আত্রেয়ীর কবিতা বউনী
বিহংগের কবিতা-বিহংগের বয়কট
সুনীল সমুদ্রের কবিতা-আজকে আমার বিকেলগুলো,অন্যকারো?
মানব মানিকের কবিতা-বারবণিতার জবানবন্দি
সিঁদুরে মেঘের কবিতা-মুখ ঢাকি লজ্জায়
বাংলা সাহিত্যের ভান্ডার খুঁজে যারা ব্লগে কালজয়ী কবিতা পোস্ট করছেন ,তাদের বিনীত ধন্যবাদ।ধন্যবাদ আজহার ফরহাদ আর আব্দুর রাজ্জাক শিপনকে।
আমি অতি ক্ষুদ্র মানুষ।জানার আগ্রহ বেশী,তবে নিতান্তই কম জানি।আমি ব্লগের ভিতর থেকে প্রতি সপ্তাহে একটি সুন্দর কবিতা পোস্ট করবো। আশাকরি আপনাদের ভালো লাগবে। আজকের কবিতাটি একবার পড়ে দেখুন। দুচোখে অশ্রু নেমে আসে-
কালপুরুষের কবিতা -বাবা কেন যুদ্ধে গেলো?
মাগো, সেই গল্প বলো- বাবা কেন যুদ্ধে গেলো?
গভীর রাতে চিঠি হাতে- একা কেন অশ্রু ফেলো?
আমার মতো অন্য সবার- মায়ের মুখে কত হাসি!
তোমার মুখে কালো ছায়া- অন্ধকার এক সর্বনাশী।
সেদিন নাহয় ছোট ছিলাম- অবুঝ ছিলাম শিশুর মতো,
এখন আমি অনেক বড়- শুনবো বাবার গল্প যতো।
বলো মাগো, বলো এবার- শুনবো সব ভয় কী তোমার?
মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আমি- শহীদের রক্ত বুকে আমার।
মুখের ভাষা কাড়বে জেনে- দাদু যেদিন মিছিলে গেল,
সন্ধ্যাবেলায় সেই দাদু মোর- শহীদ হয়ে ফিরে এলো।
বাবার শোকে পাগল ছেলে- বুক ফেটে তার কান্না আসে,
আগুন ঝরে দুই চোখে তার- প্রতিশোধের স্বপ্ন ভাসে।
ছেলের বুকে প্রথম সেদিন- ফাগুনে যে জ্বললো আগুন,
একাত্তরে সেই আগুন আজ- নতুন করে জ্বললো দ্বিগুন।
বললো আমি যুদ্ধে যাবো- খোকাকে তুমি আগলে রেখো,
শত্রুছাড়া করবো এদেশ- স্বাধীন হয়েই ফিরবো দেখো।
ভোর না হতেই বাবা যে তোর- এক কাপড়ে যুদ্ধে গেল,
যাবার আগে আদর করে- তোর কপালে চুমু খেল।
তখন তুই ঘুমিয়ে ছিলি- জানলিনা তার কোন খবর,
আজকে তোকে বলছি শোন- উঠোনে তোর বাবার কবর।
দেশতো খোকা স্বাধীন হলো- লাখো শহীদের রক্ত দানে,
শত্রুরা আজও পালিয়ে আছে- কাছে কোথাও কে জানে?
শহীদ বাবার ছেলে যে তুই- রাখবি মায়ের শেষ সম্মান,
দেশের শত্রু করবি নিধন- ক্ষমা নেই ওদের, করে দে সাবধান!
(বিজয়ের মাসে, শেষ নিবেদন)
কালপুরুষের কবিতা-বাবা কেন যুদ্ধে গেলো?
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


