নীরবে নির্জনে আমি কেঁদে চলেছি। তোমার হাসি মুখ আবারও দর্শনের লাগি

ছাত্র রাজনীতিতে গ্রুপিং চাঙ্গা হচ্ছে: সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছেই

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

দীর্ঘ দুই বছরের জড়তা ভেঙ্গে দেশের ছাত্র সংগঠনগুলো আবারও চাঙ্গা হচ্ছে। ছাত্ররাজনীতির কলঙ্ক বলে চিহ্নিত গ্রুপিং ও মারামারি আবারও ফিরে আসতে শুরু করেছে। ঢাকা বাইরে এই সংঘর্ষ বেশ কয়েকটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে। রাজধানীতেও স্বল্পমাত্রায় এর প্রয়োগ হচ্ছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেপ্টম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ও ইদের পরে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ছাত্র রাজনীতির গ্রুপিংয়ের জের ধরে সংঘর্ষ ব্যাপক আকাড় ধারণ করতে পারে। ছাত্র সংগঠনের শীর্ষ ও মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের কাছ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে কর্মরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসমূহে লাঠি-রড-চাপাতি-কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্রের সম্ভার গড়ে তুলেছে। হাই প্রোফাইল ক্যাডাররা আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছেন। তারা জানান, 'আমাদের কাছে যতটুকু তথ্য আছে এবং গ্রুপিং সংঘর্ষে বাধাতে ছাত্র নেতারা যে ভাবে স্বংকল্প বদ্ধ হচ্ছেন, তাতে ভয় আছে।'

দেশের অনেক মানুষই জানেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে এমন গুজব সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। দিনাজপুরের দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বগুড়ার জিয়া মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে এর নগদ প্রমাণও পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে গতকাল ঘোষণা করা হয়েছে ১৬ সেপ্টম্বর থেকে রাজধানীর স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বন্ধ থাকবে।
তাহলে বিষয়টা কী দাড়াচ্ছে? মোটামুটি সারা দেশকে স্কুল-কলেজ থেকে সাইজ করতে করতে বিপদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। এই কেন্দ্রীভূত হওয়ার ক্ষেত্রে স্বল্পমাত্রায় বড় ধরণের সংঘর্ষের ব্যবহারিক পরীক্ষা চালানো শুরু হয়েছে। ফজলুল হক হলে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল রাতে টিএসসি'তে ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে কোপাকুপি হয়েছে ছাত্রদল কর্মীদের। অন্যদিকে সংঘর্ষ সংঘর্ষ ভাব বিরাজ করছে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল, মাস্টারদা সূর্যসেন হল, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, কবি জসিম উদ্দিন হল ও জগন্নাথ হলে। এছাড়াও ছাত্রদলে অভ্যন্তরীণ বিশৃংখলা বিরাজ করছে নেতা কর্মীরা, বাবু গ্রুপ, ফিরোজ গ্রুপ, টুকু গ্রুপ, জুয়েল গ্রুপ, হাসান মামুন গ্রুপের নামে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায়।
ছাত্রলীগে রোটন গ্রুপ, রিপন গ্রুপ, টিপু গ্রুপ, বাদশা গ্রুপ, সাইফুল গ্রুপ ও মিজান গ্রুপের মধ্যে চলছে ব্যাপক অস্থিরতা। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এসব গ্রুপের শীর্ষ ব্যক্তিরাও মারপিটে ভীষণ আগ্রহী বলেই জানতে পেরেছি।
শেষ পর্যায়ে জানিয়ে রাখি ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের এই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ব্যাপারে ছাত্র শিবির, ছাত্র ইউনিয়ন ও জাসদ ছাত্রলীগের নেতাদের ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ ব্যাপারে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণও রয়েছে। আর সব কিছুর কলকাঠি কে নাড়ছে তা বড়ই রহস্য!!

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ছাত্র রাজনীতি  বিভাগে ।

 

  • ৬ টি মন্তব্য
  • ১২৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৯
comment by: তারিক টুকু বলেছেন: ৩য় টা আমার
২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
comment by: ইনভেস্টিগেটর বলেছেন: কি দালাল খুমেনী, কি খবর?
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪

লেখক বলেছেন: আমি দালাল না কী সবই তো জানো। তাহলে আমার খবরও তো জানো নিশ্চয়।

৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
comment by: ইনভেস্টিগেটর বলেছেন: মাসোহারা কত দেয়? আমাকে নিবে?
৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
comment by: মুশফিকুর রহমান নিয়ন বলেছেন: শিবির খোমা.. ভালা ??
৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: চিন্তার বিষয়!!!!!!!!!!!১

 

 


তার হাত ধরে নরকে যেতে চেয়েছি। কিন্তু গোয়ার্তুমিই দু'জনেক দূরে ঠেলেছে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৯৬২২