মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি
যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা
যার নদী জল ফুলে ফলে মোর স্বপ্ন আঁকা
যে দেশের নীল অম্বরে মন মেলছে পাখা
সারাটি জনম সে মাটির দানে বক্ষ ভরি
মোরা নতুন একটি কবিতা লিখতে যুদ্ধ করি
মোরা নতুন একটি গানের জন্য যুদ্ধ করি
মোরা একখানা ভালো ছবির জন্য যুদ্ধ করি
মোরা সারা বিশ্বের শান্তি বাঁচাতে আজকে লড়ি
যে নারীর মধু প্রেমেতে আমার রক্ত দোলে
যে শিশুর মায়া হাসিতে আমার বিশ্ব ভোলে
যে গৃহ কপোত সুখ স্বর্গের দুয়ার খোলে
সে শান্তির শিবির বাঁচাতে শপথ করি
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
মোরা একটি মুখের হাসির জন্য অস্ত্র ধরি
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি
গানটির গীতিকার - গোবিন্দ হালদার
সুরকার এবং গায়ক - আপেল মাহমুদ
* যে কিশোরটি নাটাই-ঘুড়ি ফেলে মুক্তিযোদ্ধাদের বুলেটের বাক্স মাথায় নিয়েছিলো সেই কিশোরটিকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম । যে তরুনটি একচোখ স্বপ্ন নিয়ে বুকে মাইন বেঁধে শত্রুর সামনে ঝাপিয়ে পড়েছিলো সেই তরুনটির জন্য আমার একবুক ভালোবাসা । যে যুবকটি মায়ের বেড়ে দেয়া গরম ভাত ফেলে আরেক মা কে বাঁচাতে বুক রক্তাত্ত করেছিলো সেই যুবটিকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম । যে রাখালটি কাঁধের জোয়াল ফেলে মাথায় গামছা বেঁধে রাইফেল হাতে হানাদারের সীমানায় ছুটে গিয়েছিল সেই রাখালটিকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম । যে পৌঢ় লোকটি দুই ক্রোশ হেঁটে হানাদার আক্রমনের আগাম খবর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পৌছে দিয়েছিল সেই পৌঢ় কে আমার সশ্রদ্ধ সালাম । যে শিক্ষকটি দেশ স্বাধীনের দু'দিন আগে রায়েরবাজার ইটের ভাটায় বুকের মাঝখানে গহবর নিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছিলো সেই শিক্ষকটিকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম ...
তোমরা যা বলতে চেয়েছিলে বাংলাদেশ আজ তা বলছে না । আমরা মার্চের ২৬ তারিখ এলে গরম চায়ের কাপ হাতে পত্রিকায় সাদাকালো রিক্সাওয়াটাকে ঢাকার রাস্তায় কুকুরের মত পড়ে থাকা ছবি টা একপলক দেখে পাতা উল্টে খেলার খবরে চলে যাই ।
ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ এলে রাজাকার শুয়োরের বাচ্চারা সবার সাথে বিশাল তোড়া হাতে স্মৃতিসৌধে নোংরা পা রাখে ।
সারাবছর দুটো দিনে তোমাদের কথা স্মরন করে আমরা সরকারি ছুটি উপভোগ করি ।
তোমরা রক্তমাখা বুকের বিনিময়ে যে জমিটি এনে দিয়েছিলে , সেই জমির আকাশে আজো ওড়ে তোমাদের লাশ ঠুকরে খাওয়া শকুনেরা.....
ছবির সূত্র : http://flickr.com/photos/kaktarua/2422421623

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

