আমাদের দেশে ইত্তেফাক তখন খুবই প্রভাবশালী দৈনিক। আর বিটিভি বাদে অন্য টিভি চ্যানেল ছিলো না। তো এই ঘটনায় ইত্তেফাকে জাকারিয়া পিন্টু (স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের প্রথম অধিনায়ক) প্রথম পাতায় একটি কলাম লিখিলেন। ইহার শিরোনাম দিলেন, রেফারিকে লাল কার্ড দেখাইবে কে?...
কথিত ব্লগের 'সাম্প্রতিক অস্থিরতা' দেখিয়া ইহাই আবার মনে পড়িলো। অমনিবাস নামীয় এক ব্লগার বুঝিয়া হোক না বুঝিয়া হোক একটি কার্টুন প্রোফাইলে যোগ করিলো। রব উঠিলো, ইসলাম গেলো, ইসলাম গেলো!
অমনিবাস, ভুল স্বীকার করিয়া সঙ্গে সঙ্গে উক্ত ছবি খানা সরাইয়া ফেলিলেন। দুঃখপ্রকাশ করিয়া আলাদা পোস্টও দিলেন।
কিন্তু কথা নাই বার্তা নাই মহামান্য নোটিশ বোর্ড নিজের নীতিমালা নিজেই ভঙ্গ করিয়া অমনিবাসকে হত্যা করিয়াই খান্ত হইলেন না। তাহার আরো দুটি নিক অমি রহমান পিয়াল এবং অরপি নিককেও হত্যা করিয়া পাশবিক তৃপ্তি মিটাইলেন। ইহা কেনো? ইহার কী কোনো ব্যাখ্যা মহামান্যর নিকট আছে??
উপরন্তু বরাহ শাবকেরা এখন হুমকি দিয়া পোস্ট ফাঁদিয়া বলিতেছে, ওই মুছিয়া ফেলা ছবিখানার জন্য তাহার বিডিনিউজ অফিসে নাকি গোয়েন্দা আসিবে, তাহাকে কয়েদ খাটাইবে, ইত্যাদি ইত্যাদি।...
উহাদের বলি, কেউ কখনো শুনিয়াছে, মুছিয়া ফেলা ছবির পরেও তথা ব্লগে দুঃখ প্রকাশ করিবার পরেও তথা নামে --ছম্দনামে ব্লগে নিহত হইবার পরেও তাহার বিরুদ্ধে গোয়েন্দা বাহিনী লাগিয়াছে? আর 'বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম' কর্তৃপক্ষ কী ঘাস খাইয়া দেশের প্রথম অনলাইন দৈনিক পত্রিকা চালাইতেছে??
বোধকরি মহামান্য নোটিশ বোর্ড চলতি বন্যা মৌসুমে আরেকবার বাঁধ ভাঙিয়া ব্লগখানার নাম বদলাইবেন; জাপানি কায়দায় স্বীয় পেটে ছুরি বসাইয়া আত্নহত্যা করিবার কায়দায় শিগগিরই আরেকখানা শীর্ষ পোস্ট ফাঁদিয়া এই ব্লগের নতুন নামকরণ করিবেন 'সামহোয়ারইন ত্রিভূজব্লগ ডটনেট'।
জয়তু নোটিশ বোর্ড! জয়তু আপনার একচক্ষু নীতিমালা!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

