somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... শেরপুরের স্থানীয় অনুসন্ধানী সাপ্তাহিক ' শেরপুর সময়' এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন শেরপুরের আসল রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী কামরান
হরি চরণ দাস
শেরপুর-১ আসনে চারদলীয় জোট প্রার্থী কামারুজ্জামানকে রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী হিসেবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিউর রহমান আতিক ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম বেশ জোরে শোরে প্রচার চালাচ্ছে। কিন্তু শেরপুরের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা বললেন, তাদের দাবি জঘন্য মিথ্যাচার। শেরপুরের প্রকৃত রাজাকার হচ্ছে কামরান। সে বৃহত্তর ময়মনসিংহ আল বদর বাহিনীর কমান্ডার ছিলো। সেই কামরান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে পাকিস্তান চলে গিয়েছিলো। সে বর্তমানে মালয়েশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছে। সাপ্তাহিক শেরপুর বার্তার পক্ষ থেকে শেরপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে কথা বললে তারা এ দাবি করেন।
মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, শেরপুর-১ আসনে চার দলীয় জোট প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামারুজ্জামান মুক্তিযুদ্ধের সময় মাত্র ১৯ বছর বয়সী কলেজ ছাত্র ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পুরো ৯ মাসেই শেরপুরেই ছিলেন না। এ সময় কেউ তাকে শেরপুরে দেখেনি। তাই শেরপুরে কোন ধরনের রাজাকারি কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকার জন্য তাকে অভিযুক্ত করা জঘন্য মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। মুক্তিযুদ্ধের পর গত ৩৭ বছরেও তিনি কোন খারাপ কাজে জড়িত হননি। তিনি একজন ভালো ছাত্র ও দক্ষ সাংবাদিক হিসেবে হিসেবে এবং সৎ রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশে-বিদেশে প্রচুর সুনাম কুড়িয়েছেন। তাকে নিয়ে শেরপুরবাসী গর্ব বোধ করে। শেরপুরের বিখ্যাত রাজনীতিবিদ খোন্দকার আব্দুল হামিদের পর তিনিই এ জেলার শ্রেষ্ঠ সন্তান। হিন্দু-মুসলিম সকল ধর্মের শেরপুরবাসীর বিপদে-আপদে তিনি যেভাবে ছুটে আসেন তাতেই বুঝা যায় তিনি কতো ভালো মানুষ। তাকে জড়িয়ে যারা মিথ্যা কথা বলে তাদের ব্যাপারে শেরপুরের জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা।
শেরপুর সদর থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মাসুদ রানা বলেন, ‘কামারুজ্জামানকে রাজাকার বলা কোন ভাবেই ঠিক না। মুক্তিযুদ্ধের সময়তো সে এক দিনের জন্যও শেরপুরে ছিলো না। জামালপুর শহরে থাকতো। তাহলে সে কীভাবে শেরপুরে রাজাকারি করবে মানুষ হত্যা করবে? রাজাকারতো ছিলো আরেক জন। সে হচ্ছে কামরান। সে যুদ্ধের পর পালিয়ে পাকিস্তান চলে গেছে। পাকিস্তান থেকে আমেরিকা গিয়ে অ্যালবামা ইউনিভার্সিটির শিক্ষকতা শুরু করেছিলো। সেখান থেকে সে পরে মালয়েশিয়ায় সেটেল্ড হয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছে।’ তাহলে কামারুজ্জামানকে কেন রাজাকার বলা হয় এ প্রশ্নের উত্তরে বলেন মাসুদ রানা বলেন, ‘ ‘বিষয়টা তো সহজ। কামারুজ্জামান মেধাবী ছাত্র। ভালো সাংবাদিক। সৎ রাজনীতিবিদ। জিরো থেকে নিজেকে হিরো বানিয়েছে। কেউ মানুক না মানুক তিনি এখন আন্তর্জাতিক ফিগার। তাই কিছু লোক টাকা-পয়সা খেয়ে তার নামে মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘যারা তাকে রাজাকার বলে তারা যদি সৎ হতো তাহলে এ কথা মুখ বুঝে মেনে নিতাম। কিন্তু তারা তো অসৎ। তারা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পদ লুটপাট করে খেয়ে ফেলেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ট্রেনিং নিয়ে এক দিনের জন্য যুদ্ধ না করলেও তারা পরে মুক্তিযোদ্ধা নেতা সেঁজে শেরপুর জেলায় অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ধরে এনে মারধর করে সহায় সম্পত্তি দখল করেছে।’
মাসুদ রানা বলেন, ‘আমি কর্ণেল তাহেরের অধীনে ১১ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছি। জিয়াউর রহমানের জেড ফোর্সের চারটি কমান্ডো গ্র“প আলফা, ডেল্টা, ব্রাভো ও চার্লির মধ্যে আলফা গ্র“পের সদস্য ছিলাম। এ গ্র“পের সদস্য হিসেবে আমি কামালপুর, বাউরামারি, নালিতা বাড়ির তন্তর, সিলেটের শালুটিকর পাক বিমান ঘাটি ধ্বংস করার দুঃসাহসী যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেই। আমি তো রাইফেল পরিস্কার করা মুক্তিযোদ্ধা না। রণাঙ্গনের সরাসরি যোদ্ধা। আমি যেমন অমুক্তিযোদ্ধা মুক্তিযোদ্ধা বলিনা। তেমনি যিনি রাজাকার না তাকে রাজাকার বলে ধান্দা করি না।’ কিছু মুক্তিযোদ্ধ কামারুজ্জামানকে রাজাকার বললেও কেন তিনি তাকে রাজাকার বলেন না এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা পরিবার-পরিজন ছেড়ে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন দেশের জন্য। নিজের স্বার্থে মিথ্যা কথা বলার জন্য না। যারা কামারুজ্জামানকে রাজাকার বলে স্বার্থের জন্যই এ কথা বলে। এর কোন ভিত্তি নেই।’
তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘ মুক্তিযুদ্ধের সময় শেরপুরে কামারুজ্জামান ছিলেন বিধায় সে কাউকে হত্যা করার সাথে জড়িত নয়। শেরপুরে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খরমপুরের কামাল ও নাসির। তারা পাকিস্তানী সেনা বাহিনীর প্রাক্তন সদস্য ছিলো। তারা শেরি ঘাটে নিয়ে মানুষ হত্যা করতো। এই দু’জনের মধ্যে নাসিরই শহীদ গোলাম মোস্তফাকে শ্মশান ঘাটে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। এই নাসির ডিসেম্বরের শুরুতে পাক বাহিনী পরাজিত হলে শেরপুর থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় চরপক্ষীতে তাকে জনতা পিটিয়ে হত্যা করে। অথচ কেউ কেউ প্রকাশ্যেই মিথ্যাচার করে কামারুজ্জামান গোলাম মোস্তফাকে খুন করেছে।
এদিকে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিট গঠন করলে শেরপুর জেলায়ও মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এর কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির পক্ষ থেকে ৭১ এর রাজাকার, আলবদর ও আল শামসের সাথে জড়িতদের তালিকা করার দায়িত্ব দেয়া হয় মুক্তিযোদ্ধা ছামিদুল ইসলামকে। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ছামিদুলের তালিকায়ও কামারুজ্জামানের নাম ছিলো না। বরং নাম ছিলো কামরানের। মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের রাজাকার হওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা ছামিদুল নিজেই। উল্টো তিনি কামারুজ্জামানের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে তার জন্য ঘরে ঘরে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন।
অন্য দিকে সভা-সমাবেশ করে কামারুজ্জামান রাজাকার বা যুদ্ধাপরাধী নন বলে দাবি করছেন শেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা হাবিব, আব্দুল ওয়াহাব। তাদের এ দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন হিন্দু স¤প্রদায়ের নেতা শ্রী বিজন চক্রবর্তীসহ অসংখ্যা হিন্দু ধর্মালম্বী।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28888256 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28888256 2008-12-26 16:17:57
যুদ্ধাপরাধের বিচারের পূর্ব শর্ত হিসেবে নিজেদের বিচার করা ও সুবিধাবাদ চিহ্নিত করার কর্তব্য প্রসঙ্গে........ যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে ১৯৭১ এর আগে জন্ম নেয়া লায়েক নাগরিকদের মধ্যে কী হয় না হয় জানি না তবে নতুন প্রজন্মে এই প্রসঙ্গটি সব সময় মারাত্মক উত্তেজনা, আশাবাদ ও স্বপ্ন দেখাদেখির ব্যাপার তৈরি হয়। এ নিয়ে খুব ঘনিষ্ট বন্ধু মহলেও ঝগড়া-বিবাদ, মান-অভিমান এবং শত্রুতার ব্যাপারও দাড়িয়ে যায়। সম্প্রতি বাংলাদেশেও একই ব্যাপারই উপস্থিত আছে। এর কোন ব্যতয় ঘটেনি।
কিন্তু দুঃখের ব্যাপারটা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধের ইস্যুটা যতো গর্জন করে মাঠে আসে সেই অনুপাতেই চুপিসারে হাওয়া হয়ে যায়। যাদের আমরা যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য বরকন্দাজ মনে করি তাদেরই প্রায়ই দেখি গোলাপজল দিয়ে গোছল সেরে মোমবাতি-আগরবাতি নিয়ে ইঙ্গিতকৃত যুদ্ধাপরাধীদের সাথেই একই মঞ্চে বা ছাদের নিচে বসে পড়ছেন। এই অঘটনের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে বের হয়ে আসে আবার কোন কারণে যুদ্ধাপরাধের বিচার চাওয়া হলো আর কোন কোন চুপ হয়ে যাওয়া। এর মধ্যে লেনদেন ও স্বার্থ জড়িত থাকে।
কিন্তু তরুণ প্রজন্ম এর সাথে যুক্ত হয় প্রচন্ড আবেগ থেকে। এই আবেগ থেকে সম্মান না জানানোর কোন কারণ থাকে না। কিন্তু রাজনৈতিক বোধ-বুদ্ধিহীন একটি শরীর সম্পন্ন প্রজন্মের মধ্যে একটা পর্যায়ে আর যুক্তি খুঁজে পাওয়া যায় না। তারা শুধু আবেগে দুলতে থাকেন। এর কারণ কী? আমার দুইটা চোখের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে জনপ্রিয়তার পেছনে ছোটা। আমরা বাংলদেশে বর্তমানে যে প্রজন্ম আছি তারা কোন ঝুকি নিতে চাই না। আমাদের দু' কাপ চা দরকার। আর দরকার নামী-দামী লোকের পিঠ চাপড়ানো প্রাপ্তি। তো দেখা যায় যুদ্ধাপরাধের বিচার দাবির সাথে যে জনপ্রিয়তা অর্জনের ব্যাপার থাকে তাতে চোখ-কান বুঝে ঝাপিয়ে পড়তে পারলেই হলো। সা.ই, ব্লগসহ বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সাথে কথা-বার্তা লেনদেনের যে সব জায়গা আছে বাস্তবিক অথবা ভার্চুয়ালি সেখানেও আমরা দেখি এইটা একটা প্রবণতা।
এই প্রবণতা আমি সা.ই. ও দেখছি প্রকটভাবে। এখানে এটা আবার হাগিমনি(অথবা হেজিমনি) হয়ে গেছে। আমি এমন কিছু লোকের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি যারা বুঝেন না কী বলছেন বা বলতে চাচ্ছেন। কিন্তু ভিড়ের মধ্যে হাতি চালিয়ে দেওয়ার মতো করে কিছু একটা করে বসেন। তারা জনপ্রিয়তা নামক একটা ঘোরের মধ্যে এমনভাবে মজে থাকেন যে বুঝেন না বাতাস কোন দিক থেকে কোন দিকে কেনো বয়ে যাচ্ছে। একটা পর্যায়ে তাদের জনপ্রিয় ইস্যু অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়ে যায়। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কিছু মানুষের সাথে কিছু মানুষের মন কষাকষি ও শত্রুতা স্থায়ীই থেকে যায়।
আমি নিজেকে কোন জনপ্রিয়তার মধ্যে ঢুকায়া বিচার করতে চাই না। নিজে যা বুঝি পছন্দ করি অসম সাহসের সাথে তা প্রকাশ করি। আমি যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে নিজের অবস্থানটা নিজেই নির্ধারন করে নিয়েছি।

আমার বয়স বর্তমানে ২৩ বছর ৬ মাস। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। আমার চোখের সামনে আমার বন্ধুরা-বান্ধবীরা ও পরিচিতজনরা দেখলাম গত দুই বছর যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে ক্যাম্পাসে বেশ আন্দোলন করছেন। তাদের মিছিল-সমাবেশ ও মানব বন্ধন কর্মসূচীতে মাঝে মাঝে উপস্থিত থাকতাম। একাজ করতে গিয়ে নিজের মধ্যে কিছু চিন্তা-ভাবনার উদয় হয়। তারপর প্রচলিত আন্দোলন থেকে আস্তে করে সরে গেছি। কিন্তু দাবি ছাড়ি নাই। এ নিয়ে আমার মধ্যে কোন গ্লানি নেই। অনুতাপ নেই। যা আছে কর্তব্য বোধ।
আমি দেখলাম আমরা যারা যুদ্ধাপরাধে বিচার চাচ্ছি তাদের মধ্যে কিছু ছেলে মেয়ে সংবাদপত্রে নিজের নাম ফুটানি ছবি ছাপানির একটা রোগের শিকার হয়ে গেলেন। এর ওর কাছ থেকে টাকা পয়সা নিতে থাকলেন। কিন্তু কিছু দিন আগেও দেখেছি এদের মধ্যে এ নিয়ে কোন কথা নাই বার্তা নাই। হুট করে এরা এই ইস্যুটা সামনে এনে আমাদের দাওয়াত করে মাঠে নামায়া দিল। বিষয়টাকে দেখলাম সেনা প্রধান মইন উ আহমেদের যুদ্ধাপরাধের বিচার না হওয়ার একটা আফসোস প্রকাশের সাথে সম্পর্কযুক্ত। একটা অবৈধ সরকারের পেয়াদার ডাকে আমরা মাঠে নেমে পড়েছি দেখে আমি অত্যন্ত লজ্জিত বোধ করতে শুরু করি। একই সাথে ভাবতে থাকি যুদ্ধাপরাধের বিচারও তো হতে হবে। এই বিচারের পদ্ধতিটা কী?? এনিয়ে অনেক ভেবে চিন্তে দেখলাম, যুদ্ধাপরাধের বিচার এদেশে এতো বছর পার হয়ে যাওয়ায় অনেক বেশি কর্তব্যবোধ ও দায়ের সাথে জড়িত। প্রথমতঃ কাজ হচ্ছে প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা। দ্বিতীয়ত গত ৩৭ বছর যারা এর বিচার করেন নি তাদেরও বিচার করা। আমার কাছে মনে হয়েছে যারা ৩৭ বছল ধরে বিচার না করে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করেছে তারাতো এখনও তাদের রক্ষা করবে।
তাহলে পুরা বিষয়ে লড়ার জন্য ঠিক ঠিক রণ নীতি ও রণকৌশল কী তাও নির্ধারণ করতে হবে। তারপর আমাদের নতুন প্রজন্মকে লড়তে হবে। লড়াইটা যেন এমন হয় আমরাই বিজয়ী হই। পরাস্ত হওয়ার কোন ব্যাপারই যেন না ঘটে।
(অসমাপ্ত)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28884274 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28884274 2008-12-18 12:44:57
১৪ ফেব্রুয়ারি: শহীদ দিবস ও ভালোবাসা দিবস;১৬ ডিসেম্বর: বিজয় দিবস ও বাংলা ব্লগ দিবস-অবশেষে আমরা কিস কিস খেলি অথবা বলগাইতেই... বিশ্ব বেহায়া এরশাদ বন্দুকের জোরে ক্ষমতা দখলের পর দেশের তাবৎ বিপ্লবী ও গণতন্ত্রীদের মধ্যে একটা ইন্দুরও এর কোন প্রতিবাদ জানাইলো না। সর্ব প্রথম ১৯৮৩'র ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাজপথে প্রতিবাদ জানায়। তারা বেহায়া এরশাদের বিরুদ্ধে কথা বলে। স্বৈরাচারের শাসনকালের এই পয়লা প্রতিবাদে এরশাদ মহা রোষে প্রতিবাদরত ছাত্রদের সমাবেশে ট্রাক চালিয়ে দেয়। তাতে দিপালী সাহাসহ আরও কয়েক জন ছাত্র শহীদ হন। এই শহীদদের ছাত্র সমাজ দীর্ঘ সময় ধরে বেশ শ্রদ্ধার সাথেই স্মরণ করতো।
কিন্তু ৯০ এ সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের শফিক রেহমান ভালোবাসা দিবসের আয়োজন করেন ১৪ ফেব্রুয়ারি। এই ভালোবাসা দিবস বাংলাদেশে এখন এমন দিবসে পরিণত হয়েছে যা সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে। এই দিবস পালনে ভালোবাসা বাড়ে না কমে জানিনা। তবে বেশ আলগা কিস এগাল ওগাল রাঙ্গিয়ে যায় নিশ্চিত। ফাঁক তালে বাণিজ্যও করে মিডিয়া, রুটি, বিস্কুট, ফুঁচকা, চাইনিজ খাদ্য অলারা আর হোটেল মালিকরা।
মাঝখান থেকে হারিয়ে গেছে ১৪ ফেব্রুয়ারির শহীদ দিপালী সাহারা। একটি জাতির জীবনে ভালোবাসা কী কাজে আসে জানিনা, তবে শহীদদের ভুলে যাওয়াটা কতো দুঃখের ও শোকের তা বলগাইয়া বোঝানোর দরকার নাই।
অথচ বাংলাদেশে ভালোবাসার জন্য একটা দিবস হিসেবে ১ লা ফাল্গুনকে নির্ধারণ করা যেতো। কিন্তু শফিক রেহমান একটা শহীদ দিবসকে ভালোবাসা দিবস করে স্বৈরাচার বিরোধী চেতনাকে খাঁটো করে ফেললেন। যার ফলাফল হিসেবে এখন বিশ্ববেহায়া এরশাদ এখন নতুন করে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়ে গেলেন। কে না জানে এদেশের শাসকদের মধ্যে এরশাদই সবেচেয়ে বেশি ভালোবাসাবাসির সাথে জড়িত। তিনি কবরে যাওয়ার আগেও রমণ করেন, বাচ্চার বাবা হওয়ার দাবি করেন। তো শহীদ দিবসে ভালোবাসা দিবস পালন হলে তিনি নির্ভার হয়ে যেতে পারেন। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র হত্যার গ্লানি থেকে তিনি মুক্ত হয়ে যান।
বিগত দুই বছরের মুখোশধারী স্বৈরশাসনের প্রথম বছরে অর্থাৎ ২০০৭ এর ১৪ ফেব্রুয়ারি আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্ররা 'শিক্ষা বাণিজ্যের' প্রতিবাদে কলা ভবনের সমস্ত বিভাগে ধর্মঘট পালনের মাধ্যমে ১৪ ফেব্রুয়ারির চেতনাটা ধরতে চেষ্টা করে সফল হয়েছি। কিন্তু পরের বছরেই ভালোবাসা দিবসের জোরটা আমাদের এক বছর আগের সাফল্যকে আন্দোলনকারীদের ভেতর থেকেই মুছে ফেলতে সক্ষম হয়।
এখন কথা হচ্ছে, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সহ বিশ্বের সকল স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য অত্যন্ত মর্যাদার ও উল্লসিত হওয়ার দিন। এদিনটা শুধই বিজয়ের। এদিনে অন্য কিছুকে টেনে আনাটা শুভবুদ্ধির কাজ হতে পারে না।
আমরা ভোগী জীবনের লীলা দেখছি বিশ্বময়, তাতে কিন্তু সব কিছু ভুলে যাওয়ার একটা ব্যাপার দাড়িয়ে গেছে। হয়তো বাংলাদেশেও এক সময় বিজয় দিবস ভুলে যাওয়া হবে। শুধু একটা বুলি আওড়ানোর দিবস হিসেবেই ১৬ ডিসেম্বর প্রতিবছর আমাদের মাঝে উপস্থিত হবে। যদি না আমরা এ দিবসটার মর্যাদা, অনন্যতা, অখন্ডতা ও কোন কিছুর সাথে জড়িয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আগে ভাগেই সাবধান হই।
বাংলাদেশে ও প্রবাসে এখন অনেক লোক ব্লগিং এ জড়িত। তারা যদি এ দিন বিজয় দিবসের পাশাপাশি আরেকটা দিবস পালনে লিপ্ত হয়ে পড়ে তাহলে বিষয়টা ভালো হয় না। একটা অকাজ হয়। বিজয় দিবসকে বিয়ে পড়ানোর ব্যাপার হয়ে যায়।
আমি মোটের উপর বলতে চাচ্ছি এ দিন বাংলা ব্লগ দিবস পালন না করা হোক। এ ব্যাপারে সা.ই. কর্তৃপক্ষকে বলবো আপনারা বাংলা ব্লগের চিন্তা নিশ্চয় অন্য কোন দিন থেকেই করেছেন। এ দিন শুভ বাংলা ব্লগিং ঘটিয়েছেন মূলত বিজয় দিবসের তাৎপর্য মাথায় রেখে। সুতরাং দিবসটা সরিয়ে অন্য কোন দিনে নিয়ে যান। ১৬ ডিসেম্বর আমরা শুধুই বিজয় দিবস পালন করতে চাই। অন্য কিছু না।
এ ব্যাপারে আমি সহ ব্লগারদের সমর্থন আশা করছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28882398 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28882398 2008-12-14 21:45:09
সংবিধান অনুসারে এরশাদ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না: অথচ আওয়ামী লীগ তাকে রাষ্ট্রপতি বানানোর পথ্য প্রদান করেছিলো। দেশে রাষ্ট্রপতি শাসন পরিহার করে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের সময়েই এরশাদের আবার কখনো রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে যায়। তখন সংবিধানের চতুর্থ ভাগে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত পরিচ্ছেদটিই বদলে দেওয়া হয়। এরশাদের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে বাধাটি রয়েছে এই পরিচ্ছেদে। এর ৫০(২) অনুচ্ছেদে আছে, রাষ্ট্রপতি পদে কেউ দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবেন না। সংবিধানের এই বিধান উপেক্ষা করতে গেলে বিপত্তি দেখা দেবে। এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ‘চুক্তি’ কিংবা ‘সমঝোতাই’ এরশাদকে রাষ্ট্রপতি পদে বসাতে পারবে না।
আজকের দৈনিক সমাকালে প্রধান প্রতিবেদনে এমন দাবিই করা হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার মোহে এরশাদকে হাওয়া ভবন থেকে সুধা সদনে বাগিয়ে এনেছিলো ২০০৬ সালে। এ নিয়ে একটি চুক্তিও সম্পাদিত হয়। যে চুক্তির বলে এরশাদ নিজের রাষ্ট্রপতি হওয়ার খায়েশ বেশ ঢাকডোল পিটিয়েই বলে বেড়াচ্ছে। সংবিধানের নিয়মে এরশাদের রাষ্ট্রপতি না হতে পারা হয়তো এ যাত্রায় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক বোধ সম্পন্ন নাগরিকদের জন্য স্বস্তির কারণ হবে। কিন্তু প্রশ্ন জাগে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে এরশাদকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লোভ দেখানোর কাজটা করলো কীভাবে? তাহলে তারা কী ক্ষমতার জন্য সংবিধান লঙ্ঘনের চুক্তি করেছিলো। একটি দেশতো চলে সংবিধান অনুসারে। সংবিধানের দেখানো পথে দেশ পরিচালনার জন্যই তো সরকার নির্বাচিত হয়। অথচ সরকার হওয়ার আশায় কিনা সেই সংবিধানকেই বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে কোন কোন রাজনৈতিক দলের নীতি-নৈতিকতা ও বিবেচনায় এতটুকুও বাধে না।
-----------
আমার এ পোস্ট দেয়ার অনুপ্রেরণা হিসেবে সমকালের যে প্রতিবেদন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে তা নিম্নে বিবৃত হলো-

এরশাদ রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না
কাজী আব্দুল হান্নান
জাতীয় পার্টি প্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না। তাকে রাষ্ট্রপতি করতে হলে দেশের সংবিধান সংশোধন করতে হবে। আর এজন্য প্রয়োজন হবে দু’শতাধিক সংসদ সদস্যের সমর্থন।
দেশে রাষ্ট্রপতি শাসন পরিহার করে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের সময়েই এরশাদের আবার কখনো রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথ বল্পব্দ হয়ে যায়। তখন সংবিধানের চতুর্থ ভাগে রাষ্ট্রপতি স¤ক্সর্কিত পরিচ্ছেদটিই বদলে দেওয়া হয়। এরশাদের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে বাধাটি রয়েছে এই পরিচ্ছেদে। এর ৫০(২) অনুচ্ছেদে আছে, রাষ্ট্রপতি পদে কেউ দুই মেয়াদের বেশি থাকতে পারবেন না। সংবিধানের এই বিধান উপেক্ষা করতে গেলে বিপত্তি দেখা দেবে। এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো ‘চুক্তি’ কিংবা ‘সমঝোতাই’ এরশাদকে রাষ্ট্রপতি পদে বসাতে পারবে না। জাতীয় পার্টির বিভিল্পু পর্যায়ের নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারাও বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন। তবে তাদের মতে এরশাদ দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি ছিলেন না। রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন একটি মেয়াদ। আরো একটি মেয়াদের জন্য তিনি এ পদে আসতে পারবেন।
তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ১৯৮৬ সালের ২০ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর ২৩ অক্টোবর শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তার এই পদের মেয়াদ শুরু হয়। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে তার রাষ্ট্রপতি পদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এর আগে তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (সিএমএলএ) হিসেবে দেশ পরিচালনা করেছেন। ফলে আগের মেয়াদটি তার রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত থাকার মেয়াদ হিসেবে গণ্য হবে না।
এ বিষয়ে অনুসল্পব্দানে জানা গেছে, ১৯৮৬-৯০ মেয়াদটির আগেও এরশাদ রাষ্ট্রপতি ছিলেন তার স্বীকৃতি রয়েছে বঙ্গভবনের রেকর্ডপত্রে। বঙ্গভবনের ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে, ‘প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির
(মহৃল ইংরেজিতে রা®দ্ব্রপতির দফতরের) দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।’ তবে তিনি শপথ নেননি। রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণের পর সেদিন এরশাদ বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করেছিলেন। তিনি সেদিন মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথ পরিচালনা করেছিলেন।
আরো দেখা যায়, ১৯৮৫ সালের ২০ মার্চ এরশাদ তার ১৮ দফা কর্মসহৃচি এবং দেশে সাংবিধানিক শাসন প্রতিষ্ঠার পক্ষে গণভোট (হ্যাঁ বা না ভোট) করান। এর মাধ্যমে ‘রাষ্ট্রপতি হিসেবে তিনি নিজে এবং তার ১৮ দফা
কর্মসহৃচির পক্ষে বিপুলভাবে জনগণের অনুমোদন লাভ করেছেন’ বলে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দাবি করেছিলেন।
এই মেয়াদে তার রাষ্ট্রপতি থাকার প্রমাণ মেলে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে। সপ্তম সংবিধান সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে সংযোজন করা ১৯ (৫) উপপ্যারায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, ১৯৮২ সালের সামরিক ফরমান থেকে শুরু করে এই সংশোধনী হওয়া পর্যন্ত মেয়াদের মধ্যে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক যেসব পদে নিয়োগ দিয়েছেন সেগুলো রাষ্ট্রপতি কর্তৃক দেওয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে।
এই অংশটির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে আইনবিশারদরাও বলছেন, এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট মেয়াদটির জন্য সিএমএলএ-কে সংবিধানই রাষ্ট্রপতি হিসেবে অভিহিত করছে। ফলে মেয়াদটিতে এরশাদ রাষ্ট্রপতি ছিলেন না বলার অবকাশ নেই।
এ ব্যাপারে আরো দালিলিক প্রমাণ পাওয়া গেছে ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে। ১৯৮৩ সালের ৩ নম্বর ফরমান (প্রক্লামেশন অর্ডার) হিসেবে অতিরিক্ত গেজেট আকারে এটা প্রকাশ করা হয়। ১৯৮২ সালের সামরিক শাসন জারির ফরমানের এটা নবম এবং ১৯৮৩ সালের তৃতীয় সংশোধনী। এরশাদ সেদিন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করতে এই সংশোধনীর মাধ্যমে মহৃল সামরিক শাসন জারির ফরমানের ইংরেজি ‘বি’ ধারায় যোগ করেন, “ঞযব ঈযরবভ গধৎঃরধষ খধি অফসরহরংঃৎধঃড়ৎ ংযধষষ নব ঃযব চৎবংরফবহঃ ড়ভ ইধহমষধফবংয.” (প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হবেন বাংলাদেশের রা®দ্ব্রপতি)। আর রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার অভিষেক হয় বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে।
অর্থাৎ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক শাসন জারি করে এরশাদ প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হয়েছিলেন এবং ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতি হন। তখন থেকেই রাষ্ট্রপতি পদে তার প্রথম মেয়াদের শুরু। এ মেয়াদের সমাপ্তি ঘটে ১৯৮৬ সালের ২৩ অক্টোবর সরাসরি ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়। সেদিন থেকে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদের রাষ্ট্রপতি। নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে তার দ্বিতীয় মেয়াদের সমাপ্তি ঘটে।
এর বিপক্ষে যুক্তি দেখানো হতে পারে, সামরিক শাসনের সময়কাল সাংবিধানিক শাসন নয়। সে সময়ের রাষ্ট্রপতি কোনো সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিবেচিত হবেন না। সংবিধানে রাষ্ট্রপতির দু’মেয়াদের যে কথা বলা হয়েছে তা শুধু সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
আবার এ যুক্তির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন আছে। সামরিক শাসনকাল সাংবিধানিক না হলেও সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে তৎকালীন শাসনের যাবতীয় কার্যত্রক্রমকে অনুমোদন দেওয়া হয়। পাকিস্তন সুপ্রিম কোর্টের একটি মামলার রায় প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য। সামরিক শাসন কিংবা জরুরি অবস্থা জারি করে সাংবিধানিক শাসনের বিচ্যুতির অনুমোদন সম্পর্কে জাফর আলী শাহ বনাম পারভেজ মোশাররফ মামলার রায়ে সে দেশের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ইরসাদ হাসান খান বলেছেন, ‘এ অনুমোদন শুধুমাত্র সামরিক শাসনকালীন কাজকর্মের বৈধতাই নয়, আগে এবং পরের দুটি মেয়াদকালের মধ্যে সেতুবন্দ তৈরির রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে অপর একটি মেয়াদকাল।’ রায়টিতে আরো বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাহীর সাংবিধানিক বিচ্যুতির কালকে আপত্তিকর বলে ঘোষণা করা হলেও ক্রান্তিকাল হিসেবে এই মেয়াদকে অস্বীকার করা যাবে না।’ (পিএলডি ২০০০, ভলিউম-২)।
এরশাদের এক সময়ের কৌঁসুলি ব্যারিস্টর আজমালুল হক কিউসি এ সম্পর্কে বলেন, তৎকালীন সব সামরিক ফরমানের অনুমোদন সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকায় ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে সপ্তম সংশোধনী আইন পাস হওয়া পর্যন্ত মেয়াদকালে এরশাদ সাংবিধানিকভাবেই রাষ্ট্রপতি ছিলেন। যদিও পঞ্চম সংশোধনী মামলায় সম্প্রতি আমাদের হাইকোর্ট পঞ্চম সংবিধান সংশোধনকে যে কারণে বাতিল করেছেন সেই একই কারণে সপ্তম সংশোধনও বাতিল হবে। কিন্তু হাইকোর্টের রায়টি এখনো সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন। সপ্তম সংশোধনী বাতিল না হওয়া পর্যন্ত এরশাদ সামরিক শাসনের মেয়াদকালটিতে সাংবিধানিকভাবে রারাষ্ট্রপতি ছিলেন না বলে বিবেচনা করার কোনো অবকাশ নেই। আর সপ্ত সংশোধনী যদি বাতিল বলে চূড়ান্ত রায় পাওয়া যায় তখন অবৈধ শাসনকালের কার্যত্রক্রম পরিচালনার দায়ভার প্রশ্নে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নেবে।
এরপরও সন্দেহ জাগতে পারে যে, সংবিধানে দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে কেউ অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না বলে যে বিধানটি রয়েছে তা ১৯৯১ সালের পর সংবিধানে এসেছে। এরশাদ এর আগে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি ছিলেন। এই বিধিনিষেধ সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের পর যারা রাষ্ট্রপতি হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এ সম্পর্কে আইন বিশেষজ্ঞদের অভিন্ন অভিমত হচ্ছে, কোনো আইনে নতুন কোনো বিধান যখনই যোগ করা হোক না কেন, আইনটির জন্মকাল থেকেই তা বলবৎ রয়েছে বলে বিবেচনা করতে হয়। সংবিধানের ক্ষেত্রে এটা আরো বেশি প্রযোজ্য। বিশেষত দুই মেয়াদের বেশি রাষ্ট্রপতির পদে থাকতে না পারা সংক্রান্ত বিধানটির চরিত্রই হচ্ছে অতীতাশ্রয়ী। একে অগ্রবর্তী আইন হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। তাছাড়া রাষ্ট্রপতি পদটিকে শাসনব্যবস্থা কিংবা ক্ষমতার এখতিয়ারের ভিত্তিতে বিবেচনার কোনো নজির বিশ্বের কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না।
এরপরও রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল হিসেবে সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদে উলেল্গখ থাকা পাঁচ বছরের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে কেউ কেউ এরশাদকে সাংবিধানিক প্রতিবন্ধকতামুক্ত বলে দাবি করতে চেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সংবিধান বিশেষজ্ঞ সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যখনই নির্বাচিত হন তিনি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। নির্বাচিত উত্তরাধিকারী শপথ না নেওয়া পর্যন্ত এ মেয়াদ বর্ধিত হতে পারে। আবার মৃত্যু, পদত্যাগ কিংবা অপসারণের কারণে কমও হতে পারে। একজন রাষ্ট্রপতির পাঁচ বছর পূর্ণ হয়নি বলে অবশিষ্ট সময়ের জন্য কাউকে নির্বাচিত করার কোনো ব্যবস্থা নেই। অর্থাৎ পাঁচ বছরের খন্ডিত অংশকে বিবেচনায় নিয়ে ‘আংশিক মেয়াদের রাষ্ট্রপতি' বলে কাউকে বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই।
তার মতে, এরশাদ তৎকালীন সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ছিলেন একটি মেয়াদে। অপর মেয়াদটিতে তিনি সংবিধানের বিধান অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতি হননি বটে; কিন্তু তারপরও তিনি রাষ্ট্রপতিই ছিলেন। এখন এ নিয়ে কেউ বিতর্ক তুলতে চাইলে অবশ্যই তা আইনগত বিতর্ক। সংবিধান অনুযায়ী এ বিতর্কের অবসান ঘটাতে পারেন একমাত্র সুপ্রিম কোর্ট।
অভিন্ন অভিমত প্রকাশ করে ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি বলেন, বিখ্যাত অষ্টম সংশোধনী মামলার রায়ে সংবিধানের বিধান সম্পর্কে যে কোনো অস্পাষ্টতা কিংবা বিতর্ক নিষ্পত্তি করার অধিকার একমাত্র সুপ্রিম কোর্টের বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই ৫০(২) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন হচ্ছে বলে মনে করলে যে-কেউ রিট আবেদনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে। এমনকি সংবিধান লঙ্ঘন করে কেউ শপথ নেওয়ার পরও কোনো রিট আবেদনকারী ঘোষণামূলক রায়ের মাধ্যমে পদটি শূন্য করার উদ্যোগ নিতে পারবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28877085 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28877085 2008-12-02 06:54:35
পাগল দিয়ে আমরা কী হাতি ঘোড়া উদ্ধার করতে পারবো? নাকি জোশের চোটে শাশুরীর গালেও কিস করে দেবো?? আমরা ইদানিং রঙ্গ-তামাশার মতো দেখতেছি এই বোঁচকা বয়ে বেড়ানোর জন্য জাতির জনক কিম্বা কায়েদে আযমদের ভাবপুত্রদের মধ্যে পাগলামি করার একটা প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেছে। তারা কেউ বায়তুল মোকাররমের সামনে কেউবা চারুকলার সামনে আজান দিয়ে অন্যেরে জ্ঞানদান করে আলোকিত করার ওয়াজ প্রকল্প চালাচ্ছে বেশ। কেউ কারও চেয় কম না। এ দেখে কিছু নাদান নিজেরে কোন না কোন পক্ষের গাঙ্গে চুবিয়ে পরিচয়সূত্র জনিত সঙ্কট থেকে মুক্তির অভাবনীয় চেষ্টা করেন। তারা এমন ভক্তির পরিচয় দেন যাতে দেব-দেবী সমতূল্য দলীয় নেতৃবৃন্দের খুঁদ-কুড়া যেন তাদের পাতেও পরে। এরা খুঁদ-কুড়া পায় কিনা জানিনা তবে অন্যের মেজাজে যথেষ্ট বিরক্তি উৎপাদন করে তারা জানান দেয়, ছাগলেরঅতিরিক্ত লাফালাফি করা তিন নম্বর বাঁচ্চার ন্যায় তারাও উপোষ।
এমনতরো এক দল পাগলের সাথে গত তিন দিন ধরে আমার যোগাযোগ হচ্ছে। তাদের কর্মকান্ডে আমি লজ্জিত-দুঃখিত এবং শঙ্কিত।

কারণ এমন পাগলেরা যোশের বশে পা চাটার কাজে বাজে ধরণের কুকান্ডের প্রমাণ প্রতিনিয়ত তৈরি করেন। এবং যোশের উত্তেজনা যেনতেনভাবে পূরণ করার জন্য বেহুদা আত্মতৃপ্তিতে ভুগে শাহবাগের জাদুঘর ধাক্কাতে ধাক্কাতে একটু পর পর হাত খানেক পেছানোর দাবিও তারা প্রচার করতে শুর করে দিয়েছেন যেন।
কাই এই পাগলদের দিয়ে খাঁদে পড়ে যাওয়া দেশের নাগরিকদের নাগরিকতার নামক হাতি-ঘোড়া আমরা উদ্ধার হবে বলে কারও মধ্যে যোশ আসতে শুরু করেছে।
এমনতরো মানুষরা যোশের চোঁটে যদি না ভাবে নিজের বিবি না শাশুরি তা না ভেবেই যদি হুলস্থুল বাধিয়েই সিস্টেম করে ফেলা হয় তাহলে সম্ভবত শাশুরির গালেও দাতের দাগ লেগে যেতে পারে।

গতকাল রাতে আমার একটা পোষ্ট নিয়ে কিছু ব্যক্তির কর্মকান্ডে প্রমাণ হতে চলেছে আমাদের ঠাটবাটে শাশুরির কাপড়ও খুলে পড়ে যেতে পারে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28876757 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28876757 2008-12-01 14:46:42
শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোদাচ্ছের চরিত্রহীণ ও যৌন হয়রানিকারী, হাসিনার কাছে তার শাস্তি দাবি করছি এ ধরণের একজন ব্যক্তির সাথে প্রফেশনাল জায়গা থেকে হাসিনার একট সম্পর্ক আছে। হাসিনার চিকিৎসাও না রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও ডা. মোদাচ্ছের গণমাধ্যমে বক্তব্য বিবৃতি দিয়ে নিজেকে হাসিনার সাথে সম্পর্কিত করেছেন। তাই এ ডাক্তারের এ ধরণের স্বভাব চরিত্র ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকতে পারেনা।
হাসিনাকে খুব তাড়াতাড়ি এই বিষয়টাকে পরিষ্কার করতে হবে, তিনি একজন দুশ্চরিত্রের অধিকারী ব্যক্তির কাছে আর চিকিৎসা নেবেন কি না, তিন তার সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা বলবেন কি না।
আমার মনে হয় দেশের কোটি কোটি মানুষের নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা যদি বিষয়টা সম্পর্কে একটা প্রকাশ্য ঘোষণা দেন তাহলে ডা. মোদাচ্ছির সম্পর্কে খুব সহজেই মানুষ সতর্ক হতে পারবে।
এই ব্লগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অনেক সমর্থক আছেন। অনেক সাংবাদিক আছেন তাদের আওয়ামী লীগের সাথে ভালো যোগাযোগ আছে। তাদের সকলের প্রতি দাবি তারা যেন ডা. মোদাচ্ছেরের ব্যাপারে হাসিনাকে একটা শক্ত প্রকাশ্য অবস্থান নিতে বলেন।

দেখা যাক হাসিনা কী করে।



ডা. মোদাচ্ছেরের লাম্পট্যের কথা নিচের লিঙ্ক থেকে জানাজানি হয়েছে।

http://www.somewhereinblog.net/blog/456789/28874801
---------------------
তবে লিঙ্কটা খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হওয়ায় নিচের লিঙ্কের বয়ান তুলে ধরছি-

চোখের ডা: মোদাচ্ছের আলীর নষ্টামী (নম্রতার কাছে ক্ষমা চাওয়া পূর্বক............)

পোস্ট দাতা: উপমাআহমদ

নম্রতা আমার বোনের একমাত্র মেয়ে। নম্রতার যেদিন জন্ম হয় সেদিন আমি চিৎকার দিচ্ছিলাম আর বলছিলাম " আমার বোন হয়েছে"!! বোনের মেয়েকে যে ভাগ্নী বলতে হয় তা আমার বোধগম্যতার বাইরে ছিল। এ কথাটা অনেক বড় হবার পর আম্মা আমাকে বলেছিলেন। শুনে বেশ হাসি পেয়েছিল।

নম্রতার প্রতি আমার বাড়াবাড়ি রকমের আদর দেখে ওর ভাইয়ের অভিযোগের অন্ত নেই। খালামনি নারীবাদি তাই শুধু নারীদের আদর করে! যদিও বোনের জন্য ওর আদর প্রদর্শন আমার চে' ঢের বাড়াবাড়ি রকমের। কোন এক ছেলে নম্রতাকে দেখে কি বলেছে তাতে সে তার বাবার লাইসেন্স করা বন্দুক নিয়ে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল সে ছেলেকে শায়েস্তা করতে !

আসলে আমাদের নম্রতা পেলব ফুলের মতো সুন্দর। এত সুন্দর, মায়াবী, নরম সে যে আমার মাঝে মাঝে ভ্রম হয় মেয়েটা কি পরীর দেশের কেউ?

নম্রতাকে ছোট বেলা থেকেই চোখে চশমা পরতে হয়। ওকে যে ডাক্তার দেখতেন তিনি হঠাৎ করে বিদেশে চলে গেলেন। আমরা ভাবনায় পড়লাম কাকে দেখাই। দীর্ঘদিনের পরিচিত ডাক্তার। যাহোক। আপা আমাকে বললেন নতুন কারো খোঁজ করতে। আমি খোঁজ খবর নিয়ে জানলাম প্রফেসর ডা: মোদাচ্ছের আলী নামে একজন চিকিৎসক আছেন যিনি বেশ ভালো চিকিৎসা করেন।

একদিন আমি আর নম্রতা গেলাম সেই ডাক্তারের কাছে। ধানমন্ডি ২৮ এ মুজিবুন্নেসা চক্ষু ক্লিনিকে বসেন তিনি (বর্তমানে সেটা ৬ নাম্বারে)। বেশ ব্যস্ত ডাক্তার। সময় নিয়ে রোগী দেখেন। আমাদের সিরিয়াল এলো একসময়। নম্রতার চোখ দেখলেন। আমি কিছুটা তফাতে বসে তার যন্ত্রপাতি দেখছি। দেখার পালা শেষ। আমি প্রেসকিপশন বুঝে নিলাম। হঠাৎ ডা: মোদাচ্ছের আলী আমার নম্রতার মুখে চুমু দিয়ে বসলেন। তারপর হাঁক ছাড়লেন নেক্সট............।

ঘটনার এমন ভয়াবহতায় আমি বিমুঢ়। তড়িঘড়ি করে বললাম, এর মানে কি, মানে কি..................ততক্ষনে পরের রোগী রুমে প্রবেশ করেছে। নির্বিকার ডাক্তার পরের রোগীর দিকে মনোনিবেশ করলেন।

আমরা বেরিয়ে এলাম।

আমি বুঝতে পারলামনা প্রায় পনের বছরের একটি তরুণীকে কি করে একজন ডাক্তার চুম্বন করে। আমার মাথা এলোমেলো হয়ে গেল।

গাড়ীতে আমি সারাক্ষণ বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। নম্রতাকে একটা লম্পট হায়েনার কাছে নিয়ে গিয়েছিলাম ফুলের মতো। ফেরত আনছি ফুলে কাঁটা লাগিয়ে।
(পোস্ট প্রদান সময়: ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২২ )


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28875873 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28875873 2008-11-29 19:32:39
জন্ম ও মৃত্যুতে নির্বাচন: একটি রাষ্ট্রযন্ত্রের পতন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে জন্ম নেয়া এ রাষ্ট্রটি শিগগির মৃত্যু বরণ করলে স্মৃতি ফলকে কী লেখা যায়, এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে আমি খুব করে ভাবছিলাম। নানান প্রস্তাবই আমার মধ্যে ঘোরপাক খাচ্ছিল। এর মধ্যেই চট করে মনে হল এ কথা লেখলে কেমন হয়-‘জন্ম নির্বাচনে, মৃত্যু নির্বাচন না করতে পারায়’। নিজের কাছেই মনে হল একথাটাই সবচেয়ে যথার্থ।
বাংলাদেশের আবির্ভাব ঘটেছে মূলতঃ ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ফলাফল অস্বীকার করে পাকিস্তানের পশ্চিমাংশের শাসক শ্রেণীর জোর করে ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখার চক্রান্ত নস্যাৎ করা প্রতিবাদের ইস্যুতে গড়ে ওঠা রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। নানান ঐতিহাসিক কারণে রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ অন্যান্য রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়ে এবং জাতিসংঘে আসন লাভ করে আন্তর্জাতিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নিজের অস্তিত্ব জাহির করতে পেরেছে। কিন্তু যে রাষ্ট্র আমাদের শাসকগোষ্ঠী গঠন করেছে চরিত্রের দিক থেকে তাকে গণতান্ত্রিকভাবে পরিগঠণ করতে পারিনি। কারণ আর্ন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করা মানেই রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক-বিষয়টি এমন না।
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান লক্ষ ছিল জাতিগতভাবে যাদের আমরা শ্রত্র“ গণ্য করেছি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই এবং তাদের দখলদারি থেকে দেশ- অর্থাৎ বাংলাদেশ নামক ভূখন্ড শত্র“মুক্ত করা। কিন্তু আভ্যন্তরীণ দিক থেকে যে-রাজনৈতিক লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারিত হয়, গঠনের প্রক্রিয়া ও ফলাফলে রাষ্ট্র গণতান্ত্রিক হয়ে ওঠে, সেই লড়াই আমাদের শাসক গোষ্ঠী করেনি।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক বলতে গেলে তাকে সমস্ত জনগণের জন্য নাগরিকতা নামক রাজনৈতিকতার একটা গণতান্ত্রিক অর্থও হাজির করতে হয়। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকতার অর্থ হচ্ছে সমাজে এমন ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটা যারা নিজেকে মুক্ত ও স্বাধীন হিসেবে গণ্য করতে পারবে। এবং এই মুক্ত ও স্বাধীন মানুষেরা নিজের ইচ্ছা ও অভিপ্রায় সম্পর্কে সচেতন হওয়া, অন্যান্য নাগরিকের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের সঙ্গে বিরোধ ও ঐক্যের জায়গাগুলো চেনা এবং ব্যক্তির ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের স্বাধীনতা অক্ষুণœ রেখে সমষ্টির ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ে সনদ হিসেবে সংবিধান প্রণয়ন করতে পারবে। তাহলেই একটি রাষ্ট্র গণতান্ত্রিকভাবে গড়ে ওঠতে পারবে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার হলো চরিত্রগত দিক থেকে পশ্চিম পাকিস্তানের ও বাংলাদেশের শাসক শ্রেণী একই।
কিন্তু আমরা গত ৩৭ বছরে দেখলাম, আমাদের শাসক গোষ্ঠী বুর্জোয়া তথা স্বার্থপরতার চরিত্রটি ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে অর্জন করতে পারেন নি। অর্থাৎ শাসকরা বুর্জোয়া হতে পারেন নি বিধায় বাংলাদেশও বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে দাড়ায় নি। শাসকদের আাইয়ামে জাহেলিয়াতের গোত্রবাদ ভয়াবহ মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। তাদের এক গোত্র আরেক গোত্রকে মোটেই সহ্য করতে পারেন না। এক গোত্র আরেক গোত্রের মানুষের উপর হিংস্র জন্তুর মতো ঝাপিয়ে পড়ছে। ডাক-দোহাই দিয়ে প্রকাশ্যে রাজপথে সমবেত হয়ে একপক্ষ আরেক পক্ষকে লগি-বৈঠা দিয়ে হত্যা করছে। এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে নিহতের লাশের উপর নর্তুন-কুর্দন করা হচ্ছে।
এতো গেলো শাসক গোষ্ঠীর দুটি লাঠিয়াল বাহিনীর প্রকাশ্য মহড়া। কিন্তু শাসক গোষ্ঠীর বুদ্ধিবৃত্তিক জায়গাটা যদি পর্যালোচনা করা হয় তাহলে বর্তমান রাষ্ট্রটার পরিণতি আরও বেশি পরিষ্কার হয়ে যাবে। টেলিভিশনে টক শো করে , সংবাদপত্রে কলাম লেখে তারা এক গোত্র আরেক গোত্রকে কতো নিশংস্রভাবে নির্মূল করতে পারবে তার জন্য উপদেশ খয়রাত করে বেড়ান। এ রাষ্ট্রের পঁচন কতো নগ্ন হয়েছে তার বড় প্রমাণ হচ্ছে এখানকার দেশ বরণ্য বুদ্ধিজীবীরা মানুষকে ‘নির্মূল’ করার অভিপ্রায়ে জন্ম নেয়া কিছু সংগঠনের নেতৃত্ত দেয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। শুধু তাই নয়। ? তারা বংশ পরম্পরায় ক্ষমতার মসনদটা আগলে রাখতে এর সমর্থক গোষ্ঠী তৈরির জন্য দেশের ছোট ছোট শিশুদের মনোজগতকে গড়ে নিচ্ছেন নিজেদের করে। একপক্ষ ক্ষমতায় এসে শিশুদের হাতে পাঠ্য পুস্তক তুলে দিয়ে বলে ‘আমরাই সব করেছি। তোমরা বড় হয়ে শুধুই আমাদের সম্মান জানাবে এবং ভোট দেবে’। আরেক পক্ষ ক্ষমতায় এসে নতুন পাঠ্য পুস্তক রচনা করে বলে ‘না, না আমরাই সব কিছু করেছি। আর কেউ কিছু করেনি। সুতরাং সম্মান ও ভোট আমাদেরই প্রাপ্য’। যার জের ধরে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে এসে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ও লাঠিয়ালগিরিতে লিপ্ত হয় তরুণ প্রজন্ম। সংবাদ মাধ্যমও বিভক্ত। কোন মারধরকে এক পক্ষ ছাপে হামলা আরেক পক্ষ ছাপে প্রতিহত করা হিসেবে। ফলে মার খাওয়া ও মার দেওয়া উভয়েই প্রচারযন্ত্রের পৃষ্ঠ পোষকতা পেয়ে যায়। দ্বন্ধ মুখর গোত্রসমূহের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থনও বিভক্ত। যার প্রমাণ দেখি একেক দেশের রাষ্ট্রদূতরা একেক গোত্রের পক্ষে সমর্থন জুগিয়ে দূতিয়ালীতেও তীব্র প্রতিযোগিতা গড়ে তুলেছেন।
শাসক গোষ্ঠীর এই গোত্র বিভক্তিতে গণতন্ত্র তাই এখন আর কোন বিবেচ্য বিষয় নয়। তাদের মধ্যে নূণ্যতম সমঝোতা তৈরিও সম্ভব না। কারণ তারা যুগ যুগ ধরে শুধু নিজ গোত্রকেই ক্ষমতায় দেখতে চান। এর জন্য শাসক হিসেবে নিজেদের মধ্যে নির্বাচন নামক যে সামাজিক চুক্তি রয়েছে তা অকেজো হয়ে গেছে। ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নামক একটা জোড়াতালিতে যে সমঝোতার ভীত তৈরি হয়েছিলো গোত্র আধিপত্য বিস্তারের অভিপ্রায়ে তা তো ২০০৬ সালেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এরপর দ্বন্ধ মুখর গোত্রগুলোকে মারধর করে কিছুটা মানুষ করার জন্য সেনা বাহিনী দুই বছর যে নিবর্তন চালালো তাতেও কিছুই হলো না। কুত্তার লেজ চ্ঙ্গুা থেকে বের করার পর আগের মতোই বাঁকা হয়ে গেছে।
নির্বাচন প্রক্রিয়াকে তার বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে দিয়েছেন। নির্বাচনের আগেই তারা বাণী প্রচার করতে শুরু করেছেন নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ক্ষমতাবাজি নির্ধারণের নির্বাচন নিরেপক্ষ না হওয়ার জিগির আগেই উত্থাপিত হলে নির্বাচন করে কী ফায়দা হবে? শাসক গোষ্ঠীর গোত্রগুলোকে কাইজা-কেলেঙ্কারী থেকে কী উপায়ে নিবৃত্ত করা যাবে? আমি আশার আলো দেখছি না। আরও বেশি কাইজা দেখছি। ফলে শাসক গোষ্ঠী গোত্রে গোত্রে আরও বেশি সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। তারা অদূর ভবিষ্যতে কোন নিরপেক্ষ নির্বাচন কতে পারবে না। দেশ আরও অস্থিতিশীল হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রই উল্টে খাঁদে পড়ে যাবে।
আমি আমার জন্মভূমি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পতনের কথা বলছি বলে কেউ আমাকে অনেকের প্রচারিত ব্যর্থ রাষ্ট্র নামক ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একজন প্রচারক মনে করবেন না। আমি রাষ্ট্রকে কিভাবে বিচার করতে শিখেছি তার ভিত্তিতেই এ কথা বলছি। কেতাবী প্রচারণা থেকে সমস্ত জনগণই রাষ্ট্রের মালিক তা আমি বিশ্বাস করি না। রাষ্ট্রের মালিক সংখ্যালঘু শাসক শ্রেণী। এই শাসক শ্রেনী অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে একটি গণতান্ত্রিক পর্দার আড়ালে এবং সমস্ত জনগণের নামে তাদের একনায়কত্ব চালিয়ে থাকে। তাই রাষ্ট্রকে গণতান্ত্রিক হিসাবে বিচার করতে হবে শাসক শ্রেণী নিজেদের মধ্যে বুর্জোয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে কি না তার ভিত্তিতে।
আমাকে যারা মোটামুটি জানেন তারা আমার মতো একজন আশাবাদী মানুষের এ ধরণের বক্তব্যে নিশ্চিয় বিষ্মিত ও ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। কিন্তু আমি নিরুপায়। একজন তরুণ এক্টিভিস্ট ও সংবাদকর্মী হিসেবে নৈর্বত্তিক শর্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যত অনুসন্ধান করে এর বাইরে আমি যেতে পারছি না। তবে আমি মনে করি, আমাদের শাসক গোষ্ঠীর পতনে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জনগণ অপর কোন দেশের নাগরিক হয়ে যাবে না। এদেশের শ্রমিক-কৃষকের যে লড়াই-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার আঁচ থেকে অনুমান করা যায়, এক নতুন রাষ্ট্র গড়ে ওঠবে। যা লড়াইয়ের ধরণ ও শত্র“মিত্র নির্ধারণের ঠিক-বেঠিকের ভিত্তিতে হয়তো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চরিত্র ধারণ করবে। তার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। সেই লড়াইয়ে রাজনৈতিক জীব হিসেবে আমাদের সকলেরই অংশগ্রহণের দায় ও কর্তব্য আছে।

* লেখাটি, গত ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি বার্ষিক সেমিনার উপলক্ষ্যে প্রকাশিত স্মরণিকায় প্রকাশিত হয়েছে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28875413 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28875413 2008-11-28 16:24:16
মা হাসিনা ও পুত্র হাসিনার কারবারি: বাংলাদেশের পরবর্তী গন্তব্য-গৃহযুদ্ধ জয় মিঞার থিসিস-
Bangladesh has been a secular Muslim state since its independence from Pakistan and founding by Sheikh Mujibur Rahman in 1971. While its short history has been full of military coup d’états, it has always returned to its roots as a secular democratic state. There are, however, troubling new signs of a shift towards a growing Islamism that could jeopardize the sanctity of secularism in the country. While the governing construct’s legitimacy is suffering politically from the past two years of emergency military rule, Islamism may be the biggest threat to the country’s Constitution and secular underpinnings. As elections are scheduled for December 18th and the two major political parties jostle over the country’s future, each party’s vision for the proper mix of Islam and government will be at the forefront. Rahman’s Awami League has long been the standard bearer of secularism and if elected, it could roll back the growing tide of Islamism in Bangladesh. The Awami League must, however, implement certain changes to proactively check this Islamism if it hopes to secure long-lasting secularism and democracy. If successful, an Awami League-led Bangladesh could be the global example of secular governance in a Muslim country.
The Situation on the Ground
During the turmoil in Bangladeshi politics over the past two years, the military government has imprisoned two former Prime Ministers on trumpted-up charges of corruption. Yet, Sheikh Hasina of the Awami League and Khaleda Zia of the Bangladeshi Nationalist Party (BNP) continue to enjoy overwhelming support from their party’s grassroots. While Sheikh Hasina has already been released and is on parole in the United States for medical treatment, Khaleda Zia remains in prison. Though the military caretaker government had originally intended to imprison all of the popular politicians before the impending December election, it appears that both Sheikh Hasina and Khaleda Zia will be allowed to participate.
Bangladeshis will once again go to the polls to decide between the Awami League and its record of secularism and the BNP with its public support of Jamat-e-Islami (which supports Islamic-leaning governance). If July’s local elections, where the Awami League won 12 of 13 Municipal elections, are any portent of future national elections, the League appears to be the favorite in the national election. This result would return Hasina, the daughter of the country’s founding father Rahman, to the Premiership that she held from 1996 until 2001. If however, the BNP wins by consolidating its Islamic-leaning power base, Zia will reoccupy the nation’s top position that she held from 2001 to 2006.
With the rise of Islamic extremism encouraged by the last two years of military rule and five years of BNP governance, the Awami League will certainly be fighting an uphill battle both before and after the elections in stemming this movement. The ascendancy of Islamists (moulobadi in Bangali) in national politics was partly due to how Zia and the BNP structured their 2001 campaign to include the Islamic party Jamat-e-Islami (JI). When the BNP formed a coalition government with JI, it opened the door to increased Islamic influence on the governing party. Before JI became part of the ruling coalition, it had minimal influence on the government. The greatest number of seats that JI had ever garnered in any election prior to 2001 was three. After the BNP allied with JI however, its legitimacy grew within the governing construct.
BNP has begun to rely heavily on JI’s highly focused fundamentalist Islamic base. The Islamists tend to support reunification with the Islamic Republic of Pakistan and do not share the Awami League’s affinity for Rahman and the liberationists that fought Pakistan in the 1970s. The alliance of anti-liberationists, JI, and the BNP has also had direct and indirect involvement with Islamic fundamentalist groups that masterminded 500 coordinated bombings across Bangladesh in 2005. This display of terror was an attempt to showcase their growing power. These shadow groups, namely Jamat-ul Mujahid Bangladesh (JMB), Jagrata Janata Muslim Bangladesh (JMJB) and Harkatul Jihad (HuJi), have been the militant arm of JI. They overtly denounce the Constitution and seek to replace democracy and secularism with a governing construct based on Sharia Law.
Islamic extremism is also on the rise in Bangladesh because of the growing numbers of Islamists in the military. The Islamists cleverly began growing their numbers within the Army by training for the Army Entrance Exams at madrassas. This madrassa training was necessary because of the relative difficulty associated with passing these exams. The military is attractive because of both its respected status and its high employment opportunities in a country where unemployment ranges from 20 percent to 30 percent for younger males. High demand for military posts has resulted in an entrance exam designed to limit the number of recruits. Before this madrassa Entrance Exam campaign, only 5 percent of military recruits came from madrasses in 2001. By 2006, at the end of the BNP’s reign, madrassas supplied nearly 35 percent of the Army recruits. In a country that has seen four military coup d’états in its short 37 year history, the astronomical growth of Islamists in the military is troubling to say the least.
Toward Renewal: A Secular Plan
As the country was founded on a secular system of governance, the entire political system is now vulnerable. Can the Awami League stop the growing tide of Islamism in a country that has seen the sale of burkas rise nearly 500 percent in the last five years? The answer is yes if it implements the following secular renewal plan. First, it must modernize the curriculum of the madrasses. Second, it must build proper, secular elementary schools and hospitals. Third, it should increase the recruitment of secular-minded students into the military from secular cadet academies. Fourth, it must attempt to rehabilitate known extremist clerics. Lastly, and perhaps the most abstract solution, it must push to vanquish Bangladeshi poverty and illiteracy that consistently ranks among the worst in the world. This plan would make the country less hospitable to a growing Islamist movement and help return Bangladesh to its secular roots
Since madrassas are educational institutions within the country, they are under the purview of the country’s educational ministry. While almost all funding for these institutions comes from private donors in Saudi Arabia, there is no statute against their regulation by proper national authorities. Furthermore, nowhere in Islam or the Koran does it say that science, math, and history cannot be taught alongside religion. This enlightened education would show students that there is more to the world than only religion and that there are additional opportunities to earn a livelihood than merely religious or radically religious pursuits.
Build Effective, Secular Elementary Schools and Hospitals
Too often, the excuse that Bangladesh is a poor country is offered to counter the idea that proper, secular schools can be built. In reality, funding from international organizations and domestic tax revenue is sufficient to build these schools if they are a high enough priority. They should be, and each student should be taught to read and write and understand basic math and science. These schools would be a deterrence to the monopoly on education that madrassas currently enjoy. Relying on Saudi and Kuwaiti funding that dictates rote Koranic memorization is counterproductive for a nation that desires growth, productivity, and a brighter future, because it limits the population’s skill-set. Currently, madrasses have the advantage, because they recruit from poor families with many children; promising to feed and educate one or two children who are not absolutely necessary for the harvesting of crops. Secular schools could be a popular alternative to the madrasses that have been so attractive to poor farmers. The national government could help by building free secular schools and encouraging families to send their children by providing a small stipend to offset the lost income tied to not having children in the fields.
This same idea of providing a viable alternative to Islamic-leaning institutions can be applied to hospitals. When people are sick or dying, they are most vulnerable, and Islamic hospitals capitalize on this to convert Bangalis to a more extremist lifestyle. Secular hospitals would serve as an antidote to the Islamism that is propagated in these Islamic hospitals.
Increase Recruitment into the Military from Secular Schools
To counter the increased military recruitment from the madrassas, more youths—especially the secular-minded—must also be taught how to pass the Army’s Entrance Exams. It is not enough to desire more secularly-taught youth to enter to the military, but the plan must place them on the same playing field with the madrassa recruits. Instead of outwardly restricting madrassa training for the Entrance Exams, secular school Entrance Exam training would counter JI’s strategy to Islamify the military and thus the nation. An alternative source of recruits could switch back the military’s ideological balance to a more secular recruit base.
Rehabilitate the Extremist Clerics
The Bangladeshi government should ask moderate Muslim clerics to issue fatwas contrary to the Jihadist movement and its extreme clerics. While fatwas are technically illegal in Bangladesh, they regularly occur and people continue to live by them. Thus, the use of fatwas to dissuade potential Islamists from following extremist preaching could do much to stem the growth of extremism. This proposal would first require the identification of moderate clerics.
This rehabilitation campaign would also target extremist clerics and pressure them to recant and recall their previous incendiary remarks. This would have an incredible impact in cutting off the cancer of Islamic extremism at the root. Peter Bergen, a counterterrorism expert, has compared this type of intervention on the part of clerics to religious chemotherapy that eradicates extremism. Since only a small number of extremist clerics around the world spawn a disproportionately high number of jihadists, this targeted chemotherapy would remove the instigators of violence. In fact, Bergen has stated that three clerics living in Britain, Sheik Omar Bakri Mohammed, Abu Hamza Al Masri, and Abu Qatada, have had a critical influence on global terrorism. By removing the few, radial clerics around the world, Islamism will whither on the vine.
Bangladesh should attempt to replicate the recent successes in Saudi Arabia and Egypt to force the hand of extremist clerics to recant their past remarks and speak out against jihadists. They have even used moderate and reformed clerics to retrain jihadists in prison with a more moderate interpretation of the Koran. Heading the list of notable ex-extremist cleric success stories is the Saudi religious scholar Sheik al Oudah. Lending to his credibility within the jihadist movement, he was the founder of the Islamic awakening movement in the 1980s known as Sahwa. In September 2007, he began to criticize Osama bin Laden, stating that al Qaeda’s leader had “hijacked Islam.” While Oudah believed he was unable to influence bin Laden himself, he wanted to inform bin Laden’s followers about the problems with al Qaeda. The transformational impact of Oudah on future jihadist recruitment and retention within al Qaeda has been enormous and his further exposure can only hurt the jihadist movement.
Sayyid Imam al Sharif, aka Dr. Fadl, is another significant cleric who has turned his back on extremism and jihad. As the ideological godfather of al Qaeda and Ayman al-Zawahiri’s mentor, Dr. Fadl published the Bible of modern jihad called, “The Basic Principles in Making Preparation for Jihad.” He also provided the religious basis for the idea that Muslims martyring themselves in an act of jihad go straight to paradise. Then, in November, 2007, Fadl momentously withdrew his support for al Qaeda in the blistering book entitled “Rationalization of Jihad.” Fadl later called bin Laden and Zawahiri “extremely immoral” and cautioned Muslim youth against being “seduced by them.” With similarly influential clerics in Bangladesh, the government must utilize them to show how Islamists within their own country have hijacked religion for political reasons.
The significance of Oudah’s and Fadl’s reversals cannot be overstated. Whether they were products of the new reprogramming initiatives or not, these rehabilitation programs in the Middle East and Asia have thus far had an excellent track-record and should be attempted in Bangladesh for both radical clerics and captured militants. Saudi Arabia and Afghanistan currently run very effective programs in which those rehabilitated persons must sign forms agreeing to avoid jihadist activity. In honor-based societies, those family members and local clerics that pick up their ex-jihadist from prison agree to ensure there is no relapse. In Saudi Arabia, this type of program is called de-radicalization and in Afghanistan it is amnesty. Semantics aside, Yemen, Indonesia, Egypt, and Singapore have also followed suit with similarly effective retraining systems
In the 500 separate bombings by Islamists in 2005 in Bangladesh, 82 Islamists remain in prison and should undergo this type of rehabilitation program. The power of moderate clerics working in prisons and using their religious backgrounds to debunk violent interpretations of the Koran has paid huge dividends in dissuading jihadists from returning to action. This policy will work in Bangladesh as well.
Reduce Poverty and Illiteracy
Islamists have capitalized on the poverty-stricken nature of Bangladeshis in recent years. They have harnessed the age-old recruiting technique of telling the people that they are destitute and that only complete servitude and support for an Islamic state and a radical interpretation of Islam will solve their problems. Many poor Bangladeshis have fallen prey to this line and have begun to internalize the hope for a better life in an Islamic state. If, however, poverty is reduced and Bangalis see the potential for progress, they will not be as beholden to radical Islam. Simply put, if the economy gets better, the grip of JI and Islamists will weaken.
The numbers from the last term of the secular Awami League speak for themselves. With Sheikh Hasina’s five year term bookended by the BNP, it is relatively easy to see the effect of secularism on the country. From 1996 at the start of her term to 2001 when she left, the poverty rate decreased from 58 percent to 40 percent, literacy rate increased from 45 percent to 66 percent, longevity was extended from 57 to 64 years, foreign investment from the United States rose from US$20 million to US$2 billion, inflation dropped from 6.4 percent to 1.59 percent, and GDP growth increased from 4 percent to 6 percent. Also of great import, the national food deficit of 4.5 million metric tons was transferred into a 2.6 million metric ton food surplus by the end of her term. Moreover, the focus on education, jobs, food-growth, and secular government kept the numbers of Islamists within the government down and marginalized the power of JI.
The success story of Sheikh Hasina was nullified by questionably administered elections in 2001; however, the Awami’s loss allows us to see the deleterious effect of the BNP and JI on the country. In 2006, after five years of BNP-JI rule, poverty increased again from 40 percent to 48 percent and the literacy rate fell from 66 percent to 63 percent. The military caretaker government has only aided in this downward death spiral that has seen poverty increase, literacy decrease, and the growth of Islamism. Notwithstanding the systemic corruption introduced since 1975 by past military dictators, the correlation of secularism and positive results is difficult to dispute in Bangladesh.
If Sheikh Hasina and the Awami League win the upcoming December election, this downward trajectory of poverty, literacy, and Islamism will be averted. This de-radicalization plan has great potential for success. The Bangladeshi people are starting to see the connection between secularism and success in Bangladesh. The time is ripe for them to support these initiatives. In the careful balancing act between Islam and governance in a Muslim country, it appears that the pendulum has tipped to the side of secularism. The Awami League must build on this momentum to ensure its long-term success.
থিসিসে জয় ও তার সহযোদ্ধাদের বিজ্ঞাপিত পরিচয়-
[Sajeeb A. Wazed is an adviser to Sheikh Hasina, the former Prime Minister of Bangladesh and President of the Awami League, the largest and oldest political party in Bangladesh. He has been a key negotiator for the Awami League on several occasions, most recently in the negotiations for the restoration of democracy in Bangladesh with the present military government. He has a Master's in Public Administration from Harvard's Kennedy School of Government]
[Carl J. Ciovacco graduated from the Kennedy School of Government with a Masters of Public Policy in International Security and Political Economy. His recent thesis on Al Qaeda's media strategy and was written for the Combating Terrorism Center at West Point. He received his Bachelor of Science in International Relations from West Point and served as an Army officer in Iraq and Saudi Arabia.]
তথ্য সূত্র:http://www.harvardir.org/articles/1784/3/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28873952 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28873952 2008-11-25 14:31:33
বালিকার হাত ও কপাল পোড়ার হাত আজ আমার ২০ তম শুভ জন্ম দিন। বালিকা নির্দেশ করেছেন আমি যেন তার স্কুলের সামনে দাড়াই। তিনি এ স্কুলের ক্লাস টেনের শিক্ষার্থী। স্কুল থেকে পুঁচকা মেয়েরা একে একে বের হচ্ছে। আর তাদের মায়েরা রিক্সা ঠিক করে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিচ্ছেন। কিন্তু তিনি তো আসছেন না। ঘড়িতে দেখলাম আড়াইটা পার হয়েছে। কয়েক বার ফোন করলাম। ফোনও বন্ধ। অষ্টম বারে ফোন ধরল। হ্যালো বলতেই বয়স্ক এক মহিলা জিজ্ঞেস করলেন কে বলছেন। পুরান ঢাকাই গলার উপর প্রমিত বাংলা উচ্চারণে কিছুটা শাসালো জিজ্ঞাস্যই মনে হলো। কিছুক্ষণ চুপ করে থাকলাম। ওপাশ থেকে এবার ফোঁস করে ওঠলেন, কে? কে বলছেন? কথা বলছেন না কেন? আমি মিন মিন করে বললাম খালামনি আমি? আমি মানে, এমন প্রশ্নের উত্তরে আমাকে বলতেই খালামনি ইউনিভার্সিটি থেকে খোমেনী বলছি। এবার ভদ্র মহিলা বললেন, অই বাঁদরামি করো নাকি? আমার খান্দানের কেউ ভার্সিটিতে পড়ে না। মেট্টিক পাশ করতে পারে না আবার ভার্সিটি বলতে বলতে ফোনটা তিনি রেখে দিলেন। হাফ ছেড়ে বাঁচলাম। কিন্তু ও কেন আসছে না, ভাবতে ভাবতে খুব হতাশ হয়ে পড়লাম।
ঠিক এমন সময়। বালিকা কণ্ঠে কেউ একজন জিজ্ঞেস করলো, ‌এই তুমি কী খোমেনী? পেছনে ফিরে তাকিয়ে দেখি এক মহা সুন্দরী শ্যামা বালিকা। স্কুল ড্রেস পড়া। বড় রশির মতো দুটো চুলোর বেনী ঝুলে আছে বুকের দুপাশে। আমি হা করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম। তিনি আবারও জিজ্ঞেস করলেন আপনি কী খোমেনী ইহ্সান? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন? আমি খুব লাজুক কণ্ঠে বললাম, জ্বী আমি খোমেনী। আপনি কী অর্নিমা আপু? এ কথা শেষ হতেই তিনি রেগে তেলে বেগুনে আগুণ!
মূর্খ। গাধা। আহাম্মক!!
আমি অর্নিমা আপু। এই ইউনিভার্সিটিতে পড়ো! বালিকার রাগ দেখে আমি তো সত্যিই আহাম্মক। আসলে আমি কী করবো বা বলবো বুঝতে পারিনি। জীবনে প্রথম ঘটনা। তাকে ভুল করে আপু বলেছি। যদিও ফোনে তার সাথে হরদম আলাপ চালিয়ে যেতে আমার কোন বেগ পতে হয় নি। কিন্তু সামনা সামনি আমি খুব বড় ধরা খেয়ে গেলাম। তিনি এতো সুন্দর। তাতেই আমি খেই হারিয়ে ফেলেছি।
তিনি হাত বাড়িয়ে আমার হাতটা ধরে বললেন চলো। আমার হাতের উপর তার হাত। রীতিমতো কাপতে লাগলাম। আমার হাতটা চট করে তিনি ছুড়ে ফেললেন। স্কুল থেকে পাঁচ গজের মতো সামনে এসেছি। রাস্তার মধ্যেই তিনি যেন চিৎকার উঠলেন। এই মূর্খ তুমি কাপছো কেন? আমি কী বাঘ-ভাল্লুক। আমি অস্ফুট স্বরে বললাম, আপনি এত্তো সুন্দর!!!!!!!!

চলবে.........]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28873590 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28873590 2008-11-24 16:46:19
বাংলাদেশে কারো কল্লা জিরাফের সমান উচু নয়, ইতিহাস বদলে দেয়ার ক্ষমতাও কারও নেই
বেটারা পেয়েছে কী?
চাপা পিটায়া সব তক্তা বানাচ্ছে।
হাওয়াই মিঠাই খেয়ে মিষ্টিমিষ্টি বয়ান ছাড়তেছে।
গোয়ার্তুমি করে ওরা নাকি ইতিহাসের গতিমুখ বদলে দেবে।
অতীতের লড়াই-সংগ্রামের সব অভিজ্ঞতা নাকচ করে দেবে।
সাংবাদিক(কার্যত হাম্বাদিক) দেখলেই কল্লা উচায়া সব শালা কথার খই ফুটায়। মানুষের বাচ্চা বলে কাউরে জ্ঞান হয় না। কল্লা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। জিরাফের সাথে পাল্লা দেয়ার আহাম্মকি হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে আগামী ১৮ ডিসেম্বরে নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ওরা চলে যাবে।
বাহ! কী সুন্দর কথা ও প্রস্থান পরিকল্পনা।
এত্তো ফালতু মিথ্যা কথা আর কী হতে পারে!
যে ঘোড়ারা দাড়ায়া ঘুমায় তারাও তো বিশ্বাস করে না।
অথচ শোয়া-বসা অন্দর-বাইরের রাজনীতিবিদরা বিশ্বাস করে বসে আছে।

এমন অবৈধ দখলদারির অবসান পৃথিবীতে এভাবেই হয়নি, হতে পারে না। হতে দেয়া হয় না। বিশেষ করে পূর্ব বঙ্গে এমন নজির কোন কালেই ছিলনা। তাই এ আশা বাতুলতা মাত্র। ইয়াহিয়া খানের মতো মানুষের '৭০ জুরে কুচকাওয়াজ করলেও শেষে কিন্তু মানচিত্র অর্ধেক খুইয়ে প্রায়শ্চিত্ত করেছে। জিয়া নিহত হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করেছে। এরশাদ শত শত ছাত্র, তরুণ, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের রক্তে হাত লাল করে তবেই কিনা ক্ষমতার মসনদ থেকে ভেগেছে। এখন?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28871463 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28871463 2008-11-20 00:29:19
বাংলাদেশে কারো কল্লা জিরাফের সমান উচু নয়, ইতিহাস বদলে দেয়ার ক্ষমতাও কারও নেই
বেটারা পেয়েছে কী?
চাপা পিটায়া সব তক্তা বানাচ্ছে।
হাওয়াই মিঠাই খেয়ে মিষ্টিমিষ্টি বয়ান ছাড়তেছে।
গোয়ার্তুমি করে ওরা নাকি ইতিহাসের গতিমুখ বদলে দেবে।
অতীতের লড়াই-সংগ্রামের সব অভিজ্ঞতা নাকচ করে দেবে।
সাংবাদিক(কার্যত হাম্বাদিক) দেখলেই কল্লা উচায়া সব শালা কথার খই ফুটায়। মানুষের বাচ্চা বলে কাউরে জ্ঞান হয় না। কল্লা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। জিরাফের সাথে পাল্লা দেয়ার আহাম্মকি হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে আগামী ১৮ ডিসেম্বরে নির্বাচন করে নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ওরা চলে যাবে।
বাহ! কী সুন্দর কথা ও প্রস্থান পরিকল্পনা।
এত্তো ফালতু মিথ্যা কথা আর কী হতে পারে!
যে ঘোড়ারা দাড়ায়া ঘুমায় তারাও তো বিশ্বাস করে না।
অথচ শোয়া-বসা অন্দর-বাইরের রাজনীতিবিদরা বিশ্বাস করে বসে আছে।

এমন অবৈধ দখলদারির অবসান পৃথিবীতে এভাবেই হয়নি, হতে পারে না। হতে দেয়া হয় না। বিশেষ করে পূর্ব বঙ্গে এমন নজির কোন কালেই ছিলনা। তাই এ আশা বাতুলতা মাত্র। ইয়াহিয়া খানের মতো মানুষের '৭০ জুরে কুচকাওয়াজ করলেও শেষে কিন্তু মানচিত্র অর্ধেক খুইয়ে প্রায়শ্চিত্ত করেছে। জিয়া নিহত হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করেছে। এরশাদ শত শত ছাত্র, তরুণ, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষের রক্তে হাত লাল করে তবেই কিনা ক্ষমতার মসনদ থেকে ভেগেছে। এখন?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28871454 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28871454 2008-11-20 00:11:26
আজ আমাদের সময়ের তরুণদের গায়েন ও স্বজন সঞ্জীবদার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী এই পোস্টটি মুছে যাওয়ায় সেই সন্ধ্যা থেকে অত্যন্ত বিমর্ষ আছি। আমি আমার এই পোস্টটি ফিরে পেতে চাই। আমাকে কী কেউ সাহায্য করবেন। ভাই-বোন সকল এই অধমের প্রতি একটু মেহেরবানী করুন.......প্লিজ...........প্লিজ.........।


সঞ্জীব দা যেখানেই থাকুন না কেন আমার বিশ্বাস তিনি ভালো আছেন এবং ভালো থাকবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28870948 http://www.somewhereinblog.net/blog/biproteepblog/28870948 2008-11-19 00:38:58
মিথ ভাঙ্গতে খালেদা-হাসিনাকে এক পিড়িতে বসিয়ে রাজনৈতিক সংগ্রামের সুযোগ তৈরি হোক