যুদ্ধবাজ বুশ ,ক্রিসমাসের প্রাক্কালে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য ওবামার হুয়াইট হাউজে হাজির হয়েছেন। পৃথিবী ব্যাপি শান্তি কামি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সেখানে আমন্ত্রিত হয়েছেন,২০০৬ সালের নোবেল বিজয়ী- মুহাম্মদ ইউনুস, ২০০৭ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আল গোর আর ২০০৮ সালের মারত্তি আহথিচারি।
হুয়াইট হাউজের ডিনারের পর সবাই আলোচনার টেবিলে।
ওবামা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আরো ৩০ হাজার সৈন্য আফগানিস্তানে পাঠাবেন।
শান্তি প্রতিষ্ঠায় আপাত কঠোর হতে হবে। আপাত দৃষ্টিতে বিশ্ববাসীর চোখে তা খারাপ দেখালেও ভবিষ্যত শান্তিকে তা সুসংহত করবে।
বুশ বলে ওঠলেন ২য় বিশ্বযুদ্ধের যেমন সমাপনি টেনেছিলো হিরোসিমা আর নাগাসাকির পারমাণবিক বোম। না হলে যুদ্ধ আরো প্রলম্বিত হতো। মৃত মানুষের সংখ্যা তাতে বাড়তো বই কমতো না।
এবার আল গোর বলেন-- তাহলে ৩০ হাজার সৈন্য পাঠানোর পর যদি আফগানে শান্তি না আসে তাহলে কী হবে। ইরাকের কথা না হয় বাদই দিলাম। ইরান ক্রমশঃ ফুসে ওঠছে। চেচনিয়ার দাবানল এখনো শেষ হয়নি। আয়ারল্যান্ড বাসীর আক্রোশ বাড়ছে।তিব্বতের শান্তি সূদূর পরাহত। ভূস্বর্গ কাশ্মীর বিপর্যস্ত। উত্তর কোরিয়ার পারমানবিক হুংকার।এ্যলিয়েনের গাড়ে দোষ চাপিয়ে রাশান সমর যান,অন্য দেশের আকাশ সীমা লংঘন করছে..............................
বুশ এবার গোরকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, এ ক্ষেত্রে আমরা থার্ড ওয়াল্ড ওয়ারের চিন্তা করছি।
ফিনল্যান্ডের MARTTI AHTISAARI বললেন-- তাতে কী হবে?
বুশ বললেন-- তাতে আর কি হবে?পৃথিবীর ১০ মিলিয়ন লোক মেরে ফেলা হবে। আরে সাথে মেরে ফেলা হবে বর্তমান বিশ্ব সুন্দরীকে।
এবার সাথে সাথে ইউনুস, আলগোর আর এহথিচারি বুশকে থামিয়ে দিয়ে একসাথে বলে ওঠলেন- কেন কেন--বিশ্ব সুন্দরীকে কেন মেরে ফেলা হবে?
বুশ এবার তার সেই দুষ্টু হাসি পুরো মুখে ছড়িয়ে দিয়ে ওবামার পিঠ চাপড়ে বললেন, কী তোমাকে আগে বলিনি, পুরো পৃথিবীর ১০ মিলিয়ন না তার ও বেশি ও যদি মানুষ মেরে ফেলা হয়, কারো কোনো মাথা ব্যথা নেই, সবার চিন্তা শুধু সুন্দরীদের নিয়েই। আর সেমিনার,বক্তৃতা, গোল টেবেল বৈঠকে যা বলা হয় সবি বাকোয়াজ। সবি জারিজুরি, সবি ফাঁকাবুলি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


