল্পনার চোখ যেহেতু দীর্ঘ- আমি পরিস্কার দেখতে পাই ওর স্বচ্ছ হাসি। যা বরাবরই আমাকে পিপাসী করতো।
আচ্ছা, ও কি তখন অভিকের হাত ধরে রাখে? বোধহয় না। রাস্তাঘাটে ও ওসব পছন্দ করে না, আমি জানি।
আমরা যখন রিক্সায় ঘুরতাম টিএসসি থেকে বসুন্ধরা সিটি কিংবা টিএসসি তেকে বেইলী রোড পর্যন্ত, তখন ও রিক্সার হুড তুলতে দিতো না রোদে যথেষ্ট পুড়তে হলেও।
আর আমাকে প্রচণ্ড কসরৎ করে ওর উষ্ণ দেহের সংস্পর্শ হতে দূরত্ব বজায় রাখতে হতো।
এসবই অতীত।
অবশ্য ওর স্পর্শ নয়, আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ হয়েছিলো আমার।



দুই.
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ার সময় আমিই ওকে নিয়ে গিয়েছিলাম খুলনায়। উঠেছিলাম বন্ধু হিমেলের বাসায়।
ফেরার আগের দিন সন্ধ্যায়, যখন আমি, ও আর হিমেল বাইরে থেকে ঘুরে এসেছিলাম, ড্রইং রুমে আমাকে একা পেয়ে হঠাৎ-ই ওর উষ্ণ-উত্তপ্ত ঠোঁটের স্পর্শ রেখেছিলো আমার কপোলে, ঠোঁটে, মুখে, চোখের পাতায়। আর আমিও।
যদিও এই জন্য পরে ওর আমার অনুতাপের অন্ত ছিলো না। দীর্ঘ সাত বছরের রিলেশানে এই ছিলো আমাদের ফিজিক্যাল অনুভুতি। যদিও এটা তেমন কিছু নয় হয়তো, তবু অনুতাপ হয়েছিলো, হয়।
অবশ্য পরে আমাকে ও প্রায়ই 'ভীতু' বলে খেপাতো- কোনোদিন এসব চাইনি বলে।
ও মনে করিয়ে দিতো আমার গল্পের থিওরিটুকু- সেক্স চামড়ার সাথে চামড়ার ঘর্ষণমাত্র, বেশি কিছু নয়। হ্যান্ডশ্যাকও তাই- চামড়ার সাথে চামড়ার ঘর্ষণ।

আমি হাসতাম।
ভাবতাম- ওসবই তো গল্পের কেচ্ছা-কাহিনী।
অবশ্য ওকে বলা হতো না।

আজ সেই আমি-ই কি-না গল্পের আশ্রয় নিয়েছি বুকের জমানো বাস্তব কিছু চিত্র ফুটিয়ে তুলতে!
লিখতে লিখতে ভাবনা হচ্ছে- কেন লিখছি? এসব কি আমি আমার পাঠকের সামনে তুলে দেবো? পাঠক আমার ব্যর্থতার কথা জেনে যাবে না! শ্রদ্ধেয় পাঠকরা কি ব্যর্থ মানুষের গল্প পড়বে? যদি তারা ইগনোর করে?



তিন.]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29264754 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29264754 2010-10-31 23:22:05
পুরনো পেনড্রাইভ লস্ট হইছে... আমি খুবই হর্ষোল্লিসিত !!! নতুন একটা নিতাম চাই... সাহায্য প্রযোজ্য...

আমার পেনড্রাইভটি হারিয়ে গেছে শেষ পর্যন্ত... আমি খুবই হ্যাপি... <img src=" style="border:0;" /> । এই পেনড্রাইভটার জন্য নতুন কিনতে ইচ্ছে করছিলো না... মাত্র এক জিগাবাইট পেনড্রাইভ নিয়ে খুবই মুশকিলে ছিলাম এতোদিন।
হারানোতে নতুন একটা কিনতে চাই।
পরামর্শ দেন, কোন ব্রান্ড এবং কত গিগাবাইটের কিনবো?
আমার পছন্দ: সাইজে ছোট, স্লিম, হালকা, কালো রং এবং অবশ্যই ৮ গিগাবাইট বা তার বেশি
আমার অপছন্দ: ট্রানসেন্ড ব্রান্ড, কালোছাড়া অন্য যেকোনো রং]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29216653 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29216653 2010-08-07 00:15:02
ফোরামে লিখে ওয়েবসাইট জিতে নেয়ার সুযোগ...
আমার কয়েকজন বন্ধু মিলে একটা ফোরাম তৈরি করেছে। এতে আমারও কালোহাত (?) আছে কিঞ্চিত।

যাই হোক, ফোরামটির কাজ শেষে বেশ কিছুদিন বেটা ভার্সনে রাখার পর সম্প্রতি তারা ফোরামটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।

ফোরামটিকে জনপ্রিয় করার জন্য আমার বন্ধুরা ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বেশ।

এরই রেশ ধরে এরা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জুন মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত যারা ফোরামে রেজিস্ট্রেশন করে লেখা পোস্ট করবে, সর্বোচ্চ পোস্টদাতাদের একজনকে একটি ওয়েবসাইট পুরষ্কার দেবে।

উল্লেখ্য, এই ওয়েবসাইটটি আমার-ই ছিলো, ওরা ভাগিয়ে নিয়েছে আর কি! /<img src=" style="border:0;" />

যাই হোক, ওদের সাফল্য কামনা করি।

আপনাদেরও সাফল্য কামনা করি। আশা করছি আমার এই প্রিয় ব্লগের কেউ-ই একজন হবেন বিজয়ী।

শুভকামনা রইলো।

ফোরামে যেতে এখানে ক্লিক করুন
পুরস্কারের ওয়েবসাইটটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29164665 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29164665 2010-05-29 01:59:19
মনটা কিঞ্চিত উদাস <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> .... তাই একখানা ১৮+ কৈতেক... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> " style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" />

ক্লাসে টিচার পড়ানো শেষে...

টিচার : ছেলেরা, বুঝতে পারলে তো, মশা কেমন করে আমাদের মাঝে রোগ ছড়ায়?

ছাত্ররা : জি স্যার!

টিচার : কাজেই মশাদের বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হবে...

এক ছাত্র : হি-হি-হি...

টিচার : এই ছেলে, তুমি হাসলে কেন?

ঐ ছাত্র : স্যার, এতো ছোট ছোট কনডম বানাবেন কেমন করে? <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29111506 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29111506 2010-03-07 03:25:44
আজ পেলাম ১৭০০০+৬০০ বই সম্পূর্ণ ফ্রি ।। আহা কী আনন্দ... !!!

কয়েক মাস এই ব্লগেরই এক নিবেদিত প্রাণ ব্লগারের একটা লেখা পড়ে অবাক হয়েছিলাম। যা অবিশ্বাস্য ব্যাপার ছিলো আমার কাছে। অবশ্য আজ তা বাস্তবায়ন হয়েছে।

ব্লগার ইঞ্জিনিয়ার তার সেই পোস্টে জানিয়েছিলেন অনলাইনে আবেদন করে ই-বুক কালেকশন করা যায় তাও একটা দুটা কিংবা ১০০/২০০ও নয়, প্রায় ১৮০০০ হাজার বই।

কিছুটা অবিশ্বাস নিয়েই আবেদন করেছিলাম। গুটেনবার্গ থেকে আমাকে জানানো হলো, আমার আবেদন তারা গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন কিন্তু তাদের হাতে এই মুহূর্তে আরও কয়েক হাজার আবেদন থাকায় কিছুটা সময় লাগবে। সময়টা হচ্ছে ৪৮ সপ্তাহ। ইঞ্জিনিয়ার ভাই অবশ্য জানিয়েছিলেন ছয় মাসের মতো সময় লাগে।

যাই হোক, দুই সপ্তাহ আগে গুটেনবার্গ থেকে আমাকে একটি মেইল করা হয়েছিলো। যেখানে আমাকে ইনফর্ম করা হয়েছে- ১৭৫০০ বই নিয়ে একটি ডিভিডি এবং ৫০০ বই নিয়ে একটি সিডি আমাকে পাঠানো হয়েছে। যা আমি ২-৪ সপ্তাহের মধ্যেই পেয়ে যাবো। যদি না পাই তাহলে যেনো তাদেরকে জানানো হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

আজ পেলাম সেই কাঙ্ক্ষিত বস্তু।
আমার সময় লেগেছে ১৪.০৭.২০০৯-১৭.১১.২০০৯ = চার মাস এবং আরও কিছু দিন।

ধন্যবাদ গুটেনবার্গকে
ধন্যবাদ ইঞ্জিনিয়ার ভাইকে
ধন্যবাদ সামহোয়্যারইন ব্লগকেও।
=========================
বি: দ্র: সিডি এবং ডিভিডির সাথে আসা চিঠিতে আমাকে জানানো হয়েছে, এই সিডি এবং ডিভিডি আমি যতো ইচ্ছে কপি করতে পারি। এবং তারা বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন তা যেনো আমি বেশি বেশি করে কপি করি এবং আমার বন্ধুদের মাঝে বণ্টন করি। আপনাদের কারও যদি লাগে তাহলে আমার কাছ থেকে কপি নিতে পারেন।
আমি থাকি ঢাকার মতিঝিল এলাকায় থাকি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29044912 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29044912 2009-11-17 14:36:45
ওয়ার্ডপ্রেস ২.৮.৫ আপগ্রেড করে নিন দ্রুত...

ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে যারা সাইট বানিয়েছেন, তাদেরকে জানাচ্ছি- ওয়ার্ডপ্রেস ২.৮.৫ উন্মুক্ত করা হয়েছে সবার জন্য। দেরি না করে দ্রুত আপগ্রেড করে নিন।
আপগ্রেড ভার্সন পেতে এখানে ক্লিক করুন

দুইভাবে আপগ্রেড করতে পারেন আপনার সাইটটি। আপনার সাইটের এডমিন প্যানেল থেকে অটোমেটিক্যালি আপগ্রেড বাটনে ক্লিক করে অথবা ম্যানুয়ালি ওয়ার্ডপ্রেস ডাউনলোড করে এফটিপির মাধ্যমে।

দেরি না করে এখুনি করে নিন। নিরাপত্তার জন্য এটা খুবই জরুরি।

============
লেখাটির মূল সূত্র এখানে দেখুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29029793 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29029793 2009-10-21 23:08:41
গুগলের কাছ থেকে ফ্রি হোস্টিং নিয়ে চলুন এবার একটি ফ্রি ওয়েবসাইট বানাই নিজের জন্য... ----------------------

এক (খ).
আগের লেখাটি পড়ে অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। কিংবা প্রশ্ন করেছেন। যারা মেইল করেছেন চেষ্টা করেছি প্রত্যেকটি মেইলের জবাব দিতে। যদি কেউ মেইল করে জবাব না পেয়ে থাকেন তাহলে ধরে নেবেন আপনার মেইলটি আমার হাতে আসেনি।
মন্তব্য ছাড়াও কিছু জিজ্ঞাসা এসেছে। সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসাটি হচ্ছে- ফ্রিহোস্টিয়া তাদের হোস্ট কত দিনের জন্য ফ্রি দেয়?
আমার জানামতে ফ্রিহোস্টিয়া তাদের চকোলেট প্যাকেজটি আজীবন ফ্রি হোস্ট অফার করে। তবে আমি যেহেতু বাস্তবে ব্যবহার করিনি তাই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে সত্যটুকু বলতে পারছি না।

দ্বিতীয় আরেকটি জিজ্ঞাসা ছিলো- কেন আমি ফ্রি হোস্টের জন্য ফ্রিহোস্টিয়ার কথা বললাম? যেহেতু আরও অনেক অনেক ফ্রি হোস্ট সেবাদাতা রয়েছে।
এর উত্তর অনেকবার দিয়েছি, আবারও দিচ্ছি- এটা আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি- ফ্রিহোস্টিয়া সম্পূর্ণ ঝামেলাহীন ফ্রি হোস্ট সেবাদাতা। অন্য বেশির ভাগই এড দেয়। ফ্রিহোস্টিয়া এডহীন, ঝামেলাহীন। তবে তাদের রেজিস্ট্রেশন সময়কার মেইলটি আসতে কখনো কখনো একটু সময় লাগে।

এক (গ).
যাই হোক, এগুলো লেখার জন্য আজকের পোস্ট নয়। কথাগুলো এ কারণে বললাম, হোস্ট নিয়েই অনেকে সমস্যায় পড়েছেন। তাই, হোস্টের একটি স্থায়ী সমাধান নিয়েই আজকের লেখা। যাই হোক কথা আর না বাড়িয়ে বর্ণনায় চলে যাই।


দুই.
প্রথমেই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে নেয়া যাক। আশা করছি কীভাবে ফ্রি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে হয় তা আমার আগের পোস্টটি পড়ে জেনেছেন। যারা জানেন না তারা এখানে ক্লিক করে আগে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে আসুন।


তিন.
এবার চলুন ধাপে ধাপে জেনে নিই কীভাবে গুগলের হোস্টিং আপনি ফ্রি ব্যবহার করতে পারবেন।
এজন্য প্রথমে বলে নিই, অবশ্যই আপনার ব্লগার ডট কমে রেজিস্ট্রার আইডি এবং ব্লগ থাকতে হবে। আশা করছি সবাই জানেন ব্লগার ডট কমে কিভাবে আইডি এবং ব্লগ খুলতে হয়। তাই এদিকে আর যাচ্ছি না। চলুন ছবিসহ হোস্টিং ব্যবহারের ধাপগুলো দেখি-

ফ্রি ডোমেইন-এর জন্য লগিন করতে হবে আপনাকে। আপনি এর আগে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করে ছিলেন এখানে। যদি না করে থাকেন তাহলে রেজিস্ট্রেশন করে নিন এখনি।

ধাপ-০১
যাদের আগে থেকেই ফ্রি ডোমেইন ছিলো এবং যারা এখন ডোমেইন নিয়েছেন তারা প্রথমেই লগিন করুন http://www.co.cc -তে।


ধাপ-০২
যে ডোমেইনটির জন্য হোস্টিং দরকার সে হোস্টিংটির সেটাপ-এ ক্লিক করুন।

ধাপ-০৩
ম্যানেজ ডোমেইন-এর অংশ থেকে সেটাপ বাটনে আবার ক্লিক করুন।

ধাপ-০৪
Zone Records-এ ক্লিক করুন এবং নিচের ফিলগুলো পুরণ করুন।
যেমন, Host-এ আপনার ওয়েবসাইটির নাম লিখুন
TTL-এ 1D লিখুন
Type-এ CNAME লিখুন এবং
Value-এর ঘরে লিখুন ghs.google.com.

তারপর নিচের সেটাপ বাটনে ক্লিক করে সেইভ করুন। ব্যাস ডোমেইনে সেটাপ শেষ হলো। এবার চলে আসুন ব্লগার ডট কম-এ।

ধাপ-০৫
ব্লগার ডট কম-এ সাইন ইন করুন। আর যদি ব্লগার ডট কম-এ সাইন আপ করা না থাকে তাহলে ঝটপট একটা একাউন্ট খুলে নিন এবং সেই সঙ্গে একটা ব্লগও বানিয়ে নিন।

ধাপ-০৬ এবং ০৭
ব্লগার ডট কমের ডেশবোর্ড তেকে সেটিংস-এ ক্লিক করে পাবলিশিং-এ ক্লিক করলে যে পেজটি ওপেন হবে সেটি দেখুন।
এখান থেকে কাস্টম ডোমেইন-এ ক্লিক করুন।

ধাপ-০৮
এই পেজের একটি অংশে লেখা আছে দেখুন Switch to Advanced Sttings কথাটি। এখানে ক্লিক করুন। তাতে একটি নতুন পেজ ওপেন হবে।

ধাপ-০৯ এবং ১০
ধাপ ০৯-এর যেখানে ইউর ডোমেইন লেখা আছে সেখানে আপনার ডোমেইন নামটি লিখুন। এবং ধাপ ১০-এ ক্যাপচাটি লিখুন যেখানে লেখা আছে ওয়ার্ড ভেরিফিকেশন। সেইভ সেটিংস-এ ক্লিক করুন।

ধাপ-১১ এবং ১২
ধাপ ০৯ এবং ১০-এ যা করেছেন তা এখানে আবার করতে হবে। তবে একটু তফাত আছে। ইউর ডোমেইন লেখা অংশে আপনার ডোমেইনটি লিখুন এবং দেখুন নিচে একটি চেক ব্ক্স আছে। এই চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।
ধাপ-১২-এ ক্যাপচা কোডটি লিখুন এবং সেইভ সেটিংস-এ ক্লি করুন। ব্যস হয়ে গেলো।

এবার আপনি ব্লগার ডট কম-এ যা পোস্ট করবেন তা সরাসরি আপনার ডোমেইন-এ রিডাইরেক্ট হয়ে চলে আসবে।

এরকম একটি ওয়েবসাইট দেখতে এখানে ক্লিক করুন
--------------------------------
"""""""""""""""""""""""""""

ফুটনোট : এই লেখাটিতে ইচ্ছে করে মাত্র একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আপনি যদি ছবিসহ বিস্তারিত লেখাটি পড়তে চান তাহলে টিনটব ব্লগে চলে আসুন।
টিনটব ব্লগে যেতে এখানে ক্লিক করুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29022208 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29022208 2009-10-08 01:28:58
আসেন ব্লগার বন্ধুগণ, একটা সাক্ষাতকার দিয়া যান... " style="border:0;" /> । আসফোস! এই জাতি একজন উজ্জ্বল প্রতিভাকে মূল্যায়ণ করতে শিখলো না।
----------------------------
যাই হোক, ওরা না বুঝলে আর কী করা যায়? কিন্তু আমার প্রতিভায় আমি মুগ্ধ। তাই নিজের একটা সাক্ষাতকার নিজেই নিয়া নিলাম।
-----------------------------
প্রশ্নকর্তা পান্থ বিহোস : উজ্জ্বল প্রতিভা আপনার। আপনি অমুক কাজ করেছেন তমুক কাজ করেছেন। প্রথমেই এ নিয়ে আপনার অভিব্যক্তি জানতে চাই।
উত্তরদাতা পান্থ বিহোস : (মিটি মিটি হেসে) আসলে এ কিছু নয়। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু একটা করা সত্যিই দুষ্কর। তবে আমি চেষ্টা করেছি করার। আমাকে অনেকে সহায়তা করেছে। সময় সুযোগ পেলে এ দেশের অনাথ শিশুদের নিয়ে বিশাল একটা কাজ করার ইচ্ছে আছে।

প্রপাবি: আপনার এই সাফল্যের পেছনে কে বা কারা কাজ করেছে?
উপাবি : এ ব্যাপারে প্রথমেই আমি আমার হবু বউকে ধন্যবাদ দিই। সে না থাকলে আমি এতো কিছু কিছুতেই করতে পারতাম্না। তার জ্বালায় অসহ্য হয়ে নিরালায় এই যেমন নদীর ধারে, বনে বাদাড়ে বসে থাকতে হতো। তখনি ভেবে ভেবে এসব আইডিয়া মাথায় আসতো। আর আমি করে ফেল্তাম।

প্রপাবি : আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা জানলাম- অনাথ শিশুদের জন্য কিছু করা। আপনি যদি এক কোটি টাকা পান এ মুহূর্তে তাইলে কি করবেন?
উপাবি : (ইশারায় রেকর্ডার অফ করতে বললেন, রেকর্ডার অফ হলো) উত্তর দুইটা আছে। একটা লিখবেন- এক কোটি টাকা দিয়ে আমি একটা অনাথশ্রম করতে চাই। যেখানে পথকলিরা পড়ালেখা করবে, ঘুরবে আনন্দ করবে, বড় হবে।
আর দ্বিতীয় উত্তরটা হচ্ছে মনের কথা। এইটা লেখা যাবে না- এক কোটি টাকা পেলে প্রথমেই একটা ভালও ডেডিকেটেড সার্ভার দেখে একটা হোস্টিং প্যানেল কিনবো। এক বছরের জন্য মোটামটি ৩০/৩৫ লাখ চলে যাবে। একটা ল্যাপটপ কিনবো- ম্যাকবুক এয়ার, দুনিয়ার সবচেয়ে হালকা ল্যাপটপ। আর ৩০/৪০টা ডোমেইন কিনে ওয়েবসাইট বানানো শুরু করুম।

প্রপাবি : শুনছি আপনি বিয়ের চেষ্টা করছেন?
উপাবি : এটা সম্পূর্ণ স্ক্যান্ডাল। মোটেও না। আমি বিয়ে করবো? কভি নেহি। এ পর্যন্ত কোনো উর্বশী একটা গোলাপ দিলো না... <img src=" style="border:0;" /> আসফোস!!!

প্রপাবি : আপনার প্রিয় খাদ্য কি?
উপাবি: চালের রুটি আর খাশির মাংস।

প্রপাবি : আপনার প্রিয় পোশাক কি?
উপাবি: দূর! কী সব ফালতু প্রশ্ন করেন? অই মিয়া, সাক্ষাতকার যে লইতেছেন কয় টাকা দিবেন? যান ফুটেন, ঘুমানোর সময় হইছে....

--------------------------
প্রশ্নকর্তা পান্থ বিহোসের সভয়ে পলায়ন।
--------------------------
আর কে কে সাক্ষাতকার দিতে চান দিয়া যান... আমি ঘুইরা আসি...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29002217 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/29002217 2009-08-31 03:45:04
ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট: নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটটি ফ্রিতে... আমার ব্যক্তিগত টিনটব ব্লগ
-------------------------------------------------------
কিছুদিন আগে "ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট " শিরোনামের একটি লেখা পোস্ট করেছিলাম।
আজকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী ৭২ জন এই সেবাটি গ্রহণ করেছেন। সবাইকে ধন্যবাদ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এই ৭২ জনের মধ্যে মাত্র ৩ জন তাদের ওয়েবসাইটটির সেটাপ করতে পেরেছেন। বাকী ৬৯ জন শুধু ডোমেইন এবং হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন করেছেন। পরবর্তী কাজ হয় করতে পারেননি, কিংবা করেননি।

এই ৬৯ জনের জন্যই আজকের লেখা।


২.
এই ৬৯ জনের যারা হাতে-কলমে মানে প্রাকটিক্যালি নিজের ওয়েবসাইটটি ফ্রি সেটাপ শিখতে চান তারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এজন্য আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করে আমাকে আগেই জানাতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করতে নিচের লিংকে ক্লিক করে আপনার তথ্য জানিয়ে দিন। মানে কবে, কখন আপনি আসতে আগ্রহী। আপনার সময় এবং আমাদের সময় হিসেব করে আপনাকে মেইল করে জানিয়ে দেয়া হবে। অনুগ্রহ করে একাধিক সময় নির্বাচন করুন। যেনো আপনার পছন্দসই সময়ে আপনাকে সেবাটি দিতে পারি।

রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন

সেবাটির মূল উদ্যোক্তা প্রিজম আইটি। প্রিজম আইটি একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফার্ম। এই ফার্মটি আমার কয়েকজন বন্ধুর সাথে জয়েন্টভাবে গড়ে তুলেছি। ফার্মটি ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় অবস্থিত। এটি বায়তুল মোকারম মসজিদের উত্তর দিকে হাউজ বিল্ডিং-এর উল্টো পাশে। যারা রেজিস্ট্রেশন করবেন তাদেরকে ঠিকানাসহ কন্ট্যাক্ট নাম্বার জানিয়ে দেয়া হবে।
প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে আপনি আসার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।

আর যারা এই ৬৯ জনের বাইরে, তারা আসতে চাইলে আপনাকে আগে ফ্রি হোস্টিং ও ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কারণ আপনাকে পুরোটা বিষয় দেখানোর মতো সময় আমরা দিতে পারবো না। আপনাকে ডিটেইলস জানতে হলে ন্যুনতম এটুকু কাজ করতেই হবে।

৩.
অনেকের হয়তো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কেন আমি এই কাজটি করছি? করছি দুটো কারণে।
এক. প্রিজম আইটি ফার্মটি মূলত শুধু ব্যবসা করার জন্যই নয়, বাংলাদেশের মানুষের মাঝে অনলাইন বিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টি করার জন্য কাজ করবে। এই সেবাটি ছাড়াও আমরা প্রতিমাসে ছোটদের বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, বিনামূল্যে অনলাইন আয় বিষয়ক কর্মশালা করবো।

দুই. এভাবে সেবা দেয়ার জন্য আমার মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করেছেন, শ্রদ্ধেয় জিন্নাত উল হাসান ভাই। উনি মাত্র এক মাসের জন্য ঢাকায় এসে আমাদের জন্যই বেশির ভাগ সময় বরাদ্ধ করেছিলেন। যদিও আমরা উনার সাথে দুদিন বসেছিলাম। কিন্তু এ দুদিন বসার জন্য উনাকে আর ১৫ দিন শ্রম দিতে হয়েছে। তাঁর একটি কথা হলো এরকম, "যা কিছু জানো, তা নিজের মাঝে সীমাবদ্ধ না রেখে ছড়িয়ে দেয়ার মধ্যেই আনন্দ"।
সত্যিই তাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28998631 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28998631 2009-08-23 20:43:59
প্রিয় হাসান ভাইয়ের সাথে দ্বিতীয়বারের আড্ডা আজ হলো : আরও জানলাম অনেক কিছু... পৌঁছতে বেশ দেরি হয়েগিয়েছিলো ট্র্যাফিক-এর কারণে। পারভেজ ভাই ফোন দিয়ে তাড়াতাড়ি পৌঁছতে বললেন আড্ডায়।
যদিও আমি জানতাম না, যেখানে গাড়ি নড়তে পারছে না জ্যামের কারণে, সেখানে আমি কী করে তাড়াহুড়ো করবো?
তবুও পারভেজ ভাইয়ের কলের প্রতিউত্তরে জানালাম, জ্বী ভাইয়া, তাড়াতাড়ি-ই পৌঁছতেছি... <img src=" style="border:0;" />


২.
আজকের আড্ডা হলো আগের চেয়েও আরও তথ্যবহুল। যদিও কথা ছিলো আড্ডা খুব সংক্ষিপ্ত হবে, যেহেতু হাসান ভাই শুক্রবার চলে যাবেন। কিন্তু শুরু যখন হলো, শেষ আর হয় না। দেখলাম, কেউ ক্লান্তও হচ্ছে না। আড্ডা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টার মতো।

আড্ডায় রাজশাহী থেকে এসেছেন শুভ্র, তিনি ব্যবসা করেন। ব্যবসা ফেলেই চলে এসেছেন।
আর এসেছে জিকো, সে এসেছে চট্টগ্রাম থেকে। আবার চলেও যাচ্ছে রাতের বাসেই। ফকিরাপুল থেকে তাকে বাসে তুলে দিয়ে আসলাম।

৩.
আজকের আড্ডায় কোনো স্লাইড ছিলো না।
প্রথম আড্ডার স্লাইডটি পুনরালোচনা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বটিই ছিলো আজকের আড্ডার সবচেয়ে আকর্ষণীয় এবং তথ্যবহুল।
আমাদের মনে যা প্রশ্ন এসেছিলো আমরা করে ফেলেছি। হাসান ভাই উত্তর দিয়েছেন।

দ্বিতীয়াংশে ছিলো ওয়েবসাইট রিভিউ।
চারটি ওয়েবসাইটের আলোচনা তিনি করেছেন। এ থেকে অনেক তথ্য বের হয়ে এসেছে।

ডোমেইন, হোস্টিং, অনলাইন আয়, ব্লগিং ইত্যাদি বিষয় গুরুত্ব পেলেও আজকের আড্ডায় সার্চ ইঞ্জিনের কী-ওয়ার্ড বিষয়ে সবচে চমৎকার তথ্য ছিলো।

৪.
পুরো প্রোগ্রামটি ভিডিও করেছেন আড্ডায় আসা মোয়াজ্জেম ভাই। ভিডিও আশা করছি খুব শিগগিরই সবাই পাবেন।

৫.
আড্ডায় উত্তর দিয়েছেন এমন কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর। উল্লেখ্য, হাসান ভাইয়ের দেয়া উত্তরের সাথে আমার এই লেখা হুবহু না-ও মিলতে পারে। তবে মূল কথা এমন...

প্রশ্ন - ১ : Revenue Sharing ব্লগের সুবিধা এবং অসুবিধা কি?
উত্তর : সুবিধা হলো, অন্যের ওয়েবসাইটে নিজের এডসেন্স এড রাখা যায়। তাতে নিজের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট না থাকলেও আর্ন হয়। আর অসুবিধা হলো, যেহেতু ঐ ওয়েবসাইটে এডসেন্স আইডিটি সাবমিট করতে হয়, তাই আইডিটি হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিংবা স্প্যাম হতে পারে।

প্রশ্ন - ২ : ইবুক নিয়ে ব্লগ করলে কেমন হবে?
উত্তর : ভালো হয়, তবে এখানে এডসেন্সের এডের পাশাপাশি ক্লিকব্যাংক-এর মাধ্যমে ইবুক বিক্রিও করা যায়। যা থেকে ভালো আয় পার্সেন্টেজ পাওয়া যায়।

প্রশ্ন - ৩ : কোন বিষয়ে CTR বেশি পাওয়া যায়?
উত্তর : এডওয়ার্ড-এর মাধ্যমে খুব সহজেই এই বিষয়টা জানা সম্ভব হয়। সিটিআর পাওয়া জরুরি নয়, জরুরি হচ্ছে কত আয় হচ্ছে সেটা।

প্রশ্ন - ৪ : কয়েকটি এডসেন্স বিজ্ঞাপন বসানো যায়? কোথায় বসাবো এবং কিভাবে বসালে বেশি ক্লিক পাওয়া সম্ভব?
উত্তর : একটি ওয়েবসাইটের একটি পেজে তিনটি টেক্সট বা ইমেজ এড, তিনটি লিংক এড এবং দুটি সার্চ ফর এডসেন্স বসানো যায়।
কিভাবে বসালে ক্লিক পাওয়া যায় সে বিষয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে। গুগলের নিজস্ব একটি ছবি আছে। দেখুন--


প্রশ্ন - ৫ : Dofollow এবং nofollow এর পার্থক্য কি?
উত্তর : এই প্রশ্নের উত্তরে হাসান ভাই অনেক কথা বলেছেন যা এখানে লিখলে মহাকাব্য হবে। তবে সংক্ষিপ্ত কথা যেটা বলেছেন, ব্যাংকলিংকের ব্যাপার এটা। যে সাইটে আপনি ব্যাংকলিংক রাখবেন সেটা ধরে আপনার সাইটে কেউ যদি আসে তাহলে যদি সার্চ ইঞ্জিনকে এটা কাউন্ট করতে বলে তাহলে সেটা ডুফলো, নয়তো এটা নোফলো।

প্রশ্ন - ৬ : আমি ওয়েবসাইটের ভিজিটর বেশি পাচ্ছি কিন্তু ক্লিক পাচ্ছি না। আমার ওয়েবসাইটে আরও কি কি পরিবর্তন করলে বেশি ভিজিটর পাব?
উত্তর : আপনার সাইটে কোথায় ক্লিক বেশি হয় সেটা খুঁজে দেখতে হবে। সেটা দেখা যায় ক্র্যাজিইগ ডট কম সাইটের মাধ্যমে। সেটা দেখে এড বসানো যায়। কিংবা, এডের অবস্থান পাল্টিয়ে দেখা যেতে পারে। কিংবা আপনার কন্টেন্ট এবং পাঠকের চাহিদার কথা চিন্তা করা যেতে পারে। সর্বোপরি গুগল এডসেন্সের সাকসেস স্টরি টেলারদের কাহিনী পড়ে দেখতে পারেন।

প্রশ্ন - ৭ : ফ্রি হোস্টিং এবং ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করলে কি সমস্যা? এতে অপটিমাইজেশনে কি প্রভাব পড়ে?
উত্তর : ফ্রি হোস্টিং-এ স্প্যাম হয় বেশি। সার্চ ইঞ্জিন এটাকে স্কেচ করে কম। তাছাড়া যেকোনো সময়ে স্প্যামের কারণে ডাটাবেজ ডাউন হতে পারে।
আর ফ্রি ডোমেইন মানে হলো সাব-ডোমেইন। আর এটাতো সবাই জানেন যে, সাব-ডোমেইন আর ডোমেইন-এর মধ্যে কত তফাৎ ।

প্রশ্ন এই পর্যন্তই। বাকীগুলো হয়তো হাসান ভাই লিখবেন। আর ভিডিও ফুটেজ তো আছেই।

এবার চলুন চারটি ওয়েবসাইট রিভিউতে হাসান ভাই কী বললেন জেনে নিই।

Blues এর http://studyinfo.22web.net/



এই সাইটটির কন্টেন্ট ভালো, এড বসানো হয়েছে ভালো জায়গায়। ক্লিক বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে তিনি একটি এডসেন্স এড-এর উপর লিখেছেন- Check these out! যা এডসেন্স টার্মস এন্ড কন্ডিশনের বিপরীত। যেকোনো সময় এড বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সাইটটির কোনো ব্যানার নেই। ব্লকড স্প্যাম থাকার কোনো দরকার ছিলো না, এই-ই । আরেকটি কথা হলো, এটি সাব ডোমেইন অর্থাৎ ফ্রি ওয়েবসাইট, এটির মাধ্যমে ভালো ট্র্যাফিক আশা করা যায় না।

রুম্মার http://www.rumaslife.blogspot.com/



অনলাইন আয়ের ব্যাপার-স্যাপারে বাংলাদেশের মেয়েরা অনেক পিছিয়ে। তবে রুমা নান্মী এই তরুণী বেশ সাহসিকতার সাথে এই কাজ করে যাচ্ছে। তবে সে চাইলে আরও সুন্দর করে তার সাইটি আকর্ষণীয় এবং দামী করে তুলতে পারে।
রুমা ছবি আঁকেন, এবং নানান রকম হাতের কাজ জানেন।
ইচ্ছে করলে তিনি এগুলো বিক্রিও করতে পারেন। যার মাধ্যমে সে আরও বেশি আয় করতে পারেন।
যেমন তার সাইটে আছে, তিনি একটা মগ বানিয়েছেন নিজ হাতে খুব সুন্দর করে। চাইলেই তিনি এটা ভালো দামে সেল করার ব্যবস্থা করতে পারেন।

তার সাইটির টেমপ্লেট ভালো নয় অর্থাৎ আকর্ষণীয় নয়। এটি চেঞ্জ করা প্রয়োজন।

পাশাপাশি তিনি কেমন করে ছবি আঁকেন, ছবি আঁকতে কী কী লাগে, কেমন করে ছবি আঁকতে হয় এই জাতীয় পোস্ট দিলেও আরও বেশি ট্র্যাফিক পাওয়া যাবে।
এডের কালার চেঞ্জ করা প্রয়োজন।


মাসুদের http://www.techmasud.co.cc/



মাসুদের সাইটটি ভালো। তবে আরও কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। এডের স্থান পরিবর্তন করে দেখা দরকার সে কেন রিডার পাচ্ছে কিন্তু ক্লিক বেশি পাচ্ছে না। পাশাপাশি ইমেজ চেঞ্জিংটা পরিবর্তন করে সাইট রিলেটেড ইমেজ দেয়া দরকার। আর সাব-ডোমেইন বাদ দিয়ে নিজস্ব ডোমেইন-এ আসা দরকার।

টিনটবের http://www.dvvisa.co.cc



এটিও একটি সাবডোমেইন এবং ফ্রি হোস্টিং-এ করা তাই ভালো কিছু আশা করা যায় না।
তবে এটির ব্যানার এডটি ভালো হয়েছে বসানো, যেহেতু এটি একটি ইমেজ এড।
ভালো কিছু করার জন্য নিজস্ব ডোমেইন এবং হোস্টিং অবশ্যই প্রয়োজন।
--------------------------------------------

অনেক রাত হয়ে গেলো পোস্ট দিতে। বাসায় বাসায় আসতে আসতে রাত সাড়ে বারোটা বেজে গেছিলো। তাই দেরি হলো।

আর হাসান ভাই, পোস্টের কোথাও ভুল ত্রুটি থাকলে জানাবেন। ঠিক করে দেবো।
---------------------------------------------------
আড্ডার ছবি পরে পোস্ট করার ইচ্ছে আছে। লেখাটি রিভিশন দেয়া হয়নি, তাই ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28992450 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28992450 2009-08-12 01:42:56
ফ্রি হোস্টিং এবং ডোমেইনসহ মাত্র এক ঘণ্টায় তৈরি করুন নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট তাই দেরি না করে চলুন এখনি একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলি নিজের জন্য।

কী কী করতে হবে?
""""""""""""""""""

১. একটি ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
২. হোস্টিং স্পেস রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
৩. সেটাপ করতে হবে।

ব্যাস, হয়ে গেলো আপনার ওয়েবসাইট।

এবার আসুন সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় যাই :

১. ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''

প্রথমেই একটি ডোমেইন চয়েজ করতে হবে। কী নামে আপনি আপনার ওয়েবসাইট করতে চান, সেটি।
এটা হতে পারে আপনার নিজের নামে, কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে অথবা আপনার কোনো প্রিয় মানুষের নামে।
তবে ডোমেইন চয়েজ করার সময় যে দিকটা মনে রাখবেন সবচে' বেশি সেটা হলো, এমন কোনো নাম পছন্দ করুন যেটা সবার খুব সহজেই মনে থাকে, এবং মুখে বললেই অন্যজন বুঝতে পারে।

ডোমেইন নাম বাছাই করার পর, আপনাকে এখন দেখতে হবে, সেই ডোমেইনটি খালি আছে কিনা।

তাহলে আর দেরি নয়। ডোমেইন নেম নির্বাচন এবং রেস্ট্রিশন করতে চলে যান কো.সিসিতে।

এখানে ক্লিক করুন



প্রথমেই এখানে একটা একাউন্ট খুলে ফেলুন। একাউন্ট খুলতে কোনো ফি দিতে হয় না। সম্পূর্ণই ফ্রি।
একাউন্ট খোলার পর লগ-ইন করার পর যে পৃষ্ঠাটি সেখান থেকে Getting A New Domain বাটনে ক্লিক করুন।





খালি বক্সে আপনার চয়েজবল নামটি দিয়ে চেক এভেইলেবিটি বাটনে ক্লিক করুন।



ধরি আপনার পছন্দের নামটি হচ্ছে mywebsiteblog ।

এই সাইটির নাম খালি আছে তাই এটি রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। এতে কোনো ফি লাগবে না।



Continue to registration বাটনে ক্লিক করুন।

এবার একটি বার্তা দেখতে পাবেন_ Your new domain has been successfully registered.

ব্যাস, ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলো। আপাতত এখানের কাজ শেষ। এই উইন্ডোটি বন্ধ করবেন না। এটি এভাবেই রেখেদিন।



২. হোস্টিং রেজিস্ট্রেশন
'''''''''''''''''''''''''''''''''''''

ডোমেইন তো ফ্রিতে পাওয়া গেলো। এবার প্রয়োজন হোস্টিং স্পেস। হোস্টিং হলো যেখানে আমার ওয়েবসাইটের ফাইলগুলো থাকে। কম্পিউটারে যেমন হার্ডডিস্ক, তেমনি অনলাইনের হার্ডডিস্ক হলো হোস্ট স্পেস।

হোস্ট স্পেস ফ্রি পাওয়া এরকম অনেক আছে। তবে আমার কাছে সবচেয়ে সহজ মনে হয়েছে ফ্রিহোস্টিয়া।
তাদের সিপ্যানেল খুবই সহজ সরল। লগ-ইন করলে আপনার কাছে সহ ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

কথা আর না বাড়িয়ে চলুন, ফ্রি হোস্টিয়াতে যাই।

--------------------------------- ফ্রিহোস্টিয়া -----------------------------


ফ্রিহোস্টিয়ার চকোলেট প্যাকেজটি ফ্রি। অন্যদুটির জন্য আপনাকে পয়সা দিতে হেব। সুতরাং চকোলেট-ই এখন আমাদের টার্গেট।

চলুন চকোলেট রেজিস্ট্রেশনের ধাপগুলো দেখি।


১. Take a Bite বাটনে ক্লিক করুন।

২. এবার যে পেজটি আসবে, এটি সাইনআপ ফরম। একটু কেয়ার নিয়ে পূরণ করতে হবে।



এখানে আপনার ডোমেইন নেমটি লিখতে হবে। দেখুন লাল চিহ্নিত স্থানগুলো।

৩. ফরম পূরণ শেষ হলে নিচে একটি ওয়ার্ড ভেরিফিকেশন ইমেজ আছে। ইমেজের ঘরে থাকা নম্বর ও অক্ষরগুলো লিখে Continue বাটনে ক্লিক করুন।



৪. লগিন কন্ট্রোল প্যানেল বাটনে দেখতে পাবেন। কিন্তু লগিন করার কোনো দরকার নেই। উইন্ডো ক্লোজ করে দিন।

৫. আপনার ইমেইল ওপেন করুন। ফ্রিহোস্টিয়া থেকে একটি মেইল চলে এসেছে আপনার ইনবক্সে। এই ইমেইলে আছে, আপনার ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, এফটিপি লগিন বিস্তারিত, ডিএনএস ইত্যাদি। বিস্তারিত না বুঝলে সমস্যা নেই।
৬. আপনি আবারও ফ্রিহোস্টিয়া তে চলে যান। ইমেইলে পাওয়া ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন।

৭. লগিন হতে থাক, এই ফাঁকে ডোমেইন কো.সিসি-তে চলুন, যেখানে রেখে গিয়েছিলাম- সেখানে।

৮. সেটাপ বাটনে ক্লিক করুন।



৯. Manage Domain এর সেটাপ অপশনে ক্লিক করুন।



১০. এক নাম্বারে আছে দেখুন Name Server । Name Server-এর রেডিও বাটনে ক্লিক করলে দুটি বক্স আসবে। সেখানে আপনি ইমেইলে পেয়েছিলেন দুটি ডিএনএস ঠিকানা।
dns1.freehostia.com
dns2.freehostia.com

এই ডিএনএস ঠিকানা দুটি ছবির মতো করে লিখে দিয়ে সেটআপ বাটনে ক্লিক করুন



১১. তারপর যে পেজটি আসবে, সেখানে ওকে করে দিন। ব্যাস এখানে আর কোনো কাজ নেই আপনার। এখান থেকে লগ-আউট হয়ে বের হয়ে আসতে পারেন।
এবার চলুন, ফ্রিহোস্টিয়াতে যাই।

১২. ফ্রিহোস্টিয়াতে লগিন করার সাথে সাথে আমার হোস্ট কন্ট্রোল প্যানেলে চলে আসবো আমি। এখানের Site Manager ড্রপডাউন বাটন থেকে Hosted Domains-এ ক্লিক করুন।



১৩. নিচের ছবির মতো করে এখানে আপনার ডোমেইন নামটি লিখে দিন। তারপর Add Domain বাটনে ক্লিক করুন।



১৪. মূলত আপনার কাজ শতকরা ৯০ ভাগ শেষ হয়ে গেছে। বাকী দশ ভাগ কাজ হচ্ছে, আপনার সাইটে আপনি এখন কী রাখবেন, তা ঠিক করা।

১৫. আমি আগে জুমলা ব্যবহার করতাম। জুমলা শিখতে চাইলে সামহোয়্যারইনব্লগার গৌতম রায় দার ব্লগ দেখতে পারেন। তিনি খুব সুন্দর করে জুমলার টিউটোরিয়াল দিয়েছেন।
বর্তমানে আমি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কাজ করি। ওয়ার্ডপ্রেস খুব ভালো লাগে, এটা সহজ এবং কনটেন্ট ব্যবহার করা যায় অতি সহজে।

ফ্রিহোস্টিয়া দিয়ে জুমলা, দ্রুপল কিংবা ওয়ার্ডপ্রেস খুব সহজেই ইনস্টল করে কাজ করা যায়।

ফ্রিহোস্টিয়ার কন্ট্রোল প্যানেলের ওয়েব টুলস ব্যবহার করে মাত্র এক ক্লিকে এসব সিএমস ইনস্টল করা যায়। এজন্য আপনাকে কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা জানতে হবে না।

যেকোনো সমস্যায় আমাকে মেইল করতে পারেন। কিংবা জানাতে পারেন সমস্যার কথা।

এই টিউটোরিয়ালটি বুঝতে সমস্যা হলে, দয়া করে জানাবেন। আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করবো আপনাকে হেল্প করতে। আমি চেষ্টা করেছি আরও সংক্ষিপ্তাকারে লেখার। কিন্তু পারিনি। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।
আমার ভুল-ভ্রান্তি হওয়া স্বাভাবিক। যদি এখানে কোনো ভুল হয়ে থাকে দয়া করে জানিয়ে কৃতার্থ করবেন।
--------------------------------------------------
পরের পর্ব দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28990685 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28990685 2009-08-08 16:35:40
শুয়োপোকা, প্রজাপতি এবং আমিগুলো আমার ব্যক্তিগত বাংলা ব্লগ
'''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি দেরিতে পোস্ট দেবার জন্য

[ <img src=(" style="border:0;" /> ]

"রুদ্র, আমার প্রচণ্ড মন খারাপ, অনেক অনেক মন খারাপ। আমাকে একটু আদর করবি?"
একদিন গভীর রাতে আমার ঘুম ভাঙলো মোবাইলের রিঙটোন শুনে। ডিসপ্লেতে এলইউ লেখাটা দেখে রিসিভ করে কানে লাগাতেই ওর আবেগ জড়ানো কথাগুলো ভেসে এলো।
প্রথমে আমি বুঝতেই পারলাম না... বুঝতেই পারলাম না ও আমাকে কী বলেছে?
চোখের আর মনের ঘুম দ্রুত কেটে গেলো সামান্য দুটি বাক্য শুনে।
"কী বললি? বুঝতে পারলাম না... "
"আমাকে একটু আদর করবি? আমার গালে কিংবা আমার ঠোঁটে কিংবা তোর যেখানে মন চায়?" কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে ও কথাগুলো আওড়ায়।

আমি স্তব্ধ হয়ে ওর কথা শুনি। একটা মেয়ে কোনোদিন আমাকে এমন করে বলেনি। কী আজব কথা! আমি একটা মেয়েকে স্পর্শ করবো? তার ঠোঁটে আদর করবো?
মনের অজান্তেই আমার শরীর কেঁপে উঠলো।
শোয়া থেকে আধশোয়া হয়ে বসলাম দেয়ালে পীঠ ঠেকিয়ে। মোবাইলটা ভালো করে কানে লাগাতে গিয়ে দেখি আমার হাত কাঁপছে। বোধহয় শরীরের তাপমাত্রাও বেড়ে গিয়ে থাকবে।
চেষ্টা করলাম নিজেকে সংযত করতে। বললাম, "কী সব হাবিজাবি বলছিস লু? বুঝতে পারছিস কী বলছিস?"
আমার ঠাণ্ডা কণ্ঠস্বর শুনে ও চুপ করে গেলো। একটু পর ওর শ্বাসের শব্দ শুনে বুঝলাম ও কাঁদছে।
মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো। বুঝতে পারলাম ওর কোনো সমস্যা হয়েছে।
নতুন করে ওর সাথে যোগাযোগ হওয়ার পরের কথা এগুলো।


ছয়.

শান্ত হওয়ার জন্য ওকে একটু সময় দিলাম। একটু পর ও শান্ত হলো, বুঝতে পারলাম ওর কথা শুনেই।
"কী করছিস তুই?"
"কী হয়েছে তোর?" উল্টো প্রশ্ন করি আমি।
"কিছু না, কিছু মনে করিস না। মনটা ভীষণ খারাপ, ভীষণ খারাপ।" লুবনা আমাকে জানায়।
"লু, প্রতিটা মানুষের মনে কিছু একান্ত কথা থাকে। এগুলো কাউকে না কাউকে বলতেই হয়। কারও সাথে শেয়ার করতেই হয়। এই কেউ একজনটা হতে পারে বাবা কিংবা মা, ভাই-বোন, স্ত্রী বা স্বামী অথবা কোনো বন্ধু। তোর মনের কথাগুলো কাউকে বলে ফেল, দেখবি মনটা অনেক ভালো হয়ে গেছে।" বললাম ওকে।
"জ্ঞান দিবি না। কাল তোর সাথে দেখা করতে চাই।" স্ট্রেইট আমাকে জানিয়ে দিলো।
"তোর সাথে দেখা করবো? লোকজন আমাকে ক্ষেপাবে একটা বান্দরনীর সাথে ঘুরছি বলে।" হেসে বললাম ওকে।
"বেশি কথা বলবি না। কাল সকালে তোকে ফোন করবো। এখন ঘুমো। রাখি?"
"মাঝ রাতে ঘুম ভাঙিয়ে এখন বলে ঘুমো।" আমি রাগ দেখানোর চেষ্টা করি। "তুই পেয়েছিসটা কী?"
"আয় তোকে ঘুম পাড়িয়ে দিই।"
"কোথায় আসবো?" আমি অবাক হই।
"আরে গাধা, মনে মনে ভাব তোর মাথায় আমি হাত বুলিয়ে দিচ্ছি।" শিক্ষয়ত্রীর মতো করে বলে ও।

আমি আবারও শিহরিত হই।


সাত.

পরদিন ওর কলের অপেক্ষা করি। ওর মোবাইল বন্ধ। আমার টেনশান বাড়ে। একটা টিউটোরিয়াল ছিলো। কিন্তু মন চাইলো না ক্যাম্পাসে যেতে। যদিও আগেই জানতাম ও আমার সাথে দেখা করবে না, কেননা ও আগেও এরকম কয়েকবার বলেছিলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর দেখা করেনি। তাই এ ব্যাপারে আমি আর খুব একটা আগ্রহ দেখাই না।


আট.

চার পাঁচ দিন পর ওর কল পেলাম।
"রাগ করছিলি?"
"না, রাগ করবো কেন?" আমি রাগ দমন করে শান্ত স্বরে জবাব দেই।
ও হেসে কুটি কুটি হয়।
বলে, "তোকে কিছু কথা বলার জন্য কল করেছি। তুই এখন কোথায় আছিস?"


নয়.

যারা আগ্রহ নিয়ে এতোখানি লেখা পড়েছেন, তাদেরকে সবিনয়ে জানাচ্ছি, তারপরের কাহিনী খুবই সংক্ষিপ্ত।
মূলত এটা কোনো গল্প কিংবা উপন্যাস নয় কিংবা কোনো ছিনেমার কাহিনী। এটা বাস্তবতা।
বাস্তবতা যতো কঠিনই হোক, সে তার পথ থেকে নড়ে না। হৃদয়ের চাওয়ার কাছে বাস্তবতা সবসময়ই পদদলিত হয়। হৃদয় সে তো আকাশের চাঁদ চাইতেই পারে কিন্তু বাস্তবতা এটা কখনোই মেনে নেয় না।

যাই হোক, সেদিন লুবনার মনের লুকানো কথাগুলো শুনেছিলাম। কথাগুলো হয়তো ও খুব গুছিয়ে বলেছিলো। কিন্তু আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। স্রষ্টা আমার বুঝার ক্ষমতা অতোটা হয়তো প্রখর করেনি।


দশ.

লুবনা জাহান, আমার প্রিয় লু-এর কথাগুলো বলতে খুব ইচ্ছে করছে। কিন্তু বাস্তবতা- কে, কীভাবে নেবেন? আর এটাও আমার পছন্দ না যে, একটা মেয়ে সম্পর্কে সবাই বিরূপ ধারণা নিক।
যদিও একটা মেয়েকে দিয়ে আমরা সবাইকে বিচার করতে পারিনা কিংবা এটা করা ঠিকও না।

একটা প্রতিকী গল্প লিখেছিলাম লু-এর সাথে যোগাযোগ বন্ধের বছর পাঁচেক পর। এই ব্লগেও গল্পটি পোস্ট করেছিলাম।
।। .....একটি যৌবনবতী ক্ষেতের যৌন কেচ্ছা এবং কবি ও বালিকাদ্বয়.....।।
কেউ জানে না, গল্পটি কোন্ প্রতিকী অর্থে লিখেছিলাম। যারা এই লেখাটি পড়েছেন তারা এবার হয়তো ঐ গল্পটির অর্থ বুঝতে পারবেন।

লুবনার সাথে সেদিনই ছিলো আমার শেষ কথা। ওর কথাগুলো বলার পর ও নিষেধ করেছিলো ও কল না দেয়া পর্যন্ত যেনো ওকে আর কল না দিই কিংবা ওর সাথে আর কোনো যোগাযোগ না রাখি। আমি ওর কথা রেখেছিলাম এবং সেজন্য আমি আমার কষ্টটাকে গুরুত্ব দিই নি। ওর কথা রাখতে পেরেছি, এই বড়।

সেদিন গ্রামীণফোন থেকে ও কি আমাকে জেনেশুনেই কল দিয়েছিলো? আমি জানি না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28989464 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28989464 2009-08-06 00:55:15
শুয়োপোকা, প্রজাপতি এবং আমিগুলো এখানে দেখুন
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

'স্যার আমি লুবনা, গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি। আপনি কি আমাদের হেল্প সেন্টারে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন?'

মোবাইল ফোনটা রিসিভ করে কানে লাগাতেই উপরের কথাগুলো ভেসে আসে আমার কানে।
আচমকা আমি থমকে যাই। কিছু বলার ভাষা হারিয়ে ফেলি। মূলত এই কারণে নয় যে, গ্রামীণফোন থেকে আমাকে একটি মেয়ে ফোন করেছে।
লুবনা আমার এতো পরিচিত একটা নাম, তার কণ্ঠস্বর শোনেই আমি থমকে যাই।

এক নিমিষে ফিরে যাই সাতটি বছর আগে।

ইন্টারমিডিয়েট শেষ করে সবে মাত্র একটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসইতে ভর্তি হয়ে ঢাকায় এসেছি।
মনে ফুরফুরে আনন্দ, চোখে রঙিন স্বপ্ন।
আমার হাতে তখনও মোবাইল ফোন আসেনি। কঠিন শাসনে আমাদের ভাই-বোনগুলোকে বেড়ে তোলা আমার বাবা দেম-দিচ্ছি করছেন।

আমার সম্বল পত্রমিতালী। সেই ক্লাস সেভেনে যখন কাবস্কাউটে ভর্তি হয়ে ক্যাম্পে গিয়েছিলাম, বন্ধু গড়ে উঠাদের সাথে যোগাযোগ করতেই পত্রমিতালী আমার সঙ্গী হয়ে গিয়েছিলো।

আমি গল্প লিখতাম। লিখতে ভালো লাগতো। কেননা, আমি তখন তিন গোয়েন্দা বই আর আর বইয়ের পোকা ছিলাম। বই পড়তে পড়তে মনে হতো যদি আমিও এমন লিখি তাহলে কেমন হয়?

টুকটাক লিখতাম। যেগুলো কালেভদ্রে দৈনিক ও বিভিন্ন সাপ্তাহিক পত্রিকাতেও ছাপা হতো।
দুইহাজার দুই সালের এপ্রিল সংখ্যা মাসিক তারকালোকে আমার একটি গল্প ছাপা হলো। পত্রিকাওয়ালারা কি কারণে সেখানে আমার ঠিকানাও ছেপে দিলেন।

যার ফল স্বরূপ বেশ কিছু চিঠি পেলাম।
এর মধ্যে একটা মেয়ের একটা চিঠি আমাকে খুব ভাবিয়ে তুললো। তার লেখার ভাষা ছিলো মার্জিত-পরিপাটি আর আকর্ষণীয়।
ভাবলাম এতোদিন তো শুধু ছেলেদের সাথে পত্রবন্ধু করলাম। এবার একটি মেয়ের সাথে করলে কেমন হয়?

মনের মাধুরী মিশিয়ে চিঠির জবাব দিলাম।
সপ্তাহ না ঘুরতেই রঙিন খামে সে জবাব দিলো। এবারের চিঠি আরও সুন্দর। তার ভাবনাগুলো ছিলো অতি চমৎকার আর আমাকে সেগুলো ভাবিয়ে তুলতো।
আমি তাকে আমার সমমনা মনে করতাম যদিও সে তখন ক্লাস টেনে পড়তো।

ধীরে ধীরে এমন হলো যে, তার চিঠি একটু দেরিতে পেলে আমার টেনশান হতো, ভালো লাগতো না।
একবার সে চিঠিতে লিখলো, তোমাকে অনেক মিস করি, আর মিস করি তোমার চিঠিগুলো। তুমি অনেক দেরিতে চিঠি লেখো। কিংবা পিয়ন আমাকে দেরিতে চিঠি পৌঁছায়। বন্ধু, তুমি কি কুরিয়ারে চিঠি পাঠাতে পারো না?

শুরু হলো কুরিয়ারে চিঠি পাঠানো। সপ্তাহে দুই তিনটি চিঠি তাকে লিখতাম আর সেও আমাকে লিখতো।
কখনো সপ্তাহের প্রতিদিন তাকে চিঠি লিখতে হতো। কেননা, না লিখলে সে পড়ালেখায় অনিয়ম করবে, খাবে না বলে আমাকে আলটিমেটাম দিতো।

সে প্রায়ই লিখতো, রুদ্র, ভেবে দেখো আমরা একই শহরে একই আকাশের নীচে আছি, অথচ কেউ কাউকে দেখছি না, দেখা করছি না, কিন্তু আমরা পরস্পরকে কতই না মিস করি।

সত্যিই, এটা ভাবতে আমার খুবই ভালো লাগতো। ভাবতাম, সত্যিই আমার একটা চমৎকার বন্ধু আছে যে আমাকে বুঝতে জানে, আমাকে পড়তে জানে। আমি তাকে মিস করতাম। অবসরে তার নামে মালা জপতাম।
আমি যদি লিখতাম, আমাদের কি কখনোই দেখা হবে না? সে লিখতো, না। তারপর হেসে হেসে লিখতো, আরে বোকা হবে হবে, অতো ধৈর্য হারাচ্ছো কেন? মনের দিক থেকে আমরা যেদিন অনুভব করবো যে, হ্যাঁ এখন আমাদের দেখা হওয়া প্রয়োজন সেদিনই দেখা করবো। তার আগে নয়। বুঝেছো বোকারাম?
আমি লিখতাম, তোমাকে দেখতে বড্ড মন চায়। একটা ফটো দেবে?
সে লিখতো, কখনোই নয়। ছবি সেতো স্থির। তোমাকে শুধু কষ্টই দেবে। প্রশ্ন করলে জবাব দেবে না। আমিও তোমার ছবি চাই না।

শেষের দিকে, আমাদের বন্ধুত্ব যখন অনেক গাঢ়, ও লিখতো, তোর মতো বন্ধু পেয়ে আমি আনন্দিত, আমার জীবন স্বার্থক। তুই অনেক ভালো রে...

মনে মনে আমি ভাবতাম, এই কথাগুলো তোর জন্যও ঠিক লু, তোর জন্যও...


দুই.

এভাবে কেটে গেলো আমাদের কয়েকটি বছর।
সে এসএসসি পাশ করলো। সে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করলো। ভর্তি হলো একটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
একদিন মেইল করে জানালো, ইন্টারমিডিয়েটে ভালো রেজাল্টের জন্য বাবা তাকে মোবাইল কিনে দিয়েছে। আমি যেনো শিগগিরই মোবাইল কিনি।
লুনার কথা শুনে আমার খুব খারাপ লাগলো। কথা ছিলো, মোবাইল দুজনে একসাথে কিনবো।
এতোদিন আমি ইচ্ছে করেই মোবাইল নিইনি। আমার গ্যানগ্যানানিতে বাবা যদিও বছর খানিক পর রাজি হয়েছিলেন মোবাইল কিনে দিতে, কিন্তু লুনা যখন বললো, এখন মোবাইল নেবো না আর তুমিও নিও না তখন আমি বাসায় জানালাম, আমার মোবাইল এখন লাগবে না। যখন লাগবে চেয়ে নেবো।
আর ও কিনা আমাকে না জানিয়েই হুট করে নিয়ে নিলো?
আমি ওকে চিঠি লেখা বন্ধ করে দিলাম।
ও একের পর এক চিঠি লিখতে লাগলো। কিন্তু আমার কষ্টটা নিয়ে ও কিছুই লিখলো না। কেন? কে জানে! এতে আমার অভিমান আরও বাড়লো।
হুট করে আমি আমার বাসা পরিবর্তন করে অন্যজায়গায় চলে গেলাম। কারণ ওকে ফাঁকি দেয়া। আমার ভয় ছিলো, ওকে চিঠি না লিখলে ও হুট করে হয়তো একদিন চলে আসবে আমাকে হাতে নাতে ধরতে। আগের বাসার কেয়ারটেকারকে বললাম, আমার চিঠি এলে রেখে দিতে, আমি সময় করে এসে নিয়ে যাবো।

এভাবে কেটে গেলো ছয় মাস।
একদিন মনটা এতো খারাপ ছিলো, কী করবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। লুনার নাম্বারটা নিয়ে একটা দোকান থেকে মোবাইল করলাম ওকে।


তিন.

ওপাশ থেকে একটা রিনিঝিনি কণ্ঠস্বর বলে উঠলো, হ্যালোও...
বললাম, লু, আমি রুদ্র।
: রুদ্রঅঅঅঅঅঅঅঅঅঅ ! অ-মাই গড, সব কথা পরে বলছি, কিন্তু তোর আল্লার দোহাই লাইনটা কাটিস না। আল্লার দোহাই...
: আমি গরিব মানুষ, দোকান থেকে ফোন করতে অনেক টাকা লাগবে...
: আমার সাথে ভং করবি না, টাকা না থাকলে দোকানের কাম করে পরিশোধ করবি, আমার জন্য করবি, শুধু আমার জন্য।
: আচ্ছা, লাইন কাটবো না, বল...
: তুই আমার সাথে এমন করলি কেন রুদ্র, কেন করলি?
কথাগুলো বলতে বলতেই ভ্যাঁ করে কেঁদে দিলো। আমি তো অবাক! দোকানের মানুষগুলোর সামনে আমি কী বলবো?
চুপ করে রইলাম। দুই তিন মিনিট পর ও একটু শান্ত হয়ে বললো, তুই আমার সাথে এমন করতে পারলি? কেমন করে পারলি?
: তুই কেমন আছিস?
: তোর লজ্জা হওয়া উচিত এমন প্রশ্ন করার জন্য।
ওকে রাগানোর জন্য বললাম, আমি লজ্জিত...
: ঢং করবি না, বদের হাড্ডি, তোকে আমি আস্ত রাখবো না... তোর হাড্ডি আমি জ্বালিয়ে কয়লা করবো, এখন কোথায় আছিস বল?
......
......


চার.

আজ এতোটা বছর পর যখন শুনলাম, 'স্যার আমি লুবনা, গ্রামীণফোন কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি। আপনি কি আমাদের হেল্প সেন্টারে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেছিলেন?'
তখন ওকে চিনতে একটুও ভুল হলো না। ওর মিষ্টি রিনঝিনে কণ্ঠস্বর কি কখনো ভুলা যায়?

মূলত গতকাল কাস্টমার কেয়ারে ফোন করেছিলাম আমার জিপির নেট স্পীড খুব বাজে হয়ে গেছে। পিং থাকে না। সেই অভিযোগ করেছিলাম। ওরা আমার নম্বর টুকে রেখেছিলো, যেনো সমাধান করে আমাকে জানাতে পারে।


পাঁচ.

<img src=(" style="border:0;" />

[আগামীকাল লিখবো]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28988901 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28988901 2009-08-05 00:25:07
অনেক দিন পর একটা রুবাই লিখলাম... কেমন হলো জানাবেন কি? .................
.................
.................
.................
.................

উষ্ণতা হয় ভালোবাসা

উষ্ণ ছিলো তোমার ঠোঁটের উম
স্পর্শে আমার চোখেই আসে ঘুম
হৃদয় পেখম হাওয়ায় মেলে দিলে
ইচ্ছে জাগে দিতে তোমায় চুম।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28988425 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28988425 2009-08-04 01:51:51
ব্লগার হাসান ভাইয়ের আড্ডায় যা কিছু জানলাম... লেখাটির মূল সূত্র

৩১ জুলাই ২০০৯ তারিখ বিকেলে প্রিয় ব্লগার জিন্নাত উল হাসান ভাইয়ের সাথে আমরা কয়েকজন আড্ডায় বসতে পারার সুযোগ পেয়েছিলাম।
মূলত যারা উনার বাংলা ব্লগের নিয়মিত পাঠক তাদের কিছু কমন সমস্যা বিশেষ করে অনলাইন আয় করতে গিয়ে কিছু সমস্যার সমাধান করার লক্ষ্য নিয়েই এই আড্ডাটি হয়েছিলো।
সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, ডোমেইন, হোস্টিং এবং ওয়েব ডেভোলপমেন্টের উপরও আলোচনা ছিলো।

উনার লেকচার শীটের শিরোনাম ছিলো-

-------------------অনলাইনে আয় : স্বপ্ন আর বাস্তবতা-------------------

হাসান ভাই আগেই জানিয়েছিলেন তিনি রুটিন মেনে কোনো লেখা লিখতে পারেন না। কিন্তু আলোচনায় দেখলাম তিনি যথেষ্ট গুছানো। যেমন, লেকচার শীটটা যথেষ্ট পরিমার্জিত এবং পরিচ্ছন্ন এবং তিনি কথাও বলেছেন অনেক সহজ করে ও সাজিয়ে।
এবং একটু ব্যতিক্রম করে। যেমন, অন্য কেউ হলে হয়তো আমাদের মতো নতুনদের উপদেশ দিতেন, এভাবে করো, ওভাবে করো না, এমনভাবে করলে তো কিচ্ছুই পারবা না ইত্যাদি ইত্যাদি।

তিনি আড্ডা শুরু করতে গিয়ে বললেন, আমি আয়ের নিশ্চয়তা দিই না বা দিতে পারি না। শুধু কৌশলগুলো বলতে পারি। বাকীটা আপনাদের ইচ্ছে ও চেষ্টা।
এই সাধারণ দুটি কথা বলেই তিনি বলে গেলেন, কীভাবে তিনি ব্লগিং করেন, কীভাবে শুরু করলেন এই সব...

তিনি লেকচার শীটের একটি পাতায় সূচিপত্রের শিরোনাম দিয়েছেন এভাবে_

কেন ব্লগিং করি? আমার যা আছে কি কি বিষয়ে ব্লগিং করি?

তিনি এভাবে না বলে তো বলতে পারতেন,
কেন ব্লগিং করবে বা করবেন?
আপনাদের/তোমাদের যা লাগবে
কি কি বিষয়ে ব্লগিং করবে/করবেন?

দুই.

আমরা যারা নতুন, তাদের সবারই ইচ্ছে নিজের একটা ওয়েবসাইট থাকবে যে ওয়েবসাইটে এমন এমন সুযোগ সুযোগ-সুবিধা থাকবে যা অন্য আর কোথাও নেই...।
সেই সাথে এই ওয়েবসাইট থেকে আমরা আয় করবো।
হ্যাঁ, অনলাইন থেকে আয় করা যায় তবে বলা যতো সহজ ততো সহজ নয়।
আবার এভাবেও বলা যায়, চেষ্টা করলে, শ্রম দিলে অবশ্যই সম্ভব।

তিন.

অনলাইন আয়ের বিষয়টা হচ্ছে লেগে থাকার ব্যাপার। অনেক দিন লেগে থাকতে হয়।
শুরুতে ব্লগার বা ওয়ার্ডপ্রেস-এ ব্লগ খুলে শুরু করা যেতে পারে। তারপর যখন অল্প-বিস্তর আয় শুরু হয় তখন ডোমেইন-হোস্টিং কিনে শুরু করা যায় বৃহৎ পরিসরে...

চার.

এডসেন্স-ই একমাত্র অবলম্বন নয়। আরও অনেক আছে। এডব্রাইট, চিটিকা, কনটেরাসহ আরও অনেক কিছু।

এর মধ্যে আমাজন এসোসিয়েটস আমার খুব পছন্দ হয়েছে।
আমাজন এসোসিয়েটস-এ রেজিস্ট্রেশন করে তাদের পণ্য যদি আপনি বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে কমিশন পাবেন। এজন্য আপনাকে খুব বেশি দৌড়াদৌড়ি করতে হবে, তা নয়।

তাদের কিছু পণ্যের লিংক আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে রাখবেন। পাশাপাশি ঐ পণ্যটার একটা চমৎকার রিভিউ লিখে রাখুন। রিভিউ লেখার সময় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের কথাও মাথায় রাখতে হয়।
আড্ডায় এসেছেন এমন এক নতুন ব্লগার ভাইয়ার ল্যাপটপ নিয়ে ব্লগ আছে। আমাজন এসোসিয়েটস থেকে তিনি লিংক নিয়ে সেখানে রেখে তিনটি ল্যাপটপ বিক্রি করে পেয়েছেন ৬১ পাউন্ড। অথচ গুগল এডসেন্সে ৬১ পাউন্ড জমা করতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়।

পাঁচ.

অনলাইন আয়ের আরেকটা ব্যাপারও আমার খুব ভালো লেগেছে। সেটা হলো, অন্য ওয়েবসাইটের লিংক আপনার ওয়েবসাইটে রেখে আয় করতে পারেন। আড্ডায় আসা আরেক ভাইয়া এরকম একটা সুযোগ পেয়েছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ান এক ব্যক্তির একটা ওয়েব সাইটের লিংক তার ব্লগে দুমাস রাখার জন্য পেয়েছেন ১০ ডলার।
এমাউন্টটা কম মনে হতে পারে, কিন্তু সুযোগটার কথা চিন্তা করুন।

ছয়.

হাসান ভাইয়ের আড্ডায় আমি শিখেছি অনেক অনেক। হয়তো আমি বর্ণনা করে বুঝাতে পারছি না।
সাত.
তখন রাত সাড়ে এগারোটা। আড্ডা শেষ করে ওয়ান্ডার ল্যান্ডের বিপরীত পাশ দিয়ে হাঁটছি আমরা। হাসান ভাইয়ের সাথে টুকটাক কথা বলছি।
হঠাৎ থেমে গিয়ে সবার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে পড়লেন হাসান ভাই।
বললেন, আজকের আড্ডা থেকে যদি আদৌ কিছু শিখে থাকেন তাহলে তা নিজের মাঝে আবদ্ধ করে রাখবেন না দয়া করে। অন্যজনের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন। তাহলেই কেবল এর স্বার্থকতা।
সত্যিই অসাধারণ কথা।
ধন্যবাদ হাসান ভাই। ধন্যবাদ আপনার চিন্তা-চেতনাকে।
আর অবশ্যই ধন্যবাদ সামহোয়্যারইনব্লগকে, যার মাধ্যমে হাসান ভাইয়ের মতো ব্যক্তিত্বের সাথে আমার পরিচয়।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28987895 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28987895 2009-08-02 23:33:00
হাসান ভাইয়ের সাথে অনলাইন আয় আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বিষয়ক আড্ডার কথা... লেখাটির মূল সূত্র : টিনটব ব্লগ
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''


"আমি কাউকে অনলাইন আয়ের ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিতে পারি না, দিই না। তবে বলতে পারি আপনি কীভাবে আর্ন করবেন, বাকীটা আপনার কাজ"।


এরকম দু'টি বাক্য বলেই প্রিয় হাসান ভাই আড্ডাতে যোগ দিলেন। তারপর পরিচয় পর্ব শেষ করে সরাসরি তিনি চলে গেলেন মূল আড্ডায়।

হাসান ভাই দেশে এসেছেন ১৭ জুলাই। একমাস থাকার কথা দেশে। থাকবেন তাই ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। ১৪ আগস্ট লন্ডনে পাড়ি জমাবেন।
আমরা যারা তাঁর ব্লগের নিয়মিত পাঠক মূলত তাদেরকে নিয়েই এই আড্ডাটা হলো।
যদিও সামু ব্লগের অনেকেই জানেন। তবে কী কারণে তারা এতোটা নিস্পৃহ ছিলেন বুঝতে পারিনি। হয়তো বাংলাদেশের সমসাময়িক পেয়েবল আর্নিং আড্ডার কথা চিন্তা করেই। যাই হোক।

আমাদের এই আড্ডার তারিখ এবং বিষয়বস্তু আগেই হাসান ভাইয়ের ব্লগে উল্লেখ করে দিয়েছিলেন।

আড্ডার বিষয়বস্তু ছিলো_
১. ব্লগিং, ব্লগিংয়ের বিষয়বস্তু, Niche ব্লগিং
২. অনলাইনে আয়ের কৌশল, এডসেন্স, ক্লিকব্যাংক
৩. ওয়েবসাইট, ডোমেইন, হোস্টিং, ওর্য়াডপ্রেস, ব্লগার
৪. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, গুগল, সোশাল নেটওর্য়াকিং

যাই হোক, হাসান ভাইয়ের নির্দেশনানুযায়ী আগেই আমরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন সাজিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু সবচে' মজার ব্যাপার হলো, আমাদের প্রশ্নগুলো কোনোই কাজে লাগেনি।
কেন?
কারণ, তিনি খুব চমৎকার একটি লেকচার শীট তৈরি করে নিয়ে এসেছিলেন। যা তিনি ডিসপ্লেতে আরও চমৎকার করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। ফলে আমাদের প্রশ্নগুলো করার আগেই উত্তর পেয়ে গিয়েছিলাম।

আড্ডাটা হয়েছে খুবই প্রাণবন্তকর।
হাসান ভাই মজার মজার কথা আর উদাহরণ যোগ করে সত্যিই চমৎকার একটি উপস্থাপন করেছেন।
সবচে' বড় কথা হলো, এডসেন্স, ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার এবং অনলাইনে আর্ন করার ব্যাপারে এতো সহজ করে, অল্প সময়ে অধিক তথ্য আর কোথাও পাইনি।

হাসান ভাইকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ সামহোয়্যারইনব্লগ কর্তৃপক্ষকে। কারণ, সামুর মাধ্যমেই হাসান ভাইয়ের সাথে পরিচয়।

আড্ডার বেশ কিছু ছবি আমি তুলেছিলাম। কিন্তু অজানা কারণে ছবিগুলো হারিয়ে গেছে আমার এমপি৬ থেকে। কিংবা আমি বের করতে পারছি না।

এখানে কিছু ছবি দিলাম। সেগুলো স্পষ্ট নয়। তারপরও দিলাম। দেখে ভালো লাগতে পারে।













]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28986969 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28986969 2009-08-01 01:48:26
ছোটগল্প : ক্রুশবিদ্ধ মহিলা যীশু লেখাটির মূল সূত্র

শহরের কোলাহলে প্রতিদিনই হাঁপিয়ে উঠে পলিত। পুরুষগুলো এত বিশ্রী! একটু সুযোগ পেলেই ফস করে হাত ছুঁয়ে দেয় স্তনের বোঁটায়। কিংবা কনুই ঠেকিয়ে দেয় অতি যত্ন করে ব্রার ভেতরে গুছিয়ে রাখা বস্তু দুটিতে। পায়ের তালু থেকে মাথা পর্যন্ত শির শির করে বেয়ে উঠে যায় একটা স্রোত। শীতযামের রাত্রির বাতাসের মতোই।
ফার্মগেট ওভারব্রীজের পাশ দিয়ে ফুটপাত ধরে হেঁটে যেতে আজও একই অবস্থা হলো ওর। কোচিং সেন্টার থেকে বের হয়ে ব্রীজ পার হয়ে রিক্সা ধরবে সে। সাথে বান্ধবী সাবা।
হারামজাদার কাণ্ড দেখেছিস সাবু?
কী? হালকা স্বরে জানতে চায় সাবা। যদিও সে ভালো করেই জানে কী ঘটেছে। তারপর মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে বলে, চল। এদের সাথে না লাগাই ভালো।
দাঁতে দাঁত ঘষে পলিত। চুপচাপ বান্ধবীর কথামতো ব্রীজ পার হয়ে রিক্সা ধরে ওরা।
দুপুরে ঢাকা শহরে রিক্সা পাওয়া যায় না বললেই হয়। কিন্তু পলিত ও সাবার মতো মেয়েদের জন্য রিক্সাওয়ালাদের দরাজ দিল। রিক্সায় চড়ে পলিতের মন খারাপ ভাবটা আর থাকে না। দুপুরের কড়া রোদের মাঝেও এক ধরনের আনন্দ খোঁজে পায় সে। বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমান অত্যধিক বলে ঘাম শুকিয়ে না গিয়ে চটচটে হয়ে গায়ে লেগে থাকে। ব্যাগ থেকে টিস্যু বের করে কসমেটিকস দিয়ে অতি যত্ন করে ঘষে মেজে পরিষ্কার করা শরীরটায় জমে থাকা ঘামগুলো সাবধানী হাতে মুছে ফেলে ধাঁই করে বাতাসে ছুঁড়ে মারে দোমড়ানো মুচড়ানো টিস্যুটা।
সাবা সেদিকে খানিক তাকিয়ে থেকে সেও বের করে আনে একটা টিস্যু।
আই অ্যাম নট আ গার্ল, নট ইয়েট আ ওমেন। গুন গুন করে ব্রিটনির গান ধরে পলিত।
তারপর হাসতে হাসতে বলে, একটা ব্যাপার ল্য করেছিস সাবু?
প্রশ্নবোধক দৃষ্টি মেলে মায়া হরিণীর মতো তাকায় সাবু- কোনটা?
হারামজাদার ব্যাটা যদি স্মার্ট হয় তাহলে শরীরটায় কেমন যেন এক ধরনের আনন্দের ঢেউ খেলে। আর যদি বাজে টাইপ হারামজাদা হয় তাহলে শরীর কেমন ঘুলিয়ে উঠে। কথা কটি বলতে মিটমিট করে হাসে পলিত।
অবাক হয়ে পলিতের দিকে তাকিয়ে থাকে সাবা।
কী! আশ্চর্য! তুই কি তাহলে অনেকের সাথে ইচ্ছে করেই ধাক্কা খাস নাকি?
দূর! শ্রাগ করে পলিত। এই তোর ভাবনা আমার সম্পর্কে?
তাহলে যে বললি? অপরাধীর মতো প্রশ্ন করে সাবা।
পলিত হাসে। হাসতে হাসতে আকাশের দিকে তাকায়। ভর দুপুরের সূর্যটাকে মনে হয় পূর্ণিমার চাঁদ। পলিত চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকে অপলক চোখে। দেখে এবং মুগ্ধ হয়। যেন মুগ্ধ না হলে কোনো সমস্যা হবে। চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে উছলে পড়ে আলো। রিনঝিন কণ্ঠে গান গায় পলিত আর হাসে । হাসির দমকে চ্যাংড়া রিক্সাওয়ালা মাথা ঘুরিয়ে তাকায়।
তোকে নিয়ে এই জ্বালা! কখন কি বলিস নিজেই জানিস না। সাবু গাল ফুলায়।
গলির ভেতরে ঢুকে যায় রিক্সা। দুপুরের কড়া রোদে রাস্তা প্রায় খালি।
সাবার কথায় মজা পায় পলিত।
বাম হাতের তর্জনি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে নিচের ঠোঁট ভাঁজ করে ধরে অতি দ্রুত বাতাস টেনে নিয়ে ফুসফুস ভরাট করে। বাতাসের স্রোত সৃষ্টি হয়। স্রোতের ঘুর্নিতে অদ্ভুতভাবে বেজে উঠে শিস।
থামবি? ধমকে উঠে সাবা। না হলে আমি কিন্তু নেমে পড়লাম।
থামছি বাপ! হাসির স্রোত বেরিয়ে আসে পলিতের মুখ থেকে। তুই অতো ভীতু কেন রে? একটা গল্প শুনবি?
গল্পের কথা শুনে মজা পায় সাবা। হাসি হাসি মুখে বলে , শুনবো তো।
বিকেলে, হ্যাঁ, বিকেলে চলে আয় আমাদের বাসায়। বাসায় কেউ নেই।

পলিত ভেবেছিল বিকেলে সাবা আসবে না। সাধারণত সে যা করে। ভুলে যায় বেমালুম। কিন্তু আজ ব্যতিক্রম তার চিন্তা। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সাবা চলে আসে।
খুব ভালো লাগছে তোকে দেখে । খুশিতে নেচে উঠে পলিত। সত্যি কথা বলি, তোকে গল্প শোনানোর জন্য আনিনি। অন্য একটা কাজ আছে।
সাবার কিছুটা মন খারাপ হয়।
সিগারেট খাবি? পলিত জিজ্ঞেসা করে সাবাকে।
কী খাবো? আশ্চর্য হয় সাবা।
সিগারেট। চারদিকে আর একবার তাকায় পলিত। জানে বাসায় কেউ নেই। তবুও কিশোরী মনের বিহ্বলতা।
বারান্দায় চলে আসে দুজন। চেয়ারে বসে দূরে তাকায়।
আব্বুর কাছ থেকে চুরি করেছি। খেয়ে দেখ। সাবার দিকে একটা বেনসন এন্ড হেজেজ বাড়িয়ে দিয়ে নিজের ঠোঁটে গুজে নেয় আর একটা।
কায়দা করে লাইটার জ্বেলে সিগারেট ধরিয়ে ফেলে।
একগাদা নিকোটিন ভর্তি ধূয়া গাল ভরে নেয় দ ধুমপায়ীর মতোই। রিং বানিয়ে ছুঁড়ে দেয় আকাশের দিকে।
মুগ্ধ বিস্ময়ে বান্ধবীর কাজ দেখে সাবা।
সাবার বোকা বোকা চেহারা দেখে হাসে পলিত।
লি, তুই কি নিয়মিত সিগারেট খাস? জানতে চায় সাবা আই মিন তুই কি ধুমপায়ী?
না, আমি ধুমপায়ী না। আমি ধুমপায়ীনী। খিল খিল হাসে পলিত। হুইস্কি খাবি? তাও আছে। দাঁড়া নিয়ে আসি। উঠতে গিয়ে আবার বসে পড়ে পলিত। কলিং বেল বেজে উঠে এই সময়। সাবা ভয়ার্ত চোখে পলিতের দিকে তাকায়।
মনে হয় বুয়া। সাবার দিকে তাকিয়ে অভয় দেয় পলিত। ঘন ঘন সিগারেটে টান দিয়ে বারান্দার গ্রিল দিয়ে বাইরে ছুঁড়ে মারে ফিল্টারসহ আধখাওয়া সিগারেট।
দরজা খুলে দিয়ে অবাক হয় পলিত!
তুই? আজকে? ডবল প্রশ্ন করে দরজা ধরে দাঁড়িয়ে থাকে পলিত। পলিতের হাত সরিয়ে দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে কারান।
কী গাধারে তুই! এসছি তো কী হয়েছে? আসা যাবে না? ভেতরে প্রবেশ করতে করতে বলে উঠে কারান। তা কে বলেছে?
কিন্তু ফোন করে আসবি তো? যদি বাসায় কেউ থাকতো ?
নাযেহাল করতে চায় কারানকে।
জেনেই এসছি, বুঝেছিস? আন্টি আমাকে ফোন করেছিল। তখনই জানলাম তুই বাসায় একা। তাই চলে এলাম। কারান জবাব দেয়। এদিকে আয় আমার এক বান্ধবীর সাথে তোর পরিচয় করিয়ে দিই। কারানকে টেনে নিয়ে যায় বারান্দার দিকে। পরিচয়পর্ব শেষ করে চুপচাপ বসে থাকে কারান।
সাবাকে ভাগানোর ফন্দি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কিভাবে বিদায় করা যায় আপদ সেই নিয়ে ব্যস্ত সে।
কিন্তু তাকে কিছুই করতে হয় না। উঠে দাঁড়ায় সাবা।
আমি যাবো এখন।
তার কথায় কেউ প্রতিবাদ করে না।
অস্বস্তি লাগে সাবার।
ছি!
নিজেকে ধিক্কর দেয়। কেন আমি আজ আসলাম এখানে? দরজা খুলে বন্ধ করার সময় সাবার কাছে স্যরিটুকু বলার সৌজন্যটুকুও ভুলে যায় পলিত। সাবার চোখে জল এসে যায়।
বেড রুমের দরজা জানালা বন্ধ করে পর্দা টেনে দেয় পলিত। ঝাপসা অন্ধকার চোখ সহা না পর্যন্ত অপো করে সে। হালকা নীল শেডের লাইট জ্বেলে দেয়। ¯েপ্র করে এয়ার ফ্রেশনার। রোমান্টিকতা সৃষ্টি হয় চার দেয়ালের হালকা আলোয়। ত্রস্ত পায়ে কিশোরী এগিয়ে যায় বেডের দিকে। চুম্বকতা সৃষ্টি করে চার দেয়ালের মধ্যখানে কিশোর কিশোরী। আমাকে পারতেই হবে। পারবো না? পারবো না আমি? কিশোরী পারে না। নীল আলো হঠাত্ করেই পরিণত হয় সাগরে। থোকা থোকা নীল আলো হয়ে যায় রাশি রাশি নীল জল। কিশোরী সাতরে বেড়ায় নীল জলরাশিতে। ঢেউয়ের দমকে দমকে তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসে কান্ততা। আর কতো দিন? আর কতো দিন?

রাত তিনটায় ঘুম ভেঙে যায় পলিতের। দুঃস্বপ্ন দেখেই ঘুম ভেঙে যায় তার। হাত বাড়িয়ে দেখে ভিজে গেছে। পাশ থেকে টাওয়েলটা নিয়ে মুছে আবার শুয়ে পড়ে সে। কিন্তু ঘুম আসে না সহজে। স্বপ্নের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভেসে উঠে আবার। পলিত না না করে চেঁচিয়ে উঠে।
কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে তখন পলিত। পেছন ফিরে তাকায় সে। এই তো মাস আট আগের কথাই। অয়নের প্রপোজে রাজি হয় ও। ওদেরই ফ্যাটের ঠিক নিচতলার মেসেই থাকতো সে। একই কাসে পড়তো বলে আম্মু কিছু বলতো না। অয়নও অবাধ যাতায়াত করতো ওদের বাসায়। কিশোরী সুলভ উদ্ভ্রান্ততায় ভেজিয়ে রাখে নিজের শরীর সারাণ, এই পলিত। অজানার প্রতি অদমিত আগ্রহ। এই আগ্রহই ওকে শেষ করলো। ধ্বংস করলো। পঙ্গু করে দিল হয়তো সারা জীবনের জন্যই। সে আর গাইতে পারবে না- আমি কখনো যাইনি জলে/ কখনো ভাসিনি নীলে/কখনো রাখিনি চোখ ডানামেলা গাঙচিলে।
নির্জন দুপুরে যখন অয়ন একা ছিল, তারই এক সময়ে সীত্কার করে উঠে পলিত। ধূরন্ধর অয়ন কিছু ফটোগ্রাফও রেখে দেয় সেই আদিমতার। তারপর থেকেই বাধ্য হয় পলিত নানা সময়ে অয়নের অভাব পূরণে। ব্যাপারটা এক সময় কিভাবে কিভাবে খালাতো ভাই কারান জেনে ফেলে। অয়নের কাছ থেকে কী করে যেন ছবিগুলো আদায় করে নেগেটিভসহ। তারপর থেকে কারানের কাছে বন্দি সে। প্রতি সীত্কারে তাই খোঁজে ফেরে মুক্তি। ঢেউয়ের তালে তালে জপে বেড়ায়- আর কতো দিন? আর কতো দিন?
সেই থেকে তার দুঃস্বপ্ন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28986711 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28986711 2009-07-31 14:21:22
আঠারো প্লাস কৈতক আর কত লিখবো? এইবার... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> (" style="border:0;" />

<img src=" style="border:0;" />

<img src=(" style="border:0;" />

<img src=" style="border:0;" />

<img src=(" style="border:0;" />

<img src=" style="border:0;" />

এই বার আর কিছু লিখতে পারছি না।
আসুন একটু গপসপ করি...


১৩২ জন ব্লগার ও ১২৬ জন ভিজিটর ছবি আকারে দেখুন


প্রিয় ব্লগার,

* কালপুরুষ
* ত্রিভুজ
* একরামুল হক শামীম
* মেঘ
* জামাল ভাস্কর
* নিঃসঙ্গ
* অরুনাভ
* নাজিম উদদীন
* মেহরাব শাহরিয়ার
* প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
* ব্রাইট
* প্রচেত্য
* পরোপকারী
* সাইফুর
* লেখাজোকা শামীম
* কখগঘ
* কাঙাল মামা
* শামীম রিয়াজ
* আরিফুর রহমান
* নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
* আলী আরাফাত শান্ত
* চিটি (হামিদা আখতার)
* শিশির
* মুক্তি মণ্ডল
* সততার আলো
* কাল্পনিক
* শয়তান
* সৌরভ সাখাওয়াত
* রাতমজুর
* নিবিড় অভ্র
* রাজামশাই
* সবাক
* আমি বাঙালি
* তানজু রাহমান
* শয়তান হন্তারক
* অনন্ত দিগন্ত
* পান্থ বিহোস
* আশীফ এন্তাজ রবি
* শওকত আহমেদ
* সৌম্য
* সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
* রায়হান(তন্ময়)
* নাজনীন খলিল
* স্পাইডার
* ধীবর
* আগলিআগলি
* মিছে মন্ডল
* সাগর ঢাকা
* নির্ঝরিনী
* জেমিনি
* লাবণ্য প্রভা গল্পকার
* অধর
* অমাবশ্যার চাঁদ
* হামীম
* ঘুমন্ত পথিক
* আকাশনীল
* তারেক হাসান
* সমর্পণ
* এস বাসার
* টুশকি
* মনিরুজ্জামান কবির
* জানজাবিদ
* তুষারপাত
* একজন সুখীমানুষ
* শূন্য আরণ্যক
* আহমেদ রেজা
* আরেফিন জিটি
* আমড়া কাঠের ঢেকি
* রানাকবির
* ভবঘুরে ছেলেটি
* দ্রোহি
* ত্রিশোনকু
* ব্যতিক্রমী
* একলব্যের পুনর্জন্ম
* রাফাত সাদাত
* সাইফুল_পএপ
* ভাবুক সাহেব
* ইষ্টিকুটুম
* আক্তার
* সৌরভ১৩
* ভেবে ভেবে বলি
* পানকৌড়ি
* তুতুষার
* জেনন
* ঈশান হাওয়া
* হু-কেয়ারস
* জয় সরকার
* রবিউল ইসলাম রুবেল
* নাফিস ইমতিয়াজ
* গোয়েবলস
* তামজি
* শান্ত কুটির
* ফিরে এসো চাকা
* তারেকবিডি
* অজানা এক পথিক
* মুসলিম৫৫
* কালের কলস
* সায়ম মুন
* লড়াকু
* ভোর
* সাইফ শামস
* সাহেদ সাকিব
* ট্যান্টালাস
* হীরণ্ময়
* বিতর্কিত মানব
* টোনা
* বর্ষার মন
* ক্ষতিগ্রস্থ
* ঘুমরাজ
* ফারা তন্বী
* আমার_মত০৩
* রুদ্র নীল
* অমিত০৯৭
* নির্ভয় নির্ঝর
* আব্দুর রহমান
* খেক খেক
* _এহসান
* ইসতিয়াক আহমেদ
* সুদিপ্ত
* মারিয়াম-সাদ
* kazibondhu
* ভূবন
* কন্ট্রোল রেকটিফায়ার
* ভাবুক ০৯
* অানসারী
* c‡jKDxkZsZzinVj
* মোঃ আমিরুল ইসলাম
* সপ্নকুমারী
* মামু, চ্যাতো ক্যা
* পরপারে একা
* মুভি পাগল
* লিমস

আপনারা সবাই কেমন আছেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28986505 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28986505 2009-07-31 00:53:35
ফ্রি এসএমএস : পিসি থেকে মোবাইলে লেখাটির মূল সূত্র

বেশ কিছুদিন আগে পিসি থেকে মোবাইলে ফ্রি এসএমএস করার একটি পোস্ট দিয়েছিলাম।
যেখানে লিখেছিলাম কিভাবে পিসি থেকে মোবাইলে ফ্রি এসএমএস পাঠানো যায়। সেই সাথে কিছু লিংকও দিয়েছিলাম যেখান থেকে এই সার্ভিস পাওয়া যায়।
অনেকেই জানিয়েছেন, তারা এই পোস্টের কারণে উপকৃত হয়েছেন। তবে কয়েকজন, যারা মন্তব্য আকারে এবং মেইল করে আমাকে জানিয়েছেন, ব্যাপারটা তারা ক্লিয়ার বুঝতে পারছেন না।

তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট।
মাত্র একটি সাইট-এর ডিটেইলস লিখে বুঝাতে চেষ্টা করেছি কীভাবে এই পদ্ধতিটি কার্যকর হয়।

বিস্তারিত পড়তে এখানে ক্লিক করুন
এখান থেকে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। তারপরও যদি কোনো সমস্যা হয়, নি:সঙ্কোচে প্রশ্ন করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28985922 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28985922 2009-07-29 23:57:10
গুগল এডসেন্স এবং অনলাইন আয় নিয়ে সমস্যা থেকে অভিজ্ঞতাগুলো... [পর্ব-০৩] এখানে ক্লিক করুন
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
এই লেখাটি / পোস্টটি ব্লগার-
হাসান ত্রিভুজ মিলটন ভাইকে
এবং যাদের সহায়তায় আমি অনলাইন আয় সম্পর্কে জেনেছি, জানছি- তাদের সবাইকে উৎসর্গ করা হলো।
_._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._

সামহোয়্যারইন ব্লগে যারা আসেন কিংবা অনলাইনের সাথে জড়িত আছেন তাদের সবাই কমবেশি গুগল এডসেন্স-এর কথা শুনেছেন বলেই আমার মনে হয়।
অনলাইনে নিয়মিত হওয়ার আগে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখতাম প্রায়ই (এখনও দেখি), ঘরে বসে আয় করুন
কিন্তু কীভাবে ঘরে বসে আয় করা যায়, ব্যাপারটা আমার ভালো জানা ছিলো না।
তো এরকম করতে করতেই এক সময় ব্লগের সাথে জড়িত হয়ে ব্যাপারটা জানতে পারি।
এবং ত্রিভুজ নামক ব্লগারের পোস্ট পড়ে জানতে পারি এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত।
ত্রিভুজ ভাই এতো সহজ করে পোস্ট গুলো দিয়েছিলেন যে, পড়ে পড়ে আমার মতো আনাড়িও বিনামূল্যে ব্লগ তৈরি করে এডসেন্স ব্যবহার করতে পেরেছিলাম।
আমার অভিজ্ঞতা থেকে যা বুঝতে পেরেছি, ঘরে বসে আয় করা যায় এটা যেমন সত্যি তবে যারা এটাকে ছেলের হাতের মোয়া মনে করেন তাদের জন্য এটা সম্ভব নয়, এটাও সত্যি।
ব্লগার হাসান ভাই একবার একটা ক্যালকুলেশন করে উদাহরণ দিয়েছিলেন এডসেন্স সম্পর্কে। উনার মন্তব্যটা বোধহয় এরকম ছিলো_ আপনি একটা অফিসে সারাদিন পরিশ্রম করে মাস শেষে কত টাকা পান? ১০ হাজার কিংবা ২০ হাজার?
সেজন্য আপনাকে দৈনিক মিনিমাম ৮ ঘণ্টা খাটতে হয়। তো সে হিসেবে আপনি ঘরে বসেই আয় করুন। কিন্তু আপনাকে খাটতে হবে। ব্যাপারটা এমন নয় যে, আপনি ঘরে বসে থাকবেন আর টাকা আয় হতে থাকবে!
আমার এডসেন্স একাউন্ট একবার ব্যান হয়েছিলো <img src=(" style="border:0;" />। তাই এখন আমি সতর্ক। কাউকে বলি পর্যন্ত না যে, আমার একটা ওয়েব সাইট আছে একটু দেখবেন।
কারণ, আমি মনে করি ওয়েবসাইটটি রিলায়েবল হলে এম্নিতেই ইউজারকারী বেড়ে যাবে।
যাই হোক, তারপরও আমার কিছু কমন প্রবলেম আছে এডসেন্স নিয়ে। সম্ভবত নতুন সব এডসেন্স ব্যবহারকারীদেরই এই সমস্যাগুলো আছে।
যেমন_
১. ওয়েবসাইট আপডেট বা নতুন কোনো পোস্ট দিতে গিয়ে দেখা যায় পেজে প্রচুর ইমেপ্রেশন পড়ে এটার কোনো নেগেটিভ দিক আছে কিনা?
২. কাউকে মেইল করে এডসেন্স সংবলিত ওয়েবসাইটের এড্রেস দেয়া যাবে কিনা? কিংবা মেইলের সিগনেচার হিসেবে এডসেন্স সংবলিত ওয়েবসাইটের নাম ব্যবহার করা যাবে কিনা?
৩. অন্য কোনো সাইটে এডসেন্স সংবলিত ওয়েবসাইটের এড্রেসের লিংক রাখা যাবে কিনা? কিংবা কোনো ফোরামে পোস্ট আকারে এডসেন্স-এর এনিমেটেড ফিড দেয়া যাবে কিনা?
৪. প্রচলিত একটা ধারণা, একই কম্পিউটার থেকে এডসেন্স-এর উপর বারবার ক্লিক করা যাবে না। এটা কি ঠিক? যদি ঠিক হয়, তাহলে কেউ যদি আমার গুগল এডে বার বার ক্লিক করতে থাকে? তাহলে কী হবে?
৫. আমার কিছু ইংরেজি আর্টিক্যাল পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। যে পত্রিকাগুলো অনলাইনে আছে, ঐ পত্রিকাও এডসেন্স ব্যবহার করে। ঐ আর্টিক্যালগুলো কি আমি আমার সাইটে রাখতে পারবো, যে সাইটে গুগল এডসেন্স-এর এড আছে?
৬. অনলাইনে যেসব বই, পত্রিকা, ভিডিও, এমপিথ্রি, নাটক, সিনেমা মুভি ফ্রি ডাউনলোড করা যায়, সেগুলোর লিংক আমার সাইটে রাখতে পারবো কিনা?
৭. বাংলাদেশের কোন ব্যাংকে এডসেন্সের চেক ভাঙানো যায়? কত টাকা চার্জ কাটে?

এরকম আরও কিছু প্রবলেম আছে আমার। যা এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না। মনে পড়লে পরবর্তী পোস্ট দেবো।


.....................................................................
এডসেন্স ব্যবহারকারী নতুন-পুরাতমন সবাই যদি তাদের অভিজ্ঞতাগুলো এখানে মন্তব্য আকারে শেয়ার করেন তাহলে বোধহয় অনেকেই উপকৃত হতে পারতো...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28982178 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28982178 2009-07-22 19:47:23
গুগল এডসেন্স এবং অনলাইন আয় নিয়ে সমস্যা থেকে অভিজ্ঞতাগুলো... [পর্ব-০২] এখানে ক্লিক করুন
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
এই লেখাটি / পোস্টটি ব্লগার-
হাসান ত্রিভুজ মিলটন ভাইকে
এবং যাদের সহায়তায় আমি অনলাইন আয় সম্পর্কে জেনেছি, জানছি- তাদের সবাইকে উৎসর্গ করা হলো।
_._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও কী জিনিস আমি তখনো জানি না। ব্যাপারটা জানলাম আলু ব্লগে এক ব্লগারের লেখা পড়ে। নতুন একটা বিষয় জানতে পেরে ভালো লাগলো। আমি এতোদিন ভাবতাম, বাংলাদেশের মানুষরাই তো আমার সাইট / ব্লগ দেখবে। তাছাড়া আমি আর মানুষ কোথায় পাবো?
অথচ হাসান ভাইয়ের এসইও'র উপর পোস্ট পড়ে সেই ধারণা আমার একেবারে ভেঙে গেলো। হাসান ভাইকে খুঁজতে খুঁজতে দেখলাম, তিনি সামুর অনেক পুরনো ব্লগার। আমি আবার সামু ব্লগের নিয়মিত ব্লগার হলাম। রাত জেগে জেগে ওনার নতুন পুরনো সব পোস্টগুলো পড়ে ফেললাম। কিছু বুঝলাম আর কিছু একেবারেই বুঝলাম না।
এক পোস্টে দেখলাম, ওনার ব্যক্তিগত বাংলা ব্লগ সাইট আছে। কারও কোনো প্রশ্ন থাকলে সেখানের যোগাযোগ অংশে ক্লিক করে নির্ধারিত ফরমে জানিয়ে দিলেই তিনি জবাব দেবেন।
একদিন একটা প্রশ্ন করলাম। কিন্তু আদৌ জবাব পাবো কি-না শিউর ছিলাম না।
তবে ওনার ব্যক্তিগত ব্লগে গিয়ে একটা লাভ হলো। দেখলাম ওখানে আরও সুন্দর করে তিনি গুগল এডসেন্স, হোস্টিং, ডোমেইন-উপর নানা ট্রিকস এন্ড টিপস, ওয়ার্ডপ্রেসসহ নানা বিষয়ে লিখে রেখেছেন। ওগুলো পড়লাম।
রাতে মেইল চেক করতে গিয়ে দেখি সত্যি সত্যি জিন্নাত উল হাসান ভাইয়ের কাছ থেকে একটা রিপ্লাই এসেছে। যেখানে তিনি লিখেছেন- তিনি এখন অফিসে, বাসায় পৌঁছেই জবাব দেবেন। এবং আনন্দের কথা হচ্ছে, ওটা অটোমেইল ছিলো না। আমি ওনার ব্যক্তিগত ব্লগের লেখাগুলো পড়ে মন্তব্য করি- মন্তব্য বলতে ঐ পোস্টে কোন ব্যাপারটা বুঝতে পারিনি, আরও কী ধরণের লেখা চাই এইসব ব্যাপারে... দেখলাম তিনি খুব সুন্দর করে এবং গুরুত্বের সাথে জবাব দেন।
আমি সামু ব্লগের পাশাপাশি ওনার ব্লগেও নিয়মিত হয়ে পড়লাম। ওনার বাংলা ব্লগ থেকে জানতে পারলাম, এসইও'র উপর উনার আরেকটা সাইট আছে।
খুঁজে খুঁজে আমি ওখানেও গেলাম। প্রথম কিছুই বুঝলাম না। প্রথম কয়েকদিন এম্নি এম্নি ওনার আইএসইও ফোরামে গিয়ে লগিন করে থাকতাম। হাসান ভাইয়ের বাংলা ব্লগে ওনাকে কয়েকবার বললাম, আইএসইও ফোরামের বিভিন্ন ফিচারগুলো নিয়ে বাংলায় একটা পোস্ট দেয়ার জন্য। তিনি দেবেন বলেও দেননি।
বাধ্য হয়ে আস্তে আস্তে আইএসইও ফোরামের ব্যাপারগুলো ধাতস্ত করার চেষ্টা করলাম। এখন মোটমুটি আমার কাছে ক্লিয়ার।
ঐ ফোরামে বিভিন্ন বিষয় এমন সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে যে, আপনার খুব ভালো লাগে।
আইএসইফোরামে যেতে এখানে ক্লিক করুন

তাছাড়া ওনার বাংলা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সাইটে যেতে এখানে ক্লিক করুন

হাসান ভাইয়ের আইএসইও ফোরামে একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। চলতি মাসে সর্বোচ্চ পোস্টদাতা ও মন্তব্যকারীর জন্য রয়েছে একটি ডোমেইন পুরস্কার। ওনার ফোরামের টপ পোস্টারের তালিকায় চলতি মাসে এখন পর্যন্ত আমার নাম রয়েছে। টপ লিস্টারের নাম দেখতে এখানে ক্লিক করুন

কেউ যদি ডোমেইন জেতার জন্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চান তাহলে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

যাই হোক, এখন এই পর্যন্তই থাক। পরের পর্বে গুগল এডসেন্স নিয়ে অভিজ্ঞতাগুলো লেখার চেষ্টা করবো... এই পর্বে এসে লেখার শিরোনামটি চেঞ্জ করে দিলাম...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28981439 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28981439 2009-07-21 13:54:45
(ভাই) ত্রিভুজ-হাসান-মিলটন আরও কে কে... [পর্ব-০১] এই লেখাটি/পোস্টটি ব্লগার-
হাসান ত্রিভুজ মিলটন ভাইকে
এবং যাদের সহায়তায় আমি অনলাইন আয় সম্পর্কে জেনেছি, জানছি- তাদের সবাইকে উৎসর্গ করা হলো।
_._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._._
ব্লগে লেখালেখি শুরু করি সামহোয়্যার ব্লগের মাধ্যমেই। এর সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন ব্লগার রণদীপম বসু। যিনি ইয়োগা নিয়ে লিখে ব্যাস খ্যাতি অর্জন করেছেন ব্লগে।
ব্লগে লিখতে এসে দেখলাম, এখানে সব পরিচিত ব্যক্তিরাই অপেক্ষা করছেন। ব্লগাইতে ব্লগাইতে এক বছর পার হয়ে গেছে।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ব্যাপারে আগেই আগ্রহ ছিলো। কিন্তু কেমতে কি কিছুই জানতাম না। আমি প্রাণীর ছাত্র। এই সব ভালো বুঝি না। গ্রাফিক্স সম্পর্কে ধারণা স্পষ্ট ছিলো মোটামুটি। এক বড় ভাইয়ের কাছে কষ্টমষ্ট করে এই তথ্যটুকু জানলাম, গ্রাফিক্স জানা থাকলে ওয়েব ডিজাইন সহজে জানা যায়।
সামুতে আসার ৪/৫ মাস পর হঠাৎ করেই একটা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটে ভর্তি হলাম। ওখানে বেশ ভালোই ধারণা হলো। সেই সুবাধে নেটেও নিয়মিত বসা হতো। ধীরে ধীরে আবিষ্কার করলাম, এখানে শুধু সাহিত্যপ্রেমী আর লেখকরাই নন, ওয়েবের অনেক টেকনিক্যাল লোকও নিয়মিত আসনে, পোস্টান এবং ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর মতো অন্যকে সহায়তাও করেন।
আমার প্রথমে চোখ পড়লো ত্রিভুজ নামক এক ব্লগারের প্রতি। দেখলাম তাঁর ব্লগে অনেক অনেক তথ্য।
এডসেন্স নিয়ে আমি উঠে পড়ে লাগলাম। এক একটা পর্ব পড়ি আর সেই অনুযায়ী রাত জেগে পাগলের মতো চেষ্টা চালাই। আমাদের মহান নেট স্পীড-এর কারণে দশ মিনিটের কাজ করতে মাঝে মাঝে দশ ঘণ্টাও ওভার হয়ে যায়... <img src=(" style="border:0;" /> ।
এভাবে করতে করতে ব্লগস্পটে কয়েকটি ব্লগ খুললাম। এবং এডসেন্স-এর জন্য আবেদন করায় তা এপ্রুভও হলো। মহানন্দে ব্লগ প্রতিদিন কয়েকবার করে আপডেট করি। সাইবার ক্যাফে বসে নিজের ব্লগ দেখি, এডে ক্লিক করি, বন্ধুদের বাসায় গিয়ে এডে ক্লিক করি। পরিচিত যতো জন আছেন সবাইকে কয়েকবার করে এসএমএস করে ব্লগের এড্রেস দিই... এডসেন্স-এ প্রতিদিনই ডলার জমতে থাকে... <img src=" style="border:0;" />
আহা কী আনন্দ... <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />
এভাবে করতে করতে মোটামুটি ১৭ দিনে আমার একাউন্টে ব্যালেন্স জমা পড়লো ৩৯ ডলার সামথিং। আমি আনন্দে মাতোয়ারা... মাথায় শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে কীভাবে আরও আর্ন বাড়ানো যায়।
এক বন্ধু নিয়মিত ব্রিটিশ কাউন্সিলে যায়। তাকে বার বার রিকোয়েস্ট করিয়ে একদিন ওখানকার ক্যাফেতে বসালাম। অনুরোধ করলাম এডে ক্লিক করার জন্য। সেও ক্লিক করলো। হিসেব করে দেখলাম তার মাত্র ৭ ক্লিকে ৯.৭৫ ডলার জমা হয়েছে... <img src=" style="border:0;" />
কী খুশি !!
এভাবে করতে করতে একদিন রাতে এডসেন্স-এর ব্যালেন্স চেক করতে গিয়ে দেখি... <img src=(" style="border:0;" />
অনেক অনুনয়-বিনয় করার পরও কিছু হইলো না। পরে এক এই ব্লগেরই একজনের পোস্টে জানলাম... তিনি তার অভিজ্ঞতা এবং আহিরত জানা থেকে জানেন, গুগল আজ পর্যন্ত ইনএকটিভ একাউন্ট একটিভ করেনি। শুধু একজনের টাকা ফেরত দিয়েছে। অন্যথায় যার একাউন্ট ব্যান হয়, আর্ন করা ডলার এবং একাউন্ট দুটোই বাদ হয়ে যায়।


২.
গুগলের উপর আমি মহাবিরক্ত... <img src=" style="border:0;" /> ।
ব্লগার ত্রিভুজের উপর আরও বিরক্ত।
এক. তার লেখা পড়ে অনেক সময় নষ্ট করে আর্ন করা টাকা জলে গেছে।
দুই. তাকে অনেকগুলো মেইল করেও জবাব না পাওয়ায়...

একক সময় সামুর উপরও রাগলাম। কেন, কে জানে? <img src=" style="border:0;" />


৩.
আলু ব্লগে তখন আমি নিয়মিত।
ওখানেই এক ব্লগারের পোস্ট পড়ে এডসেন্স-এর উপর রাগ কমলো, ভুল বোঝাবুঝি কমলো।
আমি নতুন উদ্যমে নামলাম।
এই ব্লগারের নাম হাসান- জিন্নাত উল হাসান। থাকেন লন্ডনে। জব এবং হবি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও।
আবারও ব্লগার.কম-এ দুটো ব্লগ বানালাম। এক বন্ধুর নামে এডসেন্স-এর জন্য আবেদন করলাম। এটা এপ্রুভ হলো। এবার খুব বুঝে শুনে পোস্ট দিতে লাগলাম।
এবং আমি যে গুগল এডসেন্স ব্যবহার করি তা ভুলেও কাউকে বললাম না।
ফ্রি বইয়ের উপর একটি ব্লগ বানালাম। আরেকটি ওয়েব টিউটোরিয়াল নিয়ে।
গুগল এবং এরকম বিভিন্ন জায়গায় সার্চ দিয়ে যেখানে বইয়ের লিংক বের করে ফ্রি বইয়ের ব্লগে জুড়ে দিয়ে পোস্ট দিই।
আর ওয়েব ডেভেলপমেন্ট-এর এখানে যা শিখেছিলাম তা দিই নেটমাস্টারওয়ার্ল্ড নামক একটি ব্লগে।
এভাবে করতে করতে ট্র্যাফিক-এ দেখি গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকেও ইউজার পাচ্ছি। <img src=" style="border:0;" /> কিন্তু আশানুরূপ নয়। বুঝলাম এবার নিজস্ব সাইট দরকার। কিনলাম দুটো ডোমেইন+হোস্টিং। ব্লগ সাইট দুটির দায়িত্ব বুঝিয়ে দিলাম যে বন্ধুর নামে এডসেন্স করা তাকে। বুঝিয়ে দিলাম কীভাবে পোস্ট দিতে হয়, কীভাবে অপারেট করতে হয়। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। পড়া ছাড়া আর কিছু যে দুনিয়াতে আছে তা তার মাথায় ঢুকে না। কিন্তু বন্ধুর কথা চিন্তা করে সে দায়িত্ব নিলো।

গুগল নিয়ে অভিজ্ঞতাগুলো রাতে লিখবো...
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
পরের পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28981035 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28981035 2009-07-20 19:14:55
কে? কেন? কখন? | একটা উপন্যাসের অংশ বিশেষ লিখলাম। যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে বাকি অংশ লিখবো, নয়তো নয়... আজ তিন দিন যাবত রঙ্গুকে খুঁজছি। যাকে বলে গরু খোঁজা। কিন্তু হারামজাদাকে কোথাও পাচ্ছিনা। ঢং করার জন্য কোথায় আবার বসে আছে কে জানে? পেলে হারামজাদার পাছা বরাবর দুটো লাত্থি দিতে হবে কষে। তারপর জিজ্ঞেস করবো, কোথায় ছিলি বাছাধন? আগে কোনো কথা বলবো না। আগে পাছায় লাত্থি দিতে হবে। পরে কথা আগে কাজ।
দাঁড়ি কাটবো না কাটবো না করেও কেটে ফেললাম। আজ ঈশার সাথে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ঈশা দাঁড়ি একদম সহ্য করতে পারে না। আমি অবশ্য দাঁড়ি সে কারণে কাটিনি। দাঁড়ি কাটার পেছনে কারণ আছে। সুক্ষ্ম বুদ্ধির কাজ আছে একটা। মানুষ বড় স্বার্থপর বস্তু। কারণ ছাড়া কোনো কাজ করে না। আচ্ছা মানুষ কি ‘বস্তু’? কি জানি হতেও পারে। লোপামুদ্রা মিত্র বলেছেন, ছোটবেলায় মনে হতো বিপরীতার্থক শব্দগুলো একটি অন্যটি থেকে বিরাট ব্যাবধানে বাস করে। কিন্তু যতই বড় হচ্ছেন তিনি, তার কাছে মনে হচ্ছে ব্যবধানটা ক্রমশ কমছে। আমার এক দাদা ছিলেন, যিনি বাজার থেকে যেকোনো খাবার আনলেই ওটাকে বলতেন বস্তু।
গোসল করতে গিয়ে দেখি সোপকেসে সাবান নেই। মাত্র দুদিন আগে প্যাকেট খুলে সুপকেসে রেখেছি নতুন সিনথল সাবান। গত সপ্তাহে যেটা বড় আপা দিয়েছিলো। আমাকে নাকি দেখাচ্ছিলো কাকের মতো । তার ধারণা আমি সাবান ছাড়াই গোসল করি। গোসল করতে গিয়ে সাবান না পেলে তো সাবান ছাড়াই গোসল করতে হয়, নাকি? ইঁদুরে নিয়ে গেলো নাকি কে জানে! আজকালকার ইঁদুরগুলোও বেশ সেয়ানা। অনেক আগে একটা গল্প পড়েছিলাম, ‘শহুরে ইঁদুর ও গেঁয়ো ইঁদুর’ নাম ছিলো সম্ভবত গল্পটার। গল্পের ইঁদুরের সাথে বাস্তবের ইঁদুরের জীবন বর্তমানে মিলে না। বর্তমানের ইঁদুরগুলো চোখের সামনে দিয়ে দৌড়ে যায়। লাঠি নিয়ে তেড়ে গেলে উল্টো কামড়াতে আসে।
কিন্তু সোপকেস খুলে ইঁদুর সাবান নিয়ে যাবে ব্যাপারটা তেমন গ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। সম্ভবত কেউ গোসল করতে নিয়ে আর ফিরিয়ে আনতে পারেনি। সাবান মাখার সময় হয়তো কমোডে পড়ে গেছে হাত ফসকে। মেসে কমোড আর বাথ একসাথেই থাকে। আমার এক বন্ধু আছে সে আবার এই সিস্টেমকে বলে এটাচড কমোড বাথ।
অতো সকালে দোকান খোলার কথা না। সুতরাং সাবান ছাড়াই আমাকে গোসল করতে হলো, এক টাকা দামের শ্যাম্পুর অর্ধেক মাথায় আর অর্ধেক শরীরে মেখে।
গোসল করার পর আর তেমন খারাপ লাগছে না। মোটামুটি ভালোই লাগছে। সারা শরীরে ভালো করে লোশন মাখার ফলে আঠা আঠা ভাবটা দূর হয়েছে।
আফটার লোশনটা বেশ গন্ধ ছড়াচ্ছে। মনটা ফুরফুরে হওয়ার কথা কিন্তু হচ্ছে না।
এক গ্লাস পানি খেয়েই যাত্রা শুরু করলাম আজকের। সকালে ঘুম থেকে উঠে যা মনে হয়েছে তা আজ ফললে চলবে না। আজ অলিখিত মনের আইন ভাঙ্গতে হবে। মানুষ যেমন সবসময় আইন মেনে চলতে পারে না। তেমনি মনকেও সবসময় আইন মেনে চলতে দেয়া উচিত নয়। চেষ্টা করতে হবে। চেষ্টায় সব হয়। ‘সব’ হয়? তাহলে আজ তিন দিন যাবত আমি কি রঙ্গুকে খোঁজার চেষ্টা করিনি? হতেও পারে।
রুম থেকে বের হতেই গায়ে একপাল ঠাণ্ডা বাতাস লাগলো। তবুও মেজাজটা ফুরফুরে হলো না। ঠাণ্ডা বাতাসের সাথে গায়ে এবং নাকে একরাশ দুর্গন্ধও লাগলো। ঢাকা শহর চেনার সহজ উপায় হলো এই দুর্গন্ধ। যে শহরের অলি গলিতে জমানো ময়লার দুর্গন্ধ পাওয়া যায় সেই শহরের নামই হলো ঢাকা শহর। ইউশার সংজ্ঞাটা সম্ভবত ভুল নয়।
ইউশা আজ কোথায় আছে কে জানে! সবাই তাকে প্রকৃতির সন্তান বলতো। শেষ দেখা হয়েছিলো ওর সাথে বছর তিন আগে নারায়ণগঞ্জ। আমাকে দেখে ও যতো সহজে চিনতে পারলো আমি কিন্তু অতো সহজে ওকে চিনতে পারলাম না। চোখে মোটা কাঁচের চশমা। আর শরীরে লাগিয়েছে একদঙ্গল রঙিন কাপড় চোপড়। মাথায় মাঙ্কি ক্যাপ।
প্রাথমিক আলাপের পর আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইউশা তুই কি এখনো গাছের কথা শুনতে পাস? আমার কথা শুনে ইউশা হো হো করে হাসতে লাগলো। যেনো আমি একটা বদ্ধ উন্মাদ। হাসি থামিয়ে বললো, তুই কি পাগল বলতো? গাছ কি কখনো কথা বলে? বলে না। ও সবই ছিলো আমার ভ্রান্ত মনের ভ্রান্ত ধারণা।
শুনে আমার বেশ মন খারাপ হলো। বললাম, ইউশা, তোকে আমার একদম সহ্য হচ্ছে না। তুই আমার কাছ থেকে বিদেয় হ। বলে আমি নিজেই ইউশার কাছ থেকে দূরে যাবার জন্য বিদেয় হলাম।
ইউশা চোখ বড় বড় করে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো। আমি ওকে ছেড়ে দিয়ে বড় বড় কদম ফেলে হাঁটতে লাগলাম কালিবাজারের কাছ থেকে রেল স্টেশনের দিকে। ইউশা হতম্ভব ভাব কাটিয়েই আমার পেছনে দৌড়ে আসতে আসতে ডাকলো, এই রুদ্র, এই! শোন আমার কথা?
আমি দাঁড়ালাম না শোনার জন্য, ইউশার সাথে সেই শেষ দেখা। প্রকৃতি একটা মানুষকে একটা ক্ষমতা দিয়েছিলো। সেটা আবার কেড়ে নিয়েছে, এরচে বড় দুঃখের কথা আর কি হতে পারে! আমার চোখে পানি এসে পড়লো নাকি!
জগতে মায়া নামক বস্তুটা খুবই খারাপ। মায়া জগতে না থাকলেই ভালো হতো। ইউশার জন্য কি আমার মায়া হচ্ছে? আমি মায়াকে পাত্তা দিলাম না। আমার গন্তব্যে আমি হাঁটতে লাগলাম। প্রকৃতির দান মায়া। মায়াকে প্রকৃতি মানুষের কাছ থেকে তুলে নিচ্ছে না কেন? প্রকৃতিকে অভিশাপ দেয়া কতোটা যুক্তিসঙ্গত হিসেব করে পেলাম না। পেলে ঠিকই প্রকৃতিকে অভিশাপ দিতাম। কঠিন অভিশাপ।
দিন দিন প্রকৃতির প্রতি আমার অভিযোগ বেড়েই চলেছে। ওহে প্রকৃতি, তুমি কেমন আছো? বিয়া করবা?
হ্যাঁ, মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে। প্রকৃতিকে একটা বিয়ে করাতে হবে। বিয়ে মানুষকে যেমন ধ্বংস করে প্রকৃতিকেও ধ্বংস করবে নিশ্চয়।
আমার বেশ মজা লাগছে। মনে মনে হাসতে লাগলাম।

পকেটে আছে চকচকে দশ টাকার একটা নোট। টাকাটা দিয়ে কি করবো বুঝতে পারছি না। রাতে ভালো খানা হয়েছে। এখন না খেলেও চলবে। বারোটা পর্যন্ত না খেয়ে থাকা কোনো ব্যাপারই না। এগুলো আজকাল জলবৎ তরলং হয়ে গেছে আমার কাছে। বারোটা বাজতে এখনো পাঁচ ঘণ্টা বাকি। এই পাঁচ ঘন্টার মধ্যে যেকোনো একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে আশা করতে দোষ কি? আর ব্যবস্থা না হলেও বা কি? সারা পৃথিবীতে প্রতিদিন কত হাজার মানুষ না খেয়ে মারা যায় তার হিসেব কি আমরা রাখি? হিসেব যেহেতু রাখি না সুতরাং তাদের একজন হতে দোষ কোথায়?
দশটাকা পকেটে থাকতে আজকে অন্তত মরবো না। কিন্তু মরার জন্য চেষ্টা চালাবো কি? না, অন্য অনেক কাজ আছে।
রঙ্গুকে খোঁজে বের করতে হবে। তাকে নিয়ে যেতে হবে বড় মামার কাছে। আমার মামারা হলো পিচাশ শ্রেণীর মানুষ। তারা নিজেদের আত্মীয় স্বজনদের জন্য তেমন একটা কিছু করতে চায় না। তাদের যা করার তা শুধু অপরিচিত লোকদের জন্য। তাও আবার সবার জন্য নয়। যারা তাদের গুণকীর্তন করতে পারে শুধু তাদের জন্যই তারা করে। এহেন মামা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন একজন পেশাদার খুনীকে খোঁজে বের করার জন্য।
দায়িত্ব পেয়ে আমি যারপরনাই খুশি। পেশাদার খুনি দিয়ে মামা কি করবেন সেটা আমার চিন্তার বিষয় নয়। আমার চিন্তার বিষয় হলেও কিছু করার নেই। মামাকে এটা জিজ্ঞেস করা বেয়াদবির পর্যায়ে পড়ে। বেয়াদবির কাজ আমি করতে চাই না। মামা যা চেয়েছেন আমি তাই করছি।
রঙ্গুর সাথে আমার পরিচয় বছর খানিক আগে। তার পেশা হচ্ছে মানুষ খুন করা। একটা খুনের জন্য সে পায় পাঁচ থেকে দশ হাজার টাকা। অর্থাৎ একটা জীবনের মূল্য সর্বসাকুল্যে দশ হাজার টাকা। তাও বা কম কিসে? দশ হাজার টাকায় দশ হাজার চকলেট কিনা যায়, যদি এক টাকা দামের হয়। অবশ্য এক সাথে এতগুলো কিনলে আরও কিছু ফাও পাওয়া যাবার কথা।
আমার গুরু হিমালয় ওরফে হিমু হলে অবশ্য দশ হাজার টাকায় দশ হাজার দিয়াশলাই কিনতে চাইতেন। তারপর দশ হাজার দিয়াশলাইয়ে কতগুলো কাঠি আছে সেটা হিসেব করতেন। সেই হিসেবও তিনি কোনো কারণ ছাড়া করতেন না। দেখা যেতো এই হিসেব একদিন তার বিরাট কাজে আসছে।

পকেটে দশ টাকা নিয়ে ঢাকা শহরে ঘুরে বেড়ালে হবে? দশ টাকা খরচ করা দরকার। কিন্তু কি করবো? নাস্তা করবো? ক্ষুধা অনুভব হচ্ছে। পাশে একটা হোটেল দেখতে পাচ্ছি। হোটেলে ঢোকা যেতে পারে। দুটো পরোটা আর ডাল। বিল হবে আট টাকা। পকেটে আরও দু টাকা থাকবে। দু টাকা দিয়ে কী করবো? সিগারেট খাবো? একটা সিগারেট খেতে ইচ্ছে করছে খুব।

ভাইজান এখানে কি করতাছেন?
পাশে ফিরে দেখলাম, চিনতে পারছি না এমন একটা লোক আমার দিকে তাকিয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসছে। তার হাসিতে যে কেউ মুহিত হবে তা নয়। বড় কুৎসিত হাসি। আমি তার দিকে তাকিয়ে মধুর করে হাসার চেষ্টা করলাম। এ হাসির অর্থ হচ্ছে, আমি কিছুই করছি না। কিংবা এর অর্থ সে এমনও ধরতে পারে, হ্যাঁ আমি কিছু করছি।
দেখি লোকটা এর অর্থ কী ধরে? লোকটার মতলব যদি ভালো হয় তাহলে সে এ হাসির অর্থ হিসেব করবে আমি কিছু করছি না। আর যদি তার মতলব খারাপ থাকে তাহলে হাসির অর্থ হিসেব করবে আমি কিছু করছি। এবং সে আমার দিকে এগিয়ে আসবে আমি কি করছি তা দেখার জন্য।
লোকটা সত্যি সত্যি আমার দিকে এগিয়ে এলো। তার মানে কি লোকটার মতলব খারাপ? এখন অবশ্য তার হাসিটা অতো বিশ্রী দেখাচ্ছে না। লোকটা কি তার হাসির ধরণ পাল্টিয়েছে? আমি কি তার থেকে নিষ্কৃতি পাবার চেষ্টা করবো? হোটেলে ঢুকে গেলেই হয়। আমাকে আর ঘাটাতে সাহস করবে না। অবশ্য দশ টাকার জন্য এই লোক আমাকে হাইজ্যাক করবে বলে মনে হয় না। আর করলেই বা কি করা যেতে পারে!
আমার কাছে এসে লোকটা দাঁড়ালো। আমি নির্লিপ্তভাবে অন্যদিকে তাকিয়ে রইলাম। সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করার চূড়ান্ত নোটিশ। কিন্তু নোটিশে কাজ দিচ্ছে না।
আপনে আমারে চিনতেছেন না? আমি রঙ্গু বসের সাথে থাকি।
রঙ্গুর কথা লোকটার মুখে শুনে আমি তড়াক করে ফিরে তাকালাম তার দিকে। তাকিয়ে বুঝলাম এ লোককে আমি চিনি। এ লোক রঙ্গুর কাছের মানুষ। সম্ভবত এর নাম ফিল্টু। ফিল্টু না হয়ে বিল্টুও হতে পারে। ফিল্টু, বিল্টু, মিল্টু, তিল্টু, কিল্টু, ঝিল্টু...
বস আপনেরে হন্য হয়ে খুঁজতেছে। আর আপনে এই হানে দাঁড়ায়া করতাছেন টা কি?
বস মানে রঙ্গু আমাকে খুঁজতেছে আর আমি রঙ্গুকে খুঁজতেছি। ভারি মজা লাগলো আমার।
আসেন আমার সাথে। আমার উফর হুকুম হইছে আপনেরে যেখানে পাই সেখান থেইকা ধইরা নেয়া। সীতা খোঁজা খুঁজতেছি আপনেরে গত দুই দিন থাইক্কা! আপনে অখন থাকেন কই? আগের মেসে গেছিলাম। ম্যানেজার সাব কয়, আপনে নাকি হেরে নিষেধ করছেন আপনের ঠিকানা কওনের লেইগ্গা? পরে যখন মালডা বাইর কইরা দিলাম কষে ধমক। তখন আপনের ঠিকানা বের কইরা দিছে। অই ঠিকানায় গিয়া শুনলাম আপনে আবারো মেছ বদলাইছেন।
এই সব আপনে করতাছেন কি? বস তো চেইত্যা গেছে গা।

আমি বললাম, ফিল্টু, তুমি এক কাজ করো, আমাকে বেঁধে নিয়ে চলো। তাহলে তোমার বস খুব খুশি হবে। চাকুরি রাখার প্রধান শর্ত হচ্ছে বসকে খুশি রাখা। আমাকে বেঁধে না নিলে আমি যেকোনো সময় দৌড় দিতে পারি। তখন তোমার অবস্থা কি হবে চিন্তা করেছো?
ফিল্টু আমার কথা শুনে থতমত খেলো।

আপনে কি যে শরমের কথা কন ভাইজান? কথার কথা কইলাম আপনেরে যেখানে পাই সেখান থেকে ধইরা নেয়ার হুকুম। তাই বইলা আপনে গোস্যা করবেন এইডা কেমুন বিবেচনা আপনের?

আমি গোস্যা হই নাই ফিল্টু। আমার ভাবগতিক বিশেষ সুবিধার ঠেকতেছে না আমার নিজের কাছেই। তাই এই কথা বলা। এবার তোমার যা ইচ্ছে তাই কর।
আমার কথা শুনে ফিল্টু হেলুসিনেশনে পড়লো। মানুষ যখন হেলুসিনেশনে পড়ে তখন তার আসল রূপ খুব সহজে ধরা পড়ে। ফিল্টুর সহজ সরল মুখটা আমার কাছে ধরা পড়লো। আহা বেচারা। এই ফিল্টুই একদিন দেশের কুখ্যাত কিলার হিসাবে পরিচিতি লাভ করবে। পুলিশ তাকে খুঁজে বেড়াবে যদিও সে পুলিশের সাথে উঠাবসা করবে। কিন্তু পুলিশ তাকে দেখবে না। বাংলা ভাইকেও পুলিশ খুঁজে পায় নি বছরের পর বছর। আহা আমাদের পুলিশ প্রশাসন। গুরু হিমু বলেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ এখন বেঁচে থাকলে গান লিখতেন, ও আমার দেশের পুলিশ, তোমার পায়ে ঠেকাই মাথা। অতীব সত্য কথা।
আফসোস! রবীন্দ্রনাথ বেঁচে নেই।

আমি ফিল্টুকে জিজ্ঞেস করলাম, আমাকে এখন কোথায় নিয়ে যাবে? তোমার বস কোথায় আছে ফিল্টু?
ভাইজান আমার নাম মিল্টন। আমার সাথে আসেন আপনেরে বসের কাছে লইয়া যাইতেছি। একটু সামনে গেলেই বসের গাড়ি আছে। ওইখানে বস আপনের জন্যি অপেক্ষা করতেছে। আজকা সকালে বস আপনের বাসা খুঁইজা পাইছে। নিজস্ব চ্যানেল ইউজ করে।
আমি ফিল্টুর পিছু পিছু হেঁটে গেলাম রাস্তা পর্যন্ত। রাস্তার পাশে একটা টয়োটা করোলা ল্যান্ড করা। কালো কাঁচের গ্লাস। ভেতরে কি আছে বোঝা যাচ্ছে না। আমি ফিল্টুর দিকে তাকালাম।
ফিল্টু মুখের ঠোঁট প্রসারিত করে দাঁত না কেলিয়ে হাসলো। তারপর গাড়ির দরজা খুলে দাঁড়ালো। আমি ভেতরে গিয়ে বসলাম। মনে হলো বেহেস্তে ঢুকে পড়েছি। বেহেস্ত কি এর চেয়েও আরামদায়ক? আল্লাহ কোরানের কোথায় যেনো বলেছেন, আমি তোমাদের জন্য বেহেস্ত আরামদায়কভাবে বানিয়েছি। আমাদেরকে আরামে রেখে আল্লাহর লাভটা কি বুঝতে পারছি না। নিশ্চয় কোনো লাভ আছে। লাভ ছাড়া কেউ কিছু করে না। অবশ্য আল্লাহ করলেও করতে পারে।
আল্লাহ হলো আল্লাহ। আল্লাহর কথা আমি কি করে বলবো?
আমি হলাম নগন্য এক মানুষ।
আমার কাজ হলো ছিরাতুল মুস্তাকিম অনুসরণ করা, আলহামদুলিল্লাহির রাব্বিল আলামীন বলা।
কিন্তু আমি এসব করছি কোথায়?
আমি সাধারণ যুবক।
আমি বাবা মার কথা মেনে চলি না। নিজের ইচ্ছানুযায়ী চলি। লেখাপড়া করি না। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াই। গুরু হিমুর মতো বোহেমিয়ান হওয়ার চেষ্টা করি। আমার গুরু কি বোহেমিনয়ান হতে চেষ্টা করেন? তা হবে কেন? তিনি তো তার বাবার ইচ্ছানুযায়ী মহাপুরুষ হবার চেষ্টারত। আর আমিতো আমার বাবার কথা শুনিই না। মায়ের কথা অমান্য করতে পারি না বলে, মায়ের কাছেই যাই না।
অবশ্য আমার রূপা না থাকলেও একজন ঈশা আছে। যে আমার রূপা। কারণ গুরু হিমুর কথা হচ্ছে, পৃথিবীর প্রতিটি যুবকই হিমু আর প্রতিটি যুবতীই রূপা।

[চলবে, যদি আপনারা চান... ]
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28980548 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28980548 2009-07-19 19:04:46
উঁ .........................
...............................
........................................
..............................................
.....................................................
................................................................
...........................................................................
......................................................................................
.............................................................................................
...................................................................................................

অনেকদিন যাবত চেষ্টা করছি কিছু লিখতে। কিন্তু পারছি না। গতকাল একটা গল্প লেখার চেষ্টা করেছিলাম। একটু লিখেই রিদম হারিয়ে ফেলি... <img src=" style="border:0;" /> । পারছি না, কিছুতেই পারছি না। আমার জন্য প্রার্থনা করুন... প্লিজ... প্লিইজ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979847 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979847 2009-07-18 03:13:05
আরও কিছু ১৮+ কৈতেক... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> ভালো না লাগলে কী করতে পারি?.... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />


এক আমেরিকান আর এক ফরাসী যুবক জাহাজডুবি হয়ে এক দুর্গম দ্বীপে আশ্রয় নিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তারা স্থানীয় জংলি সর্দারের সুন্দরী মেয়ের প্রেমে পড়ে গেলো। শুরু হলো উদ্দাম শারীরিক প্রেম। ঘটনা জানতে পেরে সর্দার গুন্ডা পাঠিয়ে ধরে আনলো দু’জনকেই।

“বিদেশি, সর্দারের একমাত্র মেয়েকে নষ্ট করে তোরা ভারি অন্যায় করেছিস।” গম্ভীর কন্ঠে জানালো সর্দার। তোদের শাস্তি হবে। বেছে নে বিদেশি, মরণ অথবা বোঙ্গাবোঙ্গা!”

আমেরিকান যুবকটি ভাবলো, বোঙ্গাবোঙ্গার মত শাস্তি থাকতে মরণ কেন? সে বেছে নিলো বোঙ্গাবোঙ্গা। কিন্তু ব্যাপারটা যে আসলে কী রকম, জানতো না বেচারা। বোঙ্গাবোঙ্গা মানে হচ্ছে পাকা বাঁশ পশ্চাদ্দেশ দিয়ে প্রবেশ করানো। তা-ই করা হলো তাকে। জল্লাদ বাঁশ কেটে নিয়ে শাস্তি দিলো। মাটিতে শুয়ো যন্ত্রণায় কাতরাতে লাগলো বেচারা।

ফরাসী ভাবলো, কোনও দরকার নেই অমন শাস্তির, এরচেয়ে মরণই ভালো। বেছে নিলো সে মরণকে।

এবার সর্দার জল্লাদের দিকে তাকিয়ে ক্রূর হেসে বললো, “না মরা পর্যন্ত এটার ওপর বোঙ্গাবোঙ্গা চালানো হোক!”


২.
সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে। একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ।

যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, “ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!”

যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …!”

যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অ্যায়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!”


৩.
ক্যাম্পিঙে গেছে ছোট্ট বাবু। কিন্তু রাতে তাঁবুতে শুয়ে কিছুতেই ঘুম আসছে না তার। অগত্যা সে তাদের দলনেত্রী মিস মিলির তাঁবুতে গিয়ে ঢুকলো সে। দেখলো মিস ভেতরে একাই আছেন।

“মিস মিস, আমি কি আপনার এখানে ঘুমোতে পারি? আমি আমার আম্মুকে ছাড়া ঘুমোতে পারি না তো, তাই।” আব্দার ধরলো সে।

মিস মিলির দয়ার শরীর, তিনি রাজি হলেন।

গুটিসুটি মেরে মিস মিলির পাশে শুয়ে পড়লো ছোট্ট বাবু। কিছুক্ষণ পর আবার মিহি গলায় বললো সে, “মিস মিস, আমি কি আপনার নাভিতে আমার বুড়ো আঙুলটা ঢুকিয়ে ঘুমোতে পারি, যেভাবে আমি বাড়িতে আমার আম্মুর পাশে ঘুমাই?”

মিস মিলির দয়ার শরীর, তিনি রাজি হলেন।

পরদিন ভোরে উঠে মিস মিল বললেন, “দ্যাখো ছোট্ট বাবু, তোমাকে একটা কথা জানানো জরুরি মনে হচ্ছে … তুমি কিন্তু কাল রাতে আমার নাভিতে বুড়ো আঙুল ঢুকিয়ে ঘুমাওনি!”

ছোট্ট বাবু বললো, “ব্যাপার না মিস। তাছাড়া ওটা আমার বুড়ো আঙুলও ছিলো না!”


৪.
এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারণ তার ইয়ে দাঁড়ায় না। ডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?

: না।
: প্রেমিকা আছে ?
: না।
: পরকীয়া করেন ?
: ন…
: টানবাজার যান ?
: না।
: মাস্টারবেট করেন?
: না।

ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, “ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেন্ডার টাঙ্গাইবেন!!!”


৫.
স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী তার পুরানো প্রেমিকের সাথে বসে গল্প করছিল। এমন সময় হঠাত স্বামী এসে পড়লে প্রেমিক আলমারির পিছনে লুকিয়ে গেল। ঘরের মেঝেতে চুরুট পড়ে থাকতে দেখে স্বামী রেগে গেল। বলে উঠল, এই চুরুট কোথা থেকে এসেছে? স্ত্রী কিছু বলতে পারল না দেখে স্বামী আরো রেগে গেল। স্বামী বলল তোমাকে বলতেই হবে এই চুরুট কোথাকার? প্রেমিক বন্ধুটি সহ্য করতে না পেরে আলমারির পিছন থেকে বের হয়ে বলল, ও তো মেয়ে মানুষ, ও কি করে জানবে এই চুরুট কোথাকার? আপনি পুরুষ মানুষ হয়ে ও চিনতে পারছেন না যে এই চুরুট আমেরিকার?

৬.
স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময়–

স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?
স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং… ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ডুকে যাই।
বারান্দায় কাজের বুয়াঃ ডুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন।


৭.
বাচ্চাদের স্কুলের টিচার মিস তানিয়া একদিন ছুটির পর ছোট্ট বাবুকে দাঁড় করালেন।

‘এক মিনিট দাঁড়াও ছোট্ট বাবু।’ চশমার ওপর দিয়ে চাইলেন তিনি। ‘তোমার হোমওয়র্ক তো খুব খারাপ হচ্ছে ক’দিন ধরে। তোমার কি কোন সমস্যা হচ্ছে?’

ছোট্ট বাবু মাথা ঝোঁকালো। ‘জ্বি টিচার। আমি প্রেমে পড়েছি।’

মিস তানিয়া মিষ্টি হাসলেন। ‘কার প্রেমে পড়েছো?’

‘আপনার, মিস তানিয়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।’

‘কিন্তু ছোট্ট বাবু,’ নরম গলায় বললেন মিস তানিয়া, ‘ভেবে দ্যাখো ব্যাপারটা কেমন বোকাটে হবে? নিশ্চয়ই আমি একদিন কাউকে স্বামী হিসেবে চাইবো … কিন্তু আমি তো কোন বাচ্চা চাই না।’

‘ভয় পাবেন না মিস।’ আশ্বাস দিলো বাবু। ‘সেক্ষেত্রে আমি কনডম ব্যবহার করবো।’


৮.
ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’

টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আট।’

টিচার বললেন, ‘না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।’

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, ‘শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।’]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979351 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979351 2009-07-16 23:13:32
ছোটগল্প : যে গল্পটি কোনোদিন লেখা হবে না... পর্ব-০১ রাজারবাগ থেকে বাসে উঠার কথা থাকলেও আমরা উঠলাম সায়েদাবাদ থেকে।
আমাদের সীটের সামনের সীটে এক অষ্টাদশী তরুণীর সীট। তার পাশে কেউ ছিলো না। তরুণী যথেষ্ট স্মার্ট। তবে তার ব্রার ভেতরে অতি যত্নে সাজিয়ে রাখা স্তনযুগল অতি সুন্দর, তা অনায়াসে বলা যায়। সে যেমন এগুলো দেখিয়ে আরাম পাচ্ছিলো, আমার মতো আর দুএকটা ভদ্রঘরের লুইচ্চাও আরামাস্বাদনের আফসোস করছিলাম। পেছনের সীটে না বসে দাড়িয়ে সামনের দিকে একটু ঝুকলে কিংবা পাশ দিয়ে কেউ যাবার সময় আড় চোখে তাকালে মহার্ঘ বস্তু দুটির পঁচানব্বই শতাংশর দেখা মেলে। আহা !

যাত্রাপথের বিরতিতে আমাদের বাস থামলো হোটেল উজানভাটিতে। স্মার্ট তরুণী তর তর করে নেমে গেলো সকালের নাস্তা আহরণ কিংবা ফ্রেশরুমের সন্ধানে। আমার এ নিয়ে মাথা ব্যথা ছিলো না।
বিরতি শেষে আমরা সবাই যখন বাসে উঠলাম, তরুণী তখনো আসেনি। সাধারণত এখানে ২০ মিনিটের যাত্রা বিরতি হয়ে থাকে। তরুণীর জন্য আরও সাত মিনিট অপেক্ষা করা হলো এবং হোটেলের মাইকে ঘোষণা করা হলো, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা শীততপ নিয়ন্ত্রিত গ্রীনলাইন বাসটি এখনি সিলেটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হচ্ছে, যাত্রীদের বাসে উঠার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

তরুণী এলো না। বাসের সবাই মন খারাপ করলো। শুধু আমার সহযাত্রী উন্মাদ পত্রিকা নিয়ে উন্মাদনা করছিলো। তার এ বিষয়ে আগ্রহ তেমন একটা নেই।

[পরের অংশটুকু আগামীকাল]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979224 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979224 2009-07-16 18:16:12
এইটি আমার খুব প্রিয়, আপনার কেমন লাগলো জানায়েন... [ ইহা ১৮+ মুক্ত... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> ] .........
......
...
..
.


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979064 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28979064 2009-07-16 12:15:46
কিছু ১৮+ কৈত্কে ! কমন পড়লেও পইড়া লন.... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
<img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

দুই নান গেছে কাঁচাবাজারে সব্জি কিনতে। ঘুরে ঘুরে এটা দেখে সেটা শুঁকে কিছুতেই পছন্দের সাইজের গাজর কিনতে পারলো না তারা। শেষমেশ তারা শসাঅলার কাছ থেকে দুটো শসা কিনলো।

শসাঅলা একগাল হেসে বললো, “নেন সিস্টার, এই যে আরেকটা। আজকে আমার ইস্পিশাল বিক্রি, দুইটা কিনলে একটা ফ্রি।”

এক নান অন্যজনের দিকে ফিরে বললো, “বাহ্, মন্দ কী? চল, তিন নম্বরটা খাওয়া যাবে।”

২.
মানসিক রোগীদের হাসপাতাল।

জুমনের ঘরে ঢুকলো নার্স। জুমন খাটের ওপর শুয়ে হাত দুটো সামনে বাড়িয়ে গুনগুন শব্দ করছে।

“জুমন, কী হচ্ছে এসব?”

জুমন বললো, “আমি গাড়ি চালাচ্ছি, চট্টগ্রাম যাবো।”

পরদিন রাতে নার্স দেখলো, জুমন বসে বসে ঝিমোচ্ছে। “জুমন, কী হচ্ছে এসব?”

“মাত্র পৌঁছালাম চট্টগ্রামে, বিরক্ত কোরো না।” হেঁকে বললো জুমন।

এবার পাশের ঘরে সুমনের ঘরে গেলো নার্স। দেখলো, সেখানে সুমন বিছানায় শুয়ে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করছে।

“সুমন, কী হচ্ছে এসব?” প্রশ্ন করলো নার্স।

“জ্বালাতন কোরো না। দেখতে পাও না, জুমনের বউয়ের সাথে প্রেম করছি? ঐ শালা তো গেছে চট্টগ্রাম!”


৩.
শপিং সেরে বাড়ি ফিরতেই ছোট্ট বাবু তার মাকে বললো, “মা মা, আজ কী হয়েছে শোনো, আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢুকলো। তারা দু’জন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো …।”

এটুকু শুনেই বাবুর মা তাকে থামিয়ে দিলেন। মুখখানা গম্ভীর করে বললেন, “ব্যস, আর একটা শব্দ না। এবার বাবা ফিরলে তুমি যা দেখেছো, তা আবার ঠিক ঠিক বলবে, কেমন?”

বাবুর বাবা বাড়ি ফিরতেই বাবুর মা মুখ ঝামটা দিলেন। “তোমার মতো একটা লম্পটের সাথে আমি আর সংসার করবো না।”

বাবুর বাবা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললেন, “কেন?”

তখন বাবুর মা বললেন, “বল বাবু, কী দেখেছিস গুছিয়ে বল।”

বাবু বললো, “আমি তোমার আলমারিতে লুকিয়ে খেলছিলাম, এমন সময় বাবা আর পাশের ফ্ল্যাটের টিনা আন্টি এসে ঢকলো। তারা দু’জন সব জামাকাপড় খুলে ফেললো, তারপর বাবা টিনা আন্টির ওপর চড়ে বসলো, তারপর তুমি আর আক্কাস আঙ্কেল গত পরশু দিন দুপুরে যা করেছিলে, বাবা আর টিনা আন্টি তা-ই করতে লাগলো …।”]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28978889 http://www.somewhereinblog.net/blog/bihosh/28978889 2009-07-15 23:32:07