আমার প্রিয় পোস্ট

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই...

পৃথিবীর পথে বিপ্রতীপ (বেহালার গল্প)

১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৪২

শেয়ারঃ
0 0 0

[বেশ পুরাতন লেখা...এই সিরিজটি বুয়েটে লাইফে লেখা]
একটা ছেলে কাঁধে গিটার ঝুলিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে…।এরকম দৃশ্য দেখে,একসময় খুব ইচ্ছে হয়েছিলো গিটার শেখার।বুয়েটে এসে আহসানউল্লা হলের সেরা আড্ডাবাজ গণরুম ১০১-এ উঠে,সেই ইচ্ছেটা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো।একথা শুনে,আমাদের ১০১-এর নিয়মিত অতিথি সুকান্তি বলল,বস্ গিটার শিখবা কেন?গিটারের চেয়ে বেহালায় ভাব বেশি।বরং আসো বেহালা শিখি।আইনষ্টাইনও বেহালা বাজাতেন। কথাটা বেশ মনে ধরলো,পোলাটা খারাপ কথা কয় নাই।তাইতো, গিটারতো অনেকেই শেখে…এমন কিছু শিখতে হবে যা কম মানুষ পারে…আর কলেজ জীবনে দেখা ‘মোহাব্বতে’ ছবিতে শাহরুখ খানের বেহালা বাজানোর দৃশ্য এখনো চোখে ভাসছে।বেহালা বাজিয়ে যদি বুয়েটের কোন আতেঁল এবং সুন্দরী মেয়ে পটিয়ে ফেলা যায়,তবে মন্দ কি?
কথা হলো, বেহালা কোথায় শেখা যায়? খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেল, আমাদের হলের চার তলায় এক দাদা আছেন যিনি বুলবুল ললিতকলা একাডেমি(বাফা)-তে বেহালা শিখেন।দাদাকে গিয়ে আমরা জানালাম আমাদের বেহালা শেখার আগ্রহের কথা।কথাবার্তার পর ঠিক হলো ,পরের শুক্রবারে উনার সাথে আমরা যাব বাফায়।শুক্রবার কাক ডাকা ভোরে আমি আর সুকান্তি ওই দাদার সাথে পুরানো ঢাকার ওয়াইস ঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।বাফার অফিসে গিয়ে জানা গেল,চার বছরের বেহালার অনার্স কোর্সের প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে আজ থেকে প্রায় দু’মাস আগে।আমরাও ছেড়ে দিতে নারাজ।ভর্তি হয়ে গেলাম দুজন বেহালার প্রথম বর্ষে।মনে মনে বেশ পুলকিত হচ্ছি,একই সময়ে দুই সাবজেক্টে অনার্স কমপ্লিট হবে- ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং আর বেহালা! বেহালা কেনা হয়নি,তবু ভাবলাম একটু ঘুরে যাই।
বাফার মূল বিল্ডিংটা অনেক পুরানো।কেমন যেন একটা ইতিহাসের গন্ধ আছে । সবকিছু চুম্বকের মতো টানছে আমাদেরকে । একদিকে কেউ বসে ছবি আঁকছে,ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা নাচছে।সিঁড়ি ভেঙ্গে দোতালায় উঠে এলাম ।বারান্দার পাশে এক রুমে বেহালার ক্লাস হচ্ছে ।বারান্দা থেকে বুড়িগঙ্গা খুব কাছে।মনে হয়,যেন হাত বাড়ালেই বুড়িগঙ্গার জলে হাত ভেজানো যাবে।আচ্ছা, বুড়িগঙ্গা নামের মানে কি? গঙ্গা কি বুড়ি হয়ে বুড়িগঙ্গা হয়ে গেছে?মাথায় এরকম অবাধ্য প্রশ্নের আনাগোনা।আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো দাঁড়িয়ে আছি।বারান্দায় অনেকে বেহালা বাজাচ্ছে।বুড়িগঙ্গার বাতাস এসে গায়ে লাগছে।আর আমি ভাবছি,আহারে এখন যদি সাথে একটা বেহালা থাকতো! খুব তাড়াতাড়ি বেহালা কিনতে হবে,আর দেরি করা ঠিক হবে না।বারান্দায় অবশ্য বেশিক্ষণ দাড়াঁলো গেল না,এক বেরসিক বেহালায় ‘আমরা সবাই রাজা’ ধরেছে(খুব সম্ভবত নতুন শিখেছে)।এমন রোমান্টিক পরিবেশে ‘আমরা সবাই রাজা’? ব্যাটা গর্দভ…।এদিকে ওই বড় ভাইয়ের ক্লাস শেষ।অনেক কষ্টে তার মাধ্যমে এক টিচারকে রাজি করালাম, উনি পরদিন বেহালা কিনতে আমাদের সাথে যাবেন।
পরদিন সকাল থেকেই মনটা কেমন কেমন লাগছে,কখন বেহালা কিনতে যাব।অনেকটা উত্তেজনা নিয়ে ক্লাস শেষে রুমে ফিরলাম দুপুরে।আমার সময় যেন কাটে না…।অবশেষে দুপুর গড়িয়ে বিকাল হলো।ঘড়ির কাঁটায় বিকাল চারটা।আমি,সুকান্তি আর ওই দাদা রওয়ানা দিলাম সায়েন্স ল্যাবের দিকে।ওখানেই আসবেন আমাদের শিক্ষক।গিয়ে দেখি,ওই টিচার আসেননি।আমি আর সুকান্তি বারবার ঘড়ি দেখছি।আমাদের এই অবস্থা দেখে ওই দাদা বললেন,তোমাদের দেখি আর তর সইছে না।কিছু সময় অপেক্ষার পর টিচার এলেন।বেহালাও কেনা হলো।বেহালার বাক্স হাতে অনেক ভাব নিয়ে হলে ফিরলাম।রুমে বসে বেহালা বাজানোর অপচেষ্টা করলাম কিছুক্ষণ।বলা বাহুল্য,বেহালা দিয়ে কোন সুর বের হলো না।লাভের উপর লাভ হলো,রুমমেটরা আগুন ঝরা দৃষ্টিতে তাকালো।যেন ওদের গালি গালাজ করছি! ভিসুভিয়াস জাগ্রত হবার আগেই আমরা ক্ষান্ত দিলাম।
পরের শুক্রবার এলো।বেহালার ক্লাসে আজ আমাদের প্রথম দিন।তখন বেহালার বিভিন্ন স্বরলিপি শেখানো হচ্ছে।আমরা সা-রে-গা-মাও তুলতে পারি না।এদিকে স্যার একটা স্বরলিপি একবার বাজিয়ে সবাইকে বলছেন নিজে বাজানোর জন্য,আর তিনি হাত নাড়াচ্ছেন।আমি ভাবলাম,খুব সম্ভবত কাঠি বাসায় ভুলে ফেলে এসেছেন।টিভিতে দেখেছি অনেক জন বসে বেহালা বাজায়,আর ওস্তাদ সামনে দাঁড়িয়ে কাঠি নাড়েন।অনেকটা সেরকম দৃশ্য।আমি আর সুকান্তি বেহালায় থুতনি ঠেকিয়ে একজন আরেকজনের মুখ চাওয়া চাওয়ি করছি,আর হাত দিয়ে বাজানোর ভাব করছি।শুধু শুধু কে মান সম্মানের বারোটা বাজাতে চায়? অনেক জন একসাথে বাজানোতে আমরা বাজাচ্ছি কিনা তা অবশ্য বোঝা যাচ্ছে না।বিরস মুখে সেদিনের ক্লাস শেষে বের হয়ে এলাম। রাতে ওই দাদার রুমে গিয়ে সা-রে-গা-মা তুলে নিলাম কোন মতে।তবে প্র্যাক্টিস করা যাচ্ছে না।রুমমেটরা বেহালার সুরেলা আওয়াজে খুব বিরক্ত হয়।যারা সঙ্গীত পছন্দ করে না,তারা মানুষ খুন করতে পারে-এই ডায়লগ বেশ কয়েকবার ঝাড়ার পরেও কোন রকম সহানুভূতি পাওয়া গেল না।আমাদের প্র্যাকটিস করাও তাই বন্ধ।যা হোক, কয়েক শুক্রবার গেলো।আমরা ক্লাসে যাই,ওস্তাদ স্বরলিপি বাজাতে বলেন।আমরা বেহালাতে থুতনি ঠেকিয়ে উদাসীন ভঙ্গিতে বসে হাত নাড়াই।অন্যদের সুমধুর সুরের মাঝে আমাদের কর্কশ সুর চাপা পড়ে যায়।ইতোমধ্যে বেহালা নিয়ে হলের বন্ধুরা টিপ্পনি কাঁটা শুরু করে দিয়েছে।কিছুদিন পর…আবার এক শুক্রবার এলো।সকালে ঘুম থেকে উঠে সুকান্তিকে জাগাতে গেলাম।সুকান্তি বললো, বস্ …আজ যেতে ইচ্ছে করছে না।আমি ভাবলাম,হু…গিয়ে শুধুতো বসেই থাকি…আজ থাক।
পরের শুক্রবার এলো।আজ আমার যেতে ইচ্ছে করছে না।এভাবে ৪/৫ টা শুক্রবার কেটে গেল।কোনদিন আমার যেতে ইচ্ছে করে না,কোনদিন সুকান্তির যেতে ইচ্ছে করে না।কোন কোন দিন আবার দু’জনের যেতে ইচ্ছে করে না।তাই বেহালার ক্লাসে যাই না আর।এদিকে টার্ম ফাইনাল পরীক্ষা কাছাকাছি চলে এসেছে। না যাওয়ার আরেকটা অজুহাত পাওয়া গেছে।বন্ধুরা বাঁকা চোখে জিজ্ঞেস করে,দোস্ত বেহালা শেখা কতদূর? আমরা বলি ,এই টার্মে আর হবে নারে, আপাতত বন্ধ, অন্য সময় শিখব……।
সেই অন্য সময় আর আসেনি।বুয়েট লাইফের অনেকটা শেষ প্রান্তে চলে এসেছি।তবু ,আমাদের সময় আসেনি…আসবে বলেও আর মনে হয় না।বেহালার বাক্সের উপর রাজ্যের ধূলা জমেছে।মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়,একবার খুলে দেখি…।জানি কর্কশ কিছু সুর ছাড়া আর কিছু বের হবে না…তবুও ইচ্ছে হয়।আবার,মাঝে মাঝে মনে হয়,বিক্রি করে দেই…।কি লাভ, চোখের সামনে ব্যর্থতার একটি জীবন্ত প্রতিমূর্তিকে শুধু শুধু বাঁচিয়ে রেখে?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
মেন্টাল বলেছেন: খুব ভালো লাগলো।

একসময় ছবি আকা শেখার খুব ইচ্ছে ছিলো। তো প্রতি শুক্রবার যেতাম। কিছুদিন পরই আর ভালো লাগে না। বাসায় শুক্রবারের বাংলা ছবি দেখার অজুহাত দিতাম না যাওয়ার জন্য :)
২. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:১২
ফারহান দাউদ বলেছেন: ভাব লয়া ১টা গিটার কিনসিলাম,এই জীবনে আর শিখা হইল না:(
৩. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৩৬
নাভদ বলেছেন:
দাদার নাম কি? কোন ব্যচের ছিলেন?
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ...বিপ্র
ব্যাচ-০২

৪. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:০৪
তেপান্তের মাঠ পেরিয়ে বলেছেন: চেস্টা চালিয়ে যান, একসময় ঠিকই শিখতে পারবেন। হাল ছেড়ে দিবেননা।
৫. ১৩ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:২২
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: আরে আপনি তো আগের দিনের কথা বলছেন,আমি তো অন গোয়িং।বেশ কিছু রাগ কমপ্লিট করেছি,কিন্তু আলসেমী করে রেগুলার বাজানো হচ্ছেনা অনেকদিন।ওস্তাদের কাছেও বেহালার নতুন কোনো শিক্ষা নিতে যেতে পারছিনা।আবার শুরু করতে হবে,আপনার অবস্হা দেখে সতর্ক হলাম,ধন্যবাদ।

তবে ভায়োলিন বেশ কঠিন বাদ্যযন্ত্র,সে তুলনায় গিটার অনেক স হজ,আমি জানি কারণ ভায়োলিনেরও অনেক আগে আমি গিটার বাজাচ্ছি।ভায়োলিন মূলত মেলোডী লাইনের ইন্সট্রুমেন্ট।এ দিক দিয়ে গিটারে অনেক অপশন বেশী।গিটারে রিদম,মেলোডি,গান,বেস সবকিছুই শেখা যায় আর অনেক মজার।ভায়োলিনে নতুনদের জন্য অনেক বেশী সময় লাগে।

আপনার লেখাটি পড়ে আমার বেশ খারাপ লাগলো:)।কারো স্বপ্ন ভেংগে যাওয়া অনেক কস্টের:)।তবে..."বুয়েট লাইফের অনেকটা শেষ প্রান্তে চলে এসেছি।"এলাইনটি পড়ে মনে হলো:) আপনার সময় এখনো শেষ হয়ে যায়নি।আরেকবার প্রাকটিস শুরু করুন দেখবেন পারবেন,মনে রাখবেন,বেহালায় প্রচুর প্রাকটিস করতে হবেই।সত্যি কথা বলতে কি,মিউজিকে প্রাকটিসের বিকল্প কিছু নেই।প্রচুর প্রাকটিস করুন,অবশ্যই পারবেন কেননা আপনার সময় এখনো বয়ে যায়নি।

শুভকামনা।
১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: ভাইরে বুয়েট লাইফ শেষ...শুরুতেই কিন্তু লিখেছি...লেখাটা বুয়েট লাইফে লেখা। এখন তো আরোও সময় নাই :(

৬. ১৪ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
প্রিয়তমা বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো পড়ে, মজাও পেলাম। আমার ছোটভাই গিটার কেনার পর মহা খুশি হয়ে কিছুদিন টুংটাং করেছিলম তারপর...:(
১৪ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...

৭. ২৩ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১:৪৩
সোনালী ডানার সঙ্খচিল... বলেছেন: আরে বিপ্রদা,এতদিন পরে ব্লগে?
আপনিকি প্রজন্মর গেট-টুগেদারে গেছিলেন?
আমি amateur; একটু সমস্যার জন্য এই নিকে লগইন করছি। এখন কি করছেন?

মজার ব্যাপার কি, এই সপ্তাহ থেকে আমিও বাফা'তে (বেহালা) ভর্তি হয়েছি,গত শুক্রবার প্রথম ক্লাশ ছিল, অসুস্থতার জন্য যেতে পারি নি।
৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২১
টুশকি বলেছেন: হাহাহা আপনার বেহালা বাজানোর দশা দেখি আমার হারমোনিয়াম বাজানোর মত। অনেক উৎসাহে গান শেখা শুরু করছিলাম। টিচারটা প্রথমদিকে ভালোই ছিলো, বাসায় এসে শিখায় যেত, এরপর একদিন "আয় তবে সহচরী" গানটা হারমোনিয়ামে তোলার সময় ব্যাটা টিচার আমাকে বলে "তুমি দেখি কিছুই পারোনা"। আমি তখন ক্লাস থ্রী তে পড়ি মনেহয়। এতটুকুন মানুষকে কেউ এভাবে বলে? আমার গান শিখার সব ইচ্ছা টুকরা টুকরা হয়ে ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে গেল। আমি সোজা উঠে যেয়ে আম্মুকে বললাম আর গান শিখবোনা। এরপর আর কিছুদিন টিচারটা এসেছিলো গান শেখাতে, কিন্তু এরপর আর গানই শিখি নাই, বাদ দিয়ে দিছি।
হারমোনিয়াম টা দেশ থেকে আনার সময় ধাক্কাধুক্কা খেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে, আওয়াজ বের হয়না।

"বস্ গিটার শিখবা কেন?গিটারের চেয়ে বেহালায় ভাব বেশি।" সুকান্তিদার কথাটা খুবই মনে ধরছে। কিন্তু বেহালার সুরটা কেমন জানি বেশি করুন করুন লাগে, গিটার সেজন্য ভালো লাগে, যদিও কিছুই বাজাতে পারিনা।
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: আমি গান শেখারও চেষ্টা করেছিলাম ...ফলাফল একই :(

৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: বাফা জায়গাটা অপরচুনিটির জন্য, কিছু শিখার জন্য না। অন্তত আমার মনে হয় না, শুধু বাফা তে পড়ে কেউ কিছু শিখছে।

আমি নিজে যাইতাম ত। ৩ বছর গেছিলাম। আর, কোন ফাঁকিও দেই নাই। তাও হইল ঘোড়ার ডিম। এত মানুষের ভীড়ে কিছু শিখা যায় নাকি? এত মানুষ গায়, এদের মাঝে গেয়ে এসেছি, বাসায় এসে গাইলে মানুষ বলত সুরের নাকি কিছুই হয় না।

আসলেও তাই। বাফাতে দুই দিন পর পর প্রোগ্রাম হত। যারা ভাল গাইত, ওখানে সুযোগ পেত(রেজাল্টের ভিত্তিতে)। পরে অনেক মিডিয়ার নজরে পড়ত, স্টেজ্জ পারফর্মেন্স করত।

এইভাবেই বাফা সুযোগ দেয় অনেক, কিন্তু কিছু শিখায় না।


পরে বাসাতেটিচার রেখে শিখতে হইছিল।

এখন অবশ্য বেহালা শিখি, এক ব্যাপটিস্ট মিশন চার্চে। ফাঁকি দেই আবার দেই না। কোন রকমে চলছে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯২৫৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বিভিন্ন সাইটে বিপ্রতীপ নামে পরিচিত, শুধু এখানে বিপ্র। প্রিয় রঙ কালো...একসময় ছিল সাদা ...পড়াশুনা ছাড়া বাকী সবকিছু আন্তরিকতার সাথে করার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই