আমার প্রিয় পোস্ট

সহজ মানুষ ভজে শুদ্ধ হতে চাই

ডেইলী স্টার ও প্রথম আলোর মতো ফ্যাসিস্টদের চক্রান্ত: মত প্রকাশ ও রাজনৈতিকতা ভন্ডুলের নোংরা খেলা

১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাংলাদেশে প্রচার সংখ্যা ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে ইংরেজি দৈনিক ডেইলী স্টার ও বাংলা দৈনিক প্রথম আলোর শীর্ষে এ সত্য আজ সবাই মানেন। এ দুটি দৈনিকের নিত্যদিনের কার্যক্রমে অনেক ইতিবাচকতা প্রচারিত হচেছ। কিন্তু দুটি দৈনিকের সামগ্রিক কর্মকান্ডে ভালো মানুষীর আড়ালে লুকিয়ে আছে একটি নোংরা ফ্যাসিস্ট চরিত্র। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয়র সম্প্রসারণবাদের হয়ে বাংলাদেশে ফ্যাসিজমকে সামাজিক বাস্তবতা হিসেবে নির্মাণের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তারা মত প্রকাশের জন্য ফাঁকাবুলি ছাড়লেও তাদের স্বার্থের প্রতিকূল মতকে হত্যা করতে খুনীদের, পেশী শক্তির অধিকারীদের সব সময় সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তাদের উস্কানি কোন রাখ ঢাক না করেই সমাজে চিন্তার বন্ধ্যাত্বের শিকার কিছু প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে সব সময় প্রেরণা জোগায়। প্রকাশ্য সন্ত্রাসকে তারা এ ক্ষেত্রে সমর্থনই না শুধু অনেক সময় বীরত্বের রঙ্গে রাঙ্গিয়ে প্রচারেরও ব্যবস্থা করে। এই কর্মকান্ডের ক্ষেত্রে নীতি-নৈতিকতা বা সাংবাদিকতার ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। তাদের এই দুর্বলতা সমাজে যেখানে প্রশ্ন বিদ্ধ হওয়ার কথা তার পরিবর্তে কিছু আহাম্মককে দেখা যায় তাদের দাস হিসেবে কৃতিত্ব হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যস্ত হতে।
এর কোন উদাহরণ যদি দিতে হয় তাহলে আমি শুরুতেই আসবো ২০০৭ সালের ২১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সেনা সদস্যকে ফ্লাইং কিক মারার ছবিটি প্রকাশের প্রসঙ্গে। আমরা সবাই জানি ২০ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে সেনা সদস্যরা যে নাগরিক নির্যাতনের দুঃসাহস প্রদর্শন করে ছাত্ররা তার বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠে রাষ্ট্রীয় অবৈধ কর্তৃত্বকে প্রত্যাখ্যান করে বিদ্রোহ করে বসে। এই বিদ্রোহের সাথে ১/১১ এর পরে জনগণের ওপর ছড়ি ঘোরানো জনিত ক্ষোভ-ক্রোধ ও জিঘাংসা যুক্ত হয় অতিদ্রুত। যার ফলে বাংলাদেশে একটি সফল ছাত্র বিদ্রোহ সংঘটনের বাস্তবতা তৈরি হয়। ছাত্ররা জনগণকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশে সেনা কর্তৃত্বকে ভালোই ঠেঙ্গিয়ে যাচ্ছিলো। এর মাত্রা সমাজে এমন আশাবাদ জুগিয়েছিলো যে ছাত্ররা হয়তো বিদ্রোহে বিজয়ী হচ্ছে। এ সময় অসাংবিধানিক-অবৈধ সরকারের ক্ষমতার মসনদ টলে গিয়েছিল। সেনাবাহিনী যতোই বন্দুকের জোর দেখাক না কেন তারা পলায়ন করছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের ইটের টুকরোর প্রতিরোধের মুখে।
ঠিক এই সময় ডেইলি স্টার ফ্যাসিস্টদের দমন নিপীড়নকে বৈধতা দিতে ও রাতারাতি কারফিউ জারি করে দেশের সকল প্রধান শহরের ছাত্রদেরকে এক অমানুষিক নির্যাতনের মুখে ঠেলে দিতে উস্কানি জোগায়। তারা আমাদের বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দীন মোহাম্মদ দীনের লাথি মারার ছবিটি ডেইলি স্টারের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপিয়ে দেয়। এই ছবি ছাপানোর প্রেক্ষিতে সরকার মওকা পেয়ে যায় কারফিউ জারির। শুধু কি তাই কারফিউর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ছাত্র সমাজের জন্য যেন নরক জারি হয়ে গেলো। আমরা যে যেভাবেই পারছিলাম পালিয়ে গিয়েছি। শুধু আমার নেতৃত্বে ২২ আগস্ট রাত পৌনে ৮ টা পর্যন্ত ১৭ জন ছাত্র মিছিল করে এই কারফিউর প্রতিবাদ করছিলাম। এর পর আমিসহ ৩ জন ছাত্র টিএসসিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে লুকিয়ে থাকলাম। আমরা ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় টিএসসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ গেট পর্যন্ত কারফিউ বিরোধী একটি মিছিলও করেছিলাম। মিছিলে আজিজ সুপার মার্কেটে থাকা সাংবাদিকতা বিভাগের কিছু ছাত্র ও শিববাড়ি স্টাফ কোয়ার্টারে থাকা কর্মচারীদের কয়েকজন সন্তান যোগ দিয়েছিলো। সেখানে পুলিশের হামলার পর আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পালিয়ে বেড়িয়েশিববাড়িতে আশ্রয় পেয়েছিলাম। তিন দিন না খেয়ে আমাদের লুকিয়ে থাকার দিনগুলো ছিলো দুঃসহ। এরপর রাতের আধারে ক্যাম্পাস ছেড়ে আমরা বন্ধুরা যে যার ঢাকা শহর ছেড়ে পালিয়ে বেড়িয়েছি।
আড়াই মাস বরিশাল, পটুয়াখালী, বি-বাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কুষ্টিয়া, মাগুরা, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামে কাদামাটিতে-বৃষ্টির পানিতে ভিজে শুধু ডেইলি স্টারের ফ্যাসিজম উস্কে দেয়ার ঘানি টেনে বেড়িয়েছে।
এরপর ঢাকায় এসে যা জেনেছি তাতে হৃদয়ে প্রতিশোধ ও বিদ্রোহের চেতনাই সদা জাগ্রত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল ছাত্রকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয়েছে তাদের সকলের ছবি সেনাবাহিনী, ডিজিএফআই, পুলিশ ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা সংগ্রহ করেছে ডেইলি স্টার, প্রথম আলো, এনটিভি ও একুশে টেলিভিশনের কাছ থেকে। তাদের সরবরাহ করা ছবি নিয়ে সারা দেশেই তল্লাশি চালিয়ে আমাদের সতীর্থেদর গ্রেফতার করা হয়েছে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের এই চরিত্র সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি অবহিত আছি। আমরা তাদের চরিত্র সম্পর্কে মোটেও সন্দিহান হইনি। কিন্তু এ দেশের অনেকেই প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের সেই চরিত্র সম্পর্কে কোন ধারণা না নিয়েই এ দুটি সংবাদপত্রের দালালি করছেন। এই দালালদের কারণে এ বছরের আগস্টেও তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিভক্ত করতে ও সন্ত্রাসী হামলার শিকার হতে উস্কানি জুগিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আমার নেতৃত্বাধীন নির্যাতন প্রতিরোধ ছাত্র আন্দোলনকে শিবিরের সাথে জুড়ে দিয়ে ছাত্রদের প্রতিক্রিয়াশীল অংশকে উস্কানি প্রদান করা। তারা কতোটুকু নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছে তার প্রমাণ আমার কাছে আছে। পরবর্তী অংশে আমি এর বয়ান লিখবো। এ পর্বে শুধু এতটুকু বলি ৭১-র পাকিস্তানপন্থী সংবাদপত্রের ২০০৭ এ একই ভূমিকা পালনকারী রাজাকার সংবাদপত্রকে ক্ষমা করা হবে না। তাদেরকে ফ্যাসিস্ট ভূমিকা পালনের জন্য ছাত্ররা ও তাদের অভিভাবক জনগণ বিচার করবে। এ ক্ষেত্রে তারা কোন ছাড় পাবে না। তারা ভাবে ফ্যাসিস্ট ভূমিকা দিয়ে সমাজের সংবেদনশীল তরুণদের দমন করা যাবে না। কিন্তু তারা ভুলে গেছে ইতিহাসের দেয়াল লিখনে এই অভিজ্ঞতা জ্বল জ্বল করছে '‌‌‌বল প্রয়োগের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগ ও ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে ফ্যাসিজম প্রয়োগ' করলে তাদের জারিজুরি ফাঁস হয়ে যাবে।

 

 

  • ৩০ টি মন্তব্য
  • ৪৭৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: দীন মোহাম্মদ দীনের খবর কী ?
লাথি পরবর্তী সিচুয়েশনে তার কি কোন দূর্ভোগ হয়েছিল ?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: দীন মোহাম্মদ দীনকে পাঁচ মাস জেল খাটতে হয়েছে। তাকে দিনের পর রিমান্ডে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। সে ডান পা দিয়ে সেনা সদস্যকে লাথি দিয়েছিলো। এজন্য রিমান্ডে নিয়ে তার ডান পা টাকে পিটিয়ে গুড়ো করে দেয়া হয়েছে। সেনা বাহিনী তার ডান পা টা কেটে ফেলতে চেয়েছিলো। কিন্তু মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে তার পা রক্ষা পেয়েছে কিন্তু এখন আর সে না খুড়িয়ে হাটতে পারে না। সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর তাকে গাত্রোত্থানের জন্য ১ ঘন্টার বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়। এ কারণে সকালের অনেক ক্লাসও তার মিস হয়ে যায়।

২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
comment by: হাসান বিপুল বলেছেন: এ বিষয়ে আরো খবর পাবেন সুনীতা পলের রিপোর্টে এই লিংকে-
http://www.globalpolitician.com/24880-media
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: বিপুল আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মতামত জানালে খুশি হবো।

৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
comment by: হাসান বিপুল বলেছেন: @ লেখক:

সুনীতা পলের রিপোর্ট পড়ে আমি থ মেরে গেছিলাম। সে জন্য খুব নির্ভরযোগ্য ও বিস্বস্ত একটি সুত্রে এ বিষয়ে আমি মতামত চেয়েছিলাম। সূত্র জানিয়েছে "এ রিপোর্টের প্রতিটি তথ্য সত্যি"।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: সুনীতা পালের রিপোর্টের লিংকের জন্য ধন্যবাদ। শুধু লতিফের কারবার নিয়া এখানে কথা বলা হলো। যদি খোঁজ করে তাহলে জানতে পারবেন মতি ভাই সিপিবি'র ‌'একতা'র কতো টাকা মেরে দিয়ে পার্টি থেকে বহিষ্কার হয়েছিলো। কেউ যদি জানতো কি কারণে পল্টনের কমিউনিস্ট পার্টির অফিস দুই ভাগ হয়েছে আর কেন বা এক অফিসে লাল রঙ্গ আর আরেক অফিসে সবুজ রঙ্গ লাগানো হয়েছে তাহলেই তো সব পষ্ট হয়। মতি ভাইকে নিয়া একটা পোষ্ট দেওয়ার ইচছা রইলো।

৪. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ডেইলি স্টার, প্রথম আলোর উপর বিতৃষ্ণা ছিল অনেক আগে থেকেই। তবে সুনীতা পালের রিপোর্টটি পড়ে গা শির শির করে উঠল।

একটা সময় ছিল যখন মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না। নানা বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে মানুষ মত প্রকাশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে। প্রথম আলো, ডেইলি স্টার জাতীয় পত্রিকা এটা প্রমান করবে যে নিয়ন্ত্রনহীন মত প্রকাশের স্বাধীনতা কতটা ক্ষতিকর হতে পারে!! এর থেকে উত্তরণের রাস্তা কোথায় কে জানে?
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: এনটিভি, আরটিভি ও আমার দেশ অফিসে আগুন লাগানোর প্রসঙ্গটা মনে রাখলে বুঝতে পারবেন এই দুইটা ফ্যাসিস্ট প্ত্র কতো ভয়ঙ্কর হতে পারে।

৫. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: এনটিভি, আরটিভিতে কি আগুন লাগানো হয়েছিল? আমি ঠিক জানি না এই ব্যাপারে। কোন লিংক থাকলে দিন।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: আমার লিঙ্ক জানা নেই। তবে বলে রাখি আগুন লাগানোর পর এনটিভি অনেক খানি দখলে চলে গেছে স্কয়ারের গর্ভে। যারা কিনা ট্রান্সকম মিডিয়ার একটা বড় পার্টনার। আর আরটিভি তো এখন জলপাই রঙ্গের পোষাকধারীদের বেশ্যায় পরিণত হয়েছে। আমার দেশ টিমটিম করে বেঁচে থাকার আকুতি জানাচেছ। বাকি কথা পরবর্তীতে লেখার ইচ্ছা রইলো।

৬. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:২৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

২১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের এক সেনা সদস্যকে ফ্লাইং কিক মারার ছবিটি কি ভূয়া ছিলো?

৭. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

ওহ... উপরের মন্তব্যটা মুছে দিন.. আমি আপনার মূল বক্তব্য বুঝতে একটু ভুল করেছিলাম।


তবে আপনার পোস্টের কিছু অংশের সাথে একমত ও কিছু অংশের সাথে দ্বিমত আছে...


১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: দ্বিমতগুলো জানালে খুশি হই।

৮. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
comment by: মুকুল বলেছেন: হু ম ম
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: হু মমমমমমমমমমমমমমমমমমম

৯. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩
comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: সহমত এবং পরবর্তী কিস্তি পড়তে আগ্রহী।
১০. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
comment by: খোমেনী ইহসান বলেছেন: ধন্যবাদ।
১১. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
comment by: মুসতাইন জহির বলেছেন: হানাদারি শক্তির বিরুদ্ধে পাল্টা বলপ্রয়োগের গণক্ষমতা সৃষ্টি করতে হবে এতে আমরা একমত।

কিন্তু ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ফ্যসিবাদ নয়। বরং গণতান্ত্রিক চেতনা ও ঐক্যের ভিত্তিতে সংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ, প্রয়োজনে একনায়কতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রয়োগও চলতে পারে।

আশা করি ফ্যাসিস্ট ও পরাশক্তির স্থনীয় এজেন্টদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা সতর্ক প্রদেক্ষেপ ফেলতে পারবো।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: সদয় পরামর্শ আগামী দিনে আমাদের রাজনৈতিকতার বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপে নিশ্চিত প্রেরণাদায়ী হবে। ধন্যবাদ। কেমন আছেন। প্রচারযন্ত্রের হানাদারির শিকার হচ্ছি খুব। কিন্তু সব কিছু দু'দিনেই স্তিমিত হয়ে যাবে।

১২. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭
comment by: প্রবাস কন্ঠ বলেছেন: দালাল ও দালালদের পত্রিকা থেকে সবাই ১০০ হাত দূরে থাকুন।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: এমন আহ্বানে আমরা অনুপ্রাণিত হই। আপনাকে লাল সালাম।

১৩. ১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪
comment by: স্বপ্ন কারিগর বলেছেন: দমন করে আন্দোলন থামানোর চিন্তা মনে হয় ব্রিটিশ আমল থেকে আমাদের স্বভাবে পরিণত হয়েছে...সামান্য পরিস্থিতি সামলাতে ব্যর্থতা সরকারের অযোগ্যতাই ফুটিয়ে তুলেছিলো।
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: আর সরকারী দমনে এদেশে সংবাদ মাধ্যমের একটি অংশ ও বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা সেই ব্রিটিশদের সময় থেকে পক্ষেই ছিল। তাই তো ভারত বর্ষে গান্ধী পুষ্পমাল্য ভূষিত হন আর সুভাষ বসুরা কোথায় হারিয়ে গেলেন তা নিয়ে এখনও রহস্য থেকে যায়। বঙ্কিম বাবুদের যে ঘরানা বঙ্গে সৃষ্টি হয়েছে তার পুনরুৎপাদন প্রক্রিয়া প্রথম আলো ও ডেইলী স্টারেরা বজায় রেখেছে।

১৪. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
comment by: সজল বলছি বলেছেন: প্রথম আলো বাদ দিয়া সংগ্রাম ধরমু কিনা ভাবতাছি? আচ্ছা সংগ্রাম নিয়া একটা রির্পোট করেন না? অথবা বইল্লাদেন ওই পোপারটা পড়ো। তাহলে সুবিধা হয়।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: সজল কিছু হলেই সস্তা কিছু আবেগ ও বলিকে ঢাল-তলোয়ার হিসেবে ব্যবহার করে কী প্রকাশ করতে চান? এসব কী এখন চলে? আপনি '৭১ কে টানবেন? মনে রাখুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাদ দিয়ে যত্তো আবেগ দেখান না কেন সব মেকি, ফালতু। বাংলাদেশ? কীসের বাংলাদেশ? এটাকে তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বানিয়ে কিছু লোকের হাতে তুলে দিয়েছে। তারা অতঃপর কী করেছে জানেন তো? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা সময়ে সময়ে এটাকে বুকের রক্ত দিয়ে তাজা রাখছে। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ভালো-মন্দ না বুঝেই আপনি কিছু একটা ছাপিয়ে দেবেন? আর আমরা আড়াই মাস পালিয়ে থাকবো, রিমান্ডে যাবো, জেলে থাকবো, আমাদের শিক্ষকরা অন্ধকুপে থাকবেন-এসব তো আমরা বুঝি। এ জন্য প্রকাশ্যে মাইকিং করে ও প্রথম পৃষ্ঠায় লিখে ক্ষমা প্রার্থনা না করে কীভাবে আবেগ প্রকাশ করেন। এখানে সংগ্রামের প্রসঙ্গটা আসে কী ভাবে? প্লিজ বুঝতে চেষ্টা করুন।

১৫. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩২
comment by: পি মুন্সী বলেছেন: সুনিতা পলের রিপোর্টে কেবল ব্যবসা বিষয়ক কানেকশন কে কার সাথে জড়িত তার খোজখবরের দিকটা প্রকাশিত হয়েছে। রাজনৈতিক কানেকশন অর্থাৎ বিদেশী দাতা, এনজিও, সুশীল সমাজ পরাশক্তির সাথে সম্পর্ক, এক-এগারোর ঘটানোর এজেন্ডা - এগুলো আসেনি। খোমেনী ইহসান কেবল মিডিয়ার একটা অংশকে চিনতে পেরেছেন। বাকিদের খবর নেন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: তার খবর কিছুটা জানি। বিশেষ করে মতি ভাই ও মাহফুজ ভাইয়ের গর্ভাচেবের অনুসারী হিসেবে পুঁজিবাদের পক্ষে অবস্থান নেয়ার কথাও জানি। মনে রাখা প্রয়োজন পেরেস্ত্রৈকার অনুসরনে যে সংস্কার প্রস্তাব সমাজতান্ত্রিক বিশ্বকে ব্যর্থতার গ্লাণিতে নিমজ্জিত করে তারই অনুগামী সংস্কার প্রস্তাবের নীল নক্সার বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে ১/১১ পরবর্তী বাংলাদেশকে ঘিরে।

১৬. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:০০
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: ছদ্মবেশী শিবির-কে মাইনাস...

 



 


তার হাত ধরে নরকে যেতে চেয়েছি। কিন্তু গোয়ার্তুমিই দু'জনেক দূরে ঠেলেছে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৪১৭৪