আমার প্রিয় পোস্ট
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- ভিন্ন ভাবনা : বাংলাদেশে বাংলা ভিন্ন অপরাপর ভাষা সমূহের প্রতি উদাসীনতা বজায় রেখে কী ভাষা শহীদদের প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব? - জুয়েল বিন জহির
- জীবনের কথা-শেষ পর্ব (একটি অধ্যায় শেষ হলো) - নীল মুদ্রা
- পাহাড়ি নিপীড়িত জনগোষ্ঠির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বায়ত্তশাসন দাবীর প্রশ্নে শাসকশ্রেণীর বিভিন্ন অংশের রঙ বে রঙের জোড়াতালি তত্ত্বের বিপরীতে একটি বিশ্লেষণ। - মনজুরুল হক
- পার্বত্য চট্টগ্রাম: কান্না যেমন করে রক্তের রূপ পরিগ্রহ করে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- করপোরেট বেনিয়াদের হাতে বন্দী দ্রোহ আর প্রতিবাদের প্রতীক একুশে ফেব্রুয়ারি এখন একুশ উৎসব! - মনজুরুল হক
- এক পাহাড়ির শৈশবকাল (পর্ব-৩) - জেনন
- আপোকপা - কুঙ্গ থাঙ
- এক পাহাড়ির শৈশবকাল (পর্ব-১) - জেনন
- নাক উঁচুদের বিত্ত সচেতনতা বিড়ম্বনা - মাসকাওয়াথ আহসান
- কেন গনতন্ত্র চাই,কেন হাসজারু শাষন চাই না - হোসেইন-দ্য এ টিম
- বাবা বলেছিলেন বড় হও- - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ইভটিজার ডারউইনশিশু সমীপে - মাসকাওয়াথ আহসান
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- যেই কোয়াল (কপাল), হেই মাথা, ঘুরি ঘুরি কোয়াল হাতা [যে কপাল সেই মাথা ঘুরে ঘুরে কপাল খুঁজো, লাভ নেই] - মেঘ
- বঙ্গে শ্রীরাধার ক্রমবিকাশ প্রসংগে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- ছবি ব্লগ : যে যুদ্ধটা একাত্তরে শেষ হয়নি - অমি রহমান পিয়াল
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- বিজ্ঞাপন নির্মাতাদের পক্ষে একহাত - মারুফ ব্লগ
- ভাবছেন নির্লজ্জ, কিচ্ছু যায়-আসে না ( আমার এটম বোম
) - মেঘ
- মণিপুরী মুসলিম আদিবাসীদের ঈদ উদযাপন এবং জীবনযাত্রা নিয়ে কিছু তথ্য - কুঙ্গ থাঙ
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো...২ - অমি রহমান পিয়াল
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- শিবনারায়ণ দাশ - বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকার প্রথম নকশা-প্রণেতা - রাগিব
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- ম্যারিয়েটা, জ্যাক এবং অতঃপর ভ্যালেরী - সৈয়দ দেলগীর
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শ্লোগান - অমি রহমান পিয়াল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- মুক্তিযুদ্ধের কবিতা : বুদ্ধদেব বসু - অমি রহমান পিয়াল
প্রেস জোকস-৪ 
২৫ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
প্রেস জোকস-১ Click This Link
প্রেস জোকস-২ Click This Link
প্রেস জোকস-৩ Click This Link
গণমাধ্যমে প্রায়ই মজার মজার কিছু সত্যি ঘটনা ঘটে। এ সব কখনো কখনো প্রচলিত হাস্য কৌতুককে হার মানিয়ে দেয়। আবার এসব প্রেস জোকসের নেপথ্যে থাকে কষ্টকর সাংবাদিকতা পেশাটির অনেক অব্যক্ত কথা। এমনই কিছু বাস্তব ঘটনা নিয়ে এই 'প্রেস জোকস' পর্ব।
ইত্তেফাকীয় সমাচার
পাকিস্তান আমলের কথা। পুনর্গঠিত দৈনিক ইত্তেফাকের দায়িত্ব নিয়েছেন ডাকসাঁইটের সাংবাদিক মানিক মিয়া। মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর পরিবর্তে কাগজটির মাস্ট হেডের নীচে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাঁর নামই ছাপা হচ্ছে।
তো মানিক মিয়া ছিলেন খুব রাশভাড়ি লোক। সে সময় তো সাংবাদপত্রে এতো নিয়োগনীতির বালাই ছিলো না। আর মানিক মিয়া কারো ওপর ক্ষেপে গেলে কথায় কথায় তার চাকরী নট করে দিতেন।
একদিন সকালে তিনি ইত্তেফাকের অফিসে মন দিয়ে একটি গুরুতর সম্পাদকীয় দেখছেন। খুবই স্পর্শকাতর লেখা...একটু এদিক-সেদিক হলে আইয়ুব খানের রোষানলে পড়তে হবে--এমন অবস্থা।
এ সময় তার খাস পিয়ন ছালাম মিয়া তাকে চা দিতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়লো টেবিলের ওপর। মানিক মিয়ার লেখা-টেখা সব চায়ে সয়লাব; তার দামী স্যুটেও লেগেছে চায়ের দাগ।
তিনি ঠাণ্ডা গলায় বললেন, ছালাম! তোর চাকরী নট!..
সে দিন পিয়ন ছালাম মিয়া মন খারাপ করে বাড়ি ফেরে। পরে বউয়ের সঙ্গে পরামর্শ করে এক ফন্দী আঁটে।
পরদিন সকালে মানিক মিয়া ইত্তেফাক অফিসে ঢুকতে গিয়ে দেখেন সিঁড়ির ওপর পিয়ন ছালাম মিয়া, তার বউ-পোলাপানসহ বসে আছে।
মানিক মিয়া আবারো ঠাণ্ডা গলায় বলেন, ছালাম! এসব কী?
ছালাম একটু মাথা চুলকে বলে, স্যার, আপনি ইত্তেফাকে চাকরী দিসেন, সেই বেতনের টাকায় বিয়া করছি, বউ-পুলাপান হইছে। এখন আপনি চাকরী 'নট' কইরা দিছেন। আমি না হয় আর ইত্তেফাকে নাই, কিন্তু আমার বউ-পুলাপান--এরা তো ইত্তেফাকের সম্পত্তি। আপনি এদের বুইঝা লন, এহন থেইকা আপনিই এদের খাওয়াইবেন, পরাইবেন, পালবেন!
মানিক মিয়া একটু থমকে যান। পরে মুচকি হেসে ছালামকে বলেন, শিগগির একটা রিকশা ডেকে এদের তোর বাসায় পাঠিয়ে দে। আর এখন থেকে আবার কাজে লেগে যা!
চিত্তেফাক
১৯৭৩-৭৪ সালে কথা। বঙ্গবন্ধু সর্বহারা পার্টির উৎপাতে অতিষ্ট। এমন সময় ইত্তেফাকে একটি নিউজ ছাপা হলো, 'সর্বহারা প্রধান সিরাজ সিকদার দলীয় কোন্দলে নিহত।'
সিরাজ সিকদার পার্টির মুখপত্র 'স্ফুলিঙ্গে' ছড়া লিখে নিজেই এর জবাব দিলেন--
সব খবরের মাঝে থাকে
একটি করে মিথ্যে-ফাঁক,
সিআইএ গুজব রটায়
খবর ছাপে ইত্তেফাক!
খোমাখাতা
মিডিয়া পাড়ায় 'আবুল কিসিমের' সাংবাদিক নেহাত কম নেই। এদেরই একজন বাসস-এর (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা) সাংবাদিক সাজ্জাদ সাহেব। কনফার্ম ব্যাচেলর সাজ্জাদ ভাই আবার প্রযুক্তি-প্রতিবন্ধীও বটে।
তো সম্প্রতি এক ক্ষুদে সাংবাদিক তাকে কম্পিউটার-ইন্টারনেট সম্পর্কে জ্ঞান দিয়েছে। আর ফেসবুকে খুলে দিয়েছে সাজ্জাদ ভাইয়ের একটি অ্যাকাউন্ট।
সাজ্জাদ ভাইয়ের ধারণা, ফেসবুক ওনার নিজেস্ব সম্পত্তি; এখানে উনি কী করলেন, কেউ বোধহয় তা টের পাবে না!
একদিন তার খোমা খাতায় আমরা কয়েকজন ক্ষুদে সাংবাদিক উঁকি মেরে দেখি, তার বন্ধু তালিকায় যোগ হয়েছে ১১ জন। এদের মধ্যে মেয়ের সংখ্যা ১০ জন, আর মাত্র একজন ছেলে সাংবাদিক রয়েছেন। বালিকাদের মধ্যে আবার কয়েকজন নারী-সাংবাদিকও আছেন।
আরো কিছুদিন পরে আমরা আবার তার খোমা খাতায় উঁকি মারি। দেখি সাজ্জাদ ভাই সাহসী হয়ে উঠেছেন। এক বালিকা সাংবাদিকের দেয়ালে 'চিকা' মেরেছেন:
ওগো সুইটি, তুমি কখন অনলাইনে থাকো? আমি তোমার সঙ্গে চ্যাট করতে চাই!
কিছুদিন পরে দেখা গেলো, সাজ্জাদ ভাইয়ের দেয়ালে তার একমাত্র ছেলে সাংবাদিক বন্ধু পাল্টা 'চিকা' মেরেছে:
সাজ্জাদ ভাই, আপনি দেখি আমার মতোই ভোদাই!
নাটকের 'পাট' প্রসঙ্গে
২০০০-২০০১ সালের কথা। আরেক আবুল সাংবাদিক সোহেল সানি একেবারে কাঠ-বেকার। তার সারাদিনের রুটিন ওয়ার্ক-- সেগুন বাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ক্যান্টিনে বসে গুলতানি মারা, আর ক্যান্টিনে বাকীতে চা-সিগারেট, দুপুরের ভাত, বিকালের নাস্তা সারা।
সে সময় জসিম আহমেদ নামে আরেক সাংবাদিক পেশা পরিবর্তন করে ইটিভি ও বিটিভির জন্য প্যাকেজ নাটক বানানো শুরু করলো। আর রাতারাতি ওর নাটকগুলোও খুব হিট করলো; জসিম হয়ে উঠলো শো-বিজ অঙ্গণের একটি দামী নক্ষত্র।
তো রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বসে আড্ডাবাজী করতে করতে আর টিভিতে জসিমের নাটকগুলো দেখে সানির ধারণা হলো, সে-ও নাটকে নাম লেখাবে। অভিনয় করে রাতারাতি বিখ্যাত হবে; আর তখন শো-বিজই হবে তার পেশা।
তো এক সকালে সে জসিমকে মোবাইলে ফোন করলো, দোস্ত, আমারে তুমার নাটকে একটা 'পাট' (পার্ট বা রোল) দেও। আমি একটু নিজেরে টিবিতে দেখাইয়া বিখ্যাত হইতে চাই।
জসিম যতোই তাকে বোঝায় যে, অভিনয় একটি শিল্প, এর জন্য রীতিমত প্রশিক্ষণ থাকা চাই; থাকা চাই চর্চ্চা ও মেধা, সানি ততোই নাছোড়বান্দা, না দোস্ত, আমারে যে কোনো একটা 'পাট' দেও...ডায়লাগ না থাকলেও চইলবো, যে কোনো একটা ছোট-খাট 'পাট'।
এরপর তার চললো প্রতিদিনই তার টেলিফোনে ঘ্যানঘ্যান...জসিম তো সানির অত্যাচারে একেবারে অতিষ্ট। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ালো, সানির নম্বর দেখলে জসিম আর টেলিফোন ধরে না। শেষে সানি জসিমের শ্যুটিং স্পটে গিয়ে হাজির হতে লাগলো।
অনেক ভেবেচিন্তে জসিম নিজেই একদিন সানিকে টেলিফোন করলো, দোস্ত তুমার জন্য একটা 'পাট' রাখছি। তুমি রাজি থাকলে বলো।
সানি তো খুশিতে আটখানা, কী 'পাট' দোস্ত?
-তেমন কঠিন কিছু না। এই নায়িকার বান্ধবীর একটা 'পাট'। ডায়লগ নাই। তুমারে ক্যামেরায় দুই-তিনবার ভালো কইরা দেখাইবো।
--তাই বইলা মাইয়ার 'পাট'?
- দেখো দোস্ত, পড়শু দিনই সকালে আমার গাজিপুরে শ্যুটিং। যে মাইয়াটার নায়িকার বান্ধবীর 'পাট' করার কথা ছিলো, সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আর অভিনয়টা এমন কিছু না, নায়িকার হঠাৎ মন খুব খারাপ। সে শালবনের ভেতর লেকের পাড়ে উদাস হইয়া বইসা আছে। পাশে তার বান্ধবী, মানে শাড়ি-চুরি-উইগ-লিপস্টিক পইরা তুমি। ...
সানি একটু আমতা আমতা করতে শুরু করলে জসিম তাকে বুঝিয়ে বলে, দেখো দোস্ত, তুমার ফিগার ভালো, এমন চমৎকার মেকাপ দিমু যে কেউ ধরতেই পারবো না, তুমি পোলা না মাইয়া। আর তাছাড়া আগের দিনে তো যাত্রা-নাটক-সিনেমায় ছেলেরাই মেয়েদের 'পাট' করতো। এতে এতো লজ্জার কিছু নাই। ... তুমি চিন্তা কইরা দেখো, নাটক তো হিট হইবোই; তারপর তুমি হইলা নায়িকার বান্ধবী। একবার যদি তুমারে নায়িকার মনে ধরে...। অবশ্য তুমি রাজী না হইলে অন্য কথা; আমারে বিকল্প খুঁজতে হইবো।
এ পর্যায়ে সানি চিৎকার দিয়ে ওঠে, দোস্ত, আমি রাজী! পড়শু সকালে আমি তুমার শ্যুটিং স্পটে আইতাছি!
এরপর সানি আর নিজেকে সামলাতে পারে না। রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংবাদিকদের আড্ডায় জনে জনে বলে বেড়ায় তার এই 'সুখবর'। আমরা যারাই খবরটি শুনি, তারাই মুচকি হাসি, কিন্তু কেউ তাকে গোমর ফাঁস করি না।
রিপোর্টার্স ইউনিটিতে 'সুখবর'টি প্রচার শেষে সানি প্রেসক্লাবে গিয়ে জনে জনে একই খবর প্রচার করে বেড়ায়। এক বেরসিক সিনিয়র সাংবাদিক তাকে গোমরটি ফাঁস করে দিলে সানি তো রেগে একেবারে আগুন।
সে তখনই ফোন করে জসিমকে। কিন্তু কিছুতেই তাকে আর টেলিফোনে পায় না। কারণ জসিম ততক্ষণে মোবাইল ফোনের সিম পাল্টে ফেলেছে।...
আমাদের সালেহ ভাই
বিএনপি সরকারের আমল। বর্ষিয়ান ছড়াকার-সাংবাদিক আবু সালেহ ভাই কখোনো বিদেশে যাননি।
বিএনপি সরকারের সঙ্গে তার সখ্যতার সুযোগে সালেহ ভাই একদিন তখনকার সাংস্কৃতিক মন্ত্রী সেলিমা রহমানের কাছে গিয়ে বললেন, ম্যাডাম, শুনেছি আপনি নাকী একটি সাংস্কৃতিক দলকে জাপান পাঠাচ্ছেন। এই দলে আমাকেও নেন। আমি একটু জাপান ঘুরে দেখতে চাই।
সেলিমা রহমান বললেন, কিন্তু সালেহ সাহেব এই টিমে সবাই তো মেয়ে; আমি তো আপনাকে এই টিমে বিদেশে পাঠাতে পারি না।
সালেহ ভাই মাথা চুলকে বলেন, ম্যাডাম, অভয় দিলে বলি, আসলে ৬০ বছর বয়স হলে ছেলে-আর মেয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না!
আবারো সালেহ ভাই
বিএনপি সরকারের সময়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হলেন পুরনো সাংবাদিক মোজাম্মেল হক। মোজাম্মেল ভাই আবার পান-প্রিয়তার জন্য বিখ্যাত।
তো সালেহ ভাই একদিন মোজাম্মেল ভাইকে নিয়ে একটি ছড়া লিখলেন, সেখানে আবার এরকম একটি পংতি আছে:
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাকী এখন মাতাল মোজাম্মেল!
তো মোজাম্মেল ভাই এ কথা শুনে মহাক্ষিপ্ত। সালেহ ভাইকে এক চোট দেখে নেয়ার জন্য প্রায়ই তিনি প্রেস ক্লাবে ফোন করে জানতে চান, সালেহ ভাই সেখানে এসেছেন কী না। কিন্তু অনেকদিন সালেহ ভাইয়ের কোনো খবর নেই।
একদিন সকালে মোজাম্মেল ভাই প্রেসক্লাবে ফোন করে জানলেন, সালেহ ভাই সেখানে এসেছেন। তরিঘরি করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে গাড়ি নিয়ে এলেন প্রেসক্লাবে। দেখেন সালেহ ভাই এক জমাট আড্ডায় ব্যস্ত।
মোজাম্মেল ভাই সবার সামনে ওনাকে ধরে বসলেন, আপনি নাকী আমকে নিয়ে ছড়া লিখেছন?
সালেহ ভাই নির্লিপ্ত গলায় বললেন, হুমম...লিখেছি, তো কী হয়েছে? তাছাড়া এটা লেখকের ব্যক্তি স্বাধীনতা। আমি কী নিয়ে ছড়া লিখবো, না লিখবো, সে কৈফিয়ত আমি কাউকে দেবো না!
--দেখুন, আমিও কিন্তু আপনাকে নিয়ে এ রকম ছড়া লিখতে পারি।
-আপনি পারলে লিখুন না; আপনাকে বাধা দিচ্ছে কে?
--আমি এই মুহূর্তেই আপনাকে নিয়ে ছড়া লিখতে পারি।
-আচ্ছা লিখুন তো দেখি!
--শোনেন তাহলে:
ওরে আমার সালেহ
বিএনপি হলি হালে,
তোরে পোঁছে কোন ?ালে!...
---
(চলবে)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মিডিয়া ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৫:১০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ঞঁ! ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বস! ![]()
মুহিব বলেছেন:
মজা পেলাম।
লেখক বলেছেন: হ! ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
মহিউদ্দিন আহামেদ সৈকত বলেছেন:
জব্বর লাগল বস জব্বর...
লেখক বলেছেন: সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
ভালো লাগলো। সানির গোমরটা জানা হল না। একটু উপ্রে দিয়া গেল। ধরতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: সানির গোমরটা বলবো? বলবো? নাহ্... থাক! ![]()
অন্যরকম বলেছেন:
গোমরটা কি ছিল?
লেখক বলেছেন: হ! কী যেনো একটা গোমর ছিলো বস! ![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
মোজাম্মেল এর ছড়ার চেয়ে সিরাজ সিকদারকে অনেক প্রতিভাবান ছড়াকার মনে হল।
লেখক বলেছেন: একমত। সিরাজ সিকদার ছিলেন অতি মেধাবীদের একজন। তিনি ভ্রান্ত বিপ্লবী ছিলেন কী না, সেটি অবশ্য ভিন্ন প্রসঙ্গ।
---
সবাইকে আবারো অনেক ধন্যবাদ। ![]()
... গড়াগড়াগড়ি হাসি দইলাম
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস স্যার ![]()
পিংকি বলেছেন:
পড়ে খুব আনন্দ পাইলাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
অন্যরকম বলেছেন:
"চিত্তেফাক" নামটা ইচ্ছাকৃত? - আমি আরও ভাবছিলাম প্রিন্টিং মিসটেক!
লেখক বলেছেন: ইচ্ছেকৃত স্যার! একটু দুস্ষ্টুমী করলাম আর কী! ![]()
ওসমানজি২ বলেছেন:
ব্যাপক মজা পাইলাম। বাকী গুলোর জন্যে অধীর অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: প্রেস জোকস -চলবে-
---
থ্যাঙ্কস ![]()
অন্যরকম বলেছেন:
বাসস (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা) এর সব সাংবাদিক কি আবুল কিসিমের হয় নাকি? টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে আরও ২/১ টা কে দেখছিলাম! পুরায় আবুল!
লেখক বলেছেন: কবি এই খানে নিরব! ![]()
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
ব্যাপক মজা পাইছি। বই বাইর করেন।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বস! কিন্তু বই করে আবার না সাংবাদিকদের গণ ধোলাই খাই!! ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ওরে ভ্রাতা...এই সব কী সংগ্রহ করা সোজা কথা?? ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস। ![]()
জানজাবিদ বলেছেন:
সবগুলো পর্বই পড়লাম। খুবই ভাল লেগেছে। +++
লেখক বলেছেন: সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ![]()
লেখক বলেছেন: ধইন্যা। ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ![]()
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
চমেৎকার, বস্।+++++
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস। ![]()
মারুফ ব্লগ বলেছেন:
আমারও বছরখানেক প্রেসে (কাজী শাহেদ কোং) কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। নিউজে কাজ করলে মানুষের মাথা মনে হয় খানিকটা আউলা-ঝাউলা হয়। মজার মজার কান্ড সেখানে ঘটে।তবে আপনার মতো গুছিয়ে বলা ... সুকুমার তার যথার্থ বর্ণনা দিতে পারেন ...
"দাদা গো দাদা, সত্যি তোমার সুরগুলো খুব খেলে ..."
লেখক বলেছেন: হাহাহা...
---
অনেক ধন্যবাদ সবাইকে। ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
পারভীন রহমান বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো, যদিও অনেক দেরী করে পড়লাম ।
লেখক বলেছেন: তাতে কী! আপ্নে রেও ধইন্য। ![]()
লেখক বলেছেন: আপ্নের প্রোফাইল পিক্সখান চুরি কর্তে মঞ্চায়। ![]()
মনিরুল হাসান বলেছেন:
"সাজ্জাদ ভাই, আপনি দেখি আমার মতোই ভোদাই!" - এই লাইনটা পড়ার পরে সাজ্জাদ ভাইয়ের চেহারা কেমন হয়েছিলো সেটা খুব দেখতে ইচ্ছে করছে। :o)
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















সাজ্জাদ ভাই, আপনি দেখি আমার মতোই ভোদাই!
---আমাগো হাবিবের কতা কও নিকি?