আমার প্রিয় পোস্ট
- চেতনার সম্ভ্রম নষ্ট করে দেয় একজন অমি রহমান পিয়াল - আরিফ জেবতিক
- অত:পর তোতামিয়া ব্লগিল বিষাদে - আরিফ জেবতিক
- মণিপুরী মুসলিম আদিবাসীদের ঈদ উদযাপন এবং জীবনযাত্রা নিয়ে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো...২ - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- শিবনারায়ণ দাশ - বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা - রাগিব
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- ম্যারিয়েটা, জ্যাক এবং অতঃপর ভ্যালেরী - সৈয়দ দেলগীর
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- পল্লবের পরীরা (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- মুক্তিযুদ্ধের কবিতা : বুদ্ধদেব বসু - অমি রহমান পিয়াল
- আরিল,এই সিদ্ধান্তটা আপনাকে নিতেই হবে,এখুনি.. - আরিফ জেবতিক
- হায়! এমনো হয়, চাঁদ নেমে আসে ঘাসের ডগায়, মানুষ চাঁদ হয়ে যায়। (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- একটি লোমহর্ষক গণহত্যার কাহিনী (একত্রে) - বিপ্লব রহমান
- কল্পনা চাকমা এখন কোথায়? - বিপ্লব রহমান
সংবাদপত্র বাইবেল নহে
৩১ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ৯:৪৭
সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষের তথ্য ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করিবার জন্য সংবাদপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করিতেছে, সন্দেহ নাই। কিন্তু সচেতন পাঠক মাত্রই জানেন, সংবাদপত্রই আবার মানুষকে বিভ্রান্ত করে প্রায়শই।
এ দেশের প্রাচীন দৈনিক ইত্তেফাক এই গত ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহিংস ঘটনার সংবাদ কী ভাবে প্রকাশ করিয়াছিলো পাঠকের মনে আছে নিশ্চয়ই। পরদিন অধিকাংশ দৈনিকে ইহা শীর্ষ সংবাদ হইলেও ইত্তেফাকে ইহা প্রথম বা দ্বিতীয় শীর্ষ সংবদও করে নাই। ইহার একজন মালিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা, বোধকরি ইহার নেপথ্যে এই স্বার্থটি কাজ করিতেছে।
আগেই বলিয়াছি, সংবাদপত্র মানুষকে বিভ্রান্ত করে প্রায়শই। বাবরি মসজিদকে কেন্দ্র করিয়া ভারতে রায়ট শুরু হইলে এ দেশে প্রথমে ইহার তেমন কোনো প্রভাব পরে নাই। মৌলবাদীরা দেখিলো, এইখানে কিছু একটা না করিলে ইসলামী জোশ আসিবে না; তাহা হইলে জিহাদ হইবে কী উপায়। তাহারা বাছিয়া লইলো দৈনিক ইনকিলাব।
দিনের পর দিন এই মৌলবাদী চক্রের কাগজটিতে মূদ্রিত হইতে লাগিলো একের পর এক উস্কানীমূলক সংবাদ। একই পথ ধরিলো জামাতের দৈনিক সংগ্রাম ও ফ্রিডম পার্টির দৈনিক মিল্লাত একই পথ ধরিলো। রাতারাতি পত্রিকার কাটতি বাড়িতে লাগিলো। পুরনো ঢাকাসহ এখানে সেখানে হামলা হইতে লাগিলো হিন্দুদের উপর, মন্দির - প্রতিমা ভাঙচুরও চলিলো। খোদ পল্টনের মরনচাঁদ মিষ্টান্ন ভান্ডার পুলিশের সামনেই লুঠপাঠ হইলো। ইহার দুর্ভাগ্যজনক শিকার যাহারা হইলেন, তাহারা হয়তো জীবনে বাবরী মসজিদের নামও শুনেন নাই। হায় রে অভাগা দেশে!
ড. আহমদ শরীফকে মুরতাদ ঘোষণা, তসলিমা নাসরিনের ফাঁসি দাবি, কাদেয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা, গোলাম আজমের বিরুদ্ধে গণআদালতকে অবৈধ ঘোষণা - ইত্যাদি ইসু্যতে এই সব দৈনিকের ভূমিকা কী ছিলো, সচেতন পাঠক মাত্রই জানেন।
আরো একটু পিছনে ফিরিয়া যাই। ১৯৭৩ কী ১৯৭৪ সাল হইবে। সর্বহারা পার্টির নেতা সিরাজ সিকদারকে লইয়া বঙ্গবন্ধু বিপাকে আছেন। ইত্তেফাক সংবাদ ছাপিলো, সর্বহারা পার্টির অন্তরকলহে নাকি সিরাজ সিকদার নিহত হইয়াছেন।
সিরাজ সিকদার পার্টির মুখপত্র 'স্ফুলিঙ্গ' নামক পত্রিকায় নিজেই ছড়া লিখিয়া ইহার জবাব দিলেন:
সব খবরের মাঝে থাকে
একটি করে মিথ্যেফাঁক,
সিআইএ গুজব রটায়
খবর ছাপে ইত্তেফাক!
তাই বলি, সংবাদপত্র বাইবেল বা অন্য কোনো কোনো ঐশী গ্রন্থ নহে। আর ভাতের বদলে সংবাদপত্রের সকল সংবাদ গিলিয়া পেট ভড়াইবেন, সচেতন পাঠক এতোটা বোকাও নহেন।
পুনশ্চ: বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক, 'একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়' অমরগ্রণ্থের অন্যতম লেখক, মৌলবাদ-জামাত বিরোধী যোদ্ধা শাহরিয়ার কবিরকে এই লেখাটি উৎসর্গ করা হইলো।।
আমি কে বলেছেন:
৫
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
অবশেষে একজন সাংবাদিকের উপলব্ধি.... সংবাদপত্র বাইবেল নহে।
মাহবুব রনী বলেছেন:
ত্রিভুজকে ফুটবল বানিয়ে ভাল কিক দেওয়া হল
অমিত বলেছেন:
শিবির কর্মী মওলানা তিনহাতী ব্যাজার হইবেন।
এস্কিমো বলেছেন:
বিপ্লব...
শাহীন বলেছেন:
এস্কিমো প্রতি অনুরোধ বিপ্লব চালিয়ে যান।
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
সাবাস
জায়দান বলেছেন:
৫
এ্যাটেম পার্টি বলেছেন:
সাবাস বিপ্লব! সাবাস!
কারন কি? কারন হলো ইত্তেফাকের সংবাদটি বাংলাদেশের দুশমন শাহারিয়ার কবিরের স্বরূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। তাই এখন সংবাদ পত্র তার বাইবেলের মর্যাদা হারিয়েছে।
মনে রাখবেন আসলেই সংবাদ পত্র বাইবেল নয়।
সারা বিশ্বের সংবাদ পত্র নিজস্ব মতবাদ প্রচার করে।
আসলে তারা জেনে শুনে এই মিথ্যা প্রচার করেছিল।
উদ্দ্যেশ একটাই যে কোন ভাবে ইরাক আক্রমণ করা। এবং ইরাকের সম্পদ লুণ্ঠন করা।
মদন বলেছেন:
তাহলে কার্ফিউ চলাকালীন সেনা সদ্যসরা যে সাংবাদিক ধরে নির্যাতন করেছিল তা মিথ্যা?
১। Daily Star
২। প্রথম আলো
৩। সমকাল
৪। যুগান্তর
৫। সংবাদ
দুইটি টিভি চ্যানেল
১। চ্যানেল আই
২। এটিএন
ইনডিয়ার positive news বড় করে প্রথম পাতায় ছাপে।
আর বাংলাদেশের খারপ খবর বড় করে প্রথম পাতায় ছাপা হয়।
অমিত বলেছেন:
জামতিগো হিটলিস্ট
আপনার জানেন ব্যার্থ বা অকার্যকর রাষ্ট্রে আমিরিকার আইনানুসারে আমিরিকা হস্তক্ষ্যেপ করতে পারে। জাতিসঙ্ঘ সৈন্য পাঠাতে পারে।
আওয়ামীলীগ বাকশাল কায়েম করে ৪টি পত্রিকা সরকারের নিয়ন্ত্রেনে রেখে বাকি সব পত্রিকা ব্যান করে দেয়।
সর্বশেষ ক্ষমতায় এসে দৈনিক বাংলা সহ অনেক পত্রিকা ব্যান করে। বিচিত্রার মত জনপ্রিয় ম্যাগাজিন নিজের মালিকানায় নিয়ে নেয়।
আওয়ামীরা সব সময় হিট লিষ্টের চিন্তা করে। এরা ফ্যাসিষ্ট। অন্যের মতকে সহ্য করতে পারে না।
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
বিপ্লব, সেই গল্প জানেন তো, মইনুল হোসেন ইত্তেফাকে যাঁরা কাজ করেন, তাদেরকে চাকরবাকর মনে করেন। সেই গল্প।চাকরবাকরদের দিয়ে এই সময়ে নিজের ইচ্ছেমত নিউজ প্রকাশ করাটা তো খুব সহজ।
যথার্থই ৫ তিনবার।
সৌরভ বলেছেন:
৫
রাশেদ বলেছেন:
৫
ব্লগে নতুন বলেছেন:
অশ্রু আর ইসমৎ আহাম্মদ পোন্দে লাথি মাইরা ৫ দিলাম।
এহহামিদা বলেছেন:
আমার মতে,জনকন্ঠ, ডেইলী স্টার, প্রথম আলো, সমকাল, যুগান্তর, সংবাদ হইল বাইবেলের বিভিন্ন সংস্করন!!
আশাকরি, এখানে অনেকেই আমার সহিত একমত হইবেন!!!
এহহামিদা বলেছেন:
উপস....। ভোরের কাগজ বাদ পইড়া গেছিল!!!
সৈয়দ দেলগীর বলেছেন:
জোশ হইছে... পাঁচাইলাম
বাকী বিল্লাহ বলেছেন:
অদ্ভুত! ৫
যীশূ বলেছেন:
অসাধারণ। ৫
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
৫ এবং ৫
সাধক শঙ্কু বলেছেন:
গতকালকে একটা পোস্ট দিছিলাম। বাংল৭১ নিকে ফ্রন্ট পেইজে লিংক দিছিলাম যেহেতু প্রথম পাতায় ব্যান করা হইছে। আইজকা লগইন করতে গিয়া দেখি হয় না। ব্যাকে গিয়া öদেখি পোস্ট গায়েব। আমার পোস্টে কি ছিল কন তো? যে গায়েব হইলো?????পোস্টটা তুইলা দিলাম :
মুক্তিযুদ্ধ কারা করছিল? আসলে কারা ছিল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে? "গায়ের জোরে স্বপক্ষ শক্তি" মানে কি? রাজাকার-আল বদর-আল শামস রাই কি তাইলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা? ১৯৭১ সালের মার্চ-ডিসেম্বরে যারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক-সামরিক সংগ্রামে ছিল , ১৯৭১ এর সাপেক্ষে তাগো ছাড়া আর কাউরে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি কওনের কোন চান্স অন্তত ইতিহাসের রেফারেন্স থিকা নাই। কাদের সিদ্দিকি, মায়া চৌধুরী চোর-ছ্যাচ্চর যাই হোক ১৯৭১ এর ভুমিকা অনুসারে তারা মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী মানে জামায়াতে ইসলামী,মুসলীম লীগ(কাইয়ুম),মুসলীম লীগ(কনভেনশন),নেজামে ইসলামী এই রাজনৈতিক দলগুলারে বুঝায়।
(চীনপন্থীরা দুই কুকুরের লড়াই কইছিল ঠিক। কিন্তু তার এক কুকুর যেহেতু পাকিস্থানী সেনাবাহিনি+জামাত-মুসলীম লীগের বাস্টার্ডরা সুতরাং তাগো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী পক্ষ কওয়া যায় না। তারা কোন অবস্থান থিকা আওয়ামী নেতৃত্বের বিরোধীতা করছে সেইটা বুঝতে গেলে বকরির বেরেন ফরম্যাট করা লাগবো। সবচাইতে বড় কথা জামাতের লগে রাজনৈতিক সম্পর্ক। জামাতের লগে সিরাজ শিকদার-হক-তোয়াহাদের সম্পর্ক রক্তারক্তির।এই জন্যই ১৯৯২ সালে ঘাতক-দালাল নির্মুল কমিটির লগে সর্বহারা-পূর্ববাংলারা সক্রিয় ছিল। )
মুক্তিযুদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষ চেতনা থিকাই হইছে। ধর্মনিরেপেক্ষ চেতনা মানতে না পারলে থাকো মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী গো লগে ! অসুবিধা কি? আইনত তো সেইটা নিষিদ্ধ না! তারা ১৯৭২ থিকা ১৯৭৫ হারাম ছিল। রাজনীতির অধিকার পাইছে মেলেটারিগো কাছে। মেলেটারিরা বন্দুক দিয়া সংবিধান বদলাইছে, যেইটা আবার সুপ্রীম কোর্টে টিকে নাই। এরপর মেলেটারি আইতাছে ঘুইরা ঘুইরা। তারাই তোমার শ্রদ্ধেয় বুজুর্গ সাঈদী-নিজামীগো টিকাইয়া রাখছে। সেই দিক থিকা আইনের দোহাই দিয়া তুমি অস্তিত্বের বৈধতা দাবী করতেই পারো। কিন্তু পাবলিকের গালি থিকা মুক্তি পাওনের আশা করতে পারো না। পাবলিক আম্লীগ,বিএম্পিরে গাইল দেয়,আরো দিবো কিন্তু তাতে তোমাগো জন্য বরাদ্দ করা গালির স্টকে শর্ট পড়বো না।
আবার স্মরণ করি অমি রহমান পিয়ালের মহাবাক্য :
"থাকলে এমনেই থাকতো হইবো নাইলে ফুট"
রেয়লেবঙ্গল বলেছেন:
সাধক শঙ্কু,তোমার পোটকীতে খাইজ্জানী বেশি। গাইল দিবা গাইল খাইবা।
রিজভী বলেছেন:
৫
বরফ বলেছেন:
সাধক শঙ্কু কঠিন হইছে।
বরফ বলেছেন:
আজকের যুগে মিডিয়ার অনেক শক্তি। পত্রিকায় যা লেখে, , তাই বাইবেল মনে করে বহুত মানুষ। অথচ অনেক পত্রিকাই সত্য খবর না লিখা লিখে নেপথ্য কাহিনী, গোপন সূত্রে পাওয়া খবর, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বক্তব্য ইত্যাদি। ইনকিলাব জনকন্ঠ দুইটাই এই শ্রেণীর খবরের বাস্তব উদাহরণ। এইসব সত্য মিথ্যার মিশ্রণে বানানো খবরের দায়গুলা কার উপর বর্তায়? সম্পাদক নাকি সাংবাদিক? বিপ্লব ভাইয়ের মতামত শুনতে চাই।
বহুরুপি বলেছেন:
সম্পূর্ণ একমত
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
বিপ্লব..৫ দিলাম। কোনো ক্ষেত্রেই দ্বিমত নাই
নাভদ বলেছেন:
৫
আমি মাহমুদ বলেছেন:
সময়োপযোগী দুর্দান্ত লেখা। ৫


















