মাইক্রোসফট এর সাতকাহন - পর্ব ৩ (মাইক্রোসফট এর সেকাল একাল)
২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৩
পর্ব ২ (ইন্টার্ণশীপ অভিজ্ঞতা)
শুরুর ঘটনাঃ
মাইক্রোসফট পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কম্পিউটার সফটওয়ার প্রস্তুতকারী কম্পানী। এবং এটি সবচেয়ে পুরনো সফটওয়ার কম্পানীগুলোরও একটি।
মাইক্রোসফট এর শুরু হয় ১৯৭৫ সালে আমেরিকার নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের আলবাকার্কি শহরে। যদিও মাইক্রোসফট এর মূল প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এর বাড়ি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে (যেখানে মাইক্রোসফট এর বর্তমান প্রধান অফিস), তিনি এর শুরুটা করেন প্রায় পনের'শ মাইল দূরের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি শহরে। এর কারণ হচ্ছে মাইক্রোসফট এর প্রথম সফটওয়ারটি ছিলো আসলে একটি BASIC ইন্টারপ্রিটার যেটা প্রথমে কাজ করতো
আল্টেয়ার নামক একটি কম্পিউটারএ। আল্টেয়ার এর অফিস ছিলো নিউ
মেক্সিকোতে। বিল গেটস ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর লেখাপড়া ছেড়ে নিউ মেক্সিকো চলে যান আল্টেয়ার এর মালিক কম্পানীকে তার ইন্টারপ্রিটার কেনার জন্য রাজী করাতে। আল্টেয়ার এর মালিক ইন্টারপ্রিটারটি কিনতে রাজী হওয়ার পর গেটস সেখানেই মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন তার বন্ধু পল অ্যালেনকে সাথে নিয়ে। আমার ধারণা বিল গেটস তখনো ভাবতে পারেননি তার এই কম্পানীটি একদিন পৃথিবীর সভ্যতার তথ্য যুগে প্রবেশএ একটা বড় ভূমিকা রাখবে।
সফটওয়ার সাম্রাজ্যঃ
চৌত্রিশ বছর পর আজ ২০০৯ সালে এসে মাইক্রোসফট হয়ে উঠেছে এক প্রযুক্তি সাম্রাজ্য। কিছু হার্ডওয়ার বাদ দিলে কম্পিউটারের এমন কোনো দিক নেই যেটা তারা প্রস্তুত করে না। বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম, সর্বাধিক ব্যবহৃত অফিস প্রডাক্টিভিটি সফটওয়ার, সর্বাধিক ব্যবহৃত চ্যাট মেসেঞ্জার, সর্বাধিক ব্যবহৃত ওয়েব ইমেইল, সর্বাধিক ব্যবহৃত ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট ইত্যাদি ছাড়াও অন্যান্য অসংখ্য সফটওয়ার পণ্য আছে মাইক্রোসফট এর যেগুলো প্রতিদিন ব্যবহৃত হচ্ছে সারা পৃথিবীর কোটি কোটি কম্পিউটারএ। মাইক্রোসফট এর মোট কর্মীর সংখ্যা প্রায় ৯৫,০০০। এর একটা বড় অংশ হচ্ছে সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার।
ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের রেডমন্ড শহরের বিশাল এক এলাকা জুড়ে মাইক্রোসফট এর অফিস। প্রায় এক'শ এর মতো বিল্ডিং জুড়ে চলে এর কাজকর্ম। কম্পানীর ইঞ্জিনিয়ারিং কাজকর্ম করা হয় পাঁচটি বড় ডিভিশন এর মাধ্যমে - উইন্ডোজ এবং উইন্ডোজ লাইভ ডিভিশন, অনলাইন সার্ভিসেস ডিভিশন, ডিভাইস এবং এন্টারটেইন্টমেন্ট ডিভিশন, মাইক্রোসফট বিজনেস ডিভিশন, এবং সার্ভার এবং টুলস ডিভিশন। এছাড়াও আইন, এইচআর, মার্কেটিং, ফাইন্যান্স ইত্যাদি আরো অনেক গ্রুপ তো আছেই।
প্রত্যেকটি ডিভিশন এর রয়েছে একজন প্রেসিডেন্ট যারা সরাসরি সিইও স্টিভ বালমার এর কাছে রিপোর্ট করেন। উইন্ডোজ এবং উইন্ডোজ লাইভ ডিভিশন কাজ করে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এবং এর অনলাইন ফিচার নিয়ে। উইন্ডোজকে বলা হয় মাইক্রোসফট এর ফ্ল্যাগশিপ পণ্য। মাইক্রোসফট এর সবচেয়ে বেশি আয় হয় এর মাধ্যমে। ২০০৭ সালের মধ্যেই বিশ্বজুড়ে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা কম্পিউটার এর সংখ্যা এক বিলিয়ন হয়ে যায়। বলা হয়ে থাকে পৃথিবীতে রাস্তাঘাটে যতো কার চলাচল করে তার চেয়ে বেশি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম চলে দুনিয়াজোড়া কম্পিউটারগুলোতে। বিজনেস ডিভিশন এর পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফট অফিস (ওয়ার্ড, পাওয়ার পয়েন্ট, এক্সেল ইত্যাদি), সার্ভার ডিভিশন এর প্রধান পণ্যগুলো হচ্ছে উইন্ডোজ সার্ভার, এসকিউএল সার্ভার, ডট নেট ইত্যাদি। অনলাইন সার্ভিসেস এর প্রধান পণ্য (বা সেবা) হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন বিং, অনলাইন পোর্টাল এমএসএন ইত্যাদি। ডিভাইস এবং এন্টারটেইনমেন্ট ডিভিশন এর প্রধান পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে আইপড এর প্রতিদ্বন্ধী জুন মিউজিক প্লেয়ার, উইন্ডোজ
মোবাইল, এক্সবক্স গেইম কনসোল ইত্যাদি। এই ডিভিশনগুলির প্রত্যকটিই অন্য অনেক স্বয়ংসম্পূর্ণ কম্পানীর চেয়ে অনেক বড়।
মাইক্রোসফট এর রয়েছে বিশাল গবেষণা গ্রুপ। "মাইক্রোসফট রিসার্চ " হচ্ছে কম্পিউটার বিজ্ঞান এর সবচেয়ে নামকরা গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। ২০০৯ সালে এর বাজেট এর পরিমাণ ছিলো ৯ বিলিয়ন ডলার এর বেশি! গবেষণার পেছনে এ পরিমাণ টাকা পৃথিবীর খুব কম্পানীই খরচ করে। এমনকি গতো এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা অর্থনৈতিক মন্দার সময়ও মাইক্রোসফট তার গবেষণা বরাদ্দ কমায়নি। এখানে কাজ করেছেন এবং করছেন টুরিং এবং ফিল্ডস মেডাল প্রাপ্ত বিজ্ঞানীরা!
মাইক্রোসফট এর অফিসগুলিকে চিহ্নিত করা হয় নাম্বার দিয়ে (ইদানিং অবশ্য এই রীতি থেকে বের হয়ে এসে অন্যান্য নাম দিয়েও বিল্ডিং চিহ্নিত করা হচ্ছে)। সাধারণত একই ডিভিশন এর বিল্ডিংগুলো কাছাকাছি থাকে। আমাদের উইন্ডোজ ডিভিশনের অফিসগুলো বেশির ভাগই বিল্ডিং ২৬, ২৭, ২৮, এবং ৩৭ এ অবস্থিত। তবে অন্যান্য বিল্ডিংএও উইন্ডোজ এর অফিস আছে। মাইক্রোসফট এর অফিসগুলো সাধারণত দরজাওয়ালা ব্যক্তিগত অফিস রুম টাইপের। কিউবিকল অফিস মাইক্রোসফটএ নাই বললেই চলে। আমি এখানকার অনেকের সাথেই এটা নিয়ে কথা বলেছি, এবং প্রায় সবাই বলেছে যে প্রোগ্রামিং কাজের জন্য কিউবিকলের চেয়ে ব্যক্তিগত অফিস রুমই ভালো। প্রত্যেক রুমেই থাকে কমপক্ষে দুটি সাদা বোর্ড, এক বা একাধিক বইএর সেলফ, এবং অফিস ডেস্ক। কিউবিকলে এই সাদা বোর্ড টানানোর সুবিধা থাকেনা। যেকোনো ধরণের ডিজাইন আলোচনার জন্য সাদা বোর্ডের বিকল্প নেই। এখানকার যে কারো অফিস রুমে ঢুকলেই অবধারিতভাবে সাদা বোর্ডটিতে নানারকম ফ্লোচার্ট কিংবা কোড দেখা যাবেই। অনেক বিল্ডিংএ রুম এর বাইরে করিডোরএও সাদা বোর্ড থাকে। কিংবা চা-কফি খাওয়ার, আড্ডা দেওয়ার জায়গাটিতেও সাদা বোর্ড থাকে। এর ফলে যে কোনো অবস্থাতেই ইঞ্জিনিয়াররা কোনো আইডিয়া কিংবা ডিজাইন নিয়ে ততক্ষণাৎ একটা ব্রেইন স্টর্মিং করতে পারে।
বহুমাত্রিক যুদ্ধঃ
বহু ধরণের সফটওয়ার পণ্য থাকার কারণে মাইক্রোসফটকে বহুমুখী যুদ্ধ করতে হচ্ছে দুনিয়ার সেরা সব কম্পানীর সাথে। মাইক্রোসফট এর চির প্রতিদ্বন্ধী হচ্ছে স্টিভ জবস এর অ্যাপল। অ্যাপল এর পণ্য সমূহের নয়নাভিরাম এবং নিখুঁত ডিজাইন এর জন্য কম্পিউটার মার্কেট এর বিশাল একটা অংশ দখল করে নিয়েছে। এবং এই অংশ দিন দিন বাড়ছে। অ্যাপল এর সম্প্রসারণশীল বাজার মাইক্রোসফটকে যারপরনাই ভাবাচ্ছে। এ যুদ্ধে সর্বশেষ সংযোজন বিজ্ঞাপন যুদ্ধ । অ্যাপল এবং মাইক্রোসফট উভয়েই একে অপরকে সরাসরি আক্রমন করে বিজ্ঞাপন বানিয়ে প্রচার করছে সম্প্রতি। উইন্ডোজ এর আরেক প্রতিদ্বন্ধী ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স। যদিও বাজার দখলের দিক থেকে লিনাক্স এখনো অনেক পিছিয়ে উইন্ডোজ কিংবা অ্যাপল এর থেকে। কিন্তু লিনাক্স এর উৎসাহীর সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকায় মাইক্রোসফট এর শংকা একেবারে কম নয়।
সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট এর দিক থেকে মাইক্রোসফট এর মূল প্রতিদ্বন্ধী জাভা প্রস্তুতকারী সান কর্পোরেশন (সম্প্রতি ওরাকল সানকে কিনে নিয়েছে)। মাইক্রোসফট এর ভিজুয়াল স্টুডিও নির্ভর ডট নেট ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট এর জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সান এর জাভা প্লাটফর্ম। ডেটাবেজ এর দিক থেকে মাইক্রোসফট এর এসকিউএল সার্ভার এর শক্ত প্রতিদ্বন্ধী হচ্ছে ওরাকল এর ওরাকল ডেটাবেজ এবং আইবিএম এর ডিবি২ ডেটাবেজ সিস্টেম।
কিন্তু সব প্রতিদ্বন্ধীকে ছাড়িয়ে ইন্টারনেট যুগে মাইক্রোসফট এর সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্ধী হচ্ছে গুগল। গুগল এর ব্যবসার ধরণ, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং মেধা, মাইক্রোসফট এর চেয়ে বেশি ইন্টারনেটভিত্তিক পণ্য এবং সেবায় বিনিয়োগ করা ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে গুগল হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইক্রোসফট এর ইতিহাসে সবচেয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্ধী। মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এর গুরুত্ম অনেক আগে বুঝলেও এতে বিনিয়োগ করতে অনেক দেরি করে ফেলে। গুগল যেখানে ১৯৯৮ সালে সার্চ নিয়ে কাজ শুরু করে, মাইক্রোসফট সেখানে সত্যিকারের সার্চ নিয়ে আসে ২০০৬ সালে ("লাইভ" সার্চ নাম নিয়ে)। এতো দেরীতে শুরু করার ফল মাইক্রোসফটকে হাড়ে হাড়ে দিতে হচ্ছে - সার্চ এর বাজার দখলের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট গুগল থেকে যোজন যোজন পিছিয়ে!
সিইও স্টিভ বালমার ভালো করেই জানেন দিন দিন মানুষ ইন্টারনেটএ বেশি বেশি সময় ব্যয় করছে এবং ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপনের পরিমাণও প্রতি বছর বাড়ছে দ্রুত গতিতে। তাই ইন্টারনেটেও মাইক্রোসফটকে ভালো করতে হবে। সার্চ হচ্ছে ইন্টারনেটএ প্রবেশদ্বার। তাই সার্চ এর শক্ত খেলোয়াড় হওয়ার জন্য মাইক্রোসফট মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে বিং . একই সাথে সার্চএ দ্বিতীয় স্থানে থাকা ইয়াহুকে কিনে নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালায় মাইক্রোসফট। গতো বছর পুরো ইয়াহুকে কিনতে না পেরে এখন ইয়াহু এর সার্চ অংশটুকু কিনতে আগ্রহী মাইক্রোসফট। দেখা যাক গুগলকে মোকাবেলার মাইক্রোসফট এর এই চেষ্টা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
অ্যাপল, সান, ওরাকল, লিনাক্স, গুগল ইত্যাদি ছাড়াও আরো অসংখ্য ছোটবড় কম্পানী এবং পণ্য এর সাথে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে হচ্ছে মাইক্রোসফটকে। সিসকো এর সাথে কমিউনিকেশন সফটওয়ার নিয়ে, ভিএমওয়ার এর সাথে ভার্চুয়াল অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে, অ্যামাজন এবং সেলসফোর্সের সাথে ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে প্রতিযোগিতা চলছেই!
বিল গেটস এবং স্টিভ বালমারঃ
২০০৮ সালের জুন পর্যন্ত কম্পানীর প্রধান ছিলেন চেয়ারম্যান বিল গেটস। কিন্তু তারপর থেকে তিনি অবসরে যাওয়ার কারণে সিইও স্টিভ বালমার এখন মাইক্রোসফট এর প্রধান কর্ণধার। বিল গেটস এখনো চেয়ারম্যান, কিন্তু তিনি এখন আর পুরো কম্পানীর দায়িত্বে নেই। তিনি শুধু মাত্র উইন্ডোজ এবং সার্চ এর মতো দুএকটি প্রধান পণ্য এর সাথে পরামর্শদাতা হিসেবে জড়িত থাকেন। বিল গেটস এখন মূলত তার বিল এন্ড মেলিন্ড গেটস ফাউন্ডেশন নিয়ে ব্যস্ত। তার ফাউন্ডেশনটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দাতব্য প্রতিষ্ঠান। বিল গেটস তার বন্ধু স্টিভ বালমারকে মাইক্রোসফটএ নিয়ে আসেন ১৯৮০ সালে। ২০০০ সালে বিল গেটস সিইও পদ থেকে সরে গিয়ে স্টিভ বালমারকে সে পদে নিয়োগ দেন। বিল গেটস হচ্ছে মাইক্রোসফট এর টেকনিকাল গুরু আর স্টিভ বালমার হচ্ছেন মার্কেটিং
গুরু। তবে অনেকেই মনে করেন স্টিভ বালমার মাইক্রোসফটকে বিল গেটস এর মতো ভালোভাবে পরিচালিত করতে পারছেননা।
বিল গেটস এর প্রথম দিককার মন্ত্র ছিলো "বিশ্বের প্রতিটি ডেস্কে একটি করে কম্পিউটার যেটিতে মাইক্রোসফট এর সফটওয়ার চলবে"। বলা যায়, গেটস তার এ স্বপ্ন পূরণে মোটামুটি সার্থক হয়েছেন। ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে মাইক্রোসফটকে একটু একটু করে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য বিল গেটস এবং তার বিশাল কর্মী বাহিনী অবশ্যই কৃতিত্বের দাবীদার। তাদের এই ক্রমাগত প্রযুক্তি আবিষ্কার আর উদ্ভাবন তথ্য প্রযুক্তিকে দিন দিন আরো সমৃদ্ধ করছে, মানুষের জীবনকে করছে আরো আরামদায়ক।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ছবি দিলাম। আপনার প্রশ্নের জবাব একটু পরে দিবো। এখন একটু বের হতে হচ্ছে![]()
লেখক বলেছেন: পাইরেটস অব সিলিকন ভ্যালী আসলে স্টিভ জবসকে নিয়ে বানানো। ওখানে বিল গেটসকে অহেতুকভাবে ছোট করা হয়ছে
এটা ছাড়া ছবিটা দারুণ!
ওইএম এর কথা বলেছেন। কিন্তু মাইক্রোসফট তো পিসি প্রস্তুতকারক কম্পানীগুলোকে বাধ্য করতে পারে না তাদের অপারেটিং সিস্টেম কিনতে। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে প্রত্যেক কম্পানীর স্বাধীনতা আছে ইচ্ছে মতো অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে কম্পিউটার বিক্রি করার।
আসল কথা হচ্ছে উইন্ডোজ এর মতো ইউজার ফ্রেন্ডলী এবং অসংখ্য ধরণের হার্ডওয়ার সাপোর্ট দেওয়ার মতো তেমন অপারেটিং সিস্টেম আর বাজারে নেই। গতো পনের বছর চেষ্টা করেও লিনক্স এখনো অনেক পিছিয়ে আছে কনজুমার মার্কেট অপারেটিং সিস্টেম এর ক্ষেত্রে।
ব্যক্তিগতভাবে আমি যেকোনো একটি কম্পানীর একক কর্তৃত্বে বিশ্বাসী নই। আমি চাই আরো অপারেটিং সিস্টেম আসুক বাজারে যেটি উইন্ডোজকে একটা শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিবে। তা সে লিনাক্স হোক, বা অন্য কিছু।
অমিত০৯৭ বলেছেন:
বুয়েট ৯৭ ব্যাচের সাইফুল মাইক্রোসফটে আছে। চেনেন ওকে? কিছুদেন আগে বিয়ে করে গেলো।
লেখক বলেছেন: সাইফুলকে চিনি, দেখা হয়েছে দুএকবার।
অ্যামাটার বলেছেন:
দারুন লাগল বস, অনেক কিছু জানতে পারলাম। আগের পর্ব দুইটাও পড়ে ফেলব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
ইচ্ছে বলেছেন:
দারুন লিখেছেন, পরের লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আরজু বলেছেন:
ধন্যবাদ বস। সান এর সাথে প্রতিযোগিতা নিয়ে পরবর্তিতে আরো বিস্তারিত লিখলে খুশি হব
লেখক বলেছেন: জাভা আর উইন্ডোজ এর যুদ্ধ লিখলে তো সাত কান্ড রামায়ণ হয়ে যাবে! প্লাস, একটু বেশি টেকনিকাল হয়ে যাবে। দেখি, কখনো লিখে ফেলা যাবে না হয়![]()
চাচামিঞা বলেছেন:
খুব ভআলো লাগলো.....আগের দুইটা অবশ্যই পড়তে হবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
চলুক লেখা
লেখক বলেছেন: ![]()
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন:
ভালো লাগল।সিরিজ চলুক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
রাগিব বলেছেন:
ধন্যবাদ বিলাস, পোস্টের জন্য। গুগলেও কিউবিকল নাই। অন্তত আমি যতগুলো ভবনে গেছি মূল অফিসের, কোথাও দেখিনি।
অফিস সফটওয়ারের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফটের একচেটিয়া ব্যবসা (অন্তত স্প্রেডশিট, ওয়ার্ড এসবে)। কিন্তু মাইক্রোসফটের মূল সমস্যাটা হলো অধিকাংশ নতুন ট্রেন্ড মিস করা। ব্রাউজারের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে ছিলো, সার্চেও তাই। ইমেইলে শুরুতে এগিয়ে থাকলেও এখন হটমেইল কয়জন আর সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করে? আর এসব মার্কেট এতো দ্রুত আগায় যে, একটু দেরি হলেই মার্কেটে বহু পিছিয়ে থাকতে হয়।
এখনকার বড় বড় ইন্টারনেট ভিত্তিক কোম্পানিগুলো, যেমন অ্যামাজন, ই-বে এসব যে ব্যবসা করে, তার সূচনা হয়েছে ৯৫-৯৬ নাগাদ। সেসময় মাইক্রোসফট ওয়েব ও ইন্টারনেট ভিত্তিক কিছুকে বেশি পাত্তা দেয়নি, তার ফল এখনো পোহাতে হচ্ছে।
আমার ভবিষ্যতবাণী হলো, যদি ক্লাউড কম্পিউটিং ও নেটবুক ভিত্তিক কম্পিউটিং মূল ধারায় চলে আসে, সবচেয়ে বড় ধরাটা খাবে মাইক্রোসফট। অপারেটিং সিস্টেম নির্ভরতা যদি চলে যায়, তাহলে উইন্ডোজ কেনার কারণ থাকেনা। ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি থাকলে আর গুগল ডক্সের মতো ওয়েবভিত্তিক অফিস টুলস থাকলে প্রচুর পয়সা দিয়ে এমএস অফিস কেনার দরকার কেউ বোধ করবে না। উইন্ডোজ ৭ যদি মার্কেট না ধরতে পারে, তাহলে মাইক্রোসফটের মার্কেট শেয়ার ব্যাপকভাবে কমে যাবে।
---
আরেকটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হলো মাইক্রোসফট রিসার্চ। আইবিএম রিসার্চ ছাড়া আর কোনো কোম্পানির এই রকম বেসিক রিসার্চ ল্যাব নাই। কিন্তু আইবিএম যেমন তাদের রিসার্চের উপরে প্রডাক্ট ছাড়ে, মাইক্রোসফট রিসার্চের ঐরকম কোনো আইডিয়া থেকে মাইক্রোসফট এখনো প্রোডাক্ট বানাতে পারেনি সম্ভবত। (এমএসআরের অনেক আইডিয়া এতোই অ্যাডভান্সড, ওগুলো দিয়ে আগামী ২০ বছরেও বাণিজ্যিক প্রডাক্ট আসবে কি না সন্দেহ)।
---
মাইক্রোসফটের উচিৎ হবে স্বল্প মেয়াদী চিন্তা বাদ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করা। ভিস্তা দিয়ে যে ধরা খেয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি বন্ধ করার জন্য পুরানো চিন্তাধারার লোকজনের হাত থেকে ক্ষমতাটা তরুণদের হাতে দেয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: রাগীব, তোমার সবগুলো পয়েন্ট নিয়ে লিখতে গেলে একটা আলাদা পোস্ট লিখতে হবে![]()
এটা ঠিক, ডেস্কটপ নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকায় মাইক্রোসফট ইন্টারনেট সফটওয়ার এবং সার্ভিস এর ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। কিন্তু দেরীতে হলেও মাইক্রোসফট ইন্টারনেট ভিত্তিক পণ্য ও সেবাতে এগিয়ে এসেছে। মাইক্রোসফট এর ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল অবকাঠামো হচ্ছে উইন্ডোজ আজুর (http://www.microsoft.com/azure/default.mspx)। এটি এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, কিন্তু এর অনেকটাই ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
আর গুগল ডক্স এর অবস্থা এখন পর্যন্ত কিন্তু লিনাক্স এর মতোই - সবাই এর কথা বলে কিন্তু খুব মানুষই ব্যবহার করে। মাইক্রোসফটও সম্প্রতি এর অফিস সফটওয়ার এর অনলাইন ভার্শন ডেভেলপ করেছে, যেটা শীঘ্রই রিলিজ হবে। এবং এটা হবে সম্পুর্ণ ফ্রি![]()
নেটবুক এর কথা বলেছ, বর্তমানে প্রায় ৯৬% নেটবুক চলে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমএ!! উইন্ডোজ ৭ নেটবুক এর জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা।
অন্য বিষয়গুলো নিয়ে মন্তব্য করবো পরে...
লেখক বলেছেন: এটা সত্যি, মাইক্রোসফট রিসার্চ থেকে আসা পণ্য তুলনামুলকভাবে কম। কিন্তু মাইক্রোসফট রিসার্চ এর অনেক আইডিয়া কিন্তু বিভিন্ন পণ্যে ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোসফট এর সার্চ ইঞ্জিন বিং, ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ডট নেট, উইন্ডোজ এর কার্ণেল এবং উইজার ইন্টারফেইস ইতাদি বিভিন্ন পণ্যে কিন্তু রিসার্চ থেকে আসা অনেক আইডিয়া ব্যবহার করা হয়।
তুমি ঠিক বলেছ, মাইক্রোসফট রিসার্চ এর বেশিরভাগ গবেষণা হয় ভবিষ্যতের জন্য (১০-১৫ বছর পর যেগুলো জনপ্রিয়তা পাবে)।
নেটবুক এবং ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য মাইক্রোসফট খুব ভালোভাবেই কাজ করে যাচ্ছে, দেখা যাক কী ঘটে!
মোতাব্বির কাগু বলেছেন:
আপনারা কোন কোম্পানীর মনিটর বেশী ব্যবহার করেন???
লেখক বলেছেন: ব্র্যান্ড নামটা মনে নেই, দেখে এসে বলবো![]()
বিল গেটস সুযোগসন্ধানী, স্বার্থবাদী (কারো কারো ধারনায় আরেকজনের আইডিয়া রপ্ত করতে অভ্যস্ত ) মানুষ।
বিল গেটস আর ষ্টিভ জবসের মধ্যে আলোচনাটা দেখলে আরো পরিস্কার হয় ।
http://www.youtube.com/watch?v=_5Z7eal4uXI
তবে সে সাফল্য পেয়েছে ঠিক । তবে আই টি মানুষ তাকে কি চোখে দেখে এটাও একটা ব্যাপার । আপনি নিশ্চয়ই জানেন সেটা ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিল গেটস নিজেই অনেকবার বলেছে -- মাইক্রোসফটের উথ্থানে কারন হলো তার প্রতিদন্ধীদের সুযোগের সদ্ব্যহার না করা ।
এসবও উঠে আসা উচিত ছিলো ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
তবে নেগেটিভ কিছু লিখলে আবার কম্পানীতে বাংলা জানে এমন কারো হাতে পড়লে মুশকিল ।
লেখক বলেছেন: শূন্য ভাই, স্তুতিতো করিনি, কিছু তথ্য দিয়েছি মাত্র![]()
বিল গেটসকে সুযোগসন্ধানী, স্বার্থবাদী বলেছেন, কিন্তু কেন বলেছেন সেটা বলেননি![]()
স্টিভ জবস এর সাথে ভিডিওটি যেসময় বের হয়েছিলো তখনোই দেখেছিলাম, কিন্তু এখানে তো দুজনকে সমানভাবেই দেখাচ্ছে! আপনি পার্থক্য দেখলেন কোথায়?
মজার কথা হচ্ছে - আমি, আমার টীম মেটরা, আমার লিড, আমরা সবাই প্রায়ই মাইক্রোসফটকে গালি দিই - স্বয়ং মাইক্রোসফট এর ভেতরে বসে!! সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা না থাকলে মাইক্রোসফট এতোদিনে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত!
এছাড়া ওয়েব মেইল, ম্যাপস , সার্চ , টেলিফোনি ডিভাইস, এম পি থ্রী প্লেয়ার এসব তো দিকে মাইক্রোসফটের প্রোডাক্ট মান্ধাতা আমলের।
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে -- জাভার ধারে কাছেও সি-শার্প অথবা ভিজুয়াল বেসিককে দেখছি না ।
তবে গেমিং মাইক্রোসফটের এক্সবক্স অনেক নাম করেছে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ভবিষৎ সব তো এখন "ওয়েব ওস" এর দিকে যাচ্ছে ।
সে হিসাবে উইন্ডোজ কতটুকু সুরক্ষিত যে একটা কোশ্চেন ।
তবে উইন্ডোজ রিলেটেড এ্যাপ্লিকেশন ভাষ্ট একটা ইউজার বেইজ আছে । যে আরো কয়েকবছরে চেন্জ হবে না মনে হয় ।
সামনের বছর গুলোতে আমরা প্রয়োজনীয় কাজই হ্যান্ড হেল্ড ডিভাইসে সারবো ।
তবে ইন্ফোটেইনমেন্ট সার্ভার হিসাবে -- ঘরে একটা ডেক্সটপ থাকবেই ।
ততদূর পর্যন্ত মাইক্রোসফট সুরক্ষিত ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
গুগল ওস এস নামাচ্ছে আগামি বছর -- কনটেষ্ট টা জমজমাট হবে আশা করা যায়
লেখক বলেছেন: মাইক্রোসফট কম্পানীইতো মান্ধাতার আমলের![]()
আপনার বেশির ভাগ অভিযোগই ঢালাও! মার্কেট শেয়ার না থাকলেই একটা প্রডাক্ট খারাপ হয়ে যায় না। ফায়ারফক্স, লিনাক্স, গুগল ক্রোম ইত্যাদির মার্কেট শেয়ার অনেক কম, তাই বলে কি এগুলো খারাপ প্রডাক্ট?
ওয়েব ওএস একটা বাজওয়ার্ড, কেউই জানেনা জিনিসটা আসলে কী
মাইক্রোসফট এর আজুর ওয়েব ওএস এর কনসেপ্টকে অনেকটা বাস্তব রুপ দিয়েছে!
গুগল ওএস এখন পর্যন্ত একটা ঘোষনা মাত্র, দেখা যাক আগামী বছর ওরা কী নিয়ে আসে!
ভাবনাহীন আমি বলেছেন:
ভাই লেখাটা ভাল লাগলো তবে মনে হচ্ছে, বনে এত দিন রাজার দাবিদার কম ছিল তাই মাইক্রোসফট এর একচত্র আধিপত্ত ছিল, এখন বনে রাজার দাবি নিয়ে অনেকা এসেছে এবার বুঝা যাবে কে আসল রাজা................
লেখক বলেছেন: এবার বুঝা যাবে কে আসল রাজা................![]()
আরজু বলেছেন:
শূন্য আরণ্যক বলেছেন:সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে -- জাভার ধারে কাছেও সি-শার্প কে দেখছি না ।আমি ব্যক্তিগত ভাবে ব্যাপারটি পুরাপুরি মানতে পারলাম না।আপনার মতামত চাচ্ছি এ ব্যাপারে।
লেখক বলেছেন: উনি মন্তব্যের সাথে একটা ব্যাখ্যা দিয়ে দিলে ভালো হতো![]()
আমার মন্তব্য হচ্ছে - সব ল্যাঙ্গুএজ/প্ল্যাটফর্ম এর ভালো খারাপ দুই দিকই আছে। যদি কোনো একটা অন্যগুলোর চেয়ে অনেক বেশি ভালো হতো তাহলে সবাই শুধু সেটিই ব্যবহার করতো। ব্যাপারটি সেরকম নয়, জাভা এবং সি শার্প উভয়েরই নিজস্ব বড় উইজার বেইজ আছে যারা তাদের ল্যাঙ্গুএজটিকে পছন্দ করে বিভিন্ন কারণে।
লেখক বলেছেন: মনিটর এর নাম দেখলাম - দুইটা হচ্ছে স্যামসাং এর আর দুইটা ডেল এর![]()
আপনার ব্লগটা দেখসিঃ)
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন:
বস আপনারা মাইক্রোসফ্টে গুগল সার্চ করেন না? গুগল ছাড়া তো দুনিয়া অচল এখন। তয় আপনার পোস্ট জোস হইসে।
লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি, আমরা অনেকেই গুগল সার্চ করি
মাইক্রোসফট সাইট ব্রাউজ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা দেয় না!
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন:
আমি আদার ব্যাপারী! জাভার পক্ষে, জাভা আমার মোবাইলে চলে, C, C++ এ লেখা প্রোগ্রাম চলে না লেখক বলেছেন: C/C++ মোবাইলে চলেনা এটা কে বলেছে। কম্পাইলার যদি মোবাইল আর্কিটেকচার এর জন্য মেশিন কোড লিখতে পারে তাহলে সেই কোড অনায়াসে মোবাইলে চলবে।
মোবাইলের জন্য অনেক সি/সি++ কম্পাইলার আছে।
নিচের চার্টটা একটু দেখেন ।
Click This Link
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
এই সম্পর্কে একটা জোক মনে আসলো --
বেশীভাগ মানুষ আই ই কেন ব্যবহার করে ?
ফায়ার ফক্স ডাউন লোড করার জন্য !
হাহাহাহা
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আরেকটা মনে আসলো --- সার্ভেতে দেখা যায় পৃথিবীর ৯০% মানুষ আই ই ব্যবহার করে ।
হু -- কারন সার্ভেটা করা হয়েছে মাইক্রোসফটের এম্প্লীই দের মধ্যে
মাইক্রোসফটের ভিতরে ১০% অন্য ব্রাউজার ব্যভার করে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিল গেটসের নিজের কিছু লেখা -- তাকে নিয়ে লেখা --
কাজ কর্ম -- নিজে প্রোগামার হয়ে নিজস্ব চিন্তা থেকেই উপরের কমেন্ত ।
বেশী বলতে গেলে পোষ্ট হয়ে যাবে । ও ব্যাটা কে নিয়ে পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছা নেই ।
তবে তার অনেক ভালো দিকও আছে । আপনি যা যা বলেছেন তার বাইরেও অনেক কিছুই মনে আসছে ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ষ্টিভ জবস আর বিল গেটসের ইন্টারভিউটা নিয়ে অনেক কিছু আলোচনা করা যায় । দুই টেকি দিকপাল ।
দারুন লেগেছে আমার ভিডিওটা । ওটা সবার জন্য দেয়া । আমি জানতাম আপনি আগেই দেখেছেন
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ওয়েব ওস টা বাজ ওয়ার্ড কিনা জানি না । তবে দুই বছর আগেই এটা আমার মাথায় এসেছে ।
এখনতো দেখছি -- আই বি এম এবং তাবৎ বাঘা বাঘা প্লেয়ার ক্লাউড কম্পিউটিং এর পিছে লেগেছে ।
একচু্যালি আমরা ট্রানজিশন মধ্যে আছি ।
আপনি নিজেই চিন্তা করুন -- দশ বছর আগে আমরা কতটুকু সময় ব্রাউজারে দিতাম == আর এখন কত টুকু দেই ।
বেশীর ভাগ কাজ কাম এখন ব্রাউজারে করা যায় ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
গুগল ওস এর পুরোপুরি ঘোষনা না । এন্ডরয়েড তো অলরেডি মার্কেটে আছে । আমি নিজেই ব্যবহার করি ।
দারুন জিনিস।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
@ আরজু : বিলাশ ভাই ঠিক বলেছেন । যার যার কম্ফোর্ট লেভেল আলাদা। যার যার জগত ও আলাদা ।
আমার সি শার্পের বেসিক কিছু ধারনা ছাড়া তেমন আইডিয়া নাই । নিজে জাভার উপরে কাজ করি তাই এটার দোষ গুন বলতে পারবো ।
আমার কমেন্তটা জব মার্কেট + আমার টেকি ডিস্ট্রিকটের আইডিয়ার উপরে । এখানে তেমন একটা দেখি না ।
লেখক বলেছেন: ফায়ারফক্স খুবই ভালো একটা ব্রাউজার। আমি নিজেই ফায়ারফয ব্যবহার করি![]()
আপনি যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন সেটা ওই সাইটের নিজস্ব পরিস্নগখ্যান হতে পারে। পুরো ওয়েব এর পরিসংখ্যান পাবেন এখানেঃ
Click This Link
আইই এখনো ৬৫% এর উপরে!
তবে পরিসংখ্যান যাই বলুক, ফায়ারফক্স অনেক দিক থেকেই আইই থেকে এগিয়ে আছে। আমি নিজে আইই টীমকে অনেক ফিচার নিয়ে নক করেছি, যেটা তারা ফিক্স করেনি (পরের ভার্শনগুলোতে করতে পারে)। সব কিছু বাদ দিয়ে শুধু এটা ভাবলেও ভালো লাগে যে মজিলার মতো ক্ষুদ্র একটি কম্পানী মাইক্রোসফট এর মতো দৈত্যকে ধীরে ধীরে কোনঠাসা করে ফেলছে ব্রাউজার মার্কেটএ!!
এন্ড্রয়েড আর ক্রোম সম্পুর্ণ ভিন্ন ওএস। এন্ড্রয়েড হচ্ছে স্বয়ংসম্পূর্ণ ওএস বিশেষত মোবাইল এর জন্য (তবে কম্পিউটারেও এটা ব্যবহার করা যায়)। ক্রোম হচ্ছে লিনাক্স কার্ণেল নির্ভর ওএস যেটি মূলত ওয়েব ব্রাউজিং ফ্রেন্ডলী হবে অনেক। ক্রোম ওএস নিয়ে ব্লগস্পটে একটা ঘোষণা ছাড়া এখন পর্যন্ত কিছুই দেয়নি গুগলঃ
Click This Link
দীপান্বিতা বলেছেন:
আপনার লেখা আমার পড়তে খুব ভাল লাগে......এটাও লাগল......আমি ভেবেছিলাম আপনি দাড়ি-গোফওলা খুব গম্ভীর বিজ্ঞানী!......
বিল গেটস সম্পর্কে যত শুনছি ততোই ইন্টারেস্ট লাগছে......উনি ক’দিন আগে ভারতেও এলেন......ওনার সম্পর্কে আরও জানার ইচ্ছে রইল......
ভাল থাকবেন.....
লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো জেনে ভালো লাগলো![]()
সহেলী বলেছেন:
এ সবের মধ্যে নাই ! বাবাহ্ কি সব কঠিন কঠিন কথা !অনেকের অবশ্য জানি ভাল লাগবে ।
শুভকামনা আপনার জন্য ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য!
পাপী বলেছেন:
ভালো লাগলো!!
শফিক আসাদ বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং। অনেক ধন্যবাদ। +
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















উইন্ডোজ ওইএমের মাধ্যমে ক্রেতাকে পিসির সাথে কিনতে বাধ্য না করলে উইন্ডোজের এই গ্রোথ হতো না বোধহয়.....