নীরবে নির্জনে আমি কেঁদে চলেছি। তোমার হাসি মুখ আবারও দর্শনের লাগি

প্রথম আলো জরিপ ফলাফর দিয়ে কী প্রমাণ করতে চায়-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জেল-ফাঁসি হোক

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৪৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি কয়েক দিন আগে ডেইলী স্টার ও প্রথম আলোর ফ্যাসিস্ট ভূমিকার কথা নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। এখানে আমি ডেইলী স্টারের একটি গণ বিরোধী অবস্থানের কথা লিখেছিলাম। একই গ্রুপের সংবাদপত্র প্রথম আলোর এক ফটো জার্নালিস্টের তোলা ছবি ডেইলি স্টার সেনা বাহিনীকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে ছেপে দেয়। এর ফলেই গত বছরের ২২ আগস্ট কারফিউ জারি করা হয় ও পরের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক অধ্যাপক হারুণ-অর-রশিদ ও অধ্যাপক আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করে রাতের আধারে। এরপর ৮০ হাজারেরও বেশি ছাত্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে সকল মামলারই নিষ্পত্তি হয়েছে। কিন্তু শাহবাগে সেনা বাহিনীর গাড়ি পোড়ানোর মামলাটির কোনও সুরাহা হয়নি। এই মামলায় মোট ২৫ জন আসামী ছিলেন। আসামীদের মধ্যে ১৮ জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এদের অন্যতম আমি ও ছাত্র ইউনিয়নের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মানবেন্দ্র দেব। কিন্তু এখনও এই মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্র আসামী হিসেবে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। শুধু তারা এবং তাদের অভিভাবকরাই নয় আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররাও খুব শঙ্কিত কী না কি হয়ে যায় এ মামলায়। এ ক্ষেত্রে আমরা সকলেই চাচ্ছি সকল মহলের শুভ বোধের উদয়। যাতে এ বিষয়টির ফয়সালা হয়ে যায়। এতটুকু চাওয়ানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকদের সাথে সারা দেশের মানুষই সহমত পোষণ করেন বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। সেই জায়গায় প্রথম আলো কিনা একটি ফালতু জরিপ করে দেখালো শতকরা ৬৬ ভাগেরও বেশি মানুষ নাকি এ মামলা প্রত্যাহার অনুচিত মনে করেন। প্রথম আলো যতো ব্যাখ্যা দিক না কেন আমরা তার এই জরিপ কান্ড প্রত্যাখ্যান করি। আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি ফ্যাসিবাদের দালাল প্রথম আলো সাহস থাকলে গণভোটে নামো। দেখতে পাবে দেশে শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ চায় সেনা বাহিনীর গাড়ি পোড়ানোর মামলা নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করা হোক। এনিয়ে তাদের রাজনীতি আমরা থামাতে বলছি। কারণ আমরা ৭ ছাত্র বন্ধুর আগামী দিনের একটা সুন্দর জীবন কামনা করি। আশা করি প্রথম আলো তার বিরুদ্ধে বাঁদরামিতে লিপ্ত হবে না।


প্রথম আলোর জরিপ-------------



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্রের বিরুদ্ধে দায়ের করা গাড়ি পোড়ানোর মামলা প্রত্যাহার করা উচিত বলে মনে করেন কি?
Poll Starting Date: 2008-08-20 - Poll Closing Date: 2008-08-21.

ফলাফল
মোট ভোট - 2657
হ্যাঁ 879 - 33.08%
না - 1757 না - 66.13%
মন্তব্য নেই - 21 মন্তব্য - 0.79%

 

 

  • ২০ টি মন্তব্য
  • ২৪৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৯ জনের ভাল লেগেছে, ৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:০৯
comment by: রামন বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্রের বিরুদ্ধে দায়ের করা গাড়ি পোড়ানোর মামলা প্রত্যাহার করা উচিত বলে মনে করেন কি?

@না - 1757 না - 66.13%+1=1758(67.14%)
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: এই ৬৭.১৪% নির্বোধ ও হিংস্র মানুষ নামক প্রাণীদের প্রতি আমার অকৃত্রিম ঘৃণা প্রকাশ করছি।

২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৩
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: মানবেন্দ্র ভালো আছে এখন?

মিলিটারি সভ্যতার বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি স্খলনের উপায় নাই, এরা বস্তা বস্তা ঘুষ খেলেও এরাই ঘুষবিরোধী অভিযানের প্রথম সারিতে বসে অপরাধীর বিচার করবে।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:১৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ভালো আছেন।

৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৩১
comment by: কথামালা বলেছেন:


ইজরাইল, ভারত , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্ট গণ বিরুধী এবং

দেশের
সার্বভৌমত্ব বিরোধী
পত্রিকা

'প্রথম আলো'

প্রতিরোধ করা প্রত্যেক নাগরিকের নাগরিক কর্তব্য ।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৩৪

লেখক বলেছেন: একমত। নাগরিক কর্তব্যের বিষয়টি তুলে ধরায় আপনার কর্তব্যবোধকে লাল সালাম, কমরেড।

৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৩৪
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: দালাল পত্রিকার কাছ থেকে এর বেশী কিছু আশা করিনা
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৩:৪১

লেখক বলেছেন: তাদে কাছে কোন আশাই ঠিক না। তবে তাদের এই ধরনের বদমায়েশি সামনের দিনে বিনা প্রশ্নে ছেড়ে দিলে তারা তো আমাদের ছিড়ে-খুড়ে খেতেই থাকবে। সুতরাং নিজ নিজ জায়গা থেকে সোচ্চা হোন।

৫. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
comment by: রামন বলেছেন: সেদিনের ঘটনায় যদি লেখকের বাড়ি-গাড়ী সম্পদ ভাংগচুর হোত তাহলে আজ লেখক এভাবে সাফাই গেয়ে পোষ্ট দিতেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের মত দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়ন করে যারা আগামীতে দেশের কর্ণধার হবে তাদের নিকট থেকে ধ্বংসাত্বক কার্যকালাপ কি জাতি সমর্থন করে ? অবস্যই না। আমি চাই আইনের শাসন, জাতির স্বার্থে- অপরাধী যেই হোক না কেন তাকে কাঠগোড়ায় দাঁড়াতে হবে। এটি আমার মতামত বা ভোট ,পছন্দ কেউর না হতে পারে, সেজন্য আমাকে গালাগালি করার কেউর অধিকার নাই।
৬. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২১
comment by: খোমেনী ইহসান বলেছেন: ভালো কথা। যাদের গাড়ি-বাড়ি ধ্বংস হয়েছে তারা তো মামলা করলো না। আর আইনের শাসন? তাতো আমরাও চাই। কিন্তু আপনার আইনের শাসনে তো এ কথা নেই যে বিনা বিচারে এই ছেলেদের ৫ মাস কারাগারে রাখা হলো। তাদের রিমান্ডের নামে অকথ্য নির্যাতন করা হলো। যদি এসবের বিচার হয় তাহলে গাড়ি পোড়ানোর মামলাটা চালানো যায়। গাড়ি পোড়ানোর মামলা চালিয়ে আইনের শাসন শক্তিশালী হলে আমার তিন মাস বিনা কারণে পালিয়ে থেকে যে কষ্ট হয়েছে তার বিচারও তো হতে হবে। আমাকে তো তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর ৭ আসামীরা এখনও যে ব্যাথায় কাতরায় তারও তো বিহিত হতে হবে। কী বলেন ভাই। আপনাকে গালি দেবো না শুধু আপনার বক্তব্যের সম্পূরক কিছু কথা বললাম। নিশ্চয় রাগ করেন নি?
৭. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: : দালাল পত্রিকার কাছ থেকে এর বেশী কিছু আশা করিনা
৮. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৯
comment by: কথামালা বলেছেন:

যেখানে মানুষই মাইরা ফালাইতাছে সেই খানে ঘাড়ি-বাড়ি ভাংগার কথা তুলে যারা বর্বরদের পক্ষ নেয় তারা কি মনুষ্য জাতির অর্ন্তভুক্ত ?


২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ। তবে মনুষ্য প্রজাতির দালাল গোত্রের অন্তর্ভূক্ত।

৯. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:৩৫
comment by: রামন বলেছেন: আপনি আপনার পোষ্টের বিষয় বস্তু থেকে দুরে সরে এসে জিনিষটি বির্তকে রূপ দিতে চাচ্ছেন। নির্যাতন নিয়ে আমি বির্তকে যাব না কারণ প্রক্রিয়াটি পুলিশ-গোয়েন্দাদের আভ্যান্তরিণ বিষয়। যখন ভাংগচুর মামলাটি রজ্জুকরা হয় সেটি হয়েছিল জরুরীআইনের অধীনে। যে আইনে নাগরিকের আংশিক মৌলিক অধিকার খর্ব হয়। যে আইনে মামলা হলে আসামীর জামিনের আধিকার থাকে না। ধন্যবাদ।
১০. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৫:৩৭
comment by: খোমেনী ইহসান বলেছেন: চাচ্ছি না।
১১. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৭:৫১
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: ছদ্মবেশী শিবির-কে মাইনাস...
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: কিছু দিতে জানেন-এই-ই তো বড় প্রাপ্তি। তাই না?

১২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: সাদাচোখ বলেছেন: সহমত @ রামন,
আমিও আর্মির পক্ষে না, আবার ভাংচূরের পক্ষেও না। ভাংচূরের ছবি ভিডিও দেখিয়ে আর্মি জনসাধারণের সহমর্মিতা আদায়ের চেষ্টা করেছে।
আর নিজেদের প্রকাশ করছে জনসাধারণের ত্রাতা হিসেবে। এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
১৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৫৯
comment by: নীল লাল সবুজ বলেছেন: প্রথম আলো গ্রুপ ছবি ছাপার জন্য ব্যালান্স করতেছে।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: প্রথম আলো গ্রুপ তো ব্যালান্স করেই জন্ম নিয়েছে। জিন্দেগীটাও তাদের এ কাজেই ব্যয়িত হবে।

 

 


তার হাত ধরে নরকে যেতে চেয়েছি। কিন্তু গোয়ার্তুমিই দু'জনেক দূরে ঠেলেছে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৯৬০৮