দু বর্ণের অতি পরিচিত নাম। মা অতি ছোট্ট একটি শব্দ। কি মধুর শব্দ।
মা নামটি শুনলেই প্রাণ জুড়ে যায়, শ্রদ্ধায়, গর্বে মনটা ভরে হয়ে যায়।
যে মা গর্ভ ধারণের পর থেকে সন্তানকে লালন পালন করে, কিভাবে এ সন্তান ভাল ভাবে পৃথিবীতে আসে সে চিন্তায় মায়ের ঘুম থাকে হারাম থাকে। ১০ মাস ১০ দিন গর্ভ ধারণের পর কী কষ্টে সন্তান ভুমিষ্ট করেন। সন্তানের মুখ দেখার পর থেকে তার গর্বে প্রাণ জুড়ে যায়। এতটুকুন কষ্ট তার থাকে না। পরবর্তীতে এ সন্তানকে ভালভাবে বড় করার চেষ্টা। কী কঠিন পরিশ্রম। নিজে না খেয়ে না দেয়ে সন্তানকে বড় করে তুলেন।
এক সময় সন্তান বড়, অনেক বড় হয় বিয়ে করে। সেও বাবা হয় কিংবা মা হয়। এক সময় হয়ত সে শ্রদ্ধাময়ী এ মাকে ভুলে যায়, মা কিন্তু ভুলে না। এমনকি মা কোন সন্তান কিসে খুশী তাও তার মুখস্ত। এমনকি বয়স্ক অবস্থায় এতটুকু কষ্ট নেয় না।
আমি অনেক মাকে দেখেছি, সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার সময় কি যে কষ্ট, এমনকি অজ্ঞান পর্যন্ত হয়ে গেছে। তারপরও জ্ঞান ফিরার পর তার প্রথম জিজ্ঞাসা আমার সন্তান কই।
সে গর্ভধারিনী মাকে আমরা কারণে অকারণে কষ্ট দিই। আমরা একটু ভাবিনি আমাদের জন্য কতটা কষ্ট সহ্য করেছে। বাবার কাছে কতনা মিথ্যা বলে বাঁচিয়েছে।
ইসলাম ধর্মে তাই মহান রাব্বুল আলামীন বলেছেন--
মায়ের পায়ের নিচে বেহেস্ত।
এটা একবার বেশ কয়েকবার বলেছেন।
অন্যান্য ধর্মেও মাকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়েছে। তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
আসুন এ বিশেষ দিনটিতে আমরা প্রতীজ্ঞাবদ্ধ হই, আমাদের মাকে কখনো কষ্ট দিব না।
বিশ্বের সকল মায়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। আমার মা, আমার জীবন। মা তোমাকে কখনও ভুলব না। এ হোক আমাদের অংগীকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

