আমার প্রিয় পোস্ট
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- সেক্স ট্রিভিয়াঃ শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্যে , ছোটদের জন্যে এক্কেবারে নিষিদ্ধ - জটিল
- আমার ব্লগে ঘটা সাম্প্রতিক ঘটনাবলী থেকে যা বুঝলামঃ “এখানকার মডারেট (প্রগতিশীল) মুসলমান হিসেবে পরিচয় দেয়ারা শেষ পর্যন্ত নিছক মুসলমানই- তাদের মুসলমানিত্বভরা অনুভূতি আঘাত(!)প্রাপ্ত হলে- তারাও ফ্যানাটিক মুসলিমদের চেয়ে কোন অংশে কম হিংস্র হন না”। - নাস্তিকের ধর্মকথা
- "আয়ান হারসা আলি একজন "মুসলমান-নাস্তিক" শিরোনামে "এস্কিমো" নিকের একটি পোস্টের কাউন্টার পোস্ট :৩ - নাহিদ মাহমুদ
- যুদ্ধশিশু '৭১ এবং আমার অভিজ্ঞতা ... - নজরুল কবীর
- আপডেট : ব্লগারদের প্রিয় কবিতা নিয়ে ই-সংকলন - ফিউশন ফাইভ
- সব ব্লগারের ইমেল এড্রেস সংকলন , আপডেটেড - তারকে
- @আরিফ জেবতিক ভাবার আছে অনেক কিছু - ইউনুস খান
- ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস - হাসান বিপুল
- আরিফুল হোসেন তুহিনের অসামান্য উদ্যোগে সামান্য ভূমিকা রাখতে চাচ্ছি - রিয়াজ শাহেদ
- ব্লগীয় অভিধান কাটাছিঁড়া: 'ছাগু' ও 'কেপি টেস্ট' - ইয়র্কার
- শহীদ জননী জাহানারা ইমাম (সংক্ষিপ্ত প্রোফাইল) - দূরন্ত
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- গা গরম কইরা লন। ( উৎসর্গ - মইন ) - আরণ্যক যাযাবর
কয়েকটা জুক্স : হাইসেন্না কৈলাম 
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৫
গ্রামার কাকে বলে
শিক্ষক ছাত্রকে পড়াচ্ছেন-
শিক্ষক : আচ্ছা, বলতো গ্রামার কাকে বলে?
ছাত্র : যারা গ্রামে থাকে তাদেরকে গ্রামার বলে, বাংলাদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে বাংলা গ্রামার এবং বিদেশের গ্রামে যারা থাকে তাদেরকে ইংলিশ গ্রামার বলে, স্যার।
প্রতিশ্রুতি
চেয়ারম্যান: আমি যদি এবার চেয়ারম্যান হতে পারি তাহলে এই এলাকায় একটি ব্রিজ করে দিব।
জনৈক ব্যাক্তি: এই গ্রামে তো কোনো খাল নেই, আপনি ব্রিজ করবেন কিভাবে?
চেয়ারম্যান: …প্রথমে খাল করব তারপর ব্রিজ করব!
বিছানা কাছে আসেনা
শিক্ষক: ঘুম পেলে আমরা বিছানায় যাই কেন?
ছাত্র : ঘুম পেলেও বিছানা আমাদের কাছে আসেনা তাই।
আপনার মেয়েকে ভালবাসি
যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে-
শিক্ষক: আমি টেবিল ছুয়েছি, টেবিল মাটি ছুয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুয়েছি। এভাবে একটি যুক্তি দেখাওতো।
ছাত্র: আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি।
ট্রাকের নীচে পড়লে কত দিবে
একদিন ছোট ছেলেটি সাইকেলের নীচে পড়ে ব্যথা পেয়ে কান্না করছে । বাবা ছেলেটিকে দুই টাকা দিল এবং ছেলেটি কান্না থামিয়ে বাবাকে বলল, বাবা- সাইকেলের নিচে পরায় তুমি আমাকে দুই টাকা দিলে, ট্রাকের নীচে পড়লে কত দিবে বাবা?
সুন্দরী কন্যা বনাম এক কোটি টাকা
এক জন বিরাট ধনী তার বাগান- বাড়ির পেছনের পুকুরে কুমির পুষতেন। একদিন তিনি তার বাড়িতে বিশাল এক পার্টি দিলেন। নানা জায়গা থেকে বহু লোক এলো সেই পার্টিতে। প্রচুর মদ্যপান আর খাওয়া দাওয়ার পরে পুরাকালের মহারাজদের স্টাইলে ধনী লোকটি ঘোষণা করলেন,যে সাহস করে কুমির ভর্তি পুকুরটি সাঁতরে পার হতে পারবে তাকে তিনি হয় এক কোটি টাকা দেবেন না হয় তিনি তার কাছে তার সুন্দরী কন্যাকে সমর্পণ করবেন।
কথাটি শেষ না হতেই ঝপাং করে একটি শব্দ। দেখা গেল এক জন লোক প্রান পণে সাতরাচ্ছে আর তার পিছনে তিনটা কুমির তাড়া করছে। সবাই পাড় থেকে লোকটা কে অজস্র উৎসাহ জুগিয়ে চলল। লোকটা আবশ্য ভালই সাঁতার কাটে তার উপর প্রাণের মায়া। কোন মতে হাঁপাতে হাঁপাতে অক্ষত অবস্থায় অন্য পাড়ে উঠলো।
ধনী লো্কটি এগিয়ে এসে লোকটির হাত ধরে বললেন, আমি বিশ্বাস করতে পারিনি এত সাহস দেখানোর মত ক্ষমতা কারও থাকতে পারে।
ইয়ং ম্যান তুমি কি চাও? আমার কন্যা, -না এক কোটি টাকা?
লোকটি তখনও হাঁপাচ্ছে। হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আমি আপনার কন্যাকেও চাইনা,আপনার এক কোটি টাকাও পেতে চাই না। আমি শুধু সেই শুয়োরের বাচ্চাটাকে একবার হাতের কাছে পেতে চাই-যে ব্যাটা আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল।
সবাই সেলফোন ব্যবহার করতো
একবার এক সম্মেলনে, একজন বাংলাদেশী এবং একজন আমেরিকান প্রাচীনকালের প্রযুক্তি সম্পর্কে কথা বলছিল, তো কথোপকথনে তারা তাদের নিজ নিজ দেশের অবস্থান আলোচনায় নিয়ে আসেন,
দু'জনের মধ্যেই কথা কাটাকাটি চলছে-
বাংলাদেশী: আমরা প্রাচীন কালে প্রযুক্তি বিদ্যায় অনেক অগ্রসর ছিলাম। তোমাদের মতো সাদা চামড়ার মানুষই আমাদের বর্তমান দুর্গতির কারন।
আমেরিকান: তোমরা তখনও মাথামোটা ছিলে এখনও তাই, প্রযুক্তি ট্রযুক্তি কিছু না, তোমাদের স্থুল বুদ্ধিই তোমাদের দুর্গতির কারন। আর চিকন বুদ্ধির কারনেই আমরা তখন আর এখন দুই সময়েই প্রযুক্তিতে উন্নত।
তো যাই হোক, দু'জনেই তাদের নিজ নিজ যুক্তি পোক্ত করার উদ্দেশ্যে, প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন সংগ্রহের জন্য তাদের স্বদেশে ফিরে গেলেন ।
কিছুদিন পরে, আমেরিকান লোকটি খনন কাজ শুরু করলো এবং খনন শেষে একটি পুরানো পেঁচানো তার উদ্ধার করলো।
তারপর সে সম্মেলনে ফিরে এসে বর্ণনা করলো- আমেরিকান সভ্যতা প্রাচীন কালেও অনেক অগ্রসর ছিলো কেন না এই তারটি প্রমান করে যে সেই সময়ে আমেরিকার মানুষ টেলিফোন ব্যবহার করতো।
এরপর বাংলাদেশী লোকটি দেশে ফিরে খনন কাজ শুরু করলো।
অনেক খোড়াখুড়ির পরেও লোকটি কিছুই উদ্ধার করতে পারলো না।
তো সম্মেলনে ফিরে লোকটি বর্ণনা করলো, বাংলাদেশের সভ্যতা প্রাচীন কালে বর্তমানের চেয়েও বেশী উন্নত ছিলো। তখন গ্রামে গ্রামে সবাই সেলফোন ব্যবহার করতো কেন না খনন কাজে আমরা কোন টেলিফোন তার পাই নি।।
কুকুরের জিভ
শিক্ষকঃ বলতো কুকুর মুখের বাইরে জিভটা বের করে রাখে কেন?
ছাত্রঃ পেছনের লেজটার সঙ্গে ব্যালেন্স রাখতে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফানি, জোক্স ;
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশূ ভাই
কেমন আছেন?
মনপুরা বলেছেন:
সত্যিই বিরক্তিকর, তবে ছবিটা সুন্দর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মনপুরার গান গুলো কিন্তু জোশ ![]()
মারুফ মুনজির বলেছেন:
কিছুটা ভাল লেগেছে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মারুফ
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
ভালোই, ছবি টা দারুণ।
লেখক বলেছেন: কোরিয়ার খপর কি?
অক্ষর বলেছেন:
কৌতুক মোটামুটি



















ছবিটা ফাটাফাটি।