আমার প্রিয় পোস্ট
- অমোচনীয় কালি স্বাক্ষী থাকলো - সবাক
- জনপ্রতিনিধির বত্তৃতার নমুনা - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- বাংলাদেশঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির প্রশ্ন - তরিকুল হুদা
- ভারতে ২০০১'র পর কোন বোমাবাজী ও হত্যার বিচার হয়নি। লজ্জার কথা !! - জুয়েল হাসান
- Policy making cycle in Bangladesh - নস্যরাজ
- আমি হয়তো মানুষ নই, মানুষগুলো অন্যরকম... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
১১ জানুয়ারি পর্যন্ত অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
বাংলাদেশে কেমন একটা গুমোট পরিস্থিতি। এক নীরব অস্থিরতা বিরাজ করছে। চালসহ দ্রব্যমূল্যের দাম হু হু করে বেড়ে গেছে। তত্ত্বাবধাক সরকারের উপদেষ্টার মধ্যে কেমন যেন খাপ ছাড়া ভাব চলে এসেছে। শহর-গ্রামের মানুষের মধ্যে চলছে কানা ঘুষা, এই সরকার আর ক্ষমতায় থাকতে পারছে না। উচ্চ বর্গীয় নাগরিক সমাজ, রাজনীতিবিদ, সেনা সদস্যদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে উপদেষ্টাদের কেউ কেউ পদত্যাগ করার চিন্তা করছেন। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গার্মেন্টস খাত, রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ জনগণের মধ্যে বর্তমান সরকারের উপর চরম আস্থাহীনতার প্রকাশ ঘটাতে আয়োজন চলছে বিভিন্ন অস্থিরতা তৈরির।
নানা সূত্র জানিয়েছে, আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এ জন্য নানা বিক্ষোভ-বিলয় ঘটতে থাকবে। এ লক্ষ্যে খুব বড়সড় আয়োজন চলছে।
কেন এমন হতে যাচ্ছে, এ ব্যাপারে লব্ধ তথ্য জানাচ্ছে যে, বর্তমান সরকারের সেনাবাহিনীর মধ্যেই অস্থিরতা চলছে। সেনা বাহিনী মনে করছে এই সরকার অনেক বড় বড় কথা বললেও কাজের কাজ করতে পারেনি। তাদের বিতর্কিত কার্যক্রমের দায়ভার সেনাবাহিনীর উপর চাপিয়ে দেয়ার পায়তারা করছে। অন্যদিকে এ সরকারের হিতৈষী মহলের পরিচয় দুর্নীতিও করছে কেউ। এই মহলটিই তাদের পোষ্যদের দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত সপ্তাহে সেনা বাহিনী বিরোধী একটি প্রচারণা ও শো ডাউন শুরু করেছে।
গত শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তারা একদল পোষ্য রাজনীতি সংশ্লিষ্ট ছাত্রকে দিয়ে কাফনের কাপড় পরিয়ে মিছিল সমাবেশ করিয়েছে।
এদিকে আওয়ামী লীগসহ প্রধান রাজনৈতিক মহল চাচ্ছে সরকার ঘোষিত রোডম্যাপের আওতায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পেতে। কিন্তু ড. কামাল হোসেন, ড. ইউনূসসহ অপ্রধান ও গণভিত্তিহীন মহলটি চাচ্ছে একটি পরিস্থিতি জনিত জাতীয় সরকার গঠন করতে। একমাত্র উপরঅলা ও উপর মহলই জানে কী আছে সামনে.........
আবু সালেহ বলেছেন:
আমার মনে হয় এত তাড়াতাড়ি কিছু হওয়ার কেন সম্ভাবনা নাই....লেখক বলেছেন: সম্ভাবনা না থাকেলই ভালো। বর্তমান এই অবৈধ-অনৈতিক সরকারের পতনের মাধ্যমে আরেকটি প্রতারণাপূর্ণ অবৈধ ক্ষমতাকেন্দ্রের ক্ষমতায়ন না হওয়াই উচিত। কারণ নতুন কেউ আসলে অবৈধতার মেয়াদকালতো বাড়বেই।
কিন্তু যারা ফরেন পলিসি, ভূ-রাজনীতি আর স্ট্রাটেজিক নির্দেশনায় চলে তাদের নিয়া আসলে কিছু বলার থাকে না।
লেখক বলেছেন: সম্ভাবনা না থাকেলই ভালো। বর্তমান এই অবৈধ-অনৈতিক সরকারের পতনের মাধ্যমে আরেকটি প্রতারণাপূর্ণ অবৈধ ক্ষমতাকেন্দ্রের ক্ষমতায়ন না হওয়াই উচিত। কারণ নতুন কেউ আসলে অবৈধতার মেয়াদকালতো বাড়বেই।
কিন্তু যারা ফরেন পলিসি, ভূ-রাজনীতি আর স্ট্রাটেজিক নির্দেশনায় চলে তাদের নিয়া আসলে কিছু বলার থাকে না।
বিগব্যাং বলেছেন:
?
লেখক বলেছেন: !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
চির সবুজ বলেছেন:
তবে আপাত দৃষ্টিতে মনে হয় উনারা বুঝতে পেরেছেন দেশ চালানো খুব কঠিন কাজ।
লেখক বলেছেন: ভাই একটা কথা রামকৃষ্ণ মিশন রোডে গেলে খুব শোনা যায়, মিস্টার মইনুল হোসেন, চালাইতে পারেন না নিউ নেশন, চালাইতে গেছেন হোল নেশন।
লেখক বলেছেন: একটা পরিবর্তন কখনো যাই হোক এর মাধ্যমে হলে ভালো হয় না। আগে পরে ভাবার দরকার আছে।
পদ্মানন্দ বলেছেন:
দেশের রাজনৈতিক দলগুলো স্বাধীনতা পরবর্তী জামাতের ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছে । ৭৫ এর পটপরিবর্তনের আগ পর্যন্ত জামাত-রাজাকারেরা ততকালীন সরকারকে দেশে বিদেশে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টায় লীপ্ত হয়েছিল ; একই ভাবে দেশের পলিটিক্যাল ম্যানুপুলেটর রা এখন এ সরকারকারকে হঠাতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত । তকালীন জিয়া সরকারের অতিমাত্রায় স্বাধীনতা বিরোধী প্রীতি এদেশের জন্য শুভ ছিলনা ; কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থেই ব্যাবসায়ী লেবাসের বর্তমানের ঐ জামাত চরিত্রের পলিটিশিয়ানদের সাথে সংলাপে বসাই সবচেয়ে বুদ্ধিমত্তার কাজ হবে ।


















